সর্বশেষ সংবাদ-
বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে ডিসির কাছে আমানতকারীদের আবেদনমির্জা ফখরুল ও রিজভীকে অভিনন্দন জানিয়ে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিলদেবহাটায় স্থানীয় পর্যায়ে যুব ও শিশু ফোরামের বার্ষিক সমাবেশ  সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত পরিবারের মাঝে কোটি টাকার চেক বিতরণ সাতক্ষীরায় সোহাগ পরিবহনের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যুসাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধনদেবহাটায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেদের উৎপাত : উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাভারতের উপকূলে জাহাজ ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সাতক্ষীরার মামুন : উদ্বিগ্ন পরিবারদেবহাটায় শিশু শ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণাদেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরা

মীর কাসেম আলী

মীর কাসেম আলী

স্বদেশ: মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি মীর কাসেম আলীর রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) রায় ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার। রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকবে কি না তা জানার অপেক্ষায় এখন সারা দেশের মানুষ।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। বেঞ্চের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে থাকবেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
গত রোববার এ বিষয়ে শুনানি শেষে রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করা হয়।
শুনানি চলার সময় খন্দকার মাহবুব হোসেন আদালতে জানান, যে অভিযোগে মীর কাসেম আলীর ফাঁসি বহাল রাখা হয়েছে সে অভিযোগটি প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছিল প্রসিকিউশন। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এমন কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আদালতে উপস্থাপন করতে পারেননি প্রসিকিউশন।
মীর কাসেম আলী একজন সমাজসেবক এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন জানিয়ে আদালতের কাছে তাঁর দণ্ড কমিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন খন্দকার মাহবুব।
অন্যদিকে শুনানি চলাকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, মীর কাসেম আলী চট্টগ্রামের ডালিম হোটেলে যে নির্যাতনে অংশ নিয়েছেন তা দিবালোকের মতো সত্য এবং প্রসিকিউশন তা আদালতে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য কোনো রায় দেওয়া হলে নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর অবিচার করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গত ২৪ আগস্ট মামলাটির শুনানি শুরু হয়। ওই দিন মীর কাসেমের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের করা সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রোববার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি ঘোষণা করেন আদালত। এর আগে গত ২৫ জুলাই রিভিউ শুনানির জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয় মীর কাসেম আলীকে। তাঁর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন রিভিউ শুনানির জন্য দুই মাসের সময় আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এক মাসের সময় মঞ্জুর করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সময় আবেদনের বিরোধিতা করেন। গত ১৯ জুন আপিল বিভাগের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন মীর কাসেম আলী। এতে ১৪টি আইনি যুক্তি তুলে ধরে তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৬ জুন প্রকাশ করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোর জসিমসহ ছয়জনকে হত্যার দায়ে গত ৮ মার্চ মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় বহাল রেখে আদেশ দেন আদালত। পরে ৭ জুন তাঁকে মৃত্যুর পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয়।

মামলার সারসংক্ষেপ: ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের রায়ে মীর কাসেমের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে দুটিতে (১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগ) মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া চারটি অভিযোগে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়।
১১ নম্বর অভিযোগে রয়েছে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ ছয়জনকে আটক, নির্যাতন ও হত্যার বিষয়টি। এ অভিযোগে বিচারকরা সর্বসম্মতিক্রমে মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। ১২ নম্বর অভিযোগে রয়েছে রঞ্জিত দাস ও টুন্টু সেনকে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ। এ অভিযোগে বিচারকদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় দেওয়া হয়। ১১ ও ১২ নম্বর ছাড়া বাকি ১২টিই অপহরণের পর আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ মীর কাসেমের বিরুদ্ধে।
প্রমাণিত অভিযোগগুলোর মধ্যে ২ নম্বরটিতে মীর কাসেমকে ২০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ৩, ৪, ৬, ৭, ৯ ও ১০ নম্বর অভিযোগে তাঁকে সাত বছর করে মোট ৪২ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ১৪ নম্বর অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। এই আটটি অভিযোগে তাঁকে ৭২ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। তবে ১, ৫, ৮ ও ১৩ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে এসব থেকে খালাস (অব্যাহতি) দেওয়া হয়।
ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় মীর কাসেম আলীর পক্ষে আপিল করেন জয়নুল আবেদীন তুহিন। মীর কাসেমের পক্ষে ১৮১টি যুক্তি দেখিয়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে এ আপিল করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগিতায় ছাত্রসংঘের বাছাই করা সদস্যদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র আলবদর বাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কমান্ডার হিসেবে মীর কাসেম আলী মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটান, তা ট্রাইব্যুনালের রায়ে প্রমাণিত হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে ২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ। এ মামলা এখন পূর্ণাঙ্গ রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে। এটি আপিলের ষষ্ঠ রায়।
এ ছাড়া আপিলে চূড়ান্ত পাঁচটি রায়ের পর চারটিতে জামায়াতের দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।
আপিলের আরেক রায়ে জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়। রায় রিভিউ চেয়ে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষ এরই মধ্যে আবেদন দাখিল করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e3ca05a9d8a07e7020ed03c5d9753baf-57c4a1b67fcfaঅপ্রত্রিম: না, কোনও রূপকথা নয়। কোনও মেগা সিরিয়াল-সোপ অপেরা অথবা প্যাকেজ নাটক কিংবা পরাবাস্তব সিনেমার কল্পিত দৃশ্যকাব্য অথবা জাদুবাস্তবতার নিরিখে লেখা উপন্যাসও নয়। এটি একটি বাস্তব ঘটনা, ৪ বছর বয়সী ছোট বোনকে বাঁচাতে গিয়ে ৮ বছর বয়সী বোন একরকম আত্মাহুতিই দিয়েছে।

ইতালির ভূমিকম্পে নিহত মানুষদের সারিবদ্ধ কফিনের মধ্যে থাকা এক বাক্সে বন্দি হয়ে রয়েছে স্বজনের জন্য আত্মাহুতির চিরায়ত মানবিক বোধের সেই গল্প। রয়েছে জীবনের জয়ী হওয়ার এক আখ্যান। সেই গল্প তুলে এনেছেন ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দেশটিতে উদ্ধারকর্মে অংশ নেওয়া মানুষেরা।

গত ২৩ আগস্ট (মঙ্গলবার) ভূমিকম্পে প্রাণ হারানো প্রায় ৩শ’ মানুষের শোক নিয়ে শনিবার ৩৫ জনের গণ-শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। আসকোলি পিচেনো শহরের একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয় নিহতদের কফিন। এই কফিনগুলোর মধ্যে দুইটি সাদা বাক্সে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত শিশুদের দেহ রাখা আছে। একটি কফিনে চিরতরে ঘুমিয়েছেন এক আট বছরের শিশু জিউলিয়া রিনালদো। ছোট বোন জর্জিয়াকে বাঁচাতে গিয়েই নাকি সে নিজে মরেছে!

উদ্ধারকর্মীদের বিশ্বাস, জিউলিয়ার তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তেই বেঁচে যায় জর্জিয়া। সে নিজেকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বোনকে বাঁচাতে চেয়েছে। জিউলিয়ার কফিনের ওপর একটি ছোট নোট লিখে দিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। তারা লিখেছেন, ‘শোন, ছোট্ট সোনা, আমরা তোমাকে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে বের করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কি দুর্ভাগ্য, সময়মতো সেখানে পৌঁছাতে পারিনি।’

নোটটি লিখেছেন আন্দ্রিয়া নামের এক উদ্ধারকর্মী, যিনি জিউলিয়ার দেহ ও জর্জিয়াকে উদ্ধারের সময় সেখানে ছিলেন। আন্দ্রিয়া আরও লেখেন, ‘আমরা দুঃখিত, তোমাকে বাঁচাতে পারিনি। কিন্তু বিশ্বাস করো, তোমাকে বাঁচানোর জন্য যা যা প্রয়োজন সবই আমরা করেছি। আমি যখন বাড়ি ফিরেছি, তখনও জানি, উপর থেকে এক দেবদূত আমাকে দেখছে। জিউলিয়া, যদিও আমি তোমাকে চিনতাম না, কিন্তু আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

পিসকারা দেল ত্রন্তো গ্রামের বাসিন্দা ছিলো ওই দুই ছোট্ট মেয়ে। দুর্যোগের পর যখন উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছায়, ততক্ষণে কেটে গেছে ১৬ ঘণ্টা। শিকারী কুকুররা শুঁকে শুঁকে বের করে জর্জিয়ার অবস্থান। মেয়েটি  ভেঙ্গেচুরে যাওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের তলায় ১৬ ঘণ্টা ধরে মৃত বড় বোনের কোলের মধ্যে বেঁচে ছিল।

শনিবার, জিউলিয়ার শেষকৃত্যের দিন ছিল জর্জিয়ার জন্মদিন, পাঁচ বছরে পড়লো সে।

শেষকৃত্য সম্পাদনকারী বিশপ জিওভানি ডি’ইরকোল বলেন, ‘বড় বোনটি ছোট বোনকে বাঁচাতে চেয়েছিল। ছোট বোনকে পাওয়া গেছে ভীতসন্ত্রস্ত, পুরো মুখে ধুলো মাখা। যেন জীবন ও মৃত্যুর আলিঙ্গনে। তারপরও জীবনের জয় হয়েছে। কেননা, ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া পুনর্জন্ম পাওয়ার মতোই সৌভাগ্যের বিষয়।’

উদ্ধারের পর থেকে জর্জিয়া এখনও কোন কথা বলেনি। তার ওপর দিয়ে যে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে গেছে, তার আঘাত এখনও সামলে উঠতে পারেনি পাঁচ বছরে পা দেওয়া ছোট্ট মেয়েটি। তবে কেবল বিশপ নন, অনেকেই এই ঘটনাকে বড় বোনের আত্মাহুতিতে ছোট বোনের পুনর্জন্মের মতো করেই দেখছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

160821144847_usain_bolt_640x360_ap-1অপ্র‌তিম: অলিম্পিকে মোট নয়টি সোনা জয় করেছেন জ্যামাইকান স্প্রিন্টার উসাইন বোল্ট।

কিন্তু বোল্টের সোনা জয়ের পেছনের রহস্য বের করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ভারতের বিজেপির সংসদ সদস্য ও দলিত নেতা উদিত রাজ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতের দলিত নেতা উদিত রাজ মন্তব্য করেছেন, উসাইন বোল্টের এমন সোনা জয়ের সাফল্যের কারণ হলো তিনি গরুর মাংস খান- আর এই মন্তব্য ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

গো-মাংস নিয়ে এমন মন্তব্যের কারণে মানুষের তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়তে হচ্ছে রাজকে।

রাজ টুইট বার্তায় লিখেছিলেন, “জ্যামাইকান উসাইন বোল্ট গরীব ছিলেন। তাঁর প্রশিক্ষক তাঁকে গরুর মাংস খেতে বলে এবং সে অনুযায়ী চলার কারণে অলিম্পিকে নয়টি সোনা জয় করতে পেরেছেন উসাইন বোল্ট”।

আর এরপরেই টুইটারে নানা ধরনের মন্তব্য আসতে থাকে।

একজন মন্তব্য করেন, “বিজেপির এই এমপি উসাইন বোল্টের নাম নিয়ে মানুষকে গরুর মাংস খেতে উৎসাহিত করছেন”।

দিলিপ জেইন নামে একজন লিখেন, “এটা একটা অর্থহীন টুইট, আশা করি রাজ তাঁর পরবর্তী টুইটে এর সংশোধন করবেন”।

তা অবশ্য করেছেন উদিত রাজ।

বিতর্ক জোরালো হবার পর গো-মাংস ও বোল্ট নিয়ে নিজের টুইটের ব্যাখাও দেন তিনি।

রাজ লিখেন, ”আমি গরুর মাংস খেতে মানুষকে উৎসাহ দেইনি। আমি শুধু বুঝানোর চেষ্টা করেছিলাম গরিব হয়েও উসাইন বোল্ট কিভাবে এতগুলো সোনা জয় করতে সক্ষম হলো”।

“বোল্টের সাফল্য দেখে যেন আমাদের খেলোয়াড়েরাও উৎসাহী হয় সেটাই আমি চাইছিলাম। বুঝাই চাইছিলাম, পরিকাঠামো ছাড়াও অর্থ না থাকলেও মনের জোর থাকলে সাফল্য পাওয়া যায়”-টুইটারে এমন ব্যাখ্যা দিয়েছেন উদিত রাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3f7273707db5e988478d379b5c12a93a-57c4794cd068eস্ব‌দেশ: চাঁদপুরে স্কুলের বেতন ও পরীক্ষার ফি দিতে না পারায় প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবোস করার অপমান সইতে না পেরে সাথী আক্তার (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার দুপুরে জেলা সদরের বাগাদী ইউনিয়নের মধ্য বাগাদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাথী স্থানীয় বাগাদী গনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা ওই স্কুলে ভাঙচুর করে ও সাথী আক্তারের সহপাঠীরা ফাতেমা বেগমকে দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে।

সাথীর বাবা হতদরিদ্র দেলোয়ার হোসেন তালুকদার চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজারে একটি তেলের আড়তে শ্রমিকের কাজ করে।

সাথীর সহপাঠী ও স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়নের মধ্য বাগাদী তালুকদার বাড়ির শ্রমিক দেলোয়ার হোসেন তালুকদারের ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া সাথী আক্তার গত ২৭ আগস্ট শনিবার পরীক্ষার প্রথম দিন বেতন ও পরীক্ষার ফি’র বকেয়া টাকা না দেওয়ায় বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমা বেগম তাকে রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে কান ধরে ওঠবোস করান। এরপর সাথী বাড়িতে এসে বিষয়টি বাবা-মাকে জানান। কিন্তু পরদিন পূর্ণ বকেয়া টাকা না দিতে পারায় সাথী আর পরীক্ষা দিতে যায়নি। পরে অভিমানে বেলা ১১টার দিকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ও সাথী আক্তারের সহপাঠীরা ফাতেমা বেগমকে দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল গাজী বলেন, ‘স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় স্কুলে ভাঙচুরের খবর পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানাই। ঘটনাস্থলে গেলে ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা ওসির কাছে কান্নাকাটির ঘটনা সম্পর্কে জানান। মেয়ের বাবা বলেছেন, বেতনের জন্য রোদে দাঁড় করিয়ে রাখে। আজ (সোমবার) ৩৮০ টাকা তাকে দেই, কিন্তু ২০ টাকা কম ছিলো। এ জন্য সে আর আজ  পরীক্ষা দিতে যায়নি।

স্কুলের শিক্ষার্থীরা জানায়, এই অফিস সহকারী ফাতেমা বেগম সকল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায়ই খারাপ আচরণ করেন।

এদিকে চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অলিউল্লাহৎ বলেন, ‘স্কুলে ভাঙচুরের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, স্কুলে দাঁড় করিয়ে রেখেছে, তাই সে টাকা ছাড়া পরীক্ষা দিতে স্কুলে যাবে না। পরে সে সুইসাইড করে। তবে মামলা হবে, তদন্ত হবে এরপরই বিস্তারিত বলা যাবে।’

স্কুলের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি হজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আছি। আপাতত আমার কাছে হজটাই মুখ্য।’

প্রধান শিক্ষকের অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব কে পালন করছেন তা জানতে চাইলে তিনি জানান, কাউকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান করা হয়নি।

পরে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। এটি মর্মান্তিক এবং অত্যন্ত দুঃখজনক। পারিবারিক সমস্যার কারণে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC01700 (Medium)মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসব মুখর পরিবেশ ৪৫তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সাতক্ষীরা পি.এন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর -২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার প্রমুখ। সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পিএন স্কুল এন্ড কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মোঃ হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা খাতুন, নবারুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আমিনুর রহমান (উল্লাস), ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবু, ক্রীড়া শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, মোঃ জাহিদ হাসান, মনোরঞ্জন মন্ডল, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মোমেনুর রহমান, মোঃ আনিছুর রহমান, লাবনী দত্ত, মোঃ রবিউল ইসলাম, ইকবাল আলম বাবলু, মোঃ আবু সাঈদ, মোঃ আব্দুর রউফ, মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ গ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tala Picture (29.08.16) (Medium)সেলিম হায়দার, তালা: তালা উপজেলার জাতপুর সমকাল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ এর শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল পোষাক (ইউনিফর্ম) বিতরণ করা হয়। সোমবার সকালে সমকাল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমকাল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন। শিক্ষক স্বদেশ কুমার মল্লিকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতপুর-আলাদীপুর বাজার কমিটির সভাপতি এসএম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসান সরদার, বিদ্যাপীঠ উন্নয়ন কমিটির আব্দুল হাই, সমাজ সেবক ইয়াকুব আলী বিশ্বাস, প্রাক্তন শিক্ষক আবাদুস সবুর, আবুল হাসান সরদারসহ বিদ্যাপীঠের ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ, অভিভাবক, শিক্ষক, সাংবাদিক, ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থানীয় সুধী মহল। এ সময় স্কুলের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে উক্ত স্কুল পোষাক (ইউনিফর্ম) বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC01710 (Medium)মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরায় জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট মোড়ে (শহিদ আলাউদ্দিন চত্বরে) সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে সাবেক পৌর মেয়র শেখ আশরাফুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা মীর মোশারফ হোসেন মন্টু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক মুনসুর আহম্মেদ, এপিপি এড. আব্দুল লতিফ, এড. নওশের আলী, জয়নাল আবেদীন জোসি, পৌর আ’লীগ নেতা শেখ শফি উদ্দিন সফি, জেলা যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক সাবিহা হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা কামরুল ইসলাম, জিমি প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নারান চন্দ্র মন্ডল, লিটন মীর্জা, আনোয়ার হোসেন মিলন, আসাদুজ্জামান, হযরত আলী বাবু, মতিয়ার রহমান, হকার্সলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল গফ্ফার, মো. সাইফুল ইসলামসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest