সর্বশেষ সংবাদ-
নক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : স্বামীর সম্পত্তির অংশ বুঝে পাওয়া এবং নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের হস্তক্ষেপ চেয়ে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাহিদা আনছারী রুমি নামের এক বিধবা নারী। শনিবার (০৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে সাতক্ষীরার শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় তার সাথে তার একমাত্র কন্যা হুমায়রা আফিয়া রুহিও উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনকারী সাহিদা আনছারী রুমি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের ফয়জুল্লাপুর গ্রামের মৃত এম.এ.কে হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বামী হেলাল উদ্দিনের মৃত্যুর পর আমি এবং অমার একমাত্র কন্যা হুমায়রা আফিয়া রুহি আমার স্বামীর ওয়ারেশ। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয়পক্ষের সামনে আমার কন্যার সম্পত্তি ভাগ করে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। সেখানে আমার একটি ঘরও রয়েছে। কিন্তু স্বামীর ওয়ারেশ হিসেবে আমার এবং আমার কন্যার সম্পত্তির ভাগ না দিয়ে তালবাহানা করে যাচ্ছেন দেবর নাছির উদ্দিন ও শ^াশুড়ি তাহেরা বানু।

তিনি আরও বলেন, এতিমের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে আদালতে নাছির উদ্দিন মামলা দায়ের করে রিসিভার নিয়োগ করেন। আমি আদালতের দারস্ত হলে আদালত স্টে অর্ডার দিয়ে উভয় পক্ষকে স্ব-স্ব স্থানে ভোগ দখলের নির্দেশ দেন কিন্তু আদালতের স্টে অর্ডার না মেনে আমার দেবর ও শ^াশুড়ি বাগানের লক্ষ লক্ষ টাকার আম পেড়ে বিক্রি করে আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাহিদা আনছারী রুমি আরও বলেন, গত ৪ এপ্রিল ভোরে আমি, বড় বাজার কাঁচা ও পাকামাল ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক রজব আলী ও ভূমিহীন নেতা রিয়াজুলসহ কয়েকজন বাগান দেখতে গিয়েছিলাম। এ বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ৬০ মন আম পেড়েছি মর্মে কাল্পনিক সংবাদ পরিবেশন করেছেন দেবর ও শ^াশুড়ি।

সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করে এসময় তিনি আরও বলেন, এতিম কন্যাকে নিয়ে আমি পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। অথচ আমার দেবর নাছির উদ্দিন ও শ^াশুড়ি তাহেরা বানু আমার এতিম কন্যার সম্পত্তির অংশ না দেওয়ার চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের শংকরকাটি বাজারে দক্ষিণ গোবিন্দপুর প্রভাতী সংঘ কার্যালয়ে এসজিআই-এসএফ এর উদ্যোগে এবং সুনীড় কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির আয়োজনে ও সুনীড় যুব উন্নয়ন সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে শুক্রবার পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় সুনীড় সংগঠনের পরিচালক আরাফাত হোসাইনের সভাপতিত্বে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ সমশের আলী ঢালী, প্রভাতী সংঘের সভাপতি আরাফাত হোসেন, সুনীড় সংগঠনের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, মোস্তাফিজুর রহমান, শোয়াইব ইসলাম সবুজ, সোহাগ হোসেন, আবির হোসেন সহ সংগঠনের অন্যতম পরামর্শক সামিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এসময় অত্র এলাকার অর্ধ শতাধিক দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : দূর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছেনা সাতক্ষীরার উপকূলীয় দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা মানুষের। আবারো গাবুরায় ৯ নং সোরার দৃষ্টিনন্দন এলাকায় নতুন করে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এ ভাঙ্গন নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে গাবুরাবাসী। গত ২৬ মার্চ রবিবার সকালে স্থানীয়রা এ ভাঙন দেখতে পায়। সকাল থেকে ভাঙ্গন বড় হতে হতে প্রায় ৩০০ ফুটের মত চওড়া নদীর চর সহ রাস্তা ভেঙে যায়।

ভাঙ্গনটি সংস্কার না করায় আজ ৭ এপ্রিল শুক্রবার সকালে পুনরায় শুরু হয় নদী ভাঙ্গন। মুহুর্তের মধ্যে প্রায় ৫০০ ফুট নদীর চর সহ রাস্তা ভাঙ্গন ধরেছে।

স্থানীয়রা জানান ভয়াবহ এই নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা শুধু এলাকাবাসির পক্ষে সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকার, উপজেলা প্রশাসনের সাহায্য খুবই জরুরী।

৯নং সোরা এলকার ইউ,পি সদস্য মুঞ্জুর হোসেন জানান, এই মুহূর্তে ভাঙ্গন রোধে এগিয়ে না এলে প্লাবিত হতে পারে গাবুরার প্রধান খাবার পানির পুকুরটি সহ মসজিদ, হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জি,এম মাছুদুল আলম বলেন অতি দ্রুত ভাঙ্গনটি সংস্কার না করলে ৯নং সোরার প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাবে। যদি ভাঙ্গন সংস্কারের কাজ শুরু করা না যায়। তাহলে গাবুরার মানুষকে আবার নদীর পানিতে ভাসতে হবে।
তিনি আরও বলেন ৯নং সোরা দৃষ্টিনন্দনের রাস্তা প্লাবিত হলে সমগ্র গাবুরা প্লাবিত হতে পারে। কারণ ভিতরের পাউবোর ওয়াব্দার রাস্তাটি সংস্কারহীন থাকায় অনেক নিচু হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটপাট শেষে ঘেরা ও বেড়া দিয়ে বাড়ি দখলের প্রতিবাদে বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে পুলিশ আবু সাঈদ নামের এক বহুল আলোচিত সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহষ্পতিবার রাত ১২টার দিকে তার নিজ বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দেবনগর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।তার বাবার নাম আকবর আলী।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবু বক্কর জানান, ১৯৯৫ সালে তার দাদা শহর আলী চার শতক ও বাবা আকবর আলী ২০০৫ সালে তাকে আট শতক জমি রেজিষ্ট্রি কোবালা মূলে লিখে দেন। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ওই জমি তার ভাই আবু সাঈদ, আবু রায়হানসহ চার ভাই ওই জমি দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করার চেষ্টা করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আবু সাঈদ বাদি হয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারার একটি পিটিশন মামলা করে। গত ২২ মার্চ দুপুরে স্ত্রী বাপের বাড়িতে ও তিনি মাছ বিক্রি করতে যাওয়ার সূযোগে আবু সাঈদ, সহোদর আবু রায়হান, সাদ্দাম হোসেন, রেজাউল ইসলাম ও আবু রায়হানের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন তার ঘরের তালা ভেঙে নগদ টাকা, সোনার গহনা ও ব্যবহৃত সরঞ্জাম লুটপাট করে। পরে তার বাড়ি বেড়া দিয়ে ঘিরে নেয় সাঈদ। রাতে তার দাদার দেওয়া চার শতক জমিতে কয়েকটি খুঁটি বসিয়ে উপরে টিনের চাল তুলে কাথা মাদুর মিছিয়ে বসবাস শুরু করে ভাই আবু রায়হান। প্রতিবাদ করায় আবু সাঈদ, আবু রায়হান, রেজাউল, সাদ্দাম ও আনোয়ারা তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ২২ মার্চ বিকেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে এসে এক শালিসি বৈঠক ডাকেন। আবু সাঈদ জমি ঘেরা তুলে নেওয়ার জন্য একদিন সময় চায়। পরে সে কথা রাখেনি। একপর্যায়ে ২৯ মার্চ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে গত ৩ এপ্রিল সাঈদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরদিন আবু রায়হানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানোয় ক্ষুব্ধ স্ত্রী আনোয়ারা ও আবু সাঈদ তাকে বৃহষ্পতিবার দুপুরে আবারো পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আবারো সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ মোঃ ফকরুল আলম খান জানান, আবু সাঈদকে বৃহষ্পতিবার রাতে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় রাধাকান্ত সরকার (৭০) নামের এক বৃদ্ধা গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) রাতে তালা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের মাদরা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাধাকান্ত সরকার মাদরা গ্রামে মৃত ফকির সরকারের ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, রাধাকান্ত সরকার পারিবারিক ভাবে কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশে গাছে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে নামানোর আগেই সে মারা যায়।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় বাসের ধাক্কায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়ার তাসলিমা বেগম (৫২) সাতক্ষীরা সদরের বিনেরপোতা এলাকার গোপীনাথপুর গ্রামের মুজিবর রহমানের স্ত্রী।

নিহতের ছেলে  ইসরাফিল জানান, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে চায়না বাংলা হাসপাতালের সামনে তার মা রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এসময় সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী একটি দ্রুতগতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এবিএম আক্তার মারুফ তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবু জিহাদ মোঃ ফকরুল আলম খান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ঘাতক বাস ও তার ড্রাইভারকে আটকের করার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : নাশকতার প্রস্তুতিকালে সাতক্ষীরায় উপজেলা জামায়াতের আমীরসহ ৮ জামায়াত বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার বিকাল ৫টায় কলারোয়া থানা পুলিশের পাঠানো বার্তায় জানানো হয়েছে, বুধবার ভোর ৪টার দিকে কলারোয়া উপজেলার ঝিকরা এলাকার কলারোয়া প্রি ক্যাডেট স্কুলের মাঠে নাশকতার প্রস্তুতিকালে তাদের কে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, উপজেলার গাজনা গ্রামের মৃত শফিউদ্দীনের পুত্র উপজেলা জামায়াতের আমীর কামরুজ্জামান, দক্ষিণ ভাদিয়ালি গ্রামের আব্দুর রশিদ মিয়ার পুত্র সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোকলেছুর রহমান, মাদরা গ্রামের মৃত নুর আলী গাজীর পুত্র আবু সাঈদ, ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত রওশন আলীর পুত্র আবু তালেব, কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত হানেফ আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম, দেয়াড়া গ্রামের ইরাদ আলীর পুত্র হযরত আলী, তুলসিডাঙ্গা গ্রামের মৃত রমজান আলীর পুত্র আনোয়ার আলী পলাশ এবং উত্তর ভাদিয়াল গ্রামের আব্দুল জলিলের পুত্র হাবিবুর রহমান। তারা বিএনপি ও জামায়াতে নেতাকর্মী বলে জানায় পুলিশ। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভোর রাতে কলারোয়া প্রি ক্যাডেট চত্বরে আটককৃত আসামীরা সহ ৮০/৯০ জন জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীরা বর্তমান সরকার উৎখাতের উদ্দেশ্যে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত হাত বোমা ৩টি, ৬ জোড়া লাঠি এবং ৩টি কাচের বোতল উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় কলারোয়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক ফরিদ আহমেদ জুয়েল বাদী হয়ে ৩৫ জনকে এজাহার নামীয় আসামী করে এবং ৮০/৯০ জনকে অজ্ঞাত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরায় জাত পাত ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বৈষম্য বিরোধী বিল-২০২২ পাশ করাসহ ৮ দফা দাবিতে দলিত জনগোষ্ঠীর লিফলেট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ক্যাম্পেইনটি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে সদর থানা, জেলা শহরের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং পথচারীদের মধ্যে লিফলেট তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন(বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে লিফলেট ক্যাম্পেইনে নেতৃত্বে দেন সংগঠনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দুলাল দাস।
উপস্থিত ছিলেন, জেলা কমিটির সদস্য শিখা রাণী দাস, অনামিকা দাস ও অর্চনা মন্ডল প্রমুখ।

দাবি সমূহ হচ্ছে, জাত পাত ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বৈষম্য বিরোধী বিল-২০২২ পাশ করতে হবে। জাতীয় সংসদে সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনে দলিত জনগোষ্ঠীর সংখ্যানুপাতে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। জাতীয় বাজেটে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সকল মহানগর ও পৌরসভায় দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং খাস জমি বরাদ্দের মাধ্যমে গ্রামীণ দলিতদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি বিশেষ বিবেচনায় এনে তাদের জন্য সুরক্ষার সকল উপকরন সরবরাহ করতে হবে। সরকারি বিশ^বিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কোটা ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে এবং দলিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়া রোধকল্পে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহন এবং বিশেষ উপবৃত্তির পরিমান বৃদ্ধি করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest