সর্বশেষ সংবাদ-
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিভে গেল সাতক্ষীরার সাজু ও রেবতির প্রাণ : বাকরুদ্ধ পরিবারসাতক্ষীরায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি  কলকাতায় আগুনে পুড়ে সাংবাদিকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ : হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশনদেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিংসাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরায় এনজিও পরিচালন ব্যবস্থায় সুশাসন জোরদারকরণ শীর্ষক কর্মশালাসাতক্ষীরায় সরকার বিরোধী মিছিলের প্রস্তুতিকালে ৪ যুবলীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তারদেবহাটায় গাঁজাসহ ২ জন ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটকবাংলাদেশ নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের সাথে বাপা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় গ্লুকোজ ও তেল দিয়ে দুধ তৈরির অভিযোগে একব্যক্তিকে ৬ মাসের কারা‌দণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তালা উপজেলার মহান্দী গ্রামে অভিযান চালায় সাতক্ষীরা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

এ সময় মহান্দী গ্রামের বসুদেব ঘোষের পুত্র উজ্জ্বল ঘোষের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪৭০ লিটার ভেজাল দুধ, ৩৬ কেজি ভেজাল জেলি, ১০ লিটার সয়াবিন তেল, বেলেন্ডার মেশিনসহ বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়।

তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল কুদ্দুস ভ্রাম্যমান আদালতে তাকে ৬ মাসের কারাদ- প্রদান করেন। পরে ভেজাল দুধ ড্রেনে ফেলে ও জেলি আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরা এর সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান, সাতক্ষীরা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোখলেছুর রহমান, তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শরীফ মো. আব্দুল মতিনসহ পুলিশ সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল কুদ্দুস জানান, দুধে ভেজাল মেশানোর দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী উজ্জ্বল ঘোষকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান জানান, অভিযান করেও ভেজাল দুধ তৈরী বন্ধ করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে ঘোষপাড়াগুলোতে এমন ভেজাল কারবার চলছে। আমরা অভিযান করছি শাস্তির আওতায় নিয়ে আসছি। অথচ পরবর্তীতে দেখা যাচ্ছে তারা আবারও একই কাজে লিপ্ত হচ্ছে। তবে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কাজীপাড়া গ্রামে বড় ভাই আনোয়ারুল ইসলাম ও ভাবী রনজিলা খাতুনকে কুপিয়ে জখম করেছে ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম ও তার ছেলে জনি হোসেন।

বাড়িতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ভাই ও ভাবীকে কোপানো হয়। রোববার রাত ১০ টার দিকে সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহা ইউনিয়নের কাজীপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় আনোয়ারুল ও তার স্ত্রী রনজিলা খাতুনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। এদিকে ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছোটভাই আনোয়ারুল ও তার ছেলে জনিকে বেঁধে রাখে ও পরে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

আহত আনোয়ারুল ইসলাম (৫৫) বাশদহা ইউনিয়নের কাজীপাড়া গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমাদের একটি ছাগল সন্ধ্যার দিকে মনিরুলদের বাড়িতে গেলে তারা গালাগালি শুরু করে। সামান্য ছাগল যাওয়ার বিষয় নিয়ে গালাগালি না করার জন্য আমি মনিরুলকে পরামর্শ দেই।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরুল ও তার ছেলে জনি আমাকে মারপিট শুরু করে। তখন আমার স্ত্রী রনজিলা বাঁধা দিতে গেলে তারা তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।

পরবর্তীতে তারা আমাকেও কুপিয়েছে।
সাতক্ষীরা থানার এসআই মিথুন মজুমদার বলেন, মারামারির ঘটনায় স্থানীয়রা মনিরুল ও তার ছেলে জনিকে বেঁধে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। আমি তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। এঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটায় মূর্তি চুরির ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২০ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে দেবহাটা থানা পুলিশ পারুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মৃত মানিক মোল্যার পুত্র আলাউদ্দীন মোল্যা, কওসার আলী গাজীর পুত্র মনিরুল গাজী, মৃত রউফ সরদারের পুত্র পলাশ সরদার, উত্তর পারুলিয়া (সেকেন্দ্রা) গ্রামের ইনতাজ আলী গাজীর পুত্র হাবিবুল্লাহ গাজী, ফুলবাড়ি গ্রামের শহিদুল ইসলামের পুত্র শামীম হোসেন।

দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, শনিবার গভীর রাতে চোরচক্র প্রথমে ওই সিএ-এফ ব্যবসায়ি ইবাদুলের বাড়িতে ঢুকে আলমারিসহ অন্যান্য আসবাবপত্র তছনছ করে। কিন্তু চোরচক্রের সদস্যরা সেখানে কোন মূল্যবান জিনিসপত্র না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী রাধা গোবিন্দ মন্দিরের তালা ভেঙে দু®প্রাপ্য মুর্তি, সোনার ও রুপার গহনাসহ দানবাক্সে থাকা নগদ টাকা নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় রাধা গোবিন্দ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার মিস্ত্রী বাদি হয়ে রবিবার থানায় একটি চুরির মামলা (৭নং) দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ৫ আসামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। তবে মূর্তি বা কোন মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য : গত শনিবার সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া সার্বজনীন রাধাগোবিন্দ মন্দিরে দূঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়। চোর চক্রের সদস্যরা মন্দিরের দুটি ফটকের গেটের তালা ভেঙে ব্রিটিশ শাসনামলে স্থাপিত রাধা, কৃষ্ণ ও গোপালের চারটি দু®প্রাপ্য পিতলের মুর্তি, প্রতিমার দেহে পরিহিত সাড়ে তিন ভরি ওজনের সোনার গহনা, রৌপ্যালঙ্কার ও দান বাক্সের নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : একটি ওয়ান শুটারগান সহ মহিউদ্দীন শেখ (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে সাতক্ষীরা সদরের বৈকারী ক্লাব মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তবে অন্যরা পালিয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

মহিউদ্দীন শেখ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. শাহজালাল জানান,বৈকারী ক্লাব মোড় এলাকায় অস্ত্র কেনাবেচা হচ্ছে এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে পুলিশ সোমবার ভোরে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও অস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলিসহ আটক হন মহিউদ্দীনকে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মহিউদ্দীন অস্ত্র ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন জড়িত বলে জানা গেছে। তিনি ভারত থেকে অস্ত্র এনে দেশের দুস্কৃতিকারীদের কাছে বিক্রি করতেন বলে জানান উপ-পরিদর্শক মো. শাহজালাল। এ ব্যাপারে তার নাম উল্লেখ করে থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি।

২০ ফেব্রুয়ারি সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি হেডকোয়াটার চত্বরে ধ্বংস করা হয় এসব মাদক দ্রব্য।

বিজিবি জানায়, ১ জুন ২০২১ তারিখ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদক দ্রব্য ধ্বংস করা হয়।
এসব মাদক দ্রব্যের মধ্যে ছিল ১১ হাজার ৭৮৯ বোতল ফেন্সিডিল, বিভিন্ন প্রকার মদ ৫ হাজার ৭৮১ বোতল, ২৪৩ কেজি গাজা, ২৪ গ্রাম ৩১ মিলি গ্রাম হিরোইন, ১৭ হাজার ৭৮৬ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৫ হাজার ৪৬৫ পিচ ভারতীয় অনাগ্রা ট্যাবলেট, ৪৭ হাজার ৪৩২ পিচ ভারতীয় সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ১৪৮ পিচ ভারতীয় ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ৩ হাজার ৮৭ প্যাকেট পাতার বিড়ি, ৩২৫ কেজি তামাক পাতা এবং ৩০৫ কেজি তামাক পাতার গুড়া।

মাদক ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ৩৩ বিজিবি খুলনার সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মামনূর রশীদ, সাতক্ষীরার অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: আশরাফুল হক, অতিরিক্ত পরিচালক(অপারেশন) মেজর রেজা আহমেদ, সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিদর্শক তাজুল ইসলাম, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদ রানাসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সাতক্ষীরার ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে রবিবার সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে কেক কাটা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটক মঞ্চস্থ হয়।

সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম।

এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বাসু, সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষা, শিল্পকলা একাডেমির সহ-সভাপতি নাসরিন খান লিপি, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে বিদেশি সাংস্কৃতিক পরিহার করে দেশি সাংস্কৃতি ফুটিয়ে তুলতে হবে। শিল্প একাডেমি রয়েছে বলেই আমাদের দেশি সংস্কৃতি বিকশিত হচ্ছে এবং শিশুদের সাংস্কৃতিক চর্চায়ও আগ্রহ বাড়ছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিপ্লব মন্ডলের বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ১৯ শে ফেব্রুয়ারি ২৩ ইং দুপুর ১টায় হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ আব্দুল লতিফ।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সদ্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে যোগদানকারী ডাঃ বিপ্লব মন্ডল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মারুফ হাসান, ডাঃ রেহানা আক্তার খাঁন, দেবহাটা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, ইমারজেন্সী ইনচার্জ ডাঃ মোনতেজউদ্দীন, ইপিআই কর্মকর্তা সালাহউদ্দীন আলী, সিনিয়র স্টাফ নাস রিতা সরকার, ফারিয়ার সভাপতি কবির আহম্মেদ, হাসপাতালের ক্যাশিয়ার আইয়ুব হোসেন, পরিসংখ্যানবীদ মামুন-অর রশিদ, অফিস সহায়ক নয়ন কুমার দাশ প্রমুখ।

বক্তারা এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিপ্লব মন্ডলের বিভিন্ন মানবিক কাজের বর্ননা দেন এবং তার ভবিষ্যত জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

ডাঃ বিপ্লব মন্ডল এসময় তাকে সহযোগীতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং তার জন্য আর্শীবাদ কামনা করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ডাঃ আব্দুল লতিফ বিপ্লব কুমারের বিভিন্ন মানবিক কাজের বর্ননা দিয়ে বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে বিপ্লব মন্ডলের অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে দেবহাটাবাসী মনে রাখবে বলে আলোকপাত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে রবিবার সকাল ১১টায় আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার সংলগ্ন আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

সংগঠনটির আহবায়ক সচ্চিদানন্দ দে সদয়ের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন,দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যক্ষ মাহাবুবুল হক ডাবলু, কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর সাকি পলাশ, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি আহসান হাবীব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, আব্দুল গফফার, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শফিফুল ইসলাম, গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি রফিক আহমেদ, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ প্রমূখ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সংগঠনটির সদস্য সচিব এস.কে হাসান ও হাসান ইকবাল মামুন।
বক্তারা বলেন, শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৩০ সালে নানার বাড়ি বুধহাটা গ্রামে আনোয়ার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ছিল কনুই গাজী ও মায়ের নাম পরীজান বিবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ছিল সবার বড়। মেধাবী আনোয়ার হোসেন বাড়ি সংলগ্ন বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এর পর বুধহাটা বি.বি.এম কলেজিয়েট বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একপর্যায়ে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৪৬ সালে এসএসসি পাস করেন। এরপর তিনি খুলনার বিএল কলেজে পড়াশুনাকালীন ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। তরুণ আনোয়ার হোসেন ভাষা আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালিন গান্ধী পার্কে (বর্তমানে হাদিস পার্ক) ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইস্তেহার পাঠ করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েকদিন পর তিনি মুক্তি পান। পরে ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে ১৯৪৯ সালে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে প্রথমে তাকে কোতয়ালী থানায় রাখা হয়। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী কারাগারে।

সেখানে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন তিনি। একপর্যায়ে ১৯৫০ সালে ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালানো হয়। তাতে সাতজন কারাবন্দি নিহত হন। তার মধ্যে ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন ছিলেন অন্যতম। তাই আমরা বিশ্বাস করি মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলনে ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন দেশের প্রথম শহীদ। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে তার কোন স্বীকৃতি নেই। তাই আমাদের দাবি শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান।

আশাশুনি সরকারি কলেজের নাম ‘শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেনের’ নামে নামকরণ করা, সাতক্ষীরা, আশাশুনি, বুধহাটা সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা, সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়ক তার নামে নামকরণ করা, সরকারিভাবে ট্রাস্ট গঠনের দাবী জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.ইয়ানুর রহমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest