সর্বশেষ সংবাদ-

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সম্পত্তি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদ করায় খুন জখমের হুমকি মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভাড়াশিমলা গ্রামের শেখ আব্দুল কারিমের পুত্রশেখ মুনজুরুল ইসলাম।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, কালিগঞ্জের কামদেবপুর মৌজায় এস এ খতিয়ান ৩৪৫,এসএ দাগ নং ৬৩০, ৬৩১, ৬৩২, ৬৩৩,৬৩৪, ৬৩৫ সহ অন্যান্য দাগে ১৮ বিঘা খরিদা সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্যঘের পরিচালনা করে আসছি। গত ইং ০১/১২/২২ তারিখে সাতক্ষীরা সাবজজ ২য় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার মৎস্যঘের থেকে প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার মাছ লুটপাট করে। এঘটনায় আমি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করি এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রমজান আলী সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হাজির হয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলন করে। আমি কোন জালিয়াতি করিনি বরং রমজান আলী জালিয়াতি করেছেন।

রমজান আলী নিজের স্ত্রীকে সম্পত্তির প্রকৃত মালিক শেখ আ: গফফারের স্ত্রী আছিয়া খাতুন এর নাম ব্যবহারে তার স্ত্রীকে আছিয়া খাতুন সাজিয়ে জমি রেজিষ্ট্রি করিয়াছে।

শেখ রমজান আলী ওয়ারেশ না হয়েও কিভাবে পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেন। শেখ রমজান আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন এস এ ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭ নং খতিয়ান হতে রমজান আলী ৯.৭২ একর জমি খরিদ করে নিজ নামে রেকর্ড করিয়েছেন। অথচ হাল জরিপ এ হাতের লেখা মূল বই পরিক্ষা করলে দেখা যাবে ডিপি ৪০৮ নং খতিয়ানে শেখ আ: গফফারের নামে ৯.৭২ একর জমি মাঠ আমিনরা রেকর্ড দিয়েছে। ঐ রেকর্ডের সময় শেখ আ: গফফার জীবিত ছিলেন না। কিভাবে শেখ আ: গফফারের নামে মাঠ রেকর্ড হলো আমরা জানি না।

শেখ রমজান আলী ইং ১৯৯৫ সাল হতে দলিল রেজি: শুরু করলো। এই বিরোধীয় জমি বাংলাদেশ সরকার ওয়াপদা বাঁধ নির্মানের জন্য এস এ ৩৪৫, ৩৪৬, ৩৪৭, উক্ত সমস্ত জমি অধিগ্রহণ করে। ধূত শেখ রমজান আলী এস এ মালিকের বেওয়ারিশদের নিকট হতে পাওয়ার দলিল করে নেয়। অত:পর ১৫০/৬২,৬৩ এল এ কেসের মাধ্যমে সরকার গত ইং ১২/০৪/২০০০ তারিখে জমি এস এ মালিকদের অনুকূলে দেয়। ৬.৬০ একর জমি শেখ রমজান আলী যখন পাওয়ার দলিল করেছে তখন সম্পত্তি মালিক ছিলো বাংলাদেশ সরকার। তখন এস এ মালিকদের অনুকূলে ফিরিয়ে দেয় নাই। ১২/০৪/২০০০ তারিখে পূর্বে সরকারের জমি এস এ মালিকদের ওয়ারেশদের রেজিষ্ট্রি করার কোন অধিকার নেই। কারন এস এ মালিকের ওয়ারেশরা তখন স্বত্বহীন ছিলো। স্বত্ত্ব পাওয়ার পর প্রকৃত ওয়ারেশদের নিকট হতে আমি খরিদ করি। শেখ রমজান আলী উল্লেখ করেছে ০৩/১২/২২ তারিখ রাত ১২টায় আমার মৎস্যঘের প্রবেশ করে ১৫ লক্ষ টাকার মাছ চুরির বিষয় উল্লেখ করেছে। তার এই বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন। কারন আমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে আছি। গত ০৩/১২/২২ তারিখে আমি এবং আমার পুত্র অসুস্থতার কারনে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম।

আমার পুত্র ওয়াসিম তার বিরুদ্ধে কোন মামলা করেনি। বিজ্ঞ আদালতে আমার মামলা ৩০/২২ কেসে সাব জজ -২ হতে আমি বিস্তারিত শুনানি অন্তে দখল প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আমাকে ইনজেংশন দিয়েছে এবং রমজানের ভাইপো শেখ জাকির হোসেন সেই সময়ে মামলার জন্য তার দলিলপত্র সরবরাহ করেছিলো। আমার সম্পত্তিতে আমার দাবী আছে। শেখ রমজান সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন তার সকল সম্পত্তি সাবেক এমপি গোলাম রেজার ওয়ারেশদের নিকট হন্তান্তর করেছে। তাহলে সে কতবড় বাটপার সে আমার সম্পত্তি অন্যের নিকট কিভাবে বিক্রি করে। আমি কোন অধিকারনামা দিয়নি। কোন টাকা নেইনি। সে বার বার ই মিথ্যাচার করে চলেছে। এমন বাটপারদের শাস্তি দেওয়া দরকার।
রমজান আলী বিজ্ঞ সাব জজ-২য় আদালতের দেং ৩০/২২ নং মামলায় শুনেছেন। উভয় পক্ষের শুনানি অন্তে আদেশ দিয়েছেন। আদেশের বিষয়বস্তু রমজানগংদের বিরুদ্ধে শোকজ এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ দখলের স্বপক্ষে নিষেধাজ্ঞার আদেশ আছে। কালিগঞ্জ থানার পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আদেশের বিষয় দেওয়ানী সাবজজ ২ আদালতের ৩০/২০২২ নং মামলার আদেশের বিষয় অবগত হয়ে উক্ত আদেশকে অমান্য করে আমার শান্তিপূর্ণ দখলীয় ঘেরে হামলা চালিয়ে আমার ঘেরের পাহারাদার ও লোজনদের তাড়িয়ে দিয়েছে এবং দখলচ্যুত করার চেষ্টা করছে। রমজান সেই সুযোগে আমার ঘেরের মালামাল লুন্ঠনসহ ১০লক্ষ টাকার অধিক মূল্যের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুট করে নিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় এবং অসহায় দরিদ্র পরিবারকে অর্থ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা লংঘন করে একান্নভূক্ত পরিবারের তালিকায় নীতিমালা লংঘন করে অতিরিক্ত ভূয়া নাম তালিকাভূক্ত করে অর্থ আত্মসাৎ ও পবিত্র রমজান এবং ঈদ উপলক্ষ্যে মানবিক সহায়তার জন্য দরিদ্র ও দুস্থ্য পরিবারের সাহায্যার্থে দূর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের জেলা প্রশাসক কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ ভূয়া নাম ঠিকানা দিয়ে মাষ্টাররোলে জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে সর্ব মোট ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৭৫ টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনায় সাতক্ষীরার আশাশুনি ৮ নং খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম শাহনেওয়াজ ডালিমের বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকে মামলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের খুলনার সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৫/২০২২।

এদিকে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতা সরবত হত্যাসহ অপর দু’টি চাঁদাবাজি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির গত ১৭ নভেম্বর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর পত্র প্রেরণ করেছেন। সেখানে তিনি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছেন। অপরদিকে দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের বিচার ও খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে দ্রুত অপসারনের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উপস্থিত হয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন জেলা প্রশাসক কর্তৃক পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে মানবিক সহায়তার জন্য দরিদ্র ও দুস্থ্য পরিবারের সাহায্যার্থে বরাদ্দকৃত দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও পবিত্র ঈদ-উল ফিতর/২০২১ উপলক্ষ্যে ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় মোট বরাদ্দকৃত কার্ডের বিপরীতে ৪৬৯ জন অস্তিত্ববিহীন ভূয়া ব্যক্তির নাম দিয়ে প্রতি কার্ডের বিপরীতে ৪৫০ টাকা হারে মোট দুই লাখ ১১ হাজার ৫০ টাকা এবং ভিজিএফ কর্মৃসূচীর আওতায় অসহায় দরিদ্র পরিবারকে অর্থ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা লংঘন করে একান্নভূক্ত পরিবারের তালিকায় ৫২১ জনের নাম তালিকাভূক্ত করে মোট ৪৫০ টাকা হারে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫০ টাকার অর্ধেক টাকা এবং একান্ন ভূক্ত পরিবার হওয়ায় ৫০% ব্যক্তিকে আদৌ টাকা প্রদান না করে মাষ্টাররোলে জাল টিপসই প্রদান করে ১ লাখ ১৭ হাজাার ২২৫ টাকাসহ সর্ব মোট ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৭৫ টাকা প্রতারনা ও জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ বিলিবন্টনের নামে দূর্নীতির মাধ্যমে উত্তোনপূর্বক আত্মসাৎ করে। যা দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সনের ২ নং দূর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই ঘটনায় দুদকে মামলা হয়েছে। তিনি আরও জানান শাহনেওয়াজ ডালিম একজন সন্ত্রাসী।

তার বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ নেতা সরবত হত্যাসহ আশাশুনি উপজেলার গদাইপুর গ্রামের জেছমিন নাহারের নিকট চাঁদাবাজি মামলা ও একই গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী মুনঞ্জুরুল ইসলামের ঘেরে বোমা হামলা চালিয়ে মাছ লুটের ঘটনার বিস্ফোরক দ্রব্য আহনের মামলারচার্জশীট ভূক্ত আসামী। এই মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ডালিম ছাড়াও ইউপি সদস্য সন্ধ্যা রানী মন্ডল,তার স্বামী উত্তম কুমার মন্ডল ও ইউপি সদস্য হোসেন আলী,

রামপদ সানা,সাবেক ইউপি সদস্য ইব্রাহিম খলিল,সাইফুল ইসলাম বাচ্চু, আব্দুল জলিলসহ ১২ জন আসামী করা হয়েছে। এই মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমকে দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বরখাস্ত এবং শাস্তির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।
১১.১২.২০২২

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা প্রতিনিধি:   দেবহাটা থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ১২(বার) বোতল ফেনসিডিল সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং নিয়মিত মামলার ০১ জন মহিলা, ০২ জন পুরুষ সহ সর্বমোট ০৪ জন গ্রেফতার পুলিশ সূত্র জানায়,  দেবহাটা থানার পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ লাঁলচাদ আলী, সংঙ্গীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানাধীন মাঘরী এলাকা মৃত আব্দুর রউফ গাজীর ছেলে মোঃ সেলিম গাজী ১২(বার) বোতল ফেনসিডিল সহ উত্তর  পারুলিয়া থেকে আটক,থানা- দেবহাটা,
জেলা -সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন এব ইং-১০/১২/২২ ইং তারিখ এসআই(নিঃ) হাফিজুর রহমান সংগীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানার মামলা নং-০২ তাং-০৮/১২/২২ এর আসামী দেবহাটা থানাধীন বহেরা দক্ষিনপাড়া এলাকা মৃত মহব্বত আলী, ছেলে আনিছুর রহমান ও আনিসুর রহমানের ছেলে আফজাল হোসেন ও মেয়ে মোছাঃ ফতেমা খাতুন কে আটক করে, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরাদেরকে গ্রেফতার করেন।
আসামীদেরকে ইং-১০/১২/২০২২ খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা প্রতিনিধি :
জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষ্যে খুলনায় ১৫ প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নগরীর খালিশপুরস্থ কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট প্রাঙ্গণে সেমিনার শেষে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে খুলনা মহানগরীর শিরোমনি বিসিক শিল্প এলাকার মেসার্স খোরশেদ মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, নগরীর দৌলতপুরের সেভ এন সেইভ, ঝালকাঠির মেসার্স সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস, পটুয়াখালীর পানজা বিড়ি লিমিটেড, বরগুনার মেসার্স উজ্জ্বল কেমিক্যাল ওয়ার্কস, বরিশালের এমইপি প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ, বরিশালের নিউ পার্ক বাংলা, বরিশালের নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড, মোংলার দুবাই বাংলাদেশ সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, মাদারীপুরের চাঁন বিড়ি ফ্যাক্টরি, মাদারীপুরের মেসার্স সিগমা ট্রেডার্স, মাদরীপুরের হোটেল সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল, শরিয়তপুরের বাজাজ ভিলেজ, সাতক্ষীরার বাজাজ সেলস পয়েন্ট এবং সাতক্ষীরার মেসার্স জয়হুন ডেইরি শপ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সঠিকভাবে ভ্যাট আদায় গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ীরা আইনের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে ভ্যাট প্রদান করবেন। একই সঙ্গে রাজস্ব দপ্তরের কর্মকর্তাদেরও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার করতে হবে। বাংলাদেশের নিজের টাকায় পদ্মাসেতুর মতো বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিদেশি সাহয্যের ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা কমেছে। বর্তমানে খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এসব উন্নয়ন জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকায় হচ্ছে। সঠিক নিয়মে ভ্যাট প্রদান করে নাগরিক দায়িত্ব পালন করলে নিজেদের টাকায় দেশকে আরো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট এসএম হুমায়ুন কবীর, মোংলা কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ নেয়াজুর রহমান, খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট (আপিল) কমিশনারেটের কমিশনার ড. নাহিদা ফরিদী, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. সাজিদ হোসেন ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি মোস্তফা জেসান ভুট্ট। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন।

মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপ-করকমিশনার বেলাল হোসেন এবং স্বাগত জানান যুগ্ম কর কমিশনার মো. মাজেদুল হক। ভ্যাট দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ উন্নয়নের ভ্যাট নীতি, ভ্যাট দিয়ে গড়বো জাতি’।

অনুষ্ঠানে বক্তরা জানান, বর্তমানে বিশ্বের ১৬৬টি দেশে ভ্যাট ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে ১৬ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে; যেখানে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগৃহীত ভ্যাটের প্রবৃদ্ধি ছিলো ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের বাজেটে মোট ব্যয়ের আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। চলমান অর্থবছরে খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে বিগত পাঁচ মাসে ৮২৭ কোটি টাকা ভ্যাট আদায় সম্পন্ন হয়েছে। যে কোনো করাদাতা এখন অফিসে না এসেও ভ্যাটের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারেন। ২০২২ সালের ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব বোর্ডে দেশের ৪ লাখ ৪ হাজার ৩৭৬টি অনলাইন ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি মাসে দাখিল হওয়া ভ্যাটের প্রায় ৮৪ শতাংশ অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে সম্পন্ন হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দলিল সৃষ্টি করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করতে না পেরে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি এবং মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, উপজেলার ভাড়াশিমলা গ্রামের মৃত শেখ মতলেব আলীর পুত্র শেখ রমজান আলী।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার কামদেবপুর মৌজার এস.এ রেকর্ডীয় মালিক নি:সন্তান শেখ আব্দুল গফফারের মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশকাম সনদ অনুযায়ী তার ওয়ারেশদের নিকট থেকে ১৯৯৫ সালে ৩৪৫ খতিয়ানে ৬.০৭জমি ৩৪৬ ও ৩৪৭ খতিয়ানে ৩.৬৫ মোট ৯.৭২ জমি ক্রয় করে বর্তমান হাল জরিপে ৯.৭২ মাঠ পর্চা ৮৮৯ দাগে প্রিন্ট পর্চা ৪০৮ খতিয়ানে ৮৮৯ দাগে ৯৩২ শতক প্রিন্ট পর্চা পেয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু গত ৩/১২/২০২২ তারিখ রাত ১২টার দিকে একই এলাকার শেখ আ: করিমের পুত্র জালিয়াতি চক্রের হোতা শেখ মঞ্জুরুল ইসলাম তার পুত্র ওয়াসিম পাপ্পুসহ ১০/১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার মৎস্যঘেরে প্রবেশ ঘের থেকে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে মঞ্জুরুল বাহিনী পালিয়ে যায়। বিগত ২৬/১২/২০২০ তারিখ রাত ১২টার দিকে মঞ্জুরুল এবং তারপুত্র পাপ্পুসহ ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী লাঠিয়াল বাহিনী আমার ঘের থেকে ১০/১২ লক্ষ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়। ওই ঘটনায় উল্টো আমাকে ফাঁসানোর জন্য ১৪/১/২০২১ তারিখে ঘেরের বাসায় নিজেরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। যা স্থানীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এঘটনায় আমি মামলা দায়ের করি। যার জি আর নং ২২/২১। যা চলমান রয়েছে। এবিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী সরেজমিনে তদন্তপূর্বক একটি প্রত্যায়ন দিয়েছেন। প্রত্যায়নপত্রে রমজান আলী(আমি) উল্লেখিত সম্পত্তিতে ২৬ বৎসর যাবত ভোগদখলে আছি এবং মঞ্জুরুলের কাগজপত্র জাল জালিয়াতি মর্মে উল্লেখ করা হয়।

মঞ্জুল কালিগঞ্জ থানায় ১৪/১/২১ তারিখে আমাকেসহ ১৬ জনকে আসামী একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। তার পুত্র ওয়াশিম পাপ্পু ৬৭/২১ জি আর মামলা দায়ের করে। মামলা দুটি তদন্তপূর্বক মিথ্যা প্রমানিত হয়। যা এখনো চলমান রয়েছে। মঞ্জুরুল অবৈধভাবে আমার সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করার জন্য একের পর এক মিথ্যা হয়রানি করে যাচ্ছে। সেখানে মঞ্জুরুলের কোন স্বর্ত নেই। সেটেলমেন্টের ডিজি তার মামলা খারিজ করে দিয়েছে। কালিগঞ্জ সেটেলমেন্টও তার কোন স্বর্ত নেই মর্মে খারিজ করে দিয়েছে। মঞ্জুরুল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭১৫/২১ নং মামলা দায়ের করে। মামলায় সহকারী কমিশনার ভূমি কালিগঞ্জ তদন্ত করে বলেন উক্ত জমি রমজান আলীর নিকট থেকে লহ্মীপদ সাহা হারি নিয়ে ১৬ বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছেন।

সিআইডির উপ-পরিদর্শক সাতক্ষীরার নির্দেশে জেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস জানান কামদেবপুর ৩৪৫ খতিয়ানে ৯টা দলিল ৬.০৭ শতক ৩৪৬,৩৪৭ খতিয়ান ১১টা দলিলের বালাম বইতে দাতা গ্রহিতা তারিখ ঠিক আছে। সদর মহাফেজ খানায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় খতিয়ান তদন্তে দেখা যায় ৪০৮ খতিয়ান ৮৮৯ দাগ থেকে রমজান আলী।

ইতোমধ্যে সাব জজ ২য় আদালতে ৩০/২২ দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জালিয়াতি আমমোক্তার দলিল ২০১০/১১ সালের দলিল প্রত্যেক দলিলে আমার দাগ ৮৮৯, আমার খতিয়ান নং- ৪০৮ দিয়ে ব্যবহার করে জালিয়াতি প্রমান করেছে। ৩০/২২ কেসের বাদী শেখ জাকির হোসেন বলেন আমি মামলার কিছুই জানিনা মঞ্জুরুর জালিয়াতি করে উক্ত মামলা করেছে। এস.এ ও সি.এস রেকর্ডের মালিক আব্দুল গফফার এস এ ৩৪৫ খতিয়ানের ৮ একর ৯৬ শতক জমির মালিক ছিলেন। তারমধ্যে সরকার ১৫০/৬২/৬৩ এল এ কেসে ৭ একর ৩৪ শতক জমি অধিগ্রহন করেন পরবর্তীতে ৯/৮/১৯৯৯ তারিখে সরকার ৩৪৫ খতিয়ানে ৪ একর ৪০ এবং ৪৬ ৪৭ খতিয়ানে ২ একর ২০ শতক মোট ৬ একর ৬০ শতক জমি প্রদান করেন। উক্ত আব্দুল গফফারের ওয়ারেশগন বিভিন্ন দলিলে রমজান আলীর নিকট সাব কোবলা দলিল করায় ৯ একর ৩২ শতক জমি দখল বুঝিয়ে দেন। সেই মোতাবেক বর্তমান জরিপে ৪০৮ ডিপি খতিয়ানে ৬৫০ বাটা ৮৮৯ দাগের ৯ একর ৩২ শতক জমি রমজান আলীর নিজ নামে রেকর্ড হয় এবং চলমান সকল মামলা রমজান আলীর পক্ষে রায় পায়। রমজান আলী মূল মালিকের নিকট হতে সম্পত্তি ক্রয় করে ভোগ দখলীকার আছেন।

ভাড়াশিমলা গ্রামের শেখ আঃ করিমের পুত্র মঞ্জুরুল ইসলাম আঃ গফফারের ওয়ারেশগনের নিকট থেকে আমমোক্তার নামা বলে কাগজ সৃষ্টি করে খাজনা, মিউটেশন ও অস্তিত্ববিহীন দলিল দেখিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা এবং বানোয়াট, হয়রানী মুলক মামলা ও অভিযোগ দায়ের করে। আমি গত ২২/০৩/২২ তারিখে ১৭০৪, ১৭০৩ ও ১৭০২ নম্বর দলিলের মাধ্যমে তার সকল সম্পত্তি ডাঃ শারমিন রেজা, তাসনিম রেজা বর্ণালী ও হুসাইন মোহাম্মাদ মায়াজ এর নিকট হস্তান্তর করে দিয়েছি। মঞ্জুরুল ইসলাম আদালতে দাখিল করা মামলার যাবতীয় কাগজপত্র তুলে নেওয়ার স্বর্তে সাবেক এমপি গোলাম রেজার কাছ থেকে নগদ ২০ লক্ষ টাকা গ্রহন পূর্বক অঙ্গিকারনাময় স্বাক্ষর করেও মামলা তুলে নেয়নি। উল্টো আমাকে জড়িয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় জালিয়াতি চক্রের হোতা মঞ্জুরুলের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সুন্দরবনে নদীতে মাছ ধরার পাশ দেওয়ার নামে জেলেদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানাযায়, দীর্ঘ ৮ মাস যাবত বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন নুরুল আলম। তিনি যোগদানের পর থেকেই দূর্নীতির চাদরে মুড়িয়ে পড়েছে ওই স্টেশন। সীমাহীন ঘুষ বাণিজ্যের কারনে চরম বিপাকে পড়েছে জেলে ও মৌয়ালরা। সুন্দরবনে মৌয়ালদের মধু আহরণ ও জেলেদের মাছ ধরার পাশ নিতে যেয়ে নুরুল আলমকে দিতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। সরকারি রাজস্ব বাদে ঘুষের অতিরিক্ত টাকা দিয়েও ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ জেলে ও মৌয়ালরা।

ছদ্দনাম আশরাফুল, রফিকুল,ও সোহেলসহ অনেক জেলে জানান,বর্তমানে নদীতে মাছ ধরার জন্য অনুমতি দিয়েছে সরকার। বাঘের ও কুমিরের ভয় উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহের জন্য জীবন বাজি রেখে নদীতে মাছ ধরতে যাচ্ছে তারা। জেলে ও মৌয়ালদের দুর্দশার কথা চিন্তা করে মধু আহরণ ও মাছ ধরার জন্য সরকার সামান্য টাকা রাজস্ব আদায় করে। তবে মাছ ও মধু আহরণের এক সপ্তাহ পাশের জন্য নৌকা প্রতি ১ থেকে দেড় হাজার অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের। এছাড়া নিষিদ্ধ এলাকা পুষ্পকাঠি,মান্দার বাড়িয়া,হলদে বুনিয়া ও নটাবেঁকিতে মাছ ধরতে গেলে নৌকা প্রতি অতিরিক্ত ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় নুরুল আলমকে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গত নভেম্বর মাসে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট অফিস থেকে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য পাশ নিয়েছে ১১১৩ টি নৌকা । প্রতিটি নৌকা প্রতি স্টেশন কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয়েছে ১ থেকে দেড় হাজার টাকা বলে জানিয়েছে জেলেরা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জেলেদের কাছ থেকে ৮০০ টাকার বেশি নেওয়া হচ্ছেনা। কোন জেলে মৌয়ালদের কাছ থেকে রাজস্ব ব্যতিত অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছেনা বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সুমন হোসেনের নেতৃত্বে সাতক্ষীরা শহরের নারকেল তলা মোড়, খুলনা রোড মোড, নিউমার্কেট, সঙ্গীতা মোড, হাসপাতাল মোড়সহ শহরের বিভিন্ন সড়কে শতাধিক মোটরসাইকেল এবং পেছনে মিছিল নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মহড়া দেন।

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের এই শোডাউনে জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী হাসিমউদ্দিন হিমেল, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারদিন এহসান দিপ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক্যাল কলেজের সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলম বাবু, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা বাপ্পি, ১২নং বল্লী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুখাত্র সরকার, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রানা, পৌর ৯ নং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসানসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শোডাউন শেষে খুলনা রোডে আলোচনা সভায় মিলিত হয় নেতাকর্মীরা। সভায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সুমন হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সকল নেতাকর্মীকে বিএনপি-জামাত অপশক্তির নাশকতা রুখতে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। সে নির্দেশনা মোতাবেক আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মাঠে অবস্থান করছি।অপশক্তির ছায়াটুকুও আমরা জনগণের জানমালের উপর আসতে দিবো না। দেশবিরোধী শক্তিরা কোনো নৈরাজ্য করতে চাইলে আমরা তা প্রতিহত করতে তৈরী আছি। বিজয়ের মাসে বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রদল সহ সকল প্রকার অপশক্তি রুখতে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলার পথ মসৃণ রাখার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নব নির্বাচিত স্বর্ণ দোকানঘর ছাই-মাটি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যায় স্বর্ণ দোকানঘর ছাই-মাটি শ্রমিক ইউনিয়নের নিজস্ব কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জেলা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এ শুভেচ্ছা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আজগার খোকনসহ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest