সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় বিধবা নারীর হারির টাকা না দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই বিধবা নারী।

ভুক্তভোগী বিধবা নারী সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ডের কুখরালী গ্রামের মৃত জি এম নূরুল আমিনের স্ত্রী নারগিস পারভীন (৫০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নারগিস পারভীনের স্বামী রামদেবপুর মৌজায় এস এ খতিয়ান নং ১৩৫ ও ১০৫১ নং দাগ, ২৮০৫ ও ২৭০২ জমির পরিমান ২.৩৭ একর সম্পত্তি ইজারা গ্রহণ করে ভোগদখল করতেন। কিন্তু পূর্বের মালিক খাজনা পরিশোধ না করে ১৯৬৪ সালে ভারতে চলে যান। খাজনা পরিশোধ না থাকায় বাংলাদেশ সরকার উক্ত সম্পত্তি নিলাম ঘোষনা করেন। পরবর্তীতে জমি খাসে নিয়ে নারগিস পারভীনের স্বামীর অনুকূলে পুনরায় ইজারা প্রদান করেন। তার স্বামী নূরুল আমিন জীবিত থাকতে কুখরালী গ্রামের মৃত শুকুর আলীর পুত্র হাফিজুল ইসলাম ও সাবেক কাউন্সিল শহিদুল ইসলাম হারী নিয়ে নিয়মিত হারির টাকা পরিশোধ করলেও তার স্বামী মারা যাওয়ার পর হারির টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন। বার বার তাদের কাছে হারির টাকা চাইতে গেলেও ১০ বছর ধরে কোন হারির টাকা না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে। ১০ বছরে ৭লক্ষ ২০ হাজার টাকা না দিয়ে গোপনে ভূমি অফিস থেকে নিজেদের নামে ডিসিআর গ্রহন করে। তখন উপায়ন্তর হয়ে বিধবা নারগিস পারভীন খুলনা বিভাগীয় ভূমি রাজস্ব অফিসসহ ঢাকা হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে। পিটিশনে রায়ে নারগিস পারভীনের পক্ষে আসে। তারপরও উল্লেখিত শহীদুল ইসলাম এবং তার ভাই হাফিজুল ইসলাম হারির টাকাও দিচ্ছে না আবার জমিও ফেরত না দিয়ে অবৈধ ভোগদখল করে যাচ্ছেন। টাকা বা জমি ফেরত চাইতে গেলে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর শহীদুল ইসলাম বলেন, আমি কারো কোন জমি নেইনি। তাহলে হারির টাকা দেবো কেন। কার ঘেরের মধ্যে কতটুকু পড়েছে সেটি আমি জানি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় সিরাজুল ইসলাম নামের এক যুগ্ম জেলা জজ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মঙ্গলবার ১৪ মার্চ দেবহাটা সহকারী জজ আদালতের বিচারক এলিয়াম হোসেন এ আদেশ জারি করেন।

যুগ্ম জেলা জজ সিরাজুল ইসলাম গাজী সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার চ-িপুর গ্রামের আমিন গাজীর পুত্র। বর্তমানে তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলায় যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে কর্মরত আছেন।

ভুক্তভোগী প্রথম স্ত্রী মারুফা খাতুন জানান, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ২০১৩ সালের দিকে সিরাজুল ইসলামের সাথে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর সিরাজুল ইসলাম যৌতুকের দাবিতে অত্যাচার করতে থাকে। উপায়ন্তর হয়ে আমি আদালতে একটি যৌতুকের মামলা দায়ের করি। এতে ক্ষিপ্ত সিরাজুল ইসলাম নিজে বাদী হয়ে এবং তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়া আমাকে তালাক দিয়েছে মর্মে প্রচার দিয়ে আমার সাথে সংসার করবে না মর্মে জানায়। কিন্তু তালাকের কোন কপি না পেয়ে ২০১৪ সালে দেবহাটা সহকারী জজ আদালতে পারিবারিক আইনে একটি মামলা দায়ের করি। আদালতে খোরপোষ দেওয়ার জন্য ডিক্রি জারি করলেও সিরাজুল আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করেনি। আমি পারিবারিক জারি মামলা নং-৪/২২ নং দায়ের করি। উক্ত মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাড. সোমনাথ ব্যানার্জি বলেন, নি¤œ আদালত বিবাদী সিরাজুল ইসলামকে ২ মাসের মধ্যে ৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা দেনমোহর এবং খোরপোষ বাবদ পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারি করেন। কিন্তু সিরাজুল ইসলাম টাকা পরিশোধ করেননি এবং বাদীর সাথে কোন যোগাযোগ করেনি। ২ মাস অতিবাহিত হওয়ার আমরা বিবাদীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দাবি জানালে বিজ্ঞ আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত যুগ্ম জেলা জজ সিরাজুল ইসলাম গাজী এর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার ভগ্নিপতি আব্দুল খালেক বলেন মামলা হয়েছিল জানতাম। কিন্তু এধরনের কোন রায়ের বিষয়ে আমাদের জানা নেই। সিরাজুলের কাছ থেকে শুনে আপনার সাথে কথা বলল বলে জানালেও পরবর্তীতে আব্দুল খালেকের সাথেও আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কাশেমপুরে মারপিটের মামলা করে বিপাকে পড়েছে একটি অসহায় পরিবার। বাড়ীতে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ আসামীদের বিভিন্ন হুমকিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই পরিবারটি। এবিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অসহায় পরিবারটি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কাশেমপুর গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী রাজিয়া খাতুনের সাথে একই এলাকার নুনু সরদারের পুত্র জাফর ইসলামগংয়ের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ৯ মার্চ ২০২৩ তারিখ সকালে জাফর ইসলামের নেতৃত্বে তার স্ত্রী হাফিজা খাতুন, শাওনের কন্যা সাথী খাতুনসহ কয়েকজন ব্যক্তি রাজিয়া খাতুন গংয়ের বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে।

রাজিয়ার কন্যা কেয়া পারভীন প্রতিবাদ করলে উল্লেখিত জাফর ইসলামের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এছাড়া তাদের এলোপাথাড়ী মারপিটে রাজিয়া খাতুন এবং তার কন্যা মারাত্মক আহত হয়। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী রাজিয়া খাতুন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার নং ২৬, তাং ১১/৩/২০২৩।
মামলার বিষয়টি অবগত উল্লেখিত ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী রাজিয়া খাতুনের বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে অসহায় পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীতনায় ভুগছে বলে জানিয়ে মামলা বাদী রাজিয়া খাতুন বলেন, ১৪ মার্চ উল্লেখিত ব্যক্তিরা বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং আমাদের বাড়িতে জিম্মি করে রেখেছ। এবিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেখ মো: হাদিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার স্বাক্ষী থাকায় বর্তমানে ঢাকাতে অবস্থান করছি। যে কারণে আসামী গ্রেফতার করা হয়নি। ঢাকা থেকে ফিরেই আসামী গ্রেফতার করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :  অসঙ্গতিপূর্ণ কারিকুলাম সংশোধনসহ তিন দাবিতে ক্লাস বর্জন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সাতক্ষীরার নলতা মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) শিক্ষার্থীরা।

দেশব্যাপী ক্লাস বর্জন ও  অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে ক্লাস বর্জন করে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাতক্ষীরা-শ্যামনগর সড়কে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে।

তিনদফা দাবিগুলো হলো- অনতিবিলম্বে কোর্স কারিকুলামে ইন্টার্নশিপ পুনর্বহালসহ অসঙ্গতিপূর্ণ কারিকুলাম সংশোধন, বঙ্গবন্ধুর পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও বিগত দিনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘মেডিকেল অ্যাডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামে স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন।

এব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যায়ণরত  মোস্তাফিজুর রহমান, মোনাইম ইসলাম, হাসান সীমান্ত, শাহরিয়া সুলতানা, রুবাইয়া ইয়াসমিন, তাহমিনা জাহান তুলিসহ  একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, ম্যাটস কোর্স কারিকুলাম যুগোপযোগীকরণের নামে মানহীন কারিকুলামে রূপান্তরিত করা হয়েছে। যেখানে ইন্টার্নশিপসহ চিকিৎসা শিক্ষার অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাতিল করা হয়েছে। যেহেতু পাসকৃত ডিএমএফ পেশাদাররা চিকিৎসাসেবার মতো অতিসংবেদনশীল কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত, অসঙ্গতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম বাস্তবায়িত হলে তা হবে জনগণের চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে হুমকি স্বরূপ।

তারা আরও বলেন, এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সেন্টার ফর মেডিকেল অ্যাডুকেশন ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদে সদ্য প্রণীত অসঙ্গতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম সংশোধনের জন্য আবেদন জানিয়েও আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি।

তাই বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএমএসএ) পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের মতো আজকে নলতা মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাস বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় তালায় ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় উদ্যোক্তা আতাউর রহমান এলিট ও তালা পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার সুদীন কুমার বৈদ্যের বিরুদ্ধে পরস্পরের যোগসাজশে গ্রাহকদের প্রায় অর্ধ-কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনার পর স¤প্রতি এজেন্ট ব্যাংকটির উদ্যোক্তা আতাউর রহমান এলিট পালিয়ে গিয়েছে এবং পোস্ট মাস্টার সুদীন কুমার বৈদ্য কৌশলে বদলী হয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়।

তালার ঘোনা নারানপুরের কাশেম খাঁর স্ত্রী আসমা বেগম জানান, তিন বছর বছর আগে তিন লক্ষ টাকা পোস্ট অফিসে রেখেছিলাম ফিক্সড-ডিপোজিট করে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় আরও তিন বছরের জন্য চার লক্ষ টাকা আমাদের দুই ভাইবোনের নামে রাখার জন্য পোস্ট মাস্টারকে বলি। এসময় তিনি বলেন, ব্যাংক এশিয়াতে ইজি ফরম জমা দিয়ে টাকা জমা দিয়ে আসেন। ৮ ই ফেব্রুয়ারী আমার ভাই সোহাগের নামে দুই লক্ষ টাকা এবং আমার নামে দুই লক্ষ টাকা জমি দিয়ে পোস্ট মাস্টারকে রিসিভ দেখায়। তখন তিনি জানান, দুদিন পরে বই নিয়ে যাবেন। দুদিন পরে গেলে বলে যে, বই এখনও আসেনি, আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এভাবে আমাদের ঘোরাতে থাকে। পরে শুনি সে নাকি বদলী হয়ে গেছে।

একই ধরণের কথা বলেন, চরগ্রামের মৃত আলাউদ্দিন শেখের মেয়ে ফারজানা খাতুন ও তার মা আলেয়া বেগম। তাদের থেকে ৫ই ফেব্রুয়ারী একই ভাবে ভুয়া ভাউসারের মাধ্যমে নয় লক্ষ টাকা আত্মসাৎ হয়েছে বলে জানান।
একই ভাবে টাকা জমা রাখতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন শাহাপুর গ্রামের সুফিয়া বেগম, হরিশ্চন্দ্রকাটি গ্রামের মান্নান গাজীর স্ত্রী কামেলা বেগম, হাজরাকাটি গ্রামের নিমাই কুমার শীল।

শাহাজাৎপুর গ্রামের শুকুর আলী গাজী জানান, গত ২ ফেব্রুয়ারী তিন বছর মেয়াদে চার লক্ষ টাকা রাখতে গিয়েছিলাম পোস্ট অফিসে। এসময়ে পোস্ট মাস্টার এলিটের কাছে নিয়ে যায়। পরে এক সপ্তাহ পর বই নিতে গেলে পোস্ট মাস্টার বলে এখনও হয়নি। এর তিন সপ্তাহ পর তাদের আর পোস্ট অফিসে যেয়ে পাওয়া যায়নি। তিনি এবিষয়ে তালা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা গেছে, ২০১৪ সালে আতাউর রহমান এলিট তালা পোস্ট অফিসের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ শুরু করেন, পরে ২০২০ সালে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট হিসেবে আর্থিক লেনদেন শুরু করে। এবিষয়ে আতাউর রহমান এলিটের ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তালা পোস্ট অফিসের সাবেক পোস্ট মাস্টার সুদীন কুমার বৈদ্য বলেন, টাকা আত্মসাৎ এর এসব বিষয় ফাও কথা। আমার কাছে গ্রাহকরা আসলে আমি অনলাইন ফরম পূরণের জন্য এলিটের কাছে পাঠাতাম। ওখানে লেনদেন করলে সেটা তাদের ব্যাপার। পোস্ট অফিসের সাথে ব্যাংক এশিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তালা পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার মধুসূদন বাছাড় বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ এর ব্যাপারে অনেকে অভিযোগ নিয়ে আসছে, কিন্তু কত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে এবিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
ব্যাংক এশিয়ার বিজনেস অফিসার শারাফাত হোসেন বলেন, প্রায় ৫০ লক্ষাধিক টাকা নানাভাবে ব্যাংক থেকে খোয়া গেছে বলে আমরা ধারণা করছি। গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

একরামুজামান জনিঃ মানসস্মত প্রাথমিক শিক্ষা, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার দীক্ষা এই প্রতিপাদ্যে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হোসনে ইয়াসমিন করিমীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আমানুল্লাহ আল হাদী, জেলা শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকার সহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নোড়ার চারকুনিতে বসবাসকারী ভুমিহীনদের উচ্ছেদ বন্ধ এবং সাবেক জিপি গাজী লুৎফর গং বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ ১৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির আয়োজনে মানববন্ধন শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী।

জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, জেলা ভুমিহীন সমিতির সহ-সভাপতি শওকত আলী, শেখ হাফিজুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী শেখ ফারুক হোসেন, জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, দেবহাটা উপজেলার ভুমিহীন নেতা আব্দুল মালেক, আব্দুর রশিদ, লাবসা ইউনিয়ন ভুমিহীন সমিতির সভাপতি শেখ রিয়াজুল ইসলাম, ভুমিহীন নেত্রী নাজমা আক্তার নদী প্রমূখ। এসময় মানববন্ধনে শত শত ভুমিহীন পরিবার অংশ গ্রহন করেন

বক্তারা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি তো মানবতার মা। প্রত্যেক মানুষের গৃহ নিশ্চিত করছেন। কিন্তু দেবহাটার নোড়ার চারকুনির ভুমিহীনদের উচ্ছেদের পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে ভূমিদস্যু সাবেক জিপি গাজী লুৎফর রহমানেরসহ কতিপয় স্বার্থন্বেষী মহল। বক্তারা আরো বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৭০ হাজার একর খাসজমি ও জেলা রয়েছে এবং ভূমিহীনদের পরিবার রয়েছে প্রায় এক লক্ষ পয়ঁতাল্লিশ হাজার। সকল খাস সম্পত্তি ভূমিদস্যুরা অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছে। উক্ত খাস জমি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে পরিবার প্রতি দেড় বিঘা খাস জমি বন্টন করা হলে সাতক্ষীরা জেলায় একটি পরিবারও ভূমিহীন থাকবে না, থাকবেনা ভূমিহীন ভূমিহীদস্যুদের মধ্যে বিরোধ, সাতক্ষীরা হবে শান্তির জেলা, মডেল জেলা, এটি হবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ভূমিহীনদের জন্য একটি অবিস্মরনীয় ঘটনা। বর্তমানে উক্ত এলাকার ভূমিহীনরা নিদারুণ কষ্টের মধ্যে অত্যন্ত উৎকন্ঠে বসবাস করছে। যে কোন মুহুর্তে তাদের কে উক্ত জমি থেকে উচ্ছেদ করা হবে বলে আমরা বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি। বক্তাবা অবিলম্বে নোড়ার চারকুনিতে বসবাসকারী ভুমিহীনদের উচ্ছেদ বন্ধ এবং সাবেক জিপি গাজী লুৎফর গং বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: কালীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর দেয়া সার্বজনীন কালী মন্দিরের উন্নয়নের নামে ডিসি অফিস থেকে ১০ দিনের পারমিশন নিয়ে মেলার নামে বাপ বেটার নেতৃত্বে রাত ভোর চলছে অশ্লীল নৃত্য আর অবৈধ জুয়ার আসর। তবে মন্দিরের উন্নয়ন হোক বা নাই হোক যাত্রাপালা ও পুতুল নাচের নামে চলছে জীবন্ত মেয়েদের উলঙ্গ নৃত্য। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাজার হাজার বহিরাগত জুয়াড়ীর আনা গোনা চলছে এই মেলায়। ফলে এলাকায় দেখা দিয়েছে সেচ মেশিন চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে পিরোজপুর মতির ইটের ভাটার পিছনে দেয়া মন্দিরের উন্নয়নের কথা বলে ১০ দিনের অনুমতি নেওয়া হয় ডিসি অফিস থেকে। সেখানে গত শুক্রবার রাত থেকে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধ জুয়ার আসর বসিয়েছে। সাথে রয়েছে অশ্লীল নৃত্যের সংস্কৃতি অনুষ্ঠান। জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করছেন পিরোজপুর গ্রামের আকবর আলি ও অশ্লীল নৃত্য পরিচালনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন ছেলে শহিদুল ইসলাম ও নাসির। সাথে রয়েছেন এলাকার চিহ্নিত জুয়ারী ও মাদক ব্যবসায়ীসহ শোভনালী, কালীগঞ্জ ও সাতক্ষীরার কয়েকজন সাংবাদিক। স্থানীয়রা জানান, মেলার মাঠে তেমন কোন দোকান পাট নেই। মাঠের দু’ধারে দুটি যাদু প্রদর্শনী, একটি যাত্রা মঞ্চ থাকলেও সেখানে অল্প কিছুক্ষণ যাত্রা চলে। রাত একটু বেশি হলে তার পর শুধুই চলে অশ্লীল নৃত্য আর পেছনের বাগানে চলছে কয়েক প্রকারের জুয়ার বোর্ড। জুয়ার আসরে টাকা খুইয়ে সর্বশান্ত হচ্ছেন জুয়াড়ীরা। ফলে এলাকায় চুরি ছিনতাই বেড়ছে বলেও অভিযোগ এলাকাবাসীর। কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সজল মুখার্জি তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেছেন, শহিদ সামাদ স্মৃতি মাঠ থেকে বিজয় মেলার নাম করে লটারির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা নিয়ে গেল। আবার পিরোজপুর মতির ভাটার পাশে অশ্লীল নৃত্য ও জমজমাট জুয়ার আসর চলছে। এলাকায় প্রচুর চুরি বেড়েছে। বিশেষ করে মটর এবং শ্যালো মেশিন বেশি চুরি হচ্ছে। প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। জুয়ার বোর্ড পরিচালনাকারী শহিদুল ইসলাম জানান, ডিসি অফিস থেকে ১০ দিনের পারমিশন পেয়েছি। এছাড়া সকলকে ম্যানেজ করে আমাদের এখানে আমরা মেলা বসিয়েছি। আমাদের সাথে বাড়াবাড়ি করে কোন লাভ হবে না। কারণ সব দপ্তরে আমাদের টাকা পাঠানো লাগে। জুয়ার বোর্ড এবং পরিচালনা কমিটিতে থাকা অন্য শোভনালীর এক সাংবাদিক জানান, মেলার পারমিশন নিতে ৫ লক্ষ টাকা ও অন্যান্য দিক ম্যানেজ করতে আরও ২ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে। এসে দেখলে বুঝতে পারবেন কি হচ্ছে এখানে। কালিগঞ্জ পিরোজপুরের দেয়া সার্বজনীন কালী মন্দিরের সভাপতি পুলক কুমার হালদার, পিরোজপুরের শহিদুল ইসলাম, প্রবাসপুরের ওলি ও বাবু এসে একটি কাগজে ভুল বুঝিয়ে স্বাক্ষর করে নেয়। পরে দেখি সেই কাগজে মন্দিরের উন্নয়ন প্রকল্পের নাম করে ডিসি অফিস মারফতে ১০ দিনের যাত্রা গানের অনুমোদন নিয়েছে। কিন্তু তারা সেখানে কি করছে সেটা আমার জানা নাই। আমি বর্তমান নলতা তে থাকি। কালিগঞ্জ থানার ওসি জানান, কালীগঞ্জের পিরোজপুর সামাজিক যাত্রাপালা হচ্ছে। তবে যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য ও জুয়ার আসর বসার কোন তথ্য নেই তার কাছে। একটি নম্বর থেকে তাকেও ফোন করে জানানো হয়েছিলো। পুলিশ পাঠিয়ে ছিলাম কোন সত্যতা মেলেনি।

আপনার কাছ থেকে শুনলাম। নির্দিষ্ট ছবি থাকলে আমাদেরকে দিতে পারেন। কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা জানান, পিরোজপুরে মন্দিরের উন্নয়নকল্পের নামে অশ্লীল নৃত্য, জুয়ার আসরের কথা আজ সকালে ফোনের মাধ্যমে শুনেছি। আজ রাতে লোক পাঠিয়ে তদন্ত করব। সত্য প্রমাণ হলে বন্ধ করে দেয়া হবে। যাত্রার নামে একের পর এক অশ্লীনতা ও জুয়ার আসর বন্ধের দাবিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest