সর্বশেষ সংবাদ-

রাজনীতির খবর: বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় ফটকের সামনে বসে অবস্থান করছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে দফায় দফায় পুলিশ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মির্জা ফখরুল সবাইকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানান।

মির্জা ফখরুল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি অনুরোধ করে বলব—সবাই যেন ধৈর্য্যসহ অপেক্ষা করেন।’

তার আগে পুলিশ টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়লে নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনের অলিগলি ও দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নেন। পরে সেখানেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: রাজধানীর নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রধান কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মকবুল হোসেন (৪০)।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিহতের শরীরে শটগানের গুলির আঘাত ছিল। আজ বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।’

বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পৌনে ৪টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মীর তানজির আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস আলী বাবু এর নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

(৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামের হলরুমে সাজেক্রীস এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান মুক্তি সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উপনির্বাচনে বিজয়ী নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মীর তানজির আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস আলী বাবু’র নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলেন সাজেক্রীস’র যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান শাহীন, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, নির্বাহী সদস্য মির্জা মনিরুজ্জামান কাকন, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, মো. আব্দুল মান্নান, কবিরুজ্জামান রুবেল,

মো. লুৎফর রহমান সৈকত, মো. রুহুল আমিন, ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ফারহা দীবা খান সাথী, শিমুন শামসসহ, প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, আইনুল ইসলাম নান্টা, হাবিবুর রহমান রিন্টু, কাজী কামরুজ্জামান, মো. আলতাফ হোসেন, আলতুসহ বিভিন্ন ক্লাব/সংস্থার প্রতিনিধি ও খেলোয়াড়বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরায় তরূণ-তরূনীদের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বাজেটে যুবদের চাহিদা অন্তর্ভূক্তি এবং বাজেট বাস্তবায়নে সচ্চতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরন এবং পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সাথে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০৭ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: আ: বাছেদ।

সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আলাউদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব শেখ আমিনুর রহমান, প্যানেল চেয়ারম্যান মো: নুরুল হুদা।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ^াস। প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন জনাব জিসান মাহমুদ, ইন্সপেরিটর, একশনএইড বাংলাদেশ।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বাজেটে যুবদের চাহিদা অন্তর্ভক্তি এবং বাজেট বাস্তবায়নে সচ্চতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরন এবং পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধে বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষণ ও এ্যাকশন বিচার্স এবং সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় যুবদের অর্ন্তভুক্তির লক্ষ্যে পর্যালোচনা উপস্থাপন করেন কনস্যালটেন্ট মৃনাল কুমার সরকার।

এছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য মোছা: আফরোজা খাতুন, ১,২,৩ নং ওয়ার্ড, মোছা: ময়না খাতুন, ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড, নুরুন্নাহার বেগম, ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড, মো: মিজানুর রহমান, ২ নং ওয়ার্ড, মো: আবুল খায়ের, ওয়ার্ড নং ওয়ার্ড, মো: কামরুজ্জামান, ০৪ নং ওয়ার্ড, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, ০৫ নং ওয়ার্ড, মো: লুৎফর শেখ, ০৬ নং ওয়ার্ড, মো: আব্দুল হাকিম, ০৭ নং ওয়ার্ড, মো: কুরবান আলী, ০৮ নং ওয়ার্ড, সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, ০৯ নং ওয়ার্ড, মুকুল হোসেন, শিক্ষক, আলহাজ¦ মাও: রওশন আলম, পলাশ চৌধুরী, ব্যবসায়ী, যুব প্রতিনিধি মো: রুহুল আমিন, মো: ছমির উদ্দীন জেলা ত্রান ও পুর্নবাসন অফিস ও বিভিন্ন যুব সংঘ থেকে আগত যুব নেতৃবৃন্দ।

যুবদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন সাকিব হোসেন, বেতনা যুব সংঘ, মাসুদ রানা, সভাপতি, বেতনা যুব সংঘ, শাহনাজ পারভীন, সাধারণ সম্পাদক, কর্নফুলি যুব সংঘ। সে বিষয়ে আলোকপাত করেন ও যুবদের বিভিন্ন সেবামুলকর কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা করার আশ^াস প্রদান করেন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালচনায় ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার গিয়াস উদ্দীন। স্বার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান তহিদ, চন্দ্রশেখর হালদার, প্রোগ্রাম অফিসার, চন্দন কুমার বৈদ্য, ফাইন্যান্স অফিসার, রুবিনা খাতুন, মো: আলতাপ হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা ব্যুরো :
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) শিক্ষক সমিতির আয়োজনে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে সামগ্রিক কৃষি জ্ঞান’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান রক্ষার ওপর আরো জোর দেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার সিলেবাস যেন সমসাময়িক বিশ্বের চাহিদাভিত্তিক হয় সে বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। পেশাগত ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দেশে কৃষি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এখন শিক্ষার মান অর্জনের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে নতুন ধারণার জন্ম হয়। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বৈজ্ঞানিক সম্মেলন তরুণ গবেষক সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, ভিশন-২০২১ অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ দৃশ্যমান । দেশের প্রায় শতভাগ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে। এছাড়া৭৭ শতাংশের বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ২৫ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের জিডিপির প্রবৃদ্ধি এখন ৭ শতাংশের কাছাকাছি। দেশের মানুষের দারিদ্র্য নিরসন, ক্ষুধামুক্তি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বর্তমান প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা খুবই জরুরি।

খুকৃবির ট্রেজারার প্রফেসর সারোয়ার আকরাম আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. মুহাম্মদ আলমগীর। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী। কনফারেন্সে স্বাগত জানান খুকৃবির শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. তাসলিম হোসেন এবং ধন্যবাদ জানান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. এম এ হান্নান।

কনফারেন্সের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিয়ারিং ইনিস্টিউটের অধ্যাপক ড. মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম। প্ল্যানারি সেশনে লেকচার উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহফুজুল হক। সম্মেলনে তিনটি আলাদা টেকনিক্যাল সেশন ও একটি পোস্টার সেশনে মোট ৪২টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

কনফারেন্সে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষার্থীসহ ৩০০ জন অংশ গ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে মৎস্যঘের অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, উপজেলা ভাড়াশিমলা গ্রামের শেখ আব্দুল কারিমের পুত্র ভুক্তভোগী শেখ মুনজুরুল ইসলাম।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কালিগঞ্জের কামদেবপুর মৌজায় এস এ খতিয়ান ৩৪৫, এসএ দাগ নং ৬৩০, ৬৩১, ৬৩২, ৬৩৩,৬৩৪, ৬৩৫ সহ অন্যান্য দাগে ১৮ বিঘা খরিদা সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্যঘের পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি একই এলাকার মৃত মোতালেব আলীর পুত্র রমজান আলীসহ তার সহযোগিরা উক্ত মৎস্য থেকে আমাকে উচ্ছেদের চক্রান্ত শুরু করে। এরই জের ধরে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিসহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। গত ইং ১ ডিসেম্বর ২২ তারিখে সাতক্ষীরা সাব জজ ২য় আদালতে দেওয়ানি ৩০/২০২২ মামলায় বিজ্ঞ আদালত বিবাদীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর আদেশ দেন।

আমি বিজ্ঞ আদালতের আদেশের বিষয়টি কালিগঞ্জের প্রশাসনকে অবগত করানোসহ আদালতের কপি জমা দেই। কিন্তু তারপরও আদালতের আদেশ অমান্য করে বিবাদীদের দ্বারা আদৃষ্ট হয়ে আমার কামদেবপুর মৌজায় মৎস্য ঘেরে অভিযান চালিয়ে আমার ঘেরের লোকজনদের তাড়িয়ে দিয়ে আমাদের মৎস্যঘেরের বাসা ভাংচুর এবং মৎস্য লুটপাটে সহযোগিতা করে প্রশাসন। সে সময় আমি শারিরীকভাবে অসুস্থ্য থাকার কারনে কালিগঞ্জ থানায় চিকিৎসার জন্য ভর্তি থাকি। পরবর্তীতে সুস্থ্য হয়ে কালিগঞ্জ থানায় এজাহার জমা দিলেও উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা আমাদের এজাহারটি এখনও পর্যন্ত গ্রহণ করেনি। তাছাড়া কালিগঞ্জের প্রশাসন আমাদের ঘেরের লোকজনদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এরপর রমজান আলীসহ তার সহযোগিরা মৎস্যঘেরে থাকা প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার মাছ জাল টেনে ধরে নিয়ে গেছে। আমরা বার বার আদালতের বিষয়টি অবগত করিয়ে ব্যর্থ হয়েছি।

কালিগঞ্জ প্রশাসন আদালতের নির্দেশ অমান্য করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমরা গোপনে জানতে পেরেছি উল্লেখিত অবৈধ দখলদার রমজান আলীসহ তার সহযোগিরা বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করতে পারে। অথচ রমজান আলীসহ তার সহযোগিরা আদালতের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আমার মৎস্যঘের থেকে বিতাড়িত করেছে। সংবাদ সম্মেলন তিনি এ সময় আদালতের নির্দেশ অমান্যকারী রমজান আলীসহ তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলার মানবাধিকার পরিস্থিতি-২০২২ প্রতিবেদন মূল্যায়ন শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিএসও এইচআরডি কোয়ালিয়শনের উদ্যোগে ইউএনডিপি-এইচআরপির সহযোগিতায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এইচআরপি কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১০টায় শহরের কাটিয়া খামারবাড়ি মিলনায়তনে উক্ত ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তারা বলেন, দেশের রাজনীতিবিদদের নির্ল্পিপ্ততা, অসচেনতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকার লংঘন, যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া না মেনে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় আটক রাখা এবং সমাজে ভয়ের সংস্কৃতির প্রভাবে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি ব্যাহত হচ্ছে। সরকার ও বেসরকারি পর্যায় থেকে মানুষের অধিকার রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা ও মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে যথেষ্ট কাজ হচ্ছে। তারপরও মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতিতে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। অতিসম্প্রতি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি আদিবাসী মুন্ডা সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল করতে যেয়ে সেখানে নরেন্দ্রনাথ মুন্ডা নামের এক প্রবীণ আদিবাসীকে হত্যা এবং ওই জনপদের বেশ কয়েকজন নারীকে মারপিট করে মারাত্মক জখম করেছে এলাকার প্রভাবশালীরা। এই হত্যাকান্ডের মামলা এখন বিচারাধীন। তবে, এরই মধ্যে প্রভাবশালীদের চাপে এলাকায় তারা ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। নরেন্দ্রনাথ মুন্ডা হত্যাকান্ডের মেডিকেল রিপোর্টে হার্ট অ্যাটার্কের কথা বলা হয়েছে।

যা তাদের মনে সংশয় সৃষ্টি করেছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হঠাৎ সাধারণ মানুষকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে এসব মানুষকে তারা কয়েক দিন আটক রেখে আর্থিক সুবিধা দিতে চাপ দিচ্ছে। অর্থ দিতে না পারলে অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন মামলা দিয়ে আদালতে পাঠাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও দেশিয় আইন অনুযায়ী কাউকে ২৪ ঘন্টার বেশি আটক রাখা যাবে না। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আদালতে সোপর্দ করতে হবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এই আইনের চরম লংঘনের ঘটনা ঘটছে। বক্তারা আরো বলেন, সাতক্ষীরা জেলা উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় এখানে নিয়মিত প্রাকৃতিক দূর্যোগের সাথে মোকাবেলা করে মানুষকে টিকে থাকতে হয়। বিভিন্ন সুযোগে এ জেলার প্রভাবশালীরা উপকূল রক্ষা বাঁধ কেটে লোনা পানি ফসলের জমিতে ঢুকিয়ে চিংড়ি চাষ করছে। এতে ধারাবাহিকভাবে মানুষের মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মানুষের মৌলিক অধিকার, বঞ্চিত হচ্ছে দরিদ্র মানুষ তাদের জীবন-জীবিকা থেকে। কৃষি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করে প্রভাবশালীরা পরিবেশ দূষণ ও মানবাধিকার লংঘন করছে। এসব প্রতিরোধে প্রথমে রাজনীতিবিদদের এগিয়ে আসতে হবে, তাদেরকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কৃষি জমিতে কৃষকের অধিকার, জলাশয়ে মৎস্যজীবি ও জেলেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা বিষয়ক কথাও বলেন তারা। ওয়ার্কশপে মানবাধিকার সুরক্ষায় বিচারের দীর্ঘসূতির অবসান, বিচার প্রার্থীর সহযোগিতা, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, জলবায়ু পরিবর্তজনিত সংকট, নারীর অধিকার উন্নয়ন ও নশ্চিত করা, শিশু অধিকার, লিঙ্গ বৈষম্য দূরিকরণ, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠির অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রশানিকভাবে দূর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাক্ষেত্রে সকল পর্যায়ের মানুষের অভিগম্যতা নিশ্চিত, জলবায়ু উদ্বাস্তু মানুষের ন্যায্য দাবি আদায়, আদিবাসী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, যৌন সংখ্যালঘু মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সিএসও কোয়ালিশন সাতক্ষীরার সদস্য সচিব মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্বে ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (খামারবাড়ি), সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. জামাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আবদুল হামিদ, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসীম কুমার চক্রবর্তী প্রমুখ।

পাওয়ার পয়েন্টে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন উন্নয়নকর্মী ফারুক রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আজ ৭ ডিসেম্বর, সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালিত হলেও জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন বীব মুক্তিযোদ্ধারা। এমনকি জেলা প্রশাসকের পাঠানো প্রতিনিধিকেও সভাপতিত্ব করতে দেওয়া হয়নি। এছাড়া সাতক্ষীরা মুক্ত দিবসে কর্মসূচি পালনে জেলা প্রশাসনের উদাসিনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও বঙ্গবন্ধুর মুরালে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে এ উপলক্ষে একটি বিজয় র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (পদাধিকার বলে) ফতেমা তুজ-জোহরার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন মশু, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকী, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আরিফুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমন্ডের সাধারণ সম্পাদক লাইলা পারভীন সেজুতি প্রমুখ। এসময় সেখানে সাতক্ষীরার বীর মুক্তিযোদ্ধাগন ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে আলোচনা সভা শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা মুক্তিযোদ্ধ সংসদের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ও শহরের খুলনা রোড মোড়ের অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর মুরালে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১সালের এই দিনে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্থানি বাহিনীকে হটিয়ে অবরুদ্ধ সাতক্ষীরাকে হানাদার মুক্ত করে স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন সাতক্ষীরার বীর সেনারা। বক্তারা এ সময় একজন মুক্তিযোদ্ধা যেই হোক না কেন তাকে যথাযথ সম্মান দেয়ার আহবান জানান।
তবে জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির আলোচনা সভায় না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
এবিষয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকী বলেন, নির্বাচন না হওয়ায় পদাধিকারবলে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবে তার উপস্থিত থাকা ও সভাপতিত্ব করার কথা। জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন মশুকে বেলা সাড়ে এগারটার সময় জানিয়েছিলেন,তিনি আসবেন। অথচ তিনি আসলেননা। বিষয়টি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মনে কষ্ট দিয়েছে।
সভার প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বলেন,অন্যান্য বার সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস যেভাবে জেলা প্রশাসন সাড়ম্বরে উদযাপনের উদ্যোগ নেয়,এবার তার ঘাটতি দেখেছি। আজকে জেলা প্রশাসক ছুটি না নিলেও পারতেন।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আরিফুর রহমান বলেন,স্যার ছুটিতে আছেন বলে আমাকে যেতে বলেছিলেন। আমি সেই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest