সর্বশেষ সংবাদ-

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

তালার কুমিরায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসতবাড়ি এবং বাসন্তি মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, পাটকেলঘাটা থানার কুমিরাপূর্বপাড়া গ্রামের মৃত সুনিল কুমার দে’র পুত্র গৌতম কুমার দে।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, কুমিরা মৌজায় ১০২২ খতিয়ানে ৪১১৭, ৪১২১, ৪১১৯, ৪১৩৭, দাগে ৫.৭০ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলাম। উক্ত সম্পত্তিতে একটি পুরাতন বাসন্তি মন্দির রয়েছে। সম্প্রতি একই এলাকার মৃত জামাল উদ্দিন সরদারের পুত্র রেজাউল সরদার ও নজরুল সরদার গং উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করে।

উক্ত সম্পত্তিতে বসত ভিটা এবং মন্দির থাকায় কালিগঞ্জ সহকারী জজ আদালতের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন ট্রাই: ৮১৬/২০১২ নং মামলায় গত ইং ০২ অক্টোবর ২২ তারিখের ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত করে গত ২৩ নভেম্বর ২২ তারিখে আদেশ দেন অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন আপীল ট্রাইব্যুনালের বিচারক। সে আদেশ উপেক্ষা করে গত ০২ ডিসেম্বর ২২ তারিখে বেলা ১১টার দিকে রেজাউল সরদারের নেতৃত্বে তার ভাই নজরুল সরদার, আনিছুর সরদার, হাফিজুর সরদার, নজরুল সরদারের পুত্র সুমন সরদার, মৃত সৈয়দ মোড়লের পুত্র জামাল মোড়ল, মৃত জামালের দুই স্ত্রী মোমেনা এবং রাশিদা বেগমসহ কতিপয় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে। বসতবাড়ি ভাংচুর করতে থাকে এক পর্যায়ে সেখানে থাকা বাসন্তি মন্দির ভাংচুর করে।

এতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা আমার কাকাতো ভাই কার্ত্তিক দে এবং মাতা কল্পনা দে কে মারপিট করতে থাকে। তাদের উদ্ধার করতে গেলে আমার স্ত্রী রিতা দে এবং বৌদি সুনিতা দে কেও মারপিট করে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে পাটকেলঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলায় পুলিশ দুই আসামীকে গ্রেফতার করে। দুই আসামী গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে মামলা তুলে নিতে অন্যান্য আসামীরা আমাদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছেন।

এমনকি সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে পত্রপত্রিকায় একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে আসামীরা। অথচ পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আদালতের নির্দেশ অমান্যকারী আসামীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্যামনগরের মুন্ডার সম্প্রদায়ের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ৭ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি দিলিপ দাশ।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিভূতোষ রায়।

বক্তব্য রাখেন, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যান ব্যানার্জি, দক্ষিন দক্ষিণে মশাল এর সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. কামরুজ্জামান, গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক আলীনুর খান বাবুল, মানবাধিকার সাংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সাতক্ষীরা জেলা নেটওয়ার্কের সদস্য সচিব এড মুনির উদ্দীন, নাগরিক উদ্যোগ এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: আব্দুল্লাহ আল ইশতিয়াক মাহমুদ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র দাশ।

বক্তারা বলেন, শ্যামগনগরের মুন্সিগঞ্জের উত্তরকদমতালি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলেন অসিম মুন্ডার পরিবার। কিন্তু ৩ ডিসেম্বর সকালে অসিত মুন্ডা নিজ জমির ক্ষেতে কাজ করার সময় রশিদ গাজী অসিত মুন্ডাকে মারপিট করে। পরে দুপুরে পুনরায় রশিদ গাজীর নেতৃত্বে ছোটপুত্র আল হোসাইন খলিফা, স্ত্রী বেবী পারভীন তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে অসিতের বৃদ্ধা মাতা এবং তার স্ত্রী আরতী মুন্ডাকে মারপিট করে। একই দিন রাতে রশিদের পুত্র রাজা হোসাইনের নেতৃত্বে রশিদ গাজী, ছোটপুত্র আল হোসাইন, রাজা হোসাইনের স্ত্রী শারমিন দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের মধ্যে থেকে বৃদ্ধা মাতা ও স্ত্রীকে টেনে বের করে বেধড়ক মারপিট করে। এতে অসীতসহ তার মাতা এবং স্ত্রী মারাত্মক জখম প্রাপ্ত হয়। এঘটনায় অসিত মুন্ডা একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় একজন আসামী গ্রেফতার হলেও বাকী আসামীরা পলাতক অবস্থায় বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন।

বক্তারা আরো বলেন, বার বার কেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর এভাবে নগ্ন হামলা করা হয়। হামলার মামলা হলেও কিছুদিন পর তা নিরব হয়ে যায়। এসব ঘটনার সাথে স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সক্ষতা রয়েছে। বক্তারা অবিলম্বে মুন্ডা সম্প্রদায়ের উপর হামলা মামলার সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় পরিবহনের ধাক্কায় পলাশ বিশ্বাস (২৫) নামের এক ঔষধ কোম্পানীর পরিবেশক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো একজন ব্যবসায়ি। মঙ্গলবার রাতে শহরের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক পরিবহনসহ এর চালককে আটক করেছে।
নিহত পলাশ বিশ্বাস শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাট গ্রামের কৃষ্ণপদ শীলের ছেলে। আহতের নাম এজাজ আহম্মেদ খাঁন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা শহরতলীর লাবসা গ্রামে।
নিহতের স্ত্রী মিতালী বিশ্বাস জানান, তার স্বামী পলাশ বিশ্বাস রেডিসন কোমম্পানীর সাতক্ষীরা শাখার ঔষধ পরিবেশক। বর্তমানে তারা শহরের কাটিয়া ধোপাপুকুরের একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার স্বামী এজাজ আহম্মেদ খান নামের এক ব্যবায়িকে নিয়ে বাসা থেকে নারিকেলতলা মেইন সড়কে উঠলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা শ্যামনগর গামী ডলফিন পরিবহন (বরিশাল মেট্রো-ব-১১০১৪৮) তাদের মোটর সাইকেলে (সাতক্ষীরা-হ- ১৬৫৭৪২) সজোরে ধাক্কা মারে।

এ সময় এজাজ আহম্মেদ খান ও তার স্বামী পলাশ মটর সাইকেল থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। বাসের পিছনের চাকায় তার স্বামীকে টানতে টানতে ৪০০ ফুট দূরে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের সামনে নিয়ে যায়। দ্রুতবেগে চলে যাওয়ার সময় একটি মোটরচালিত ভ্যানে ধাক্কা দিলে ভ্য্নাটিও দুমড়ে মুচড়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন ওই পরিবহন ও চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। গুরুতর আহ অবস্থায় পলাশ ও এজাজকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও পরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত দেড়টার দিকে পলাশকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এদিকে, মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত এজাজ আহম্মেদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বুধবার ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পপরিদর্শক ইমামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ সৎকারের অনুমতি চেয়ে নিহতের ভগ্নিপতি ভবতোষ মন্ডল বুধবার দুপুরে সদর থানায় একটি আবেদন করেছেন। তিনি আরো জানান, ঘাতক পরিবহন ও তার চালক পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি :সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদ বিনানোটিশে বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কোন নোটিশ ছাড়াই পরিষদটি বন্ধ থাকে। এতেকরে ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই ইউনিয়নের সেবা প্রত্যাশী মানুষেরা।
স্থানীয়সহ ইউপি সদস্যদের অভিযোগ, বিগত কয়েকদিন ধরে ঠিকমত পরিষদে আসেননা পরিষদটির সচিব, গ্রাম পুলিসসহ উদ্যোক্তা। মূলত ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী গুরুত্বর অসুস্থ হওয়াতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিষদে আসতে অনীহা তাদের। নামমাত্র তারা প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব বুঝে দিলেও কোন কাজকর্মে সহযোগীতা করছেন না বলে জানান ওই পরিষদের  ইউপি সদস্যরা। এতেকরে একদিকে যেমন সেবা প্রত্যাশী সাধারণ জনগণ হয়রানী ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অপরদিকে বিষয়টি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোন সুরহা না মেলায় বিপাকে পড়েছেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত ওইসমস্ত ইউপি সদস্যরা।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদটির সচিবের রুমসহ অন্যান্য রুমে তালা ঝুলানো। বেলা গড়িয়ে বিকাল হলেও পরিষদটির সচিব মহসিন কবির, উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলামসহ গ্রাম পুলিশের সদস্যরা পরিষদে আসেননি। এসময় সেবা প্রত্যাশীরা মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও সচিব, উদ্যোক্তার নাম্বারটি বন্ধ পান। এতেকরে, চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। প্রতিদিন অফিস টাইমে দূর-দূরান্ত থেকে এসে নির্ধারিত স্থানে সচিব, উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্টদের না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের। দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থা চলতে থাকায় বর্তমানে এলাকাবাসীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

ভূক্তভোগি সেবা প্রত্যাশীরা জানান, পরিষদের সকল ভবন বন্ধ থাকলেও উদ্যোক্তার রুমটি খোলা ছিল। দুইজন উদ্যোক্তার ভিতরে শহিদুল পরিষদে না থাকলেও মহিলা উদ্যোক্তা ইয়াসমিন ইউনিয়ন পরিষদে ছিলেন। তবে, তিনি সেবাপ্রত্যাশীদের কোন কাজ না করেই তাদেরকে ফিরিয়ে দেন। আর ৪-৫ দিন পর পরিষদে আসার কথা বলেন।  এসময় আমরা তাকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান উপর মহলের চাপ আছে।

খোজঁ নিয়ে জানা যায়, ভোমরা ইউনিয়নের পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী গুরুত্বর অসুস্থ হওয়াতে গত ৩০ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় স্থানীয় সরকার শাখার ৮৭০০.০২৭.২৩.০০৩.২১-১১৮৭ নং স্মারকের সূত্রে ১ ডিসেম্বর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা-তুহ-জোহরা স্বাক্ষরিত ০৫.৪৪.৮৭৮২,০০০.১০.০০৫.২১-১৪১৬ নং স্মারকে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৩(৫) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত একটি পত্রে জানান, ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যানের অসুস্থ্যতাজনিত ছুটিকালীন সময়ে দায়িত্ব পালনের জন্য প্যানেল চেয়ারম্যান গঠনের লক্ষ্যে নির্দেশনা পাওয়া গেছে। উক্ত ইউনিয়নের সদস্যদের মধ্যে ১০ জন প্যানেল চেয়ারম্যান হতে ইচ্ছুক নয় মর্মে লিখিত বক্তব্য পেশ করেছেন। একারনে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৩(৫) ধারা অনুযায়ী সকল ইউপি সদস্যের মতামত ও সংখ্যা গরিষ্ঠতার
ভিত্তিতে ইউপি সদস্য জি.এম. আব্দুর রহিম ও কবির হোসেনকে প্যানেল চেয়ারম্যান করা হলো। এবং এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিষদটির সচিব মহসিন কবিরকে নির্দেশনা দেন।

এব্যাপারে ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যরা বলেন, নির্দেশনা মোতাবেক পরিষদটির সচিব মহসিন কবির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার পর থেকে নিয়মিত পরিষদে আসেননা সচিব মহসিন কবির। এবং তার কথাতেই পরিষদটির উদ্যোক্তা ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা পরিষদে আসেননা। এতেকরে সেবা প্রত্যাশী সাধারণ জনগণ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে জানান তারা।

এপ্রসঙ্গে ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, এভাবে একটা পরিষদ চলতে পারেনা। একটা মহলের কথামত পরিষদটির সচিব, গ্রাম পুলিশসহ উদ্যোক্তা পরিষদে আসতেছেন না। এতেকরে জনগণ চরমভাবে হয়রানী ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে জানান তিনি। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মানুষ মাত্র সমস্যাই থাকতে পারে। তবে ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে সেটা জানা আমার অধিকার। অথচ কোন প্রকার সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও মুঠোফোন বন্ধ করে রেখেছেন পরিষদটির সচিব- উদ্যোক্তাসহ গ্রাম পুলিশরা। এসময় দ্রুত এ সমস্যা সমাধান ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এব্যাপারে ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা উদ্যোক্তা ইয়াসমিন বলেন, সচিব-গ্রামপুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা কেন পরিষদে আসেননি সেটা আমি জানিনা। সেবাপ্রত্যাশীদের কাজ না করে ফিরিয়ে দেওয়ার কারন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা যে কাজে আসছে সেটা আমি করিনা। উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলাম করেন। এজন্য তাদেরকে ফিরিয়ে দিয়েছি বলে জানান তিনি।

এব্যাপারে পরিষদটির সচিব মহসিন কবির ও উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলামের সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :  দেবহাটা উপজেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আয়োজনে উপজেলা সমাবেশ-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুরুতে সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।
পরে উপজেলা মুক্তি মঞ্চে এক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা কমান্ড্যান্ট মোরশেদা খানম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ মুজিবর রহমান। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপজেলা কর্মকর্তা আশালতা খাতুন।
অনুষ্ঠানে দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জুয়েল হোসেন,
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল বশার, দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অহিদুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, দেবহাটা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, সখিপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্যা ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ইউনিয়ন কমান্ডার সাজু পারভিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা শ্যামনগরে ডাক্তার আনিস এর উপরে হামলা ঘটনা দু’জনকে আটক করেছে শ্যামনগর থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরের পরে শ্যামনগর সদরের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার আনিসুর রহমান টাকা জমা দিতে গেলে হামলা করে টাকা সিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।

আটককৃতরা হলেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের নকিপুর গ্রামের ভূমিহীন নেতা মোকসেদ আলীর পুত্র, মোঃ রহমত আলী, ইসমাইলপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের পুত্র সাদ্দাম হোসেন।

হামলায় আহত ডাক্তার আনিসুর রহমান জানান, আমি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার পর অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে আমার উপরে হামলা করে টাকা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেও মাইধ্যে করে। ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন আমাদের এখানে টাকা জমা দিতে আসলে ডাক্তার আনিস এর উপরে হামলা করে । এ সময় থানা পুলিশ সে খবর দিলে তারা এসে দুজনকে হাজার আটক করে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, ডাক্তার সাহেবের উপর হামলায় ঘটনায় রহমত ও সাদ্দামকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু ডাক্তার সাহেব এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী আটককৃতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রবি মৌসুমে বোরো ধানের হাইব্রিড (এস এল-৮এইচ) এবং উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বীজ ও সার বিতরন করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন কমিটির বাস্তবায়নে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উক্ত বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ- জোহরা’র সভাপতিত্বে বীজ ও সার বিতরন কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার চেয়ারম্যান ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আরা, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মনির হোসেন, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইয়ারুল হক, সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করছে। সাতক্ষীরার মাটি অনেক উর্বর। আমরা যা ফলায় তাই ভালো ফলে। সাতক্ষীরার এক ইঞ্চি জমি খালি রাখা যাবেনা। কৃষকরা সম্মিলিতভাবে যদি চাষাবাদে মনোযোগ দেয় তাহলে বাংলাদেশের একটি মানুষও খাদ্যের অভাবে না খেয়ে থাকবেনা।
অনুষ্ঠান থেকে সদর উপজেলার ৩ হাজার জন খুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিঘা প্রতি ২ কেজি হাইব্রিড (এস এল-৮ এইচ/ ইস্পাহানী-৮) জাতের বীজ ধান এবং ৩ হাজার ৮শ’জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বোরো চাষী প্রত্যেককে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : আজ ৬ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বিজয় র‌্যালী বের করা হয়।

র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারো একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালীতে এ সময় উপজেলা প্রশাসন,বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবন্দ অংশ নেন।

পরে উপজেলা মুক্ত মঞ্চে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ইয়াছিন আলী, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জি এম স্পর্শসহ বিভিন্ন মুক্তযোদ্ধা গণ।

এই দিনে সাতক্ষীরার দেবহাটা ও কলারোয়া উপজেলায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তোলেন মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিকামী মানুষের উল্লাসে মুখরিত হয়।

এদিকে,কলারোয়া উপজেলা হানাদার মুক্তদিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে একটি বিজয় র‌্যালী বের হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধ সংসদে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest