সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবি

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিপ্লব মন্ডলের বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ১৯ শে ফেব্রুয়ারি ২৩ ইং দুপুর ১টায় হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ আব্দুল লতিফ।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সদ্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে যোগদানকারী ডাঃ বিপ্লব মন্ডল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মারুফ হাসান, ডাঃ রেহানা আক্তার খাঁন, দেবহাটা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, ইমারজেন্সী ইনচার্জ ডাঃ মোনতেজউদ্দীন, ইপিআই কর্মকর্তা সালাহউদ্দীন আলী, সিনিয়র স্টাফ নাস রিতা সরকার, ফারিয়ার সভাপতি কবির আহম্মেদ, হাসপাতালের ক্যাশিয়ার আইয়ুব হোসেন, পরিসংখ্যানবীদ মামুন-অর রশিদ, অফিস সহায়ক নয়ন কুমার দাশ প্রমুখ।

বক্তারা এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিপ্লব মন্ডলের বিভিন্ন মানবিক কাজের বর্ননা দেন এবং তার ভবিষ্যত জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

ডাঃ বিপ্লব মন্ডল এসময় তাকে সহযোগীতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং তার জন্য আর্শীবাদ কামনা করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ডাঃ আব্দুল লতিফ বিপ্লব কুমারের বিভিন্ন মানবিক কাজের বর্ননা দিয়ে বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে বিপ্লব মন্ডলের অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে দেবহাটাবাসী মনে রাখবে বলে আলোকপাত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে রবিবার সকাল ১১টায় আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার সংলগ্ন আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

সংগঠনটির আহবায়ক সচ্চিদানন্দ দে সদয়ের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন,দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যক্ষ মাহাবুবুল হক ডাবলু, কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর সাকি পলাশ, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি আহসান হাবীব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, আব্দুল গফফার, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শফিফুল ইসলাম, গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি রফিক আহমেদ, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ প্রমূখ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সংগঠনটির সদস্য সচিব এস.কে হাসান ও হাসান ইকবাল মামুন।
বক্তারা বলেন, শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৩০ সালে নানার বাড়ি বুধহাটা গ্রামে আনোয়ার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ছিল কনুই গাজী ও মায়ের নাম পরীজান বিবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ছিল সবার বড়। মেধাবী আনোয়ার হোসেন বাড়ি সংলগ্ন বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এর পর বুধহাটা বি.বি.এম কলেজিয়েট বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একপর্যায়ে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৪৬ সালে এসএসসি পাস করেন। এরপর তিনি খুলনার বিএল কলেজে পড়াশুনাকালীন ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। তরুণ আনোয়ার হোসেন ভাষা আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালিন গান্ধী পার্কে (বর্তমানে হাদিস পার্ক) ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইস্তেহার পাঠ করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েকদিন পর তিনি মুক্তি পান। পরে ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে ১৯৪৯ সালে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে প্রথমে তাকে কোতয়ালী থানায় রাখা হয়। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী কারাগারে।

সেখানে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন তিনি। একপর্যায়ে ১৯৫০ সালে ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালানো হয়। তাতে সাতজন কারাবন্দি নিহত হন। তার মধ্যে ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন ছিলেন অন্যতম। তাই আমরা বিশ্বাস করি মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলনে ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন দেশের প্রথম শহীদ। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে তার কোন স্বীকৃতি নেই। তাই আমাদের দাবি শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান।

আশাশুনি সরকারি কলেজের নাম ‘শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেনের’ নামে নামকরণ করা, সাতক্ষীরা, আশাশুনি, বুধহাটা সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা, সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়ক তার নামে নামকরণ করা, সরকারিভাবে ট্রাস্ট গঠনের দাবী জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.ইয়ানুর রহমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক উন্মুক্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকাল ৫টায় সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো: মোখলেছুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সমিতির প্রধান উপদেষ্টা শেখ নাসেরুল হক, ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান, পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলাম লাল্টু প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: জামাল মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম পলাশ, আ: ছালাম, খলিলুর রহমান মুকুল, মো: জাহাঙ্গীর গাজী, কামরুল ইসলাম রানা।

প্রধান অতিথি বলেন, আমরা যেটা খেতে পারব না। সেটা আমার কাউকে খাওয়াব না ইসলামী শরিয়াহ মতে গরু ছাগল হাস মুরগী, জবাই দিব। কোন রোগাক্রান্ত প্রাণি জবাই দিয়ে কাউকে খাওয়াব না। ওজনে কম দিব না। ছাট মাংসে আলাদা রক্ত মেশাব না ওটা হারাম। বাজার মূল্য ছাড়া অতিরিক্ত কোন জিনিসের দাস ক্রেতার কাছে চাইব না। আমরা নিরাপদ খাদ্য খাবো এবং অন্যদের খাওয়াবো।

সভায় মাংস ব্যবসায় বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে আলোচনা হয়। সাধারণ সম্পাদক শেখ ওলিউল ইসলাম বলেন, অনিয়ম আছে। কিন্তু মাংস সমিতির কোন সদস্যগন কোন অনিয়ম করে না। নজরদারী সহায়তা চাই। প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ সহায়তার আশ^াস দেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালিউল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মেম্বর আ: রাজ্জাক দৈনিক সাতক্ষীরার সকালের প্রতিনিধি মানবাধিকারকর্মী শেখ মনিরুল ইসলাম, মামুন হোসনে, রফিকুল ইসলাম, ইলিয়াস বাবু, আব্দুর রহিম, আমিনুল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খলিষখালী ইউনিয়ন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড সুফল আইচের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড মনিরুজ্জামানের পরিচালনায় রোববার বিকাল ৪টায় খলিষখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মী সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ও খলিষখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এড ফাহিমুল হক কিসলু, তালা উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য কমরেড অজিত বৈদ্য, শ্রমিক ফেডারেশন এর নেতা মকবুল হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন বর্তমানে তেল, গ্যাস,বিদ্যুৎসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, গরিব মানুষের রেশনিং ব্যবস্থা, চাঁদাবিহীন পেনশন স্কীম চালু, জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম ব্যবস্থা, জামাতের হত্যাকান্ড ও নৃশংসতার দ্রুত বিচার এবং বিএনপি-জামায়াতের নয়াষড়যন্ত্র প্রতিরোধে আগামী ৪ মার্চ-২০২৩ শনিবার দুপুর ২টায় শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক জনসভা সফল করার আহবান জানান। উক্তকর্মী সভায় জনসভাকে সফল করার জন্য ইউনিয়ন প্রস্তুতি কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক কমিটি, প্রচার ও অর্থ কমিটি গঠনসহ ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে দায়িত্ব বন্টন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া সার্বজনীন রাধাগোবিন্দ মন্দিরে দূঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোর চক্রের সদস্যরা মন্দিরের দুটি ফটকের গেটের তালা ভেঙে ব্রিটিশ শাসনামলে স্থাপিত রাধা, কৃষ্ণ ও গোপালের চারটি দু®প্রাপ্য পিতলের মুর্তি, প্রতিমার দেহে পরিহিত সাড়ে তিন ভরি ওজনের সোনার গহনা, রৌপ্যালঙ্কার ও দান বাক্সের নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। শনিবার রাত ১২টার পরবর্তী কোন এক সময়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

দক্ষিণ পারুলিয়া সার্বজনীন রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার মিস্ত্রী জানান, শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত পুজা অর্চনা শেষে পুরোহিত ও ভক্তরা যার যার মত বাড়ি চলে যান।

এর পরবর্তী কোন সময়ে অর্থাৎ রবিবার ভোরের আগে চোর চক্রের সদস্যরা মন্দিরের গেটের দুটি তালা কেটে মন্দিরে সংরক্ষিত বৃটিশ শাসনামলে স্থাপিত রাধা, কৃষ্ণ ও গোপালের চারটি পিতলের দু®প্রাপ্য চারটি পিতলের মুর্তি, প্রতিমার দেহে পরিহিত সাড়ে তিন ভরি সোনার গহণা, রৌপ্যালঙ্কার ও দানবাক্সে থাকা নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।

পারুলিয়া ইউপি সদস্য অসীম কুমার ঘোষ জানান, প্রতিদিনের ন্যয় মধ্যরাত পর্যন্ত পুজা অর্চনা শেষে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। সকালে পুজারী আঙুরবালা দেবী মন্দিরে ঢুকে চুরি সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে অবহিত করেন। তারা বিষয়টি মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ পুলিশকে অবহিত করেন।

দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, মন্দিরের পাশে ভোমরা বন্দরের ধণাঢ্য সিএণ্ডএফ ব্যবসায়ি এবাদুর রহমানের বাড়ি। ড়ত তিনদিন ধরে এবাদুর রহমান ও তাদের পরিবারের সদস্যরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অন্যত্র অবস্থান করছিলেন। ওই বাড়িটি শূন্য পড়ে ছিল বলে ধারণা চোরচক্রের কাছে। শনিবার গভীর রাতে চোরচক্র প্রথমে ওই সিএণ্ডএফ ব্যবসায়ির বাড়িতে ঢুকে আলমারিসহ অন্যান্য আসবাবপত্র তছনছ করে। কিন্তু চোরচক্রের সদস্যরা সেখানে কোন মূল্যবান জিনিসপত্র না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী রাধা গোবিন্দ মন্দিরের তালা ভেঙে দু®প্রাপ্য মুর্তি, সোনার ও রুপার গহনাসহ দানবাক্সে থাকা নগদ টাকা নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় রাধা গোবিন্দ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার মিস্ত্রী বাদি হয়ে রবিবার থানায়ঢ একটি চুরির মামলা (৭নং) দায়ের করেছেন। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোরচক্রকে ধরার চেষ্টা চলছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
যুব, ছাত্র ও মহিলা গণ ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা শাখার ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ই জানুয়ারী শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা যুব,ছাত্র ও মহিলা গণফোরামের আয়োজনে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী হলরুমে এ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা গণফোরামের সিনিয়র সভাপতি প্রভাষক  জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রওশন ইয়াজদানী। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন গণফোরাম খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি আলী নুর খান বাবলু।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক তাজুল ইসলাম, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মো. সানজিদ রহমান শুভ,সদর উপজেলা সভাপতি প্রভাষক কবির হোসেন। এসময় গণ ফোরামের জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে ফেরদৌসি খান ময়নাকে মহিলা গণ ফোরামের সভাপতি ও সেলিনা আসাদকে সাধারণ সম্পাদক, মো. বেল্লাল হোসেন মাসুমকে যুব গণ ফোরামের জেলা সভাপতি ও গোলাম সরোয়ার বাপ্পীকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। এছাড়া শুভ কর্মকরকে ছাত্র ফোরামের জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আব্দুর রহমানসহ ৩১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন দ্রব্য মূল্যের দাম যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে জনগনের কষ্ট বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে । তারা আরো বলেন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ গড়তে হলে গণফোরামের কোন বিকল্প নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশেষ প্রতিনিধি :শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনে আটকে পড়া ১০ জন পর্যটককে উদ্ধার করলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও ) মোঃ আক্তার হোসেন।

গত শুক্রবার যশোর জেলা থেকে আগত ১০ জন পর্যটক ট্রলার যোগে শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের কলাগাছিয়া ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে পথ ভুলে সুন্দরবন গহীনে খালের মধ্যে হারিয়ে যায়। পরে ঘুরতে ঘুরতে ট্রলারের তেল ফুরিয়ে যায়।

ঐ বোটে থাকা পর্যটকেরা পরে আতঙ্কিত হয়ে সফরকারী অন্য বোটে অবস্থানকারী পর্যটকদের জানালে তারা শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আক্তার হোসেনের কাছে সাহায্য কামনা করেন। পরবর্তীতে শ্যামনগর ইউএনও তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বনবিভাগের ২ টি টিম, সাংবাদিক আব্দুর রহমান বাবু ও আব্দুল হালিম সহ ট্যুরিস্ট পুলিশের ২ টিম, গাবুরা ডুমুরিয়া ওয়ার্ডের মেম্বারের ১ টি টিম, বোট মালিকের অন্য ১টি টিম সহ মোট ৬টি উদ্ধারকারী টিম সুন্দরবনের ভিতরে পাঠান।

প্রায় ৫ ঘন্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের পর তাদের সবাইকে সুস্থ অবস্থায় রাত ১০ টার সময় উদ্ধার করা হয়। আগত পর্যটকেরা উপজেলা প্রশাসন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং উদ্ধারের কাজে জড়িত সাংবাদিক, ট্যুরিস্ট পুলিশ, বনবিভাগ সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শহর জুড়ে আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এক্স স্টুডেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে হীরক জয়ন্তী কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খান, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরি মোহন সরকার,

প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক হাবিবুল হুসাইন,সাবেক প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মাজেদ, বর্তমান প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান রাসেসহ প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্ররা। এসময় প্রাক্তন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন খুলনা মেডিকেল কলেজে উপাধ্যক্ষ ডাঃ মো. মেহেদী নেয়াজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest