নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রতারক চক্রের এক নারী সদস্যকে আটক করে থানাপুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা । প্রতারক খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার গজালিয়া গ্রামের গাউছুল আলম ভুট্টোর স্ত্রী মিতা আক্তার হনুফা (২৪)।
শনিবার আশাশুনি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতা তাকে আটক করে পুলিশ। এসময় তার সহযোগী আরেক সদস্য আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ডুমুরপোতা গ্রামের করিম গাজীর ছেলে ইব্রাহীম (২৭) কৌশলে পালিয়ে যায়।
এঘটনায় মহাজনপুর গ্রামের তারিকুল ইসলামের স্ত্রী ভুক্তভোগী আজমিরা খাতুন বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় উপরোক্ত দুই প্রতারককে আসামী করে এজাহার দাখিল করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের সহজ সরল মহিলাদের কাছে নিজেদের ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পে চাকরী করেন বলে দাবী করে আসছিলো। প্রকল্প থেকে সমিতির মাধ্যমে প্রত্যেক সদস্যকে গরু/ছাগল দেওয়ার কথা বলে মাথাপিঁছু ১ হাজার ৬০ টাকা করে উত্তোলন করছিলো।
শনিবার সকাল প্রতারক চক্রের সদস্য ইব্রাহীম গাজীর বাড়ি থেকে টাকা উত্তোলন করা অবস্থায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা প্রতারক মিতাকে আটক করে। অবস্থা বেগতিক দেখে ইব্রাহিম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আজমিরা খাতুন বলেন, প্রতারক মিতা তার সহযোগী ইব্রাহিমকে নিয়ে গতবছরের ১৫ অক্টোবর আমার বাড়িতে এসে নিজেকে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কর্মী বলে পরিচয় দেয়। এরপর ১ হাজার ৬০ টাকা দিয়ে সমিতির সদস্য হলে তারা গরু-ছাগল দেওয়ার কথা বলে। সে মোতাবেক আমার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি নিয়ে ৩টি গরু দিবে বলে আমার থেকে ৩ হাজার ৮শ টাকা নেয়। পরে জানতে পারি তারা মধ্যম চাপড়া গ্রামের রবিউল সরদারের স্ত্রী মাসুমা খাতুন, সাইদ সরদারের স্ত্রী আনজিরা খাতুন, ইব্রাহিম সরদারের স্ত্রী মমতাজ খাতুন, হায়দার গাজীর স্ত্রী পারুল খাতুন, মৃত আবুল বাসারের স্ত্রী নাজমা খাতুনের কাছ থেকে একই কথা বলে ১ হাজার ৬০ টাকা হারে উত্তোলন করে পরে আসবে বলে চলে যায়। কিন্তু এক বছর অতিবাহিত হলেও তারা আর ফিরে আসেনি।
শনিবার (৫ নভেম্বর) সকালে জানতে পারি প্রতারক মিতা ডুমুরপোতা গ্রামের তার সহযোগি ইব্রাহীমের বাড়িতে এসে আবারও একই কথা বলে টাকা উত্তোলন করছে।
বিষয়টি স্থানীয়রা বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান জগদীশ চন্দ্র সানাকে জানালে তিনি ইউপি সদস্য শ্রাবন্তী বৈরাগী ও গ্রামপুলিশ পাঠিয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রতারককে উদ্ধার করে থানাপুলিশে সোপর্দ করেন।
এ ব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) জানান- মিতার বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ পেয়েছি। প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
০৫.১১.২০২২
শিক্ষা ডেস্ক: প্রতি বছরের নভেম্বর মাস থেকে শুরু হয় সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম। গত বছরের মতো এবারও সরকারি-বেসরকারি স্কুলগুলোতে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন আগামী ১৬ নভেম্বর। যা চলবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এবার আবেদন ফি ১১০ টাকা, পরিশোধ করতে হবে টেলিটকের মাধ্যমে। আর লটারির ফল প্রকাশ করা হবে ১০ ডিসেম্বর (সরকারি) ও ১৩ ডিসেম্বর (বেসরকারি)। সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ভর্তি বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভার কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বিষয়টি এখন শিক্ষামন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাউশির মাধ্যমিক শাখার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা চলবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ভর্তিবাণিজ্য ও অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করার জন্য লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির নেওয়া হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
কবে নাগাদ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে খুব শিগগির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
বৈঠকে উপস্থিত নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক রাজধানীর একটি সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, সভায় এ বছর অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ভর্তির সব প্রক্রিয়া শেষ করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।
মাউশি থেকে জানা যায়— সরকারি বিদ্যালয়ের আবেদনের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরের ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। এখান থেকে লটারির মাধ্যমে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে।
ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না। আর বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন কমপক্ষে একটি এবং সর্বোচ্চ তিনটি প্রশাসনিক থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে।
এছাড়া আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা সদরের সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে। ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।
জানা যায়— সারাদেশে ২ হাজার ৯৬১টি বেসরকারি স্কুলে আসন রয়েছে ৯ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৬টি। আর সরকারি ৪০৫টি সরকারি স্কুলে আসন ৮০ হাজার ৯১টি।
করোনা মহামারির কারণে ২০২১ সাল থেকে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর আগে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। আর দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেওয়া হতো। নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হতো জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে।
শিক্ষা ডেস্ক: সারাদেশে রোববার (৬ নভেম্বর) থেকে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর ২ হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী নয় লাখ ৮৫ হাজার ৭১৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ১৮৩ জন এবং ছাত্রী পাঁচ লাখ তিন হাজার ৫৩০ জন। মোট দুই হাজার ৬৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থীরা এক হাজার ৫২৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ৯৪ হাজার ৭৬৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৫১ হাজার ৬৯৫ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৮ জন। মোট ২ হাজার ৬৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা ৪৪৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) এইচএসসি (ভোকেশনাল), ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় মোট এক লাখ ২২ হাজার ৯৩১ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৮৮ হাজার ৯১৮ জন এবং ছাত্রী ৩৪ হাজার ১৩ জন। মোট ১ হাজার ৮৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৭৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে পরীক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তাদের নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে ওই দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিটি আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের অনুরোধ করা হয়।
পরীক্ষাকে ঘিরে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব এড়াতে এবং নকলমুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা আয়োজনে ৩ নভেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসমূহে তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৬ নভেম্বর হতে শুরু হয়ে ১৩ ডিসেম্বর শেষ হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর হতে শুরু হয়ে ২২ ডিসেম্বর শেষ হবে।
খেলার খবর : লো স্কোরিং ম্যাচে লড়াইটা হলো হাড্ডাহাড্ডি। স্নায়ু ধরে রেখে জিতলো ইংল্যান্ড। সিডনিতে আজ (শনিবার) শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেট আর ২ বল হাতে রেখে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে ইংল্যান্ড। তাতে বিদায় হয়ে গেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার।
শ্রীলঙ্কার বিদায় নিশ্চিত হয়েছে আগেই। ‘এ’ গ্রুপে দুই দলের ভাগ্য ছিল লঙ্কানদের হাতে। শ্রীলঙ্কা জিতলে বাদ পড়তো ইংল্যান্ড, লঙ্কানদের হারে বাদ পড়লো অস্ট্রেলিয়া। এই গ্রুপে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ড-তিন দলই সমান ৭ পয়েন্ট পেয়েছে। রানরেটে পিছিয়ে থাকায় কপাল পুড়েছে অস্ট্রেলিয়ার।
লক্ষ্য মোটে ১৪২ রান। একটা সময় সহজ জয়ের পথেই ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু হঠাৎ ভোজবাজির মতো পাল্টে যায় চিত্র। একের পর এক উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে ইংলিশরা।
একটা প্রান্ত ধরে ছিলেন তিন নম্বরে নামা বেন স্টোকস। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত ছিলেন ৩৬ বলে ৪২ রান নিয়ে। বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করে ক্রিস ওকস।
রান তাড়ায় নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই দলকে দারুণ শুরু এনে দেন জস বাটলার আর অ্যালেক্স হেলস। তাদের ৪৪ বলে ৭৫ রানের ঝোড়ো জুটিটি ভাঙে হাসারাঙ্গার বলে বাটলার (২৩ বলে ২৮) আউট হলে। হাসারাঙ্গা তার দ্বিতীয় শিকার করেন বিধ্বংসী হেলসকে (৩০ বলে ৪৭)।
এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানে হ্যারি ব্রুক (৪), লিয়াম লিভিংস্টোন (৪) আর মঈন আলি (১), স্যাম কুরানকে (৬) হারিয়ে বিপদে পড়ে ইংলিশরা। সেখান থেকে স্টোকস দলকে টেনে নিয়ে যান শেষ পর্যন্ত।
এর আগে পাঁচ ছক্কায় ঝোড়ো ফিফটির ইনিংস খেলেন লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। কিন্তু উড়ন্ত সূচনার পরও পুঁজিটা বড় হয়নি শ্রীলঙ্কার। পরের ব্যাটাররা যে তেমন কিছুই করতে পারেননি!
সিডনিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লঙ্কান দলপতি দাসুন শানাকা। নিশাঙ্কার ৪৫ বলে ৬৭ রানের ইনিংসের পরও ৮ উইকেটে ১৪১ রানে আটকে যায় শ্রীলঙ্কা।
শুরু থেকে মারমুখী ছিল লঙ্কানরা। নিশাঙ্কার ব্যাটে চড়ে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৫৪ রান তুলেছিল লঙ্কানরা। কিন্তু বাকি ব্যাটাররা কেউই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ফলে পুঁজিটাও বড় হয়নি।
এক প্রান্ত ধরে খেলতে থাকা নিশাঙ্কা আউট হন ১৬তম ওভারে। আদিল রশিদের শিকার হওয়ার আগে ২ চার আর ৫ ছক্কায় ৬৭ রান করেন লঙ্কান ওপেনার। এরপর কিছুটা সময় ধরে খেলেন ভানুকা রাজাপাকসে (২২ বলে ২২)।
নিশাঙ্কার মত ব্যাটিং আর কেউ করতে না পারায় শেষ ৫ ওভারে মাত্র ২৫ রান তুলতে পারে লঙ্কানরা, হারায় ৫ উইকেট।
ইংলিশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল মার্ক উড। ২৬ রান দিয়ে এই পেসার নেন ৩টি উইকেট।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আব্দুর রাজ্জাক নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাতে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন ভোমরা স্থলবন্দর সংলগ্ন শ্রীরামপুর বাজার থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আটককৃত ব্যক্তির নাম আব্দুর রাজ্জাক। সে দেবহাটা এলাকার কুলিয়া গ্রামের মৃত আমিন গাজীর ছেলে।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ভোমরা সীমান্তের শ্রীরামপুর বাজারে পুলিশের অভিযানে আটক হওয়া আব্দুর রাজ্জাকের নিকট থেকে ২শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক দাম ৫ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানের দিক নির্দেশনায় সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খানের নেতৃত্বে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টার সময় শ্রীরামপুর বাজারের শহিদুল ইসলামের দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে আব্দুর রাজ্জাককে ২ শ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়।
পুলিশ আরো জানায়, এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। যার মামলা নং-২৩, তারিখ: ০৪/১১/২২।
অনলাইন ডেস্ক :
দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী এরতেজা হাসান। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী এরতেজা হাসান।
দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী এরতেজা হাসানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহাম্মেদ এই আদেশ দেন।
আজ দুপুরের পর এরতেজা হাসানকে একদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মেহেদী হাসান মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে জামিনের আবেদন করেন এরতেজা হাসানের আইনজীবী।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গত বুধবার তাঁকে একদিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশান-২-এর অফিস থেকে কাজী এরতেজাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। আসিয়ান সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলামের করা একটি মামলায় পিবিআই তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গত ১ জানুয়ারি খিলক্ষেত থানায় মামলাটি করেন সাইফুল ইসলাম। মামলার অন্য আসামিরা হলেন আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সী।
পরে পিবিআই তদন্ত করে কাজী এরতেজা হাসানের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কাজী এরতেজা হাসান ভোরের পাতা ও ইংরেজি দৈনিক পিপলস টাইমসের সম্পাদক।
মামলার এজাহারে সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ২০১৩ সালের প্রথম দিকে আসিয়ান সিটির কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জমি কেনার প্রস্তাব দেয়। দক্ষিণখানে আসিয়ান সিটির ‘আসিয়ান ল্যান্ড ডেভেলপমেন্টস’ প্রকল্পে ২০১৩ সালের ৩ আগস্ট দুই পক্ষের মধ্যে একটি স্ট্যাম্পে ৫০ কোটি টাকায় পাঁচ বিঘা জমি কেনার চুক্তি হয়। ওই বছরের ৩০ আগস্টের মধ্যে দুই দফায় আসিয়ান সিটিকে তাঁরা ৩০ কোটি টাকা দেন। বাকি ২০ কোটি টাকা আর দেননি। কয়েক দফায় চাওয়ার পরও ২০১৯ সাল পর্যন্ত আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা। এদিকে ২০১৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু করেন আসামিরা।
এ সময় আসিয়ান সিটি বাকি টাকা চাইলে আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ জানান, তাঁদের কাছে আর কোনো টাকা পাওনা নেই। সব টাকা পরিশোধ হয়েছে। তাঁরা একটি রেজিস্ট্রি দলিলও দেখান। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে ওই দলিলটি জাল।
এদিকে কাজী এরতেজা সম্পর্কে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, আসামি সরকারি বিভিন্ন অফিস বিশেষ করে সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যবহার করে জাল দলিল তৈরি করেন। তিনি বাড্ডা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহার করে জাল দলিল করেছেন বলে মামলার তদন্তে জানা গেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে। যা তদন্তে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…