কলারোয়া প্রতিনিধি :
কলারোয়ায় আগামি ৯ নভেম্বর বুধবার অনুষ্ঠেয় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস এক প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করেন। সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংকালে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠেয় উদ্ভাবনী মেলায় বিভিন্ন বিষয়ে ৪টি প্যাভিলিয়ন থাকবে। এ প্যাভিলিয়নগুলোতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও স্টার্টআপ, ডিজিটাল সেবা, হাতের মুঠোয় সেবা(ডিজিটাল সেন্টার, পোস্ট-ই সেন্টার, ই-কমার্স, আর্থিক সেবা প্রদান প্রতিষ্ঠানসমূহ), শিক্ষা, দক্ষতা ও উন্নয়ন এবং কর্ম সংস্থান বিষয়ে উপস্থাপন করা হবে। মেলার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৮টা হতে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।
মেলায় ডিজিটাল সেবার মানোন্নয়নে নাগরিকদের মূল্যায়ন সম্পর্কে অনলাইনে মতামত গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া, থাকছে শিক্ষার্থীদের অঅংশগ্রহণে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা। প্রেস ব্রিফিং এ আরও জানানো হয় সরকারি-বেসকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/নাগরিক প্রতিনিধি, সাংবাদিক, মহিলা সমিতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী মেলায় অংশ গ্রহণ করবে।
প্রেস ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শুভ্রাংশু শেখর দাশ, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মোতাহার হোসেন, শিক্ষা কর্মকর্তা রোকোনুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন নাহার আক্তার, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠ, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক রাশেদুল হাসান কামরুল, এম, এ সাজেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, জাহাঙ্গীর আলম লিটন, জুলফিকার আলী, জাকির হোসেন প্রমুখ।
দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার বাজারগুলোতে শীতের সবজি আসতে থাকলেও দাম আকাশ ছোয়া। লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে সবজি, চাল, ডাল, চিনি, মুরগী, ডিম, মাছ, মাংসসহ নিত্যপণ্যের দাম। কিছু দিন ধরে সকল প্রকার সবজিতে বেড়েছে দাম। এলাকার কাঁচা বাজারে কাঁচামালের মূল্য সপ্তাহের ব্যবধানে ২০/২৫টাকা বেড়েছে। বাজারে আসা শীতের সবজি সিম কেজি ৮০টাকা, ফুলকপি ৭০ থেকে ৮০, বাধা কপি ৪০/৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ ৬০/৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
ডায়মন্ড আলু ৫০টাকা, করলা ১০০টাকা, কচুরমুখি, ওল ৬০/৬৫ টাকা, কাকরোল ৬০টাকা, পেপে কেজি ১৫/২০ টাকা, দেশী বিদেশী টমেটো ৮০/১০০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, ঝিঙ্গে ৪৫ টাকা, ঢেড়শ ৩০ টাকা, লালশাক ৪৫ টাকা, পুইশাক ২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে আলুর দাম স্থিতিশীল হওয়ায় সবশ্রেনীর মানুষের আলুই একমাত্র ভরসা।সে হিসেবে সবজির মূল্য নিত্য আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে অনেক আগেই। দেবহাটা উপজেলার বেশ কয়েকটি বাজার সরেজমিনে ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান বাজারে সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য আকাশ ছোয়া। বাজারের এক কাঁচা মাল বিক্রেতা জানান, এবার সবজির দাম অনেক বেশী। প্রতিদিনই সবজির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমদানী কম নয় কিন্ত দাম কমছে না। দক্ষিণ বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী পারুলিয়া পশুর/গরুরহাটে আসা ক্রেতা শহিদুল ইসলাম জানান, এমনিতেই নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তার উপর শাকসবজির মূল্য আকাঁশছোয়া। বর্তমান বাজারে ব্রয়লার মুরগী ২২০ টাকা, গরুর মাংশ ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
আর মাছতো হাত দিলেই ৪৫০ টাকা কেজি। তিনি বলেন, তিনি দৈনিক মুজুরীতে কাজ করে ৩০০ টাকা করে পান। তাও আবার প্রতিদিন কাজ হয়না। মাসে হয়তো ১৫/২০ দিন কাজ হয়। এদিকে উপজেলা র কয়েকটি খুচরা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিকট থেকে অভিযোগ উঠেছে, উপজেলাতে সখিপুর বাজারসহ কয়েকটি চালের আড়ত আছে। তারা আবার সিন্ডিকেট করে ইচ্ছে মতো চাউলের দাম বা রেট নামিয়ে ইচ্ছামতো কারসাজি করে নিজেরা টাকা হাতিয়ে নেন। মোটা চাউলের কেজি ৪০/৫৫ টাকা। সখিপুর বাজার এলাকার ৭০বছর বয়সী এক ভ্যান চালক বলেন, প্রতিদিন চাল লাগে ৩/৪ কেজি। এই চাল কেনার পর আর কিইবা টাকা থাকে তাই আলু ভর্তা, কলা ভর্তা খেয়ে কোন রকম দিন পার করছি। কি দিয়ে চাল কিনব আর কি দিয়ে অন্যান্য জিনিসপত্র কিনবো তা নিয়ে মহা চিন্তায়। তার উপর আবার বাড়িতে ঔষধ কিনতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রতিক্ষন চিন্তায় আছি কিভাবে বেঁচে থাকবো। বিষয়টি সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদারকির দাবী জানিয়েছেন সাধারন মানুষ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরায় ‘মহান সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ পালন করছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। সোমবার (০৭ নভেম্বর) বিকাল ০৪টায় শহরের ম্যানগ্রোভ সভা ঘরে দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সভাপতি শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন রীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন লস্কর শেলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন খান চৌধুরী, তালা উপজেলা জাসদের সভাপতি বীর বিশ^াস আবুল কাশেম, দেবহাটা উপজেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওহাব, আশাশুনি উপজেলা জাসদের সদস্য সচিব সাহিদুল ইসলাম রুবেল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম আবদুল আলীম প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ক্ষমতালিপ্সু উচ্চাভিলাসী সামরিক অফিসারদের দ্বারা ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার, অবৈধ ক্ষমতা দখল ও সংবিধান লংঘন, বঙ্গবন্ধু ও চার জাতীয় নেতা হত্যাসহ হত্যা-ক্যু ষড়যন্ত্রের রাজনীতি এবং উপনিবেশিক রাষ্ট্রকাঠামোর অবসানের লক্ষ্যে সংগঠিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের চেতনা ও মহান শহীদ বিপ্লবী কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তমের শিক্ষাকে ধারণ করে জাসদ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রকাঠামো অবসান করে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল রয়েছে।
এসময় বক্তারা ঠান্ডা মাথার খুনি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় পাওনাদারের টাকা পরিশোধ না করে গোপনে জমি বিক্রয় করে ভারতে চলে যাওয়ার অপচেষ্টা বন্ধ এবং টাকা উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সদরের ঝাউডাঙ্গা গ্রামের মৃত নৃসুন্দর মুখার্জির পুত্র অশোক মুখার্জি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার দাদু (বাবার মামা) এর একমাত্র পুত্র মানিক বহুবছর পূর্বে ভারতের বাসিন্দা হওয়ায় দাদু সুবোল বন্দোপাধ্যায় সাতক্ষীরা সদরের রামনগরে বসবাস করতো। রামনগর মৌজায় একবন্দে পৌনে ১১ বিঘা সম্পত্তি ছিলো দাদুর। বাংলাদেশে দাদুর কেউ না থাকায় তার দেখাশোনা করে আসছিলাম আমি। দাদু আনুমানিক ৫ বছর পূর্বে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে দাদুর জমির হতে আমার নামে ১ বিঘা জমি লিখে দেন। এছাড়া বাকী ১০ বিঘা জমি একই এলাকার মৃত. গনেশ চন্দ্র দাশের পুত্র অসীত চন্দ্র দাশ বিক্রয় করেন।
সে সময় সাড়ে ৮লক্ষ টাকা অসীত কুমারের কাছে না থাকায় পরে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয় অসীত। দাদু অসীতের কথায় বিশ^াস করে তাকে বলেন, তাহলে ওই সাড়ে ৮লক্ষ টাকা অবশ্যই অশোককে দিবি, বলে তার কাছ থেকে মন্দির এবং মাথা ছুইয়ে কিরি (দিব্বি) কাটিয়ে নেন। কিছুদিন পর দাদু মারা যান। এরপর অসীত আমাকে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে। বাকী ৭ লক্ষ টাকা না দিয়ে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে তালবাহানা করে যাচ্ছে। গত ২০১৯ সালে আমার স্ত্রী অরুনা ওই টাকা চাইতে গেলে তার হাত কুপিয়ে গুরুতর জখম করে অসীত। ৫ বছর ধরে ওই টাকা তো আমাকে দিলোই না উল্টো কৌশলে আমার নামে দেওয়া ১ বিঘা সম্পত্তিও জাল দলিল সৃষ্টি করে দখলের চেস্টা চালাচ্ছে। এনিয়ে আদালতে একটি মামলাও রয়েছে। সম্প্রতি অসীত কুমার দাশ নিজের নামে ভারতের মধ্যগ্রামে সাজেরাটি এলাকায় ৪৬ লক্ষ টাকা দিয়ে ফ্লাট নিয়েছে। আর বাংলাদেশে তার নামের সকল সম্পত্তি মোট ২ কোটি ৬ লক্ষ টাকায় বিক্রয়ের জন্য শিয়ালডাঙ্গা গ্রামের জলিল বিশ^াসের পুত্র মনিরুজ্জামান খোকনের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ইতোমধ্যে ৭০ লক্ষ টাকা নিয়ে ভারতের ওই ফ্লাটের জন্য জমাও দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশের জমি এখনো খোকনকে রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেনি। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী অসীত আমার পাওনা টাকা না দিয়ে কৌশলে সম্পত্তি বিক্রয় করে ভারতে চলে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অসীত যাতে সম্পত্তি রেজিষ্ট্রি করে দিতে না পারে সে বিষয়ে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবীতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সাব রেজিষ্ট্রিারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সদ্য সমাপ্ত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের হুমকি দেওয়া এবং ঘুষ প্রদানের অভিযোগে জেলা পরিষদ সদস্য এড. শাহনেওয়াজ পারভীন মিলির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী নাজমুন্নাহার মুন্নি ০৬ নভেম্বর ২২ তারিখে সাতক্ষীরা সদর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। যার নং সি আর ১৩৩৯/২২(সাত)। ধার্য্য তারিখ ১৮ জানুয়ারী ২০২৩।
মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আদেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন সুলতানপুর গ্রামের মরহুম এড শেখ আসিফ ইকবাল হীরকের স্ত্রী নাজমুন্নাহার মুন্নি তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রার্থী ছিলেন, পুরাতন সাতক্ষীরার মৃত এস এম আবু নেছার সিদ্দিকের কন্যা শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি।
নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি মরিয়া হয়ে ওঠেন এবং ভোটারদের বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শনকরাসহ খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছিলেন। একপর্যায়ে নিজের বিজয় নিশ্চিত করতে ভোটার প্রতি ৭ হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার হয়েছে। এমনকি স্থানীয়সহ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় প্রচারিত হয়েছে। এনিয়ে ভুক্তভোগী মুন্নী প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি। যা নির্বাচনী আচরন বর্হিভূত এবং আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।
এদিকে, শাহনেওয়ান পারভীন মিলির বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ থাকায় সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি পদ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। এছাড়া জেলা পরিষদের গত মেয়াদে সংরক্ষিত সদস্য থাকায় প্রভাব খাটিয়ে কথিত বেস্ট টীম নামে একটি ভুইফোড় সংগঠনের নামে জেলাব্যাপি ভাংচুর,লুটপাট এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সে সময় একটি চুরির মামলায় দীর্ঘদিন জেলহাজতও খেটেছেন মিলি। এবারও অবৈধ টাকা ছড়িয়ে ভোট কিনে এবং হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমুন্নাহার মুন্নি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…