সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ১০ জানুয়ারি ২০১৩ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সভাপতি ডা: এস এম বাদশা মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ডা: মোস্তফা জামান স্বাক্ষরিত একপত্রে শেখ মারুফ হোসেন কে আহবায়ক ও আ: রাজ্জাক কে সদস্য সচিব করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, যুগ্ম আহবায়ক কাজী জিল্লুর রহমান, মহিদ, সৈয়দ সেলিম, সদস্য যথাক্রমে প্যাতল, আ: রাজ্জাক, বাবলুর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, লাল্টু, এস এম রফিকুল ইসলাম, বাবু, মোছা: রওশানারা, মাসুম, হাফিজ, ছাইদুল, জাকির বিশ^াস, বাবলু, আমিরুল ইসলাম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাশিমাড়ী প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের শংকরকাটি বাজারের হাজী মার্কেটে আগুন লেগে লিটন সাউন্ড অ্যান্ড ডেকোরেটর নামের একটি দোকান ভস্মীভুত হয়েছে। এতে দোকানের মালামাল ও নগদ টাকাসহ ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) ভোরে বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত লিটন সাউন্ড অ্যান্ড ডেকোরেটরের মালিক মোঃ লিটন জানান, ভোরে ধোয়ার কুণ্ডুলি দেখে স্থানীয়রা আগুন লাগার বিষয়টি বুঝতে পেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ততক্ষণে দোকানের সমস্ত মালামাল পুড়ে শেষ হয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে কালিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু কোন কিছুই আর অবশিষ্ট ছিল না। এতে ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কাশিমাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম এর মৃত্যুতে স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আয়োজনে বুধবার সকালে আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা.আবুল কালাম বাবলা, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যাণার্জি, প্রয়াত আনিসুর রহিমের ভাই আমেরিকা প্রবাসী আশরাফুর রহিম, ডা: আশিকুর রহিম, তার সহধর্মিনী ডক্টর দিলারা বেগম, দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই- এলাহী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংবাদিক দিলিপ কুমার দেব, সাংবাদিক গোলাম সরোয়ার, আমিনুর রশিদ, বরুন ব্যানার্জি, প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, কার্যনির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম আকবর কবিরসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জলের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সদস্য, উপকূলীয় প্রেসক্লাব, শ্যামনগর প্রেসক্লাব, আশাশুনি প্রেসক্লাব, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাব, দেবহাটা প্রেসক্লাব, দেবহাটা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, দেবহাটা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন, কলারোয়া প্রেসক্লাব, পাটকেলাঘাটা ও তালার সাংবাদিকবৃন্দ।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিক আনিসুর রহিম ছিলেন একজন আদর্শবান মানুষ। সৎ,সাহসী এবং নির্ভিক। সত্য কথা বলতে ভয় পেতেন না। যারা বর্তমানে সাংবাদিকতা শুরু করেছেন তাদের অবশ্যই আনিসুর রহিমের জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিতে হবে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ। মানুষ গড়ার কারিগর। বিশেষ করে শিশু শিক্ষাকে আধুনিকতার ছোয়ায় এগিয়ে নিতে তিনি আমৃত্যু চেষ্টা চালিয়েছেন। এছাড়া দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে থেকে সব সময় কাজ করতেন। তার কোন অহংকার ছিলো না। তিনি সাতক্ষীরার মানুষের জন্য কাজ করতেন। একেবার দরিদ্র ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের সাথে মিশে গিয়ে কাজ করতেন। তাকে হারিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করে গেছেন। সাতক্ষীরার মানুষ এই মহান ব্যক্তিটিকে আজীবন কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করবে।

আলোচনা সভা শেষে প্রয়াত আনিসুর রহিমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা পৌরসভা জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ¦ মো: সাইফুল ইসলাম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে চন্দ্রকান্ত মন্ডল (৩৩) নামের এক ইউপি সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত চন্দ্রকান্ড মন্ডল বড়দল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন।

নিহতের বড়ভাই হীরক চন্দ্র মন্ডল জানান, চন্দ্রকান্ত রাতে সরিষা ক্ষেতে পানি দিতে যাচ্ছিলেন। এসময় ক্ষেতের মোটরের সাথে সংযুক্ত একটি বৈদ্যুতিক তার মাটিতে পড়ে ছিলো। গভীর অন্ধকারে তিনি ওই তার দেখতে না পেয়ে অসাবধনতাবশতঃ পা দিয়ে ফেলেন। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মূমুর্ষ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
আশাশুনির বড়দল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জগদীশ চন্দ্র সানা নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, তিনি রাতেই ঘটনাটি শুনেছেন। নিহত চন্দ্রকান্ত দুই ছেলের বাবা।

আশাশুনি উপজেলার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, ইউপি সদস্যের মরদেহটি ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এটি আর ময়নাতদন্ত করা হবে না। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জেলা সাহিত্য মেলা-২০২২ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা সভা, কর্মশালা, প্রবন্ধ পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়ণে ও বাংলা একাডেমির সহযোগিতায় এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে বুধবার সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী অডিটোরিয়ামে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জোহরা খাতুন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে এ সময় বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আমানউল্লাহ আল হাদী, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক ইমরুল ইউসুফ প্রমূখ।

আলোচনা সভার আগে এ উপলক্ষে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‌্যালীটি শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে গিয়ে আলোচনা সভায় গিয়ে মিলিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি এ সময় বলেন, সাহিত্য মেলা মানে একটি উৎসব ও সাহিত্যিকদের মিলন মেলা। এই উৎসবটিকে সর্বস্তরের মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং ছড়িয়ে দিতে হবে। আমাদের বাঙালীদের দুটি গৌরবের ইতিহাস আছে। একটি হচ্ছে ভাষা আন্দোলন, আর একটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। ভাষার দাবীতে এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য এতো মানুষের রক্ত দেওয়া বাংলাদেশ ছাড়া বিশে^ অন্য কোন জাতি নেই। তিনি আরে বলেন, কবি-সাহিত্যিকদের লেখনীর মাধ্যমে দেশের এই সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক সাব রেজিষ্ট্রার ইউসুফ আলীকে লাঞ্চিত এবং তার উস্কানীতে হামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ ও কর্মবিরতী কর্মসূচী পালন করছে সাতক্ষীরা রেজিস্ট্রি অফিস।
বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন এর ডাকা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি বুধবার সকাল থেকে সাতক্ষীরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ কর্ম বিরতী পালন করছে।

প্রসঙ্গত: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সাব রেজিষ্ট্রার ইউসুফ আলীকে ১০ জানুয়ারি এজলাস কক্ষে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াত শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করে, মোবাইল ছিনিয়ে নেয় এবং উস্কানী দিয়ে দুবৃত্তদের সহযোগিতায় মারপিট করে মারাত্মকভাবে আহত করে।

অবিলম্বে ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচারের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে কর্মবিরতী ডাক দেয় বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন।তারই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরাতেও অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতী পালন করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গতকাল মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের আহ্বানে ১০ জানুয়ারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ড মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি একথা বলেন।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে ফজলুল হকের সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম বলেন, জামায়াত বিএনপির সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করা হবে। ২০১৩-১৪ সালের সহিংসতায় যারা জড়িত তাদের আর ক্ষমা করা হবে না। আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জেলা আওয়ামীলীগের কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, শেখ সাহিদ উদ্দীন, সাহানা মহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, আহম তারেক উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আতাউর রহমান,

কাজী আক্তার হোসেন, আইন সম্পাদক এড. ওসমান গণি, কৃষি সম্পাদক ডা: মুনসুর আহমেদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক এড. অনীত মুখার্জি, বিজ্ঞান প্রযুক্তি সম্পাদক জে এম ফাত্তাহ, যুব ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, মহিলা সম্পাদক শিমুন শামস, শিল্প বাণিজ্য সম্পাদক শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: সুব্রত ঘোষ, উপ-দপ্তর সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান লিটু, এস এম শওকত হোসেন, শেখ নাসেরুল হক, শেখ আব্দুর রশিদ, সাহাজাহান আলী, শাহাদৎ হোসেন, মীর মোশাররফ হোসেন মন্টু, আসাদুজ্জামান অসলে, এড. সৈয়দ জিয়াউর রহমান বাচ্চু, শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, নাজমুন নাহার মুন্নি,

মো: সামছুর রহমান, মাহফুজা সুলতানা রুবি, ইসমত আরা প্রমুখ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যো¯œা আরা, কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুজ্জামান জুয়েল, ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেন, শ্রমিকলীগের আব্দুল্লাহ সরদার, স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়েশা সিদ্দিকা, তাঁতীলীগের শেখ আলমগীর হোসেন, শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশি, যুবলীগের জহুরুল হক নান্টু ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মশিউর রহমান ময়ুর। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
২০১৭ সালে যোগদান করে মাত্র ৩৪ দিন বিদ্যালয়ে হাজির হয়েছিলেন প্রধান শিক্ষক নাজমা খাতুন। এরপর কেটে গেছে পাঁচ বছর। এ দীর্ঘ সময়ে তিনি আর একদিনও বিদ্যালয়ের যান নি। তবে বিদ্যালয়ে না গেলেও নিয়মিত তুলেছেন বেতন ভাতা। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কমেছে শিক্ষার্থী। এর প্রতিবাদে স্বোচ্ছার হওয়ায় স্থানীয় এক ইউপি সদস্যকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন হুমকি।

এ অভিযোগ সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার ২২ নং সেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমা খাতুনের বিরুদ্ধে। তিনি তালা উপজেলার দাঁতপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ সানার কন্যা। তিনি বসবাস করেন খুলনা শহরে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাশ^বর্তী দাতপুর গ্রামের রশিদ সানার কন্যা নাজমা খাতুন গত ২১ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে সেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর মাত্র ৩৪ দিন বিদ্যালয়ে হাজির হয়ে অফিসের কার্যক্রম সম্পাদন করেন। এরপর তিনি পিটিআই প্রশিক্ষণের জন্য দেড় বছরের ছুটির আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর তিনি ডেপুটেশনে খুলনা পিটিআই তে প্রশিক্ষন গ্রহণ করেন। কিন্তু পিটিআই এর নিয়ম অনুযায়ী ১ বছর প্রশিক্ষন নিয়ে ৬ মাস বিদ্যালয়ে সংযুক্ত থাকার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক নাজমা খাতুন খুলনাতেই সেটি সম্পন্ন করেন। পিটিআই এর ছুটি শেষ হলেও তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি। গত ২০১৯ সালের ২ জুলাই ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদন করে তা অনুমোদন করিয়ে নেন। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারী তিনি ২ মাসের মেডিকেল ছুটির জন্য আবেদন করেন। ২ মাসের ছুটি শেষ হওয়ার পর আরো ২ মাসের ছুটি বর্ধিত করিয়ে নেন প্রধান শিক্ষক নাজমা খাতুন।

তবে সে ছুটির মেয়াদ হলেও তিনি বিদ্যালয়ের যোগদান করেননি। সম্প্রতি তিনি বিনা বেতনের ছুটি পাশ করিয়ে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক নাজমা খাতুন।

নাজমা খাতুনের এ ছুটি যেন শেষ হওয়ার নয়। একের পর এক মেডিকেল সনদ দিয়ে ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ৫ বছর কাটিয়েছেন ছুটি। এখনো ছুটিতেই থাকতে চান তিনি। এমনটিই দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্যসহ স্থানীয়রা।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ মাত্র ৪জন শিক্ষকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ছুটিতে থাকায় ৩ তিন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করে কষ্টসাধ্য। এরপরও মাঝে মধ্যেই ২/১ জন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকেন। তাদেরও অসুস্থ্যতা রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। একসময়ে বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিতে ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও এখন তা কমে মাত্র ১০ থেকে ১২ জনে নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৩০ জনের মত শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টি বর্তমানে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে গেছে।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য ও তালা উপজেলার কুমিরা ইউপির ১নং ওয়ার্ডের সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক সংকটের কারনে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা নষ্ট হওয়ার কারনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ একটি মিটিং করে প্রধান শিক্ষক ছুটিতে যতদিন থাকবে ততদিনের জন্য একজন শিক্ষককে ডেপুটেশনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে জানানো হলে তিনি তদন্তে আসেন। সেখানে স্থানীয়রাদের চাপের মুখে একজন শিক্ষকে ডেপুটেশনে দেওয়ার প্রস্তাব দেন শিক্ষা অফিসার। কিন্তু পরবর্তীতে তৎকালিন ইউএনও স্যার আমাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করেন। এরপর থেকে ভয়ে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর কেউ কথা বলেন না।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্যামল দাস বলেন, ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ জন নেই। ৩ শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করা হয়। মাঝে মধ্যে ১ অনুপস্থিত থাকলেই চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। বিদ্যালয়ের এ অবস্থার কারনে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বের করে অন্যত্র ভর্তি করছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমা খাতুন বলেন, বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে যোগদানের পর পিটিআই এর প্রশিক্ষণে ছিলাম। পরে মাতৃত্বকালিন ছুটি নিয়েছিলাম। এরপর করোনার কারনে বিদ্যালয়ে যাওয়া লাগেনি। করোনা পরবর্তী সময়েও কেন বিদ্যালয়ে যান না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্তমানে বিনা বেতনের ছুটি ভোগ করছি। তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষক তার চাকুরী জীবনে ৫ বছর ছুটি ভোগ করতে পারবেন। আমি সেই ছুটিতে আছি।

এবিষয়ে তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষক নাজমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কোন শিক্ষক ৫ বছর ছুটি ভোগ করতে পারবেন কি না বিষয়ে তিনি বলেন, এধরনের কোন নিয়ম নেই। সর্বোচ্চ ২ বছর তাও ৬ মাস পর পর নতুন করে ছুটির অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।

জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, তিনি প্রধান শিক্ষক হওয়ায় আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস খুলনার উপ-পরিচালক বরাবর লিখিত পত্র পাঠিয়েছি। সে অনুযায়ী উপ-পরিচালকের দপ্তর হতে ওই শিক্ষক নাজমা খাতুনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে শুনেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest