সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা থেকে খুলনাসহ জেলার বেশ কয়েকটি রুটে শুক্রবার সকাল থেকে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ব্যাপক দূর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রীরা। ফলে সাতক্ষীরায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা আটকে পড়েছেন।

বিশেষ করে খুলনাগামী যাত্রীরা পড়েছেন মহাসংকটে। অনেকে আবার নিয়োগ পরীক্ষা দিতে পারেনি পরিবহন সংকটের কারণে। তবে সকাল থেকে সাতক্ষীরা -আশাশুনি ও সাতক্ষীরা- কালিগঞ্জ সড়কে কিছু সংখ্যাক বাস চলাচল করতে দেখা গেছে।

খুলনায় ২২ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন মালিক-শ্রমিকরা। তাই শুক্রবার ও শনিবার খুলনার উদ্দেশ্যে কোনো বাস চালাতে মালিক-শ্রমিকরা রাজি হচ্ছেনা বলে জেলা বাস-মিনিবিাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এসব যুক্তি নাকচ করে দিয়ে বিএনপি নেতারা বলছেন, খুলনায় বিএনপির সমাবেশ বাঁধাগ্রস্থ করতে এমন হটকারী সিদ্ধান্ত মালিক-শ্রমিকদের। সাতক্ষীরার ৯টি রুটের মধ্যে ৮টি রুটে বাস চলাচলের দাবী করা হলেও সাতক্ষীরা থেকে খুলনাগামী কোন ধরণের যানবাহন চলাচল করছেনা।
সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের সভাপতি এম সোহেল আহমেদ মানিক জানান, অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে খুলনা বিভাগীয় বাস মিনিবাস মালিক সমিতির নির্দেশে শুক্রবার ও শনিবার বাস চলাচল বন্ধ রাখার কথা বলা হলেও শুধুমাত্র খুলনায় কোন বাস যাচ্ছে না। অন্যান্য রুটে কম বেশি বাস চলাচল করছে। ২২ অক্টোবর খুলনায় বিএনপির সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে সমাবেশে যোগ দিতে ইতিমধ্যে বিএনপির ৩০ভাগ নেতাকর্মী খুলনায় পৌছে গেছে। বাকিরা বিভিন্ন মাধ্যমে আজ দিনভর যাবে। এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েছে বলে দাবী করেন এই নেতা।

সাতক্ষীরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আহবায়ক সাইফুল করিম সাবু জানান, সড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে খুলনায় ধর্মঘটের ডাক দেওয়ায় শুধুমাত্র সাতক্ষীরা থেকে খুলনাগামী সকল ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও জেলা থেকে ৮টি রুটে ঢাকা যশোরসহ জেলার অভ্যন্তরে গাড়ি চলাচল করছে। তবে সব ক্ষেত্রে তেমনটি দেখা যায়নি। জেলার আভ্যন্তরিন কয়েকটি রুটে গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এড: সৈয়দ ইফতেখার আলী জানান, সাতক্ষীরা থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা খুলনার বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিবেন। তবে খুলনার পরিবহন বন্ধ করে দিয়ে সড়কে এবং নৌপথে বিএনপির নেতাকর্মীদের খুলনায় আসতে বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করছে আইনশৃঙখলাবাহিনী ও প্রশাসন। এরপরও মটর সাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহন সহ বিকল্প পথে সাতক্ষীরা থেকে অন্তত ৫/৬ হাজার নেতাকর্মী খুলনায় এসে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার বাটকেখালী এলাকার চিহ্নিত প্রতারক আবুল কাশেম কর্তৃক এক কাঠ ব্যবসায়ীকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে জনার্কীন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে আব্দুল মালেক।

তিনি বলেন আমি সাতক্ষীরা শহরে দীর্ঘদিন ধরে অত্যান্ত সুনামের সাথে কঠের ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছি। সম্প্রতি বাটকেখালী গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর পুত্র চাল মিস্ত্রি আবুল কাশেমকে আমার বাড়ির চাল মেরামতের জন্য বলি। সে অগ্রিম ১ হাজার টাকাও গ্রহণ করে। কিন্তু সময় মত চাল মেরামত না করে তালবাহানা করতে থাকে। এনিয়ে তার সাথে বিরোধ বাধে। এর জের ধরে আবুল কাশেম আমাকে হয়রানি করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তার সাথে আমার বা আমার পিতার কোন আর্থিক লেনদেন এমনকি কোন ধরনের যোগাযোগও নেই।

ওই বিরোধের জের ধরে হয়রানি করার জন্য আমার কাছে টাকা পাবে মর্মে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মিথ্যা কাল্পনিক অভিযোগ দায়ের করে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে থানায় আমাদের উভয় পক্ষকে নিয়ে বসাবসি করলে সেখানে আবুল কাশেম কোন প্রমান দেখাতে পারেনি। তার পক্ষে স্বাক্ষী হিসেবে উপস্থিত মফিজুল ইসলাম লেনদেনের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান।

আরো উপস্থিত ছিলেন কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম, আব্দুল হান্নান, শওকত, আব্দুস সালাম, হায়দার আলীসহ অনেকেই। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করেছেন। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন আবুল কাশেম সাতক্ষীরা শহরের একজন চিহ্নিত প্রতারক ও ভূমিদস্যু। অর্থের লোভে বিভিন্ন মানুষের জমি অবৈধভাবে দখলকরাসহ নানানভাবে হয়রানি করে। এছাড়া টাকা নিয়েও ঠিকমত কাজ না করে মানুষকে হয়রানি করে। আমার পিতা একজন পুরাতন কাঠমিস্ত্রি। তিনি দীর্ঘদিন অত্যান্ত সুনামের সাথে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ সায়র খাল এর ধারে কাজ করে আসছেন। এ পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগ তুলতে পারেনি। অথচ আবুল কাশেম তার বিরুদ্ধেও কুৎস্য রটিয়ে আমার বৃদ্ধা পিতাকেও হয়রানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমার পিতা বর্তমানে অসুস্থ্য অবস্থায় রয়েছে। এই মিথ্যাচার নিয়ে আমি অত্যান্ত চিন্তিত হয়ে পড়েছি। যদিও প্রতারক কাশেম কোথাও কোন প্রমান দিতে পারেনি। তিনি ওই প্রতারক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক হয়রানির হাত থেকে আমাকেসহ আমার পিতাকে রক্ষা করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ সাতক্ষীরায় ছোট বৌয়ের উস্কানিতে ফুডঅফিসের সাবেক
গাড়ী চালক আব্দুল হামিদ কর্তৃক পঞ্চার্ধ্ব প্রথম স্ত্রীকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেবমিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, সদর উপজেলার বল্লীআমতলা গ্রামের অমেদ আলী গাজীর কন্যা ভুক্তভোগী শান্তি
বিবি।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আনুমানিক ৩৫ বছর পূর্বে সাতক্ষীরা ফুডঅফিসের সাবেক গাড়ী চালক আব্দুল হামিদের সাথে আমার বিবাহ হয়। বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন। দীর্ঘ সাংসারিক জীবনে স্বামী আব্দুল হামিদ বিভিন্ন
সময়ে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসলেও নিরবে সহ্য করে আসছিলাম।

তার ঔরশে আমার গর্ভে একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এখান থেকে আনুমানিক ১৫ বছর পূর্বে গোপনে ফাতেমা খাতুন নামে এক নারীকে দ্বিতীয় বিবাহ করেন এবং আলীপুরের পাচআনী এলাকায় জমি ক্রয় করেন। এরপর থেকেই আমার পরিবারের অশান্তি শুরু হতে থাকে। ওই দ্বিতীয় স্ত্রীর উস্কানিকে স্বামী আব্দুল হামিদ মধ্যবয়সে এসে তুচ্ছ ঘটনায় মারপিট, অকথ্য ভাষা গালিগালাজসহ নানান অত্যাচার করতে থাকেন। এমনকি ওই কুচক্রী দ্বিতীয় স্ত্রী ফতেমার কু পরামর্শে আমার সন্তানদের সম্পত্তিসহ পৈত্রিক সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার
চক্রান্ত শুরু করেন। যদিও দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমার কোন সন্তান নেই।

একপর্যায়ে আমার একপুত্র ও কন্যাকে দেখাশোনাই বন্ধ করে দেন। এরপরও আমি
স্বামী আব্দুল হামিদের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলাম। গত ১৭ অক্টোবর ২০২২
তারিখে আমার কন্যা এবং আমি সেখানে ছিলাম। কুচক্রী দ্বিতীয় স্ত্রীর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বামী আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে স্থানীয় জামায়াত  বিএনপির ক্যাডার আহছান মাস্টার, সাইদুল ইসলাম, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন, সাঈদ, আজগর আলী ও বাবুসহ অজ্ঞাত ভাড়াটিয়া লোকজন আমাকে এবং আমার কন্যার উপর অতর্কিত হামলা করেন। এসময় তারা আমার কন্যা এবং আমাকে
পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেন। এদের মধ্যে আহছান মাস্টার ও মাদক ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন আমার কন্যার পরনের কাপড় চোপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানি ঘটান। আমাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের হাত থেকে আমাদের উদ্ধার করেন। ওই হামলার পর আমার স্বামী প্রকাশ্যে আমাকে এবং আমার কন্যাকে বাড়ি থেকে
তাড়িয়ে দিয়ে বলেন, এখানে তোদের আর কোন জায়গা নেই। তোরা বেরিয়ে যা।

এবিষয়ে vআমার কন্যার জামাতা প্রতিবাদ করতে গেলে তাকেও ভাড়াটিয়া বাহিনীর সদস্য আহছান, সাইদুল ও মাদক ব্যবসায়ী সোহরাব হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করেন। এদিকে, এ ঘটনা আচ করতে পেরে গত ১৪/১০/২০২২ তারিখে আমি সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। যার নং ৮৭৫।

তিনি আরো বলেন, আমার বয়স প্রায় ৫০ এর উপরে এই বয়সে আমি এখন কোথায় যাবো। এছাড়া আমার জামাতাকে হুমকির পর থেকে কন্যার সংসারেও অশান্তি শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় ওই পর সম্পদলোভী চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু
হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বার সমিতির নব নির্বাচিত সহ-সভাপতি, তালা উপজেলার কৃতি সন্তান এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন কে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে অন্তর্ভূক্তি করা হয়েছে।

প্রকাশ থাকে যে, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম নজরুল ইসলামের মৃত্যু জনিত কারনে শূন্য পদের অনূকুলে এড. মোহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের নিকট আবেদন করে। তারই আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক সাবেক এমপি’র নির্দেশনা মোতাবেক সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে ফজলুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦

মো: নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এড. মোহাম্মদ হোসেন, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ(এপিলেড ডিভিশন) কে সহ-সভাপতির শূণ্যপদের অনুকূলে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে অদ্য ২০ অক্টোবর ২০২২, বৃহস্পতিবার সহ-সভাপতি হিসেবে অন্তর্ভূক্তি করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া প্রতিনিধি :
বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা বিভাগের ডিআইজি খুলনা রেঞ্জের সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার এসআই(নিঃ) কবির হোসেনকে খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসাবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন ডিআইজি ড.খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম (বার) এবং সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান জাহিদ ।

ডিআইজির হল রুমে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে কবির হোসেনের হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেন তিনি ।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দক্ষতা,মাদকদ্রব্য উদ্ধার,গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল,বিভিন্ন মামলার অপরাধী গ্রেপ্তার করে আইন-শৃংখলার রক্ষায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করায় এই সম্মাননা দেয়া হয়। এ,এস,আই কবির হোসেন ২০০৫ সালে পুলিশ বাহিনীর সদস্য হিসাবে যোগাদান করেন এবং ২০১৫ সালে এ,এস,আই হবে হিসাবে পদোন্নতি পান তিনি গোপালগঞ্জে কাশিয়ানি থানার স্থানীয় বাসিন্দা

এসময় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার,ওসি ও অফিসারগর উপস্থিত ছিলেন। তিনি কলারোয়া থানা যোগদান করার পর শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য পদের সুষ্ঠু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ঘৃণ্য মিথ্যাচার করেছেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম। বুধবার (২০ অক্টোবর) সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের উত্তর কাটিয়ায় অবস্থিত এ প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ব্যবস্থাপনা কমিটির ৪জন অভিভাবক সদস্য পদে সুষ্ঠু-সুন্দর ও নিরোপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যে নির্বাচন নিয়ে খোদ পরাজিত প্রার্থীদেরও কোন অভিযোগ নেই সেই নির্বাচনকেই প্রশ্নবিদ্ধ করতে গণমাধ্যমের কাছে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন দীর্ঘদিন ক্ষমতা কুক্ষীগত করে রাখা সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম।

নির্বাচন চলাকালীন সময়ে গণমাধ্যমের কাছে তিনি অভিযোগ করেন, উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। অথচ তিনি সভাপতি থাকাকালীন সময়ে এই নির্বাচন বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেলের উপস্থিতিতে স্কুলটিতে যে সভা হয় সে সভায় তিনি নিজে উপস্থিত থেকে নির্বাচন দেওয়ার সুপারিশ করেন। আর নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা থেকে শুরু করে প্রার্থীতা যাচাই-বাচাই, প্রচার-প্রচারণাসহ সকল কাজের বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠার পর এবারই উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য পদে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিলো। স্থানীয় সবাই আগে থেকেই নির্বাচন সম্পর্কে জানতেন। এমনকি নির্বাচনের দিনে প্রায় ৮০শতাংশ অভিভাবক সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। আর এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবদুল গণি। তার সাথে নির্বাচন পরিচালনার কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশও নিয়োজিত ছিলো। অথচ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরোপেক্ষ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে গণমাধ্যমের কাছে মিথ্যাচর করেছেন সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম।

নুরুল ইসলামের এমন মিথ্যাচারের কারণ অনুসান্ধানে জানা গেছে, মূলত জমিদাতা সদস্য হিসেবে নিজের প্রভাব কাজে লাগিয়ে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তিনি অন্যদেরকে স্কুলের সরকারি জমিতে অবৈধ্য স্থাপনা গড়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছেন। নতুন করে নির্বাচিত তার দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচন করে দিতে পারেন এই ভয়ে তিনি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে লাগাতার মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন।

এমন মিথ্যাচারের বিষয়ে জানার জন্য উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলামের ব্যবহারিত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও নির্বাচন পরিচলনা কমিটির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান বলেন, স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন সংক্রান্ত সকল বিষয় সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম প্রথম থেকেই অবগত ছিলেন। মূলত তার পরামর্শক্রমেই নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।

নির্বাচন প্রসঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষা অফিসার নাহিদ আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোট গণনা শেষে আমি সকল প্রার্থীদের কাছে নির্বাচন সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তারা সকলেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। কেউ নির্বাচন নিয়ে কোন অভিযোগ করেন নি। অথচ নুরল ইসলাম সাহেব একজন মুরুব্বী মানুষ হয়ে কিভাবে এমন অভিযোগ করলেন সেটা আমার বোধগম্য নহে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব একে ফজলুল, উর্দ্ধতনসহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, ড. কাজী এরতেজা হাসান, বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: শহীদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাফী আহমদ, মাস্টার নীলকণ্ঠ সোম, শেখ সাহিদ উদ্দীন ও সাহানা মহিদ, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র,

উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, আ হ ম তারেক উদ্দিন, আইন সম্পাদক এড.ওসমান গণি, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ডা: মুনসুর আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অধ্যাপক আফসার আহমেদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, ধর্ম সম্পাদক আলহাজ¦ এইচ এম আরাফাত হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এড. অনীত কুমার মুখার্জী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক জে এম ফাত্তাহ, মহিলা সম্পাদক শিমুন শামস, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার সরকার, যুব ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি,

শিল্প বাণিজ্য সম্পাদক শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব, সাংস্কৃতি সম্পাদক শামীমা পারভীন রতœা, স্বাস্থ বিষয়ক সম্পাদক ডা: সুব্রত কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম শফিউল আযম লেলিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আতাউর রহমান গোলদার, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আক্তার হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান লিটু, উপ-প্রচার সম্পাদক প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু, কোষাধ্যক্ষ বাবু রাজ্যেশ^র দাস, নির্বাহী সদস্য ইঞ্জি. শেখ মুজিবুর রহমান সাবেক এমপি, আলহাজ¦ ফিরোজ আহমেদ, এস এম জগলুল হায়দার এমপি, আলহাজ¦ এস এম শওকত হোসেন, এবিএম মোস্তাকিম, এড. মোজাহার হোসেন কান্টু, শেখ নূরুল ইসলাম, মাস্টার নরিম আলী, আলহাজ¦ মুজিবুর রহমান, ফিরোজ আহমেদ স্বপন, শেখ নাছেরুল হক, শেখ আব্দুর রশিদ, মো: শাহাজান আলী, মো: শাহাদাত হোসেন, ঘোষ সনদ কুমার,

এস এম আতাউল হক দোলন, মো: মনিরুজ্জামান মনি, শেখ মারুফ হাসান মিঠু, আমিনুল ইসলাম লাল্টু, সাঈদ মেহেদী, সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনু, অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু, মীর মোশাররফ হোসেন মন্টু, আসাদুজ্জামান অসলে, এড. সৈয়দ জিয়াউর রহমান বাচ্চু, এনামুল হোসেন ছোট, ইঞ্জিনিয়র মেহেদী হাসান সুমন, মিসেস কোহিনুর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, নাজমুন নাহার মুন্নি, মো: সামছুর রহমান, মীর জাকির হোসেন, মাহফুজা সুলতানা রুবি ও ইসমত আরা বেগম। অনুরুপ অভিনন্দন জানিয়েছেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নাছেরুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মো: সাহাদৎ হোসেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা নবাগত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন পৌর শাখার সদস্যরা।

বুধবার (১৯ অক্টোবর ) সকাল ১১টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাতক্ষীরা জেলার নবাগত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় কালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন পৌর শাখার সভাপতি রোটাঃ আব্দুর সোবহান, সাধারণ সম্পাদক রোটাঃ মো নুরুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো আব্দুল আলীম,

অর্থ সম্পাদক কবি রুহুল আমিন ময়না, সমাজকল্যান সম্পাদক কাজী মনোয়ারুল হক প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest