সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

অনলাইন ডেস্ক :
কবি নজরুলের চিরসত্যের মতো কানে বাজা উক্তিটাই যেন মিথ্যা করে দিলেন কৃষ্ণা সরকাররা। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ফুটবলে ‘যা কিছু মহান’ তার অর্ধেক নয় প্রায় সবটা অর্জনই নারী দলের। বয়স ভিত্তিকের মতো এবার জাতীয় দলের মেয়েদের অর্জনের ঝুলি পূর্ণ হলো বড় এক শিরোপায়। স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নারী সাফে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

কটাক্ষ-কটুক্তি, অভাব-অপ্রাপ্তি থামামে পারেনি বাংলাদেশের এই নারী ফুটবলারদের। দৃঢ় কণ্ঠে স্বপ্নসারথীদের জন্য শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করার ঘোষণা দেওয়া সানজিদা খাতুনরা তাদের স্বপ্ন ছুঁতে পেরেছেন। যারা তাদের ফুটবল মাঠের সবুজ ছোঁয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, তাদের শিরোপা ছোঁয়ার উল্লাসে ভাসিয়েছেন।

কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে মেয়েদের প্রতিপক্ষ ছিল অনেক কিছু। নেপালকে কখনও হারাতে পারেনি মেয়েরা। ২৫ হাজার স্বাগতিক দর্শকের ছিল তাদের বাড়তি উৎসাহ। বৃষ্টির ফোঁটায় কাঁদার মাঠে সেরাটা দিতে পারার শঙ্কাও ছিল। সব জয় করে ম্যাচের ১৩ মিনিটে প্রথম উৎসব করে টাইগ্রেসরা। কর্ণার থেকে আসা ক্রস থেকে গোল করেন শামসুন্নাহার।

প্রথমার্ধে আরও একটি গোল করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবারের গোল আসে কৃষ্ণা রানি সরকারের পা থেকে। অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের বল ধরে ম্যাচের ৪১ মিনিটে জোরের ওপর নেওয়া তার শট ফেরানোর কোন সুযোগই পাননি নেপাল গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধের ৭০ মিনিটে এক গোল শোধ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলার আভাস দেয় স্বাগতিক নেপাল। কিন্তু ৭৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করে দলকে শিরোপার কাছে নিয়ে যান কৃষ্ণা। পরের সময়টা গোলবার অক্ষত রাখার কাজটা করতেও ভুল করেনি গোলাম রাব্বানি ছোটনের দল।

এ নিয়ে দ্বিতীয় বারের চেষ্টায় সাফে প্রথম সাফল্য পেল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ২০১৬ সালে ভারতের বিপক্ষে হেরে শিরোপা হারানোর ক্ষত তৈরি হয়। আসরে ওই ভারতকেও হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ভুটানকে উড়িয়ে দিয়েছে ৮-০ গোলে। নেপালকে হারিয়ে হলো স্বপ্ন পূরণ। এর আগে ২০০৩ সালে সাফের শিরোপা ঘরে তোলে বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দল।

বিবেকানন্দের বিখ্যাত উক্তি, ‘আগামী পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত জন্মভূমিই হোক তোমাদের একমাত্র উপাস্য দেবতা।’ ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বৈষম্য ভুলে জন্মভূমিই একমাত্র উপাস্য হলে এসব শিরোপা অপেক্ষা হয়তো পঞ্চাশ বছরে ঠেকত না। সানজিদাকে লিখতে হতো না, ‘ছাদ খোলা চ্যাম্পিয়ন বাসে ট্রফি নিয়ে না দাঁড়ালেও চলবে, টিপ্পনী একপাশে রেখে যে মানুষগুলো সবুজ ঘাস ছোঁয়াতে সাহায্য করেছে, তাদের জন্য এটি জিততে চাই। এই সাফল্য হয়তো নতুন সাবিনা, কৃষ্ণা, মারিয়া পেতে সাহায্য করবে। অনুজদের বন্ধুর এই রাস্তাটুকু কিছু হলেও সহজ করে দিয়ে যেতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
তালায় কপোতাক্ষ নদের পাড় থেকে লিয়াকত মোড়ল (৭০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপ-শহরের ইকো ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

লিয়াকত মোড়ল খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মৃত নাসির আলী মোড়লের পুত্র। এ সময় লাশের হাতের কাছ থেকে উদ্ধার ‘চুম্বক’ নামের একটি বিষের বোতল। তালা থানার এসআই ইমন হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

তালা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লিয়াকত মোড়ল ৪ দিন পূর্বে তালা থানাধীন সুজনশাহ গ্রামে তার মেয়ে মর্জিনা বেগমের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এ সময় তিনি শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে তিনি অসুস্থ ছিলেন। সোমবার সকালে সাড়ে নয়টার তিনি মেয়ের বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হন। দুপুর ২ টার দিকে তার লাশ কপোতক্ষ নদের পাড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এ সময় তার হাতের পাশেই ‘চুম্বক’ নামের একটি বিষের বোতল ছিল। তিনি কোন কারণে বিষপানে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় তালা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে (যার নং ২৯, তাং ১৯/০৯/২২)।

তালা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আবুল কালাম আজাদ লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উক্ত ঘটনায় তালা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করা হবে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলেই মূল রহস্য জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে এক ব্যবসায়ির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেল তিনটার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার হাড়দ্দহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম হানিফ গাজী (৪৫) । তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার হাড়দ্দহ গ্রামের ইউসুফ গাজীর ছেলে।

হাড়দ্দহ গ্রামের ইয়াছিন আলী জানান, তার চাচা হানিফ গাজী বাড়ির পার্শ্ববর্তী দোকানের ছাদে মিস্ত্রীর কাজ দেখাশুনা করার সময় বৈদ্যুতিক তারে হাত স্পর্শ হয়। এতে সে ছাদ থেকে পড়ে মারাত্মক জখম হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ হাসান জাফরী মৃত বলে ঘোষণা করেন।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হালিমুর রহমান বাবু জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা হ-য-ব-র-ল। বিদ্যালয়ের মেঝেতে কার্পেট , শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ, ইউনিফর্ম, মাসিক ১২০ টাকা উপবৃত্তি, টিফিনসহ ১৬টি ধরণের বরাদ্দ খাকলেও কেবলমাত্র খাতা বাই ও পেনসিল নিয়ে খুশী থাকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর আগেই দেওয়ার বিধান থাকলেও দেওয়া হচ্ছে আট মাস পর। বিদ্যালয়ের মাসিক ভাড়া ও শিক্ষার্থীদের বেতন নৈব নৈব চ। বিদ্যালয় পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চলমান হাল হকিকত সম্পর্কে অবহিত নন।

সাতক্ষীরা জেলা উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের এডিপি’র অর্থায়নে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ১১ থেকে ৪৫ বছরের মহিলা ও পুরুষের জন্য ‘মানব উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-৪ কার্যক্রম’ বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস) অনুমতি পায়। ৪ বছর মেয়াদী এই প্রকল্প ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয়েছে ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে। ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্য দিয়ে ৪২ মাসের প্রকল্প শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের ২২ মাস পরে।
সূত্রটি আরো জানায়,কালিগঞ্জ উপজেলায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বিদ্যালয় পিছু ৩০ জনের বিপরীতে ৭০টি বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয় ভবন ভাড়ার জন্য ভ্যাটসহ এক হাজার ৫০০ টাকা মাসিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ছাত্রদের মাসিক উপবৃত্তি বাবদ তাদের অভিভাবকদের বিকাশ নাম্বারে ১২০ টাকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিদ্যালয় শুরুর আগেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। বিদ্যালয় শুরুতেই শিক্ষার্থীদের ইউনিফরম, ব্যাগ, টিফিন, মেঝেতে কার্পেট, শিক্ষকদের মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতনসহ ১৬ প্রকারের বরাদ্দ উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪২ মাসে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ভ্যাটসহ চার কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ছাড়া কোন শিক্ষার্থী কোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রাসায় পড়াশুনা চলমান থাকলেও তাকে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা যাবে না।

সরেজমিনে বৃহষ্পতিবার ও শনিবার সকাল থেকে কালিগঞ্জের মৌতলা কাজীপাড়া, কৃষ্ণনগর গাজীপাড়া, বিষ্ণুপুরের পানঘাট জেলেপাড়া, বিষ্ণুপুর, চাচাই, থালনা, চাদখালি, পূর্ব নলতা, থালনা, চম্পাফুল, পূর্ব নলতাসহ কয়েকটি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সরকারি নিয়মের ব্যত্তয় ঘটিয়ে কার্যক্রম চলছে। কোথাও মেঝেতে কার্পেট নেই। কয়েকটিতে জমি দাতার বাড়িতে বাথরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে বললেও ভয়ে শিক্ষার্থীরা গৃহকর্তার শৌচাগার ব্যবহার না করে রাস্তার ধারে কাজ সারতে বাধ্য হয়। শুরু থেকে শিক্ষার্থীদের বই, খাতা ও পেনসিল দেওয়া হলেও কোথাও কোথাও তা পর্যাপ্ত নয়। ব্লাক বোর্ডে ব্যবহৃত চখ ব্যবহার অনুপযোগী। তবে নিয়মিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার পাশাপাশি জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এসেম্বেলি করানো হয় বলে জানালেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। কোনদিনও টিফিন, ইউনিফরম, স্কুল ব্যাগ ও উপবৃত্তির টাকা না পেলেও প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষাথী ক্লাসেন আসে। তবে আগে থেকে প্রস্তুত করে দেওয়ায় অনেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বা মাদ্রাসায় পড়লেও সাংবাদিকদের সঙ্গে এ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি অনেকে। তবে মোবাইল ফোনে অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক এবং অনেকেই সরাসরি সরকারি প্রাথমিক বিদালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রসায় পড়েও উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তে আসেন বলে জানান। এতে তারা উপকৃত হচ্ছেন বলেও জানায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

মৌতলা কাজীপাড়া উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যায়ের শিক্ষার্থী ঝড়–খামার গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ১৪ বছর বয়সী ছেলে ্সমাইল হোসেন জানায়, সে এক সময় নমাজগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তো। ১০১৮ সালে সে মৌতলা ছিদ্দিকিয়া এতিমখানায় হেফজো পড়তো। কয়েক মাস যাবৎ সে এ বিদ্যালয়ে পড়ছে। কাজী স্বাদ মৌতলা এতিমখানায় পড়ে। আব্দুর রহমান, আজনিন সুলতানা, আশরাফুল ইসলাম, অলি, মোঃ শাহীনসহ অনেকেই স্থানীয় মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে। তবে এখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে ৬ জন। আবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজনের বয়স সাড়ে ৫ থেকে ছয় বছর। যাদের এ বিদ্যালয়ে গত ডিসেম্বরে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করার সরকারি কোন বিধান ছিল না। জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষিকা তাজিয়া সুলতানা বলেন, এখানে কোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নেই। তবে মাদ্রাসায় অনেকে পড়াশুনা করতো। সবমিলিয়ে সামান্য ত্র“টি বিচ্যুতি থাকলেও হাজিরা প্রায় শতভাগ। তবে নিজের বেতন ও বিদ্যালয় ভবনের ভাড়া যথারীতি পাচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলেন।

কৃষ্ণনগর গাজীপাড়া উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক দীপালী রানী ঘোষ বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থ ক্লাসে আসে। শুধু বই, খাতা ও পেনসিল শুরু থেকেই দেওয়া হয়। গত রোববার ১২ দিনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। এ কদিন স্কুল করা হয়নি। সুপ্রিয়া ঘোষসহ তিনজন প্রতিবন্ধি রয়েছে তার বিদ্যালয়ে। নিজের উদ্যোগেই তাদেরকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। বাড়ি বাড়ি যান শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াতে। এ সময় প্রকল্পের উপজেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোস্তাফিজ কামাল বলেন, বরাদ্দকৃত টাকা ছাড় না হওয়ায় উপবৃত্তি, স্কুলের ব্যাগ, ইউনিফর্ম , টিফিনসহ অন্যান্য ব্যবস্থাপনা হুমকির মুখে। এরপরও তিনি বলেন এ প্রকল্পে তারা শতভাগ সফল হবেন।

বন্দকাটি পানঘাট জেলেপাড়া উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ঝর্ণা রানী কর্মকার বলেন, পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ বন্দ;কাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাকী কোমরপুর সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকার পরও করোনাকালিন ঝরে পড়া অনেক শিশুই এ বিদ্যালয়ে পড়ে। পানঘাটের ১৪ বছর বয়সী প্রদীপ মণ্ডল, গোবিনদ মণ্ডলসহ অনেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে না পড়ার কথা বললেও তাদের অবিভাবকদের সাথে মোবাইলে কথা বলে জানা গেছে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য অনেকাংশেই সত্য নয়।
চাদখালি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মিরিনা পারভিন বর্তমানে নলতায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তবে শিক্ষার্থী সুমাইয়া, নাঈমুর রহমান রিয়াদ, নোমান, তাসপ্রিয়া, আল মামুন, ফাহিমসহ কমপক্ষে ২০ জন শিক্ষার্থী জানায়, তারা চাদখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ার পাশাপাশি এ বিদ্যালয়ে পড়ে। শারমিন পঞ্চম শ্রেণীতে, রুমি, মিথিলা, আছিয়া ও মাজিয়া চাদখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। তবে হাসি জানায় সে কেবলমাত্র শিরিনা ম্যাডামের স্কুলে পড়ে।
পূর্ব নলতা উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকা শরিফা খাতুন প্রশিক্ষণে থাকলেও লুবাইয়া তাবাসুম, মুনতাহা, মুনতাহা পাড় সহ কয়েকজন পড়ে আল হেরা প্রি ক্যাডেট মাদ্রাসায়। ৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জনের বেশি পড়ে পূর্ব নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্রালয় বা আস্কারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এ প্রতিষ্ঠানে খাতা, পনেসিল ও বই তাদের সম্বল।
তবে চম্পাফুল কালীবাড়ি, ঘুষুড়ি, থালনা দক্ষিণ বন্দকাটি, বিষ্ণুপুর, চাচাই, ইন্দ্রনগর, মৌতলা কাজীপাড়া, পানিয়া গাজীপাড়াসহ অধিকাংশ বিদ্যালয়ে নীতিমালা বহির্ভুতভাবে কার্যক্রম চলছে। তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ শুধু তড়িঘড়ি করে নামমাত্র কয়েকটি স্কুল ঘুরে সাত দিনের মধ্যে ৭০টি শিক্সা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে দায়সারা একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে অভিযোগ সচেতন মহলের। এর সঙ্গে রয়েছে প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোস্তাফিজুর কামাল। তিনি সুকৌশলে ব্যর্থতা ঢেকে শতভাগ সফলতার গান গেয়ে যাচ্ছেন।

তবে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ , সমগ্র সাতক্ষীরা জেলায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থী মাত্র এক হাজার ৩০০ জন থাকলেও কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার। দুই হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থীদের অর্ধেকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রাসার চলমান শিক্ষার্থী। এ ছাড়া ২০ শতাংেশের বেশি রয়েছে শিশু, যাদের ভর্তির বয়স হয়নি। যেভাবে প্রকল্প চলছে তাতে বরাদ্দের অধিকাংশ টাকাই সাস ও তাদের অংশীদার এনজিওদের পকেটে যাবে।সব মিলিয়ে সরকারের ২২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শিক্ষা প্রকল্পের আসল উদ্দেশ্যে ভেস্তে যেতে বসেছে।
তবে নয় মাস ক্লাস করেও দুই থেকে তিন মাসের বেতন পাওয়ার কথা জানিয়ে তাদের নাম প্রকাশ না করার আবেদন জানিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষক।
কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তাকে ৭০টি স্কুলের প্রতিবেদন এক সপ্তাহে দিতে বলা হয়। তিনি নামমাত্র কয়েকটি স্কুল ঘুরে সামগ্রিক প্রতিবেদন দিয়েছিলন। সময় পান না তাই কোন স্কুলে যাওয়া হয় না। তবে বরাদ্দের ১৬ টির মধ্যে ১০টিতে অনিয়ম আছে স্বীকার করে তিনি বলেন তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কথা বলবেন।
এনভাইরনমেন্ট এণ্ড এগ্রিকালচারাল ডেভলপমেন্ট এ্যসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, তিনি সাস এর সঙ্গে অংশীদার হিসেবে কাজ করছেন। টাকার অভাবে শুরুতেই বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়ম থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা কাটিয়ে ওঠা যাবে। তবে ৪২ মাসের শিক্ষা কার্যক্রম ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করানাকালিন পরিস্থিতিতে শুরু করতে হয়েছে ডিসেম্বরে। ২০২৩ এর জুন মাসে কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আগামিতে আরো দুই বছর মেয়াদ না বাড়ালে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য সফল হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে স্বামী গোলাম মোস্তফা কর্তৃক স্ত্রী শামসুন্নাহারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার ভোর রাতে আশাশুনির প্রতাপনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছে। শামসুন্নাহার (৪৫) তিন সন্তানের জননী।

গোলাম মোস্তফার ভাই নুরুল ইসলাম জানান, গোলাম মোস্তফা মানসিকভাবে কিছুটা অপ্রকৃতস্থ। প্রত্যেক মাসে একবার তার ইনজেকশান দেওয়া লাগে। না দিলে পাগলামি বেড়ে যায়। সম্প্রতি তার পাগলামি বেড়ে গিয়েছিল। সোমবার রাতে তারা স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুমিয়ে পড়েছিল।

ভোররাতে শামসুন্নাহারের গোঙানির শব্দ শুনে আমরা তাদের ঘরের পাশে যেয়ে দরজা বন্ধ দেখতে পাই। ধাক্কা-ধাক্কির একপর্যায়ে গোলাম মোস্তফা দরজার ছিটকানি খুলে পালিয়ে যায়। ভেতরে যেয়ে শামসুন্নাহারকে মুমুর্ষু অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ভ্যান ডাকি। ততক্ষণে শামসুন্নাহার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। পিটিয়ে ও শ^াসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করেন গোলাম মোস্তফার ভাই নুরুল ইসলাম।

আশাশুনি থানার ওসি মোমিনুর রহমান জানান,ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ এই প্রতিপাদ্য শ্লোাগান নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দূর্গাপূজাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আইনশৃংখলা বিষয়ক এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পুলিশের আয়োজনে রোববার বিকালে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজিব খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) কনক কুমার দাশ, উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, আতাউল হক দোলন, আমিনুল ইসলাম লাল্টু, মিজবর রহমান ও কলারোয়া পৌর মেয়র সহ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুভাষ ঘোষ, সাধারন সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, হিন্দু বৈদ্ধ্য খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক স্বপন কুমার শীলসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।
পুলিশ সুপার এ সময় বলেন, সকলের সহযোগিতায় সার্বজনীন দূর্গা পূজা নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তার মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর জেলায় শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে জেলার সকল মন্ডপ গুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশনা মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় বর্ণিল জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা সদরের বাবুলিয়া ফুটবল মাঠে এমপি রবি ফুটবল
টুর্নামেন্ট ২০২২ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরা সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বাবুলিয়া ফুটবল মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক
মীর তানজির আহমেদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন
উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ
সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “আমাদের নতুন প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত করতে খেলা-ধূলার বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে
খেলা-ধূলার প্রসার ঘটাতে হবে। জঙ্গি, মাদক, সন্ত্রাস ও বাল্য বিবাহ মুক্ত
দেশ গড়তে সকলের সহযোগিতা দরকার।
ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, জেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য যুব নেতা মীর মহিতুল আলম মহি, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আরা,

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সরদার নজরুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান শাহিন, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর সমন্বয়কারি বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ কাজী কামরুজ্জামান খোকন, আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হবি, সাধারণ সম্পাদক তাপষ আচার্য্য, বাঁশদহা ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার মো. মফিজুর রহমান, শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম আবুল কালাম, আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন
মিলন, বৈকারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু মো. মোস্তফা কামাল, জেলা ছাত্ররীগের
সহ-সভাপতি কাজী হাশিম উদ্দিন হিমেল, সাধারণ সম্পাদক মো. সুমুন হোসেন,
জেলা তাঁতীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মীর শাহিন প্রমুখ। এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর উদ্বোধনী খেলায় অংশ নেয় বাঁশদহা ইউনিয়ন দল বনাম আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন দল। প্রথমার্ধের খেলার নির্ধারিত সময়ে আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন দল ২টি গোল করে। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় তুমুল লড়াইয়ের পরও বাঁশদহা ইউনিয়ন
দল গোলের দেখা পায়নি। আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন দলের পক্ষে প্রথম গোলটি করে
কামরুজ্জামান এবং দ্বিতীয় গোলটি করে সুমন। ফলে বাঁশদহা ইউনিয়ন দলকে ২-০
গোলে পরাজিত করে আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন দল উদ্বোধনী খেলায় জয়লাভ করে। খেলা পরিচালনা করে রেফারী নাসির উদ্দিন, সহকারি রেফারী ছিলেন ইকবাল কবির খান বাপ্পি, পিপুল খান ও আব্দুল গফ্ফার। দুপুর ২টার পর থেকেই বাবুলিয়া ফুটবল মাঠ দর্শকে কানায় কানায় ভরে যায়। হাজার হাজার দর্শক উদ্বোধনী খেলাটি উপভোগ করে।

সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় আলিপুর পুষ্পকাটি ফুটবল মাঠে
এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় খেলা
অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় খেলায় অংশ নেবে আলিপুর ইউনিয়ন দল বনাম ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন দল। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ার মামলাবাজ কাশেম আলী কর্তৃক এক
নীরিহ ব্যক্তির বাড়িঘর ভাংচুর করে ভিটাবাড়ির সম্পত্তি জোরপুর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উপজেলার দলুইপুর গ্রামের মৃত কফিল উদ্দীনের পুত্র ভুক্তভোগী আব্দুল কাদের সরদার। তিনি এ সময় এ ঘটনার প্রতিকারসহ তার সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
করেছেন।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কলারোয়ার দলুইপুর মৌজায় হাল দাগ ৫৭১ ও ৫৭৩
দুটি দাগে ১ এক ৪৪ শতক জমির মধ্যে ৮১ শতক জমিতে মেহগুনি ও আমগাছ লাগিয়ে
এবং সেখানে বাড়িঘর নির্মাণ করে বাপ দাদার আমল থেকে দীর্ঘ ৮০ বছর যাবত ভোগ
দখল করে আসছি। একই গ্রামের মৃত মোতালেব সরদারের পুত্র কাশেম আলী-গং জমির
পশ্চিম সীমানায় ৪৮ শতক জমিতে বসবাস করে আসছে। সম্পত্তির পিছনের অংশে
কাশেম আলীর বাপ দাদার কবরস্থান রয়েছে। সম্প্রতি কাশেম আলী বাপ দাদার
কবরের স্থানের জায়গা ছাড়াও জোরপূর্বক আমার বাড়ির উঠানের সম্পত্তি দখল করে
নিচ্ছে। আমার ৮টি মেহগুনি গাছ একটি নারিকেল গাছ কর্তন করেছে। আমার রান্না
ঘর, বসত ঘরের দেওয়াল বেড়া ভেঙে বাড়ির উঠানের জমি দখল করে নিয়েছে।
আমি বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র দিয়ে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের খুন জখম করার হুমকি দেয়। আমি নিরুপায় হয়ে এ ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে গত ইং ১৩.০৪.২২ তারিখে কলারোয়া থানায় কাশেম আলীসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে
একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। যার নং-৬৩৫, এছাড়া গত ইং ১৫.৬.২২ তারিখে
সাতক্ষীরার বিজ্ঞ বিচারকের আদালতে ১২ জনের বিরুদ্ধে ১৪৫ ধারায় একটি মামলা
দায়ের করেছি। যার মামলা নং- সি আর পি ৬৭৫/২২। তিনি আরো বলেন, পর সম্পদ
লোভী কাশেম আলী আইন আদালতের শালিস বিচারের তোয়াক্কা না করে সম্প্রতি আমার
উঠানে ইট গাদা করে রেখেছে। ১৪৫ ধারার তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার
ভুমি বামনখালী কলারোয়াকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন
না দিয়ে সত্য ঘটনা আড়াল করে কাশেম আলীর পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে
দাখিল করেছে। আমি ঘটনার তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছি। দীর্ঘ
৫ বছর যাবত কাশেম আলী গং একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমার ও আমার
পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও আর্থিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি করছে।

অসামাজিক পর সম্পদলোভী সন্ত্রাসী মামলাবাজ কাশেম আলী গংয়ের দখল ও কবল
থেকে আমি আমার সম্পত্তি ফেরত চাই। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় তার সম্পত্তি ওই অবৈধদখল দারের কবল থেকে উদ্ধারের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা
করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest