সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে দিনভর ছুটে চলেছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম। ভোটারদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করার পাশাপাশি বিভিন্ন খোজ খবর নিচ্ছেন তিনি।

১৮ সেপ্টেম্বর রবিবার সদর উপজেলার বাঁশদহা ও কুশখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বরদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। কালনা সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। যা দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের জন্য বিরাট অর্জন। কালো টাকার প্রভাবে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বিসর্জন না দিয়ে উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীকেই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর হুসাইন সুজন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, আওয়ামীলীগ নেতা এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক, শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ।

উল্লেখ: আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম ২০০৫ সাল থেকে একাধারে ১৮ বছর সুনামের সাথে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিগত ২০১৭ সালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দায়িত্ব পালন করে আসছেন এই জনপ্রিয় নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তেল গ্যাস ও দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সারাদেশেব্যাপী বিএনপির চলমান কর্মসূচিতে গুলিতে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের নিহত, আহত এবং নৃশংস হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকালে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র আয়োজনে একটি বিক্ষোভ মিছিল সাতক্ষীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইটাগাছায় সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

উক্ত মিছিল ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী। সঞ্চালনায় ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আব্দুল আলীম চেয়ারম্যান।
সভাপতির বক্তব্যে এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া এদেশের মানুষ কোন নির্বাচন হতে দিবে না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী আলাউদ্দিন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পৌর বিএনপির আহবাযক শের আলী, সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতি, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এড. নুরুল ইসলাম, সদস্য সচিব নুরে আলম সিদ্দিকী, সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু,

সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন লিটন, সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এড. কামরুজ্জামান ভুট্টো, কেন্দ্রীয় আইনজীবী ফোরামের সদস্য এড. এবিএম সেলিম, সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আলী শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম,

হাসান শাহরিয়ার রিপন, সাতক্ষীরা জেলা মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সুমন রহমান সুমন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন নিরব, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সেলিম, সাতক্ষীরা পৌর বিএনপি নেতা ইয়াসিন আলী, সৈয়দ আব্দুল জলিল খোকন, ইলিয়াস হোসেন, ওলিউল ইসলাম, মতিনুর রহমান কচি, সাবেক কাউন্সিলর শাহিনুর রহমান শাহিন, মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ, নেছারুল, আশরাফ, কামরুজ্জামান পলাশ, মাহমুদুল ইসলাম, বাবু, নুরুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন বাবু, ফেরদৌস রহমান, দাউদ, বকুল, মহিদুজ্জামান মহিদ, পারভেজ সাজ্জাদ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক অর্ঘ, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব আয়ুব হোসেন, ছাত্রদল নেতা শাহিন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের আলোচিত ভগ্নিপতি হত্যার মূল আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ১৮ সেপ্টেম্বর র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূল হোতা মোঃ আহাদ আলী গাজীকে যশোর মনিরামপুর থেকে গ্রেফতার করে।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার কোম্পানি কমান্ডার মেজর জে এম গালিব হোসাইন খান জানান, কালিগঞ্জের কালিকাপুরে মোঃ সামছুর গাজীর ছেলে মোঃ মিজানুর কর্তৃক মাছের ঘেরে মাছ চুরি করা নিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে তার শ্যালকদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বড় শ্যালক মোঃ ফজর আলী এবং ছোট শ্যালক মোঃ আহাদ আলী গাজী শাবল দিয়ে সামছুর গাজীর মাথায় এবং গায়ে আঘাত করে। এছাড়াও তার স্ত্রীকেও আঘাত করে গুরতর জখম করে।

পরবর্তীতে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ সামছুর গাজীকে মৃত ঘোষনা করেন। এঘটনায় নিহতের পুত্র শাহিনুর বাদী হয়ে সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ থানায় ০৬ জন সহ আরো অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

হত্যা মামলার মূল হোতা যশোর জেলার মনিরামপুর থানা এলাকায় গোপনে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর জেলার মনিরামপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আহাদ আলী উক্ত হত্যার সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা জানায়।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে কালীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়।

17 সেপ্টেম্বর শনিবার বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুর মরশেদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান এই আংশিক কমিটি অনুমোদন করেন।

আংশিক কমিটিতে হাফিজুল ঢালি কে সভাপতি ও মোঃ হাবিবুর রহমান কে সাধারণ সম্পাদক এবং মোঃ আল ইমরান গাজী কে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৯১ জন সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মোঃ হাফিজুর ঢালি বলেন বাংলাদেশ গন অধিকার পরিষদের একটি শক্তিশালী ইউনিট বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ আমাকে সাতক্ষীরা জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি করায় বাংলাদেশ গন অধিকার পরিষদের সম্মানিত আহবায়ক ডঃ রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নূরুল হক নূর এবং বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক বিভাগীয় উপকমিটির সকল নেত্রীবৃন্দু প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি বলেন সাতক্ষীরা জেলা শাখা এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সাম্য মনবিক মর্জদা সমাজিক সু বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করবে।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও এদেশের মানুষের মুক্তি মেলেনি। মানুষ অধিকার বঞ্চিত গনতান্ত্রিক একটা রাষ্ট্রে মানুষের ভোট অধিকার নেই। এদেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করোনে আমরা আগ্রহী ভূমিকা পালন করবো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার বাঁকাল বাজুয়ারডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নকশা পরিবর্তন করে বেজমেন্ট ঢালাইসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে।

এঘটনায় বিদ্যালয়ের অভিভাবকসহ এলাকাবাসী প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা এল জি ই ডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদরের বাঁকাল বাজুয়ারডাঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পি.ই.ডি.পি-৪ প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩ তলা ভবন নির্মাণ শুরু হয়। কিন্তু স্কুলের বেজমেন্ট ঢালাইয়ের সময় দেখা যায় ভবনের সামনের ৬টি প্রিকাষ্ট পাইল ডিজাইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে বসানো হয়নি। এলাকাবাসী এর প্রতিবাদ করলেও ঠিকাদার অদৃশ্য ক্ষমতাবলে নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছেন। প্রিকাষ্ট পাইল এবং কলাম নির্দিষ্ট স্থানে না বসিয়ে ৩ ফুট ও ৬ফুট একই দিকে সরে আছে। একইভাবে সামনের ৬টি কলমের সাথে প্রিকাস্ট পাইলের কোন সংযোগ নাই। এছাড়া কাজের গুনগত মান নিয়েও নানা প্রশ্ন আছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ননী ভূষন মাখাল বলেন, ঠিকাদার পিলার ডিজাইন অনুযায়ী না বসিয়ে ইচ্ছামত বসিয়েছে। এতে ভবনের স্থায়ীত্ব কমে যাবে। আমাদের কোন কথায় তিনি কর্ণপাত করছেন না। তিনি বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ- সভাপতি সাংবাদিক কামাল উদ্দিন বলেন, সামনের ৬টি কলমের সাথে প্রিকাস্ট পাইলের কোন সংযোগ নাই। এর উপর ভবন নির্মান হলে ভবনটি সব সময় ঝুঁকিপূর্ণ থাকবে এবং সরকারের মহতী উদ্যোগ ব্যাহত হবে। তিনি অবিলম্বে ত্রুটিমুক্ত ভবন নির্মানের দাবি জানান।
উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম নির্মান কাজে ত্রুটির কথা স্বীকার করে বলেন, সামান্য ত্রুটি হয়েছিল। তা পরবর্তীতে ঠিক করা হয়েছে।

তবে এলাকাবাসীর দাবি ওই ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদার। প্রকৌশলীর বক্তব্য সঠিক নয়।

এবিষয়ে ঠিকাদার হাজী রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের ৮ম দিনে সাক্ষ্য দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ্যাড. আজহারুল ইসলাম। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য্য করা হয়েছে। এ নিয়ে এ মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলো।

রবিবার সকাল সোয়া ৯টায় জেলা কারাগার থেকে সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল -৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মণ্ডলের আদালতে হাজির করানো হয় বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৩৯ জনকে। আসামী উপস্থিতি ছিলেন।সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। স্বাক্ষীকে জেরার একপর্যায়ে আসামীপক্ষের আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এ্যসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাড. জয়নুল আবেদিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আমিরুল ইসলাম গত ধার্য তারিখে অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলা একসঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহণ না করা সম্পর্কিত আসামীপক্ষের আইনজীবীদের দায়ের করা একটি আবেদন বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় তারা এভিডেন্স এ্যক্ট এর ৩৩ সেকশনের ব্যাখা দেন। বাদির জবানবন্দি ২০০ ধারা মোতাবেক রেকর্ড করে পরবর্তীতে ১৫৩ ধারা মোতাবেক এফআইআর হিসেবে গণ্যা করার নির্র্দেশ দেওয়া যায়না বলে তারা ব্যাখ্যা করেন। এ ছাড়া দুটি মামলায় একই সাক্ষী একসাথে জবানবন্দি জেরা করা যাবে না ও শিশু আইনের মামলার আসামীর সঙ্গে পূর্ণবয়স্ক আসামীর এক সাথে বিচার না করার বিষয়টির আইনগত ব্যূাখ্যা তুলে ধরেন। তবে বিচারক সকল আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কাউন্টার মামলার জন্য যে আইনের ব্যাখ্যা বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার সঙ্গে অস্ত্র আইনের মামলার ব্যাখা এক নয়। তা ছাড়া শুরু থেকেই উভয়পক্ষ একই সাথে দুটি মামলার সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি করার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করলে আদালত তার উপর সম্মান রেখেই কার্যক্রম শুরু করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ বলেন, দুটি মামলার একসাথে সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি করতে উভয়পক্ষ রাজী হয়। তারপর ১০ জনের সাক্ষী ও জেরা হয়ে গেছে। তাছাড়া শিশু আইনের মামলায় রকিবের বিরুদ্ধে চার্জশীট পূর্ণ বয়স্ক মানুষের সঙ্গে দেওয়া হলে প্রতিপক্ষরা হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেন। ২৬৫ সি ধারা মোতাবেক বাংলাদেশের হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট এ সম্পর্কিত ব্যাখা দিয়ে আবেদন খারিজ করে নতুন করে চার্জূ গঠণের নির্দেশ দিয়েই আজকের আসামীপক্ষের একাংশের প্রশ্নের জবাবের নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন। ১০ জন সাক্ষীর পর এখন এ ধরণের আবেদন করে আদালতের সময় নষ্ট করা হচ্ছে, যাতে বিচার বিলম্বিত হয়। একপর্যায়ে তিনি রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামীপক্ষের উপস্থাপিত প্রশ্নের আইনগত ব্যাখা দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এ্যসোসিয়েশনের সহসভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ আলী, অ্যাড. সত্যরঞ্জন মণ্ডল, সরকারি ক্যেশুলী অ্যাড. শম্ভুনাথ সিংহ, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, অ্যাড. আব্দুস সামাদ, অ্যাড. ওকালত আলী, অ্যাড. আব্দুল বারী, অ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান শাহানাজ প্রমুখ।

আসামীপক্ষের আইনজীবী ঢাকা সুপ্রীম কোর্ট বার এ্যাসোসিয়েশানের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আমিনুল ইসলাম, অ্যাড. আব্দুল মজিদ, অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু, অ্যাড. মাসুদুল আলম দোহা, অ্যাড. মিজানুর রহমান, অ্যাড. লিওন, অ্যৗাড. শাহানারা পারভিন বকুল প্রমুখ। ।

প্রসঙ্গত,২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা কলারোয়ায় দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহি বাস (সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯) রাস্তার উপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের ১ ডজন নেতা-কর্মী আহত হন। এঘটনায় করা হামলা মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্র“য়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতা-কর্মীকে চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির। এছাড়া গত ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর দুটি মামলায় চার্জ গঠন করা হয়। এ পর্যন্ত ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। ৫০ জন আসামীূর মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রাথমিক শিক্ষা সকল শিক্ষার মৌলভিত্তি। আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ।‘শিশুর পিতা ঘুমিয়ে আছে সব শিশুরই অন্তরে।’ প্রাথমিক শিক্ষার দায়বদ্ধতা তাই জাতি গঠনে অনেক খানি। আমাদের আর্থ সামাজিক অবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষার শিশুদের ভিতর ভিন্নতা অনেক।

কেউ ধনী পরিবার থেকে আসে। কেউ বা আসে গরিব পরিবার থেকে। তাই শিশুদের চাহিদা ভিন্নমুখী হয়। পিতা -মাতা তার সব থেকে প্রিয় বস্তুটিকে শিক্ষকদের হাতে তুলে দিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকে, কবে তার ছেলে বড় হয়ে তাদের কোলে ফিরে আসবে। এজন্য জাতি গঠনে, সমাজ গঠনে প্রাথমিক শিক্ষকের দায়িত্ব অনেকখানি। তাদের অবহেলা ও কর্তব্যহীনতায় তিলে তিলে শেষ হতে পারে অনেক শিশু। যে বাবা মা নিজেদের সামান্য রোজগারের সামান্য অংশ তুলে দেয় সন্তানের মানুষ হওয়ার জন্য। আর সেই রক্ত জল করা অর্থে সন্তন মানুষ না হলে হতাশার কপাল চাপড়ানো ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না তাদের। দৈনন্দিন রুটিন অনুযায়ী কোন শিক্ষক যথাযথ দায়িত্ব পালন করলে কোন শিশুই নিরক্ষর থাকার সম্ভাবনা নাই। শিশু বান্ধব বিদ্যালয় গঠনে সরকার যা দিচ্ছে তা দিয়ে সুন্দর পরিবেশ গড়া অবশ্যই সম্ভব। দরকার শিক্ষকের আন্তরিকতা।

শিক্ষকের আন্তরিকতাই পারে সব শ্রেণি পেশার শিশুদেরকে স ম মর্যাদা দিয়ে মানুষ করে তুলতে। বাংলাদেশের শতকরা ৮০% লোক গ্রামে বাস করে।

অধিকাংশ গ্রামের মানুষ লিখতে পড়তে জানে না। তাদের সন্তানের লেখাপড়ার জন্য তাই তাদেরকে প্রাথমিকের শিক্ষকের স্বরনাপন্ন হতে হয়। যে সমস্ত গ্রামগুলিতে জন মজুরের সংখ্যা বেশি সেই সমস্ত গ্রাম গুলিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের আন্তরিকতা ছাড়া ঐ গ্রাম সমাজের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রতি বছর বহু সংখ্যক শিশু প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী শেষ করে ইটভাটাসহ শিশুশ্রমে যুক্ত হয়, যার হিসাব কেউ রাখে না। যার ফলে গ্রাম সমাজে অশিক্ষা পেতে যাচ্ছে। তারা না পারছে শিক্ষায় থাকতে না পারছে কোন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে যুক্ত হতে। অবশেষে তারা বাল্য বিবাহের শিকার হচ্ছে। প্রতিটি প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকের আন্তরিকতাপূর্ণ কর্মকান্ডই বাঁচাতে পারে এসব শিশু। সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য সংরক্ষণ, হোমভিজিট, শ্রেণিতে দুর্বল শিশু সনাক্তকরণসহ তাদের পর্যাপ্ত কিওব্যাক দিলে শিশুদের আত্মবিশ^াস বাড়বে এবং কোন শিশু ঝড়ে পড়বে না। পঞ্চম শ্রেণি পাশে একটা শিশুর যে যোগ্যতা গুলো অর্জিত হওয়া দরকার সেগুলো অর্জিত হলে তারা লেখাপড়ায় যেমন উৎসাহ পাবে তেমনি শিক্ষা থেকে দুরে সরে যাবে না। গ্রাম্য সমাজ হবে সুশিক্ষিত সুন্দর। প্রতিটি গ্রামের শিশুরা উন্নত হলে উন্নত হবে গ্রাম।

লেখক : উত্তম কুমার দাশ
প্রধান শিক্ষক, আড়ংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসির আদেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ৮০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে নিজের স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে স্বামী আজগার আলীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম এক জনাকীর্ণ আদালতে এ আদেশ দেন। তব্ েআসামী আদালতের কাঠগোড়ায় ছিল না।

সাজাপ্রাপ্ত আসামী আজগার আলী(৫০)। সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুরের এন্তাজ সরদারের ছেলে।
মামলার বিবরনে জানা যায়, ১৯৯৪ সালে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুরের এন্তাজ সরদারের ছেলে আজগার আলীর সঙ্গে সদর উপজেলার গোবরদাড়ি গ্রামের আব্দুুল মান্নানের মেয়ে রেহেনা পারভিনের বিয়ে হয়। বিয়ের ছয় মাস যেতে না যেতেই যৌতুকের দাবিতে রেহেনাকে প্রতিনিয়ত নির্যাতন করতো আজগার আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

একপর্যায়ে বাপের বাড়ি থেকে যৌতুকের ৮০ হাজার টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করায় ১৯৯৭ সালের ২০ এপ্রিল বিকেল তিনটা থেকে চারটার মধ্যে বাড়িতে রেহেনাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের চাচা শওকত আলী সরদার পরদিন বাদি হয়ে আজগার আলী, তার ভাই রুহুল কুদ্দুসসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেন। ১৯৯৮ সালে আসামী আজগার আলী ও তার ভাই রুহুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ (ক)। ধারায় অভিযোগ গঠণ করা হয়। পরবর্তীতে আসামী রুহুল কুদ্দুস মারা যান। আসামী আজগার আলীও পলাতক থাকেন।

মামলার নথি, ১২ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে পলাতক আসামী আজগার আলীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এমজি আযম তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন।

আসামী পলাতক থাকায় তার পক্ষে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন অ্যাড. বসির।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাড. জহরুল হায়দার বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest