সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

সাতক্ষীরা বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুলের পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা উপকরণ বিতরন

সাতক্ষীরা বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বছরের পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা উপকরন বিতরন করা হয়। ১ জানুয়ারি শনিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাটিয়া প্রদীপ নিবাস ভবনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ডাঃ আবুল কালাম বাবলা।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বধির কল্যাণ সংঘের সভাপতি মো: রবিউল ইসলাম, জেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: কামরুজ্জামান রাসেল, , সাতক্ষীরা জেলা বধির কল্যাণ সংঘের সাধারন সম্পাদক সুভাষ হালদার, সাতক্ষীরা বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সবুজ ফাউন্ডেশন নির্বাহী পরিচালক মোছা: আয়েশা খাতুন এবং সবুজ ফাউন্ডেশনের ডেপুটি পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান টিটু।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সহঃ শিক্ষক সোহেলী আক্তার, লিপিকা সরকার, সালমা খাতুন, নাসরিন সুলতানা ও আলমগীর হোসেন প্রমুখ। বক্তারা সাতক্ষীরা বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী স্কুলের সকল কাজে সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার জন্য উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানান। ৭১ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ১ সেট নতুন বই ও অশোকা ল্যাবরেটরীজ, রাজশাহী এবং জনহিত কল্যাণ সোসাইটির সৌজন্যে স্কুল ব্যাগ ও লংকা বাংলা ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে কম্বল প্রদান করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় ধুলিহর ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি বহিষ্কার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে উঠান বৈঠকের সময় উশৃঙ্খল অঙ্গ ভঙ্গি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন সময়ে সংগঠন বিরােধী বক্তব্য দিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার কারনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক খােকনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে ধুলিহর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্যাডে সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ-সম্পাদক শাহাজাহান আলী,

ধুলিহর ইউনিয়ন আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ বোরহান উদ্দীন ও সাধারণ-সম্পাদক মিজানুর রহমান (বাবু)’র স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এনামুল হক খোকনের বহিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বহিষ্কারের কারণ হিসেবে তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলীয় ভাবমূর্তি

ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগ রয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সাথে সাংগঠনিক কোন বিষয়ে আগামীতে তার সাথে কোনরুপ যোগাযোগ রক্ষা না করার জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে এবং এরপর থেকে এনামুল হক খােকন কোথায়ও কোন দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ট্যাপের নতুন ক্যাশ আউট রেট এর প্রচার র‌্যালি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত ট্রাস্ট ব্যাংক ও আজিয়াটা এর যৌথ আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলার সদর এলাকার সাধারণ মানুষের নিকট ট্যাপের নতুন ক্যাশ আউট রেটের সুবিধা জানানোর জন্য সাতক্ষীরা সদর শাখার উদ্যোগে মাইকিং ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ জানুয়ারি ২০২২ ইং শনিবার সকাল ১০ টায় র‌্যালিটি সাতক্ষীরা সদর মহাসড়কের গুরুত্বপুর্ণ মোড় গুলো প্রদক্ষিণ করেন।
উল্লেখ্য নতুন বছরে ট্যাপের নতুন ক্যাশ আউট রেট এর সুবিধা সাতক্ষীরার শহর ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মানুষ নিকট পৌঁছানই আজকেরর্ র্যালির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ট্রাস্ট ব্যাংক ও মালয়েশিয়ান টেকনোলজি কোম্পানি আজিয়াটা ডিজিটালের যৌথ উদ্যোগে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস – ট্রাস্ট আজিয়াটা পে – ট্যাপ -এর ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ১৪ টাকা ৭০ পয়সা। যেকোনো ট্যাপ এজেন্ট পয়েন্টে মোবাইল অ্যাপ থেকে ক্যাশ আউট করুন হাজারে ১৪ টাকা ৭০ পয়সায়।
ট্যাপ একটি নতুন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস। ট্যাপ -এ টাকা পাঠানো, টাকা তোলা, যে কোনো কেনাকাটা, মোবাইলে টাকা রিচার্জ করা, ইন্টারনেটে কেনাকাটা বা পেমেন্ট করা, যেকোনো বিল পেমেন্ট সহ আরো অনেক ফী পেমেন্ট ও টাকা লেনদেনের সেবা পাবেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো ট্রাস্ট আজিয়াটা পে – ট্যাপ – তাই ট্যাপ -এ টাকা লেনদেন করা সবচেয়ে নিরাপদ।
উক্ত প্রচার ওর্ র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন, ডিস্ট্রিবিউটর(ওনার) এ.এস. এম. মাকছুদ খান, সাতক্ষীরার টেরিটরি ম্যানেজার এস কে আবুল হাসান, সাতক্ষীরা শাখার হাউজ ম্যানেজার মোঃ আতাউর রহমান, ট্যাপ এজেন্ট, বিপি সহ ট্যাপের সকল কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে অক্সফামসহ ১২ হাজার এনজিওর বিদেশি অর্থায়ন বন্ধ

বিদেশের খবর: বিশ্বের সব দেশের মতো ভারতেও রয়েছে দেশি-বিদেশি হাজার হাজার এনজিও। তবে দেশটির নিয়মানুযায়ী এসব এনজিওকে বিদেশি অর্থসহায়তা অর্থাৎ ফান্ড পেতে হলে লাইসেন্স নিতে হয়। সম্প্রতি ছয় হাজারের বেশি এনিজিওসহ অন্যান্য কিছু সংস্থার এ লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে।

এনিয়ে গত কয়েক মাসে মোট ১২ হাজারের বেশি এনজিওর লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এখন থেকে তারা বিদেশ থেকে কোনো সহায়তা নিতে পারবে না। শনিবার (১ জানুয়ারি) সকালে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।

মাদার তেরেসার প্রতিষ্ঠিত দাতব্য সংস্থা মিশনারিজ অব চ্যারিটির লাইসেন্স নবায়ন করতে অস্বীকৃতি জানানোর কয়েকদিন পরই এমন বড় ধরনের খবর এলো দেশটির পক্ষ থেকে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, সম্প্রতি ছয় হাজারের অধিক এনজিও তাদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেনি। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে আবেদন করার কথা ছিল। কিন্তু অনেকেই তা করেনি। তাই এখন কীভাবে তাদের বিদেশ থেকে অর্থ পাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হবে।

অক্সফাম ইন্ডিয়া ট্রাস্ট, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও লেপ্রসি মিশনসহ মোট ১২ হাজারেরও বেশি এনজিওর লাইসেন্সের মেয়াদ গত কয়েক মাসে শেষ হয়েছে।

ভারতে এখন মাত্র ১৬ হাজার ৮২৯টি এনজিও রয়েছে যাদের এখনো লাইন্সের মেয়াদ রয়েছে। গতকাল এ এনজিওগুলো ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়ন করেছে।

এর আগে মাদার তেরেসার প্রতিষ্ঠিত দাতব্য সংস্থায় বিদেশি অনুদান পাওয়ার লাইসেন্স স্থগিত করে ভারত সরকার। মিশনারিজ অব চ্যারিটি নামের ওই সংস্থাটি পরিত্যক্ত শিশুদের জন্য হোম ছাড়াও অনেক স্কুল ও হাসপাতাল পরিচালনা করছে।

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বড়দিন বা ক্রিসমাস অনুষ্ঠানে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় ওই সংস্থাটির রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে উচ্ছ্বসিত খুদে শিক্ষার্থীরা

বিশেষ ডেস্ক: নতুন বছরের প্রথম দিন উৎসবের মধ্য দিয়ে সারাদেশে একযোগে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দেওয়া হলেও মহামারির কারণে এবার সেই উৎসব হচ্ছে না। করোনার কারণে গতবারের মতো এবারও উৎসব ছাড়াই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে বই। আর বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের এমন আনন্দে অভিভাবকরাও দারুণ খুশি।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০১০ সাল থেকে বছরের প্রথম দিন উৎসব করে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিচ্ছে। গত ১১ বছরে ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৫৬৬টি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে গত বছর উৎসব করে বই বিতরণ করা হয়নি। এবারও একই কারণে উৎসব ছাড়াই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেবে।

জানা গেছে, এবারের শিক্ষাবর্ষে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩৪ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার ১৩০ কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে পাঠ্যপুস্তক ও ৫টি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও রয়েছে। তবে এ বছরের প্রথমদিনে সব শিক্ষার্থীকে বই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় একেকটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভাগ করে বিভিন্ন দিনে বই দেওয়ার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে।

নতুন বছরের প্রথম দিন বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসের এমন চিত্র দেখা গেছে। এছাড়া ঢাকার বাইরেও নতুন বইয়ের ঘ্রাণে শিক্ষার্থীদের মাতোয়ারা হতে দেখা গেছে। তবে অন্যান্যবার শিক্ষার্থীরা যেভাবে বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসে মেতে উঠতেন এবার তেমনটি ছিল না। মুখে মাস্ক দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বই নেন তারা। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নিয়ে অভিভাবকের সঙ্গে বাড়ি ফেরেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিউজিল্যান্ডে দিনের শেষ সেশনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ

খেলার খবর: প্রথম দুই সেশন নিশ্চিতভাবেই ছিল নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণে। তৃতীয় সেশনের শুরুটাও ছিল স্বাগতিকদের দাপটে। তবে শেষ দিকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ দল। যার ফলে স্বস্তি নিয়েই প্রথম দিন শেষে মাঠ ছাড়তে পেরেছেন মুমিনুল হক, শরিফুল ইসলামরা।

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৮৭.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৮ রান। প্রথম সেশনে ২৭ ওভারে ১ উইকেটে ৬৬, দ্বিতীয় সেশনে ২৭ ওভারে ১ উইকেটে ৮১ ও শেষ সেশনে ৩০.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১১১ রান যোগ করেছে কিউইরা।

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে বছরের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ডেভন কনওয়ে, ফিফটির দেখা পেয়েছেন ওপেনার উইল ইয়ং। বাংলাদেশের পক্ষে জোড়া সাফল্য পেয়েছেন তরুণ বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। সবমিলিয়ে দুই দলের সাম্যাবস্থায়ই শেষ হয়েছে প্রথম দিনের খেলা।

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে বাংলাদেশ সময় ভোর চারটায় শুরু হয়েছে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক। সাত ব্যাটারের সঙ্গে তিন পেসার ও একমাত্র স্পিনার নিয়ে সাজানো হয়েছে সফরকারীদের একাদশ।

আগে বোলিং করতে নেমে শুরুর স্পেলে আগুন ঝরান তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের প্রথম ৮ ওভারের মধ্যে ছয়টিই ছিল মেইডেন, রান হয় মাত্র দুইটি। কিউই অধিনায়ক টম লাথামকে সাজঘরে ফেরাতে বেশি সময় নেননি শরিফুল। নিজের দ্বিতীয় ও ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই তিনি ফেরান লাথামকে।

এই উইকেটে অবশ্য বড় কৃতিত্ব ছিল উইকেটরক্ষক লিটন দাসের। শরিফুলের ফুল লেন্থের ডেলিভারি ফ্লিক করেছিলেন লাথাম। কিন্তু ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগে বল, পরে প্যাডে লেগে চলে যায় উইকেটের পেছনে। নিজের বাম দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ ক্ষিপ্রতায় সেটি লুফে নেন লিটন।

এরপর কনওয়ে-ইয়ংকেও শুরুতে চাপে রেখেছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। দিনের প্রথম ঘণ্টায় খেলা ১৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান করতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ড। কিন্তু এরপর আর একবারের জন্যও কোনো সমস্যা হয়নি কিউইদের দুই টপঅর্ডার ব্যাটারের। দেখে শুনে খেলে প্রথম সেশনে ২৭ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৬৬ রান করে তারা।

দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই সাজঘরে ফিরতে পারতেন ইয়ং। ইনিংসের ২৮তম ওভারের চতুর্থ বলে তার ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল জমা পড়ে লিটনের গ্লাভসে। কিন্তু বাংলাদেশের কেউই সেই বলে আবেদন করেননি। রিপ্লে’তে দেখা যায় আবেদন করলে বা রিভিউ নিলে ২৭ রানেই আউট হতে পারতেন ইয়ং।

সেই বলে বেঁচে যাওয়ার পর আর কন সুযোগই রাখেননি তারা। দেখে মনে হচ্ছিল যেন ওয়ানডে ক্রিকেটে খেলতে নেমেছেন এ দুই ব্যাটার। প্রায় প্রতি ওভারেই আসছিল বাউন্ডারি। মেহেদি হাসান মিরাজের করা ইনিংসের ৩৫তম ওভারের প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূরণ করেন কনওয়ে। সেই ওভারে আরও দুই বাউন্ডারি হাঁকান তিনি।

কনওয়ের আগে নামলেও ফিফটির জন্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়েছে ইয়ংকে। ইনিংসের ৪০তম ওভারে পূরণ ইয়ং-কনওয়ের জুটির ১০০ রান। এর কয়েক ওভারে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন ইয়ং। তবে ফিফটি করার পর বেশিক্ষণ আর উইকেটে থাকা হয়নি তার।

মিরাজের করা ইনিংসের ৪৯তম ওভারের তৃতীয় বলে মিডউইকেটের দিকে ঠেলে দিয়েই সিঙ্গেলের জন্য দৌড় দিয়েছিলেন ইয়ং। তাকে ফিরিয়ে দেন কনওয়ে। পরে ইয়ং পপিং ক্রিজে ফেরার আগেই নাজমুল হোসেন শান্তর থ্রো ধরে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন লিটন। ফলে বিদায়ঘণ্টা বাজে ১৩৫ বলে ৫২ রান করা ইয়ংয়ের, ভাঙে ১৩৮ রানের জুটি।

দ্বিতীয় সেশনের বাকি সময়টা নির্বিঘ্নেই কাটিয়ে দেন টেলর ও কনওয়ে। প্রথম সেশনে ২৭ ওভারে ১ উইকেটে ৬৬ রান করা নিউজিল্যান্ড, দ্বিতীয় সেশনে সমান ২৭ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে তুলে নেয় ৮১ রান। যার বড় কৃতিত্ব ছিল শুরু থেকেই ইতিবাচক খেলতে থাকা কনওয়ের।

চা পানের বিরতি শেষে তৃতীয় সেশনে খেলতে নেমে সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে বেশি সময় নেননি এ বাঁহাতি ব্যাটার। ইনিংসের ৬৭তম ওভারে মুখোমুখি ১৮৬তম বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি পূরণ করেন কনওয়ে। যেখানে ছিল ১৪ চার ও একটি ছয়ের মার। মাত্র সপ্তম ইনিংস খেলতে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি হাঁকালেন তিনি।

তবে কনওয়ে একপ্রান্তে ভালো খেলতে থাকলেও তাকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দেওয়া হয়নি টেলরের। চতুর্থ উইকেটে ঠিক ৫০ রানের জুটি গড়ে শরিফুলের বলে সাদমানের হাতে ধরা পড়েছেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫ চারের মারে ৬৪ বল থেকে করেছেন ৩১ রান।

টেলর ফিরে যাওয়ার পর দিনের শেষভাগে আর তেমন আধিপত্য দেখাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। চতুর্থ উইকেটে হেনরি নিকলস ও কনওয়ে মিলে যোগ করেন ৩৮ রান। সেঞ্চুরিয়ান কনওয়েকে সাজঘরে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক মুমিনুল। তার লেগ স্ট্যাম্পের বলে কট বিহাইন্ড হন ১২২ রান করা কনওয়ে।

এরপর দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে ইনিংসের ৮৮তম ওভারের তৃতীয় বলে ১১ রান করা ব্লান্ডেলকে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন এবাদত হোসেন। দিন শেষে নিকলস অপরাজিত রয়েছেন ৩২ রান করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়া এখন জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত

বিনোদন ডেস্ক: দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। শনিবার (১ জানুয়ারি) থেকে এক বছরের জন্য জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন তিনি।

বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশগ্রহণের কারণে জয়া আহসান ইতোমধ্যেই প্রশংসিত। তাই এবার ইউএনডিপির শুভেচ্ছা দূত হিসেবে তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি অর্জনে সবার সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন।

এ বিষয়ে জয়া আহসান বলেন, আমি ইউএনডিপির শুভেচ্ছাদূত হতে পেরে একদিকে যেমন আনন্দিত অন্যদিকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারবো ভেবে সম্মানিত মনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী রক্ষার জন্য যেই লক্ষ্যমাত্রা যা এসডিজি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি অর্জন করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমি আমার কাজের মধ্যে দিয়ে এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে চেষ্টা করবো, যেন আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশসহ বিশ্বকে আরও সুন্দর, সহনশীল করে গড়ে তুলতে পারি।

ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি বলেন, পৃথিবীকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে তোলা আমাদের সবার অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার রক্ষা করতে হলে আমাদের সবাইকে যার যার দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবেই কেবল এসডিজি অর্জন করা সম্ভব হবে।

জয়া আহসানের বিষয়ে তিনি বলেন, জয়া আহসান কেবল একজন জনপ্রিয় শিল্পীই নন, পাশাপাশি তিনি সমাজ উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এমন একজন ইউএনডিপির শুভেচ্ছা দূত হওয়াতে আমরা সৌভাগ্যবান। তার মাধ্যমে আমাদের কথা এখন দেশ ও দেশের বাইরের মানুষদের মাঝে আরও বেশি করে পৌঁছানো যাবে।

জয়া আহসান ইউএনডিপির সঙ্গে এসডিজি ছাড়াও অন্যান্য বিষয় যেমন- দারিদ্র, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন, সহনশীলতা, পরিবেশ, জ্বালানি এবং লিঙ্গ সমতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদদলিত হয়ে জম্মু-কাশ্মীরে মন্দিরে নিহত ১২

বিদেশের খবর: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের বৈষ্ণদেবী মন্দিরে পদদলিত হয়ে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৪ জন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে দুই লাখ রুপি অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার রুপি।

জানা গেছে, কাটরার বৈষ্ণদেবী মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় নারায়ণী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, এ ঘটনার পর মন্দিরের আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবাগ সিংহ সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, বৈষ্ণদেবী মন্দির চত্বরে পদপৃষ্ট হয়ে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন অনেকে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, রাত ২টা ৪৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, দর্শনার্থীদের দুই দলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। দুই দলই একে অপরের দিকে তেড়ে আসলে ভিড়ের মধ্যে পড়ে পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অতিরিক্ত লোকের সমাগম ঘটে জম্মু-কাশ্মীরের এই বৈষ্ণদেবী মন্দিরে। কাটরা থেকে হেঁটে পাহাড়ি পথে প্রায় ১৪-১৫ কিলোমিটার যেতে হয়। অনেকেই ওই পথ ঘোড়ায় চড়ে যান। পাহাড়ি পথের প্রায় পুরোটাই প্রশস্ত রাস্তা। তবে মন্দিরের ভেতরের পথ বেশ সংকীর্ণ। সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest