সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

ডা. মুরাদ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন: মির্জা ফখরুল

রাজনীতির খবর: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

১৯৯০ সালের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের ব্যানারে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান।

ডা. মুরাদকে ‘ভূঁইফোড়’ চিকিৎসক দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তিনি (ডা. মুরাদ হাসান) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। পরে তিনি ছাত্রলীগে যোগ দেন।’

ডা. মুরাদ কয়েকদিন আগে ভয়াবহ বক্তব্য দিয়ে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘‘সেদিন তিনি (ডা. মুরাদ) বলেছেন, ‘আমি যা কিছু করছি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই করছি। প্রধানমন্ত্রী সবকিছু জানেন।’ প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্পষ্ট জানতে চাই, এই ভয়াবহ উক্তি যদি একজন মন্ত্রী করতে পারেন, তাহলে আপনার সরকারের অবস্থান কী আমরা জানতে চাই। উত্তর দিতে হবে। কারণ আপনাকে জড়িয়ে কথা বলা হয়েছে। আমরা তীব্রভাবে এর প্রতিবাদ জানাইও ধিক্কার জানাই।’’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আজকে এই সরকারের সঙ্গে গণতন্ত্রের কোনো সম্পর্ক নেই। এই সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যেহেতু তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। সে কারণে তারা সামাজিক মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অত্যন্ত জঘন্য নিকৃষ্ট প্রচার চালানো শুরু করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বব্যাপী করোনাকালেও রমরমা অস্ত্রের বাজার

বিদেশের খবর: করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত সারা বিশ্ব। অর্থনীতিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। কিন্তু এর মধ্যেও অস্ত্রের বাজার রমরমা। বিশ্বজুড়ে অস্ত্র তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলো গত পাঁচ বছরের মতো গত বছরও রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে। খবর ডয়েচে ভেলে ও এএফপির।

খবরে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজ সোমবার প্রকাশ করেছে সুইডেনের স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই)। এতে বলা হয়েছে, এ মহামারিকালেও বিভিন্ন দেশের সরকার অস্ত্র কিনেছে। এ ছাড়া অস্ত্র কারখানাকে সাহায্য করতে বিভিন্ন দেশে আইন পাস করা হয়েছে।

এসআইপিআরআইয়ের এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০০টি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের লাভ বেড়েছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। অস্ত্র বিক্রি হয়েছে ৫৩ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের। কিন্তু এর বিপরীতে বৈশ্বিক অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে ৩ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে এসআইপিআরআইয়ের গবেষক আলেকজান্দ্রা মার্কস্টেইনার বলেন, করোনাকালে অভিবাসন বেড়েছে। এ প্রভাব মোকাবিলায় অস্ত্র কারখানাগুলোকে বেশি অর্থ দিচ্ছে বিভিন্ন দেশের সরকার। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে সামরিক খরচ বেড়েছে।

অস্ত্র বিক্রির শীর্ষে থাকা পাঁচটি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে লকহিড-মার্টিন। তারা এক বছরে অস্ত্র বিক্রি করেছে ৫ হাজার ৮২০ কোটি ডলারের। এ প্রতিষ্ঠান যে অস্ত্রগুলো বিক্রি করে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও এফ-৩৫ ফাইটার জেট। এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিএই। ইউরোপের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি অস্ত্র বিক্রি করেছে। এরপরই রয়েছে চীনের তিনটি প্রতিষ্ঠান।

শীর্ষ ১০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থাকা চীনের প্রতিষ্ঠানগুলো অস্ত্র বিক্রি করেছে ৬ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের। ২০১৯ সালের তুলনায় চীনের অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে দেড় শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুমুল বিতর্কের মুখে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

বিশেষ ডেস্ক: সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা.মুরাদ হাসান এখন দেশজুড়ে তুমুল বিতর্কিত একটি নাম। একের পর এক তার বিকৃত অশালীন বক্তব্য, প্রতিহিংসামূলক আক্রমনাত্নক অঙ্গভঙ্গি সব মিলিয়ে ভাইরাল হয়ে আসছেন তিনি।

সর্বশেষ ঐতিহ্যবাহী একটি সামাজিক ক্লাবে ঘটিয়েছেন অশোভন কাণ্ড। ক্লাব কর্তারা সদস্যদের তুমুল আপত্তির মুখে তাকে বের করে দেন।

এখন তার দুটি টেলিফোন অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়ে ভাইরাল যেখানে কান রাখা যায় না। এমন অশালীন কথাবার্তা ও আচরণের পরেও তিনি কীভাবে মন্ত্রীসভায় আছেন এটাই পর্যবেক্ষকদের প্রশ্ন? বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেগম খালেদা জিয়া ও জাইমা রহমানকে নিয়ে নোংরা বক্তব্যের জন্য তাকে জনগনের কাছে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করতে বলেছেন। তবে জানা যায় সরকার দলের নেতারাও ডা.মুরাদ হাসানের কাণ্ডকীর্তি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আলোচিত বেস্টটীম মোস্তাফিজের কবল থেকে শিশু কন্যাকে উদ্ধারের দাবিতে আদালতে অসহায় পিতা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আলোচিত বেস্টটীমের মোস্তাফিজের কবল থেকে শিশু কন্যা জেমি কে উদ্ধারের দাবিতে আদালতের স্বরণাপর্ণ হয়েছে এক অসহায় পিতা। এঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,সাতক্ষীরা আগামী ২৩ ডিসেম্বর ২১ তারিখ সকাল ১০টায় ওই শিশু জেমিসহ আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য দ্বিতীয় পক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
ওই ভুক্তভোগী পিতা সাতক্ষীরা শহরের মধ্যকাটিয়া গ্রামের মৃত. আফজালুর রহমানের পুত্র আরিফুর রহমান জেমস গত ০৫ ডিসেম্বর ২১ তারিখে তার সাবেক স্ত্রী মুন্নি এবং মোস্তাফিজকে বিবাদী করে সাতক্ষীরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। যার পিটিশন নং- ৬৪৭/২১(সাত:)।

তিনি জানান, গত ২০১৪ সালে মধ্যকাটিয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের কন্যা মোছলেমা খাতুন(মুন্নি)র সাথে পরিবারিকভাবে বিবাহ হয় তার। বিবাহের পর মুন্নির স্বেচ্ছাচারিতা এবং অবাধ চলাফেরার কারনে বৈবাহিক সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে। তবে দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্মলাভ করে। মুন্নির সাথে আপোষ তালাকের পর নিয়মিত কন্যা জেমি’র খোজ খবর নেওয়া, খরচ বহন করাসহ মাঝে মাঝে নিজের কাছে নিয়ে আসতেন পিতা জেমস। কিন্তু সম্প্রতি মুন্নী সাতক্ষীরার আলোচিত বেস্টটীমের এডমিন ডোপ টেস্টে মাদকাসক্ত পজেটিভ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে বিবাহ করে।

বিবাহের পর থেকে শিশু কন্যার সাথে পিতা জেমসের দেখা করতে না দিয়ে তালবাহানা করে। ইচ্ছামত ঢাকা-খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মটরবাইকে শিশুকে নিয়ে ঘুরতে বের হন মুন্নি। ডোপটেস্টে পজেটিভ চিহ্নিত মাদকাসক্ত মোস্তাফিজ ইচ্ছামত মটরবাইকে শিশুকে নিয়ে চলাফেরাটা অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোন সময় ওই শিশুটির ভয়ংকর বিপদের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে আশংকা করছেন পিতা আরিফুর রহমান জেমস। কিন্তু বার বার তার শিশু কন্যাকে ফেরত চাওয়ার পরও মুন্নি-মোস্তাফিজ ফেরত না দিয়ে উল্টো ফেসবুক লাইভে জেমসকে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে চলেছেন। এঘটনায় ভুক্তভোগি পিতা জেমস উপায়ন্তর হয়ে কন্যা শিশু জেমি কে নিজের কাছে রাখতে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে মুন্নি পুনরায় বিবাহ করলেও আরিফুর রহমান জেমস নিজের শিশু কন্যা জেমির ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিয়ের পিড়িতে বসেননি।

এদিকে গত ২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর আলোচিত বেস্টটীমের আডমিন মোস্তাফিজ পুলিশের হাতে আটক হয়। আটকের পর পুলিশের ডোপ টেস্টে মোস্তাফিজ পজেটিভ। এরপর দীর্ঘদিন কারাগারে কাটে একাধিক মামলার আসামী মোস্তাফিজের। কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো বেপরোয়া হয়ে ওঠে মাদকাসক্ত মোস্তাফিজ। একপর্যায়ে মোছলেমা খাতুন মুন্নিকে ৩য় স্ত্রী হিসেবে বিবাহ করে।

০৬.১২.২০২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ সাতক্ষীরার আহবায়ক আলতাফ : আশরাফুজ্জামান যুগ্ম আহবায়ক 
বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে ।
৫১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক হিসেবে আছেন মোঃ আলতাফ হোসেন যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে আছেন যথাক্রমে মোঁ আশরাফুজ্জামান
হাবিব,মাসুম, আশরাফ উদ্দিন,জাকির হোসেন শরীফ,আজমীর হোসেন সদস্য সচিব হরেন যথাক্রমে রাজু গাজী,
মোঃ আজগার আলী,আজারুল ইসলাম,এজদান আলী,মোঃ খায়রুল ইসলাম,মাসুদ হোসেন,মোখলেছুর রহমান, ও বেলার জোয়াদার প্রমূখ।
বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা স্বাক্ষরিত ৫ ডিসেম্বর ২০২১ পত্রে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে । প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

 

Alamgir

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সু চির ৪ বছরের কারাদণ্ড

বিদেশের খবর: মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত বেসামরিক সরকারের উপদেষ্টা অং সান সু চিকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও গৃহবন্দি মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে জান্তার আদালতে এটাই প্রথম কোনো মামলার রায়। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

উত্তেজনা সৃষ্টি এবং কোভিড-১৯ প্রোটোকল লঙ্ঘনের মাধ্যমে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ভাঙার দায়ে সোমবার অং সান সু চির বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করে জান্তার আদালত।

গত ৩০ নভেম্বর এই রায় ঘোষণার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়। সেদিন সু চির বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণার কথা থাকলেও বাড়তি আরেক ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে তা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

মূলত জাও মিন্ট মং নামে এক ব্যক্তি স্বাস্থ্যগত কারণে ইতোপূর্বে আদালতের সামনে সাক্ষ্য দিতে না পারলেও পরে তিনি আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে আদালত আসামীপক্ষের ওই প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং রায় ঘোষণা স্থগিত করেন। স্থগিত সেই রায়ই সোমবার ঘোষণা করা হবে।

চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে জাতীয় ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। বন্দি করা হয় গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে।

অভ্যুত্থানের পর ৭৬ বছর বয়সী গৃহবন্দি সু চির বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা দায়ের করে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকার। মামলাগুলো যেসব অভিযোগে করা হয়েছে তার মধ্যে, রাষ্ট্রের গোপন তথ্য পাচার, নিয়মবহির্ভূতভাবে ওয়াকি টকি রাখা ও ব্যবহার, ক্ষমতায় থাকাকালে ঘুষ গ্রহণ, নিজের দাতব্যসংস্থার নামে অবৈধভাবে ভূমি অধিগ্রহণ ও করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় গাফিলতিসহ উত্তেজনা সৃষ্টি এবং কোভিড-১৯ প্রোটোকল লঙ্ঘনের মাধ্যমে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ভাঙার বিষয়টি রয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাচ্যুত হলেও মূলত গত জুন থেকে রাজধানী নেইপিদোর বিশেষ সামরিক আদালতে এসব মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

তবে, ৭৬ বছর বয়সী সু চির সমর্থকরা বলছেন, তাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে জান্তা সরকারের দায়ের করা এসব মামলা ভিত্তিহীন। তাদের অভিযোগ, সু চির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতেই এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অবশ্য মিয়ানমারের জান্তা সরকার বলছে, সু চির প্রশাসনের নিয়োগ করা বিচারক এবং স্বাধীন আদালতে সুষ্ঠু কার্যবিধি মেনেই এই বিচার কার্যক্রম চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা দেবহাটা মুক্ত দিবস

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : ঐতিহাসিক ৬ ডিসেম্বর দেবহাটা মুক্ত দিবস। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা এই দিনে দেবহাটা উপজেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিলো, উড়েছিলো বিজয়ের পতাকা। পাক হানাদার মুক্ত হয়ে সমগ্র এলাকার মানুষের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠেছিলো। এই দিনে দেবহাটার মানুষ খুজে পেয়েছিল দীর্ঘদিনের যুদ্ধ বিজয়ের আনন্দ। মুক্তিযুদ্ধের সেই ঐতিহাসিক দিনগুলোর বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, সমগ্র দেবহাটা ছিল ৯ নং সেক্টরের অর্ন্তভুক্ত। এই ৯ নং সেক্টরের আওতায় ৩ টি সাব-সেক্টর গঠন করা হয়। তার মধ্যে প্রথম সেক্টরটি ছিল শমসের নগর।

যার নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন নুরুল হুদা। দ্বিতীয়টি হেঙ্গলগজ্ঞ ও তৃতীয়টি ছিল টাকী। যার নেতৃত্বে ছিলেন মরহুম ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাষ্টার। বাংলাদেশের ১১ টি সেক্টরের মধ্যে ৯ নং সেক্টরটি ছিল সর্ববৃহৎ। ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাষ্টারের উদ্যোগেই ভারতের টাকীতে গড়ে তোলা হয় ৯ নং সেক্টর। সেজন্য তাকে ৯ নং সেক্টরের প্রতিষ্টাতা ও সাব সেক্টর কমান্ডারের খেতাব দেয়া হয়। সমগ্র দেবহাটা থানা ৯ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জলিল। শাহজাহান মাষ্টারের নেতৃত্বেই এই অঞ্চলের যুবকেরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।

তিনি দেশ মাতৃকার টানে এলাকার যুবকদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনের প্রেরনা যুগিয়েছিলেন। তখন দেবহাটা এলাকার খানজিয়া ক্যাম্প, দেবহাটা ক্যাম্প, টাউনশ্রীপুর ক্যাম্প, সখিপুর ক্যাম্প, পারুলিয়া ক্যাম্প, কুলিয়া বাজার ও পুষ্পকাটি ইটের ভাটা সহ বিভিন্ন এলাকায় পাক সেনারা ঘাঁটি গড়ে তোলে। দেবহাটা এলাকায় টাউনশ্রীপুর ফুটবল মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাক সেনাদের প্রচন্ড যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের খবর এক রাজাকার পাক সেনাদের কাছে পৌছে দেয়। ফলে পাক সেনারা মুক্তিযোদ্ধাদেরকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে।

বিষয়টি ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাষ্টার বুঝতে পেরে অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করেন। প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপী যুদ্ধে পাক সেনারা পরাস্থ হয়। এই যুদ্ধে বহু পাক সেনা নিহত হয়। এছাড়া ভাতশালা সহ বিভিন্ন যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন মরহুম ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাষ্টার। ভাতশালা যুদ্ধের শেষের দিকে হঠাৎ একটি বুলেট এসে মুক্তিযোদ্ধা গোলজারের মাথায় লাগে। সেখানেই তিনি নিহত হন। একপর্যায়ে টাউনশ্রীপুরের সেনা ঘাটির পতন হয়। তখন প্রধান সেনাপতি এম.এ জি ওসমানী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহম্মেদ ও সেক্টর কমান্ডার এম.এ জলিল সকলে মিলে ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাষ্টারকে নিয়ে বিজয় উল্লাস করেন।

এখান থেকে পাক সেনারা যাওয়ার সময় শাহজাহান মাষ্টারের বাড়ি কেরোসিন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এরপরে অক্টোবর মাসে খান সেনারা খাঁনজিয়া ক্যাম্প ছেড়ে পলায়ন করে। তারা যাওয়ার সময় ঐ এলাকায় এ.পি মাইন পুতে রেখে যায়। ঐ মাইনগুলো অপসারন করতে যেয়ে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব শহীদ হন। পরে পারুলিয়া, সখিপুর ও কুলিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধে পাক সেনারা পরাস্থ হয়। তারা চলে যাওয়ার সময় বহু মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং পারুলিয়া ব্রীজ ধ্বংস করে দেয়। এভাবে দেবহাটা উপজেলা পাক হানাদার মুক্ত হয় ও ওঠে বিজয়ের পতাকা। সেই দিনটিকে স্মরন করে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা আনছার আলীর মৃত্যু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান টিটু ও সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাশিদুজ্জামান রাশি ভাইয়ের পিতা ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আনসার আলী বার্ধক্যজনিত কারনে আজ রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করিয়াছেন (ইন্নালিল্লাহি…… রাজিউন)

তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠু,সাধারন সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest