সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

সাতক্ষীরার ১৩ ইউপি’র ১০ টিতেই নৌকার ভরাডুবি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা সদরের ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ১১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোটে সাতক্ষীরা সদরের ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩টি ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন, দুটি ইউপিতে জামায়াত সমর্থিত, দুটিতে বিএনপি, বাকী ৫টি ইউপিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

বিজয়ী চেয়ারম্যানরা হলেন, বাঁশদহে আওয়ামীলীগ মনোনীত মাস্টার মফিজুর রহমান, কুশখালিতে জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল গফফার, বৈকারীতে জেলা তরুণলীগের সাধারণ সম্পাদক বিদ্রোহী প্রার্থী মোস্তফা কামাল, ঘোনা ইউপিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী আব্দুল কাদের, শিবপুরে বিদ্রোহী আবুল কালাম আজাদ, ভোমরায় বিগত নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করলেও এবার জামায়াতের সমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া ইসরাঈল গাজী, ধুলিহরে বিদ্রোহী মিজানুর রহমান চৌধুরী, ব্রহ্মরাজপুরে আওয়ামীলীগ মনোনীত আলাউদ্দিন , আগরদাড়িতে স্বতন্ত্র কবির হোসেন মিলন, ঝাউডাঙ্গায় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আজমল হোসেন, বল্লীতে বিএনপির মহিতুল ইসলাম, লাবসায় বিএনপি নেতা আব্দুল আলিম ও ফিংড়িতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী লুৎফর রহমান।

এদিকে , নির্বাচনে সাতক্ষীরার ১৩ ইউপিতে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। নির্বাচনে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে। সাতক্ষীরায় ভোট উৎসবে পরিণত হয়। তবে নৌকার ভরাডুবির কারন হিসেবে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করা এবং গত নির্বাচনে নৌকার বিজয়ী চেয়ারম্যানদের অনিয়ম দূর্নীতিকেই কারন হিসেবে দাবি করেছেন।
নাম প্রকাশে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দেওয়ার সময় তৃণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া জনপ্রিয় প্রার্থীকে মনোনয়ন না দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি বর্তমান নৌকা প্রর্তীকে নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের অনিয়ম দুর্নীতিও পরাজয়ের কারনে হিসেবে দেখছেন অনেকে।
সাতক্ষীরা সদরে নৌকার ভরাডুবির কারন জানতে চাইলে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রশিদ বলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অথবা এমপি সাহেবের সাথে কথা বলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পর্যবেক্ষণে বিচারক : ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর মামলা না নিতে নির্দেশ

দেশের খবর : রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিন বিচারক দুপুর সাড়ে ১২টায় আদালতের এজলাসে রায় দেওয়ার জন্য উঠেন। এরপরে তিনি নিজ হাতে রায় লেখা শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা লেখার পর তিনি দুপুর ২টায় রায় পড়া শুরু করেন। রায় পড়ার সময় বিচারক প্রথমে বলেন, ‘আপনারা বলেন মামলাটা আলোচিত। কিন্তু আমার কাছে সব মামলা একই।’

এর পরে, সাক্ষীদের জবানবন্দি বিচারক আদালতে পড়ে শুনান। এ সময় তিনি প্রথমে রেইনট্রি হোটেলে কর্মরত কর্মচারীদের জবানবন্দি পড়ে শুনান। তিনি বলেন, ‘কোনো সাক্ষী ঘটনার দিন ধর্ষণের কোনো ঘটনা দেখেননি। এমনকি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তাও দেখেননি। ঘটনার ৩৮ দিন পরে পুলিশ এসে বললে, তারা ঘটনার কথা শুনেন। সাক্ষীদের এমন বক্তব্যে প্রতীয়মান হয় যে, ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেনি বা ভিকটিমরা সেখানে গিয়েছিলো কি না তাও স্পষ্ট নয়।’

এর পরে বিচারক ডাক্তারি রিপোর্টের পর্যালোচনা করেন। এ সময় বিচারক বলেন, ‘ঘটনার ৩৮ দিন পরে মামলা হয়েছে। এত দীর্ঘদিন মামলা করার কারণে, মেডিকেলে কোনো ধর্ষণের আলামত আসেনি। এ ছাড়া ভিকটিম শারীরিক সম্পর্কে অভ্যস্থ বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তাই মেডিকেল রিপোর্টেও কোনো ধর্ষণের প্রমাণ হয়নি। এবার ভিকটিমের ঘটনার দিন পরিহিত লং কামিজ পুলিশ জব্দ করে এবং তা কেমিকেল টেস্ট করানো হয়েছে। সেখানেও কোনো ধরনের বীর্য পাওয়া যায়নি। অতএব এতেও স্বীকৃত যে, ধর্ষণ হয়নি।’

বিচারক পরবর্তীতে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে বলেন, আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট আসামিদের আশ্বস্ত করেননি, আসামিরা যদি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না দেন তাহলে তাদের আর রিমান্ড দেওয়া হবে না। এতে স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় দেওয়া ছিলো বলে প্রতীয়মান হয় না। এ ছাড়া আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। সেখানে তারা বলেছেন, তাদের নির্মমভাবে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া, ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে কে কীভাবে জড়িত তা আসামিরা ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে সুষ্পষ্টভাবে বলেননি। স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যে জোরপূর্বক ধর্ষণ বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কি না তা পরিষ্কার হয়নি।

বিচারক এ সময় বলেন, ‘মামলা ফাইল হয়েছে ঘটনার ৩৮ দিন পর। মেডিকেলে ধর্ষণের কোনো আলমত নেই এবং কাপড়ে বীর্যের আলামত নেই। এ মামলায় আদালতের সময় অনেক নষ্ট হয়েছে। ৯৩টি কার্যদিবসে আদালতের সময় নষ্ট হয়েছে। এ মামলায় ভিকটিম আগে থেকে শারীরিক সম্পর্কে অভ্যস্থ। এ মামলায় প্রভাবিত হয়ে তদন্ত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তাও।’

বিচারক এ সময় পর্যালোচনায় বলেন, ‘ঘটনার ৭২ ঘণ্টার পরে কেউ মামলা নিয়ে এলে পুলিশ যাতে মামলা রেকর্ড না করে সে বিষয়ে পর্যালোচনায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হোটেলে ভিকটিমরা স্বেচ্ছায় থাকতে গিয়েছেন। তারা ধর্ষণের শিকার হয়নি। এ ছাড়া, এক নম্বর আসামি (সাফাতের) সদ্যডিভোর্সি স্ত্রী ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার প্ররোচনায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

বিচারক আরও বলেন, ‘ভিকটিমরা যদি সত্যিকারের ধর্ষণের শিকার হতেন তাহলে সর্বপ্রথম তাদের কাজ হতো আগে থানায় যাওয়া। তাই অত্র আদালত মনে করে অত্র মামলায় আসামিরা নির্দোষ। আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন পক্ষ সন্দেহাতীতভাবে মামলা প্রমাণ করতে পারে নাই, তাই আসামিদের খালাস দেওয়া হলো।’

রায় শোনার পর আসামিরা বিচারককে সালাম দেন এবং আলহামুদিল্লাহ বলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। এরপরে তাদের আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ তাদের খালাসের আদেশ কারাগারে পোঁছালে আগামীকাল শুক্রবার সকালে মুক্তি দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের মামলায় সকল আসামি খালাস

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি আফরোজা ফারহানা অরেঞ্জ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ রায় উপলক্ষ্যে পাঁচ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের উপস্থিতিতে বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

বিচারক বলেন, প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেনি। তাই আসামিদের খালাস দেওয়া হলো।

এ মামলার পাঁচ আসামি হলেন—সাফায়েত আহমেদ সাফাত, তাঁর বন্ধু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘ই-মেকার্স’-এর কর্মকর্তা নাঈম আশরাফ, রেগনাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন এবং দেহরক্ষী রহমত আলী।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করে পাঁচ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠান বিচারক। এর পর থেকে তাঁরা কারাগারে আটক রয়েছেন।

রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ২০১৭ সালের ৬ মে বনানী থানায় মামলা করেন এক ছাত্রী।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরের দিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী এবং তাঁর বান্ধবী ও বন্ধু শাহরিয়ারকে আটক রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাদী ও তাঁর বান্ধবীকে জোর করে ঘরে নিয়ে যান আসামিরা।

এজাহারে আরও বলা হয়, বাদীকে সাফাত আহমেদ একাধিকবার এবং বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আসামি সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তাঁর মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই ছাত্রীর পরিচয় হয়।

এজাহারে বলা হয়, ঘটনার দিন সাফাতের জন্মদিনে দুই ছাত্রী যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাঁদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডের দ্য রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তাঁর বান্ধবী জানতেন না সেখানে পার্টি হবে। তাঁদের বলা হয়েছিল, এটা একটা বড় অনুষ্ঠান, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে। সেখানে যাওয়ার পর তাঁরা ভদ্র কোনো লোককে দেখেননি। সেখানে আরও দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও বান্ধবী দেখেন, সাফাত ও নাঈম ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সময় বাদীর বন্ধু ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তাঁরা চলে যেতে চান। পরে আসামিরা তাঁদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেন। এরপর তাঁকে খুব মারধর করেন।

আরও বলা হয়, ধর্ষণ করার সময় সাফাত গাড়িচালককে ভিডিওচিত্র ধারণ করতে বলেন। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন এবং তিনি প্রতিবাদ করবেন বলে জানিয়েছিলেন। এর পর বাদী ও বান্ধবীর বাসায় দেহরক্ষী পাঠানো হয় তথ্য সংগ্রহের জন্য। তাঁরা এতে ভয় পেয়ে যান। পরে লোকলজ্জার ভয় এবং মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। এতে মামলা করতে বিলম্ব হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী কী ঘটেছিল সেদিন?

২০১৭ সালের ৮ জুন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে সাফাতসহ পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এ্যানি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘটনার ১৫ দিন আগে গুলশানের পিকাসো হোটেলে সাফাতের সঙ্গে পরিচয় হয় বাদীর। সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফের সঙ্গে বাদী ও ভিকটিমের মামলার ঘটনায় ১০/১৫ দিন আগে বাদীর পূর্ব পরিচিত বন্ধু সাদমান সাকিফের মাধ্যমে গুলশান থানাধীন পিকাসো হোটেলে পরিচিত হয়।

পরিচয় হওয়ার পর সাফাত আহমেদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে অনেকদিন কথা হয়। কথা হওয়ার মাঝে সাফাত আহমেদ ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ তাঁর জন্মদিনের প্রসঙ্গ তুলে বাদীকে তাঁর বান্ধবীসহ অন্য বন্ধুদের নিয়ে জন্মদিনের পার্টিতে রেইনট্রি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে আসার জন্য দাওয়াত দেন। ঘটনার দিন সাফাত আহমেদ তাঁর নিজের ব্যবহৃত গাড়ি ও ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন এবং গানম্যান রহমতকে পাঠান বাদী ও তাঁর বান্ধবীকে তাঁদের নিজ বাসা নিকেতন থেকে রাত ৯টায় রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে আসেন এবং ড্রাইভার বিল্লাল তাঁদের হোটেল রুমে পৌঁছে দিয়ে আসেন। হোটেলে আসার পর ওখানে কোনো পার্টির পরিবেশ না দেখে বাদী ও তাঁর বান্ধবী চলে যেতে চাইলে আসামিরা বান্ধবী ও বাদীকে কেক কেটে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। সেখানে বাদীর বন্ধু শাহরিয়ার ও স্নেহা ছিলেন। বাদী তাঁর বন্ধুদের নিয়ে আবার চলে যেতে চাইলে সাফাত ও নাঈম বাদীর বন্ধুদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বাদীর বন্ধু শাহরিয়ারের গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেন। এরপর শাহরিয়ারকে ৭০৩ নম্বর কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ রেইনট্রি হোটেলের ৭০০ নম্বর সুইট রুমে বাদী ও ভিকটিমকে তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মদ পান করিয়ে সাফাত ও নাঈম আশরাফ ধর্ষণ করেন। এ সময় বাদীকে খুব মারধর করেন। বাদীকে সাফাত আহমেদ ও তাঁর বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ করার সময় সাফাত গাড়িচালককে ভিডিওচিত্র ধারণ করতে বলেন। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন। এরপর বাদী ও তাঁর বান্ধবীর বাসায় রহমত আলীকে পাঠানো হয় তথ্য সংগ্রহের জন্য। তাঁরা এতে ভয় পান। লোকলজ্জার ভয় এবং মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে ওঠার পরে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁরা মামলার সিদ্ধান্ত নেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘটনার একদিন আগে সাফাত পার্টির জন্য মদের বোতল রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে আসেন। ধর্ষণের পর সাফাত আহমেদের নির্দেশে ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন ওষুধের দোকান থেকে আইপিল (জন্মনিরোধ) সংগ্রহ করে আনেন। পরবর্তী সময়ে সাফাত আহমেদ জোর করে বাদীকে আইপিল খাওয়াতে চান। কিন্তু বাদীনি আইপিল খেতে না চাইলে বাদীর বন্ধু শাহরিয়ার ও বাদীকে সাফাত ও নাঈম মারধর করে। এ মারধরের ঘটনা নাঈমের নির্দেশে ড্রাইভার বিল্লাল মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন। পরে সে ভিডিওগুলো তাঁরা ডিলিট করে দেন। পুলিশি তদন্তের সময় মোবাইল থেকে ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে সে ভিডিওগুলো উদ্ধার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেক কাটা ও আলোচনা

মেহেদী মারুফ, শ্যামনগর :
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে কেক কাটা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় শ্যামনগর সদরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এস এম জাকির হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,

সাতক্ষীরা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এস এম সায়েদ বিন হায়দার রাজিব,যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম সোহাগ,আল মামুন লিটন,আব্দুল মজিদ,আহছানুর রহমান,আব্দুর রহমান,হাফিজ সরদার,হারুনার রশীদ, আব্দুস সবুর,রহমত আলি প্রমুখ।

যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সায়েদ বিন হায়দার রাজিবের নেতৃত্বে কয়েকশত যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আনন্দ ঘন পরিবেশে ক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শ্যামনগর উপজেলা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেরা অভিনেত্রী হলেন বাঁধন

বিনোদন ডেস্ক : এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডসের (অ্যাপসা) সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন আজমেরী হক বাঁধন। ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমার জন্য সেরা হয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাঁধন নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “এ পুরস্কার অনেক আনন্দের। অনেক প্রেরণার। ‘রেহানা নূর মরিয়ম’ সিনেমাটি আমাকে নতুন জন্ম দিয়েছে।”

এর আগে সিনেমাটি কান চলচ্চিত্র উৎসবসহ বিভিন্ন দেশের নানা চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসা পেয়েছে। আগামীকাল সিনেমাটি দেশের ১২টি হলে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

তার আগে এ পুরস্কারের খবর বাড়তি সাহস দিচ্ছে বলে জানান বাঁধন।

অ্যাপসা’র ১৪তম আসর অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্ট শহরে আজ (১১ নভেম্বর) বিজয়ীদের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে ২৫টি এশিয়া প্যাসিফিক দেশের মোট ৩৮টি ছবি অংশ নেয়।

তার মধ্যে সেরা অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পেলেন বাঁধন। এ শাখায় বাঁধন ছাড়াও মনোনয়ন পেয়েছিলেন চার দেশের আরও চার অভিনেত্রী।

বাঁধনের প্রতিদ্বন্দ্বীরা ছিলেন ইসরায়েলের আলেনা ওয়াইভি, তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন ‘এশিয়া’ নামের সিনেমাটির জন্য। এছাড়া ‘জাস্টিস অব বানি কিং’র জন্য নিউজিল্যান্ডের এসি ডেভিস, ‘দ্য ড্রোভারস ওয়াইফ: দ্য লিজেন্ড অব মলি জনসন’র জন্য অস্ট্রেলিয়ার লিয়া পারসেল এবং ‘স্কেয়ারক্রো’ সিনেমার জন্য রাশিয়ান ভ্যালেন্টিনা রোমানোভা সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতার উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে নৌকায় ভোট দিন : ডা . রুহুল হক এমপি

নিজস্ব প্রতিনিধি : উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে নৌকায় ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সাতক্ষীরা-০৩ আসনের সাংসদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি।

তিনি বলেন, নৌকায় ভোট দিলে দেশে উন্নয়ন হয়। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা ভেবে চিন্তে সৎ যোগ্য প্রার্থীকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন।

বিশ্বে যে ক’জন সৎ ও দক্ষ প্রধানমন্ত্রী আছেন তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা অন্যতম উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ভোট কেন্দ্র দখলে বিশ্বাসী নয়, উন্নয়নে বিশ্বাসী। আর বিএনপি-জামায়াতের কেউ যদি ভোট কেন্দ্র দখল বা বিশৃঙ্খলা করা চেষ্টা করে তাহলে তাদেরকে শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে।

বুধবার (১০ নভেম্বর ) সন্ধ্যায় নলতা ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হোসেন পাড়ের পক্ষে নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী কর্মীসম্মেলন করেন। নলতা ইউনিয়ন দলীয় নির্বাচনী কার্যালয়ে কর্মীসম্মেলনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাঈদ মেহেদী।

ডা. রুহুল হক এমপি আরোও বলেন, ‘আমরা উন্নয়নে বিশ্বাসী। নৌকা মার্কায় ভোট দিন আমরা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব। এজন্য আগামী ২৮ নভেম্বর সারাদিন নৌকায় ভোট দিতে হবে। আওয়ামী লীগ মানেই হলো উন্নয়নেই ধারা অব্যাহত রাখা। উন্নয়নের গণতন্ত্র শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র। নৌকায় ভোট দিতে হবে, তাহলে চলমান উন্নয়ন আরও বেগমান হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নৌকা উন্নয়ন এবং স্বাধীনতার প্রতীক। নৌকা হারলে শেখ হাসিনা হারবে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

এসময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদরের ১৩ ইউপির নির্বাচন সম্পন্ন : সহিংসতায় আহত ৮

আসাদুজ্জামান : দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো দ্বিতীয় ধাপের সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচন। চলছে ভোট গণনার কাজ।

এদিকে, নির্বাচনী সহিংসতায় বৈকারী ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বাকী ১২টি ইউনিয়নে ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোট গ্রহন চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার বৈকারী ইউনিয়নের খলিলনগর কেন্দ্রে মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফার পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়ার চেষ্টাকালে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদুজ্জামান অসলেসহ উভয় পক্ষের ৮ জন আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই ইউনিয়নের কাথন্ডা ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী আব্দুল জলিলের বাড়িতেও হামলা করা হয় বলে জানা গেছে। সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন লক্ষ্য করা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর তৎপরতা ছিল লক্ষনীয়। বৈকারী ছাড়া বাকি ১২টি ইউনিয়নে আর কোন নির্বাচনী সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। এরআগে সকালে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌছানোর পর শুরু হয় ভোট গ্রহন।
সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে ১৩টি ইউনিয়নে ৬৪জন চেয়ারম্যান, ৪৯১ জন সাধারন সদস্য পদে ও ১৬০ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বদ্বিতা করেছেন। ১২৬ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন এস.আইএর নেতৃত্বে ৫জন পুলিশ ও ১৭জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, র‌্যাব ও বিজিবি টহল দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে সদর উপজেলায় মোট ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ এক লাখ ৩৪ হাজার ২২৪ জন ও নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৪২৯ জন।
বৈকারী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা পুলিশের পরিদর্শক আবুল কালাম জানান,দুপক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌছে লাটিচার্জ করে দুপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানান তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল কবির জানান,দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ১৩টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। চলছে ভোট গনানর কাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ১৩ ইউপিতে ভোট চলছে, বৈকারিতে নৌকার প্রার্থীসহ আহত ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিপুল উৎসাহ ও উৎসবের আমেজে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে একযোগে ভোট গ্রহন শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ ভোটাররা দলে দলে আসতে শুরু করেন। তারা ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছেন।
আজ বৃহস্পতিবার যে সব ইউনিয়নে ভোট গ্রহন চলছে সেগুলি হলো কুশখালি, বৈকারি, বাঁশদহা, লাবসা, শিবপুর, আগরদাঁড়ি, ফিংড়ি, ধুলিহর, ঘোনা, ব্রম্মরাজপুর, ভোমরা, বল্লী ও ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নে ৬৪ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জেলা নির্বাচন অফিসার নাজমুল হাসান জানান মোট ১৮১ টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৩ জন ভোটার ভোট দেবেন। এ জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
এদিকে ভোট গ্রহন শুরু হবার পরই বৈকারি ইউনিয়নের খলিলনগর এলাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আসাদুজ্জামান অছলে ও তার ছেলে জহির রায়হান হৃদয়সহ ৮ জন প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়েছেন। তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অন্যরা হলেন রনি, আবু সাঈদ , মেম্বরপ্রার্থী মজনু, হাফিজুল, মনিরুল ও অজ্ঞাত আরও একজন।
অভিযোগ করে তারা বলেন খলিলনগর কেন্দ্র দখল করে নিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাথীরা । তবে এ সব বিষয়ে তার কাছে কোনো খবর নেই বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন অফিসার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest