সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

সাতক্ষীরায় সমস্যা, সমাধান ও উন্নয়ন নিয়ে উপজেলার পর্যায়ের মত বিনিময়

আসাদুজ্জামান : উপজেলার পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কর্মকতাদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৩ই নভেম্বার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হল রুম মত বিমিয় সভায় প্রধান অতিাথর বক্তব্য রাখে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম।

এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমাতুজ জোহরার সভাপতিত্বে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হুমায়ুন কবির, জেলাা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু, সহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে অতিথিবৃন্দ উপজেলা পরিষদে আগত সেবাপ্রার্থীদের বসার জন্য ছায়াবিথী নামে বিশ্রামার উদ্বোধন ও পরে কৃষকদেও মাঝে বিনা মূল্যে সার বীজ বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার নবাগত ইউএনও ওসি ও ইউপি চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা

তালা প্রতিনিধি :
তালা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, তালা থানা অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান,

তালা প্রেসক্লাব সভাপতি ও খলিলনগর ইউপি’র নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু এবং তালা সদর ইউপির চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেনকে সংবর্ধণা প্রদান করা হয়।

শনিবার সকালে উক্ত সংবর্ধণা ও মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু।

তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথিবৃন্দ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও তালা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রাক্তন ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়,

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি মীর আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, তালা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দীন বিশ^াস, আওয়ামী লীগনেতা ইন্দ্রজিৎ দাশ বাপ্পী, জেএসডি কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান, সৈয়দ ইদ্রিস, জাসদ নেতা দেবাশীষ দাস প্রমুখ। এসময় তালা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দরা আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল এবং সংবর্ধনা স্মারক প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ১৩ কেজি হরিনের মাংস জব্দ

আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন শ্যামনগর উপজেলার একটি ব্রীজের নীচ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৩ কেজি হরিনের মাংস জব্দ করেছে বনবিভাগের সদস্যরা। শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে বনবিভাগের সদস্যরা উপজেলার চৌদ্দরশি ব্রীজের নীচ থেকে এ গুলো জব্দ করেন।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর উপজেলার চৌদ্দরশি ব্রীজের নীচে কয়েকজন চোরাশিকারী একত্রিত হয়েছে হরিণের মাংস বিক্রয় করার জন্য এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িগোয়ালিনী ষ্টেশন অফিসার (এস.ও) সুলতান আহম্মদের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালিয়।

এ সময় সেখান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৩ কেজি হরিনের মাংস উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘবদ্ধ চোরা শিকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত হরিণের মাংস মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে।

বনবিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এ.সি.এফ) এম.এ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তকরণের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় বন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একজন প্রভাবশালী নেতার সহচর দুটি ককশীটের বক্সে করে হরিনের মাংস ঢাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বব্যাপী লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিশ্বব্যাপী লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার বিরুদ্ধে ১৬ দিনের সক্রিয়তা প্রচারণার অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নারী নির্যাতন বন্ধ করি, কমলা রঙের বিশ্বে গড়ি প্রতিপাদ্যে শনিবার সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা মৎস্য প্রদর্শন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান।

প্রধান অতিথি ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অধিশাখা) এ কে এম শামীম আক্তার।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: রেজা রশীদ, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা: হুসাইন সাফায়েত।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সুশীলন এর উপ-পরিচালক মোস্তফা আখতারুজ্জামান, ভিডিও ডকুমেন্টারী উপস্থাপন করেন একশন এইড বাংলাদেশের প্রকল্প ব্যবস্থাপন তাছলিমা আক্তার, ধর্ষনের বিরুদ্ধে ১০টি পদক্ষেপের উপর বক্তব্য রাখেন জিবিভি ক্লাস্টার কোর্ডিনেটর ইউএনএফপিএ রুমানা খান, মাঠ পর্যায়ে ফাউন্ডিংস শেয়ারিং করেন কন্সালটেন্ট তাসাফফী হোসেন।

ইউএনএফপিএ এর অর্থায়নে এ্যাকশনএইড বাংলাদেশের আয়োজনে এবং সুশীলন, প্রেরণা, স্বদেশ, সিডো, নকশীকাঁথা ও হেড এর সহযোগিতায় মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পি, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যনার্জি, সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা মহিলা অধিদপ্তরের উপর পরিচালক শফিউল আযম, জেলা সহকারী সমাজসেবা অফিসার রোকনুজ্জামান, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিম, জেলা স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার পুলক চক্রবর্তী, প্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পা গোম্বামী প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত।

প্রধান অতিথি বলেন, তরুনরা চিন্তাও করতে পারবেনা আমরা কোন জায়গা থেকে কোন জায়গায় এসেছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। ক্রমাগত দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এগিয়ে যাওয়ার কারন হচ্ছে নারী উন্নয়ন।

আমরা জানি এখন ২০৪১ আমরা নারী পুরুষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সমান হবে।
ডিজিটাল প্রযুক্তি নিয়ে আমরা অনেক এগিয়েছি। এখন শিক্ষার্থীরা বাড়িতে বসে অনলাইনে ক্লাস করতে পারে।

ভবিষ্যতে প্রযুক্তি নির্ভর হবে। তাদের অবশ্যই পারিবারিক শিক্ষা দিতে হবে। ইভটেজিং এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সাড়া জাগানো বিষয় হচ্ছে পাঠ্য পুস্তকের পিছনে ১০৯। প্রতিটি প্রায় ৪ থেকে ৬ হাজার ফোন রিসিভ করে আমাদের অপারেটররা। সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পদক্ষেপগ্রহণ করেন। বাল্য বিবাহ ও নারী নির্যাতন রোধে ১০৯ একটি বড় অর্জন।
এখান থেকে মাত্র কয়েক বছর পূর্বের ছেলে মেয়ে এক সাথে স্কুলে যেতে পারতো না। এখন কিন্তু পরিবর্তন হয়েছে। দ্রুত আরো পরিবর্তন হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুত্রকে নিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন পূজা-কুনাল

বিনোদন ডেস্ক : অবশেষে সামাজিকভাবে বিয়ের পর্ব সারছেন অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জী ও কুণাল ভার্মা। ছেলে কৃশিবের জন্মের পর তড়িঘড়ি আইনি বিয়ে সেরেছিলেন এই দম্পতি। তখনই ঠিক করেছিলেন, ছেলে একটু বড় হলেই ধুমধাম করে সাতপাক ঘুরবেন। হচ্ছেও তাইই।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) ইনস্টাগ্রামে পূজা তার সব অনুরাগীদের জানিয়েছেন, আবার বিয়ে করছেন তিনি! বন্ধু-বান্ধব, দুই পরিবারের সব সদস্যদের নিয়ে। সোমবার (১৫ নভেম্বর) গোয়ায় বসবে এই বিয়ের আসর।

এই বিয়ে নিয়ে দারুণ উত্তেজিত অভিনেত্রী। ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘কাগুজে বিয়েতে মন ভরে! গায়ে হলুদ, মেহেন্দি, সাতপাক ঘোরা, মালাবদল- কিচ্ছু হবে না?’

সেই স্বপ্ন পূরণ করতে গোয়ায় বেশ জমকালো আয়োজন হতে হচ্ছে। অভিনেত্রীর কথায়, সব মেয়ের মতো তিনিও ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন, পালকি চেপে বিয়ের আসরে যাবেন। সেটাই হবে। তিনি সাজবেন লাল বেনারসিতে। মালা, চন্দন, গয়নায়। আর কুণাল সাজবেন এক দম বাঙালি বর। পূজা বলেন, ‘আমার আবদার মেনে ধুতি-পাঞ্জাবি-টোপর সব পরবে। এখন থেকেই ধুতি পরা নিয়ে বেশ চিন্তায় আছে। ধুতি যদি সামলাতে না পারে!’

তবে কুণালও মহাখুশি। অভিনেত্রী বিয়ের তারিখ ঘোষণা দিতেই তিনি জানিয়েছেন, ‘তুমি এগোও… আমি এক্ষুণি আসছি।’ ইতোমধ্যে দেবের ‘চ্যালেঞ্জ ২’ ছবির নায়িকা ছেলে নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন গোয়ার উদ্দেশে।

একা কুণাল নন, ছেলে কৃশিবও তার মা-বাবার বিয়েতে সাজবে ধুতি-পাঞ্জাবিতে। তবে ছেলেই কি নিতবর? এমন প্রশ্নে একগাল হেসে পূজা বলেন, ‘ছোটবেলায় অভিযোগ ছিল, মা-বাবা কেন বিয়েতে আমায় নিমন্ত্রণ করেনি? কৃশিবের অন্তত এই আক্ষেপ থাকবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবসরে যাচ্ছেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, কে হচ্ছেন প্রধান বিচারপতি

দেশের খবর : প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অবসরে যাচ্ছেন ৩০ ডিসেম্বর। তিনি অবসরে গেলে কে হচ্ছেন পরবর্তী প্রধান বিচারপতি-এ নিয়ে বিচারাঙ্গনে চলছে নানা গুঞ্জন। প্রথা অনুযায়ী পরবর্তী সিনিয়র বিচারপতিই প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে সে নিয়ম মানা হবে কি হবে না-সেই প্রশ্নও সংশ্লিষ্টদের।

অবশ্য এর আগে জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের দৃষ্টান্ত রয়েছে। যদিও সংবিধানে জ্যেষ্ঠতা অনুসরণের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিচার বিভাগের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া উচিত। জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী। তার পরের অবস্থানে রয়েছেন বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ননী ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

তাদের মধ্যে একজন হবেন দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি। তবে সম্ভাব্য প্রধান বিচারপতি হিসাবে বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর কথা বেশি শোনা যাচ্ছে। একটি সূত্র মনে করে, বর্তমানে আপিল বিভাগে কর্মরত সব বিচারপতিরই প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত বিচারপতি পদে থাকা যায়। সে হিসাবে বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের ৬৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে ৩০ ডিসেম্বর। প্রধান বিচারপতির শেষ কার্যদিবস হচ্ছে ওইদিন।

এদিকে ১৯ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর অবকাশকালীন ছুটি রয়েছে। সেই ছুটি যদি বহাল থাকে, তাহলে প্রধান বিচারপতির শেষ কার্যদিবস হচ্ছে ১৫ ডিসেম্বর। কারণ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস, আর ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি। সবকিছু ঠিক থাকলে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন পদে আছেন আর মাত্র ৪৯ দিন (১২ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর)।

রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।’

সংবিধানে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলা হয়নি। তবে দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের যে বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দেবেন, তার বিষয়ে সম্মতি দিয়ে প্রথমে আইন মন্ত্রণালয়কে জানাবেন।

এরপর মন্ত্রণালয় থেকে ওই বিচারপতির ব্যাপারে ফাইল প্রস্তুত করে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরের পর বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর প্রধান বিচারপতি নিয়োগের গেজেট জারি করবে আইন মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন বলেন, সংবিধানে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান প্রধান বিচারপতির মেয়াদ শেষ হলে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেবেন। আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকে তিনি যে কোনো একজনকে প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন। এতে কোনো বাধা নেই।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করা উচিত নয় বলে মনে করেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। তিনি বলেন, যদিও সংবিধানে এ বিষয়ে পরিষ্কার কিছু বলা নেই, তারপরও এটা করা ঠিক না। যাকে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হলো তিনি এক বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করে চলে যেতে হয়, এটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রহুল কুদ্দুস কাজল মনে করেন, বিচার বিভাগের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া দরকার। নিয়োগের ক্ষেত্রে কারও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, কিংবা দলীয় রাজনৈতিক আনুগত্য-এসব বিবেচনায় না এনে বিচার বিভাগের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পদত্যাগ করলে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহহাব মিঞাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। পরবর্তী সময়ে বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির পদে থাকাকালীন প্রধান বিচারপতি হিসাবে সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নিয়োগ চূড়ান্ত করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এ নিয়োগের দিন (২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিচারপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা। বিচারপতি ওয়াহহাব মিঞার তখন চাকরির মেয়াদ ছিল আরও ১০ মাস।

এখানে নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের ঘটনায় কোনো সাংবিধানিক ব্যত্যয় ঘটেছে কি না জানতে চাওয়া হয়েছিল তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের কাছে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়, এর আগেও সাতবার ঘটেছে। তবে এতে সংবিধানের লঙ্ঘন হয়নি। প্রধান বিচারপতি নিয়োগের এখতিয়ার মহামান্য রাষ্ট্রপতির। সংবিধান অনুযায়ী তিনি আপিল বিভাগের যে কোনো একজন বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন। সবচেয়ে সিনিয়রকে নিয়োগ দিতে হবে-এমন কোনো কথা নেই।’সূত্র: যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছেড়ে দিলেন শ্রাবন্তী

বিনোদন ডেস্ক : বিজেপি ছাড়লেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। টুইট করে নিজেই ঘোষণা দিলেন বিজেপি ছাড়ার। চলতি বছরের নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী ছিলেন তিনি। ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে বাড়তে থাকে দূরত্ব। অবশেষে দল ছাড়লেন অভিনেত্রী।

দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে শ্রাবন্তী টুইটে লেখেন, ‘বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি আন্তরিক নয়। বাংলার জন্য কাজ করার মনোভাবের অভাব রয়েছে তাদের।’

মুখ্যমন্ত্রীর বিজয় সমাবেশে গত সোমবার রুপাঞ্জনার মিত্রের মতো আমন্ত্রিত ছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। তার অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল যে, তিনি বিজেপি ছাড়ার কথা ঘোষণা না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আসতে চাননি। যদিও এ বিষয়ে শ্রাবন্তী নিজে কোনো মন্তব্য করেননি।

বৃহস্পতিবার সকালে বিজেপি ছাড়ার পর আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই জল্পনাটি হলো পদ্ম ছেড়ে শ্রাবন্তীর নয়া গন্তব্য কি জোড়াফুল? দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি যে টুইট করেছেন তাতে বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নের প্রশ্নে দোষার পর সেই জল্পনা আরও বেড়ে গেলো।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ১ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে তাকে প্রার্থী করে বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপালগঞ্জে ৬ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ টিতেই নৌকার পরাজয়

রাজনীতির খবর : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চারটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (১২ নভেম্বর) কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচনের ফলাফল পাওয়া গেছে।

এতে দেখা যায়, কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আলী খোকনের কাছে পরাজিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী মশিউর রহমান খান। মো. আলী খোকন আনারস প্রতীকে নয় হাজার ৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মশিউর রহমান খান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৩৬৯ ভোট।

সাজাইল ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহাবুবুল আলমের কাছে পরাজিত হয়েছেন। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহাবুবুল আলম মোটরসাইকেল প্রতীকে ছয় হাজার ৬১২ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কাজী জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ৩১০ ভোট।

পারুলিয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে দুই হাজার ২৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিল্লাল হোসেন টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ৬৪২ ভোট।

মাহমুদপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হক মিরাজ চশমা প্রতীকে এক হাজার ৫১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাক আলী অটোরিকশা প্রতীকে এক হাজার ৪৩৫ ভোট পেয়েছেন।

মহেশপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত লুৎফর রহমান মিয়া চার হাজার ৬৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে আবুল বাসার মোল্লা পেয়েছেন তিন হাজার ৮৪৪ ভোট।

রাজপাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিল্টন মিয়া চার হাজার ৩২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিফোন প্রতীকের সাইফুল সরদার পেয়েছেন দুই হাজার ২৯৯ ভোট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest