সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

বিনাভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন ২৫২ জন

রাজনীতির খবর : ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তৃতীয় ধাপ পর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন ২৫২ জন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৭২ জন, দ্বিতীয় ধাপে ৮০ জন এবং তৃতীয় ধাপের ১০০ জন রয়েছেন।

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ২৮ নভেম্বর হওয়া কথা রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) এই ধাপের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল। এরপরই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

ইসির তথ্যমতে, প্রথম ধাপের ২০৪ ইউপিতে ২৮ জন চেয়ারম্যান ও গত ২০ সেপ্টেম্বর একই ধাপের ১৬০টিতে ৪৪ জন চেয়ারম্যান, দ্বিতীয় ধাপের ৮৩৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ৮০ জন এবং তৃতীয় ধাপে ১০০ জন প্রার্থী বিনাভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন।

এ ছাড়া তৃতীয় ধাপ পর্যন্ত সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৭৯৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৪৬ জন, দ্বিতীয় ধাপে ২৭৯ জন এবং তৃতীয় ধাপে ৪৬৯ জন সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপিসহ অনেক রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি। যেসব দল এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তাদের কোনোটি সব ইউনিয়ন পরিষদে প্রার্থী দেয়নি। এর ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। পাশাপাশি সরকারি দলের প্রার্থীর পাশাপাশি অনেক স্থানেই বিদ্রোহীরা প্রার্থী হচ্ছেন।

উল্লেখ্য, চতুর্থ ধাপে দেশের ৮৪০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ইউপি নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :
কালিগঞ্জে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য ও সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৬’শ ৪৮ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১০টায় উপজেলার ৬টি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে স্ব-স্ব প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অনুজ গাইন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১নং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ‘লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী শ্যামলী অধিকারী (নৌকা),

জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাফিয়া পারভীন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শাজাহান কবির (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহমান মোল্যা (আনারস),

জিএম, রবিউল্যাহ বাহার (ঘোড়া), আশানুর রহমান (অটোরিকশা), নজরুল ইসলাম (চশমা) এবং রওশান আলি কাগুচী (মটর সাইকেল) প্রতীক। ২নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ রিয়াজ উদ্দীন (নৌকা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম (আনারস) প্রতীক।

৩নং চাম্পাফুল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ মোজাম্মেল হক গাইন (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ মোড়ল (আনারস) ও আব্দুল হান্নান গাইন (মটর সাইকেল) প্রতীক। ৪নং দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী গোবিন্দ মন্ডল (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রশান্ত কুমার সরকার (ঘোড়া),

জুলফিকার আলী সাঁপুই (মটর সাইকেল) ও দিদারুল ইসলাম (চশমা) প্রতীক। ৫নং কুশুলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ আবুল কাশেম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কাজী তাজুল ইসলাম (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ এবাদুল ইসলাম (ঘোড়া), এম.এ আসফউদ্দৌলা খান (আনারস), রেজাউল করিম (চশমা) ও লতিফুর রহমান খান (মটর সাইকেল) প্রতীক। ৬নং নলতা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সাহাদাত হোসেন (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম, আসাদুর রহমান (মটর সাইকেল), আজমির জামান (আনারস), আজিজুর রহমান পাড় (চশমা),

শাহিনুর রহমান (অটোরিকশা) ও সাইদুর রহমান (ঘোড়া) প্রতীক। ৭নং তারালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী এনামুল হোসেন (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মহাব্বত আলী (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এ.কে.এম, সফিকুজ্জামান (আনারস) ও আব্দুল গফুর (মটর সাইকেল) প্রতীক। ৮নং ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শওকাত আলী বিশ্বাস (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আফছার আলী গাজী (মটর সাইকেল), আব্দুল কুদ্দুস (ঘোড়া) ও নাজমুল হাসান (আনারস) প্রতীক।

৯নং মথুরেশপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনিত প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ (নৌকা), সাম্যবাদী দলের প্রার্থী শেখ তারিকুল ইসলাম (চাকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হাকিম (রজনীগন্ধা), শেখ আব্দুল ওয়াহেদ (আনারস), শাহজান সিরাজ খান (মটর সাইকেল), রমেশ চন্দ্র বিশ্বাস (অটোরিকশা), শেখ আলাউদ্দিন (ঘোড়া), শেখ নাজমুল ইসলাম (টেবিল ফ্যান), আকুঞ্জি বাবলুর রহমান (টেলিফোন), শেখ মোজাফফর হোসেন (চশমা) ও মিজানুর রহমান (ঢোল) প্রতীক। ১০নং ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী শ্রী সজল কুমার মুখার্জী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী শওকাত হোসেন (ঘোড়া), আনোয়ারুস সাদাত (চশমা), আব্দুল করিম (আনারস) ও শেখ ফিরোজ আলম (মটর সাইকেল) প্রতীক। ১১নং রতনপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী এম, আলীম আল রাজী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম, আনোয়ার হোসেন (ঘোড়া) ও আব্দুল ওয়াহেদ (আনারস) প্রতীক।

১২নং মৌতলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শেখ অয়েজুর রহমান (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদাউস মোড়ল (ঘোড়া), শেখ আলমগীর হোসেন (মটর সাইকেল) ও শেখ খোরশেদ আলম (চশমা) প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসকল ইউনিয়নে আগামি ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে ইউপি নিবার্চন অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতার মাঘুরালীতে সাবেক এমপি খায়রুল আনাম এর স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন

দেবহাটা ব্যুরো :
সাতক্ষীরার তৎকালীন কালিগঞ্জ-দেবহাটা আসনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন ১৯৭০ সালের নির্বাচিত প্রথম এমসিএ বা সংসদ সদস্য, নলতার মাঘুরালী গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম খায়রুল আনাম সরদার এর স্ত্রী, সাংবাদকর্মী মো: মনিরুজ্জামান (মহসিন) এর দাদী রোকেয়া আনাম (৬৮) বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার সময় সাতক্ষীরার বাসভবনে থাকা অবস্থায় হঠাৎ স্ট্রোক করলে সাতক্ষীরা সিবি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্নানিল্লাহি… রাজিউন)।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভিসি ড. গোলাম রহমান এর বোন রোকেয়া আনাম মৃত্যুকালে একমাত্র পুত্র সৌদী আরব প্রবাসী আশরাফুল আলম সুমন, একমাত্র কন্যা রিফাত ছবির হেলেন, আত্মীয়-স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

১২ নভেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা উত্তর মাঘুরালী জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে বেলা ৩ টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে তার স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।

উত্তর মাঘুরালী জামে মসজিদে নামাজে জানাযার পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা রাখেন মরহুমার ভাইজি জামাই ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারময়ান এড. স ম গোলাম মোস্তফা, মরহুমার ভাসুরপো নলতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ সদস্য ও নলতা ইউপির বর্তমান স্বতন্ত্রী চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. এস এম আসাদুর রহমান সেলিম, মরহুমার একমাত্র জামাতা বাংকার আক্তারুজ্জামান কাজল, প্রভাষক ও সংবাদকর্মী মো: মনিরুজ্জামান (মহসিন) ও মরহুমার অপর ভাসুরপো মো: সাইদুল ইসলাম সরদার।

নামাজে জানাযা পরিচালনা করেন উত্তর মাঘুরালী জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো: ফারুক হোসেন।
নামাজে জানাযা ও দাফনে উপস্থিত ছিলেন এমাদুল হক সরদার, আজিজুল হক সরদার, মো: হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, মো: শফিকুল আনোয়ার রঞ্জু, চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা: সাইদুল রহমান খোকা, দীপু, মুজিবর রহমান সরদার, হাবিবুর রহমান বাবলু, নজরুল ইসলাম, আলিমুজ্জামান শাহীন, তুহিন ইকবাল, রিপন সরদার প্রমূখ।
সোমবার বাদ আছর উত্তর মাঘুরালী জামে মসজিদে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাউডাঙ্গার ৪নং ওয়ার্ডে পরাজিত প্রার্র্র্র্র্র্থীর নির্বাচনী অফিস ভাংচুর এবং কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা ঝাউডাঙ্গার ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে বিজয়ী হয়েই পরাজিত প্রার্র্র্র্র্র্থীর নির্বাচনী অফিস ভাংচুর এবং কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ও খুন জখমের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোত্তালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সদরের গোবিন্দকাটি গ্রামের মৃত. বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান শেখের পুত্র আব্দুল খালেক।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমার বড় ভাই আব্দুল মালেক ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোরগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে একই গ্রামের মৃত. আজিজার রহমানের পুত্র তালা প্রতীকের প্রার্থী আজাদ হোসেনের কাছে পরাজিত হন।

আজাদ হোসেনে নির্বাচনে বিজয়ের খবর পেয়ে তার উশৃংখল কর্মী মৃত শওকত আলীর পুত্র রানা, রবিউল মিস্ত্রির পুত্র সোহাগ হোসেন, আব্দুল মজিদের পুত্র আব্দুল আলিম, রেজওয়ান সরদারের পুত্র আবু হাসান, মৃত. সিরাজ উদ্দীনের পুত্র গোলাম পরোয়ার, আহম্মদ আলীর পুত্র আবু মুছা, মৃত. শহর আলীর পুত্র ওলিয়ার রহমান, জহির উদ্দীনের পুত্র তরিকুল ইসলাম, সিদ্দিক বিশ^াসের পুত্র আজহারুল ইসলাম, জোহর আলীর পুত্র গফুর হোসেন,আবু বক্কর সিদ্দিকেরপুত্র মোস্তাফিজুর রহমান, শাওন হোসেন, মৃত. আজিজার ধাবকের পুত্র জিয়াউর রহমান,

আবু সাদেকের পুত্র রইচ উদ্দীন, আব্দুল আলিমের পুত্র বাকী বিল্লাহসহ ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গোবিন্দকাটি তিন রাস্তার মোড়ে থাকা আমাদের নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। অফিসে থাকা চেয়ার টেবিল, সহ ৪টি হ্যান্ড মাইক, ১টি মাইক সেট, ১টি সাউন্ড বক্স ভাংচুর করে গুড়িয়ে দেয়। যার মুল্য ৪লক্ষাধিক টাকা। একই দিন রাত ১০টার দিকে ভাইয়ের কর্মী আলাউদ্দীনের বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর করে, বাড়ির বিছলি গাদায় আগুন ধরিয়ে দিয়ে ক্ষতিসাধন করে। অকথ্য ভাষায় গালি গালাজসহ আমার ভাইসহ কর্মী সমর্থকদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। নির্বাচনে জয়ী হয়েই পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে নগ্ন হামলা চালিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায় আজাদ। ট্রান্সপোর্ট ব্যবসার আড়ালে ঝাউডাঙা সদরের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে প্রতি মাসে বিপুল পরিমান ফেনসিডিল, ইয়াবা ও বিদেশী মদ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে আজাদের বিরুদ্ধে। তাকে পাচারে সহযোগিতা করে আসছে একই এলাকার হাফিজুল, গোলাম, হব্বুল, ইসলাম ও নজরুলসহ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ি।

ইতিমধ্যে তিনি ২০ বিঘার ও বেশি জমি স্বনামে ও বেনামে বন্ধক রেখেছেন। দু’ স্ত্রীর জন্য মোজাইক টাইলস দিয়ে পৃথক দু’টি আলিশান বাড়ি বানিয়েছেন।

নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পুষেছেন ডজন খানিক মাদক ব্যবসায়ি, মাদক সেবী ও চোরাচালানিকে। ইতিমধ্যে ব্যাংকে জমিয়েছেন কোটিরও বেশি টাকা।

জিরো থেকে হিরো বনে যাওয়া আজাদ এক মাস আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে ভোট করার সিদ্ধান্ত নেন। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে কারণে অকারণে প্রশাসনের হয়রানির হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যাবে এটা অনুভব করেন তিনি। সে অনুযায়ী প্রায় কোটি খানেক কালো টাকা ছড়িয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। জয়ী হওয়ার প্রতিপক্ষকে দমনে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি আজাদ হোসেনসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সাতক্ষীরায় ধিক্কার মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাম্প্রতিক শারদীয় দূর্গোৎসব ও তৎপরবর্তী সময়ে সংঘটিত নারকীয় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মিথ্যাচারের প্রতিবাদে তার পদত্যাগের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও ধিক্কার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক চত্বর থেকে একটি ধিক্কার মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রাজ্জাক পার্কস্থ শহীদ মিনারের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মন্ডলীর অন্যতম সদস্য বিশ্বনাথ ঘোষের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীলের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাধা শ্যাম সুন্দর মন্দির সাতক্ষীরার অধ্যক্ষ পরমপুরুষ কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী ও সুধাংশু শেখর সরকার।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ধিক্কার মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, জয় মহাপ্রভু সেবক সংঘের সভাপতি গোষ্ট বিহারী মন্ডল, সৎ সংঘ সাতক্ষীরার সাধারণ সম্পাদক সুকৃতি রায়, ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, প্রভাষক বাসুদেব সিংহ,

সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম দাস সোনা, প্রচার সম্পাদক বিকাশ দাস, সোনাতন দাস, এড. তারক মিত্র, ডা: সুব্রত ঘোষ, বিশ্বজিত বাছাড়, অরবিন্দ মন্ডল, মিলন রায়, সুজন বিশ্বাস প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন কর্তৃক সাম্প্রদায়িক হামলার মিথ্যাচারের প্রতিবাদে তার পদত্যাগ এবং অবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন ও প্রত্যেকটি সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত বিচার দাবি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
তেল গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি। শুক্রবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা শহরের হাটের মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নিউ মার্কেট মোড় হয়ে পুনরায় হাটের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

হাটের মোড়স্থ বেসিক ব্যাংকের সামনে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী।

সমাবেশ ও মিছিলে অংশগ্রহণ করেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য শের আলী, মহিউদ্দীন সিদ্দিকি, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হেদায়েতুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু,

সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহমেদ মানিক, সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের আহবায়ক আহছানুল কাদির স্বপন, সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুল, সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক,

সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু কাউন্সিলর, সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দীন লিটন, সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মাসুম রাজ, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহবায়ক এড. ফেরদৌসী আরা লুসি, ছালেকা হক কেয়া,দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মুকুল, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সুমুনুর রহমান, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলী আহছান খান হাবলু, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম, পৌর ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইয়াছিন আলী, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিনুর রহমান কচি, আশাশুনি বিএনপি নেতা মশিউল হুদা তুহিন, কৃষকনেতা আমিনুর রহমান মিনু, আব্দুল হামিদ, শাহাদত প্রমুখ।

সমাবেশে জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী বলেন, সরকার তেল গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সামান্য উপার্জনে তাদের পক্ষে সংসার পরিচালনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তিনি অবিলম্বে তেল গ্যাস সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে মূল্যের দারিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদরের ১৩টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে কে কত ভোট পেলেন

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদরের ১৩টি ইউনিয়নের রির্টানিং অফিসারগণের দেওয়া তথ্য মতে চেয়ারম্যান পদে কে কত ভোট পেলেন। বাঁশদহা ইউনয়নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: মফিজুর রহমান (নৌকা) ৫১৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী মো: নাজমুল হাসান (মোটর সাইকেল) ৩৩৭০ ভোট পেয়েছেন। াকি পাঁচ প্রার্থী যথাক্রমে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক (টেলিফোন) ৩৩৫ ভোট, এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান (চশমা) ২০৯৪ ভোট, বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম মোশাররফ হোসেন (আনারস) ১২০৯ ভোট, মো: ময়নুর রহমান (দুটি পাতা) ২৭ ভোট ও জাতীয় পার্টির শেখ শরিফুজ্জান (লাঙ্গল) ১৫৭২ ভোট পেয়েছেন।

কুশখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এ ইউনিয়নে মুহাম্মদ আব্দুল গফফার (টেলিফোন) ৪৭২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: তাজউল ইসলাম (নৌকা) পেয়েছেন ২৭৮৭ ভোট। এ ইউনিয়নে বাকি ৯ প্রার্থী যথাক্রমে মো: আবুল কালাম আজাদ (ঢোল) ১১ ভোট, মো: ইকবাল হোসেন (টেবিলফ্যান) ১৫৯ ভোট, মো: কবির উদ্দীন মন্ডল (ঘোড়া) ৭৯ ভোট, মো: গোলাম মোস্তফা (অটোরিক্সা) ২৭০৫ ভোট, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মো: মনিরুল ইসলাম (আনারস) ২৫০৯ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো: মুনছুর আলী সরদার (লাঙ্গল) ১২৭ ভোট, মো: শফিকুল ইসলাম (রজনীগন্ধা) ১৪৬৫ ভোট, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: সাইফুদ্দীন পলাশ (চশমা)২৫৬ ভোট ও মো: হুমায়ুন কবির (মোটর সাইকেল) ২৮৫ ভোট পেয়েছেন।

লাবসা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এখানে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আলিম (আনারস) ১৭৩৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো: নজরুল ইসলাম (নৌকা) পেয়েছেন ৩৩৭৫ ভোট। এ ইউনিয়েন অপর প্রার্থী মোহাম্মাদ শাহীন হোসেন (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৯৫ ভোট।

বল্লী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এ ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সদস্য এড. মো: মহিতুল ইসলাম (আনারস) ৪৫৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রার্থী শেখ হাবিবুর রহমান (চশমা) পেয়েছেন ৪০১১ ভোট। এ ইউনিয়নের অপর দুই প্রার্থী যথাক্রমে বল্লি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: বজলুর রহমান (নৌকা) ১৭৮৭ ভোট পেয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো: খায়রুল ইসলাম (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৫৬ ভোট।

আগরদাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এ ইউনিয়নে মো: কবীর হোসেন (টেবিল ফ্যান) ৭৫৫০ ভোট, পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী থানা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো: মঈনুল ইসলাম (নৌকা) পেয়েছেন ৩৮৮০ ভোট। এ ইউনিয়নে বাকি ৫ প্রার্থী যর্থাক্রমে সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোহম্মদ লুৎফর রহমান (ঘোড়া) ৩৬৩৮ ভোট, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান মো: মজনুর রহমান (চশমা) পেয়েছেন ৩৫৮৯ ভোট, মো: নুরুল ইসলাম (আনারস) ২২৯ ভোট, শাহিদ (মোটর সাইকেল) ৩৩৬৩ ভোট ও হাবিবুর রহমান (অটোরিক্সা) পেয়েছেন ১০৮৬ ভোট।

ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান মো: আজমল উদ্দীন (নৌকা) ১০৬১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বি বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৮৪৫৯ ভোট। এ ইউনিয়নে অপর প্রার্থী জয়দেব কুমার ঘোষ (আনারস) পেয়েছেন ১৮০৭ ভোট।

ঘোনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো: আব্দুল কাদের (মোটর সাইকেল) ৪৫৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান মো: ফজলুর রহমান (নৌকা) পেয়েছেন ২৬৫০ ভোট। এ ইউনিয়নে অপর তিন প্রার্থী যর্থাক্রমে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো: কামরুজ্জামান (আনারস) ৬৯১ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক পেয়ে মো: বদরুজ্জামান (লাঙ্গল) ৫৪৩ ভোট ও সদর উপজেলার পশ্চিম জামায়াতের সেক্রেটারি মোশাররাফ হোসেন (চশমা) ১৬৮০ ভোট পেয়েছেন।
বৈকারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী আবু মো: মোস্তফা কামাল (মটর সাইকেল) ১০২৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বর্তমান চেয়ারম্যান মো: আসাদুজ্জামান (নৌকা) পেয়েছেন ১১২৫ ভোট। এ ইউনিয়নে অপর প্রার্থী জামায়াত সমর্থিত মো: জালাল উদ্দীন (আনারস) পয়েছেন ৬৯১ ভোট।

ভোমরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এ ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী (মোটর সাইকেল) ৬৫৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম (নৌকা) পেয়েছেন ৪৭০৮ ভোট। এ ইউনিয়ননের অপর তিন প্রার্থী যথাক্রামে মো: মমিমুল ইসলাম (ঘোড়া) ৮৬ ভোট, মো: সামছুল আলম (চশমা) ২০২৮ ভোট ও মো: সাহেব আলী (আনারস) ৩৮৪৯ ভোট পেয়েছেন।

শিবপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাাদক এসএম আবুল কালাম আজাদ (আনারস) ৭৪৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নকিটতম প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী (নৌকা) ৩৮১৭ ভোট। এ ইউনিয়নের অপর প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: ইমাদুল হোসেন (হাতপাখা) ৩৩৬ ভোট পেয়েছেন।

ফিংড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এ ইউনিয়নে মো: লুৎফর রহমান (আনারস) ১০১৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জামাতের মো: আজাদুল ইসলাম (চশমা) ৫৩১৯ ভোট পেয়েছেন। এ ইউনিয়নে অপর তিন প্রার্থী যথাক্রামে আওয়ামী লীগের মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান মো: সামছুর রহমান (নৌকা) ৪৯৫৮ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বেলাল হোসেন (হাতপাখা) ১৮৪ ভোট ও মো: সেলিম রেজা গাজী (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ২১৪ ভোট।

ধুলিহর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এ ইউনিয়নে মো: মিজানুর রহমান চৌধুরী (আনারস) ৮২৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান মো: মিজানুর রহমান (নৌকা) পেয়েছেন ৭০৯৩ ভোট। এ ইউনিয়নের অপর দুই প্রার্থী যর্থাক্রামে মো: ফজলুর রহমান (চশমা) ২২২ ভোট ও স. ম. মসিউর রহমান (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৬২২ ভোট।

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো: আলাউদ্দীন (নৌকা) ৭২৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান মো: শহিদুল ইসলাম (আনারস) পেয়েছেন ৩৮৫৪ ভোট। এ ইউনিয়নে অপর দুই প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: এবাদুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৪২৯ ভোট এবং থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মো: নূরুল ইসলাম (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৩৪২৪ ভোট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যানসহ ২৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালিগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে চার, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদে এক ও সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে বাইশ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নে দুইজন, কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে একজন ও কুশুলিয়া ইউনিয়নে একজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার অনুজ গাইন জানান, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মৌতলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মাহবুবুর রহমান সুমন ও আশেক মেহেদী, রতনপুর ইউনিয়নে শহিদুল ইসলাম এবং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে সেলিম আহম্মেদ তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

এবারের নির্বাচনে ১২ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬৪, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদে ১৪১ ও সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৪৪৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। আজ শুক্রবার ৬টি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে স্ব-স্ব প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এবং আগামি ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest