সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে বেলা ১২টার মধ্যেই বন্ধ কাশিমাড়ী মহিলা মাদ্রাসা !

নিজস্ব প্রতিনিধি:
করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শিক্ষা বিভাগ সকাল ৯ থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার নিদের্শনা দিয়েছেন। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সকাল ১০ টা থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করবেন তাদের জন্য দুপুর ২টা পর্যন্ত নিয়ম করা হয়েছে।

তবে ৯ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১২.১৫ মিনিটে বিশেষ কাজে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী মহিলা আলিম মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। মাদ্রাসার মূল গেটে তালা ঝুলানো রয়েছে। কোন শিক্ষক, শিক্ষার্থী কাউকে দেখা যায়নি।

প্রতিষ্ঠানের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা যদি ১টা বা ২টা পর্যন্ত থাকে তাহলে তিনি চলে যেতে পারেন না। আপনারা অপেক্ষা করেন আমি দেখছি।
স্থানীয়রা বলেন, প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান প্রায় প্রতিদিনই সকাল ৯টায় মাদ্রাসায় আসলে ১১ টা বাজার পূর্বেই আবার গেটে তালা লাগিয়ে চলে যান। শিক্ষার্থীদেরও তেমন উপস্থিতি চোখে পড়ে না। দিন দিন প্রতিষ্ঠানের লেখাপড়ার মান কমতে শুরু করেছে এ মাদ্রাসায়।

এবিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপার ভাইজার মিনা হাবিব বলেন, দুটি টাইম মেনে আমাদের এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা এবং যারা ১০টায় শুরু করবেন তাদের জন্য দুপুর ২টা। কিন্তু যদি ১২টার আগেই যদি মাদ্রাসা বন্ধ করা হয়। সে বিষয়ে অবশ্যই আমরা ব্যাখা চাইবো।

এব্যাপারে কাশিমাড়ী মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান ছিলো। অনুষ্ঠান শেষ করে দ্রুত শ্যামনগরের একটি মিটিংয়ে গিয়েছিলাম। অন্য সময় আমাদের মাদ্রাসা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম চলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পিএফজি গ্রুপের ফলোঅাপ মিটিং অনুষ্ঠিত

কা‌লিগঞ্জ প্রতিনি‌ধিঃ
কালিগঞ্জে পিএফজি গ্রুপের ফলোঅাপ মি‌টিং‌ অনুষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে। দি-হাঙ্গার প্রজেক্টের আয়োজনে ও অাই,এফ,ই,এস এর সহযোগিতায় মঙ্গলবার ‌বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব মিলনায়ত‌নে এই ফ‌লোঅাপ মি‌টিং অনু‌ষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় পেপ সমনম্নয়কারী ময়মুনা আক্তার রুবি’র সভাপ‌তি‌ত্বে ও পিএফজি গ্রু‌পের উপ‌জেলা সমন্বয়কারী সুকুমার দাশ বাচ্চুর প‌রিচালনায় এ সময় বক্তব‌্য রা‌খেন পিএফজি গ্রু‌পের সদস‌্য ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিপালী রানী  ঘোষ, (পিএফজি) গ্রু‌পের এ্যাম্বাসিডর শেখ সাইফুল বারী সফু, হাফিজুর রহমান শিমুল, মাহফুজা খানম, সদস্য এ‌্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহিম, শেখ আনোয়ার হোসেন, ইলাদেবী মল্লিক, শেখ ইকবাল আলম বাবলু, এসএম, আহম্মাদ উল্লাহ বাচ্চু, কনিকা সরকার, শম্পা গোস্বামী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সাফিয়া পারভিন, শেখ মোদাচ্ছের হোসেন জান্টু, আব্দুল করিম মামুন হাসান, শেখ আবু তাহের প্রমুখ।

মি‌টিং‌য়ে পিএফজি গ্রুপের কর্মকান্ড গতিশীল করার ল‌ক্ষে তথ্য কমিটি, অর্থ কমিটি, নারী নির্যতন দ্বন্দ নিরসন ও যোগাযোগ ক‌মি‌টি গঠন করা হয়। অনুষ্ঠা‌নের সা‌র্বিক ব‌্যবস্থাপনায় ছি‌লেন দি-হাঙ্গার প্রজেক্টের খুলনা অঞ্চলের সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার রুবিনা আক্তার ও উপজেলা সমনম্নয়কারী আনিসুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে গনমাধ‌্যমকর্মী‌দের সা‌থে চেয়ারম‌্যান প্রার্থীর মত‌বি‌নিময়

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সাথে মিডিয়াকর্মীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফুর সভাপ‌তি‌ত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু’র প‌রিচালনায় মত‌বি‌নিময় সভায় বক্তব‌্য রা‌খেন উপ‌জেলা যুবলী‌গের সভাপ‌তি ও ভাড়া‌শিমলা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হাসান নাঈম,

প্রেসক্লা‌বের সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম, হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম আহম্মাদ উল্লাহ, নির্বাহী সদস‌্য শেখ মোদা‌চ্ছের হো‌সেন জান্টু, সাংবা‌দিক শেখ অাব্দুল ক‌রিম মামুন হাসান,

শেখ অা‌তিকুর রহমান প্রমুখ। এ সময় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, অবহেলিত ভাড়া‌শিমলা ইউনিয়নকে এক‌টি ম‌ডেল ইউ‌নিয়ন হি‌সে‌বে গড়ে তোলার ল‌ক্ষে অা‌মি নির্বাচ‌নে এ‌সে‌ছি। বিগত দি‌নে যারা চেয়ারম‌্যান হি‌সে‌বে দা‌য়ি‌ত্বে ছি‌লেন।

তারা ইউ‌নিয়‌ন বা‌সির উন্নয়ন না ক‌রে নি‌জে‌দের প‌কেট ভ‌রে‌ছে। অামার প্রতিপক্ষ যি‌নি এবা‌রের নির্বাচ‌নে মা‌ঠে র‌য়ে‌ছে তার দ্বারা ইউ‌নিয়নবা‌সির উন্নয়ন কখ‌নোই সম্ভব না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের শিক্ষক নামধারী একাধিক মামলার আসামী রুহুল কুদ্দুস কর্তৃক এলাকার অসহায় মানুষকে হয়রানির প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালীতে শিক্ষক নামধারী ত্রাস সৃষ্টিকারী একাধিক মামলার আসামী রুহুল কুদ্দুস কর্তৃক এলাকার অসহায় মানুষকে তুচ্ছ ঘটনায় মারপিট ও হয়রানির প্রতিবাদে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন উপজেলার কৈখালী গ্রামের আব্দুল মুজিদের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কন্যা ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ^বিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার ।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষ। কৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মৃত এন্তাজ গাজীর পুত্র কৈখালী ইউনিয়নের ১৩২ নং সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক রুহুল কুদ্দুস এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে তুচ্ছ ঘটনায় এলাকার অসহায় নিরিহ মানুষকে মারপিট, মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। সম্প্রতি স্থানীয় দলাদলিকে প্রাধান্য দিয়ে মোজাম গাজী ও ওহেদুজ্জামান গাজীকে সাথে নিয়ে আমার চাচী রায়েবা বেগমকে বেধড়ক মারপিট করে হাতের হাড় ভেঙে দেন। এছাড়া আমার চাচাতো ভাই হাফিজুর রহমানকে তুচ্ছ ঘটনায় পিটিয়ে জখম করেন।

এ মামলায় পুলিশ রুহুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। সম্প্রতি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন শিক্ষক নামের সন্ত্রাসী রহুল কুদ্দুস। তিনি এলাকার ঘৃনিত, চিহ্নিত ত্রাস সৃষ্টিকারী ও বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী। তিনি বলেন, উক্ত সন্ত্রাসী রুহুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মানবপাচার, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

যার মামলা নং (১)- পি ৯৬/১৫ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৭/৮ ধারা। (২) শ্যামনগর থানার মামলা নং- ৩৫, তাং- ২২/১০/২১, (৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৯(৪)(খ)/৩০ যার মামলা নং পি-৩৬২/১৭। (৪) মামলা নং- ০৩, তাং- ০১/১০/২১ ইং, শ্যামনগর থানা, (৫) সি আর ৫৬৯/২১ (শ্যাম:), (৬) পিটিশন মামলা নং- ২১৫/১৫ (শ্যাম:)। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে এলাকার বহু অসহায় নিরীহ মানুষের সাথে মামলা চলমান রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রুহুল কুদ্দুস শিক্ষক হয়েও এলাকার সকল ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। তার সাথে বিরোধ হলে প্রতিপক্ষ পরিবারের নারীদের ধর্ষনের হুমকিও প্রদান করে থাকেন শিক্ষক নামধারী এই সন্ত্রাসী। বর্তমানে ওই শিক্ষক নামধারী রুহুল কুদ্দুসের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মুখে আমার পরিবারের সদস্য, আমার আতœীয়স্বজন ও স্থাণীয় এলাকাবাসী খুবই অসহায় ভাবে জীবনযাপন করছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় অবিলম্বে শিক্ষক নামধারী উক্ত সন্ত্রাসী রুহুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাকে চাকুরিচ্যুত পূর্বক এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে করোনারোধী খাওয়ার ওষুধ বাজারজাতকরণের অনুমোদন

দেশের খবর : করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে অ্যান্টিভাইরাল ওরাল পিল বা মুখে খাওয়ার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’ জরুরি বাজারজাতকরণের অনুমোদন পেয়েছে দেশের দুই শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি বেক্সিমকো ও এসকেএফ। এই মুখে খাওয়ার ওষুধ টিকার বিকল্প নয় বলেও জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, দেশে মলনুপিরাভির অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেট জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এই অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেট খেতে হবে। তবে এগুলো অবশ্যই টিকার বিকল্প নয়। টিকা নিতে হবে।

মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত দশটি প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। ইতোমধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আরও আটটি প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সেগুলো হলো- স্কয়ার, জেনারেল, বিকন, রেনেটা, ইনসেপটা, একমি, হেলথ কেয়ার, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস।

ওষুধের ব্যবহারবিধি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, মুখে খাওয়ার এই ওষুধ পাঁচ দিনের ডোজ। সকালে চারটা ট্যাবলেট আর রাতে চারটা ট্যাবলেট। পাঁচ দিনে মোট চল্লিশটা ট্যাবলেট খেতে হবে।

রেমডিসিভির প্রথম নিয়ে এসেছে। ওরাল মলনুপিরাভি দেশে প্রথম ৮ নভেম্বর বেক্সিমো অনুমোদন পায়।

ওষুধ প্রশাসন মহাপরিচালক বলেন, ট্যাবলেটটি ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে। এটি ব্যবহার করতে পারলে কোভিড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এর পরীক্ষানিরীক্ষা হয়েছে। আমাদের দেশেও হয়েছে। ফলাফলও আমরা ভালো পেয়েছি। মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি অর্ধেক কমাতে পারে এই ওষুধ। তবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শেই এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে। তবে কোন ক্রমেই আঠার বছরের নিচে এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

এর আগে ৮ নভেম্বর দেশে মলনুপিরাভির অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেটের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের দাবি, এই ওষুধ করোনাভাইরাসের বংশবিস্তার অকার্যকর করতে সক্ষম। পাশাপাশি, করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সক্ষমতা মলনুপিরাভিরের রয়েছে।

পিল প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, মলনুপিরাভির মানবদেহের প্রবেশকারী করোনাভাইরাসের জেনেটিক কোডে সমস্যা সৃষ্টি করে ভাইরাসটির বংশবৃদ্ধি প্রায় স্থবির করে দেয়। আর এর ফলেই কমতে থাকে করোনা রোগীর গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ও এ রোগে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে ১১ বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে সাত বছর এবং দুর্নীতির দায়ে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে দুটি সাজা একসঙ্গে চলার কারণে তাকে সাত বছর জেল খাটতে হবে। মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

এছাড়া একই মামলায় অপর আট আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে দুইজনকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন নিরঞ্জন সাহা ও শাহজাহান।

জালিয়াতির মাধ্যমে ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) ঋণের চার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় মানি লন্ডারিংয়ের এর দায়ে এসকে সিনহাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন আদালতের বিচারক। এছাড়া একই মামলায় দুর্নীতির দায়ে চার বছরের কারাদণ্ড দেন। দুটি সাজা একসঙ্গে চলার কারণে সাবেক এ প্রধান বিচারপতিকে সাত বছর জেল খাটতে হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

মামলায় অপর দল্ডপ্রাপ্তরা হলেন—তৎকালীন ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতি, ফারমার্স ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিটপ্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম শামীম, সাবেক ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুল হক, গুলশান শাখার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী, এস কে সিনহার কথিত পিএস রণজিৎ চন্দ্র সাহা, রণজিতের স্ত্রী সান্ত্রী রায়।

গত ২১ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক রায় প্রস্তুত করতে না পারায় আজ ৯ নভেম্বর রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। তার আগে গত ৫ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক অসুস্থ থাকায় রায় ঘোষণার তারিখ পেছানো হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়।

তদন্তের সময় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুর কারণে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ মামলার পলাতক আসামিরা হলেন- এসকে সিনহা, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী।

ফারমার্স ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর ও আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০১৯ সালের ১০ জুলাই দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে কমিশনের জেলা সমন্বিত কার্যালয় ঢাকা-১ এ এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তদন্ত করে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর চার্জশিট দাখিল করেন দুদক পরিচালক বেনজীর আহমেদ।

মামলা চলাকালে বিচারপতি এসকে সিনহাসহ চারজন পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী আইনি মোকাবিলা করেননি। পলাতক অপর আসামিরা হলেন, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, টাঙ্গাইলের রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্তি রায় সিমি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এসমেয় হালকা ঠান্ডায় খুসখুসে কাশি, সর্দিতে যা করবেন

স্বাস্থ্য ও জীবন : প্রকৃতিতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। শীতকাল এলেই অনেকের শরীরে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়। গলা খুসখুসানির পাশাপাশি শুরু হয় ব্যথা। তা ছাড়া মাথা গা-হাতেও ব্যথা-ব্যথা মনে হয়। অনেকের আবার সর্দি-কাশি দেখা দেয়। সাধারণত ঋতু পরিবর্তনের সময়েই এই সমস্যা বেশি হয়।

এ ধরনের সমস্যায় ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে ঘরোয়া কিছু সমাধান অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

হলুদ : হলুদ খুবই পরিচিত অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। এক কাপ গরম পানিতে হাফ চামচ হলুদ এবং এক চামচ লবণ মিশিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে কুলিকুচি করলে গলার সংক্রমণ কমে।

মধু : হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে তাতে কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে গলায় আরাম যেমন মেলে তেমনই গলার সংক্রমণও কমে।

কাঁচা রসুন : কাঁচা রসুনে অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ রয়েছে। গলার সমস্যা দূর করতে রসুন তাই খুবই উপকারী। রোজ সকালে খালি পেটে এক কোয়া করে রসুন খেলে শরীরে এই জাতীয় নানা সমস্যা দূর হয়৷

লবণ পানি : গলার সংক্রমণ এবং শুকনো সর্দি সারাতে লবণ পানির কোনও বিকল্পই নেই। এ সব ক্ষেত্রে লবণ পানি দিয়ে কুলিকুচি করলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনে বন্যায় মারা গেছে ৫৯০ জন

বিদেশের খবর : অস্বাভাবিকভাবে বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যায় চলতি বছরে চীনে অন্তত ৫৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ নভেম্বর) কর্মকর্তাদের বরাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানায়।

চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক উপ-মন্ত্রী ঝোও ঝুয়েন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বন্যায় ৫ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ে ৫৯০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও এতে ৩৫ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর

তিনি বলেন, অস্বাভাবিকভাবে বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যায় ২ লাখ ৩ হাজার বাড়িঘর ধসে পড়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩ হাজার ৭৬০ কোটি মার্কিন ডলার সম্পদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest