সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

বৈকারী ইউপিতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী ইউপিতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে মোটরসাইকেল প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি ৩নং বৈকারী ইউনিয়নে মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করছি। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতিকের আসাদুজ্জামান অছলে (বর্তমান চেয়ারম্যান) গত ২৭ অক্টোবর নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর আমি এবং আমার লোকজনসহ কিছু মোটর সাইকেল যোগে আমি আমার নিজ এলাকায় যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে ৩নং বৈকারী ইউনিয়ন কয়ারপাড়া নামক স্থানে পৌঁছালে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী আসাদুজ্জামান অছলে, তার ছেলে ইনজামুল হক ইনজা, জহির রহমান ওরফে হৃদয় নেতৃত্বে আতাউর রহমান, ওয়াদুদ, আসাবুর রহমান, সোহাগ, আলম, শহিদুল ইসলাম, আনছার আলী, কালু, পুটি মাস্টার, মিলন, রিপন, সেলিম, বাবু, দুখে, রফিকুল, রেজাউল, হাসানসহ অজ্ঞাতা নামা আরও অনেকেই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আমার পথরোধ করে আমার লোকজনের উপর রড, বাঁশের লাঠি, দা, হকিষ্টিক সহ দেশীয় অস্ত্র অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে আমার ১০-১২ জন কর্মী সমর্থরা গুরুতর আহত হয়। এদের দুইজনের অবস্থা গুরুতর। এ সময় তারা ১০টি মটর সাইকেল ভাংচুর ও একটি মোটর সাইকেল ছিনতাই করে। অথচ তারা উল্টো আমারসহ আমার লোকজনের নামে মিথ্যা সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানি ও নির্বাচন বানচাল করার পায়তারা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ইং ৩১ অক্টোবর আসাদুজ্জামান অছলের নির্দেশে উক্ত ব্যক্তিরা বৈকারী বাজারে আমার নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, নিজস্ব কার্যালয় ভাংচুর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর লুটপাট ও কর্মী আব্দুস সালেকের মুরগির দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করিয়া সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে।

তারা এখনও আমার ও আমার কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা সৃষ্টি করছে। পোস্টার, ব্যানার ছিড়িয়া ফেলছে। গত ইং ০৫ নভেম্বর খলিলনগর মহিলা মাদ্রাসার মোড়ে পোস্টার টানানোর সময় আমার কর্মী আমিনুর রহমান, রায়হা ও ইসারাইলদেরকে বেদম মারপিট করে গুরুতর আহত ও হুমকি প্রদর্শন করে বলে পুনরায় যদি পোস্টার টানাতে দেখি তাহলে জীবনে শেষ করে ফেলবো। তিনি আরো বলেন, গত ০৫নভেম্বর দিবাগত রাত ১১ ঘটিকার সময় আসাদুজ্জমানের উক্ত সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের টানানো পোস্টারগুলি ছিড়িয়া ফেলে এবং আমার কর্মী সিরাজুল ময়রাসহ অনেকের বাড়িতে যাইয়া হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া বলে যে নৌকায় ভোট না দিলে ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হবে না। তারা এভাবে প্রকাশ্যে জনসভায়ও হুমকি প্রদর্শন করছে।

তিনি বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামার অছলে দলীয় ক্ষমতা ও চেয়ারম্যানী ক্ষমতা অপব্যবহার করিয়া দুর্নীতি, চাঁদাবাজী, স্বর্ণপাচার, নারী পাচার, অস্ত্র ব্যবসা, কালোবাজারী, হুন্ডি ব্যবসা করিয়া ২০১৩ সাল হইতে ২০১৮ সালের মধ্যে জিরো থেকে কোটি কোটি টাকার গাড়ী, বাড়ী, জমি জমা ও স্বর্ণালংকারের মালিক হইয়া দেমাগ অহংকারে এলাকার জনগণের জীবন অতিষ্ট করিয়া তুলিয়াছে। অছলে এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপটে এলাকার সাধারণ মানুষ কোন কথা বলিতে সাহস পায় না।

তার কথা না শুনলে হামলা-মামলা দিয়ে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের হয়রানি করে। অছলের দুই সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ পুত্র ইনাজামামুল (ইনজা) ও জহির রহমান (হৃদয়) তারা তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা সর্বদা মানুষের উপর জুলুম, নির্যাতন ও মারধর করে থাকে। তাদের কারণে এলাকার মানুষ স্বস্তিতে বসবাস করতে পারে না। এছাড়া তার ভাইয়েরাও সর্বদা মানুষের উপর গালিগালাজ, মারধর, জমি জবর দখল, মাদক ব্যবসা, অস্ত্র ও চোরাকারবারী ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত।

তারা নিজেদের ইচ্ছামত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাই। চেয়ারম্যান অছলের উক্তি ‘আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আমি যেটা বলবো সেটাই হবে, যে ‘আমার বিরুদ্ধে যাবে আমি তার হাড়-গোড় ভেঙে ফেলব’। এমন ভাষায় সর্বদা আস্ফালন করে বেড়ায়।

সকল রকম রীতি নীতি ও আইন এবং নির্বাচনী অধ্যাদেশ উপেক্ষা করে নৌকার প্রার্থী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে, যাতে প্রতিপক্ষ চেমারম্যান প্রার্থী নির্বাচনী কাজ করিতে না পারে। নির্বাচনী মাঠের অবস্থা অসহনীয় এবং ভয়াবহ। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় সাতক্ষীরা জেলা রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাচন অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নিকট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের এবং তার ও তার কর্মী সমর্থকদের জীবনের নিরাপত্তার দাবী জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবসের র‌্যা‌লি ও অা‌লোচনা সভা

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
“বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কালিগ‌ঞ্জে ৫০ তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপনে র‌্যা‌লি ও আলোচনা সভা অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে।

উপ‌জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভা‌গের অা‌য়োজ‌নে শ‌নিবার বেলা ১০টায় এক‌টি বর্ণাঢ‌্য র‌্যা‌লি উপ‌জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদ‌ক্ষিণ শে‌ষে জাতীয় পতাকা ও সমবা‌য়ী পতাকা উত্তোলন ক‌রা হয়। পরবর্তী‌তে উপজেলা পরিষদ অ‌ডি‌টো‌রিয়া‌মে অা‌লোচনা সভার শুরু‌তে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা খান তৈ‌য়েবুর রহমান।

উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার র‌বিউল ইসলা‌মের সভাপ‌তি‌ত্বে অা‌লোচনা সভায় প্রধান অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান সাঈদ দে‌হেদী। বন্ধন সমবায় সমিতির নির্বাহী পরিচালক আলমগীর হোসে‌নের পরিচালনায় এসময় অা‌রো বক্তব‌্য রা‌খেন প্রেসক্লা‌বের সহ-সভাপ‌তি শেখ অা‌নোয়ার হো‌সেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, কা‌লিকাপুর একতা সমবায় স‌মি‌তির সভাপ‌তি ফারুক হো‌সেন, প্রত্যয় সমবায় স‌মি‌তির নাজমুৃল হুদা প্রমুখ।

উপ‌জেলা সমবায় দপ্ত‌রের অ‌ফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর অাব্দুস শুকুর খা‌নের সা‌র্বিক সহ‌যো‌গিতায় অনুষ্ঠা‌নে প্রায় দুই শতা‌ধিক সমবায়ী উপ‌স্থিত ছি‌লেন। অনুষ্ঠান শে‌ষে ১৪‌টি সমবায় সমিতিকে ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা 
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা  ঃ দেবহাটার নারিকেলীতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সখিপুর ইউনিয়নে নারিকেলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলায় ২টি দল অংশ গ্রহন করে। যার মধ্যে উপজেলার টাউনশ্রীপুর দলের নেতৃত্ব দেন রিয়াসাত আলী এবং চিনেডাঙ্গা দলের নেতৃত্ব দেন বক্কার গাজী।
স্থানীয় কালিপদ সরদারের উদ্যোগে এ খেলাটি বিভিন্ন বয়সী মানুষ উপভোগ করে। খেলায় উপস্থিত ছিলেন সরকারি খান বাহাদুর আহসানউল্লা কলেজের প্রভাষক আবু তালেব, ইউপি সদস্য জগন্নাথ মন্ডল, সহ স্থানীয় জনসাধারণ।
খেলায় চিনেডাঙ্গা দল জয়লাভ করে। এছাড়া খেলা চলাকালে টাউনশ্রীপুর দলের অধিনায়ক রিয়াসাত আলী আহত হন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৫০তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

আসাদুজ্জামান : ৫০তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২১ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় “বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগ সাতক্ষীরা’র আয়োজনে শনিবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলা মিলনায়তনে উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন,“ বঙ্গবন্ধু সকলকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার জন্য সমবায় প্রতিষ্ঠাতা করেছিলেন। সাতক্ষীরায় সমবায় সমিতির মাধ্যমে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছে। অনেক দূর্বার গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. আসাদুজ্জামান বাবু ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলার সমবায় কার্যক্রমের উপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা খোন্দকার মনিরুল ইসলাম।

সমবায়ীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মমতাজ বেগম, রাম প্রসাদ ঢালী, মোখলেছুর রহমান প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান ও সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. সফিউল আজম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সমবায় অঙ্গণে যুযোপযোগি বিশেষ ভূমিকা রাখায় সদর উপজেলার ৩টি সমবায় সমিতিকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। আলোচনা সভার শুরুতে জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন অতিথিবৃন্দ।

আলোচনা সভায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৫০টির অধিক সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ, জেলা ও উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিঃ এর সহ-সভাপতি হেনরী সরদার।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ নভেম্বর সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী দিবসের ডাকে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে রুখতে ৬ নভেম্বর সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী দিবসের ডাকে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির আয়োজনে শহরের নাজমুল স্মরণীস্থ পার্টির নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, জেলা পার্টির সভাপতি অধ্যাপক মহিবুল্লাহ মোড়ল।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় পলিট ব্যুরোর সদস্য তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।

পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক এ্যাড ফাহিমুল হক কিসলুর সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, কলারোয়া উপজেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মাস্টার, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সদর উপজেলা সভাপতি কমরেড স্বপন কুমার শীল প্রমুখ।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিনি মার্কেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

উপস্থিত ছিলেন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ময়নুল হাসান, আবেদুর রহমান, অজিত কুমার রাজবংশী, জেলা কমিটির সদস্য সরদার রফিকুল ইসলাম, জলিল মোড়ল, মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, হিরন্ময় মন্ডলসহ তালা-কলারোয়া ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে বার বার হামলা, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ হত্যার মত অপরাধ সংঘটিত হলেও বিচার হচ্ছে না।

অপরাধীরা প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই দেশে বার বার এধরনের ন্যাক্কার জনক হামলা ঘটেই চলেছে। সম্প্রতি কুমিল্লার পুজা ম-পের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে পুজা ম-প, মন্দির এবং বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়েছে। ওই সব ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার আইনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান করার দাবি জানান বক্তারা।
এছাড়া ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে মসজিদ ও বাড়িঘর ভাংচুর করা হচ্ছে। এরও তীব্র নিন্দা জানান।
বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা দিতে হলে অবশ্যই ৭২ এর সংবিধানে ফিরে আসতে হবে। ৭২ এর সংবিধান বাস্তবায়ন ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। হামলায় ক্ষতিগ্রস্থদের দ্রুত ক্ষতি পূরন দেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে পাকিস্তানে সিনেমা!

বিনোদন ডেস্ক : বেশ অবাক করা ব্যাপারই বটে৷ পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাধীনতার এত বছর পরও সম্পর্কটা খুব একটা উষ্ণ নয়৷ নানা ইস্যুতে এখনো মতের অমিল দেখা যায় দুই রাষ্ট্রে। এখনো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে খুব একটা ভালো চোখে দেখেন না পাকিস্তানিরা৷

সেই দেশেই কিনা নির্মিত হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সিনেমা! স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি বাংলাদেশিদের নজর কেড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় এসেছে।

আগামী ১৯ নভেম্বর পাকিস্তানে মুক্তি পাবে ‘খেল খেল ম্যায়’ নামের একটি চলচ্চিত্র। পাকিস্তানের বাণিজ্যিক ধারার এই সিনেমায় প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সজল আলী ও বিলাল আব্বাস খান। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন পাকিস্তানের খ্যাতনামা নির্মাতা নাবীল কুরেশি।

এর গল্প লিখেছেন ফিজা আলি, মীর্জা ও নাবীল কুরেশি।

৩০ অক্টোবর সিনেমাটির প্রথম টিজার প্রকাশ পায়। যা দেখে আঁচ করা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরের ইতিহাস নিয়ে অন্যরকম একটি সিনেমা মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের খবর, ‘খেল খেল ম্যায়’ সিনেমায় দুটি প্রজন্মকে দেখানো হয়। একটি প্রজন্ম যারা বাংলাদেশির বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালিয়েছিল। এরপর পাকিস্তানে বাংলাদেশিদের নিয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্ম মিথ্যাচার চালানো হয়েছে।

বর্তমান প্রজন্ম আসল সত্যটা জানতে চায়। তারই চিত্র ফুটে উঠবে সিনেমায়।

সিনেমাটির বেশ কিছু দৃশ্যধারণ হয়েছে ঢাকাতে।

সিনেমাটির টিজার :

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না রাখার চিন্তা করছে আ. লীগ

রাজনীতির খবর : স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক প্রশ্নে দলের শীর্ষ নেতাদের আবারও মতামত নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২৫ অক্টোবর আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) প্রতীক নিয়ে নতুন করে মতামত গ্রহণ করা হয়। সভায় বেশিরভাগ সদস্য ইউপি নির্বাচনে প্রতীক না রাখার ব্যাপারে পরামর্শ দেন।

২৫ অক্টোবরের মনোনয়ন বোর্ড সভায় দলের সভাপতিমণ্ডলী ও মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম তার নির্বাচনি আসন গোপালগঞ্জ-২-এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, একজনকে মনোনয়ন দিলে অন্যজন কষ্ট পান। তাতে সংসদ সদস্য হিসেবে আমার বিব্রত হতে হয়। উন্মুক্ত রাখা হলে এই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না।

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও নৌকার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারাও। এর বিরুদ্ধে কেন্দ্র থেকে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও বিদ্রোহী দমনে ব্যর্থ হচ্ছ দলটি। এই ইস্যুটি মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সামনে উপস্থাপন করেন। কয়েকজন সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে অন্তত প্রতীক না রাখতে পরামর্শ দেন।

প্রধানমন্ত্রী জানতে চান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক রাখা না রাখার সুফল ও কুফল। ২৫ অক্টোবরের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় উপস্থিত সদস্যরা সুফল ও কুফল তুলে ধরেন।

আওয়ামী লীগ সূত্রগুলো বলছে, বেশিরভাগ সদস্য বক্তব্যে নেতাদের অসুবিধার মুখোমুখি হতে হচ্ছে এমনটা তুলে ধরেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা বলেন, তৃণমূলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। দেশে প্রায় ৬ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এই ভোট প্রতীক বাদ দিয়ে করলে বিদ্রোহী প্রার্থীমুক্ত থাকতে পারবে আওয়ামী লীগ। কোন চেয়ারম্যান প্রার্থী যোগ্য-অযোগ্য সেটা স্থানীয় জনগণই নির্বাচন করবে। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্যরা নির্ভার থাকতে পারবেন। এখন জেলা-উপজেলা ও সংসদ সদস্যদের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্রে করে যে বেগ পেতে হয় সেটা আর থাকবে না।

সভায় উপস্থিত থাকা নেতারা আরও জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হয়তো আগের মতো প্রতীক ছাড়া করার সিদ্ধান্তে আসতে পারে আওয়ামী লীগ। এছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্য নির্বাচনগুলো, যেমন- পৌরসভা মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও সিটি করপোরেশন মেয়র প্রতীক রেখেই হতে পারে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ বলেন, মনোনয়ন বোর্ডের সর্বশেষ সভায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক রাখা হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা সবার মতামত নিয়েছেন।

দলের অপর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, শুধু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক নিয়ে আমরা কিছু আলোচনা করেছি মনোনয়ন বোর্ডের সভায়। তবে আমি মনে করি, ইউনিয়ন পরিষদে প্রতীকের ভোটে আমরা ভালো করছি।

তিনি বলেন, প্রতীকে নির্বাচন নতুন হওয়ায় কিছু সমস্যা হচ্ছে। তবে পদ্ধতিটা স্থায়ী হয়ে গেলে সমস্যাগুলোও কেটে যাবে।

২০১৬ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন প্রণয়নের মধ্য দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতীক ব্যবহার করে আসছে রাজনৈতিক দলগুলো। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক ব্যবহার নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ভেতরেই অস্বস্তি রয়েছে। এই নিয়ে স্থানীয় নেতাদের বিপাকেও পড়তে হচ্ছে। প্রতীক একজনকে দিলে আর একজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। এতে দলীয় শৃঙ্খলা যেমন নষ্ট হয়ে পড়ছে, তেমনি তৃণমূল রাজনীতিতে বিভেদ-বিভাজনও সৃষ্টি হচ্ছে। দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে। হাজার হাজার নেতাকর্মীর মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাহরুখপুত্রকে গ্রেপ্তার করা সমীর দায়িত্ব হারালেন

বিনোদন সংবাদ : বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানের মাদক মামলার প্রধান তদন্তকারীর দায়িত্ব হারিয়েছেন ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) আঞ্চলিক পরিচালক (মুম্বাই প্রধান) সমীর ওয়াংখেড়ে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, এনডিটিভিসহ একাধিক ভারতীয় শীর্ষ গণমাধ্যমের খবর, শুক্রবার আরিয়ানসহ পাঁচটি হাইপ্রোফাইল মাদক মামলা দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে বলিউড মাদককাণ্ডে আলোচিত এই কর্মকার্তাকে। এই মামলার দায়িত্ব পেয়েছেন এনসিবির দিল্লির বিশেষ টিম; যার প্রধান সঞ্জয় সিং।

এনসিবির ডেপুটি ডিরেক্টের জেনারেল মুথা অশোক জৈন জানিয়েছেন, সমীর ওয়াংখেড়ে এনসিবির আঞ্চলিক পরিচালক পদে থাকবেন এবং অন্য সকল মামলা দায়িত্ব পালন করবেন।

মাদককাণ্ডে দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টা জেরার পর ৩ অক্টোবর বিকেলে আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার দেখায় এনসিবি। এরপর থেকে নতুন করে আলোচনায় আসেন সমীর ওয়াংখেড়ে। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে মামলা মিমাংসা, অর্থের বিনিময়ে সাক্ষী জোগাড়, জাল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে চাকরি নেওয়াসহ একাধিক অভিযোগ উঠে। যার মধ্যে ঘুষ লেনদের ব্যাপারে তদন্ত চলছে।
এনসিবির মুম্বাই অফিসে আরিয়ান খান। ছবি : সংগৃহীত

এই প্রসঙ্গে সমীর ওয়াংখেড়ের ভাষ্য, ‘তদন্তকারী দল থেকে আমাকে অপসারিত করা হয়নি। আদালতেই রিট পিটিশনে জানিয়েছিলাম যে এই তদন্তভার কেন্দ্রীয় টিমের হাতে তুলে দেওয়া হোক। এবার থেকে আরিয়ান খান কেস এবং সমীর খান কেস দিল্লি এনসিবির বিশেষ দলের দায়িত্বে থাকবে। এটা এনসিবির দিল্লি ও মুম্বাই টিমের মধ্যেকার সমঝোতা’।

এর আগে মুম্বাই পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সমীর ওয়াংখেড়ে লিখেছেন, উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চাকরিচ্যুত করা ও গ্রেপ্তার হওয়ার হুমকি পেয়েছেন তিনি। তাঁকে বাজে উদ্দেশ্যে ফাঁসানো হতে পারে আশঙ্কা করে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নিতে মুম্বাইয়ের শীর্ষ পুলিশকর্তার কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে নিরাপত্তা দেওয়ার অনুরোধও করেন সমীর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest