সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

আলোকিত সমাজের জন্য শুদ্ধাচার চর্চা চালিয়ে যেতে হবে-সাতক্ষীরায় ‘সুজন’ এর নাগরিক সংলাপে বক্তারা

আসাদুজ্জামান : সততা ও ন্যায়নিষ্ঠতার ভিত্তিতে সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য শুদ্ধাচার চর্চা করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং সামাজিক অনিয়ম ও বিশৃংখলা দূর করে একটি আলোকিত সমাজ গঠন করা সম্ভব। এই লক্ষ্যে সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি করে শুদ্ধাচার চর্চায় আরও মনোযোগী হতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে এই আহবান জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, শিশুদের জন্ম থেকেই শুদ্ধাচার সম্পর্কে ধারনা দিতে হবে। তাদের বেড়ে ওঠার সাথে সাথে সামাজিক পরিমন্ডলে শুদ্ধাচারের প্রয়োগ করতে হবে। নিজ পরিবার থেকে শুরু করে স্কুলকলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয়ে পেশাগত জীবনে পৌছে সততা, নিয়মানুবর্তিতা, ন্যায়নিষ্ঠতা এবং মানবিকতার পরিচয় দিতে হবে।

যেকোন ধরনের দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
জেলা ‘সুজন’ এর সহসভাপতি অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, দূর্নীতি সবসময় দ্বিপাক্ষিক। একপক্ষ আরেক পক্ষকে প্রলুব্ধ করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সবারই সচেতনতা দরকার। তিনি বলেন, দূর্নীতি সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে এবং শুদ্ধাচার বিরোধী কাজকর্মও করছে অনেকে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আরও বেশী সচেতনভাবে জনমুখী সামাজিক আন্দোলন তৈরী করতে হবে।
নাগরিক সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন ‘সুজন’ এর খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, মঞ্জুর হোসেন, অধ্যাপক হেদায়েতুল ইসলাম, এ্যাড. শাহনাজ পারভিন মিলি, এ্যাড. শেলিনা আক্তার শেলী, স্বদেশ পরিচালক মাধব দত্ত, এ্যাড. এবিএম সেলিম, সাকিবুর রহমান সাকিব, আব্দুল ওহাব, অধ্যাপক মাহমুদা খাতুন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকায় সন্তান জন্ম দিলেন প্রতাপনগরের এক মা

আসাদুজ্জামান : ঘরবাড়ি হারিয়ে নৌকার উপর সাত সদস্যের পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন সাতক্ষীরার উপকুলীয় এলাকার ইয়াকুব আলী। খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত গোটা এলাকা। ভাঙনের কবলে ঘরবাড়িও বিলীন হয়ে গেছে পরিবারটির। নিরুপায় হয়ে বসবাস করছেন মাছ ধরা নৌকার উপর। সেখানেই সন্তান জন্ম দিয়েছেন ইয়াকুবের স্ত্রী মিনারা খাতুন। শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ও আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের বন্যতলা ভাঙন কবলিত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৎস্যজীবী ইয়াকুব আলী জানান, আমি নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। বন্যতলা এলাকায় বাঁধ ভেঙে সব নদীতে চলে গেছে। ১৫ দিন আগে ঘরবাড়িও চলে যায় নদীগর্ভে। তারপর সাত সদস্যের পরিবার নিয়ে মাছ ধরা নৌকাটির উপর বসবাস করছি। স্ত্রী মিনারা খাতুন গর্ভবতী ছিল। যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় কোন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে পারিনি। বুধবার রাতে ছেলে সন্তানের জন্ম হয়েছে। মা-ছেলে দুইজনই সুস্থ রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নদীর ভেঁড়িবাঁধ ভেঙে বাস্তুচ্যুত হয়ে গেছি। যারা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল তারা অন্যত্র চলে যাচ্ছে। আমাদের যাওয়ার মত জায়গা নেই। কি করবো ?

প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, নৌকার উপর সন্তানের জন্ম হচ্ছে তবে উপলব্ধি করুন মানুষ কতটা কষ্টে রয়েছে। বন্যতলা বেঁড়িবাঁধ ভেঙে পুরো এলাকা প্লাবিত। বন্যতলার ওই এলাকাটি প্রতাপনগর ইউনিয়ন ও শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা। লোকালয় দিয়েই জোয়ারভাটা খেলা করছে। বসতভিটা হারিয়েছে হাজারো মানুষ। বাধ্য হয়েই কেউ বেড়িবাঁধের উপর কেউবা নৌকায় বসবাস করছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৯ নয় ৩২ বছর বয়সে তালা ছাত্রলীগের সভাপতি হলেন মিলন!

অনলাইন ডেস্ক :
বয়স জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হলেন মিলন কুমার রায়ের বিরুদ্ধে।

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক স্বাক্ষরিত তালা উপজেলা কমিটি ঘোষনা করার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে নেতাকর্মীদের মধ্যে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ভোটার তালিকা, জন্মনিবন্ধন ও যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী মিলন কুমার রায়ের জন্ম তারিখ ১৫.১১. ১৯৮৯ সাল। সে মোতাবেক তার বর্তমান বয়স ৩২ বছর। অথচ ২৯ বছর বয়স দেখিয়ে তিনি তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিলন কুমার রায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তালা বি.দে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৩.০০ গ্রেড পেয়ে এসএসসি পাশ করেন। তার যশোর বোর্ডের রোল নম্বর- ১১৮৬০৪। সেখানে তার জন্ম সাল উল্লেখ করা আছে ১৫ নভেম্বর ১৯৮৯ সাল। তালার ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদে মিলন কুমার রায়ের জন্মনিবন্ধন রেজিষ্টার অনুযায়ী তার জন্ম ১৫ নভেম্বর ১৯৮৯ সাল। যা ইউনিয়ন জন্মনিবন্ধন বই নং ৪ এবং বিগত ইং ০৫-০৬-২০০৭ তারিখে নিবন্ধন করা হয়। এছাড়া মিলন কুমার রায়ের ভোটার তালিকা ও এন আইডি কার্ডেও একই জন্ম তারিখ ও সাল দেয়া আছে। সে অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ৩২ বছর। কিন্তু সম্পতি তালা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ পেতে তিনি নির্বাচন অফিস থেকে বয়স কমিয়ে ১৫-১১-১৯৯২ সাল করেছেন।

এন আইডিতে বয়স কমানোর/সংশোধনের আবেদন নম্বর-NIDCA3898216)। এরমধ্যে গত ২৬ অক্টোবর) সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম আশিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তালা উপজেলা ছাত্রলীগের ২২ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন। ওই কমিটিতেই বয়স জালিয়াতি করে মিলন কুমার রায় সভাপতি পদ পেয়েছেন। নিয়ম অনুযাযী ছাত্রলীগের কমিটিতে স্থান পেতে সর্বশেস বয়স হতে হবে ২৯ বছর।


এ বিষয়ে কথা বলতে মিলন কুমার রায়ের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারটি স্থায়ীভাবে বন্ধ পাওয়া যায়।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম আশিকুর রহমান বলেন, ‘মিলন কুমার রায়ের বয়সের বিষয়টি শুনে আমরা নির্বাচন অফিসে আগেই খোঁজ নিয়েছিলাম। নির্বাচন অফিস থেকেই জানা গেছে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী বয়স সঠিক আছে’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমার কাছে এলে নাসিরকে ২ বাচ্চার মার কাছে ধরা খেতে হতো না : সুবাহ

বিনোদন সংবাদ : “সেদিন যদি তুমি একটা বার আমার কাছে চলে এসে সবকিছু ঠিক করে নিতে, তাহলে হয়তো আজ তামিমার মতো ২ বাচ্ছার মার কাছে তোমার ধরা খেতে হতো না। আর ধরা খেয়ে এইভাবে কোটে কোটে টাকা খরচ করে জামিন নিতে হতো না। তুমি মুখে যতই হাসো কিন্তু তোমাকে দেখলেই আমি বুঝতে পারি তুমি ভালো নেই।”

ক্রিকেটার নাসিরের সাবেক প্রেমিকা ও ‘চিত্রনায়িকা’ হুমায়রা সুবাহ বুধবার সকালে নিজের ফেসবুকে এসব লিখেছেন। সম্প্রতি সুবাহ পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছেন। সেখান থেকেই নাসিরকে নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন তিনি।

নাসিরকে অপমানিত হতে দেখে খারাপ লাগছে সুবাহর এমনটাই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তোমাকে এভাবে অপমানিত হতে দেখে আমার খুব খারাপ লাগছে। এখনো তোমার জন্য তোমার নাম জড়িয়ে আমাকে অনেকেই কমেন্ট করে তোমার নাম লিখে অথচ তুমি এখন অন্য কাউকে নিয়ে আছো।’

সুবাহ লিখেছেন, তোমার সাথে যত কিছুই হোক না এক দিনের জন্য হলেও তো তোমাকে ভালোবেসেছিলাম তাই যখন দেখি তোমার ক্যারিয়ার নিয়ে তোমার চিন্তা-ভাবনা নেই উল্টা এইসব নিয়ে দৌঁড়াচ্ছ তা দেখে খুবই দুঃখ পাই। হয়তো ২/৩ বছরের মধ্যে বিয়ে করে ফেলবো আর অবশ্যই তোমার মতো আমার হাজব্যান্ড হবে না তোমার থেকে অবশ্যই ভালোই হবে হয়তো টাকা কম থাকতে পারেন তার!

শুভ কামনা জানিয়ে সুবাহ লিখেছেন, ‘আমার জন্য তুমি দোয়া করো। তোমার জন্য শুভকামনা রইল আশা করি সবকিছু বাদ দিয়ে আবার নতুন করে জাতীয় দলে ফিরে আসবে ভালো থেকো সব সময়।’

২০১৯ সালে সুবাহ রফিক সিকদারের ‘বসন্ত বিকেল’ চলচ্চিত্রের মহরত থেকে আলোচনায় আসেন। এরপর চলচ্চিত্রাঙ্গনের মানুষেরা সুবাহকে চেনেন। এরপর একে একে ৬ টি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন সুবাহ। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো ছবিই মুক্তি পায়নি। তবে আলোচনার তুঙ্গে উঠে আসেন তিনি।

খোলা চিঠিতে ক্রিকেটার নাসিরকে যা বললেন তার সাবেক প্রেমিকা

প্রিয় এক্স,

তুমি কী জানো, সেদিন যদি তুমি একটা বার আমার কাছে চলে এসে সবকিছু ঠিক করে নিতে, তাহলে হয়তো আজ তামিমার মতো ২ বাচ্চার মার কাছে তোমার ধরা খেতে হতো না!

আর ধরা খেয়ে এইভাবে আদালতে আদালতে টাকা খরচ করে জামিন নিতে হতো না। তুমি মুখে যতই হাসো কিন্তু তোমাকে দেখলেই আমি বুঝতে পারি তুমি ভালো নেই।

তোমাকে এভাবে অপমানিত হতে দেখে আমার খুব খারাপ লাগছে। এখনো তোমার জন্য তোমার নাম জড়িয়ে আমাকে অনেকেই কমেন্ট করে তোমার নাম লিখে অথচ তুমি এখন অন্য কাউকে নিয়ে আছো!

তোমার সাথে যত কিছুই হোক, এক দিনের জন্য হলেও তো তোমাকে ভালোবেসেছিলাম। তাই যখন দেখি তোমার ক্যারিয়ার নিয়ে তোমার চিন্তা-ভাবনা নেই উল্টা এইসব নিয়ে দৌড়াচ্ছ তা দেখে খুবই দুঃখ পাই।

হয়তো ২/৩ বছরের মধ্যে বিয়ে করে ফেলবো। আর অবশ্যই তোমার মতো আমার স্বামী হবে না। তোমার থেকে অবশ্যই ভালোই হবে। হয়তো টাকা কম থাকতে পারেন তার!

আমার জন্য তুমি দোয়া করো।

তোমার জন্য শুভকামনা রইল। আশা করি, সবকিছু বাদ দিয়ে আবার নতুন করে জাতীয় দলে ফিরে আসবে। ভালো থেকো সব সময়।

ইতি, তোমার সবচেয়ে অপছন্দের ব্যক্তি সুবাহ

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভায় স্যানিটেশন ব্যবসায়ীদের ফলোআপ প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার স্যানিটেশন ব্যবসায়ীদের কারিগরী দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক ফলোআপ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

৩ নভেম্বর বুধবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স রূমে অনুষ্ঠেয় প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন আশা’র জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণ প্রদান করেন অত্র সংস্থার সাতক্ষীরা ফিল্ড অফিসের টাউন কো-অর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার ও প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম খান।
প্রশিক্ষণের প্রথম অংশে ব্যবসার বর্তমান অবস্থা বর্ণনা, চ্যালেজ্ঞ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

পণ্য উৎপাদনে নিরাপত্তা ও পণ্য উৎপাদনে কোন সময় কী কী নিরাপত্তা পালন করতে হবে তথা গামবুট, হ্যান্ড গ্লোভস ও হেলমেট পড়াসহ, গুণগতমানের পণ্য উৎপাদন করার জন্য কী কী উপকরণ লাগবে, উপকরণগুলোর নাম ও কীভাবে গুণগতমান নিশ্চিত করা যাবে সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষনের দ্বিতীয় অংশে গুণগতমানের বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন ও মান বিষয়ক বিস্তারিত বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। স্যানিটেশন ব্যবসায়ীরা সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের উপযোগী বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন বষয়ক কারিগরী দক্ষতা লাভ করেন। প্রশ্ক্ষিণে অংশগ্রহণ ও প্রশিক্ষণ পরবর্তী সময়ে গুনগতমানের পন্য ও সেবা বিষয়ক বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক এম. বেলাল হোসেন।
প্রশিক্ষণে সানিটেশন ব্যবসায়ী মোঃ আল আমিন, আব্দুল আলিম, নূর মোহাম্মদ, মোঃ রাসেল, মোছাঃ সালমা খাতুন, ফরিদা খাতুন, মনিরা পারভীন, মোঃ আনারুল ইসলাম, মোঃ হাতেম চ্যামেলিসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতাসংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মানবৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে। সমগ্র প্রশিক্ষণ সেশন ব্যবস্থাপনা করেন অত্র সংস্থার মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬ রাউন্ড গুলি ও ৬ টি দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ০১

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলকা থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬ রাউন্ড গুলি ও ৬ টি দেশীয় অস্ত্রসহ এক সন্ত্রাসীকে আটক করেছে র‌্যাব। বুধবার বিকালে রসুলপুর খাঁ পাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃতের নাম আলিফ খান (২৩)। তিনি সাতক্ষীরা শহরের ছেলে রসুলপুর খাঁ পাড়া এলাকার আলাউদ্দীন খানের ছেলে।
র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর এম রিফাত বিন আসাদ জানান, সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর খাঁ পাড়াস্থ জনৈক আলাউদ্দীন খান এর বসত বাড়িতে প্রচুর পরিমানে মাদক রয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে পালানোর চেষ্টাকালে আলাউদ্দীন খানের ছেলে আলিফ খানকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে দুটি ওয়ান শুটার গান, একটি পাইপ গান, ৬ রাউন্ড শর্টগানের গুলি, দুটি চাপাতি, দুটি হাসুয়া ও দুটি চাকু জব্দ করা হয়।
র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরো জানান, আটক আলিফ খানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্ত করা হয়েছে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইউএনওর অসৌজন্য ও অপমানজনক আচরণ : শিল্পকলার সহ-সভাপতি লিপির পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অসৌজন্য মূলক ও অপমান জনক আচরণে ব্যথিত হয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহ-সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন নাসরীন খান লিপি।

৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি জেলা প্রশাসক বরাবর এ পদত্যাগ পত্র প্রেরণ করেন তিনি।

পদত্যাগের বিষয়ে নাসরীন খান লিপি বলেন, ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় “বর্ডার ৭১” নাট্যানুষ্ঠান শুরুর পূর্বে অনুষ্ঠান স্থলে চেয়ারে বসা ছিলাম। এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমাতুজ জোহরা আমার বসা চেয়ারটি ছেড়ে অন্য একটি চেয়ারে গিয়ে বসতে বলেন। নাট্যানুষ্ঠানটি সফল করার জন্য আমি নিরবে মাঠের কোনায় গিয়ে বসি। ওই ঘটনায় আমি আজ একটি পদত্যাগপত্র লিখে শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সাহেবের হোয়াটার্সএ্যাপে পাঠিয়েছি। তিনি আমাকে চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছিলেন। সেখানে গেলে ডিসি সাহেবের কথায় ইউএনও সাহেব আমাকে সরি বলেছেন। আমি বলেছি ঠিক আছে। কিন্তু পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করতে হবে। আমি পদত্যাগ পত্র আর ফেরত নিতে পারবো না। আগামী রবিবার আমি হার্ডকপি পৌছে দেবো।

সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন বলেন, গতকাল নাট্যানুষ্ঠান নিয়ে আমি ব্যস্ত ছিলাম। পরে শুনেছি এধরনের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চলছে। পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, যে কেউ পদত্যাগ করতেই পারে। পদত্যাগপত্র জমা দিলেই তো হবে না। মিটিংয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হবে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এর ব্যবহৃত নাম্বারে বুধবার রাত ৮.৩০ মিনিটে যোগাযোগ করলে তিনি নাম্বারটি কেটে দেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমাতুজ জোহরার ব্যবহৃত নাম্বারে রাত ৮.২৮ মিনিটে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দারাজসহ ২৩ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব তলব

অর্থনৈতিক ডেস্ক : গোয়েন্দা সংস্থা‌র কালো তালিকাভুক্ত চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার মালিকানাধীন দারাজসহ ২৩ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব তলব ক‌রে‌ছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বুধবার (৩ নভেম্বর) বিএফআইইউ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সোমবার (১ নভেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিন গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা তালিকা দেওয়া হয় বিএফআইইউকে। সেসব কালো তালিকায় দারাজসহ নতুন করে এই ২৩টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ। প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাউন্টের লেনদেন, গ্রাহকদের পাওনা, অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে আগামী ১১ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দেওয়া হবে। গ্রাহকদের অর্থ ফেরতসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেখানে আলোচনা হবে।

ব্যাংক হিসাব তলব করা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের মধ্যে র‌য়েছে দারাজ ও এর স্বত্বাধিকারী আলিবাবা ডটকম এবং প্রিয়শপ ও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আশিকুল আলম খান। এছাড়া রয়েছে বাংলাদেশ ডিল এবং এ কোম্পানির ফারজানা কবির ইশিতা ও ফিদা মাহমুদ আশফাক, ইনফিনিটি মার্কেটিং ও এর চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম।

অন্যদের মধ্যে রয়েছে ওয়ালমার্ট ও এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ফরিদ আহম্মদ, আলীফ ওয়ার্ল্ড ও এর এমডি রাশেদুল ইসলাম রেয়ন, পরিচালক মিজানুর রহমান, সাজ্জাদ ও সাইফ; অ্যামস বিডি ও এর এমডি আশেকুল ইসলাম তানজীল, চেয়ারম্যান কায়সার হাবিব, পরিচালক মো. আবদুর রউফ বারেক, আহনাফ তাহমিদ নাহিয়ান ও মো. কামরুজ্জামান; অ্যানেক্স ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ও এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী রিমন, এমডি মোহাম্মদ জুলফিকার আলী, পরিচালক মো. মোফাজ্জেল হোসেন ও মো. ফিরোজ আলম এবং ব্রাইট হ্যাশ ও এর মালিক মো. ছালেকিন।

এছাড়াও রয়েছে স্বাধীন ও এর পরিচালক শাদমান ওয়াই, শামীরা ও ডেডরিক ভ্যান ওম্মেরেন; আকাশ নীল ও এর এমডি মসিউর রহমান এবং পরিচালক ইফতেখার উজ জামান রনি; গেজেট মার্ট ডটকম ও এর মালিক হারুন অর রশিদ। শেরেস্ত ডটকম ও এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান ইমরান রাসেল, পরিচালক মো. শামীম রেজা, ইরফান হোসাইন, জুনায়েদ হোসাইন, রাহাত হোসাইন চৌধুরী ও শেখ আহমেদ; আস্থার প্রতীক ও এর মালিক রুশো তালুকদার; টিকটিকি, শপ আপ ই-লোন, বাড়ি দোকান ডটকম, ই-শপ ইন্ডিয়া, বিডি লাইক, সান টিউন, চলন্তিকা, সুপম প্রোডাক্ট এবং নিউ নাভানা।

এর আগে ইভ্যালিসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছেন গোয়েন্দারা। ওই ১০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কালো তালিকায় যোগ হলো এই ২৩ প্রতিষ্ঠান। ফলে কালো তালিকাভুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩টিতে। উচ্চ ছাড়ে প্রলোভন দে‌খি‌য়ে পণ্য বিক্রি, গ্রাহকের অর্ডার নিয়েও পণ্য সরবরাহ না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

অবশ্য বিতর্কিত ই-কমার্স ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, কিউকমের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছে বিএফআইইউ। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও মালিকদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest