সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

স্কুলে এ বছরও লটারিতে ভর্তি

শিক্ষা ডেস্ক : গত বছরের মতো এবছরও সরকারি-বেসরকারি স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। টেলিটকের মাধ্যমে এই লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) সকালে ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্তকরণ সম্পর্কিত এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ এড়াতে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব ভর্তি লটারির মাধ্যমে আয়োজন করা হবে। এছাড়া এই বছরের ভর্তি নীতিমালায় বেশকিছু সংশোধন বা পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগামী রোববার এই নীতিমালা জারি করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এতে রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ কলেজ ছাত্রলীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে সম্প্রীতি শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাস প্রঙ্গান থেকে শান্তি শোভাযাত্রা বের করা হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই স্থা‌নে এ‌সে মি‌লিত হয়।

এসময় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ ফাহিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব‌্য রা‌খেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গৌতম কুমার লস্কর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহম্মেদ উজ্জল, কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ, সবুজ, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের শাহিন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদত এজাজ আহম্মেদ, ছাত্রলীগের আরিফুল ইসলাম, আতিকুর রহমান, তুফাজ, আমিনুর রহমান, নাজির বাবু, আব্দুস সবুর, নাইম হোসেন,জাহিদ রাব্বি, বাপ্পি, রাকিব, আমির হামজা সহ অসংখ্য নেতাকর্মীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন যারা

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : আগামী ২৮ নভেম্বর আসন্ন দেবহাটার ৫টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন মনোনয়ন জমা দেন। যার মধ্যে বিদ্রোহী—৬ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী—৮জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। মঙ্গলবার ২ নভেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিবসে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন জমা দেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, কুলিয়া ইউনিয়নে ৩জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যার মধ্যে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ—সভাপতি আছাদুল হক ও প্রাণনাথ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দাখিল করেন। পারুলিয়া ইউনিয়নে ৩জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যার মধ্যে নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, স্বতেন্ত্র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক বাবু ও আরিফা খাতুন। সখিপুর ইউনিয়নে ৪জন প্রার্থীর মধ্যে নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন, আব্দুল আজিজ বিদ্রোহী প্রার্থী, স্বতেন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ও দলিল লেখক শেখ আবু হাসান সাঈদ।

নওয়াপাড়া ইউনিয়নে ৩জন প্রার্থীর মধ্যে নৌকার প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, স্বতেন্ত্র প্রার্থী রেজাউল ইসলাম ও রাজিব হোসেন। দেবহাটা সদর ইউনিয়নে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে নৌকার প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন—সম্পাদক আলী মোত্তের্াজা আনোয়ারুল হক, বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর, বিদ্রোহী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, দিন ইসলাম, স্বতেন্ত্র আব্দুল মতিন বকুল ও আতিকুর রহমান।

এদিকে, ৫ ইউনিয়নে সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য পদে ৫৯জন এবং ইউপি সদস্য হিসাবে ১৮৪জন প্রার্থী মনোয়ন দাখিল করেন।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। আগামী ৪ তারিখে যাচাই—বাছায় করে প্রার্থীতার বৈধতা ঘোষনা করা হবে। আমরা সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহন সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় স্বামী পরিত্যাক্তা নারীকে মারপিটের মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় স্বামী পরিত্যাক্তা অসহায় নারীকে মারপিটের মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, দেবহাটা উপজেলার কাম কাটিয়া গ্রামের মৃত মহাদেব মন্ডলের স্বামী পরিত্যাক্ত কনা নমিতা মন্ডল। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, স্বামী পরিত্যাক্তা হয়ে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে একটি ছোট মৎস্যঘের পরিচালনা করে অতি কষ্টে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি।

কিন্তু তুচ্ছ ঘটনায় একই এলাকার ধননঞ্জয় মন্ডলের পুত্র অভিশেখ, মৃত. সন্ন্যাসী মন্ডলের পুত্র ধননঞ্জয়, মৃত. সন্ন্যাসীর স্ত্রী পদ্দাবতী, ধননঞ্জয়ের স্ত্রী জয়ন্তীসহ কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে হাড়ভাঙা জখম করে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করি।

কিন্তু মামলা দায়েরের প্রায় দেড়মাস অতিবাহিত হলেও আসামীরা গ্রেফতার হয়নি। ফলে তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং আমাকেসহ আমার একমাত্র সন্তানকে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। এছাড়া আমার আতœীয় স্বজনদের সন্তানদের অপহরণ সহ বিভিন্নভাবে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে। আমি বর্তমানে উল্লেখিত ব্যক্তিদের কারনে জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

একজন অসহায় স্বামী পরিত্যাক্ত নারীকে মারপিটের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দোকান ঘর উদ্ধারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জবর দখলকারীর কাছ থেকে দোকান ঘর উদ্ধারের দাবীতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, প্রাণ সায়ের এলাকার মোঃ মজনুর রহমানের মেয়ে মিসেস রাশিদা বকর। অসুস্থ পিতার পক্ষে তিনি বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

লিখিত বক্তব্যে রাশিদা বকর বলেন, শহরের সুলতানপুর ন্যাশনাল ব্যাংক সংলগ্ন আমাদের একটি দোকান ঘর ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল পাঁচ বছরের চুক্তিতে ভাড়া নেন, সদর উপজেলার দক্ষিণ আলিপুর গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে আফসার আলী। প্রতি মাসে ৬ হাজার ৬০০ টাকার চুক্তিসহ ১২ টি শর্ত উল্লেখ করে একটি লিখিত ডিড করা হয়। নিয়মানুযায়ী চুক্তি শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে দোকান ঘর ছেড়ে দেওয়ার জন্য ৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়। এই নোটিশ পাওয়ার পর ভাড়াটিয়া আফসার আলী স্থানীয় ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসানের স্বরণাপন্ন হন। কাউন্সিলর উভয় পক্ষকে নিয়ে শালিসি মিমাংসা করে এই সিদ্ধান্ত দেন যে, ৩১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখের মধ্যে মালিক বরাবর বুঝিয়ে দিয়ে দোকান ঘরটি ছেড়ে দেবেন।

উভয় পক্ষ শালিস মেনে নেওয়ার পর দোকান ঘরটি জবর দখলে রাখার জন্য কৌশলে গোপনে সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন ভাড়াটিয়া আফসার আলী। মামলা নম্বর ২/১৯। মামলাটি ৩ নভেম্বর ২০২০ তারিখ বিজ্ঞ আদালত না মঞ্জুর করে খারিজ করে দেন। এরপরও ভাড়াটিয়া আফসার আলী দোকান ঘরটি না ছেড়ে দিয়ে জবর দখলে রাখেন। এক পর্যায়ে গত ২৩ অক্টোবর ২০২১ তারিখ বিকেলে আমার পিতা মজনুর রহমান দোকানে যেয়ে আফসার আলীকে বকেয়া ঘরভাড়া পরিশোধ করে ঘরটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এসময় ভাড়াটিয়া আফসার আলীসহ অজ্ঞাত কয়েকজন আমার পিতাকে কিল ঘুষি মেরে জখম করে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। একই সময়ে তারা আমার পিতার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রাশিদা বকর অরো বলেন, দোকান ঘর জবর দখলে রেখে ভাড়াটিয়া আফসার আলী গত ৩১ অক্টোবর একটি সংবাদ সম্মেলন করেন, সেখানে তিনি প্রকৃত বিষয়টি আড়াল করে মিথ্যাচার করেছেন। তিনি বলেন, সংস্কারের জন্য আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে দোকান ঘরটির সামনে ইতোমধ্যে বালু ও ইট রাখা হয়েছে। এরপরও আফসার আলী ঘরটি ছেড়ে না দিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে জবর দখলে থাকতে চাইছেন। জবর দখলকারীর নিকট থেকে দোকান ঘরটি উদ্ধারের জন্য পুলিশ সুপারসহ সকলের সহায়তা কামনা করেছেন রাশিদা বকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাবসায় নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন : পরিদর্শনে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : আগামী ১১ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সরদার নজরুল ইসলামের নৌকার নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দিয়েছেন দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে রাজনগর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, আগামী ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে রাজনগর বাজারে রেশমা নামে এক চায়ের দোকানের পাশে একটি নৌকার নির্বাচনী পরিচালনা অফিস করে প্রার্থীর নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে কে, বা, কারা নৌকার নির্বাচনী অফিসে আগুন দেয়। বুধবার ভোর সকালে চায়ের দোকানের মালিক রেশমা ও কাপড়ের দোকানের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বাজারে পৌছলে তারা নৌকার নির্বাচনী অফিসে থাকা বঙ্গবন্ধুর ও শেখ হাসিনার ছবিসহ নৌকার ফেস্টুন ব্যানার পোস্টার, বস্তার বেড়া পুড়ানো অবস্থায় দেখতে পায়।

এসময় প্রত্যাক্ষদর্শীরা নৌকার প্রার্থী নজরুল ইসলামকে জানালে তিনি পুলিশকে খবর দেয়। এঘটনায় পুলিশ খবর পেয়ে রাজনগর বাজারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাসুম, কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান, এসআই সঞ্জীব, মেহেদী, শরিফুল, এ এস আই সাইফুল।

লাবসা ইউপি নির্বানের নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী সরদার নজরুল ইসলাম জানান, ভোর ৬ টার সময় অফিস পোড়ানো খবর পেয়ে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জানাই। তাদের জানানোর পর ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পুলিশ, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান সজল, আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন, আফছার উদ্দিন, মুনছুর রহমান মাস্টার মফিজুলসহ তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তবে এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ প্রস্তুতি চলছে তিনি জানান।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলহত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা ছাত্রলীগ। বুধবার বেলা ১১ টায় খুলনা রোড মোড়ে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান,

সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি হাসানুজ্জামান নিশান, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাওহিদ হোসেন, সিটি কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদ জুয়েলসহ বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, জেলহত্যা দিবস বাঙালি জাতির জীবনে এক কলঙ্কময় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ

মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী এম. মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ. এম কামারুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ জেল হত্যা: ইতিহাসের আরেক কালো অধ্যায়

দেশের খবর : বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কিত অধ্যায়ের নাম জেল হত্যাকাণ্ড। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারের অভ্যন্তরে বিনাবিচারে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়।

বুধবার (৩ নভেম্বর) সেই কলঙ্কিত দিন, জেল হত্যা দিবস।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র বর্বরোচিতভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এর কিছুদিন পরই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ইতিহাসের আরেকটি বর্বর হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করতে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা জাতীয় চার নেতাকে।

স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর আজীবন রাজনৈতিক সহকর্মী, তার অবর্তমানে যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেন সেই জাতীয় চার নেতা-সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে জেলখানার ভেতরে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুরা এ দেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি ওই চক্রটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করে। এরপর খুনি মোশতাকের নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধী ওই চক্রটি এ দেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ যাতে ঘুরে দাঁড়িয়ে আর এগোতে না পারে, স্বাধীনতা যাতে ব্যর্থ হয়, বাংলাদেশ যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় সেই চক্রান্ত করে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র অগ্রসর হয়। এরই অংশ হিসেবে এবং এ দেশে যাতে কোনদিন স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার, হত্যা, নির্যাতনের ষড়যন্ত্র শুরু করে। সেই ষড়যন্ত্র থেকেই জেলখানার ভেতরে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করে তারা।

মুক্তিযুদ্ধকালে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে জাতীয় চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান। এই সরকারের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মধ্য দিয়ে বিজয় অর্জিত হয়।

শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, সকল আন্দোলন-সংগ্রামে এই চার নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুকে যখন কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে তখন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে এই চার নেতা আন্দলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।

ঘাতক চক্রের লক্ষ্য ছিল বাঙালিকে নেতৃত্বশূন্য করে বাংলাদেশকে পুনরায় পাকিস্তানের পদানত করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া। তাই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানে আটক করে রাখার পর যে চার নেতা বঙ্গবন্ধুর হয়ে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনেন, সেই জাতীয় চার নেতাকেও বঙ্গবন্ধুর মতো নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

মানবতাবোধের চরম নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতার সাক্ষী হচ্ছে ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস। দেশের আপামর জনতা যাদের নেতৃত্বে ও নির্দেশে এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে মাত্র নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দেশকে স্বাধীন করেছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধকালে মুজিবনগর সরকারের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে, এ দেশের জনগণকে একত্রিত করে ও দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে বেগবান করে বিজয়ের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছেন, সেই জাতীয় চার নেতাকে চরম নির্মমতার স্বাক্ষর রেখে ৩ নভেম্বর কারাগারের ভেতরে রাতের অন্ধকারে হত্যা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest