সর্বশেষ সংবাদ-
উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিত

সাতক্ষীরায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ^ হাত ধোয়া দিবস উৎযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ^ হাত ধোয়া দিবস ২০২১ উৎযাপিত হয়েছে। ২৭ অক্টোবর, বুধবার হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি-আশা), প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন বাংলাদেশ ও উত্তরণ’র যৌথ সহযোগিতায় দ্যা পোল স্টার পৌর হাই স্কুলে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আশার জেলা ব্যবস্থাপক আশরাফুল।

”নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করি সুস্থ সবল বাংলাদেশ গড়ি” ও ’’আমাদের হাতেই আমাদের ভবিষ্যৎ এগিয়ে যাব সকলেই একসাথে” প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র মোঃ তাজকিন আহমেদ চিশতি। এছাড়া বিশেষ অতিথির আসান গ্রহণ করেন জনাব কাজী ফিরোজ হাসান প্যানেল মেয়র-১ ও কাউন্সিলর-৪ নং ওয়ার্ড, অনিমা মন্ডল, কাউন্সিলর-৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ফোকাল পার্সন জিয়াউর রহমান। দ্যা পোল স্টার পৌর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনামি কৃষ্ণ মন্ডল, প্রাইমারী সেকশনের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম, শেখ সুজা উদ্দিন, প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন প্রতিনিধি, মোঃ মনিরুজ্জামান, প্রতিনিধি, উত্তরণ, মোঃ ফয়জুল হক- জেলা প্রতিনিধি, মাইটিভি; ও সাংবাদিক এম. বেলাল হোসেন, জেসমিন আরা ও মারিয়া সুলতানাসহ কমিউিনিটি প্রতিনিধিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তারা মানুষের মাঝে উন্নত স্যানিটেশন ও নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার উপর জোড়ালো বক্তব্য রাখেন।

সাতক্ষীরা পৌরসভার নেতৃত্বে নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সিমাভীর আর্থিক সহযোগিতায় ওয়াশ এসডিজি এর আওতায় হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি-আশা), প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন বাংলাদেশ ও উত্তরণ যৌথ সহযোগিতায় পানি, স্যানিটেশন এবং হাইজিন বিষয়ক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা অর্জন কার্যক্রম শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে নারী, শিশু, কিশোর-কিশোরী ও সমাজের পিছিয়ে পড়া জন গোষ্ঠির অংশগ্রহণ, চাহিদা সৃষ্টি ও সেবা প্রদান, সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে টেকসই ও সবার জন্য ওয়াস সেবার মান নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রকল্পের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রতিবছর অক্টোবর মাস জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ^ হাত ধোয়া দিবস কেন্দ্রীয়ভাবে উদ্বোধন করা হয় এবং পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে জেলা ব্যাপী দিবসটি সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে র‌্যালী, আলোচনা সভা, নাটিকা, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রদর্শনীসহ আরো অন্যান্য জন সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় যার মাধ্যমে মানুষের মাঝে উন্নত স্যানিটেশন ও নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে উঠে। তারই ধারাবাহিকতায় ওয়াস এসডিজি প্রকল্পের পক্ষ থেকে হাত ধোয়ার প্রদর্শণী, কুইজ, নাটিকা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।। সংস্থা বিশ^াস করে যে এই আয়োজন ও সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার মানুষের মাঝে উন্নত স্যানিটেশন ও হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে অসামান্য অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রতীক বরাদ্দের প্রথম দিনেই সহিংসতায় আহত-১২

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা ও মোটরসাইকেল প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
এতে দুই প্রার্থীর ১২জন কর্মী আহত হয়েছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন কয়ারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আসাদুজ্জামান অসলে জানান, বুধবার বিকেলে কয়ারপাড়ায় তার কর্মী-সমর্থকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানোর আধাঘন্টা পরে বৈকারী তার বাড়িতেও হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, মুনছুর, শিমুল, শাহিন ও ভুট্টোর নেতৃত্বে আমার বাড়িতে দ্বিতীয় দফায় সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। জামাত-শিবিরকে দায়ী করে তিনি আরও বলেন, অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলায় আওয়ামী লীগের ১০ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে।

তিনি আরো বৈকারী বিজিবি ক্যাম্পের পাশে নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদুজ্জামান অসলের নির্বাচনী পথসভার কর্মসূচিতে যোগদানের জন্য নৌকার কর্মী-সমর্থকরা ২০-৩০টি মোটরসাইকেল যোগে কাথন্ডা বাজার থেকে কাথন্ডা কয়ারপাড়ায় পৌছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অপর দিক থেকে পিকআপে করে আসা স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জামাতের আমির জালাল উদ্দীন এবং বিদ্রোহী প্রার্থী মোস্তফার (তরুণলীগ) নেতৃত্বে এলাকার হাসানুজ্জামান ওরফে মেঝ খোকাসহ ২০০-৩০০ জন ভাড়াটিয়া লোক লোহার রড, হাতুড়ি, জিআই পাইপ, রাম দাসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

এসময় ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলের বড় ছেলে সদর উপজেলা যুবলীগের নেতা ইনজামামুল হক ইনজা, ছোট ছেলে হৃদয়, দলীয় কর্মী লাল মোহন সরকার, ইয়াছিন আলী, হাসিবুল ইসলাম, সেলিমসহ ১০-১২ জন গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এলাকায় নির্বাচনে প্রচারে ব্যপকভাবে বাধা দেওয়াসহ কর্মীদের মারপিট করা হচ্ছিল। এর জের ধরে এধরনের ঘটনা ঘটেছে।
সংঘর্ষের খবর পাওয়ার সাথে সাথে সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করে।
বৈকারী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মো. মোস্তফা কামাল বলেন, বুধবার বিকাল ৪টার দিকে প্রতীক পাওয়ার পর সাতক্ষীরা থেকে মোটরসাইকেল শো ডাউন নিয়ে যাওয়ার সময় নৌকার প্রার্থীর আসাদুজ্জামান অসলের বড় ছেলে মো: ইনজামুল হক ইমজা নৌকার কর্মীদের নিয়ে তাদের মোটরসাইকেল শো ডাউনে বাঁধা প্রদান করলে সংঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় মোটর সাইকেল প্রতীকের কর্মী মো. আইব আলী ভুট্টো (৪০), মো: আনিসুর আলী (৩২), মুনছুর আলী, শিমুল হোসেন, আব্দুস সবুর, রাশেদুজ্জামান, শাহীন আহত হয়।

তিনি আরও জানান, বুধবার সকালে আমার নেতাকর্মীদের পিটিয়ে আহত করেছে অসলের লোকজন। এরপর বিকালে আমিসহ আমার কর্মীদের নিয়ে এলাকায় যাওয়ার জন্য মোটর সাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলাম এ সময় অসলের ছেলেসহ তার লোকজন নিয়ে আমাদের উপরে হামলা চালায়, এসময় আমার ২জন কর্মী গুরুতরসহ ৭ আহত হন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোওয়ার হোসেন জানান, এঘটনায় আসাদুজ্জামান অসলে বাদী হয়ে ৭০/৮০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যার সঙ্গে বনে না, তাকে বলে রাজাকারের ছেলে : কাদের

রাজনীতির খবর : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে দলের অভ্যন্তরে কাঁদা ছোড়াছুড়ির দিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ইউপি নির্বাচনে কী যে অবস্থা! যার সাথে যার বনে না, তাকে বলে রাজাকারের ছেলে, অথবা রাজাকারের নাতি, অথবা নাতির ঘরে, বা শান্তি কমিটির মেম্বার ছিল নানা। এসব অভিযোগ স্তূপ হয়ে গেছে পার্টি অফিস।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘করোনাকালীন শিল্প ও বাণিজ্য উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা সবই অনুসন্ধান করি এবং প্রকৃত লোকদেরই মনোনয়ন দেওয়ার চেষ্টা করি। এর মধ্যেও কিছু ভুল হয়। আমরাও মানুষ। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, আমাদের কিছু নেতা জনগণের চেয়ে নিজের লাভ খোঁজে। একজন প্রতিনিধি, একটা কনস্টিটিউন্সির ১৩টা তাঁকে দেওয়া হলো। একটা কেন দেওয়া হলো না? অভিযোগ এলো শান্তি কমিটির মেম্বারের ছেলে। …যুক্তিসঙ্গত হলে সেটি আমরা দেখি। আজকে এই বিষয়গুলো বড়ই বেদনার।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যবসায়ীরা রাজনীতি করতে পারেন। তবে রাজনীতি নিয়ে ব্যবসা ঘৃণা করি। রাজনীতিকে যখন ব্যবসার হাতিয়ার করা হয়, সেটা তখন রাজনীতিও থাকে না, ব্যবসাও থাকে না। এ দেশে ব্যবসা না করেও রাজনীতিবিদ হয়ে ব্যবসায়ী হয়ে যান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নিজের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য রাজনীতি করি না, দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাজনীতি করি। এই করোনাকালে শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন তিনি নিজের জন্য নয়, দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাজনীতি করেন। শেখ হাসিনার ট্রু ফলোয়ার হলে দেশ সোনার দেশ হবে।

ভ্যাকসিন সংগ্রহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পলিসি এবং দক্ষতা সারা দুনিয়ায় প্রশংসিত হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি শুধু বাংলাদেশে প্রশংসিত প্রধানমন্ত্রী নন, বিশ্বের প্রশংসিত প্রধানমন্ত্রী। একজন রাজনীতিবিদ পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে ভাবে, আর শেখ হাসিনা পরবর্তী জেনারেশন নিয়ে ভাবেন।

আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপকমিটির আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপকমিটির চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম আহমেদ। উপকমিটির সদস্য সচিব এবং আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও ডি-৮ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডি-৮ সিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বাংলাদেশের সেমির স্বপ্ন ধূসর

খেলার খবর : সুপার টুয়েলভপর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা হাতের মুঠো থেকে ছুটে গিয়েছিল ক্যাচ মিসের ভুলে। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ, এমন আশায় ছিলেন সমর্থকরা।

সেই আশায় গুঁড়েবালি। জয় তো দূরের কথা, এবার লড়াইটাও করতে পারেনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। তাদের ৪১ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখে হেসেখেলেই হারিয়েছে ইংল্যান্ড। তাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ধূসর হয়ে গেলো টাইগারদের।

১২৫ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মারমুখী শুরু করেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জস বাটলার আর জেসন রয়। ২৮ বলেই তারা তুলে ফেলেন ৩৯ রান।

ঝড়ো এই জুটিটি শেষ পর্যন্ত ভাঙেন নাসুম আহমেদ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বল হাতে নিয়েই উইকেটের দেখা পান বাঁহাতি এই স্পিনার।

নাসুমকে তুলে মারতে গিয়ে লংঅফে নাইম শেখের ক্যাচ হন জস বাটলার (১৮ বলে ১৮)। ওই পর্যন্তই। পরের জুটিই ম্যাচ বের করে নিয়ে আসে বাংলাদেশের হাত থেকে।

দ্বিতীয় উইকেটে ৪৮ বলে ৭৩ রান যোগ করেন জেসন রয় আর ডেভিড মালান। ৩৩ বলে ফিফটি পূরণ করেন রয়। শেষ পর্যন্ত ১৩তম ওভারে এসে আউট হন ইংলিশ ওপেনার। ৩৮ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৬১ রান করে থার্ডম্যানে নাসুমের ক্যাচ হন রয়।

তবে তখন ৪৩ বলে মাত্র ১৩ রান দরকার ইংল্যান্ডের। সেই পথটুকু অনায়াসেই পাড়ি দিয়েছেন ডেভিড মালান আর জনি বেয়ারস্টো। মালান ২৫ বলে ২৮ আর বেয়ারস্টো ৪ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে ৯ উইকেটে ১২৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। সুপার টুয়েলভের এই লড়াইয়ে টসভাগ্য সহায় ছিল টাইগারদের। প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

আবুধাবিতে বেশ ইতিবাচকই দেখা যাচ্ছিল দুই ওপেনার নাইম শেখ আর লিটন দাসকে। লিটন তো প্রথম ওভারেরই শেষ দুই বলে দুটি বাউন্ডারি হাঁকান।

কিন্তু সেই শুরুটা বেশিদূর এগোতে পারেনি। মঈন আলির করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ হন লিটন (৮ বলে ৯)। পরের বলে তুলে মারতে গিয়ে মিডঅনে তুলে দেন নাইমও (৭ বলে ৫)। ১৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

সেই চাপ আরও বাড়িয়েছেন অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান (৭ বলে ৪) অদূরদর্শী শট খেলে। ক্রিস ওকসের বলে শর্ট ফাইন লেগে তুলে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার, দারুণ এক ক্যাচ নেন আদিল রশিদ।

২৬ রানে ৩ ব্যাটসম্যান সাজঘরে। সেখান থেকে দলকে অনেকটা সময় ভরসা দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

অভিজ্ঞ যুগলের ব্যাটে চড়ে যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল টাইগাররা, তখনই ভুল করে বসেন মুশফিক। পছন্দের শট রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে একবার ক্যাচ হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন।

কিন্তু ওই রিভার্স সুইপের লোভ সামলাতে পারেননি তারপরও। লিয়াম লিভিংস্টোনের ঘূর্ণি মিস করে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন মুশফিক (৩০ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৯)। তাতেই ভাঙে ৩২ বলে ৩৭ রানের আশা জাগানিয়া জুটিটি।

এরপর আফিফ হোসেন (৬ বলে ৫) রানআউটের কবলে পড়েন। মাহমুদউল্লাহ (২৪ বলে ১৯), শেখ মেহেদি হাসান (১০ বলে ১১) সেই ব্যর্থদের কাতারেই নাম লেখান।

শেষদিকে নাসুম আহমেদের ৯ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় গড়া ১৯ রানের ইনিংস আর নুরুল হাসান সোহানের ১৮ বলে ১৬ রানে ভর করে ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির শ্রীউলায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আশাশুনির শ্রীউলায় যৌতুকের দাবিতে ৪ বছর শিশু সন্তানের সামনে শ^াসরোধ কে স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গত ২২ অক্টোবর শুক্রবার রাতে আশাশুনির শ্রীউলা ইউনিয়নের বকচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ওই যুবক বকচর গ্রামের নবাব আলীর পুত্র ইমরান হোসেন।

ভুক্তভোগীর পিতা শাহজাহান আলী জানান, আমি দরিদ্র ভ্যান চালক। আমার কন্যা মমতাজ সবে হাইস্কুল শেষ করে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে পড়াশোনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সে সময় দাদা বাড়িতে যাওয়া আসার সুবাদে ইমরানের সাথে আমার কন্যার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু ইমরান অশিক্ষিত হওয়ায় আমি তার বিবাহ দিতে রাজি হয়নি। সে সময় ইমরান কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরে আবার আমার ভাইয়েরা চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ্য করে তোলে এবং উপায়ন্তর হয়ে বিগত ২০১৬ সালের দিকে ইমরানের সাথে কন্যার বিবাহ দেই। কিন্তু বিবাহের কিছুদিন পর থেকে যৌতুকের দাবিতে কন্যাকে অমানষিক নির্যাতন, মারপিট এবং একাধিকবার হত্যা চেস্টাও চালিয়েছে ইমরান। আমার কন্যা নিজের পছন্দে বিবাহ করায় নিরবে সহ্য করে যাচ্ছিল।

ইতোমধ্যে ইমরানের ঔরশে একটি কন্যা সন্তানের জন্মও হয়েছে। এনিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একাধিবার শালিসও হয়েছে। কিন্তু গত ২২ অক্টোবর তুচ্ছ ঘটনায় ইমরান আমার কন্যাকে বেধড়ক মারপিট করে এক পর্যায়ে তার গলায় উড়না পেছিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে দেই। কিন্তু শিশু কন্যার কান্নার কারনে স্থানীয় তাকে উদ্ধার করে আমাদের খবর দেয়। আমার স্ত্রী পর দিন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তার গলায়, মাথায় এবং কানে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী মমতাজ জানান, পিতার গরিব মানুষ হওয়ায় অনেক সহ্য করেছি। আর পারছি না। আমাকে হয়তো এবার হত্যা করে ফেলবে। এদিকে পিতার অভাবের সংসার। এপর্যন্ত স্বামীর দাবি মোতাবেক নগদ অর্থসহ অনেক দাবি পূরণ করা হয়েছে। এখনো প্রায় টাকা দাবি করে মারপিট করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী মমতাজ ওই যৌতুক লোভী স্বামীর শাস্তি দাবি করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকল সাম্প্রদায়িক শক্তি ও জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয় বিএনপি –সাতক্ষীরায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ইনু

আসাদুজ্জামান : বিএনপির দেওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও শেখ হাসিনার পদত্যাগের প্রস্তাব মাঠে আসার পরই এবার সাম্প্রদায়িক সহিংসতা শুরু হয়েছে মন্তব্য করে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, এক্ষেত্রে প্রশাসনের ব্যর্থতা ছিল।

এজন্য উদ্দেশ্যমূলক নিষ্ক্রিয় কর্মচারীদের খুজে বের করে ও জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়াটাই এখন বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার প্রধান চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও বলেন, দেশের ৩২ হাজার মন্ডপে শান্তিপূর্নভাবে পূজা হলেও ৫০টি এলাকায় হামলার ঘটনা প্রশাসন ঠেকাতে পারেনি। তবে হামলাকারীদের অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রশাসন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার চেষ্টা করলেও বারবার এই ঘটনা ঘটছে। কখনও হিন্দু মন্দিরে কখনও বৌদ্ধ মঠে, কখনও মসজিদের ঈমাম বা পীরের মাজারে এমন সব ঘটনা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো আগামীতে আর কোন সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গি হামলা হবে না, সেই গ্যারান্টি।

প্রশাসনের মধ্যে ইচ্ছাকৃত নিষ্ক্রিয়দের খুজে বের করতে হবে। হাসানুল হক ইনু বুধবার স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং জাসদের ৪৯ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিভিন্ন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। এর আগে তিনি সাতক্ষীরার সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এসময় তার সাথে জাসদের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় তিনি শহরে এক মশাল মিছিলে নেতৃত্ব দেন।
প্রধান অতিথি হাসানুল হক ইনু আরও বলেন, সকল সাম্প্রদায়িক শক্তি ও জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয় বিএনপি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং শেখ হাসিনার সাংবিধানিক সরকারের পদত্যাগের প্রস্তাব মাঠে আসার পর সাম্প্রদায়িক সহিংসতা শুরু হয়েছে। দূর্গাপূজাকে উছিলা হিসাবে গ্রহন করে অসাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য মাঠ ঘোলা করার লক্ষেই এই সাম্প্রদায়িক হামলা এখন হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রস্তাব যতদিন মাঠে থাকবে ততদিন এই দেশে সাম্প্রদায়িক অপঘাত চলতেই থাকবে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় এই আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে নিরীহ মানুষ এবং মিডিয়াকর্মী যাতে এর হয়রানির শিকার না হন সেজন্য আইনটি পর্যালোচনা করে সংশোধন করা দরকার।
প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ১৪ দল এখনও মাঠে আছে। করোনার কারনে কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়ায় নতুন করে তা বেগবান হবে। এই ১৪ দলই একমাত্র জোট যারা সকল সাম্প্রদায়িকতাকে রুখে দিতে পারে। প্রসঙ্গ উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু আরও বলেন, ক্ষমতাবাদীর নামে দলের মধ্যে গুন্ডাবাজি চলছে এবং দূর্নীতিবাজদের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে।

এরা ভিতরের লোক আর বাইরের শক্তি হচ্ছে জঙ্গিবাদ। এই দুই শক্তিকে প্রতিহত করার আহবান জানান তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, জিয়া ও এরশাদ সংবিধান বহুভাবে কাটাছেড়া করেছেন। আমরা ১৫ দফা সংশোধনের মাধ্যমে কিছু সাম্প্রদায়িক ও সামরিক সিদ্ধান্ত বাদ দিতে পেরেছি। এখন সংবিধান পর্যালোচনার সময় এসেছে। অসাম্প্রদায়িক প্রশাসন এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক অঙ্গন ও অসাম্প্রদায়িক সংবিধান দরকার।
জেলা জাসদ সভাপতি ওবায়দুস সুলতান বাবলুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি এ্যাড. রবিউল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শফিউদ্দিন মোল্লা, কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল্লাহিল কাইয়ুম, ওবায়দুর রহমান চুন্নু, কৃষক জোট সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, জাকির হোসেন লস্কর প্রমুখ।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারুলিয়ায় ওয়ার্ড আ’লীগ নেতাকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : পারুলিয়ায় চাঁদার দাবিতে ছাত্রদল ক্যাডার কর্তৃক ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এক নেতাকে মারপিট ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক জনার্কীন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করছেন সাতক্ষীরা দেবহাটার নাজিরের ঘের এলাকার মৃত ছফেদ আলীর ছেলে মো: আব্দুল বারী সানা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমি ২নং পারুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২৫ অক্টোবর‘২১ দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মোস্তফার পুত্র একাধিক মামলার আসামী চিহ্নিত ছাত্রদল ক্যাডার রাজিব আহম্মেদ এবং নাজিরের ঘের গ্রামের মৃত ছফেদ সানার পুত্র ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সানা পারুলিয়া টু বদরতলা সড়কের চার রাস্তার মুখে আমার গতি রোধ করে ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।

আমি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে বেধড়ক মারপিট করে পাকা রাস্তার উপর ফেলে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করেন এবং মামলা দায়ের পরামর্শ প্রদান করেন।
ওই দুই ব্যক্তি ইতোপূর্বেও এলাকার একাধিক নিরিহ মানুষকে তুচ্ছ ঘটনায় মারপিট ও হয়রানি করেছে। প্রতিবাদ করতে গেলে ছাত্রদল ও বিএনপির ক্যাডারদের সমন্বয়ে মারপিট খুন জখমসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করে।

গত ২০১৯ সালের ১৭মার্চ রাজিব এবং রফিকুল সানা আমাকে ব্যাপক মারপিট করে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং- ৩০/১৯।
তিনি আরো বলেন ছাত্রদল ক্যাডার রাজিব ২০১৩ সালে এলাকায় ব্যাপক নাশকতা, অগ্নি সংযোগ, ভাংচুর, লুটপাট ও রাষ্ট্রদ্রোহী কার্যক্রমে জড়িত ছিলো। সে সময় তার বিরুদ্ধে থানা পুলিশের এস আই ইউনুস আলী গাজী বাদী হয়ে অগ্নি সংযোগ, ভাংচুরের অভিযোগে মামলা করেন। যার নং- ১৫৯/১৩।
আমি একজন আওয়ামীলীগের কর্মী আর বর্তমানে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। অথচ সে সময়ও বিএনপি ক্যাডারদের দ্বারা বারবার নির্যাতিত নিগৃহিত এবং মারপিটের শিকার হচ্ছি।

বিভিন্ন মাধ্যমে এখনো আমাকে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছে। তাদের ভয়ে আমি বর্তমানে বাজারে উঠতি পারছিনা। জীবনে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। চাঁদার দাবিতে আওয়ামীলীগ কর্মীকে মারপিটের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) রাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার উপসচিব তানিয়া ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ইলিশ রপ্তানির সময় বাড়িয়ে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর আগে গত ০৪ থেকে ২৬ অক্টোবর দেশে ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ২২ দিনের জন্য ইলিশ শিকার, পরিবহন ও বিক্রয় বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ ছিল।

নির্দেশনায় বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ৪০ মেট্রিক টন করে সর্বমােট ১১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গত ২৬ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনমূলে এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ৪ হতে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমােদনকৃত ইলিশ রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেনি।

এ বিবেচনায় অনুমােদনকৃত অবশিষ্ট পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি আগামী ০৫ নভেম্বর ২০২১ পর্যন্ত নির্দেশক্রমে বাড়ানো হলাে।

উল্লেখ্য, অন্যান্য শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকবে। এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরােধ করা হলাে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest