সর্বশেষ সংবাদ-
উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিত

ভারতের ত্রিপুরায় সহিসংসতার পর কঠোর নিরাপত্তা

বিদেশের খবর : ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরায় মুসলমানদের ওপর সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর নিরাপত্তার কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে, মিছিল-জমায়েতে জারি করা হয়েছে বিধিনিষেধ।

বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মুসলমানদের বাড়ি-ঘর, দোকানপাট ও মসজিদে হামলার পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়েছে হামলাকারীরা। এ পরিস্থিতিতে রাজ্যের দেড়শর বেশি মসজিদে নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ত্রিপুরা পুলিশ।

গত চার দিনে ত্রিপুরায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অন্তত দশটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে জানিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়, সীমান্ত শহর পানিসাগরে মঙ্গলবার রাতে একটি হামলার পর বড় ধরনের জমায়েতের ওপর বিধিনিষধ আরোপ করে কর্তৃপক্ষ।

পানিসাগরের পুলিশ কর্মকর্তা সৌভিক দেকে উদ্ধৃত করে বিবিসি লিখেছে, ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কট্টর ধর্মীয় সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি সমাবেশের পর ওই হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংগঠনটি বিক্ষোভ করতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। তার প্রতিবাদে ওই সমাবেশ করা হয় এবং সেখান থেকেই হামলা হয়।

দুর্গাপূজার অষ্টমীতে গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার একটি মণ্ডপে ‘কোরআন অবমাননার’ কথিত অভিযোগ তুলে সহিংসতা শুরুর পর চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কক্সবাজার, ফেনী, রংপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

ত্রিপুরার তিনটি দিকে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে এবং পাশের রাজ্য আসামের সঙ্গে একটি করিডোর রয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপি- ত্রিপুরা শাসন করছে। এ রাজ্যের ৪২ লাখ মানুষের মধ্যে মুসলমানের সংখ্যা ৯ শতাংশের কম।

গত সপ্তাহে ভারতের জামিয়াত উলামা-ই-হিন্দ এর রাজ্য শাখা অভিযোগ করে, একটি মসজিদ এবং তার পাশে মুসলমান অধ্যুষিত এলাকায় হামলা চালিয়েছে উগ্রবাদীরা।

ত্রিপুরার লেখক বিকাশ চৌধুরী বিবিসিকে বলেছেন, পাশের দেশে ধর্মীয় উত্তেজনার কারণে ত্রিপুরায় মুসলমানদের ওপর এমন প্রতিক্রিয়া তিনি আগে কখনও দেখেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসরাইলি বর্বরতায় এবার মার্কিন এমপিদের নিন্দা

বিদেশের খবর : ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করায় এবার ইসরাইলের বর্বর আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন সংসদ সদস্যরা।

বর্ণবাদী ও বর্বর আচরণের জন্য ডেমোক্র্যাট দলের এমপি বেটি ম্যাককুলামের নেতৃত্বে একদল মার্কিন এমপি বৃহস্পতিবার ইসরাইলের বিরুদ্ধে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনে। খবর আনাদোলুর।

এতে বলা হয়েছে, তেলআবিব এবার ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কণ্ঠরোধ করে তাদের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে। ইসরাইলের হামলা-মামলা উপেক্ষা করে সংগঠনগুলো ফিলিস্তিনিদের চালানো ইসরাইলি নৃশংসতার চিত্র বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের কাজের মূল্যায়ন করতে হবে।

ইসরাইলকে প্রতি বছর ৩.৮ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে তাদের কর্মকাণ্ডকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চান মার্কিন এমপিরা।

এর আগে ইসরাইলের এ পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জার্মানি। জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বুধবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগের কথা জানান।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অ্যান্ড্রিয়া সাসে বলেন, আমরা ইসরাইলের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে আমরা ইসরাইলের সঙ্গে আলোচনা করব। আমরা বিষয়টি নিয়ে অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গেও কথা বলব।

কীসের ভিত্তিতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেই তথ্যও জানতে চেয়েছে জার্মানি।

ইহুদিবাদী ইসরাইল নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে সম্প্রতি ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার সংগঠনকে সন্ত্রাসী তালিকায় ফেলেছে।

এসব সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করছে ইসরাইলি বাহিনী।

এ ঘটনায় ফিলিস্তিনে নতুন করে ইসরাইলবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ, মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সঙ্গে পপুলার ফ্রন্ট অব দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনের (পিএফএলএম) যোগাযোগ রয়েছে।

ফিলিস্তিনের বামপন্থি এ সংগঠনটি ইসরাইলের অভ্যন্তরে সশস্ত্র হামলায় জড়িত বলে দাবি তেলআবিবের।

১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন আল হক, ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল প্যালেস্টাইন, দ্য বিসান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, দ্য ইউনিয়ন অব প্যালেস্টিনিয়ান ওম্যানস কমিউনিটিস এবং দি অ্যাগ্রিকালচারাল ওয়ার্ক কমিটিসকে সন্ত্রাসী তালিকায় ফেলেছে ইসরাইল।

ফিলিস্তিনে প্রতিনিয়ত মানবতাবিরোধী অপরাধ করে গেলেও এখন উল্টো মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী তালিকায় ফেলে আবারও বর্বরতার পরিচয় দিল ইহুদিবাদী ইসরাইল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপি স্যার বলেছেন তাই ইউনিয়নে নির্বাচন হবে না, সবাই সিলেক্টেড হবে!

রাজনীতির খবর : শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের অভিযোগ উঠেছে। সত্যতা জানতে প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট ইউপির রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে হাজির হলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এমপি স্যারের সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে চিতলিয়া ইউনিয়নে কোনো নির্বাচন হবে না, সবাই সিলেক্টেড হবে। এই কথা এমপি মহোদয় বলেছেন।’

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে চিতলিয়া ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেনের গোপনে ধারণ করা একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মিনিট ৫১ সেকেন্ডর এই ভিডিওতে রিটানিং কর্মকর্তাকে কয়েকজন প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। রিটার্নিং কর্মকর্তাকে প্রার্থীরা জিজ্ঞেস করছেন, আমরা কোন স্বাক্ষর করলাম না, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলাম না, তাহলে কীভাবে এই নয়টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সবাই নির্বাচিত হলেন। রিটানিং কর্মকর্তা তাদের বলেন, ‘এমপি স্যারের সাথে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে চিতলিয়া ইউনিয়নে কোনো নির্বাচন হবে না সবাই সিলেক্টেড হবে, এই কথা এমপি মহোদয় বলেছেন।’ একজন প্রার্থী বলেন আমি বাংলাদেশের নাগরিক আমি নির্বাচন করতে চাই তাহলে এখন আমার কী হবে? রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রশ্ন এড়িয়ে যান।

জানতে চাইলে চিতলিয়া ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে কিছুর করার নেই তার। আর ভিডিওটি সম্পর্কে তিনি বলেন, একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে আমার তো এ রকম বলার কথা না। আমি এমপি সাহেবকে নিয়ে যদি বলে থাকি, তবে কোন প্রেক্ষিতে বলেছি মনে পড়ছে না।

আগামী ১১ নভেম্বর শরীয়তপুর সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ছিল চিতলিয়া ইউনিয়ন। এখানে চেয়ারম্যান পদে তিন জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৮ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১২ জন মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে দুই জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে নয় জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার হয়েছে। এই ইউনিয়নে প্রতিটি পদেও বিপরীতে মাত্র এক জন করে প্রার্থী থাকায় তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।

সদস্য প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেছেন, তারা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। তাদের স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা বলছেন, ‘আপনারাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। আমার কাছে তার প্রমাণ আছে। আপনারা চাইলে আদালতে যেতে পারেন। সেখানে প্রমাণ হবে আপনাদের স্বাক্ষর জাল নাকি আসল।’

চিতলিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হারুন অর রশিদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন। তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তিনি ওই ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের সদস্য ও তিনটি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে পছন্দের লোকদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন করতে স্বাক্ষর জাল করেছেন বলে অন্য প্রার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন।

অভিযোগের ব্যাপারে হারুন অর রশিদ বলেন, ‘সদস্য পদে মনোনয়নপত্র কারা প্রত্যাহার করেছেন, কেন করেছেন, জানি না। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে কাউকে কোনো চাপ দেওয়া হয়নি। প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক সদস্য প্রার্থী বলেন, আমাদের স্বাক্ষর জাল করে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ছুটে এসেছি। কিন্তু তিনি কোনো সহযোগিতা না করে এমপি স্যারের এমন সিদ্ধান্ত ছিল, তা জানিয়ে দিয়েছেন। আবার যিনি চেয়ারম্যান হয়েছেন, হারুন অর রশিদ, তিনি মোবাইল ফোনে বাড়াবাড়ি না করার জন্য শাসাচ্ছেন।

চিতলিয়ার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আয়ুব আলী খান ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন সদস্য পদে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। গতকাল সকালে প্রতীক নিতে এসে জানতে পারেন, তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতা জানান, তাদের স্বাক্ষর জাল করে কেউ এমন কাজ করেছেন। আওয়ামী লীগ দেশ চালায়, আর এমন সময় তাদের সঙ্গে এ আচরণ কীভাবে করা হলো! তাঁরা অভিযোগ করেন, ওই ওয়ার্ডে বিএনপি-সমর্থিত এক ব্যক্তিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করা হয়েছে।

চিতলিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী শফিক পেদা জানান, আমি মঙ্গলবার রাতে জানতে পারি চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সব পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। আমি বুধবার সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে গিয়ে বলি, আমি প্রতীক নিতে এসেছি। আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার করিনি। তাহলে আমার ওয়ার্ডে কীভাবে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হলো। তিনি আমাকে বলেন, আপনি নিজে স্বাক্ষর করে আপনার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। আমি তাকে বলি আচ্ছা তাহলে আপনি আমাকে আমার স্বাক্ষর দেখান, আমি কোথায় স্বাক্ষর করেছি? তিনি আমার স্বাক্ষর দেখাতে পারেননি। যদি নির্বাচন না হয় আমি আইনের আশ্রয় নেবো।

সংরক্ষিত নারী আসনের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী নিলুফার ইয়াসিন বলেন, আমি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করিনি। বুঝতে পারছি না বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কীভাবে সবাই নির্বাচিত হলো। আমি আমার স্বাক্ষর দেখতে চাইলে রিটানিং কর্মকর্তা দেখাতে পারেননি। তিনি পরে তার সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন। আমরা নির্বাচন চাই। হার-জিত যা হবে নির্বাচন করে হবে।

এই বিষয়ে শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু সাংবাদিকদের বলেন, আমি এই ধরনের কথা কাউকে কখনো বলিনি। আর আমি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে বলার অধিকার রাখি না। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।

এমপি বলেন, আমি যতটুকু জানি, ওখানে দুই পক্ষ মিলেই এটা করেছে। সালাম হাওলাদার ও হারুন হাওলাদার মিলে এটা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়ায় শওকতের পরিবর্তে সজল মুখার্জী পেলেন নৌকা

এম বেলাল হোসাইন : বিগত ইউপি নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটে প্রথম হলেও দলের নেতাদের অর্থলোলুপতার কারণে তার নাম কেন্দ্রেই পাঠানো হয়নি। এবারও তার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং দলীয় পদবিতে অপর প্রার্থীদের চেয়েও বড় পদে থাকা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এক নাম্বারে নাম থাকার পরও জেলা থেকে অজ্ঞাত কারণে তার নাম তিন নাম্বারে দিয়ে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। ফলশ্রুতিতে তিনি মনোনয়নবঞ্চিত হন। কিন্তু তারপরও শেষ পর্যন্ত তিনিই নৌকা পেয়েছেন। নৌকা পাওনা হলেও দু:খজনকভাবে নৌকা তাকে ছিনিয়ে আনতে হয়েছে।

অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়া ইউপিতে গাজী শওকতের মনোনয়ন বাতিল করে সজল মুখার্জীকে নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
তিনি সর্বশেষ উপজেল আওয়ামীলীগের সম্মেলনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
জানা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত একপত্রে সজল মুখার্জীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর আগে ২৩ অক্টোবর ২১ তারিখে রাজাকার পুত্র হিসেবে বির্তর্কিত দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকত হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
এর পর কালিগঞ্জ উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ ইউনিয়নবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গাজী শওকতের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, প্রেসক্লাব কনফান্সেসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন ইউনিয়নবাসী। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের ত্যগী আওয়ামীলীগ কর্মী সজল মুখার্জির মনোনয়নের দাবিতে ফুসে উঠে ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে মনোনয়ন পাইয়ে দিতে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ কে ফজলুল হক সজল মুখার্জীর কাছে ১ লক্ষ টাকা দাবির অভিযোগ ওঠে।
যার একটি অডিও রেকডিং ফাঁস হলে সাতক্ষীরাসহ সারা দেশে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। যদিও অডিও রেকর্ডিং এর বিষয়টি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল অস্বীকার করে বলেন এটি ষড়যন্ত্র।
অন্যদিকে, গাজী শওকত হোসেন রাজাকারের সন্তান হওয়ার পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন ভাতার কার্ড এবং মৃত্যু ব্যক্তিদের নামে ভাতার অর্থ আত্মসাথের অভিযোগে দুদকে দুটি মামলাও চলমান রয়েছে শওকতের বিরুদ্ধে। এরপরও ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের নৌকার মনোনয়নের জন্য সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে শওকতের নাম দ্বিতীয় এবং ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা সজল মুখার্জির নাম তৃতীয় নাম্বারে প্রেরণ করা হয়। ফলে মনোনয়ন বোর্ড পুনরায় বিতর্কিত গাজী শওকতকে নৌকার মনোনয়ন দেন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শওকতের মনোনয়ন বাতিল করে সজল মুখার্জীকে নৌকা দেওয়ার সভানেত্রী আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রক্ষার্থে মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর থানা কর্তৃক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রক্ষার্থে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

বৃহস্পতিবার, বিকাল সাড়ে ৩ টায় পুরাতন সাতক্ষীরা সেঞ্চুরি কমিউনিটি সেন্টারে সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মনবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রধান করেন সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান কহিনূর ইসলাম, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বাবু বিশ^নাথ ঘোষ,

সাতক্ষীরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র মিলন হোসেন, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নূর জাহান নুরী, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর অনিমা রাণী মন্ডল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুকুমার দাস,

এসকন মন্দিরের পুরোহীত পরশ পুরুষ কৃষ্ণ দাস, পুরাতন সাতক্ষীরা বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ তাইফুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সভাপতি ও পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, মোহাদ্দেস মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাওহীদ হাসান প্রমুখ।

উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বহু কষ্টে অর্জিত এই স্বাধীনতা, এই পতাকা, আমরা বাঙালী, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। এই বাংলায় হিন্দু মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান সবাই মিলে যুদ্ধ করে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই বাংলাদেশকে একটি কুচক্রী মহল কলঙ্কীত করার জন্য মাঝে মাঝে কিছু ধর্মান্ধ মানুষকে ব্যবহার করে এই দেশে একটা অস্থীতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে।

মানুষে মানুষে হানাহানী, মানুষের সাথে সংঘাত সৃষ্টি করিয়ে দেয় এবং যারা মানুষের ঘড়বাড়ি ভাংচুর করে, নারী-শিশুদের উপরে নির্যাতন করে, মানুষের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা কোন ধর্মের অনুসারী হতে পারে না। এছাড়াও তিনি আরো বলেন দেশরতœ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্ষুধামুক্ত, মাদকমুক্ত সুখী সমৃদ্ধশালী একটি বাংলাদেশ গড়ব। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনায় ছিলেন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যন শেখ মুজিবর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন : ওসিসহ পাঁচজনকে বরখাস্তের নির্দেশ

দেশের খবর : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় ওই সময়ের থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদারসহ তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ইউপি সদস্য ও চৌকিদারকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের রুলের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।

হাইকোর্ট যাদের সাময়িক বরখাস্ত করতে বলেছেন তারা হলেন বেগমগঞ্জ থানার সাবেক ওসি কামরুজ্জামান শিকদার, উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মফিজুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন সোহাগ ও চৌকিদার আলী আসগর।

এ মামলায় আদালতে মতামত তুলে ধরেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ইয়াদিয়া জামান, জামিউল হক ফয়সাল, রাশিদা চৌধুরী নিলু, তানজীম আল ইসলাম প্রমুখ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।

গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে রেখে ৩৭ বছরের নারীকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর এলাকার দেলোয়ার বাহিনীর সদস্যরা। তারা ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্মম নির্যাতনের ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখেন। পরে ওই নারীকে হামলাকারীরা কুপ্রস্তাব দেন। তিনি তাতে রাজি না হওয়ায় তারা ধারণ করা ভিডিও চিত্র ৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করলে তা ভাইরাল হয়। এতে ঘটনাটি জানাজানি হয় এবং সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের নজরে আনলে ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর নারীকে নিজ ঘরে ধর্ষণচেষ্টা ও বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন বিচারক। একইসঙ্গে ভিডিওটি সিডি বা পেনড্রাইভে কপি করে রাখার নির্দেশ দেন আদালত। বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে এসব নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। পাশাপাশি ওই ঘটনায় করা ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নারীর পরিবারকে সব ধরনের নিরাপত্তা দিতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন আদালত।

একইসঙ্গে ঘটনার বিষয়ে ভিকটিমের বক্তব্য গ্রহণে পুলিশের কোনও অবহেলা আছে কিনা, তা অনুসন্ধান করতে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। নোয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা সমাজ সেবা অফিসার এবং চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজের অধ্যক্ষকে ওই ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে। অনুসন্ধান শেষে ১৫ কার্যদিবসের হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে হয়েছে।

কয়েকটি আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ওই নারীকে রক্ষায় এবং দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে অবহেলার কারণে বেগমগঞ্জের ওসি ও বেগমগঞ্জ থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও বেগমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামিন পেলেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান

বিনোদন ডেস্ক : অবশেষে জামিন পেলেন মাদককাণ্ডে গ্রেপ্তার বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। বৃহস্পতিবার বোম্বে হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। গত ৩ অক্টোবর থেকে কারাগারে ছিলেন আরিয়ান। ওই দিন মাদককাণ্ডে গ্রেপ্তার হন ২৩ বছরের আরিয়ান। খবর: এনডিটিভির

মুম্বাই থেকে গোয়াগামী একটি প্রমোদতরীতে এক মাদক-পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান। সেখান থেকে ৩ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)।
সম্পর্কিত খবর

বেশ কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রমোদতরীতে মাদক নেওয়ার কথা স্বীকার করেন আরিয়ান।

সেখানে দাবি করা হয়, মাদক নেওয়ার কথা স্বীকার করে অনুশোচনা প্রকাশ করেন আরিয়ান। তিনি বলেন, মাদক নিয়ে ভুল করেছেন। এও বলেন, এর আগে কখনো এমন কিছু করেননি তিনি।

আরিয়ানের সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় আরবাজ মার্চেন্ট, মুনমুন ধর্মেচা, ইশমিত সিংহ, মোহক জয়সওয়াল, বিক্রম ছোকার এবং গোমিত চোপড়াকে।

৪ অক্টোবর আরিয়ানের জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী সতীশ মানশিণ্ডে। শাহরুখই তার ছেলের জন্য মুম্বাইয়ের প্রভাবশালী এই আইনজীবীকে নিয়োগ দেন।

কিন্তু মুম্বাইয়ের আদালত জানিয়ে দেন, আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত তাকে এনসিবির হেফাজতে থাকতে হবে। এরপর ৭ অক্টোবর আরিয়ানকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন আদালত। এই রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই শাহরুখের আইনজীবী আরিয়ানের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন। মুক্তি মেলে না আরিয়ানের। তার দুই সঙ্গী আরবাজ শেঠ মার্চেন্ট ও মুনমুন ধমেচার জামিনের আবেদনও খারিজ করে দেন আদালত।

গত ২০ অক্টোবরও আরিয়ানের জামিন মেলে না। এরপর ছেলের জামিনের জন্য উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন শাহরুখ খান। উচ্চ আদালত ২৬ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করেন। তবে ২৬ অক্টোবরও তার জামিন দেননি বোম্বে হাইকোর্ট। তবে ওই দিন অপর দুই অভিযুক্ত অভিন শাহু ও মনীশ রাজগড়িয়ার জামিন মেলে। অবশেষে আজ আদালত আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যাটরিনা-ভিকির বিয়ে ডিসেম্বরে

বিনোদন ডেস্ক : বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের প্রেম নিয়ে তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অনেক রটনা। সালমান খান, রণবীর কাপুর থেকে শুরু করে হালের ভিকি কৌশল। তবে এসব প্রেম নিয়ে কখনোই সরাসরি মুখ খুলেননি তিনি।

এবার শোনা যাচ্ছে ভিকির সঙ্গে আসছে ডিসেম্বর মাসেই গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন ক্যাট। ভারতীয় বেশ কিছু গণমাধ্যম দাবি করছে এমনটাই।

বলা হচ্ছে, ১৮ অগস্ট গোপনে বাগদান সেরেছেন ক্যাটরিনা ও ভিকি কৌশল। এবার সম্পর্ককে জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত ভিকি ও ক্যাটরিনা। তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের তরফে জানা গেছে, বিয়ের তোরজোড় শুরু করে দিয়েছেন দুই তারকা।

বলিউডের ট্রেন্ড মেনেই ক্যাটরিনা এবং ভিকির বিয়ের পোশাক ডিজাইন করছেন সব্যসাচী। এই মুহূর্তে পোশাকের ফ্যাব্রিক নিয়ে আলোচনা চলছে জোর কদমে। লেহেঙ্গার জন্য সিল্ক ফ্যাব্রিকই নাকি পছন্দ কনের। নভেম্বরের শেষে অথবা ডিসেম্বরেই চার হাত এক হবে।

যেদিন থেকে তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, মুখে কুলুপ এটেছেন ভিকি ও ক্যাটরিনা কাইফ। একসঙ্গে বেড়াতে গিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় সবসময় সোলো ছবিই পোস্ট করেছেন তারা। মাঝে মধ্যেই ক্যাটেরিনা কাইফের বাড়িতে ভিকিকে যাওয়া আসা করতেও দেখা গেছে।

সদ্য মুক্তি পাওয়া ভিকির ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে সবার সামনে একে অপরকে জড়িয়েও ধরেছেন দুই তারকা। এসব দেখেই তাদের বিয়ের খবরটা মজবুত হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে, নিক-প্রিয়াঙ্কা যেই প্যালেসে বিয়ে করেছিলেন সেখানেই নাকি বসতে চলেছে ভিকি-ক্যাটরিনার বিয়ের আসর। ঘটনা সত্যি হলে, আবারও একটি বিগ ফ্যাট ওয়েডিং দেখতে চলেছে বলিউড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest