সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

দেশের পরিস্থিতি অশান্ত করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে ভারত থেকে

দেশের খবর : জমিজমা নিয়ে বিরোধে রাজধানীর পল্লবীতে দুর্বৃত্তদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া মো. সাহিনুদ্দিনকে হত্যার সময় ধারণ করা ভিডিও ‘নোয়াখালীর হিন্দু মহাজোট কর্মী যতন শাহ হত্যাকাণ্ডের’ ভিডিও বলে গুজব ছড়ানো হয়েছে। পাশের দেশ ভারতের বেশ কয়েকজন নাগরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহার করে ধর্মীয় উস্কানি ও গুজব ছড়াতেই এই ভিডিও ছড়ায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দেশটি থেকে ব্যবহার করা বেশ কয়েকটি ফেসবুক ও টুইটার আইডি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করতে চক্রটি এই ধরনের কাজ করেছে। কলকাতা থেকেই প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘নোয়াখালীর যতন শাহ হত্যাকাণ্ড’ শিরোনামে অন্য ঘটনার ভিডিও আপলোড করা হয়। পরে তা বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

১৯ অক্টোবর ছড়ানো এই ভিডিও ফুটেজটি মূলত জমিজমা বিরোধে গত ১৬ মে রাজধানীর পল্লবীতে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হওয়া মো. সাহিনুদ্দিনের। ঘটনার সময় কেউ একজন তা ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছিলেন। ঘটনার পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রায় সব আসামিকেই গ্রেপ্তার করে।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লায় কোরআন অবমাননার পর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও হত্যার ভিডিও বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুজব ছড়াতে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অশান্ত করতেই এই ধরনের ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, ‘প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি, ভিডিওটি কলকাতা থেকে দেবদৃতা ভৌমিক নামে একজন ভারতীয় নাগরিক সর্বপ্রথম ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ছড়িয়ে দেন। তাছাড়া দেবদাস মন্ডল নামে আরও এক ব্যক্তি কলকাতা থেকেই টুইটারে ভিডিওটি আপলোড করেন। যতন দাসের নামে সাহিনুদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ভিডিওর ক্যাপশনে দেবদাস লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের নোয়াখালীর পূজামণ্ডপে হিন্দু মহাজোট কর্মী যতন সাহা হত্যার ভিডিও ফুটেজ। দোষীদের এখনো গ্রেপ্তার করা হইতেছে না কেন?’

সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া হামলার বিষয়ে আজ দুপুরে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, যারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, উস্কানি দিচ্ছেন, তাদের খুব শিগগির গ্রেপ্তার করা হবে। তাদের জবাব দিতেই হবে। তারা মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে কি ফায়দা লোটার চেষ্টা করছেন! কুমিল্লার মূল অভিযুক্ত পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আজ পর্যন্ত কোনো পূজামণ্ডপে কোনো কিছু ঘটেনি। কিন্তু এবার দেখছি অপ্রীতিকর কিছু ঘটনা ঘটে গেছে। আসলে ঘটানো হয়েছে।

অন্যদিকে এলিট ফোর্স র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বার্থান্বেষী মহল মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিগত বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ব্যবহার করে সাম্প্রতিক সময়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে উস্কানিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

গত ১৬ মে রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংসভাবে শাহীন নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তখন ওই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতাসহ আসামিদের র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছিল; যারা এখন কারাগারে আছে। বর্তমানে একটি কুচক্রী মহল পল্লবীর সেই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ’কে ব্যবহার করে নোয়াখালীর যতন সাহা’কে এভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অপপ্রচার করছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং ন্যাক্কারজনক, যা অমানবিকও বটে।

র‌্যাব আরও জানায়, গত ১২ অক্টোবর ভারতের ত্রিপুরার কমলপুর এলাকার পূজামণ্ডপ ও দোকানপাটে আগুন লাগার ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজকে রংপুরের পীরগঞ্জের হিন্দুবাড়িতে আগুন দেওয়ার ভিডিও ফুটেজ বলে অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে চক্রান্তকারীরা। এছাড়াও দেড় বছরের পুরনো বিভিন্ন ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনা বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি চক্র। এরূপ উস্কানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের সাইবার নজরদারি ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে গুজব ছড়ানো ও উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে র‌্যাব কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে মাধ্যমে সচেষ্ট থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওমানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকলো বাংলাদেশ

খেলার খবর : ওমানের টপ অর্ডার ব্যাটাররা ভীষণ চাপে রেখেছিল বাংলাদেশকে। ক্যাচ মিস কিংবা উইকেট না আসায় অস্বস্তিতে ছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। তবে সাকিব আল হাসান আর মুস্তাফিজুর রহমানের দারুণ বোলিংয়ে উল্টো চাপে পড়ে ওমান। শেষ পর্যন্ত তারা ১২৭ রান করতে সক্ষম হয়। আর ম্যাচটা ২৬ রানে জিতে বাংলাদেশ টিকে রইলো বিশ্বকাপে।

লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম ওভারেই আসে ১২ রান। তবে দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন মোস্তাফিজ। আকিব ইলিয়াসকে ফিরিয়ে দেন প্রথম বলেই। উইকেট হারিয়েও হাল ছাড়েনি ওমান। ৫ ওভারে তুলে নেয় ৪০ রান। ৬ষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেই ফিরতে পারত যতীন্দর সিং।

মোস্তাফিজের বলে ক্যাচ ফেলে দেন মাহমুদউল্লাহ। তবে যতীন্দরকে না পারলেও একই ওভারে ফিজ ফিরিয়ে দেন কাশিয়াপ প্রজাপতিকে। ১০ ওভার শেষে ওমানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭০ রান। দলীয় ৮১ রানে ফেরেন জিশান মাকসুদ।

১২ রান করা জিশানকে ফেরান মেহেদী। নিজের তৃতীয় ওভারে সাকিব ফিরিয়ে দেন বিপজ্জনক হতে থাকা জিতেন্দরকে। ৩৩ বলে ৪০ রান করে আউট হন জিতেন্দর। ১৫ তম ওভারে এক শ ছাড়ায় ওমানের রান। তবে দ্রুত আরও তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন সাইফউদ্দিন ও সাকিব।

তিন উইকেটের দুটিই নেন সাকিব। এমনকি হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন সাকিব। ১০৫ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ওমান। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে নেয় ২৬ রানে।

এর আগে ওমানের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। একাদশে সৌম্য সরকারের জায়গায় দলে আনা হয় মোহাম্মদ নাঈমকে। ওমানের পেস আক্রমণের সামনে বেশ সতর্কভাবে শুরু করে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলেই লিটনকে ফিরিয়ে উল্লাসে মাতেন ওমানি পেসার কলিমুল্লাহ।

তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান লিটন। জীবন পেয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন লিটন। পরের ওভারে বিলাল খানের লেগবিফোরের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিভিউ নিয়ে লিটনকে বিদায় করে ওমান। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে আসে বাংলাদেশের প্রথম বাউন্ডারি। পরের ওভারে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ধাক্কা দেন ফাইয়াজ বাট। দুর্দান্ত এক ফিরতি ক্যাচে ফিরিয়ে দেন তিন নম্বরে উঠে আসা মেহেদী হাসানকে। রানের খাতায় খুলতে পারেননি এই অলরাউন্ডার।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে সাবধানী হয়ে খেলতে শুরু করেন নাঈম ও সাকিব। তবে একের পর এক ডটে চাপ বাড়ছিল রানরেটে। প্রথম ৬ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল ২৯। এরপর ব্যক্তিগত ১৮ রানে জীবন পান নাঈম। ক্যাচ মিস করে নাঈমকে ছয় উপহার দেন যতীন্দর সিং। বাজে ফিল্ডিং প্রদর্শনীতে পরের ওভারে দ্বিতীয়বার জীবন পান নাঈম।

বোলিংয়ে শুরু থেকে ছন্দে থাকলেও, ফিল্ডিং ও ক্যাচিংয়ে শুরু থেকেই ভালো করতে পারেনি ওমান। ওমানি ফিল্ডারদের ভুলের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন নাঈম-সাকিব। ১০ ওভারে এ দুজন দলকে নিয়ে যান ৬৩ রানে। ধীরে ধীরে রানের গতিও বাড়ান এ দুজন। বিশেষ করে ব্যাট হাতে সাকিব ছিলেন বেশ সাবলীল। ১২ তম ওভারে চার-ছয়ে ১৭ রান নিয়ে স্ট্রাইক রেটও কিছুটা বাড়িয়ে নেন সাকিব-নাঈম। ১৪ তম ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ একশ ছাড়ায়।

একই ওভারে ফিরে যান সাকিব। শুরু থেকে বাজে ফিল্ডিং করা ওমান সাকিবকে ফেরায় দুর্দান্ত এক রান আউটে। আকিব ইলিয়াসের সরাসরি থ্রুতে ফেরেন ২৯ বলে ৪২ রান করা এই অলরাউন্ডার। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নুরুল হাসান সোহানও। ফিরছেন ৩ রান করে। তবে প্রান্ত আগলে ফিফটি পূরণ করে নেন নাঈম। ১ রান করে আউট হয়ে যান আফিফ হোসেনও।

শেষ দিকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আউট হয়ে যান নাঈমও। ৪৯ বলে ৬৪ রান করেন এই ওপেনার। দলের সংগ্রহে তেমন অবদান রাখতে পারেননি মুশফিকও। ৬ রান করে ফিরেছেন ফাইয়াজ বাটের বলে নাসিম খুশিকে ক্যাচ দিয়ে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫৩ রান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে শান্তি শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ শাখা আয়োজনে রংপুরের পীরগঞ্জ সহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ” শান্তি শোভাযাত্রা” ও সম্প্রীতি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হয়ছে ।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ( সামেক) ছাত্রলীগের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মঙ্গলবার ( ১৯ অক্টোবার) দুপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে (সামেক) ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আজমল হোসেনের নেতৃত্বে একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করে পুরো ক্যাম্পাসে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে রুঁখে দিতে বিভিন্ন স্লোগানে দেন তারা

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সামেক ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাঈম ইসলাম সজীব,দপ্তর সম্পাদক রিফাত হোসেন। ছাত্রলীগ নেতা সুমন কুমার শীল,রসিফুর রহমান দিপ,খালিদ হোসেন প্রমুখ।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই দেশ স্বাধীন করা হয়েছিলো, এই দেশে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় আ’লীগের সম্প্রীতি সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য বিনষ্ট করার জন্য একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক হানা হানির পায়তারা চালাচ্ছে, চলমান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের প্রতিবাদে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরায় সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে বিকেল ৪টায় জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌর আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য এস.এম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আরা, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক মো. আফসার আলী, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা পারভীন রতœা, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন হোসেন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. সুব্রত কুমার ঘোষ, নির্বাহী সদস্য নাজমুন আসিফ মুন্নি, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী হাশিম উদ্দিন হিমেল,

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক গনেশ চন্দ্র মন্ডল, ধুলিহর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো.মিজানুর রহমান বাবু সানা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম রেজা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক তহমিনা ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সোনিয়া পারভীন শাপলাসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তারা বলেন,,“ হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য বিনষ্ট করার জন্য একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক হানা হানির পায়তারা চালাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারকে যারা হত্যা করেছে তারাই বারবার দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে ও উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য বিনষ্ট করার জন্য এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য সকলকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।’

সমাবেশ শেষে চলমান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের প্রতিবাদে সারা দেশের ন্যায় শান্তি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এসময় জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌর আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মো. রাশেদুজ্জামান রাশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ছাত্রী অপহরণ চেষ্টা মামলায় দুই ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে ছাত্রী অপহরণ চেষ্টা মামলায় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।

অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ নেতা হলেন, আশাশুনির শ্রীউলা ইউনিয়নের নাসিমাবাদ গ্রামের ইদ্রিস ফকিরের পুত্র ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান পল্টু এবং সিরাজুল গাজীর পুত্র ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল গাজী।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, হিজলিয়া গ্রামের সোহরাব গাজীর কলেজ পড়–য়া কন্যা (১৭) কে বিভিন্ন সময়ে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল লাঙ্গলদাড়ীয়া গ্রামের মিজানুর গাজীর পুত্র ইব্রাহীম গাজী। এর জের ধরে গত ১৫ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে লাঙ্গলদাড়িয়া রাস্তার উপর একা পেয়ে ইব্রাহীম গাজী ও জুয়েল গাজী কলেজ পড়–য়া কন্যার স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর কন্যার ভাই হুমায়ুন কবিরসহ অন্যরা প্রতিবাদ করলে তারা চলে যায়। পরের দিন ১৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীউলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান পল্টুর নেতৃত্বে ইব্রাহিম, জুয়েল গাজী, মৃত. আনছার গাজীর পুত্র মিজানুর গাজী, কলিমাখালী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র রফি সরদার, আব্দুস সবুর সরদার, আব্দুল আজিজ সরদারের পুত্র মিন্টু সরদার, এরমান সরদারের পুত্র উজ্জল সরদার, আব্দুল জব্বারের পুত্র সুন্দর আলী ও এফাজ উদ্দীনের পুত্র আব্দুল আজিজসহ ৮/১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সোহরাব হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তার কন্যাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এতে ভুক্তভোগীর ভাই হুমায়ুন কবির বাধা দিতে গেলে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এঘটনায় ভুক্তভোগী কন্যার পিতা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ০৯, তাং- ১৮.১০.২০২১।

উক্ত মামলায় মঙ্গলবার আশাশুনি সহকারী জজ আদালতে উল্লেখিত আসামীদের মধ্যে আজিজুর রহমান পল্টু ও সুন্দরআলী জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।

এঘটনায় ভুক্তভোগীর কন্যার পিতা সোহরাব হোসেন জানান, বর্তমানে মামলা তুলে নিতে আসামীদের স্বজনরা বিভিন্ন মাধ্যমে খুন জখমসহ হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। তিনি
আসামীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
রংপুরের পীরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয় থেকে এ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমিতে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশে মিলিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: সুমন হোসেনের নেতৃত্বে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শোভাযাত্রা অংশগ্রহণ করেন, সদর, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত চিহ্নিত, শীঘ্রই গ্রেফতার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের খবর : কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত চিহ্নিত হয়েছে, তাকে শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাকে আমরা শনাক্ত করেছি। সে বার বার তার অবস্থান পরিবর্তন করছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আমরা ধরে ফেলতে পারব। কুমিল্লায় কেন সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা আমরা জানতে পারব।

মঙ্গলবার ‘র‍্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

র‍্যাবের সব ব্যাটালিয়ন ও ক্যাম্প পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহার বিস্তৃত করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুপুরে র‍্যাব সদর দফতরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

যারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, উসকানি দিচ্ছেন, তাদের খুব শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে। তাদের জবাব দিতেই হবে।

মন্ত্রী বলেন, আজ পর্যন্ত কোনো পূজা মণ্ডপে কোনো কিছু ঘটেনি। কিন্তু এবার দেখছি অপ্রীতিকর কিছু ঘটনা ঘটে গেছে। কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে কিছু উগ্র মানুষ হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি উপাসনালয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা করেছে। সেখানে পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়েছে। সেখানে ৪ জন মারা গেছেন। আজ আরেকজন মেডিকেলে মারা গেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেন এই হত্যাকাণ্ড, কেন এই মৃত্যু; কার উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য এই মৃত্যু? আমরা দেখলাম পরিতোষ নামে এক অল্প বয়সী ছেলে ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দিয়েছে। সেটা কেন্দ্র করে সহিংসতা। আমাদের পুলিশ বাহিনী তার বাড়ি ঘর রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যে তার পাশের গ্রামে অগ্নি সংযোগ লুটপাট ভাঙচুর হয়েছে। আমরা এর নিন্দা জানাই।

আসাদুজ্জামান বলেন, অতীতেও ফেইসবুকে মিথ্যে প্রচারের মাধ্যমে রামু, নাসিরনগর ও ভোলায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সয়াবিন তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৭ টাকা

দেশের খবর : ফের দেশের বাজারে খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৭ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল হয়েছে ১৬০ টাকা, যা আগে ছিলো ১৫৩ টাকা। আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম হয়েছে ১৩৬ টাকা, যা আগে ছিলো ১২৯ টাকা। বুধবার (২০ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনটির সচিব মো. নুরুল ইসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পাম ওয়েলের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিবেচনায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দামে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল মিলগেটে দাম ১৩৪ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১৩৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ১৩৬ টাকা। বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল মিলগেটে ১৫০ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১৫৪ টাকা ও খুচরা পর্যায়ে ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে। ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলগেটে ৭২০ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৭৪০ টাকা ও খুচরা পর্যায়ে ৭৬০ টাকা। আর পাম তেল প্রতি লিটার মিলগেটে ১১৬ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১১৭ ও খুচরা পর্যায়ে ১১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ দাম পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ে পুরোনো মজুতকৃত তেলের ওপর কার্যকর হবে না।

এর আগে রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য (আইআইটি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত নিত্যপণ্যের মজুত পরিস্থিতি, আমদানি ও দাম নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকে তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।

ওই বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সফিকুজ্জামান বলেন, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আমরা ১৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিলাম। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাচ্ছিল, তাই তারা ৮/১০ দিনের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন। ২০১১ সালের আইন অনুযায়ী, প্রতি ১৫ দিন অন্তর ট্যারিফ কমিশন অ্যানালাইসিস করে সুপারিশ করবে। আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রিফাইনারিদের সঙ্গে আলোচনা করে মূল্য নির্ধারণ করি। পরে রিফাইনারি অ্যাসোসিয়েশন তাদের অফিসিয়াল প্যাডে এটা ডিক্লেয়ার করে।

তেলের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে সফিকুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ভেজিটেবল ওয়েল রিফাইনার অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফেকচার অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাব ছিল, বোতলজাত কেজিপ্রতি তেলের দাম ১৬৮ টাকা করার। ট্যারিফ কমিশন একাধিকবার বসে অ্যানালাইসিস করে ১৬২ টাকা প্রস্তাব করেছে। এটা ছিল সেপ্টেম্বর মাসে অ্যাভারেজ রিপোর্ট। আজকে (রোববার) দীর্ঘ আলোচনায় প্রতি কেজি বোতলজাত তেলের দাম ঠিক করা হয়েছে ১৬০ টাকা, যেটার আগে দাম ছিল ১৫৩ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest