সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

হাজীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ-মৃত্যুর ঘটনা গুজব: পূজা উদযাপন পরিষদ

অনলাইন ডেস্ক : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সনাতন সম্প্রদায়ের ১০ বছরের এক শিশুকে নিয়ে ছড়ানো খবরটি ‘অসত্য ও গুজব’ বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কুচক্রী মহল একটি সাম্প্রদায়িক ইস্যু বানিয়ে গুজব রটাচ্ছে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এ মর্মে খবর ছড়ানো হয় যে, ‘ধর্ষণের শিকার সনাতন সম্প্রদায়ের ১০ বছরের ওই শিশু মারা গেছে’। এমনকি শিশুটির সঙ্গে তার ‘মাসি (খালা) ও বোনও ধর্ষণের শিকার হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে’ বলে কোনো কোনো পোস্টে দাবি করা হয়।
এ খবরকে নাকচ করে দিয়ে হাজীগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রুহিদাস বণিক এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘কতিপয় কুচক্রী মহল হাজীগঞ্জে নারী ও শিশুর শ্লীলতাহানি ঘটেছে বলে এক ধরনের গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছে। তবে এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, জাতীয় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বা বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের কোনো নেতৃবৃন্দ অবগত নয়। অতএব সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের গুজব পরিহার করার জন্য অনুরোধ করছি।’

হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শোয়েব আহমেদ চিশতী বলেন, ‘খবরটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে আমি বেশ কয়েকবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নথিপত্র খুঁজেছি। তবে এ ধরনের কোনো রোগী আমাদের হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়নি। তার কোনো রেকর্ড নেই। আমি কিছুক্ষণ আগেও পুনরায় পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। কিন্তু এমন কোনো কিছু পাইনি।’

জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তমাল ঘোষ বলেন, ‘হাজীগঞ্জে যদি এই ধরনের কোনো ঘটনা হতো তাহলে অবশ্যই তা আমি অবগত হতাম। যেহেতু এই বিষয়ে এখনো আমি কিছু জানি না, সেহেতু মনে হয় না যে এ ধরনের কিছু হয়েছে। হলে আমি অবশ্যই জানতে পারতাম।’

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনুর রশিদ বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। যতটুকু জেনেছি এ ধরনের কোনো ঘটনা হাজীগঞ্জ ঘটেনি। বিষয়টি গুজব।’
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) অঞ্জনা খান মজলিশ
বলেন, ‘বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। ইতোমধ্যে উপজেলার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং নেতারা নিশ্চিত করেছেন।’

যারা এই ধরনের গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে হুঁশিয়ারি দিয়ে জেলা প্রশাসক জনসাধারণের উদ্দেশে বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। এখানে কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করবেন না এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের শৃঙ্খলা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। কেউই গুজবে কান দেবেন না। কোনো কিছু শুনলে আগে তার সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করুন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় জমি-জমা বিরোধে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম

তালা অফিস :
তালায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে, গককাল শনিবার সকালে তালা সদরের খাজরা গ্রামে। আহত খাজরা গ্রামের শহর আলী শেখের ছেলে নিছার উদ্দিন শেখ (৫৫) ও তার স্ত্রী শামীমা আক্তার সীমা (৩৬) বর্তমানে তালা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

তালা হাসপাতালে ভর্তি নিছার উদ্দিন জানান, একই এলাকার রমজান আলী শেখ (৫৬) গংদের সাথে বসত বাড়ীর জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় শনিবার সকালে বাড়ীর পূর্ব পাশের্^ রাস্তার ধারে ঘেরা-বেড়া মেরামত করার সময় আমাকে ও আমার স্ত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে প্রতিপক্ষরা। এ সময় প্রতিপক্ষরা বাড়ীতে লুটপাট চালায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় নিছার উদ্দিন বাদী হয়ে তালা থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমজানের ছেলে হাফিজুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উল্টো ওরাই আমাদের মারপীট করেছে।

তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিভিন্ন স্থানে মন্দির বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শারদীয় দুর্গোৎসবে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ভাংচুর, লুটপাট, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা নিউমার্কেট চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা পূজা উদযাপন পরিষদের জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ ঘোষ।

পূজা উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরার সভাপতি বিশ^জিৎ সাধু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ^নাথ ঘোষ, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: সুশান্ত ঘোষ, ঐক্যপরিষদের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য এড. সোমনাথ ব্যানার্জী, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, সাতক্ষীরা ইসকন মন্দিরের অধ্যক্ষ পরম পুরুষ কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী, জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত,

সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম দাশ সোনা, ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক বাসুদেব সিংহ, জেলা মন্দির সমিতির সহ-সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাস, সমীর বসু, সনাতন ধর্মীয় যুব সংগঠনের সভাপতি ডা: সুব্রত ঘোষ, জোৎ¯œা দত্ত, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের মিলন কুমার রায়, ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহবায়ক সুজন বিশ^াস প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা শারদীয়া উৎসবে পরিকল্পিকভাবে পবিত্র কোরআন রেখে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টি করে হিন্দুদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর লুটপাটের নিন্দা জানিয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন ও দ্রুত বিচার আইনে দোষীদের শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পাশাপাশি দেশে আর যাতে কোন ধরনের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা না ঘটে সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক নিত্যনন্দ আমীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় মাদকবাহী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় নিহতের ঘটনায় পুলিশ সদস্য উত্তম বরখাস্ত

তালা অফিস :
খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে মাদক বহনকারী একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় আব্দুল গফুর মাহমুদ (৬৫) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। নিহত গফুর মাহমুদ তালা উপজেলার মদনপুর গ্রামের মৃত নেহাল উদ্দিন মাহমুদের ছেলে।

দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ঘাতক প্রাইভেটকারটি (ঢাকা মোট্রা-খ ১২ -৬৪৫৫)আটক করে। পরে হাইওয়ে পুলিশ জণতার উপস্থিতিতে গাড়ীটি উদ্ধার পূর্বক, গাড়ীর ভিতর থেকে ৬ বোতল ফেনসিডিল, নগদ ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় প্রাইভেটকার আরোহী সাতক্ষীরা আদালত পুলিশ উত্তম দাস (২৬) ও চালক সাতক্ষীরা সদরের লুৎফর রহমান (২৫) কে আটক করে হাইওয়ে থানা পুলিশ।

এদিকে মাদকের ঘটনায় আটক সাতক্ষীরা আদালত পুলিশ উত্তম দাসকে চাকুরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালা উপজেলার মদনপুর বাজার এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গফুর মাহমুদ মদনপুর বাজার এলাকা থেকে সকাল ১০টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় খুলনাগামী একটি বেপরোয়া গতির প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলে সাজোরে ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে ছিটকে খাদে পড়ে যায়।

এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী আব্দুল গফুরকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এবং স্থানীয়দের উপস্থিতে প্রাইভেটকারটি তল্লাশি চালিয়ে ৬ বোতল ফেনসিডিল, ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুমেক হাসপাতালে গফুর মাহমুদের মৃত্যু হয়। প্রতক্ষদর্শীরা আরও জানায়, দুর্ঘটনায় পরপরই আহত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য এক লাখ টাকা দেয় প্রাইভেট আরোহী মাদককারবারী উত্তম দাস।

এ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে চুকনগর হাইওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী হাসান জানান, সিসি দেখে পুলিশ সদস্য প্রাইভেটে যোগে খুলনা যাওয়ার বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম জানান, এ ঘটনায় হাইওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী হাসান বাদী হয়ে তালা থানায় মামলা করেছে। মামলা নং ৯। তারিখ-১৫/১০/২০২১ ইং

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে রেখে নিজ মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক খায়রুল

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় প্রথম স্ত্রী রেখে নিজ মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সাথে বাল্য বিবাহের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার ধানদিয়া ইউনিয়নের মানিকহার এলাকায় এঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষক ধানদিয়া ইউনিয়নের ওমরপুর গ্রামের মৃত মুসলিম সানার পুত্র। তিনি মানিকহার দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটার মো: খায়রুল ইসলাম।

জানা গেছে, মানিকহার দ্বিমুখী মাদ্রসার শিক্ষক খায়রুল ইসলামের কাছে প্রাইভেট পড়তো একই প্রতিষ্ঠানের এস এস সি পরীক্ষার্থী মানিকহার গ্রামের আব্দুল মাজেদের কন্যা শান্তা। প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে ফুঁশলিয়ে গত কায়েক মাস পূর্বে শান্তাকে বাল্য বিবাহ করে শিক্ষক খায়রুল ইসলাম। অথচ খায়রুল ইসলাম গত ১১ বছর পূর্বে ওমরপুর এলাকার ওহাব মোড়লের কন্যা তানিয়াকে বিবাহ করেন। প্রথম স্ত্রী থাকার পরও খায়রুল ইসলাম তার প্রতিষ্ঠানের ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ফুশলিয়ে বিবাহ করেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত খায়রুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার ১ম স্ত্রীর অনুমতি নিয়ে তাকে বিবাহ করেছি। ১০ম শ্রেণিতে পড়লেও শান্তার বয়স ১৯ বছর।

বাল্য বিবাহের শিকার শান্তার পিতা আব্দুল মাজেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, খায়রুল কে আমি অনেক বিশ^াস করতাম। তার কাছে আমার কন্যা প্রাইভেট পড়তো। কিন্তু সে যে এতবড় টাউট তা আমি জানতাম না। আমার একমাত্র কন্যাকে ফুশলিয়ে বিবাহ করায় আমার স্ত্রী এবং আমি মানষিকভাবে ভেঙে পড়েছি।

মানিকহার দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসা সুপার ফজলুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি খায়রুল শান্তাকে বিবাহ করেছে। কিন্তু কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খায়রুল ইসলামের ১ম স্ত্রীর ভাই আজহারুল ইসলাম বলেন, গত ১০/১১ বছর পূর্বে আমার বোনের সাথে খায়রুলের বিবাহ হয়। সে সময় খায়রুলের কিছুই ছিলো না। আমরা টাকা খরচ করে তাকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছি। খায়রুল চাকুরি পাওয়ার পর থেকে তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ফুশলিয়ে প্রেমের সম্পর্ক করে। এনিয়ে ইতোপূর্বে একাধিবার শালিসও হয়েছে। সম্প্রতি খবর পেয়েছি খায়রুল তার প্রতিষ্ঠানের ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ফুশলিয়ে বিবাহ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় মাদক ও স্বর্ণ বহনকারী প্রাইভেটের ধাক্কায় নিহত ১
তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মদনপুরে ফেনসিডিল বহনকারী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আব্দুল গফুর মাহমুদ (৬৫) নিহত হয়েছেন। নিহত গফুর মাহমুদ তালা উপজেলার মদনপুর গ্রামের মৃত নেহাল উদ্দিন মাহমুদের ছেলে।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালা  উপজেলার মদনপুর বাজার এলাকায় দূর্ঘটনা ঘটে। পরে আজ বিকেলে খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন তিনি। ঘাতক প্রাইভেটকার থেকে ৬ বোতল ফেনসিডিল, নগদ ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধের সাতক্ষীরা কোর্টের কর্মরত পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল নং ৯৯৭) উত্তম দাস (২৬) ও চালক  সাতক্ষীরা সদর থানার লুৎফর রহমান (২৫) কে আটক করে খর্ণিয়া (চুকনগর) হাইওয়ে থানা পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানাগেছে, গফুর মাহমুদ মদনপুর বাজার এলাকা থেকে সকাল ১০টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এসময় সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে আসা বেপরোয়া গতির খুলনাগামী (ঢাকা মেট্রো ১২-৬৪৫৫) ফেন্সিডিলসহ চোরাই কারবারীর স্বর্ণ বহনকারী একটি প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলর সাজোরে ধাক্কা দিলে দুমড়ে-মুচড়ে  ছিটকে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়।
এতে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়ে গুরতর আহত হন। এসময় বিক্ষুদ্ধ জনতা চড়াও হয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।  এসময় স্থানীয়দের উপস্থিতে প্রাইভেটকার তল্লাশী করে ৬ বোতল ফেনসিডিল, ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার করে পুলিশ । এসময় আহত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য এক লাখ টাকা দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ ও এলাকাবাসী। কিন্তু আহত গফুর  বিকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। চুকনগর হাইওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী হাসান ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সিসি ব্যাতিরেকে পুলিশ সদস্য প্রাইভেটে যোগে খুলনা যাওয়ার বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইছামতির বুকে নিজ সীমারেখা প্রতিমা বিসর্জনে মিলন মেলা

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : উৎসাহ, উদ্দীপনা আর আনন্দ উল্লাসে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যেবর্তী ইছামতি নদীতে স্ব স্ব কিনারায় বিসর্জন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজয়া দশমীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে উভয় দেশের সীমানার গণ্ডির ভিতরেই ছিল মেলার আনুষ্ঠনিকতা।
কয়েক বছর ধরে বন্ধ হওয়া মেলাটিতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মেলাটি পরিণত হত দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলায়। সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলাধীন ইছামতি নদীর টাউনশ্রীপুরে এবং ভারতের টাকি পৌরসভা এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে এই মেলা বসত এই মেলা। এতে অংশ নেয় দুই বাংলার লাখো মানুষ।

শুক্রবার বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের মধ্যে মিলন মেলা দেখতে না পাওয়া গেলেও নিজ নিজ সীমা রেখার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় বিজয়া দশমির প্রতিমা বিসর্জন মিলন মেলা। দুই বাংলার মিলন মেলার ভেলা ভাসলোও নদীর জিরো পয়েন্টে ডিঙ্গি নৌকায় লাল ফ্লাগ উড়িয়ে দু’দেশের সীমানা নির্ধারন করতে দেখা যায়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা বিসর্জনাস্থল দেবহাটার ইছামতি নদী। দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ব বৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। এই বিসর্জন কে ঘিরে অনুষ্ঠিত হয় মিলন মেলা।

এদিকে বেলা গড়ার সাথে সাথে নদীর দেবহাটার টাউন শ্রীপুর ও ভারতের টাকির দু’পারে জড়ো হতে থাকে লাখো মানুষ। দুপুর থেকে দেবহাটাসহ অন্যান্য সীমান্ত এলাকার বিপুল সংখ্যক দূর্গা প্রতিমাকে বিসর্জনের জন্য নিয়ে আসা হয় সীমান্ত নদীতে। একই সাথে দেবহাটার বিপরীতে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাসনাবাদ, টাকী ও হিঙ্গলগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার প্রতিমাও নিয়ে আসা হয়।
বিগত বছরগুলোতে এই দিনে ইছামতি নদীর তীরে আন্তর্জাতিক সীমারেখাসহ দ্বিধা—দ্বন্দ ভুলে মিলন মেলায় মিলিত হয় প্রতিবেশী দু’দেশের হাজার হাজার মানুষ।

কিন্তু কয়েক বছর আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে এবং উভয় দেশের মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করে পারাপারসহ সন্ত্রাসী, পলাতক আসামী, দুষ্কৃতিকারীরা যাতে করে অবৈধভাবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে না যেতে পারে সেজন্য কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। তারই পরিপেক্ষিতে দু’দেশের জাতীয় ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠিন সিদ্ধান্তে ঐতিহ্যবাহী এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হলেও কেউই কোন দেশের স্থলে উঠতে পারেনি। দিনটিতে নিরাপত্তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ—ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণী ইছামতি নদীর বিস্তৃত জিরো পয়েন্ট এলাকা জুড়ে নৌযানে টহল জোরদার করে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সদস্যরা। তাছাড়া দায়িত্বরত অবস্থায় পর্যাপ্ত সংখ্যক সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা পুলিশ, প্রবেশ পথ সহ সকল সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ দায়িত্ব পালন করে।

এদিকে, অশ্রম্নসিক্ত চোখে ভারতীয় সময় দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা এবং বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টা থেকে সাড়ে চারটার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে দেবী দূর্গাকে বিদায় জানায় দেশের হিন্দু স¤প্রদায়ের হাজার হাজার মানুুষ। তবে সুষ্ঠভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।
প্রতিবছর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে বাংলাদেশ সীমান্তে ব্যাপক আয়োজন করা হয়। এবিষয়ে স্থানীয়রা বলেন দেশ বিভাগের অনেক আগে থেকেই সীমান্তের ইছামতি নদীর উভয় তীরে দূর্গা পূজার শেষ দিন বিজয়া দশমীতে মেলা বসে আসছে। দেশ বিভাগের পরও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি সীমান্তের সীমারেখা। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে এ মেলা কখনও বন্ধ হয়নি। সারা বছর ধরে শুধু ইছামতি নদীর পাড়ের মানুষ নয়, বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এ দিনটির জন্যে থাকে অপেক্ষায়। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিজর্সন উপলক্ষে ইছামতির উভয় পাড়ে বসে নানারকমের দোকান। আত্বীয়—স্বজনদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত ছাড়াও এখানে আসা মানুষ উভয়ের মধ্যে ভাব বিনিময় শেষে সন্ধ্যার পরে ফিরে যায় যে যার দেশে, যে যার ঘরে। বাঙ্গালীর জাতীর সর্বজনীন উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা বিজয়া দশমী প্রতিমা বিসর্জন ঐতিহ্য যাতে হারিয়ে না যায় এবং আগামী প্রজন্ম আরও ভালো ভাবে উপভোগ করতে পারে সে জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল

দেবহাটা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় পূজা ম-পে পবিত্র কুরআন অবমাননা করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে পারুলিয়া কেন্দ্রীয় সেড মসজিদ থেকে একটি মিছিল বের হয়। পরে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ থেকে মুসল্লিরা সমাবেশে যোগ দেয়। মিছিলটি পারুলিয়া, সখিপুর, ধোপাডাঙ্গা এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পারুলিয়া আবু রায়হান চত্বরে মিলিত হয়।

পরে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সেড মসজিদের ইমাম মুফতি আব্দুর রহমান, মদিনা মসজিদের ইমাম কারী ফজলুল হক আমিনী, মাওলানা গোলাম সরওয়ার হাবিবী, খেজুরবাড়িয়া জামে মসজিদের ইমাম মুফতি হারুনুর রশিদ হাবিবী, বাইতুল ফালাহ মসজিদের ইমাম হোসাইন, সখিপুর বাজার মসজিদের ইমাম হাফেজ কামরুল ইসলাম, বাইতুন্নুর জামে মসজিদের ইমাম নাসির বিন মিজান প্রমুখ।

এসময় বক্তরা ওই ঘঁনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। একই সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের উপর কেউ আঘাত না করে সে জন্য সকলের অনুরোধ জানান। বক্তরা আরো বলেন, মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ মহাগ্রন্থ আল কুরআনের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বা অসম্মান মেনে নেওয়া হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest