সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

সাতক্ষীরা সদরের ১৩ ইউপি’র প্রার্থী ৭৪৮: চেয়ারম্যান ৭৩, সংরক্ষিত ১৬২ এবং সদস্য ৫১৩ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন প্রার্থীরা। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত (১৭ অক্টোবর) চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৭৪৮জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৭৩জন, সাধারণ ইউপি সদস্য পদে ৫১৩ জন ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য পদে ১৬২জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

সাতক্ষীরা সদরের রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার সেখ শরিফুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে মোট ১৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এরমধ্যে আওয়ামী লীগ ১৩, জাতীয় পার্টির ৩ এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের ৩ জন প্রার্থী রয়েছে। এছাড়া ৫৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

সেখ শরিফুল ইসলাম আরো জানান, ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে কুশখালীতে চেয়ারম্যান পদে সর্বোচ্চ ১৩ জন প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া এই ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ৪০ ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। চেয়ারম্যান পদে সর্বনি¤œ ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে ঝাউডাঙ্গায়। এখানে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১৩ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৪৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এছাড়া বৈকারী ইউনিয়নেও চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১০ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

বাঁশদহা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১০ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ঘোনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। শিবপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

ভোমরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ধলিহর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৪৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৬ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

আগরদাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৭জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৭ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৫৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

বল্লী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। লাবসা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৬ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৪০জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ফিংড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৫ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
সাতক্ষীরা সদরের রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার সেখ শরিফুল ইসলাম আরো জানান, মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২১ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৪ অক্টোবর, যার নিষ্পত্তি হবে ২৫ অক্টোবর। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৬ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ হবে ১১ নভেম্বর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বরেণ্য আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফার জন্মদিন

সত্তরের দশকে যখন গোলাম মোস্তফা, ইকবাল বাহার চৌধুরী, সৈয়দ হাসান ইমামদের হাত ধরে এদেশে আবৃত্তির সুচারু এক বাতাবরণ সৃষ্টি হয় তখনও ধ্রুপদী সংগীত ও আবৃত্তি চর্চা ছিল উচ্চমার্গীয় শ্রেনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ।কিন্তু আশির দশকের গোড়ার দিকে এদেশে সামাজিক রুপরেখা ও শিল্পরুচির পরিবর্তন দেখা দিলে আবৃত্তি তার সীমাবদ্ধতার খোলস ছেড়ে গনমানুষের হতে শুরু করে।

কয়েকজন নামি বেনামি নবীন প্রবীনের মিশেলে স্বল্প সংখ্যক আবৃত্তিপ্রেমির হাতেই জ্বলে ওঠে এই শিল্পের গণমুখী মশাল, শুরু হয় প্রাচীনতম অভিজাত শিল্পটির এই দেশে নতুন রুপে অগ্রযাত্রা।তৎকালীন সেই অগ্রনায়কদের মধ্যে ছিলেন একজন নবীন কিশোর।

যিনি সু-শীলনের মাধ্যমে এবং পারিবারিক শিল্পধারা তার অন্তর্গত রক্তে প্রবাহিত হওয়ার কারনে সেই কৈশোরকালীন বয়সেই বোধের হাতুড়ি ও কন্ঠের ছেনি দিয়ে কবিতাকে ভাষ্কর্য বানিয়ে ফেলতে পারতেন অনায়াসে। বোধের ক্যানভাসে কন্ঠতুলি দিয়ে সুনিপুন ভাবেই আঁকতে পারেন কবিতার শরীরকে।কবিতার বিশুদ্ধতা ও শব্দের শুচিতাকে হৃদয়ঙ্গম করে অন্তর্নিহিত বিষয়ের প্রগাঢ় মানে করে দেন কণ্ঠ দ্যোতনায়, যা আজও চলমান। কবিতার গ্রাম অঞ্চলে আজ আবৃত্তির যতটুকু আধিপত্য এবং জয়যাত্রা সেই জয়রথের অন্যতম সারথিও ছিলেন তিনি।

বলছি বাংলা আবৃত্তিকুলের মহাপ্রাণ ব্যক্তি শিমুল মুস্তাফার কথা যার আজ ১৭ অক্টোবর জন্মদিন।ইতিহাস সাক্ষ দেয় এদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতায় রক্ত সম্ভ্রম ও প্রানের বিনিময়ে বাঙালির যে সফলতা সেখানে রাজনৈতিক আন্দোলন সঞ্জীবনিশক্তি পেয়েছে মুলত সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কাছ থেকেই।

উচ্চারনের মাধ্যমে শব্দের বিষ্ফোরণ ঘটলে সেটাযে কতটা শক্তিশালী হয়ে ভিতর কে বাইরে টেনে এনে জাগ্রত করে তোলে সেটা দেখিয়েছেন তর্জনী উঁচিয়ে ৭ মার্চ রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধু, এক উচ্চারনেই যেন একদেশ। বাংলাদেশ কবিতার দেশ শব্দ’ই বাঙালির শক্তি উচ্চারন’ই বাঙালির ক্ষেপণাস্ত্র সেটা প্রমান করেছে এদেশের কবিরা ও আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফারা।
সৈরাচার বিরোধি আন্দোলনে এক অন্য শিমুল মুস্তাফাকে দেখে বাংলাদেশ আবৃত্তিই হয়ে ওঠে তার প্রতিবাদের ভাষা,সমাবেশে মঞ্চে তিনি প্রোজ্জ্বল, প্রদীপ্ত ও উচ্চাবচ কন্ঠে ক্ষেপন করতেন কবিতাকে আর প্রতিটা শব্দ উৎসুক জনস্রোতে গিয়ে মিশতো শক্তিসেল হয়ে সে উত্তেজনা উন্মাদনার যারা সাক্ষী তারাই জানে সে মাদকতা কতটা প্রকট।কবিতায় আরোপিত দাড়ি, কমা, যতি, বিরাম অনুযায়ি আবৃত্তি হতে হবে বিষয়টা এমন না আবৃত্তি স্বতন্ত্রশিল্প,এখানে শিল্পীর স্বতন্ত্র অধিকার আছে সে অধিকার সাধনায় লব্ধ করতে হয়।

শব্দের আভিধানিক অর্থের যথার্থ প্রকাশই সবসময় একজন দক্ষ আবৃত্তিশিল্পীর লক্ষ হতে পারে না হলেও সেটা দায় সারা। অনেক সময় শব্দের অভিপ্রেত অর্থ সেই শব্দ বা কবিতাকে অন্যরুপেও প্রকাশ করায়। এই জন্য স্থান কাল পাত্র ভেদে একই কবিতা অন্তঃসার অক্ষুন্ন ভিন্ন রুপে শিমুল মুস্তাফার কন্ঠে শোভা পায়, প্রেমের কবিতাও তার কন্ঠে কখনো হয়ে ওঠে প্রতিবাদি। এজন্য তিনি গনমানুষের আবৃত্তিশিল্পী। সে সময় আবৃত্তিশিল্পের সম্ভাবনা দেখে অনেকেই এই শিল্পে ঝোঁকে,

কিন্তু সীমাহীন বিশাল এই শিল্পের তল খুজে না পেয়ে আশাহত হয়ে অনেকেই গুটিয়ে নেয় নিজেকে আবার কেউ কেউ এই শিল্পে নিজেকে জড়িয়ে রাখে যথাসাধ্য। শিল্প সন্তানের মত তাকে ধারন করতে হয় সন্তান তুল্যে যেটা শিমুল মুস্তাফা সহ আরও অনেকেই করতেন কিন্তু সমস্যা হল নব্বয়ের দশকে আবৃত্তির জোয়ার যখন কিছুটা কমে তখন দিশাহীন হয়ে পড়ে অনেকেই এই শিল্প মাথার বালিশ পেটের ভাত যোগান দিতে পারবে কিনা সেই সন্দিহানে অনেকেই বাক শিল্পের ভিন্ন ভিন্ন কলায় নিজেদের নিযুক্ত করে যেখানে যার সুবিধা সে সেখানে। কেউ মঞ্চাভিনয়ে কেউ টেলিভিশন নাটকে আবার কেউ রাজিনীতিতে, আবৃত্তি তাদের লালিত্য পেলেও সেটা অনাদরে। কিন্তু শিমুল মুস্তাফা? আবৃত্তিই তার একমাত্র শিল্পসন্তান।

হোক এই সন্তান প্রতিবন্ধী, না দিক ভবিষ্যতের স্বস্তি ও পেটের ভাতের আশ্বাস তবু কিভাবে তাকে ছেড়ে যাবে আর কেনইবা যাবে। সন্তানতুল্য যে শিল্পকে সে ধারন করেছে তাকেই সে লালন করবে এটাই যে তাঁর ব্রত। শুরু হয় তাঁর সাধনার জীবন। ৪১ বছরের এই সাধনা যজ্ঞের শুরুটা হয়েছিল দৃষ্টি দিয়ে মাঝ পথে পেয়েছেন অন্তর্দৃষ্টি পরিশেষে পেয়েছেন দিব্যদৃষ্টি হয়েছেন দিব্যজ্ঞ্যানী, হয়ে উঠতে পেরেছেন পুরাদস্তুর আবৃত্তিশিল্পী, এসব’ই তার সাধনার ফল। দীর্ঘ্য এই পথপরিক্রমায় সহোযগী হিসেবে কাউকে কাউকে কখনও পেয়েছেন তাদের কেউ আবার হারিয়ে গেছেন কেউ আবার অকালে পৃথিবী ছেড়েছেন তিনি হয়েছেন একা তবুও তিনি দমেননি হতাশ হননি লক্ষ অটুট রেখে এগিয়ে নিয়েছেন নিজেকে কোন কিছুর আশায় না শুধুমাত্র ভালবাসার তাগিদে।নব্বয়ের দশকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আবৃত্তিপ্রেমিদের ঘরে ঘরে পৌছে গিয়েছিল তার আবৃত্তির ক্যাসেট। অনেকেই তাঁকে শুনে শুনে কবিতা পড়া শিখেছে।

শিল্পব্যাঞ্জনা ও কন্ঠদ্যোতনা দিয়ে তিনি পৌছেছেন আবৃত্তিপ্রেমিদের অনুভুতির একেবারে শেষসীমানায়।বহু জনপ্রিয় ব্যান্ড সঙ্গীতের স্রষ্টা লতিফুল ইসলাম শিবলী তাঁকে আখ্যায়িত করেছেন আবৃত্তির রকস্টার নামে।তিনি দুই বাংলাতেই সমান জনপ্রিয় তাঁর শিল্প, সাধনা ও আবৃত্তিশৈলিকে যথার্থ মর্যাদার চোখে দেখে এপার ওপার দুইবাংলার প্রতিথযশা বাচিক ও আবৃত্তিশিল্পিরা।কবি কাজি নজরুল ইসলাম যিনি গান ও কবিতা লিখে গাড়ি কিনেছিলে আর একমাত্র শিমুল মুস্তাফা যিনি কবিতা পড়ার টাকা দিয়ে গাড়ি কিনেছেন সেই প্রথম জীবনেই।

এখানে সহজেই অনুমেয় বরাবর’ই তিনি এই শিল্পের কোথায় অবস্থান করে এসেছেন।তাঁর হাতে গড়া আবৃত্তি সংগঠন বৈকুণ্ঠ এদেশের শীর্ষস্থানীয় আবৃত্তিশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেখান থেকে প্রতিবছর শতশত ছেলে মেয়েরা আবৃত্তি শিক্ষা নিচ্ছে,হচ্ছে বাকশিল্পে দক্ষ, সেই সাথে পাচ্ছে যাপিত জীবনের দীক্ষাও।দেশ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল বা বিদেশে অবস্থানরত তাঁর কাছে শিক্ষাপ্রার্থীদের কথা ভেবে তিনি শুরু করেছেন “শিমুলের পাঠশালা” নামে অনলাইন ভিত্তিক আবৃত্তিশিক্ষা কার্যক্রম সেখানেও তাঁর শিক্ষার্থির সংখ্যা সহস্রাধিক।
দেশপ্রেমিক চীরকাল ভয়ডরহীন এবং দেশের স্বাধীনতা ও ঐতিহ্যের সাথে সাংঘর্ষিক এমন কোন কিছুর সাথে আপোষহীন শিমুল মুস্তাফা’র বিশাল ব্যক্তিত্বের কাছে যে কেও নতজানু হয়ে যায়।কবিতার পথে এখনো তিনি বিরামহীন ক্লান্তিহীন, প্রতিবছর রবীন্দ্রসদনে এক টানা সাত আট ঘন্টা ৭১ টা কবিতা পড়ে দশহাজারেরও অধিক শ্রোতাকে তিনি নিমগ্ন রাখেন।আবৃত্তিশিল্প আজ আবার মাথা উঁচু করে দাড়িয়েছে,দেশের অনেক প্রাজ্ঞ বাচিকরা এখন এই শিল্পে অধিকার স্থাপনে তৎপর।

কিন্তু শিমুল মুস্তাফা তিনি বাচিক নন তিনি পুরাদস্তুর আবৃত্তিশিল্পী, তাঁকে আমার আবৃত্তি দিয়েই চিনি,শিল্প প্রকাশের তাঁর আর অন্যকোন মাধ্যম নেই তিনি প্রমান করেছেন শুধুমাত্র কবিতা পড়েই শিমুল মুস্তাফা হওয়া যায় নামের পাশে শিল্পীর অভিধা অর্জন করা যায়,নির্দিষ্ট শিল্পের প্রতি ভালবাসা সাধনা আর একগ্রতা থাকলে সফলতা সম্ভব প্রকৃতিই কৃপাময়ি হয়ে তুলে ধরে তাঁকে।শিমুল মুস্তাফার তৈরি এই রুপরেখায় এখন অনেকেই নিজেকে সঁপে এগিয়ে যাচ্ছেন।দেশে প্রাজ্ঞ বাচিকের সংখ্যা নেহাত কম না। কিন্তু প্রাজ্ঞ আবৃত্তিশিল্পী নেহাতই কম বলা বাহুল্য বাচিক আর আবৃত্তিশিল্পী এক নন। বাচিক হল তিনি যিনি বাক শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করেন। যেমন শম্ভুমিত্র তিনি কিংবদন্তী বাচিক কারন তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে সমমর্যাদায় কাজ করতেন কিন্তু সেখানে কিংবদন্তী আবৃত্তিশিল্পী এখনো পর্যন্ত দুইজন কাজী সব্যসাচি এবং প্রদীপ ঘোষ কারন তাঁদের শিল্প প্রকাশের প্রধান মাধ্যম আবৃত্তি। তেমনি আমাদের দেশেও সম্মানি ও জনপ্রিয় বাচিক অনেকেই আছেন কারন শুধুমাত্র কবিতাকে আঁকড়ে ধরে শিল্প সাধনার দুঃসাহস সবার ছিলনা। এজন্য মনে করি দেশের আবৃত্তি শিল্পকে সম্মান দিতে হলে একজন শিমুল মুস্তাফাকে অবশ্যই মুল্যায়ন করতেই হবে কারন তিনি পুরাদস্তুর আবৃত্তিশিল্পী

দেশে আবৃত্তিকর্মি হবে প্রতিবছরই,আবৃত্তিকারও হবে প্রতিনিয়ত যুগে যুগে আবৃত্তি শিল্পীও সৃষ্টি হবে।কিন্তু কবিতার পথে হাটতে হাটতে ক্লান্ত হয়ে কবিতার উপর শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে আবার কবিতার উপর জেগে উঠে বিরামহীন কবিতার পথে হেটে চলা শিমুল মুস্তাফাকে এ পৃথিবী হয়তো একবারই পায় বারবার পায়নাকো।

জন্মদিনে এই মহান শিল্পীকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা
তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ কামনা করি।তাঁর কন্ঠে কবিতারা স্বস্তিতে থাক আরও অনেক দিন।

লেখকঃ-সাহিত্য ভঞ্জ চৌধুরী(আবৃত্তিকার, সাতক্ষীরা)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় নৌকা প্রতীক পোড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

তালা প্রতিনিধি :

তালায় আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতীক পোড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় তালা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী উক্ত মানববন্ধনে শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

তালা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দীন বিশ^াসের সভাপতিত্বে ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউর রহমান ডানলপের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার জাকির হোসেন, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রাক্তন ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বিশ^াস, উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, তালা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খাঁ, আওয়ামী লীগনেতা শাহিনুর রহমান খাঁ, মীর শামছুজ্জোহা আকবর কল্লোল, ইউপি সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম, লুৎফর রহমান গোলদার প্রমুখ। এ সময় বক্তারা ঘটনার তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে ।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) রাতে তালা সদর ইউনিয়নের মাঝিায়াড়া বাজারে নৗকা প্রতীকে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়েছে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টানা ৫ দিন বন্ধর থাকার পর আবার সচল ভোমরা স্থলবন্দরের কার্যক্রম

আসাদুজ্জামান : সনাতন ধর্ম্বাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে টানা ৫ দিন বন্ধ থাকার পর আজ রবিবার সকাল থেকে আবারও শুরু হয়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। এর ফলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে। এদিকে, পণ্য বাহী ভারতীয় ট্রাক ভোমরা স্থলবন্দরে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, পণ্যবাহি বাংলাদেশী ট্রাকও ভারতের ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরে ঢুকা শুরু হয়েছে।

ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাকসুদ খান জানান, শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে গত ১২ অক্টোবর থেকে গত ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৪ দিন এবং ১৬ অক্টোবর শনিবার ভোমরা স্থলবন্দর এজেন্টস কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনের কারনে আরো এক দিনসহ মোট ৫ দিন বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর আজ সকাল থেকে আবারও শুরু হয়েছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। এর ফলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে।

ভোমরা স্থল বন্দর শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার আমির মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টানা ৫ দিন বন্ধ থাকার পর আজ থেকে আবারও যথারীতি শুরু হয়েছে বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম।

ভোমরা ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, গত ৫ দিন ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এই সময়ে বন্দর দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাবসা ইউপি’র স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন বাবু

নিজস্ব প্রতিনিধি : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লাবসা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন যুবলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বাবু। রোববার দুপুরে সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লাবসা ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত রির্টানিং অফিসার জাহিদুর রহমানের কাছে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন।

এসময় চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া বাবু বলেন, আমি নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত লাবসা ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য নিজেকে নিয়োজিত রাখবো এবং স্থায়ী জলাবদ্ধতার হাত থেকে মুক্তি পেতে লাবসা ইউনিয়নের মানুষকে মুক্ত করার জন্য কাজ করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজের ব্যানারে রবিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা মন্দির সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাড. সোমনাথ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহম্মেদ বাপী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যাণার্জি, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আনিসুর রহিম, জেলা জাসদ সভাপতি ওবায়দুস সুলতান বাবলু, সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর সরকার, আওয়ামীলীগ নেতা ডা: সুশান্ত ঘোষ, সাংবাদিক রঘু নাথ খাঁ, বাসদ নেতা অধ্যাপক নিত্যানন্দ সরকার, জেলা মন্দির সমিতির সহ-সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি আঞ্জুয়ারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক জোছনা দত্ত প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শারদীয় দূর্গাপুজা চলাকালিন কুমিল্লার নানুয়ার দীঘির পাড় মন্দিরে পরিকল্পিতভাবে রেখে দেওয়া পবিত্র কোরআন শরীফকে নিয়ে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নোয়াখালি, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টি করা হয়েছে তা কোন স্বাধীন দেশের সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না। কোরান অববমাননার দোহাই দিয়ে একটি মৌলবাদি গোষ্ঠী বর্বোরচিত এ হামলা চালিয়েছে বলে দাবী করেন বক্তারা। বক্তারা এ সময় ধর্মীয় সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন এবং মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারসহ দ্রুত বিচার আইনে মামলা নিষ্পত্তি করার জোর দাবী জানান। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। কুমিল্লাসহ সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কুচক্রী মহলের পূর্ব পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র অনুয়ায়ী পূজামন্ডপ , বিভিন্ন মন্দির, ঘরবাড়ী ভাংচুর সহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নৃশংস হত্যা, ধর্ষন, হামলা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্য লুটপাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে ১৬ অক্টোবর শনিবার বিকাল -৪ টা শ্যামনগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও জাতীয় হিন্দু মহাজোট এর আয়োজনে আলোচনা সভায় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কৃষ্ণপদ মন্ডল এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা পরিমল কৃষ্ণ মন্ডল, সহ-সভাপতি কৃষ্ণচন্দ্র মুখার্জি, অনাথ চন্দ্র হালদার ও দীনেশ চন্দ্র মন্ডল, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সুশান্ত বিশ্বাস বাবুলাল,

হিন্দু মহাজোট সভাপতি অ্যাডভোকেট স্বপন কুমার মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত গান, দলিত সম্প্রদায়ের সভাপতি কাশীনাথ দাস, ও পরিমাণ কর্মকার, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল ঘোষ, কার্তিক দত্ত, মুক্ত রাম বিশ্বাস, প্রদীপ রপ্তান, নিলুৎপাল মন্ডল, শংকর বিশ্বাস সহ বিভিন্ন পূজা মন্ডপ এর সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাবুরায় লেলিনের আয়োজিত সভায় ১৪৪ ধারা জারি!

নিজস্ব প্রতিনিধি :

শ্যামনগরের গাবুরায় আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে লেলিনের আয়োজিত জনসভার উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন।

১৬ অক্টোবর ২০২১ তারিখে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ ন ম আবুজার গিফারী স্বাক্ষরিত একপত্রে গাবুরা গাইনবাড়ী হাইস্কুল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ এবং তার আশে পাশে ৪শ গজের মধ্যে ১৬ অক্টোবর বিকাল ৩টা থেকে ১৭ অক্টোবর ২১ বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘটনার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

উক্ত পত্রে মারফত জানা গেছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে ১৬ অক্টোবর বিকালে গাইনবাড়ী হাইস্কুল প্রাঙ্গণে এক জনসভার আয়োজন করেন আওয়ামীলীগ নেতা শফিউল আজম লেলিন। একই স্থানে ও একই সময়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জি এম আবিয়ার রহমান নির্বাচনী জনসভার ঘোষণা দেন। এনিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফলে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা থাকায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest