সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

তফসিল ঘোষণা : ১০০৭ ইউপি ও পৌরসভায় ভোটগ্রহণ ২৮ নভেম্বর

দেশের খবর : দশম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। সারাদেশে এক হাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে ও ১০ টি পৌরসভায় ভোট হবে ২৮ নভেম্বর।

নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশনের ৮৭তম বৈঠকে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার তফসিল ঘোষণা করেন।

এতে বলা হয়, এসব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মনোনয়ন দাখিল হবে ২ নভেম্বর। বাছাই ৪ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১১ নভেম্বর। ভোট হবে ২৮ নভেম্বর।

ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে ৩৬৯ ইউপিতে ভোটগ্রহণ করেছে ইসি। দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউপিতে ভোট হবে আগামী ১১ নভেম্বর ভোট হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে চার হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে চার হাজার ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাকিগুলো মামলা জটিলতার কারণে নির্বাচন আটকে রয়েছে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ইতোমধ্যে নয় বার ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৭৩ সালে প্রথম ইউপি নির্বাচন এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালে নবম ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ১৯৭৭, ১৯৮৩, ১৯৮৮, ১৯৯২, ১৯৯৭, ২০০৩, ২০১১ ইউপি নির্বাচন হয়েছে। চলতি ২০২১ সালে জুন জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দশম ইউপি নির্বাচন। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে নবম ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ২০১৬ সালের ২২ মার্চ থেকে ৪ জুন পর‌্যন্ত ছয় ধাপে চার হাজার ২৭৫টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলিউডের সিনেমায় বাংলাদেশের বাঁধন!

বিনোদন ডেস্ক : অবশেষে গুঞ্জন সত্য হলো। ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের ‘খুফিয়া’ সিনেমায় অভিনয় করছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ইনস্টাগ্রামে বাঁধনের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে এই ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং পরিচালক।

ইনস্টাগ্রামে ‘হ্যাশট্যাগখুফিয়া’ যুক্ত করে বিশাল ভরদ্বাজ লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের দুর্দান্ত অভিনেত্রী বাঁধনকে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত।’

যদিও সিনেমাটিতে অভিনয়ের ব্যাপারে আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি।

নেটফ্লিক্সের প্রযোজনায় অ্যাকশন-ড্রামা ‘খুফিয়া’ সিনেমাটি অমর ভূষণের ‘এসকেপ টু নোহোয়ার’ বইয়ের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে। যেখানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (র), ভারতের বাইরের গোয়েন্দা সংস্থা এবং ২৪ ঘণ্টা নজরদারির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও একজন যুগ্ম সচিব কীভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়, সেই গল্প নিয়ে।

এর আগে চিত্রনাট্য পড়ে রাজনৈতিক গল্পের এ সিনেমায় বাংলাদেশকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে অভিযোগ তুলে অভিনয়ের জন্য অডিশনের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও মেহজাবীন চৌধুরী বলে খবর প্রকাশ হয়েছে।

‘খুফিয়া’ সিনেমার জন্য চূড়ান্ত হয়েছেন পাঞ্জাবি নায়িকা ওয়ামিকা গাব্বি, খলনায়ক চরিত্রে জনপ্রিয় আশিষ বিদ্যার্থীসহ বেশ কয়েক জন। গুঞ্জন আছে, সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে দেখা যেতে পারে বলিউড অভিনেতা আলি ফজলকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে তালগাছ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু 
নিজস্ব প্রতিনিধি:  কালিগঞ্জের চাম্পাফুল ইউনিয়নের রাজাপুর তালগাছ থেকে পড়ে শেখ খোরশেদ আলম নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ১৪ অক্টোবর বেলা আনুমানিক ১১ টার সময় চাম্পাফুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের শেখ খোরশেদ আলম নিজ বাড়ির উঠানে তালগাছে পাতা কাটতে উঠলে দুর্ঘটনা বসত গাছ থেকে পড়ে মৃত্যু ঘটে।
মরহুমের বড় ছেলে মোঃ আনিছুর রহমান জানান, আজ সকাল থেকে বাড়িতে আব্বা খোরশেদ আলম ছাড়া আর কেউ উপস্থিত ছিলো না। অনুমান করা হচ্ছে তিনি তালগাছে পাতা কাটতে উঠছিলেন।
পাশের বাড়ি থেকে কিছু পড়ার শব্দ শুনলেও কিছু না দেখতে পেয়ে গুরুত্ব দেয়নি। বড় ছেলে আনিছুর রহমান ১ টার দিকে বাড়িতে এসে আব্বাকে না দেখতে পেয়ে খোঁজ করার এক পর্যায়ে তালগাছ তলায় ভুট হয়ে পড়ে থাকতে দেখে।
পরবর্তীতে লোকজন ডাকলে খোরশেদ আলমকে মৃত্যু দেখতে পায়। ঘটনা একনজর দেখার জন্য মরহুমের বাড়িতে ভিড় পড়েছে।
এলাকাবাসী জানান,  এলাকায় কোন ব্যক্তি মারা গেলে খোরশেদ আলম স্বেচ্ছায় যেয়ে কবর খুড়ত, আর আজ কবর খোড়া খোরশেদ আলমকে দাফনের জন্য অন্যকে কবর খুড়তে হবে।
তিনি গ্রামে একজন ভালো ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। মরহুমের তিন ছেলে এবং এক মেয়ে আছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে চাম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হক ও এলাকার সুধিজন তৎক্ষণাৎ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক লক্ষ টাকায় বাঁচতে পারে ক্যানসারে আক্রান্ত চম্পার জীবন

নিজস্ব প্রতিনিধি :

মাত্র এক লক্ষ টাকায় বাঁচতে পারে জীবন যুদ্ধে হার নাম মানা বেষ্ট্র ক্যানসারে আক্রান্ত চম্পার জীবন। সমাজের আর পাঁচ জন মানুষের মত স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিল চম্পা(৩২)। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে অসহায় ভেন চালক বাবার একমাত্র এই মেয়েটির শরীরে তলে তলে বাসা বেধেছে মরনব্যধি ক্যানসার। যখন বুঝতে পেরেছে তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে।

এক মাত্র অবুজ শিশু কন্যা নুসরাত জাহান খুশির(৮) জন্য হলেও বাঁচতে চায় এই মা। অবুজ শিশু খুশি (৮) শুধু ফেলফেলিয়ে তাকানো ছাড়া যেন কিছুই বোঝে না। তার মায়ের কি হয়েছে কেন হয়েছে, এখন কি করতে হবে এমন বাস্তবতাবাদী প্রশ্নগুলো তার কাছে এখনও অপরিষ্কার। তবে চোখের কোনে দিনের বেশির ভাগ সময়ে উকি দেয় অজানা ভয়ে বের হওয়া মুক্তা দানার মত অশ্রু।

মানুষের মুখে শুনেছে এই রোগ হলে নাকি মানুষ বাঁচে না। তাই মাকে বাঁচানোর অব্যক্ত আকুতি নিয়ে হজির প্রতিবেদকের সামনে। শিশুটির কথায় প্রতিবেদকের চোখেও মনের অজান্তে দেখা দেয় অশ্রু নামক পানি। চম্পা(৩২) সাতক্ষীরা সদরের রসুলপুর এলাকার হেদায়েত আলির এক মাত্র কন্যা। তার স্বামী হাবিবুর রহমান সামান্য বেতনে একটি বেসকরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। মরণব্যধি ব্রেষ্ট ক্যা¯œারে আক্রান্ত নিজের স্ত্রীকে চিকিৎসা করা তার পক্ষে একেবারে অসম্ভব বললেও ভুল হবে না।

নিজের শেষ সহায় সম্বল গুলো বিক্রি করে ও মানুষের সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে ইতিপূর্বে তার স্ত্রীর চিকিৎসা করিয়ে এখন নিঃস্ব সে।

অপারেশন করিয়ে ইতিমধ্যে রোগীর বাম স্তন কেঁটে বাদ দেয়া হয়েছে। দেয় লেগেছিল ৬ টা কেম খেরাপি। যার প্রতিটার মূল্য ছিল ৩০০০০ টাকা। ধার দেনা করে, মানুষের কাছে চেয়ে সে যাত্রায় পার হলেও আবার অসুস্থ হতে শুরু করেছে চম্পা। লাঞ্চে জমছে পানি, হাত পা ফের ফুলতে শুরু করেছে, হাঁটা চলা বন্ধ, পড়ে গেছে মাথার সকল চুল। ডাক্তারের পরামর্শ, দিতে হবে এখনও অন্তত ৪ টা কেম থেরাপি। যার প্রত্যেকটার মূল্য প্রায় ৩৩০০০ হাজার টাকা। তবে ভেন চালক বাবা ও তার স্বামীর পক্ষে এই টাকা যোগাড় করা একেবারে অসম্ভব। এ অবস্থায় বাঁচার তাগিদে সমাজের মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করেছে সে। বর্তমানে খুলনা হাসপাতালের ডাক্তার চিকিৎসাধিন সে। সমাজের বিত্তবানরা যদি একটু এগিয়ে আসে তবে বেঁচে যেতে পারে একটি মা।

অবুজ শিশু খুশি(৮) ফিরে পাবে তার জীবনের খুশি। চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য সরাসরি অথবা তাদের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বার ০১৭১০১২১৫৪৫ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের পরাজয়

খেলার খবর : সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুরুতে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। এগিয়ে যাওয়ার ব্যবধান ধরে রাখে শেষ পর্যন্ত। কিন্তু শেষ দিকে ঘটে যায় অঘটন। লাল কার্ড দেখে বসেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। এর কিছুক্ষণ পর এক পেনাল্টিতেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। রেফারির পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু কিছুই করার ছিল না বাংলাদেশের। পেনাল্টির সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র করে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে নেপাল।

মালদ্বীপের রাজধানী মালের রাশমি ধান্দু স্টেডিয়ামে নেপালের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে জালের দেখা পান সুমন রেজা। আর পেনাল্টি থেকে নেপালকে ম্যাচে ফেরান অঞ্জন বিস্তা।

বাংলাদেশের প্রথম ও সবশেষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের পর কেটে গেছে দেড় যুগ। মাঝের সাত আসরে সাফল্যের পাল্লায় তেমন কিছু নেই। তাই এবারের মৌসুম নিয়ে স্বপ্ন দেখেছে বাংলাদেশ। সেই স্বপ্নের খুব কাছাকাছিও চলে যায় লাল-সবুজের দল। কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে উঠেছে নেপাল।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে আধিপত্য রেখেছে নেপাল। আক্রমণেও এগিয়ে ছিল নেপাল। তবে শুরুতে গোল করে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল বাংলাদেশ।

অবশ্য ম্যাচের শুরুতেই গোল খেয়ে যেতে পারত বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের একজনকে ফাউল করলে ফ্রি কিক পেয়ে যায় নেপাল। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিলে সেই যাত্রায় বেঁচে যায় বাংলাদেশ।

এরপর সাত মিনিট না যেতে সেই ফ্রি কিকের সুবিধা কাজে লাগিয়ে গোলের দেখা পেয়ে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচের নবম মিনিটে বাংলাদেশি তারকাকে ফাউল করলে ফ্রি কিক পেয়ে যায় লাল-সবুজের দল। ফ্রি কিকে নেপাল ব্যর্থ হলেও বাংলাদেশ ঠিকই গোল আদায় করে নেন। জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি কিকে দারুণ হেড দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন দলে ফেরা সুমন রেজা।

এরপর নিজেদের রক্ষণে নজর দিয়েছে বাংলাদেশ। বেশ কয়েকবার আক্রমণ করে নেপাল। তবে দুদফায় বাংলাদেশকে রক্ষা করেন তপু বর্মণ। এর মধ্যে ২৩তম মিনিটে ফের ফ্রি কিক পায় বাংলাদেশ। তবে নেপালের অঞ্জন বিস্তার ফ্রি কিক অনেকটা লাফিয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা করেন আনিসুর রহমান জিকো। দুই মিনিট পর বক্সের ডান দিক দিয়ে অরক্ষিত ফরোয়ার্ড সাদউদ্দিন তাড়াহুড়ো করে শট নেন। বল বেরিয়ে যায় দূরের পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে যায়। প্রথমার্ধের বাকি সময় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি নেপাল।

এক গোলে পিছিয়ে থাকা নেপাল বিরতির পর আক্রমণে ধার বাড়ায় নেপাল। সুযোগ তৈরি ফেলে ৫২ মিনিটেই। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট শটের কারণে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। দুই মিনিট বাদে বাংলাদেশও সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু নেপালের গোলরক্ষক বাংলাদেশকে গোল পেতে দেয়নি।

এরপর বাংলাদেশকে কয়েক দফায় রক্ষা করেন গোলরক্ষক জিকো। নেপালের বেশ কয়েকটি আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন তিনি। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারেননি তিনি। ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে বসেন তিনি। মূলত উইঙ্গার রাকিব হোসেনের ভুলের খেসারত দিতে হয় জিকোকে। রাকিবের মিস পাস কভার করতে গিয়ে ডি বক্সের বাইরে দুর্ভাগ্যবশত বল তাঁর হাতে লেগে যায়। ফলে লাল কার্ড দেখতে হয় তাঁকে।

জিকো ফেরার কিছুক্ষণ পর ফের ভুল করে বসে বাংলাদেশ। বিপজ্জনক জায়গায় নেপালের এক ফুটবলারকে ফাউল করে বসেন ডিফেন্ডার সাদউদ্দিন। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ওই পেনাল্টিটি প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। কিন্তু কিছুই করার ছিল না বাংলাদেশের। আর ওই এক পেনাল্টিতে সাফের ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের। পেনাল্টির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে ফেরে নেপাল। বাকি সময়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে ড্রয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে জামাল ভূঁইয়াদের।

আগামী ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সাফের ফাইনাল। সেদিন নেপালের মুখোমুখি হবে মালদ্বীপ ও ভারতের মধ্যকার জয়ী দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুমিল্লায় বিশৃঙ্খলা না করার আহ্বান, ঘটনা খতিয়ে দেখছে সরকার

দেশের খবর : কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগ কেন্দ্র করে কোনো বিশৃঙ্খলা যাতে তৈরি না হয় সে বিষয়ে সচেতন থাকতে সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বুধবার এক জরুরি ঘোষণায় এ অনুরোধ জানায়। এদিকে উত্তেজনার মধ্যে জেলা শহরে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননা সংক্রান্ত খবর আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। খবরটি খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেছি। ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে যে কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। সবাইকে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দিঘীর উত্তরপাড়ের একটি পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ পাওয়ার অভিযোগ তোলার পর বুধবার সকাল থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় ১০০ রাউন্ড রাবার বুলেট, গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। জনতার হামলায় ইট, পাথর ও পুলিশের রাবার বুলেটের আঘাতে অন্তত ৫০ ব্যক্তি আহত হয়।

তবে পূজা মণ্ডপের পূজার আয়োজকেরা বলছেন, সেখানে পবিত্র কোরআন শরিফ কী করে এলো সে বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। বুধবার সকালে বিষয়টি পূজারিদের নজরে আসে। এর আগে গভীর রাত পর্যন্ত পূজা উদযাপন শেষে মণ্ডপটি জনশূন্য ছিল।

পূজার আয়োজক দর্পনসংঘের সভাপতি সুবোধ রায় জানান, কম বাজেটের মণ্ডপ বলে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়নি। এ ঘটনায় কারা জড়িত সেটি বের করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি ও মুনসেফবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা সব মুসলিম ভাইকে ধৈর্য ধারণ করতে বলেছি, এ বিষয় নিয়ে আর কোন উশৃংখল ঘটনা তৈরি না হয়। প্রশাসন আমাদের সাথে বসেছেন বিষয়টি তদন্ত করে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার জন্য।’

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো.ফারুক আহমেদ বলেন, কোনো হিন্দু বা মুসলমান নয় মণ্ডপে ধর্মগ্রন্থ রাখার বিষয়ে যেই জড়িত তাকে তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের আপাতত লক্ষ্য হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা। এখন সেটার জন্য যা যা প্রয়োজন তা-ই করা হচ্ছে। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর তদন্ত শুরু হবে। তদন্তের জন্য আমরা তিন সদস্যের কমিটি করেছি।’

পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবির কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম ফজলে রাব্বি জানান, কুমিল্লায় যাতে কোনো ধরনের ‘আনরেস্ট’ পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য দুপুরে চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

কী হয়েছিল- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনা কী হয়েছে, তা আমি জানি না। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন কথা শুনেছি এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ যাতে না ঘটতে পারে, সেজন্য বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ক্যারাম প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলার বাইপাসে বেতলা গ্রামে ১৬ দলীয় ক্যারাম বোর্ড খেলার আয়োজন করা হয়।

বুধবার সন্ধ্যায় উক্ত ক্যারাম বোর্ড টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান। উক্ত ক্যারাম বোর্ড টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন।

এ সময় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক বলেছেন সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতনতার দিকে খেয়াল রাখতে হবে‌। আর তরুণ সমাজ কে মাঠমুখী করতে হবে। মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে খেলার বিকল্প নেই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাবুরার লেলিন বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরার লেলিন বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে ও জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, শ্যামনগর উপজেলার খলিসাবুনিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল আলি গাইনের ছেলে জি.এম আবিয়ার রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গাবুরা ইউনিয়নের খলিসাবুনিয়া গ্রামের মৃত নওশের আলী গাইনের পুত্র শফিউল আজম (লেলিন) একজন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, ভূমিদস্যু, সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ডাকাত দলের নেতা।

সে গাবুরা ইউনিয়নসহ অত্র এলাকায় তার বাহিনীর মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করে জনসাধারণের নিকট থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে থাকে। তার নিজস্ব কোন ব্যবসা বাণিজ্য, জায়গা ও আয় রোজগার নাই। অথচ সে আলিসান বাড়িতে বিলাস বহুল জীবন যাপন করে। এলাকায় সে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছে। বিমানে ঢাকায় যাতায়াত করে।

দামী গাড়ী ব্যবহার করে। তার বাহিনীর সদস্য একই এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী ওসমান আলী, আতাউর রহমান, ইমরান হোসেন, ইমাম হোসেন (ছদ্ম নাম নাজমুল হুদা), মনিরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান খোকা, হোসেন আলী, ওয়েসকুরুনী, পাতখালী গ্রামের মাহামুদুন্নবী, আবুল বাসার ও ইসমাইলসহ
অজ্ঞাত চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের নিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ায় এবং লেলিন বাহিনীর অন্যায়, অত্যাচার ও
চাঁদাবাজীর প্রতিবাদ করায় সে বিভিন্ন সময় আমার জীবন নাশের হুমকি দেয়।

সে ও তার বাহিনীর সদস্যরা আমাকে খুন জখম ও জীবননাশের হুমকিসহ আমার পরিবারের
সদস্যদের অপহরন করে খুন করার পর লাশ গুম করিবে মর্মে হুমকি প্রদর্শন করে
যাচ্ছে। তার বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে আমার বসত বাড়িতে ঢিল, ইট, পাটকেল ছুড়ে
চালের এ্যালবেষ্টর ভেঙ্গে দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। সে আমার
প্রতিবন্ধী পুত্র আব্দুল্লাহকে মারধর করে এবং ভবিষ্যতে খুন করে লাশ নদীর
পানিতে ফেলে দিবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। আমি আমার পরিবার পরিজন নিয়ে
বর্তমানে আমার বসত বাড়িতে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। লেলিন বাহিনী সন্ত্রাসীরা
আমার বসত বাড়ির চারিধারে সশস্ত্র অবস্থায় পাহারা দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি

করছে। বিভিন্ন সময়ে আমি বিষয়টি নিয়ে শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরিও
করেছি। পুলিশ সুপারের কাছে একাধিক অভিযোগও দিয়েছি। গত ১১ অক্টোবর আমার
পুত্র আয়তুল্লাহ’র কাছ থাকা একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তার বাহিনীর
দুধর্ষ সন্ত্রাসী ওসমান। বর্তমানে লেলিন ও তার বাহিনী এলাকার মৎস্যঘের
থেকে আাটল ঝেড়ে মাছ চুরি করছে। তার কারণে বর্তমানে গাবুরার শতাধিক ঘের
মালিক ঘের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে না। রাতে ঘেরের বাসায় গিয়ে ঘেরের
কর্মচারীদের মারপিট করে মাছ লুট ও চাঁদাদাবি করছে তারা বাহিনীর সদস্যরা।
তার কারনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। লেলিন

আওয়ামীলীগ নেতা হয়েও সাংসদ, উপজেলা ও ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে নৌকা
প্রতিকের প্রার্থীর সবসময় বিরোধীতা করে। তিনি আরো বলেন, আমি চেয়ারম্যান
প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে লেলিন বাহিনীর সদস্যরা আমার বাড়িতে
অবৈধ অস্ত্র, ইয়াবা ও মাদক রেখে আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির
চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে আমার ভোটের পোস্টার ছিড়ে দেবে ও কর্মী
সমর্থকদের মারপিট করবে বলে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। সংবাদ
সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী লেলিন বাহিনীর বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির
সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ
সম্পাদক এবং দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীসহ
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest