সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

সাতক্ষীরায় পানি বহনকারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে হয়রানি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় পানি বহনকারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সাতক্ষীরা শহরের উত্তরকাটিয়া গ্রামের মোনতাজ আলী
গাজীর পুত্র মো: আব্দুস সালাম। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ভ্যানে করে বিশুদ্ধ পানি ডেলিভারি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। দীর্ঘদিন ৮ বছর ধরে এই পানির ব্যবসার সাথে জড়িত। সেই কাকডাকা ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে শহরের বিভিন্ন বাড়িতে পানি ডেলিভারি করে বাড়ি ফিরি। গত ১০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে আমাদের বাড়ি থেকে কোয়াটার কিলোমিটার দুরে অবস্থিত মুজিবুর রহমানের বাড়িতে চুরি সংঘটিত হয়। চুরির দুইদিন পর গত ১২ অক্টোবর ২০২১ আমার বাড়িতে পুলিশ এসে বলে ওই বাড়িতে চুরি ঘটেছে, ওই চুরি নাকি আমি করেছি মর্মে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন মুজিবুর
রহমানের পুত্র ইমরানের স্ত্রী মরিয়ম। চুরির সময় নাকি ওই চোর মরিয়মের ২ বছর বয়সী পুত্রের গলায় ছুরি ধরে মুখে, বুকে কামড়িয়েছে, খামছিয়ে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এসময় তারা দুটি স্বর্ণের গহনাসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় মর্মে একটি অভিযোগ করে মরিয়ম। ওই অভিযোগে মরিয়ম সরাসরি
আমাকেই দোষারোপ করেছেন। তিনি আমাকে চিনতে পেরেছেন। অথচ ওই চুরির বিষয়ে
আমি কিছুই জানতাম না, জানিও না। চুরি সংঘঠিত হওয়ার সাথে সাথে মরিয়ম কারো
নাম বলেনি। অথচ ১ দিন পর আমার উপর মিথ্যা দায় চাপানোর চেষ্টা করছেন। আমি
অসহায় নিরিহ পানি সরবরাহকারী। অন্যের বাড়িতে পৌছে দেই। আবার অনেক মানুষের
ঘরের মধ্যেও তুলে দিতে হয়। দীর্ঘ ৮ বছরেও আমার বিরুদ্ধে কেউ এধরনের
অভিযোগ করেনি। অথচ আজ মিথ্যা চুরির ঘটনায় জড়িয়ে আমাকে হয়রানির চেষ্টা চালিয়েছে। স্থানীয় পারুল নামের এক মহিলার ইন্ধনে উল্লেখিত মরিয়ম ঘটনার পর
আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সারাদিন হাজারো মানুষের বাড়িতে পানি পৌছে দিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পর অত্যান্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ি। এছাড়া রাতে
আমি চোখেও দেখি না। যে কারনে রাতে কোথাও যেতে পারি না। তার বাড়িতে চুরির
ঘটনায় আমারও ব্যথিত হয়েছি। কিন্তু আমার মত খেটে খাওয়া একজন মানুষকে
হয়রানির চেষ্টা করে লাভ কি।
তিনি চিহ্নিত পূর্বক আমাকে ওই মিথ্যা অপবাদ এবং মামলার দায় হতে অব্যাহতি প্রদানের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কমিউনিটি সোশ্যাল ল্যাব প্রকল্পের ৫ম ডায়ালগ সেশন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় কমিউনিটি সোশ্যাল ল্যাব প্রকল্পের আয়োজনে কারিতাস খুলনা অঞ্চলের অধীনে পঞ্চম ডায়ালগ সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় শহরের চালতেতলা ক্যাথলিক মিশনে অনুষ্ঠিত ডায়ালগ সেশনে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা পৌর ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু।

জি.আই.জেড এর অর্থায়নে কারিতাস খুলনার বাস্তবায়নে এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: রোকনুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কারিতাস খুলনা আঞ্চলিক অফিসের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি কর্মকর্তা মি. তাপস সরকার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, শহর সমাজসেবা অফিসার মিজানুর রহমান, সাতক্ষীরা পৌরসভার বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: জিয়াউর রহমান, পৌর ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রাবেয়া পারভীন, ব্র্যাক ইউডিপির ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মো: হাসান আলী। এ সময় প্রাকটিক্যাল এ্যাকশনের পৌরসভার সমন্বয় কর্মকর্তা শেখ সুজা উদ্দিন, সমাজকর্মী ফতেমা খাতুনসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকসহ মোট ২০ জন উক্ত ডায়ালগে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের অবহেলিত বস্তি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ, সমস্যার অগ্রাধিকার নির্ণয় ও সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, কমিউনিটি ফ্যাসিলেটেটর অর্চনা মল্লিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
“জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি একসাথে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার ১৩ই সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা খামার বাড়ির প্রশিক্ষণ হল রুমে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ জি এম এ গফুর।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ডি.ডি কৃষিবিদ নূর ইসলাম, এডিডি(পি.পি)খালিদ সাইফুল্লাহ, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম ও সাত উপজেলা থেকে আগত কর্মকর্তাবৃন্দ।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষি ভিত্তিক বাংলাদেশে কৃষকের প্রধান শত্রু ইঁদুর। এই ইঁদুর কৃষকের রক্তে ঘামে উৎপাদনকৃত ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। ইঁদুর জন্মগত ভাবে এমন প্রাণি যা বিনা প্রয়োজনে ফসলের গোড়া কর্তন করতে থাকে। তাই জাতীয় ভাবে ইঁদুর নিধনের একটি দিবস থাকা উচিত। ইঁদুর কৃষি, কৃষক ও দেশের শত্রু।

এই সময় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কৃষকদের ইঁদুর নিধন বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প্রশাসকের সাথে গ্রাম ডাক্তার সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবিরের সাথে শুভেচ্ছা ও মত বিনিময় করেছেন। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই মত বিনিময় করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দপ্তর সম্পাদক অপূর্ব মজুমদার, সংস্কৃতি ও পরিবার পরিকল্পনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য জামিলুল বাশারসহ নেতৃবৃন্দ।

মতবিনিময়কালে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, অপচিকিৎসা রোধ, সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান ও গ্রাম ডাক্তারদের নামের আগে ডাক্তার না লেখার জন্য আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্যোগ প্রশমন দিবস ও সিপিবি ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা

আসাদুজ্জামান ঃ আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ও সিপিবি ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার দুপুর ১২ টায় জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে উক্ত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক কাজী আরিফুর রহমান, ইউনিসেফ এর প্রোগ্রাম অফিসার উম্মে হালিমা, প্লান্ট এন্ড অডিড অফিসার নাশিদ আকবার, কাওসার হোসেন প্রমূখ ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১৩’শ ২০ বিঘা জমি ভুমিহীন নামধারী কর্তৃক দখলের অভিযোগ

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার খলিশাখালিতে ১৩’শ ২০ বিঘা (৪৩৯.২০ একর) জমি ও মৎস্য ঘের ভুমিহীন নামধারী ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী কর্তৃক অবৈধভাবে জবর দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশী ও বিদেশী অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা ফিল্মি ষ্টাইলে এই সম্পত্তি দখল করেছে বলে জানিয়েছেন জমির মালিকরা। তবে, সম্পত্তি উদ্ধার করতে প্রকৃত রেকর্ডীয় মালিকরা প্রশাসনের কর্তাদের কাছে ধর্ণা দিয়েও তারা তাদের সম্পত্তি এখনও বুঝে না পেয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে তারা জানিয়েছেন।

তবে, নামধারী এ সব ভুমিহীনরা ওই সম্পত্তি খাস বলে দাবী করলেও জেলা প্রশাসক বলছেন এই সম্পত্তি সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং এখানে কোন খাস জমি নেই। বিশৃংখলা এড়াতে আইনশৃংখলা বাহিনী তৎপর রয়েছেন বলে তিনি দাবী করেন।

এদিকে, সাংবাদিকরা মঙ্গলবার সরজমিনে ঘটনা স্থল পরিদর্শনে গেলে সেখানে রাস্তায় উপর বাঁশ ফেলে ও বাঁশ টানিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয় নামধারী এসব ভুমিহীনরা। খলিশাখালী সড়কের উপর নির্মিত একটি ব্রিজের উপর শতাধিক মহিলারা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। সেখানকার নামধারী ওই সব ভুমিহীন নেতাদের সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তাদের পক্ষে রিপোর্ট করার আশ^াস দিলে তারা সাংবাদিকদের সেখানে মাইক্রোবাসটি রেখে পায়ে হেটে যাওয়ার অনুমতি দেন। নিজেদের রক্ষা করতে এসব নামধারী ধূর্ত ভমিহীনরা ইতিমধ্যে ওই স্থানকে “শেখ মুজিবনগর খলিশাখালী আবাসন কেন্দ্র” নাম ঘোষনা করে সেখানে লাল পতাকা তুলে দিয়েছেন।

জমির মালিক আইডিয়াল পরিচালক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, কাজী গোলাম মোরশেদ ও আলহাজ¦ মোঃ আনছার আলীসহ কয়েকজন জানান, খলিশাখালিতে রেকর্ডীয় ও লীজকৃত ৩০টি খন্ডে বিভক্ত তাদের বিস্তীর্ণ মৎস্য ঘের ও জমি স্থানীয় কিছু ভূমিহীন নামধারী এবং জেলা ও জেলার বাইরে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ৭ শতাধিক সন্ত্রাসী অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গত ১০সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত্র আনুমানিক ২ টার দিকে মৎস্য ঘেরের কর্মচারীদের মারধর করে জোরপূর্বক দখল করে নেয়।

দখলের পর তারা উক্ত মৎস্য ঘের থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার মাছ লুট এবং ঘেরের বাসাবাড়ি ভাংচুর করে আনুমানিক ৩৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে। তাৎক্ষনিকভাবে প্রতিকার চেয়ে তারা দেবহাটা থানা কর্তৃপক্ষকে জানালে থানা কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি বলে জানান তারা। এমনকি উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে জমির মালিকগন দেবহাটা থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ কোন মামলা গ্রহন না করে তাদের ফিরিয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে তারা গত ১২ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা কোর্টে মামলা দায়ের করা হলে আদালত মামলা গ্রহন করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

তারা আরো জানান, খালিশাখালিতে ২৭টি দাগে ৪৩৯.২০ একর (১৩’শ ২০ বিঘা) জমির মালিক চন্ডীচরণ ঘোষ। সেখান থেকে বিভিন্ন কোবলা দলিল, পাট্টা দলিল ও কোর্টের রায় মোতাবেক এসএ ২৯৬২ থেকে ২৯৮০ খতিয়ানে রেকর্ড প্রকাশের পূর্বে কলিকাতা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বিগত ০৮/০৩/৫৩ তারিখে ৬৯৪ নং বিনিময় দলিল মূলে দেবহাটা থানার তেজেন্দ্রনাথ চৌধুরীর পুত্র সুরেন্দ্রনাথ চৌধুরীরর সাথে বিনিময় করেন। এসএ রেকর্ড পরবর্তী উক্ত বিনিময় দলিলের গ্রহীতা শিমুলিয়া গ্রামের কাজী আব্দুল মালেক এর ওয়ারেশগণসহ ক্রমিক হস্তান্তর সূত্রে অপরাপর মালিকগণ বর্তমানে বিএস রেকর্ড প্রাপ্ত হন এবং তৎপরবর্তী প্রিন্ট পর্চাসহ প্রায় ৩০০ মালিকের নামে প্রায় ২০০টি পর্চায় উক্ত সমুদয় সম্পত্তি গেজেট প্রকাশিত হয়।

এর মধ্যে অনেক জমির মালিকগন হালসন পর্যন্ত খাজনাও পরিশোধ করেছেন। উক্ত সম্পত্তি ভোগদখল করার অসৎ উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে জনৈক জোনাব আলী ১৮/২০১০ নং মামলাটি দায়ের করেন। সেক্ষেত্রে মামলা চলাকালীন সময়ে উক্ত সম্পত্তি জেলা প্রশাসক আইনানুযায়ী নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। যেহেতু উক্ত জমির সিএস রেকর্ড থেকে এসএ ও বিএস রেকর্ডের প্রিন্ট পর্চা মালিকদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, সেহেতু সুপ্রিম কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। যে সম্পত্তি ১৯৫৩ সাল থেকে সিএস, এসএ এবং প্রিন্ট পর্চাসহ গেজেট প্রকাশিত হয়েছে এবং ৭০ বছর যাবত বিবাদী পক্ষ ভোগদখলে আছেন, সেই সম্পত্তিতে অন্যপক্ষের যাওয়ার কোন সুযোগই নেই। অথচ উক্ত সম্পত্তি রাতের আঁধারে জোরপূর্বক দখল করে প্রতিরাতে সেখান থেকে মাছ লুট করা হয়েছে। তারা এ সময় উক্ত সম্পত্তি দখলমুক্ত ও প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিতে জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবী জানান।

সরজমিনে সেখানে গেলে নামধারী ভুমিহীন রবিউল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, হাসিনা বেগম, মাজেদা বেগম, আনোয়ারা বেগম, শাহিনা পারভীনসহ অনেকেই জানান, এই সম্পত্তি পুরাটাই খাস জমি। তাদের কোন জায়গা জমি না থাকায় তারা এই খাস জমি দখল করে সেখানে বসবাস করছেন বলে জানান। এ সময় তাদের কাছে মাছ লুট করেছেন কেন এমন প্রশ্ন করা হলে তার জবাবে তারা বলেন, লুট করা হয়েছে এমন কথা বলবেননা। মাছ গুলো যে যার মত ধরে নিয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ জানান, ইতিমধ্যে খলিশাখালীতে জমি দখলে নেতৃত্বদানকারী নামধারী ভুমিহীনদের ভুমিহীন সমিতি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি এ সময় তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
সাতক্ষীরা জেলা গণফোরামের সাধারন সম্পাদক ও ভুমিহীন নেতা আলীনুর খান বাবুল জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভুমিহীনদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছি। কিন্তু বর্তমানে যে নামধারী কিছু বহিরাগত ভুমিহীন সন্ত্রাসী খলিশাখালীতে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি খাস বলে সন্ত্রাসী ষ্টাইলে দখল করেছেন এর তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি। তিনি জানান, খলিশাখালীর ৪৩৯.২০ একর জমির মধ্যে ১২.৭৯ একর খাস জমি রয়েছে কিন্তু সেগুলো খাল ও রাস্তার মধ্যে। তিনি আরো জানান, প্রকৃত ভুমিহীনদের ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত করার জন্য বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখল করা হয়েছে।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ন কবির জানান, খলিশাখালীতে ৪ শতাধিক একর জমি জবর দখলের খবর আমাদের নজরে এসেছে। এক পক্ষ আবেদনও করেছেন। আমরা নথি ও কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করে দেখলাম এই সম্পত্তি পুরোটাই ব্যক্তি মালিকানাধীন। তবে, ৪ শতাধিক একর এর মধ্যে ১০/১২ একর জমি খাস রয়েছে সেটি খালের মধ্যে, আর বাকীটা সম্পুর্ণই ব্যক্তিমালিকানাধীন। তিনি জানান, ইতিপূর্বে এই জমি নিয়ে যে মামলা চলছিল তার সকল কাগজ পত্র জিপি সাহেবকে দেয়া হয়েছে। তিনি একটি প্রতিবেদন আমাদেরকে দেবেন। বিশৃংখলা এড়াতে আইনশৃংখলা বাহিনী তৎপর রয়েছেন বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানান, বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে দ্রুতই উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের জন্য মাসিক প্রতিবেদনে সাতক্ষীরা জেলায় একটি উন্নতমানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোরালো আবেদন করেছিলেন।

তার প্রেক্ষিতে আবেদনটি  প্রধানমন্ত্রী গ্রহন করেন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে সরজমিনে পরিদর্শন করে স্থান নির্ধারণ এবং উন্নতমানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মানের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের নির্দেশ দেন। সে প্রেক্ষিতে ১২ অক্টোবর,২০২১ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে প্রকল্প প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প প্রকৌশলী মোঃ ছরোয়ার হোসেন পরিদর্শনের জন্য সাতক্ষীরাতে আসেন। সাতক্ষীরা জেলাতে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ফুটবল স্টেডিয়াম, স্প্রিন্ট ট্রাক, জিমন্যাসিয়াম, সুইমিংপুল, ইনডোর স্টেডিয়াম, সুটিং রেঞ্জ সহ ক্রীড়ার সকল সুবিধা সম্পন্ন একটি উন্নত মানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স তৈরীর জন্য খসড়া নকশা নিয়ে প্রকৌশলীদ্বয় এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা ও সদস্যসহ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক এর সম্মেলন কক্ষে জরুরী সভা করেন এবং ক্রীড়া কমপ্লেক্স এর খসড়া নকশা সম্পর্কিত সকল দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরবর্তীতে বেলা ১২টায় উপস্থিত সকলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মোঃ তানজিল্লুর রহমানের সাথে মত বিনিময় করেন।

মত বিনিময় শেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সরজমিনে সাতক্ষীরার সদরের রইচপুরে ক্রীড়া কমপ্লেক্স এর জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরির্দশন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন রেভেনিউ ডেপুটি কালেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন, সদর তহশীলদার কামরুল ইসলাম, সার্ভেয়ার, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি শেখ আশরাফ আলী, আশরাফুজ্জামান আশু, আব্দুল মোমেন খান চৌধুরী সান্টু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান মুক্তি,

যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান শাহীন, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, নির্বাহী সদস্য আ.ম. আখতারুজ্জামান মুকুল, ইদ্রিস আলী বাবু, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, কবিরুজ্জামান রুবেল, কাজী আক্তার হোসেন, লুৎফর রহমান সৈকত, হেদায়েতুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া অফিসার খালিদ জাহাঙ্গীর, শিমুন শামস, ফারহা দীবা খান সাথী, ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক, ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক তৈয়েব হাসান বাবু সহ ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। পরির্দশন শেষে প্রকৌশলীগন সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম পরির্দশন করেন এবং ক্রীড়া কমপ্লেক্স প্রকল্প জরুরীভাবে বাস্তায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বন্দী ছেলেকে দেখার অনুমতি মিলছে না শাহরুখ-গৌরীর!

বিনোদন সংবাদ : ছেলে কারাগারে থাকায় ভেঙে পড়েছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। অসহায় বাবার ন্যায় তাঁর ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না, খাওয়াদাওয়াও ঠিকমতো করতে পারছেন না—এমন খবর প্রকাশের পর উৎকণ্ঠায় খানভক্তরা।

এবার নতুন খবর, ছেলেকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছেন শাহরুখ খান ও গৌরী খান। কিন্তু সাক্ষাতের অনুমতি মিলছে না। এ খবর প্রকাশ করেছে বলিউডভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামা।

মাদককাণ্ডে শাহরুখ-গৌরীর বড় ছেলে আরিয়ান খান এখন মুম্বাইয়ের আর্থার রোডের কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তারের পর থেকে শাহরুখের পরিবারের কোনও সদস্য এখনও আরিয়ানের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।

খান পরিবারের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু পোর্টালটিকে বলেছেন, তাঁরা ছেলের সঙ্গে দেখা করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সাক্ষাতের অনুমতি পাচ্ছেন না।

ছেলের জন্য খুবই উদ্বিগ্ন গৌরী খান। ওই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মতে, ছেলের সঙ্গে দেখা করা মা-বাবার মৌলিক অধিকার। আরিয়ানের কোনও অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার প্রমাণ নেই। আরিয়ানের আচরণ ভালো এবং খুবই বিনয়ী। এমন দুরবস্থায় হতবাক ওই বন্ধু।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরিয়ানের আইনজীবী সতীশ মানশিন্ডে নিশ্চিত করেছেন, বুধবার ভারতীয় সময় সকাল ১১টায় মুম্বাই সেশন কোর্টে জামিন শুনানি হবে। আরিয়ানের পক্ষে জামিন শুনানির আবেদন করেছেন আইনজীবী অমিত দেশাই।

একই মামলায় অভিযুক্ত আরবাজ মার্চেন্ট, মোহক জসওয়ার, নূপুর সতিজা ও মুনমুন ধমেচারও জামিন শুনানি হবে এদিন।

মাদককাণ্ডে দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টা জেরার পর ৩ অক্টোবর বিকেলে আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার দেখায় এনসিবি। আরিয়ান খানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এনডিপিএসের ৮সি, ২০, ২৭ ও ৩৫ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ২৩ বছর বয়সী আরিয়ান খানের পক্ষে আইনি লড়াই চালাচ্ছেন মুম্বাইয়ের অন্যতম শীর্ষ আইনজীবী সতীশ মানশিন্ডে।

মুম্বাইয়ের উপকূলে একটি প্রমোদতরীতে চলমান মাদক পার্টি থেকে ২ অক্টোবর রাতে আরিয়ান খানসহ মোট আট জনকে আটক করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। যাত্রীর ছদ্মবেশে কর্ডেলিয়া নামে বিলাসবহুল ওই প্রমোদতরীতে চেপে বসেছিলেন এনসিবির গোয়েন্দারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest