সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

খুলনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে সাতক্ষীরার আলমের ফাঁসি !

অনলাইন ডেস্ক :
খুলনার খান জাহান থানাধিন যোগিপোল এলাকায় স্ত্রী যোহানা আক্তার ঊষাকে হত্যার দায়ে পুলিশ সদস্য স্বামী মোঃ মাহমুদ আলমকে ফাসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৬ অক্টোবর ) খুলনার জন নিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষনাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

দন্ডপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোঃ মাহমুদ আলম সাতক্ষীরা আশাশুনি থানার জামালনগর গ্রামের জবেদ আলী সরকারের ছেলে। সে খুলনার শিরোমনিতে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত ছিলেন। ভিকটিম যোহানা আক্তার ঊষা পাইকগাছা উপজেলার কালিদাসপুর গ্রামের জামালপুর উদ্দিনের মেয়ে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: মুরাদ হোসেন গাজী নথীর বরাত দিয়ে জানান, ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর দেড়টা নাগাদ যোগিপোল মনিরুল ইসলামের ভাড়া বাড়িতে এ হত্যাকমান্ডের ঘটনা ঘটে। পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী যোহানা আক্তার ঊষাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন স্বামী মাহমুদ আলম।

এঘটনায় নিহতের ভাই জিএম সোহেল ইসলাম বাদী হয়ে খানজাহান আলী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (নং ৪)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নৃপেন বিশ্বাস একই বছরের ১৫ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত ৭জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ গ্রহন শেষে রায় ঘোষণা করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলী ছিলেন আরিফ মাহমুদ লিটন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় এক গৃহবধূর আতœহত্যা

তালা  প্রতিনিধি  :
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় রুকাইয়া (২৫) নামের এক গৃহবধূ গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আতœহত্যা করেছে।
ঘটনা ঘটেছে বুধবার ভোরে উপজেলা দেওয়ানীপাড়া গ্রামে। নিহত রুকাইয়া দেওয়ানীপাড়া আমিনুর রহমানের স্ত্রী।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান জানান, খবর পেয়ে নিহতের রুকাইয়ার লাশ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে কি কারণে আতœহত্যা করেছে তা ময়ন্ত তদন্তের রিপোর্ট আসার পরে জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পেট্রোলের আগুনে দগ্ধ শিশু নাজমুলের মৃত্যু : নানীর অবস্থা আশংকা জনক

নিজস্ব প্রতিনিধি : তালাক দেওয়া স্ত্রীকে শিক্ষা দিতে ঘরের মধ্যে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় মুমর্ষ নাতি তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র নাজমুলের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। যদিও পাশের শয্যায় তার নানী ফতেমা খাতুন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কাজলা গ্রামের আব্দুস সাত্তার সরদার জানান, প্রথম স্বামীর সঙ্গে তালাক হওয়ার পর এক মাত্র ছেলে নাজমুলকে তার বাড়িতে রেখে ভাই শরিফুলের সঙ্গে এক বছর আগে ভারতের তামিলনাড়–তে কাজ করতে যায় মেয়ে নাজমা। সেখান থেকে বাড়িতে আসার পর খালাত ভাই কালীগঞ্জের ভাঙানমারির ৮০ বিঘার বাসিন্দা সবুজ গাতিদারের সঙ্গে বিয়ে হয় নাজমার। নাজমুল তাদের (নানা) বাড়িতে থেকে ইছাপুর সরকারি প্রাতমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়াশুনা করতো। বিয়ের এক সপ্তাহ পর নাজমাকে নিয়ে রাজবাড়িতে একটি কারখানায় কাজে লাগিয়ে দেয় সবুজ। সেখানে নাজমাকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বাড়ি আসে নাজমা। আগষ্ট মাসের শেষের দিকে নাজমা সবুজকে তালাক দেয়।

আব্দুস সাত্তার সরদার আরো বলেন, তিনি অন্যের ঘেরের বাসায় নৈশ প্রহরীর কাজ করায় সবুজ ও তার পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে দ’ুটোর দিকে তাদের বাড়ির দরজায় ছিকল তুলে দিয়ে জানালা দিয়ে পেট্রোল ছিটিয়ে ঘরে আগুণ লাগিয়ে দেয়। আগুনে স্ত্রী ফাতেমা ৭৫ শতাংশ ও নাতি ৯৫ শতাংশ নাজমুল পুড়ে যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে নাজমুল মারা যায়। তবে তার স্ত্রী ফতেমা খাতুনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ তৌফিক আহম্মেদ বলেন, নাজমুলের শরীরের ৯৫ শতাংশ ও ফাতেমার ৭৫ শতাংশ পুড়ে গেছে পেট্রোলের আগুণে। নাজমুল মারা গেলেও তার নানীকে বাঁচানো যাবে কিনা তা বলা যাবে না।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্ত শেষে নাজমুলের লাশ বাড়িতে আনা হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত সবুজ গাতিদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার ধারা সংযোজনের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নীতা আম্বানি পান করেন ৫১ লাখ টাকা দাম প্রতি বোতল পানি!

ভিন্ন স্বাদের খবর : ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি সারা বিশ্বেই সুপরিচিত। তবে তার স্ত্রী নীতা আম্বানিও কম যান না । নীতা বরাবরই তার রাজকীয় জীবনধারা এবং বিলাসবহুল শখের জন্য আলাদা পরিচিত পেয়েছেন। কোটি টাকার শাড়ি পরা, লাখ টাকার চা খাওয়া কিংবা দামি জুতা ব্যবহারের কারণে নীতাকে নিয়ে আলাদাভাবেই চর্চা হয়।

ভারতীয়গণমাধ্যম আন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, বলা হয়, নীতা আম্বানি এমনই জীবনযাপন করেন যে তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে এমন কেউ নেই।

দাবি করা হয়, নীতা নাকি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানি খান। ৭৫০ মিলিলিটার আকৃতির এই পানির বোতলের দাম প্রায় ৬০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার দাম পড়ে ৫১ লাখ টাকারও বেশি। তা হলে নীতা যে পানি খান তার এক ঢোক পানির দাম কত পড়বে ভাবতেই চোখ কপালে উঠবে সবার।

নিজেকে ফি ও তরতাজা রাখতে নীতা যে পানি খান তার নাম ‘অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মডিগলিয়ানি’। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানির মধ্যে একটি। বোতলবন্দি এই পানি আসে ফ্রান্স এবং ফিজি থেকে। দাবি করা হয়, এই পানীয় জলে ৫ গ্রাম সোনার ছাই মেলানো থাকে। যা মানবদেহের পক্ষে খুবই স্বাস্থ্যকর। সে জন্যই এই পানির দাম এত।

অবশ্য এই পানির এত দামের আরও কারণ আছে। শুধু পানি নয়, বোতলের জন্যও এই পানীয় জলের দাম এত বেশি। ২০১০-এ ‘অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মডিগলিয়ানি’ গিনেজ বুকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানির বোতল হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিল। বোতলের নকশা তৈরি করেছিলেন ফার্নান্দো আলতামিরানো। চামড়ার খাপে থাকা এই বোতল খাঁটি স্বর্ণের তৈরি। এই ব্র্যান্ডের সবচেয়ে সস্তা বোতলের দাম ২২ হাজার রুপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিক নিহত

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
কালিগঞ্জের পল্লী‌তে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মিজানুর রহমান (৩০) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এসময় অাহত হ‌য়ে‌ছে সাইফুল মোল্লা (২৩) নামের অা‌রো এক শ্রমিক। নিহত মিজানুর রহমান কয়রা উপজেলার মহেশ্বরপুর ইউনিয়নের চৌকুনি গ্রামের আব্দুল গাজীর ছেলে। আহত সাইফুল একই এলাকার নুর ইসলাম মোল্লার ছেলে। উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কম‌প্লে‌ক্সে চি‌কিৎসা‌ধিন সাইফুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই মাস ধ‌রে বাঁশতলা সড়কের নির্মাণ কাজ কর‌ছি‌লেন তারা।

মঙ্গলবার বিকেলে ৫/৬ জন শ্রমিক টেওরপাড়া ব্রিজ এলাকায় রাস্তায় চেইন পাইলিংয়ের কাজ কর‌ছিল। এসময় পাইলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত লোহার রড বিদ্যুৎতের মেইন লাইনের তারে স্পর্শ ক‌রলে তারা দুজন গুরুতর আহত হন।
অন‌্যান‌্য শ্রমিকরা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে অাস‌লে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানুর‌কে মৃত ঘোষণা করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ শাহিনুর রহমান জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পূ‌র্বেই মিজানুরের মৃত্যু হয়েছে। তবে এসময় তার দেহে কোন বিদ্যুৎস্পৃষ্টের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আশিষ কুমার ঘোষ হাসপাতালে যে‌য়ে নিহ‌তের সুরোতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ থানায় নি‌য়ে অা‌সে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা মৃত‌্যুর বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে ব‌লেন নিহত শ্রমি‌কের শরীরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর কারণ জান‌তে বুধবার সকা‌লে ময়না তদ‌ন্তের জন‌্য সাতক্ষীরা মর্গে পাঠা‌নো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার আহসানুর রহমান রাজীব সড়ক দূুর্র্ঘাটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন তার দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের

সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস,

 

সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থসম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ীতে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী গাজী মিন্টু!

কাশিমাড়ী প্রতিনিধি :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে ঘিরে শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইউনিয়নের এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। একই সাথে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে ভোট কামনা করে ভোটারদের নিকট দোয়া চাইতে। ভোটারদের মন জয় করতে দিচ্ছেন নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।

এদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী গাজী আনোয়ার হোসেন মিন্টু।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আনোয়ার হোসেন (মিন্টু) বলেন, বিগত দিনে কাশিমাড়ী একটি জামাত অধ্যুষিত ইউনিয়ন ছিল। ১৯৭০ সালের দিকে এই ইউনিয়নে হাতে গোনা নামেমাত্র কয়েক জন আওয়ামীলীগ করতেন, যার মধ্যে আমার পিতা একজন উল্লেখযোগ্য। ১৯৭০ সাল থেকে আমার পিতা কওছার গাজী কাশিমাড়ীর ঘোলা ওয়ার্ডের সভাপতি হিসাবে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। আমি আওয়ামীলীগ পরিবারে জন্ম গ্রহন করে প্রাইমারী স্কুল জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে দলের দুঃসময়ে শ্যামনগরের রাজপথে মিছিল মিটিংয়ে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে দলকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছি নিঃস্বার্থ ভাবে।অতএব, আমি তৃণমূলে ছোটবেলা থেকে দলের দুঃসময়ের একজন নৌকার পরীক্ষিত কর্মী হিসেবে পরিচিত লাভ করেছি। সুতরাং কাশিমাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের পিছনের রাজনৈতিক পর্যালোচনায় কাশিমাড়ী ইউনিয়নে যারা দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী তাদের মধ্যে একমাত্র আমিই একক আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান, কারণ আমার পিতার পরিবার। ১৯৭০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দলের দুর্দিনে মসজিদ ঈদগাহে হিন্দু হিসেবে আখ্যায়িত হয়ে ও দলের আদর্শ ত্যাগ করেনি। সেই সুবাদে আমি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী, যদি জননেত্রী দয়া করে আমার পরিবারের দিকে তাকিয়ে দলের দুঃসময়ের কর্মী হিসেবে মূল্যায়ন করে তাহলে আমি কাশিমাড়ী ইউনিয়ন কে একটি মৌলবাদী সন্ত্রাস বাদী রামদা বাহিনী মুক্ত ইউনিয়ন গড়তে বদ্ধ পরিকর। এবং কাশিমাড়ী ইউনিয়ন কে শ্যামনগর উপজেলার মধ্যে একটি উন্নত রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ্। সেই সাথে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে তৃণমূলে আত্মীয় করণ স্বজন প্রীতি নির্মূল করে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরকে উপযুক্ত মানসম্মান দিয়ে দলে চাঙ্গা করে একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিনত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সুফল মানুষের দোড় গড়ায় পৌঁছে দিয়ে বাংলার সফল প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে চাই।

এছাড়া এলাকার সৎ, যোগ্য, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সবার নিকট ইতিমধ্যে পেয়েছেন গ্রহনযোগ্যতা। প্রথমবারের মত নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় চেয়ারম্যান পদে সৎ ও যোগ্য হিসেবেও পছন্দের তালিকায় তাকে রেখেছেন এলাকার অনেক সুধীবৃন্দ।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা আর ভোটাররা প্রার্থী বাছাইয়ে খাসগল্পে মাতিয়ে তুলছেন চায়ের দোকানের আড্ডায়।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের ভোটারা ভাবছেন সুষ্ঠুভাবে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে দল মত নির্বিশেষে সাধারণ জনগণ যাতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন এমন নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন ভাল থাকে সংশ্লিষ্টদের কাছে সেই প্রত্যাশা করছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলার নির্বাচনে আজিজুর প্যানেলের বিজয়

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার ৫ম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে আজিজুর রহমান প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়েছেন।

৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ভোটে সভাপতি পদে সীমান্ত আর্দশ কলেজের অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, সহ-সম্পাদক পদে শ্যামনগর আতরজান মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোস্তফা কামাল শাহরিয়া (রিপন), অর্থ সম্পাদক পদে হাজী নাছির উদ্দীন কলেজে সহকারী অধ্যাপক হারুন উর রশিদ বকুল, দপ্তর সম্পাদক পদে শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অতিম কুমার চক্রবর্তী, সদস্য পদে দিবা নৈশ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক লুৎফর রহমান বিপুল ভোটে নির্বাচন হয়েছেন।

এর আগে তথ্য ও প্রচার সম্পাদক পদে হারুন রশিদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হক এবং সদস্য পদে আতরজান মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহজাহান সিকদার, কুমিরা মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান ও কাজীরহাট কলেজের ইসমাইল হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest