সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের নতুন অধ্যক্ষ  ড. আ. রহমান
শ্যামনগর প্রতনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. আব্দুর রহমান।

সোমবার (৪ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি যশোর সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

১৯৯৭ সালে শ্যামনগর মহসীন ডিগ্রি কলেজে কর্মজীবন শুরু করেন শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের সাপেরদুনে গ্রামের সন্তান ড. এ.কে.এম. আব্দুর রহমান। পরে ২০০৭ সালে পিএসসির মাধ্যমে ফরিদপুরের সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজে সহকারি অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান।

মহসীন কলেজে কর্মজীবন শুরু করে সেই একই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে ফেরার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজের উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের দায়িত্ব পাওয়াতে আমি আনন্দিত। আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করব। আগামী রবিবার (১০ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করব, ইনশাআল্লাহ।

এদিকে, নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যাপক ড. আব্দুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটি। সংগঠনটির সভাপতি শেখ শাকিল হোসেন বলেন, ড. আব্দুর রহমান স্যারের মতো একজন গুণী গবেষককে মহসিন কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পাওয়াটা সাতক্ষীরাবাসীর জন্য গর্বের। তার হাত ধরেই কলেজটির পড়াশোনার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে বলে বিশ্বাস করি।

প্রসঙ্গত, ড. এ.কে.এম. আব্দুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৮৯ সালে স্নাতক ও ১৯৯০ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে জৈব-প্রযুক্তির ওপর পিএইচডিও করেছেন। ইউরোপিয়ান জার্নাল অব মেডিসিনাল প্লান্টস’সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে ডজন খানেক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে এই অধ্যাপকের।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল চেষ্টায় মামলা করে বিপাকে সরকারি কর্মকর্তা !

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কালিগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল চেষ্টায় মামলা করে বিপাকে পড়েছেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে কালিগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের তিনি ওই সরকারি কর্মকর্তা।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, কালিগঞ্জের রহিমপুর গ্রামে মৃত শেখ ওবায়দুল মান্নানের পুত্র শামসুল আলম সরকারি চাকুরির সুবাদে বাইরে ছিলেন। এ সুযোগে রহিমপুর গ্রামের মৃত শেখ আবুল হোসেনের পুত্র আকবর হোসেন, মৃত গনিয়ার রহমানের পুত্র শেখ ফজলুর রহমান, শেখ লুৎফর রহমান, মৃত মাহবুব রহমানের পুত্র শেখ আরিফুল ইসলাম, শেখ আকবার হোসেনের পুত্র শেখ অনিব, শেখ অঞ্জন, ফজলুর রহমানের পুত্র শেখ সাব্বির হোসেন, মৃত শেখ রহমত আলীর পুত্র শেখ ইসরাইল হোসেন, মৃত শেখ মনিয়ার রহমানের পুত্র হবিবর রহমান, কাশিবাটী গ্রামের শেখ আমিনুর রহমানের পুত্র শেখ নুরুজ্জামান, রহিমপুর গ্রামের আকবর হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সাবিনা খাতুন, লুৎফর রহমানের স্ত্রী আমেনা খাতুন, সাইফুল ইসলামের স্ত্রী সালমা খাতুন, মৃত শেখ মাহবুর রহমানের স্ত্রী সফুরা খাতুন, আজিজুল ইসলামের স্ত্রী স্থানীয় মহিলা মেম্বর সেলিনা খাতুন, লুৎফর রহমানের কন্যা মেহেরুন্নেছা রহিমপুর মৌজায় এস এ ১৯২ নং জে এর এর অধীনে .৩৩ একর সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা করে। নিয়ে ভুক্তভোগী সামসুল আলম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৭৭৬/২১।

ভুক্তভোগী সামসুল আলম জানান, উক্ত মামলায় আদালত ১৪৫ ধারা জারি করেন। এতে উল্লেখিত ব্যক্তিরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও খুন জখমের চেষ্টা করে। এর জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ২৭/৯/২১ তারিখে আমাদের উপর হামলা করে এবং উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে ঘেরাবেড়া কাটাসহ সীমানা পিলার ভাংচুর করে। এতে শামসুল আলম বাধা দিতে গেলে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে।

আকবরের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন কৌশলে আমাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন চক্রান্ত শুরু করে। একপর্যায়ে সুফিয়া খাতুন আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেলাঠেলি করতে থাকে। আর তা পিছন ভিডিও ধারন করে উল্লেখিত ব্যক্তিতের আতœীয় নুরুজ্জামান। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়ে আমাকে হয়রানির চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমি আমার পৈত্রিক সম্পত্তির রক্ষা করতে এবং আমার বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের বিশেষ কর্মীসভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে বিশেষ কর্মী সভা জেলা যুবলীগের আহবায়ক জহিরুল হক নান্টুর সভাপতিত্বে নিরিবিল কমিউনিটি সেন্টার কাটিয়ায় সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা যুবলীগ সদস্য কাজী আক্তার হোসেন।

 

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবলীগের সদস্য ও শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স ম আব্দুস সাত্তার। বক্তব্য রাখেন, দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নু, সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কমিশনার তুহিন, উপজেলা যুবলীগের শেখ মাসুম, মোস্তাক, সদর উপজেলা যুবলীগের আসাদুল ইসলাম, সোহাগ হোসেন, সাবেক পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মেহেদীআলী সুজয়, সাবেক জেলা যুবলীগ নেতা আমজাদ হোসেন লাভলু, পৌর যুবলীগের মিলন, জেলা তাঁতীলীগের আলমগীর হোসেন, জেলা প্রজন্মলীগের গাজী উজ্জ্বল।

উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগের আ: সাত্তার, কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, সাইফুজ্জামান প্রিন্স, কাজী শাহাজাদা, গাজী আব্দুল মজিদ, কালিগঞ্জ যুবলীগের সভাপতি শেখ নাজমুল হাসান, সহ সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা এবং বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর যুবলীগের ওয়ার্ড সভাপতি মো: শহিদুল ইসলামসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরায় এসে বর্তমান যুবলীগের সার্বিক বিষয়ে তথ্য নিয়ে প্রকৃত ছাত্র/যুবনেতা যারা রাজপথের পরীক্ষিত সৎ, ত্যাগী, বঞ্চিত, রাজপথের সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের প্রগতিশীল যুব সমাজের সমন্বয়ে, সাতক্ষীরায় একটি শক্তিশালী সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি গঠনের আহ্বান জানান এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন। অতীতের ন্যায় কোন অশুভ শক্তির দ্বারা যেন কোন কমিটি সাতক্ষীরায় অনুমোদন না দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে আহ্বানে করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা যুবলীগের সদস্য মনোয়ার হোসেন অনু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের পুরস্কার বিতরণী

নিজস্ব প্রতিনিধি : পিস কনসোর্টিয়াম এর সহযোগীতায় ও অগ্রগতি সংস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় পিস ক্লাবের আয়োজনে ৫ই অক্টোবর সকাল ১১টার সময় তালা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ও আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে পক্ষকাল ব্যাপি প্রচার অভিযানে পুরুস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পক্ষ কালব্যাপি প্রচারাভিযান ও আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন মোঃ খাইরুল আলম শুভ সভাপতি জালালপুর ইউনিয়ন পিস ক্লাব,আন্তর্জাতিক অহিংস দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন মীর তাহরিমা বিল্লাল বেলা সহ সভাপতি তালা ইউনিয়ন পিস ক্লাব । উক্ত অনুষ্ঠান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ও অহিংস দিবস নিয়ে আলোচনা করেন নাজমুন নাহার (মহিলা বিষায়ক কর্মকতা,তালা) মুরসিদা পারভিন পাঁপড়ি(মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান, তালা)অধ্যক্ষ জি.এম.কাওছার আলী(নগরঘাটা আলিয়া আলিম মাদ্রাসা) মোঃতাওহীদুর রহমান ইমাম তালা উপজেলা জামে মসজিদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পিস ক্লাব সদস্যরা ও শান্তি দিবস উপলক্ষে যারা ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ছিলেন তরা সবায়। ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় পুরুস্কার জিতেছেন বাপ্পি ক্যাশাপী ও আকাশ, তালা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সালাহউদ্দীন রানা ফিল্ড অফিসার তালা উপজেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কলেজ শিক্ষক সমিতির ৯ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

আসাদুজ্জামান : নয় দফা দাবি নিয়ে র‌্যালি ও স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে বেসরকারি শিক্ষকরা পালন করলেন বিশ^ শিক্ষক দিবস। এসময় শিক্ষকরা শিক্ষাকে জাতীয়করন এবং শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি করনের পক্ষে বক্তব্য রাখেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি(বাকশিস) এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ এনামুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যালিটি কালেক্টরেট চত্ত্বর থেকে শুরু হয়। পরে তারা জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবিরের কাছে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজের ৯ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি পেশ করেন। পরে তারা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে শিক্ষার কারিগর হিসাবে দেশে শিক্ষিত সমাজ গড়ে তোলার ব্রত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত শিক্ষকদের একই উচ্চতায় না মেপে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য রয়ে গেছে। এতে শিক্ষায় কাঙ্খিত সেবা অনেকাংশে মিলছে না।

স্মারকলিপি ও র‌্যালীতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাকশিসের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, বাসুদেব সিংহ, বিলকিস নাহার রিতা, সুতপা রাহা, মোঃ আকবর আলী, মোঃ কামরুজ্জামান, ননীগোপাল সরকার, সালেহা আক্তার, প্রমুখ কলেজ শিক্ষক। তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করন, সরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের মতই বেসরকারি শিক্ষকদেরও উৎসবভাতা সহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া, অবশিষ্ট শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি করন, বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য পূর্নাঙ্গ অবসরভাতা চালু সহ ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক শিক্ষকদের এই দাবি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরন করবেন বলে আশ^াস দেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরনের কলাগাছিয়ায় বন কর্মকর্তাদের হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন

আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কলাগাছিয়া এলাকায় বন কর্মকর্তাদের হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে জেলে বাওয়ালীদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন জেলে বাওয়ালীদের পক্ষে শ্যামনগর উপজেলার কলবাড়ি গ্রামের নজু গাজীর ছেলে ভুক্তভোগী শহীদুল ইসলাম।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমরা বনবিভাগ থেকে পাশ নিয়ে বৈধভাবে সুন্দরবনের মাছ, কাকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। গত ২৪/০৯/২০২১ তারিখে আমার বোনাই শহীদুল ইসলাম সুন্দরবন থেকে মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পথে কলাগাছিয়া বনফাঁড়ির ওসি মনিরুল ইসলাম কোন কারন ছাড়াই তাকে আটক করেন। পরে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চের এসিএফ এম.এ হাসানের মাধ্যমে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার কারন জানতে চাওয়ায় ওসি মনিরুল ও এসিএফ এম.এ হাসান আমিসহ জেলে বাওয়ালীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং জেলে বাওয়ালীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেন। একপর্যায়ে আমাদের পাশ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করতে থাকেন।
তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনে মাছ, কাকড়া ধরা আমাদের পৈত্রিক পেশা। দীর্ঘকাল ধরে আমরা নদীতে মাছ, কাকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। ইতিপূর্বে আমরা বন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাশ নিয়ে মাছ, কাকড়া ধরতাম।

কিন্তু বর্তমানে পাশ নেওয়ার পরও টাকা না দিলে কলাগাছিয়া এলাকা পার হতে দেন না ওসি মনিরুল। নৌকা প্রতি গোন হিসেবে ৫শ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত তাকে ঘুষ দিতে হয়। বুড়িগোয়ালিনী-গাবুরা এলাকার প্রায় হাজারো জেলে বাওয়ালীরা বর্তমানে কলাগাছিয়ার ওসি ও সাতক্ষীরা রেঞ্চের এসিএফ এর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন। অনেকেই সুন্দরবন না গিয়ে বেকার সময় কাটাচ্ছেন। এতে করে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম হতাশার মধ্যে রয়েছি। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা না হলে প্রায় দেড় হাজার জেলে বাওয়ালীরা কর্মহীন হয়ে পড়বেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় অবিলম্বে কলাগাছিয়ার ওসি ও সাতক্ষীরা রেঞ্চের এসিএফ এর হয়রানির হাত থেকে জেলে বাওয়ালীদের মুক্তি দিতে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তবে, এ ব্যাপারে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চের এসিএফ এম এ হাসান জানান, তিনিসহ কলাগাছিয়া বনফাঁড়ির ওসি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হচ্ছে তা আদৌ সত্য নয়। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি এ সময় তার অফিসে এ সংক্রান্ত সকল বৈধ কাগজ পত্র রয়েছে বলে দাবী করে সেগুলো দেখে শুনে নিউজ করার অনুরোধ জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাকে দেখে বাড়ি ফেরা হলো না খেলোয়াড় তরিকুলের

তালা  প্রতিনিধি :  চিকিৎসাধীন মাকে দেখে বাড়ি ফেরা হলোনা তালার প্রিয় খেলোয়াড় সৈয়দ তরিকুল ইসলামের (৩৫)। মোটর সাইকেল-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান তিনি। সোমবার (৪ অক্টোবর) রাত ৯দিকে খুলনা আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাকে দেখে ফেরার পথে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের ডুমুরিয়া উপজেলার নতুনরাস্তা এলাকায় ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি।

এসময় ঘাতক ট্রাককে আটক করেন স্থানীয়রা। তবে ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। সৈয়দ তরিকুল ইসলামের তানিশা নামে আট বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সৈয়দ তরিকুল ইসলাম তালা সদর ইউনিয়নের আটারই গ্রামে মরহুম সৈয়দ সিরাজুল ইসলামের ছোট ছেলে। সিরাজুল ইসলামের তিন ছেলের মধ্যে তরিকুল ছোট। তিনি মাকে নিয়ে তালা উপ-শহরে নিজস্ব বাসভবনে থাকতেন। আর দুই ভাই সোহেল এবং বুলবুল থাকেন খুলনাতে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তরিকুল ইসলামের মা হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে খুলনা আবু নাসের হাসপাতালে ভর্তি করেন । মাকে দেখতে প্রতিদিন যাতয়াত করতেন তিনি ।

ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ওবাইদুর রহমান সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস

শিক্ষা ডেস্ক : সারা বিশ্বে আজ মঙ্গলবার ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ পালন করা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনসহ নানা দাবিতে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এ দিনটিকে পালন করবেন শিক্ষকরা। সরকারের পক্ষ থেকে এ দিনটি পালন করা না হলেও বেসরকারিভাবে প্রতি বছর পালিত হয়।

জানা গেছে, ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ইউনেসকো এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘শিক্ষকগণ শিক্ষা পুনরুদ্ধারের কেন্দ্রবিন্দুতে’।

দিবসটি উপলক্ষে জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন, র্যালি ও সমাবেশের ডাক দিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষকরা। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

অন্যদিকে, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে কেন্দ্র করে সোমবার (৪ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য দূরীকরণে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ, শিক্ষা সার্ভিস কমিশন ও ব্যবস্থাপনা কমিটি বিলুপ্তি করাসহ নয় দফা দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিগুলো হলো:
১. সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুরূপে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও অন্যান্য ভাতা দেওয়া।
২. সরকারি কলেজের অনুরূপ পদ্ধতিতে সমযোগ্যতা ও সমঅভিজ্ঞতা সম্পন্ন বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপকের পদে পদোন্নতি, উচ্চতর ডিগ্রির জন্য উচ্চতর বেতন স্কেল দেওয়া। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুরূপ বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থায় বদলি প্রথা চালু করা।
৩. শিক্ষকদের ন্যায় আনুপাতিক হারে শিক্ষা প্রশাসনের (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্যতাসম্পন্ন বেসরকারি শিক্ষকদের সুযোগ দেওয়া ও প্রশিক্ষণ/সেমিনার সিম্পোজিয়াম এবং ওয়ার্কশপে যোগদানের ব্যবস্থা করা।
৪. শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কিত ইউনেস্কো ও আইএলও’র সনদ ১৯৬৬ বাস্তবায়ন। শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নের লক্ষ্যে যােগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়ােগের জন্যে স্বতন্ত্র ‘শিক্ষা সার্ভিস কমিশন’ গঠন করা।
৫. মানসম্মত শিক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদন দানকারী বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডে নিয়মিতভাবে একাডেমিক পরিদর্শন ব্যবস্থা করা।
৬. বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে গভর্নিংবডি/ম্যানেজিং কমিটি প্রথা বিলুপ্ত করে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার নিয়মনীতি বাতিল করা।
৭. সরকারি কলেজের মতো বেসরকারি কলেজের জনবল কাঠামো প্রবর্তন করে অনার্স-মাস্টার্স কলেজে পাঠদানরত শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করতে হবে। শিক্ষকদেরও পূর্ণাঙ্গ পেনশন চালুসহ নয় দফা দাবি তোলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest