সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

ঢাকা থেকে সাতক্ষীরা সীমান্তে আসার পথেই জব্দ হয় সাড়ে ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ

বিশেষ ডেস্ক : রাজধানীর মালিবাগ থেকে ছেড়ে যাওয়া সোহাগ পরিবহনের বাসে দুবাই থেকে বিমানে আসা অবৈধ স্বর্ণ পাচার করবে এক দল পাচারকারী। এরপর বাসে করে দেশের অভ্যন্তরে অন্যতম বড় চালানটি নেয়া হবে সাতক্ষীরা সীমান্তে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোহাগ পরিবহনের এক বাসে অভিযান চালিয়ে ৫৮টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

সম্প্রতি রাজধানীর মালিবাগের এই অভিযানে বাসচালকসহ তিনজনকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

সংস্থার মহাপরিচালক জানান, এসব স্বর্ণ বিদেশ থেকে এনে বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে পাশের দেশে পাচার করা হচ্ছিল।

রাজধানীর মালিবাগ থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশে যাচ্ছিল সোহাগ পরিবহনের ওই বাস। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন ট্রাফিক সিগনাল এলাকায় পৌঁছালে শুল্ক গোয়েন্দা টিম গাড়িতে উঠে তল্লাশি শুরু করে। এতে নেতৃত্ব দেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ইফতেখার আলম ভূঁইয়া।

দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি শেষে আনুমানিক সকাল ৯টার দিকে বাসের চালকের সিটের নিচে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ৫৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ছয় দশমিক ৭২ কেজি। আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান সংস্থার মহাপরিচালক।

এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ৩ জনকে। তারা হলেন, গাড়িচালক শাহাদাৎ হোসেন, হেলপার ইব্রাহিম ও গাড়ির সুপারভাইজার তাইকুল ইসলাম। শুল্ক গোয়েন্দার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, এসব স্বর্ণ বিদেশ থেকে এনে বাংলাদেকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে পাশের দেশে পাচার করা হচ্ছিল।

স্বর্ণবার উদ্ধারের ঘটনায় কাস্টমস আইন অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করে নেয়া হবে পরবর্তী ব্যবস্থা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউনিয়ন ব্যাংকের ভল্ট থেকে ১৯ কোটি টাকা গায়েব!

অর্থনীতির খবর : বেসরকারি খাতের ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত ইউনিয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় সংলগ্ন গুলশান শাখার ভল্ট থেকে ১৯ কোটি টাকা উধাও হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শক দল গত সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির শাখায় গিয়ে এমন তথ্য উদ্ঘাটন করেছে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এখন ব্যাংকটির সব শাখার ভল্ট পরিদর্শন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতো বড় অনিয়মের তথ্য উদঘাটনের পরও শাখার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের বা ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ওইদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শক দল ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখা পরিদর্শনে যায়। সকাল ১০টার আগেই তারা শাখায় গিয়ে উপস্থিত হন। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী শুরুতেই পরিদর্শক দল ভল্ট পরিদর্শন করে। কাগজে-কলমে শাখার ভল্টে ৩১ কোটি টাকা দেখানো হলেও সেখানে ১২ কোটি টাকা পায় পরিদর্শক দল। তাৎক্ষণিক বাকি টাকার বিষয়ে ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো জবাব দিতে পারেননি। উল্টো বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন তৎপরতা শুরু করে শাখা কর্তৃপক্ষ। একপর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পক্ষও এ ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়।

প্রতিদিন লেনদেনের শেষ ও শুরুতে ভল্টের টাকা মিলিয়ে রাখার দায়িত্ব শাখার ব্যবস্থাপক, সেকেন্ড অফিসার এবং ক্যাশ ইনচার্জের। ভল্টে টাকার হিসাবে কোনো গরমিল হলে তা মিলিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এসব কর্মকর্তার। অনেক সময় হিসাবের ভুলে সামান্য টাকার গরমিল হতে পারে। তবে বড় অঙ্কের টাকার গরমিল হলে তা ফৌজদারি অপরাধ। এক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। উল্টো মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার তৎপরতা চলে। শুধু তাই নয়, পরিদর্শনে গিয়ে যারা এই তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন, তাদের চাপে রাখা হয়। তবে অদৃশ্য কারণে এক্ষেত্রে কাউকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়নি। এমনকি থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরিও করেনি ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ব্যাংকের কারও বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াসটঅ্যাপে লিখিত প্রশ্ন করা হলেও তিনি উত্তর দেননি।

বিষয়টি জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন ব্যাংকের ভল্টের টাকায় গরমিল হতে পারে। বিষয়টি আমি এখনও জানি না। তবে কেনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে এমন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে অবশ্যই রুলস অ্যান্ড রেগুলেটরি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিভিন্ন সংকটে থাকা ব্যাংকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানতের উপর ভর করে চলছে। গত বছর শেষে ব্যাংকটির মোট আমানত ছিল ১৭ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানতই চার হাজার ১২৭ কোটি টাকা।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত মে পর্যন্ত ইউনিয়ন ব্যাংকে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের আমানত ছিল ২১৭ কোটি টাকা, পদ্মা অয়েলের ১৫০ কোটি, যমুনা অয়েলের ১৫০ কোটি, চট্টগ্রাম ওয়াসার ৯২ কোটি, সিলেট গ্যাস ফিল্ডসের ৯৮ কোটি টাকা, পেট্রোবাংলার ৩২ কোটি, তিতাস গ্যাসের ১৫ কোটি টাকা। এছাড়া সড়ক ও জনপথ অধিদফতর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, ইসলামী ফাউন্ডেশন, বিসিআইসি, বাখরাবাদ গ্যাস, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাংকে টাকা রেখেছে।

২০১৩ সালে যে ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক দেশে অনুমোদন পায় সেগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড অন্যতম। প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মালিকানায় ছিল ব্যাংকটি। এখন ব্যাংকটি পরিচালনা করছে দক্ষিণাঞ্চলের একটি শিল্পগোষ্ঠী। সম্প্রতি পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে ইউনিয়ন ব্যাংক। ব্যাংকটি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৪২৮ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য ১০ টাকা করে কোম্পানিটি ৪২ কোটি ২৮ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করবে। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলন করা অর্থ দিয়ে ব্যাংকটি এসএমই ও প্রজেক্ট অর্থায়ন, সরকারি সিকিউরিটিজ ক্রয়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৭ জুন ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে পৌনে ৪ কোটি টাকার সরিয়ে নেন এক কর্মকর্তা। ওই ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ শাখাটির দুই কর্মকর্তাকে পুলিশ হেফাজতে দেয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া কয়েক মাস আগে ডাচ-বাংলা ব্যাংক থেকে ব্যাংকটির একজন আইটি অফিসারও এক হাজার ৩৬৩টি লেনদেনের মাধ্যমে ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। ঘটনাটি ব্যাংকের অডিটে ধরা পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাড়িবহরকে সাইড না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে চড়ালেন এমপি!

অনলাইন ডেস্ক : মোটরসাইকেল বহরকে সাইড না দেওয়ায় নজরুল ইসলাম নামে এক মাছ ব্যবসায়ী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের শেখ রাসেল স্টেডিয়াম মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নজরুল পাথরঘাটা পৌর ছাত্রলীগের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বিএফডিসি মৎস্য পাইকার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রিমিয়াম লীগ ফুটবল খেলায় মোটরসাইকেল বহর নিয়ে আসার সময় খেলোয়াড়দের বহন করা মাইক্রোবাসটিকে এমপির লোকজন সাইড দিতে বলেন। সরু রাস্তার কারণে মাইক্রোচালক সাইড না দেওয়ায় ক্ষেপে যান এমপি। পরে সভা মঞ্চে উঠে মাইক্রোবাসে থাকা পাথরঘাটা বিএএফডিসি মৎস্য আড়ৎদার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে কেন তার মোটরসাইকেল বহরটিকে সাইড দেওয়া হয়নি বলেই মারধর শুরু করেন জনসম্মুখে। বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং পা ধরে ক্ষমা চাইতে বলেন।

মঞ্চে উপস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাবির ও আড়ৎদার সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার সংসদ সদস্যর আচরণে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এমপি আমাকে বলেছেন, নজরুল মাইক্রোর ড্রাইভারকে সাইড না দেওয়ার জন্য বলছেন। এজন্যই তিনি কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মেরেছেন।

মাছ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, রাস্তায় সাইড দেওয়ার মতো অবস্থা না থাকায় মাইক্রোবাসচালক সাইড দিতে পারেনি। এমপি আমাকে মঞ্চে প্রকাশ্যে গালিগালাজ করে চড়-থাপ্পড় মারেন এবং তার পা ধরে ক্ষমা চাইতে বলেন।

এ ব্যাপারে আড়ৎদার সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার বলেন, দেখেছি এমপি চড়-থাপ্পড় মেরেছেন। মনে হয় কোনো বেয়াদবি করেছে। আমার কাছে বিষয়টি এক ধরনের ভুল বোঝাবুঝি মনে হয়েছে।

এসময় মঞ্চে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- পাথরঘাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন আকঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জাবির, আড়ৎদার সমিতির সভাপতি, জাহাঙ্গীর জমাদ্দারসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন বলেন, ‘নজরুল খারাপ লোক তাই আমি তাকে চড় মেরেছি, তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চড় মারা আমার অপরাধ হলে আমার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করুক।’

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার বলেন, আমি মৌখিকভাবে বিষয়টা শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে আমরা আইনগত প্রক্রিয়ায় যাবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে ৭ খাবার পুনরায় গরম করলে পড়বেন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের মধ্যে অনেকেই একসঙ্গে বেশি করে খাবার রান্না করে নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে গরম করে খেয়ে থাকি। বর্তমান সময়ে ফ্রিজ, ওভেনের মতো আধুনিক যন্ত্রের সুবাদে এই প্রবণতা বেড়েছে আরও বেশি।

কিন্তু কিছু খাবার আছে যেগুলো পুনরায় গরম করে খেলে তা বয়ে নিয়ে আসতে পারে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি। কারণ এ ধরনের খাবার পুনরায় গরম করলে তা বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে এবং এতে আমাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে অনেকগুণ।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির বরাত দিয়ে পুষ্টিবিদ লোকেন্দ্র তোমার এমন কয়েকটি খাবারের কথা বলেছেন, যেগুলো পুনরায় গরম করলে তাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। তাই জানুন স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে যে সাত খাবার পুনরায় গরম করা এড়াবেন—

১. পালংশাক
পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। তাই পালংশাক পুনরায় গরম করলে এতে থাকা আয়রন জারণ হয়ে এক ধরনের র‌্যাডিকেল তৈরি করে, যা ক্যান্সার ও বন্ধ্যত্ব পর্যন্ত বয়ে আনতে পারে।

২. ভাত
আপনি হয়তো এ নামটি দেখে অবাক হচ্ছেন। কিন্তু এটি বাস্তব যে ভাত একবার ঠাণ্ডা হয়ে গেলে তাতে ব্যাক্টেরিয়ার উপস্থিতি দেখা দিতে পারে। আর পুনরায় তা গরম করা হলে সেই ব্যাক্টেরিয়া মরে গিয়ে এক ধরনের স্পোর তৈরি করতে পারে। আর এ স্পোর আপনার খাদ্যে বিষক্রিয়া ঘটিয়ে ডায়রিয়া ও বমি সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৩. ডিম
রান্না করা বা সিদ্ধ ডিম বারবার উচ্চ তাপের সংস্পর্শে এলে তা বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। ডিমে বেশি পরিমাণে প্রোটিন থাকে আর প্রোটিনযুক্ত খাবারে প্রচুর নাইট্রোজেন থাকে। আর এ কারণে এটি বারবার গরম করা হলে তা অক্সিডাইজড হয়ে ক্যান্সার পর্যন্ত সৃষ্টি করতে পারে।

৪. মুরগির মাংস
মাংস বেশি করে রান্না করে নিয়ে তা বারবার গরম করে খেতে দেখা যায় অনেককেই। কিন্তু ডিমের মতো মুরগির মাংসতেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তাই এটিও ডিমের মতো একইভাবে আপনার ক্ষতি করতে পারে।

৫. আলু
আলু পুনরায় গরম করে খেলে তা আপনার ওপরে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ আলু রান্না বা সিদ্ধ করার পর তা ঠাণ্ডা হওয়ার সময় বোটুলিজম সৃষ্টিকারী ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করতে পারে। এ কারণে এটি পুনরায় গরম করে খেলে তা থেকে আপনার ফুড পয়োজনিং হতে পারে।

৬. মাশরুম
মাশরুম বা মাশরুম দিয়ে রান্না করা খাবার পুনরায় গরম করে খেলে এতে থাকা প্রোটিনের কার্যকারিতা কমে যায়। এ কারণে সেটি হজমের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৭. অলিভ ওয়েল বা জলপাই তেল
জলপাই তেল হচ্ছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত। আর ফ্যাট তাপে ভেঙে যায় এবং ৪০ ডিগ্র তাপমাত্রার বেশিতে এটি পুনরায় গরম করা হলে তা ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে। তাই জলপাই তেল দিয়ে রান্ন করা কিছু পুনরায় গরম করে খাওয়া যাবে না। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৬ মাস গ্রামের সব নারীর কাপড় ধোয়ার নির্দেশ

ভিন্ন স্বাদের খবর : ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এক অভিনব সাজা দিলেন এক তরুণকে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, ছয়মাস বিনামূল্যে গ্রামের সব নারীর কাপড় ধুয়ে দিতে হবে তাকে। শুধু ধুয়ে দিলেই হবে না, সেগুলো ইস্ত্রিও করে দিতে হবে। ঘটনা ভারতের বিহারের।

মধুবনী জেলার ঝঞ্জরপুরের অতিরিক্ত জেলা জজ অবিনাশ কুমার ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত ওই তরুণকে এই শর্তে জামিন দেন যে, তার গ্রামের সব নারীর কাপড় ধুয়ে-ইস্ত্রি করে ফেরত দিতে হবে। ওই আদেশের অনুলিপিও স্থানীয় গ্রাম প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ওই গ্রামের মোট জনসংখ্যা প্রায় ২ হাজার। তাই সব নারীর কাপড় ধুতে ওই তরুণের বেশ বেগ পেতে হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

মামলার সূত্রে খবর, লালন কুমার সাফি (২০) নামে এক তরুণ গত ১৭ এপ্রিল স্থানীয় এক নারীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৯ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযুক্তের আইনজীবী পরশুরাম মিসরা বলেন, এই আদেশ সামাজকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে, যাতে অন্যরা এরকম অপরাধমূলক করমকাণ্ড থেকে বিরত থাকবে।

ওই গ্রামের প্রধান নাসিমা খাতুন আদালতের আদেশকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে জানান, এই রায়ে নারীদের সম্মান ও মর্যাদা সুরক্ষিত হবে। মানুষ এ ধরনের অপরাধ করার আগে একশবার ভাববে। সূত্র : দ্য হিন্দু, ট্রিবিউন ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে শ্মশানের উপর দিয়ে নির্মিত হচ্ছে পিচ ঢালাই রাস্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার পাউখালি মহাশ্মশানের উপর দিয়ে পিচ ঢালাইয়ের রাস্তা নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতা এটাকে সমর্থন করলেও কৌশলে নীরবতা পালন করে দায় এড়াতে চাইছেন।
সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার পাউখালি মহাম্মশানে যেয়ে দেখা গেছে সেখানে দাহ করা হচ্ছিল বাজারগ্রামের গোপীরঞ্জন অধিকারীর মা গৌরী রাণী অধিকারীর লাশ। নির্মাণাধীন পাউখালি ব্রীজ থেকে মৌতলা নির্মাণাধীন রাস্তার উপর শ্মশান বেদিটি অবস্থান করছিল। আগুন জ্বলছিল দাউদাউ করে। পাশেই রয়েছে শ্মশান কালীমন্দির। শ্মশান থেকে ঢিঁল ছোঁড়া দূরত্বে নির্মিত হয়েছে পাউখালি কারিগরি স্কুল এণ্ড কলেজ। কলেজের নিকটেই আদি যমুনার চরে বসবাস করছেন কয়েকটি ভূমিহীন পরিবার।

প্রশ্ন রাখতেই গোপী রঞ্জন অধিকারী বলেন, রাস্তা নির্মাণের জন্য যখন নকশা তৈরি হলো তখন উপজেলা প্রকৌশলী থেকে শুরু করে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যান সকলেই জানতেন যে শত বছরের পুরাতন শ্মশানের উপর দিয়ে রাস্তা চলে যাবে। বিপন্ন হবে শ্মশানের কার্যক্রম। এরপরও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রতিবাদ করেও কোন সদুত্তর পাননি।
হিন্দু মহাজোট কালীগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক গোপাল মণ্ডল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শ্মশানের উপর দিয়ে পিচের রাস্তা বানানো হচ্ছে। তাহলে অন্য দলের সময়কালে মন্দিরের উপর দিয়েও রাস্তা হলে প্রতিবাদ করার কিছু থাকবে না।

মহৎপুর শাখারীপাড়ার বরুন কুমার দত্ত জানান, পাউখালি শ্মশানে পাউখালি, ভদ্রখালি, কুলিয়া , দিয়া, বাজারগ্রাম, কালীগঞ্জসহ কয়েকটি গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের মৃতদেহ সৎকার করা হয় এক’শ বছর আগে থেকে। পাউখালি ব্রীজ থেকে মৌতলা পর্যন্ত আদি যমুনা নদীর পাশ দিয়েই প্রায় দু’ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে দু’ কোটি ৭০ লাখ টাকা। জনৈক ঠিকাদার রফিকুল ইসলাম এর নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পেলেও রাস্তা নির্মাণ করছেন মতিয়ার রহমান ওরফে ভাটা মতি। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হলেও ঠিকাদার শ্মশান সমস্যার সমাধান না করেই কাজ অব্যহত রেখেছেন।

তিনি আরো জানান, পাউখালি শ্মশানের জন্য কুশুলিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান বাবলুর সহায়তার চার শতক জমি জেলা প্রশাসকের অনুকুলে শ্মশানের নামে বর্তমান সেটেলমেন্টে রেকর্ড হয়। শ্মশানের উপর দিয়ে রাস্তা চলে যাওয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী ও লতিফুর রহমান বাবলু পাউখালি কারিগরি স্কুল এণ্ড কলেজ গড়ে ওঠার কারণে শ্মশানটি কিছু দূরে ভূমিহীনদের বসতির পাশে পূণঃনির্মানের পরামর্শ দিলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই ভূমিহীনদের প্রতিবাদ শুরু হয়। ফলে রাস্তার মধ্যে বেদীর উপর চিতা সাজিয়ে শবদাহ করতে হচ্ছে।

তবে মহৎপুর আচার্যপাড়ার অমল কুমার আচার্য বলেন, শ্মশানের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী কোন মন্তব্য করেননি। তাই তারা ভেবে ছিলেন নদীর চরের দিকে শ্মশান বেদি নির্মাণ করতে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা খরচ হলে ঠিকাদার তা বহন করবেন। কিন্তু মতিয়ার রহমানের এ নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। তাই মঙ্গলবার গৌরী রানী অধিকারীর লাশসহ সম্প্রতি ভদ্রখালির করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তি, মহৎপুরের তারক আচার্যসহ কয়েকজনকে রাস্তার উপর শ্মশান বেদিতেই সৎকার করা হয়েছে। রাস্তার উপর বালি খোয়া থাকায় তারা সমস্যায় ছিলেন।
শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শিশির কুমার দত্ত বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। আগামিতে হয়তো লাশ সৎকার বাড়িতেই করতে হবে। সেখানে প্রতিবেশিরা আপত্তি করলে মুসিলমদের মত কবর দিতে হবে।
কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাহিত্যিক গাজী আজিজুর রহমান এক ফেসবুক কমেন্টে লিখেছেন ‘‘শ্মশানে কবরে কোথাও শান্তি নাই এ কেমন বর্বর সভ্যতা’’।
একই কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শ্যামপদ দাস লিখেছেন ‘‘এ কেমন রাস্তা, শ্মশানের উপর দিয়ে গেল? প্রশাসনের আশু ব্যবস্থার দাবি করছি। এ কাজ নিন্দনীয়।
জয়মহাপ্রভু সেবক সংঘের সভাপতি গোষ্ট বিহারী মণ্ডল বলেন, গত কয়েক মাস আগে উপজেলার পিরোজপুর এলাকায় শ্মশানের জায়গা দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করে উপজেলার শীর্ষ পর্যায়ের এক জনপ্রতিনিধি। সেটি স্থানীয়ভাবে প্রতিবাদ করে প্রতিহত করা হয়। কিন্তু এর কয়েক মাস যেতে না যেতেই ওই নেতার ইচ্ছায় পাউখালিতে অবস্থিত শতবছরের সার্বজনীন শ্মশানের উপর দিয়ে পিচের রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। এ নিয়ে খুব শ্রীঘ্র বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
ঠিকাদার রফিকুল ইসলাম বলেন, সিডিউল অনুযায়ী রাস্তার কাজ চলছে। রাস্তাটি তার নামে টেন্ডার হলেও কাজ করছে মতি। তার উচিত ছিলো রাস্তার কাজ শুরু করার আগে এ সমস্যার সমাধান করা। তাহলে এ বিতর্কে পড়তে হতো না।
কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, শ্মশানের উপর দিয়ে রাস্তা যাচ্ছে এটা তার জানা নেই। শ্মশানের উপর দিয়ে রাস্তা করে তারা ধর্মীয় অনুভূমিতে আঘাত করতে চান না।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। এ ধরণের সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপন

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপন করলেন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান। বুধবার দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের স্থায়ী কার্যালয়ে এ সাইবোর্ড স্থাপন করা হয়। এসময় ছাত্রলীগ নেতা হাসানুজ্জামান নিশান, নাহিদ,অর্পি,সানজির,ফারিব,নাঈম, আবিদ, তানভীর সহ জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শহীদ মিনার যেন মোটরসাইকেল গ্যারেজ!
নিজস্ব প্রতিনিধি:   কর্তৃপক্ষের অবহলা আর উদাসহীনতায় সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শহীদ মিনারটি যেন মোটরসাইকেল গ্যারেজে পরিণত হয়েছে। শুধু ফেব্রুয়ারি মাস এলেই খোঁজ হয় শহীদ মিনারের বাকি সময়টায় শহীদ মিনারের দিকে ফিরেও তাকায় না কলেজ কতৃপক্ষ। যে কারণে যার যখন যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে ব্যবহার করেন শহীদ মিনারটি। কিন্তু কোন কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ নেই কলেজ প্রশাসনের।বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শহীদ মিনার চত্ত্বরে অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল। সিটি কলেজটি ‘মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স’র পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারিত হওয়ায় পরীক্ষা দিতে আসা চালকরা ইচ্ছেমতো মোটরসাইকেল রেখেছেন এখানে। মোটরসাইকেল রাখার সময় শতভাগ মোটরসাইকেল চালকই জুতা পায়ে শহীদ মিনারের উপর উঠে শহীদ মিনার তথা ভাষা শহীদদের মর্যাদাহানী করেছেন। কেউ কেউ আবার খাবার খেয়ে ময়লা আর খালি প্যাকেট ফেলেছেন শহীদ মিনার চত্ত্বরে। তবে এসব কিছু দেখেও যেন না দেখার ভান করে আছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

শহীদ মিনারের উপর মোটরসাইকেল রাখা ইসমাইল হোসেন নামের এক চালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এসে দেখি অনেকেই এখানে গাড়ি রেখেছেন তাই পার্কিং এরিয়া মনে করে আমিও রেখেছি।

সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান হুসাইনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো শুধু মোটরসাইকেল দেখছেন অন্য সময় ছাগল-কুকুর শহীদ মিনারের ওপর ঘুমায়, নোংরা করে তাতেও কেউ কিছু বলেনা।

ভাষা শহীদদের স্মৃতি স্তম্ভের উপর জুতা পায়ে উঠে অসম্মান করে এভাবে শহীদ মিনারকে মোটরসাইকেল গ্যারেজ হিসেবে ব্যবহার করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাইদ বলেন, আসলে আজকে আমি কলেজে ছিলাম না এজন্য ঘটনাটি জানিনা। তবে এধরণের ঘটনা ঘটতে পারে বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষার কারণে। আমি বিআরটিএ’কে আমাদের কলেজ থেকে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য বলেছি ভবিষ্যতে আর এমনটি হবেনা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শহীদ মিনারটি কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে হওয়ায় একটু অসুবিধা হয়। তবে সে সমস্যাও থাকবেনা। আমাদের সদর এমপি মহোদয় কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে নতুন করে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন। বর্ষা মৌসুম গেলেই নতুন শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest