সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আরো তিনজনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এক নারীসহ আরো তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ডেডিকেটেড সামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর গ্রামের আনোয়ারা খাতুন (৫৫), কালিগঞ্জ উপজেলার বাজারগ্রামের আব্দুল কাদের (৩৫) ও তালা উপজেলার হরিনগরের শালিখা গ্রামের মিরাজ আলী সরদার (৭০)।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে গত এক সপ্তাহ আগে তারা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তারা মারা যান। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ৬৭৫ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৮ জন। এই মুহুর্তে সাতক্ষীরা মেডিকেলে ৬৮জন করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে একজন পজেটিভ ও ৬৭ জন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন।

জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আইসলুসনে রয়েছেন ২৮৮ জন। এরমধ্যে পজেটিভ রয়েছেন ১০ জন।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, সাতক্ষীরায় এস্ট্রোজানেকার প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৮২৬জন ও দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৮০ হাজার ৬১জন। সিনোফার্মেও প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১লাখ ৭৪ হাজার ৪৮৬জন এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮৯ হাজার ৮৩৭ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অর্ধকোটি টাকা ব্যয় করে তাহসান-মিথিলাকে লাইভে এনেছিল ইভ্যালি

বিনোদন ডেস্ক : বিচ্ছেদের পর সেভাবে আর একসাথে দেখা যায়নি আলোচিত দম্পতি তাহসান ও মিথিলাকে। কিন্তু ফেসবুকে তাদের স্ট্যাটাস ঘিরে গুঞ্জন শুরু হয় চলতি বছরের মে মাসে। মধ্যরাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ঝড় তোলেন তাহসান। জনপ্রিয় এ গায়ক ও অভিনেতা তার ভেরিফায়েড পেজে লেখেন, এই শনিবার রাতে তোমার জন্য একটি সারপ্রাইজ রয়েছে।

মিথিলা লিখেছিলেন, রিয়েলি! সারপ্রাইজের অপেক্ষায় রইলাম।’
পরে দেখা গেছে তারা একসঙ্গে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ফেসবুক লাইভ শোতে হাজির হয়েছেন। কেউ কেউ বলছে, গত ১৫ মে রাত ৯টায় ওই অনুষ্ঠান করতে অর্ধকোটি টাকার বেশি খরচ হয় ইভ্যালির। ইভ্যালির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) আরিফ আর হোসেন ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এখন গ্রাহকের করা প্রতারণার মামলায় কারাগারে। ওই মামলার পর মিথিলা ও তাহসান জানিয়েছেন, তারা আর ইভ্যালির সঙ্গে নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : মাদক উদ্ধারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এর বেচাকেনা। গত এক যুগে ১৪ হাজার ৩১৩ কোটি টাকার নয়টি বহুল প্রচলিত মাদক উদ্ধার করে সরকারের সংশ্লিষ্টরা। এর বাইরেও নতুন মাদক উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে। মাদক উদ্ধারের এ চিত্র খুবই আশঙ্কাজনক-এমন মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, এটি কোনোভাবেই মাদকের পেছনে মোট লেনদেনের ২০-২৫ শতাংশের বেশি নয়। এ অবস্থায় প্রজন্ম রক্ষায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ১৮টি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-মাদক গডফাদারদের ডাটাবেজ তৈরি, মাদকাসক্ত শনাক্তে নো-টেস্ট প্রযুক্তি সংযোজন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে মাদক বেচাকেনা বন্ধ, নিরাময় কেন্দ্রে ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম চালু, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরিতে ‘ড্রাগ মিউজিয়াম’ স্থাপন এবং মাদক বৃদ্ধি-হ্রাসের ইনডিকেটর তৈরি। এছাড়া আরও কিছু কার্যকর চিন্তা করছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এগুলো বাস্তবায়নে একাধিক কমিটি হয়েছে। দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে পৃথক কর্মকর্তাদের। কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়নে দফায় দফায় বৈঠকও করছেন তারা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, মাদক মাফিয়ারা বেচাকেনায় নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করছে। সেবনকারী তৈরি ও বিক্রির চেইন তৈরিতেও কাজ করছে তারা। এ ক্ষেত্রে তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে মাদক উদ্ধার সংশ্লিষ্টদের চোখ এড়ানো। ফলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে তারা। এজন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিশু-কিশোরদের মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানানোসহ পরিণত বয়সের মানুষদেরও জীবনঘাতী নেশা থেকে বিরত রাখার কথা বলা হয়েছে সেই সব উদ্যোগে।

জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, এই পরিকল্পনাগুলো করা হয়েছে অতীত অভিজ্ঞতা ও বর্তমান বাস্তবতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎকে সুন্দর করার জন্য। এখনো ‘ব্রেইন স্ট্রর্মিং’ চলছে। আমরা এর মাধ্যমে কর্মপরিধিকে ঢেলে সাজাব। তৈরি হবে প্রশিক্ষিত জনবল। নিড (প্রয়োজন) অ্যান্ড টার্গেট (লক্ষ্য) বেজড (নির্ভর) কাজ করব। আমাদের নিড হলো মাদকাসক্তিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া। এই ভিশনকে ফোকাসড করে আমরা যা করণীয় সবই করব। ড্রাগ মিউজিয়ামের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কর্মকর্তাদের ইনভেস্টিগেশনের (তদন্ত) স্বার্থে মাদক সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জনের জন্য এটি করা হবে। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। এই মিউজিয়াম দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির একটি উদ্যোগ। কারণ আমাদের অনেকেই কিছু ড্রাগের (মাদক) রং কি, আকারে কেমন, দেখতে কেমন হয় তা জানেন না। এ মিউজিয়ামের মাধ্যমে তারা সেটি জানবেন। এটা লার্নিং প্রসেসের একটা অংশ হবে।

জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব তরুণ কান্তি শিকদার বলেন, শিগগিরই আমরা মাদববিরোধী বড় অভিযানে যাব। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটকে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে একাধিকবার সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সবশেষ সভা হয়েছে গত বুধবার। তিনি বলেন, অনেক আগেই আমরা মাদকবিরোধী অভিযান-সংক্রান্ত অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করেছি। করোনা পরিস্থিতির কারণে এতদিন ওই প্লান বাস্তবায়ন করা হয়নি। এখন সেটা বাস্তবায়ন করতে চাই।

ডিএনসি সূত্র জানায়, মাদক নিয়ন্ত্রণে অন্যতম উদ্যোগ হলো বাংলাদেশে মাদকাসক্তদের সংখ্যা নির্ণয়। কারণ দেশে এখনো মাদকাসক্তদের সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে নির্ণয় করা হয়নি। ‘নোডাল এজেন্সি’ হিসাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক এই সংখ্যা নির্ণয় করা হবে। ৫ আগস্ট উদ্ভাবনী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতিবিষয়ক এক সভায় বলা হয়, মাদক ভোক্তাদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলমান।

প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এজন্য মাদকাসক্ত শনাক্তকরণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের পরিকল্পনার অংশ হিসাবে নো-টেস্ট প্রযুক্তি সংযোজন করা হবে। তৈরি হবে আকারে হাতঘড়ির মতো লেটেস্ট ডিভাইস। বাস্তবায়নে অগ্রগতি ও সিদ্ধান্তের বিষয়ে অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ১৯টি জেলার ২১টি স্থানে ডোপ টেস্ট সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। চলছে র‌্যানডম টেস্ট বা ভ্রাম্যমাণ গাড়ির মাধ্যমে ঘরে ঘরে ডোপ টেস্টের নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের চিন্তা।

দেশে মাদক কমছে কিনা তার ইন্ডিকেটর বা সূচক সেট করার কথাও ভাবছে অধিদপ্তর। এ সংক্রান্ত এক সভায় সূত্র জানিয়েছে, এজন্য মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা, মাদক-সংক্রান্ত মামলায় আসামির সংখ্যা, চিকিৎসার জন্য আসা মাদকসেবীর সংখ্যা, পারমিটধারীদের সংখ্যা সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কথা বলা হয়। বৈঠকে আলোচনায় আরও বলা হয়, মাদকের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে কিনা বা মাদকের ক্রাইসিস (সংকট) আছে কিনা তা নির্ধারণ করা যেতে পারে। মাদকবিরোধী প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি, দেশব্যাপী মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগ বক্স স্থাপন করা যেতে পারে।

ডিএনসির উদ্যোগের মধ্যে আরও রয়েছে-নিরাময় কেন্দ্রগুলোকে ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম চালুকরণ। এর অংশ হিসাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সব মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি সংযোগ স্থাপন এবং আইপি সংযোগের মাধ্যমে প্রধান কার্যালয়ে ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হবে। ডার্ক নেট, ক্রিপ্টোকারেন্সি, মোবাইল অ্যাপস এবং সাইবার ক্রাইমবিষয়ক অভিজ্ঞ টিম গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বরের এক সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া সিদ্ধান্ত হয়েছে ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট ডাটাবেজ তৈরির। মাদক ব্যবসায়ী (গডফাদার, পাইকারি, খুচরা ও পৃষ্ঠপোষক) এবং মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির জন্য একটি সফটওয়্যার ডিজাইনও প্রস্তুত করা যেতে পারে বলেও এ সংক্রান্ত এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়। এসবের পাশাপাশি গোয়েন্দা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণে অস্ত্র, প্রযুক্তি, ট্র্যাকারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নির্ধারণের চিন্তাও চলছে।

উদ্যোগের মধ্যে আরও রয়েছে-মাদকপ্রবণ অঞ্চল নির্ধারণ করা। প্রয়োজনে যে অঞ্চলে মাদকপ্রবণতা কম সে অঞ্চল থেকে জনবল মাদকপ্রবণ এলাকায় পদায়ন করা হবে। অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক থেকে তদূর্ধ্ব সবার পারফরম্যান্স বক্স চালু করা হবে। অনলাইন স্টাফ ডায়েরি সিস্টেমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে প্রতিদিনের কাজের ইনপুট দেবেন। দৃশ্যমান ও জোরদার করা হবে মাদকবিরোধী প্রচার কার্যক্রম। স্কুল-কলেজ (বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম) এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ প্রচার-প্রচারণার পদ্ধতি ঠিক করা হবে। শিশু ও কিশোরদের জন্য মাদকবিরোধী কার্টুন, গেমস ও অ্যাপস তৈরি করা। এজন্য একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটি শিশু-কিশোরদের উপযোগী করে কন্টেন্ট তৈরি করবে।

দেশব্যাপী মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজের অংশ হিসাবে ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা ও জেলাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিধিনিধিদের সঙ্গে অধিদপ্তরের সমন্বয় বৃদ্ধির কাজ চলছে। অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এর পাশাপাশি গঠন করা হবে প্রেস উইং। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ইংরেজিতে পারদর্শী এবং যোগাযোগে সক্ষম এমন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত হবে এ উইং-যার দুটি শাখা থাকবে। একটি অভ্যন্তরীণ মিডিয়া ও আন্তঃসংস্থা সংযোগ স্থাপনে কাজ করবে। অপরটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও সংস্থা নিয়ে কাজ করবে।

ডিএনসি সূত্র জানায়, মাদক নিয়ন্ত্রণে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে থাকবে আইডিয়া ব্যাংক। সহকারী পরিচালক ও উপ-পরিচালকরা প্রতি ১৫ দিনে একটি করে এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রসিকিউটর, পরিদর্শক, উপ-পরিদর্শক, সহকারী প্রসিকিউটর ও হিসাবরক্ষকরা প্রতি মাসে একটি করে আইডিয়া পাঠাবেন। প্রতিটি আইডিয়া হবে এক লাইনের এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে। যার যৌক্তিকতা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সঙ্গে দিতে হবে। আইডিয়া পেটেন্ট করতে হবে। চালু থাকতে হবে আইডিয়া ফ্যাক্টরি। অধিদপ্তরের প্রতিটি কার্যালয়কে ই-নথি ও ই-ফাইলিংয়ের আওতায় আনা হবে। ৩৭টি সেবাকে এক সেবায় অন্তর্ভুক্ত করে ডিজিটাল অফিস চালু করা হবে।

উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দীর্ঘ চাকরি জীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর। সেজন্য তাদের রেখে সমাজের এলিট শ্রেণি ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে ‘থিংক ট্যাংক’ তৈরি হবে। এর বাইরে কেন্দ্রীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে গোপনীয়তা বজায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের ড্রাগ মিউজিয়াম স্থাপন করা হবে। এজন্য একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে তুলতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ আয়োজনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা, মডিউল ও ক্যালেন্ডার প্রস্তুতের কথাও বলা হয় এক সভায়।

এসব উদ্যোগ নিয়ে কথা হয় মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের উপদেষ্টা সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি বলেন, যে পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয় তার মোট মাদকের খুবই সামান্য। বেশিরভাগই থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। গণমাধ্যমের বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, এখন মাদক ব্যবসায় জড়িত আছে ২৫০ থেকে ৩০০ গডফাদার ও ১ লাখ ৬৫ হাজার বিক্রির নেটওয়ার্ক। এদের মাধ্যমে মাদক খাতে বছরে লেনদেন হয় ৬০ হাজার কোটি টাকা। আর বেশ কিছু সংস্থার তথ্যানুযায়ী অবৈধ মাদক আমদানিতে প্রতি বছর বিদেশে পাচার হচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এদের চিহ্নিত করতে সময়োপযোগী পরিকল্পনার বিকল্প নেই। সেজন্য যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।সূত্র: যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তৃণমূলে ভিড়ছেন শ্রাবন্তী, মদন মিত্রের সঙ্গে ছবি ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত রাজনীতিবিদ মদন মিত্র। তৃণমূলের এই নেতার বিভিন্ন মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রায়শই আলোচনা-সমালোচনা হয়। এবার তার সঙ্গেই দেখা গেল টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জিকে। আর এ থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে, ফের তৃণমূলে ভিড়ছেন অভিনেত্রী।

শ্রাবন্তী বর্তমানে প্রেম করেন ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গে। তিনিই আয়োজন করেছেন বিশ্বকর্মা পূজার। আর সেখানে একসঙ্গে দেখা যায় মদন মিত্র ও শ্রাবন্তীকে। তারা দু’জন খোশমেজাজে কথা বলেছেন, আড্ডা দিয়েছেন। সেই ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্জালে।

পশ্চিমবঙ্গের সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু জিততে পারেননি। শোনা যায়, তিনি আগে মমতার দল তৃণমূলের সমর্থক ছিলেন। তবে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে সবাইকে অবাক করে দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু হেরে যাওয়ায় পুনরায় দিদির কাছে ফিরতে চাইছেন এ তারকা।

এছাড়া কিছু দিন আগেই শ্রাবন্তীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। বিপরীতে শ্রাবন্তীও দিদিকে ভালোবাসা-কৃতজ্ঞ প্রকাশ করতে ভোলেননি। তখনও তার তৃণমূলে ফেরার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল।

প্রসঙ্গত, তৃতীয় স্বামী রোশান সিংয়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে অভিরূপের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন শ্রাবন্তী। কিছু দিন আগে তিনি ছেলে ঝিনুক ও তার প্রেমিকাকে নিয়ে মালদ্বীপে ঘুরে এসেছেন। শোনা যায়, সেই সফরে শ্রাবন্তীর সঙ্গে ছিলেন প্রেমিক অভিরূপও। এছাড়া তারা বর্তমানে একই আবাসনে পাশাপাশি ফ্ল্যাটে থাকেন বলেও জানা যায়।

উল্লেখ্য, শ্রাবন্তী প্রথম বিয়ে করেছিলেন নির্মাতা রাজীব বিশ্বাসকে। সেই সংসারে বিচ্ছেদের পর বিয়ে করেন মডেল কৃষাণ বিরাজকে। তাকে ডিভোর্স দিয়ে রোশানকে বিয়ে করেছিলেন এ অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের দাবিতে আপত্তি : জাতিসংঘে বাংলাদেশের চিঠি

দেশের খবর : বঙ্গোপসাগরের কন্টিনেন্টাল শেলফ বা মহীসোপানে ভারতের কিছু দাবির ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে জাতিসংঘে একটি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের দাবির ওপরে আপত্তি জানিয়ে নিজেদের কিছু দাবি তুলে ধরে জাতিসংঘে চিঠি দিয়েছিল ভারত।

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার ভারতের সেই দাবির ওপরে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিবের বরাবর একটি চিঠি দেয় বাংলাদেশ। চিঠিটি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, গত এপ্রিলে জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ সংক্রান্ত কমিশনে (সিএলসিএস) ভারত দাবি করেছিল যে, বাংলাদেশ যেই মহীসোপান নিজেদের বলে দাবি করছে, তা ভারতের মহীসোপানের অংশ। সেসময়ই বাংলাদেশ জানিয়েছিল যে ভারতের ওই আপত্তির কোনো আইনগত ভিত্তি নেই বলে তারা মনে করে। এ বিষয়ে কমিশনের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার কথাও জানায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মহীসোপান নিয়ে বিতর্কের শুরুটা হয় ২০০৯ সালে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশিদ আলম বিবিসি বাংলাকে জানান, ২০০৯ সালে ভারত তাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের জন্য যে ভিত্তিরেখা বা বেইজ পয়েন্ট নির্ধারণ করে, তার মধ্যে দুটি বেইজ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি ছিল। ২০০৯ সালে তাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের সময় একটি বেইজ পয়েন্ট ছিল বাংলাদেশের জলসীমার ভেতরে, আরেকটি বেইজ পয়েন্ট ছিল সাড়ে দশ নটিক্যাল মাইল সমুদ্রের ভেতরে।

নিয়ম অনুযায়ী সমুদ্রের পানির নিম্নস্তর থেকে বেইজলাইন নির্ধারণ করার কথা থাকলেও দুটি বেইজ পয়েন্ট সেই নিয়ম মেনে অনুমান করা হয়নি বলে মনে করে বাংলাদেশ। সেসময় ভারতের এই বেইজলাইন নির্ধারণে ভুলের বিষয়টি উল্লে­খ করে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং এটি সংশোধনের অনুরোধও করা হয়। এরপর ২০১১ সালে বাংলাদেশ নিজেদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করে তা দাবি করে আবেদন করে জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ বিষয়ক কমিশনে (সিএলসিএস)। পরে ২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ বিষয়ে ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতের মামলায় বাংলাদেশ জয়লাভ করে এবং আদালত বাংলাদেশকে নিজেদের সংশোধিত সমুদ্রসীমা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

খুরশিদ আলম জানান, ২০২০ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সংশোধিত সমুদ্রসীমা জমা দেয়। কিন্তু আদালত সীমানা নিার্ধারণ করে দেওয়া স্বত্ত্বেও ভারত এ বছরের এপ্রিলে বাংলাদেশের দাবি করা মহীসোপান নিয়ে আপত্তি জানায় সিএলসিএস-এ। ওই আপত্তিতে ভারত দাবি করে যে, বাংলাদেশ সমুদ্রপৃষ্ঠে যে বেইজলাইন ধরে নিজেদের মহীসোপান নির্ধারণ করেছে, তা ভারতের মহীসোপানের অংশ। আদালত যখন সমাধান করে সীমানা নির্ধারণ করে দিল, তখন তো মহীসোপান নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের আর কোনো দ্বন্দ্ব থাকল না। কিন্তু ভারত তারপরও আপত্তি দেয়। এবার চিঠি দিয়ে আমরা জাতিসংঘকে মূলত এটাই জানাই যে, ভারতের সঙ্গে আমাদের মহীসোপান নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই, কাজেই তারা যেন বিষয়টি বিবেচনা না করে।

তবে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারত আনুষ্ঠানিক কোনো আবেদন করেনি, তাই মহীসোপান সংক্রান্ত তাদের দাবি আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মনে করেন খুরশিদ আলম। তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসীমা নিয়ে যেই দ্বন্দ্ব ছিল তা মিটে গেছে আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ২০১৪ সালে। এরপর তারা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আদালতে কোনো আবেদন করেনি।

এ ছাড়া মহীসোপান বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন ‘কমিশন অন দ্য লিমিটস অব কন্টিনেন্টাল শেলফ’ এর এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাধানের এখতিয়ার নেই বলেও মন্তব্য করেন ম্যারিটাইম অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক সচিব খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, আদালতের সিদ্ধান্তের পর মহীসোপান নির্ধারণ শেষে তারাও প্রজ্ঞাপন করেছে, আমরাও প্রজ্ঞাপন করেছি। কাজেই আমার মনে হয় তাদের এই আপত্তি আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলোর সমুদ্রের দিকে পানির নিচে যে ভূখণ্ড ধীরে ধীরে ঢালু হয়ে নেমে যায়, তাকে ভূগোলের ভাষায় বলা হয়ে থাকে মহীসোপান বা কন্টিনেন্টাল শেলফ, যাকে উপকূলীয় ওই দেশের বর্ধিত অংশ বলে ধরা হয়ে থাকে।

১৯৫৮ সালের কনভেনশন অনুযায়ী, সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলোর স্থলভাগের বেইজলাইন থেকে লম্বালম্বিভাবে সমুদ্রের ২০০ মাইল পর্যন্ত এলাকার মালিকানা সম্পূর্ণ ওই দেশের। একে বলা হয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক অঞ্চল (ইইজেড) বা একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল, যেখানে সমুদ্রের পানি ও তলদেশের ওপর ওই দেশের একছত্র অধিকার থাকে। সেখানকার সমুদ্রে অন্য কোনো দেশ মাছ ধরতে পারে না। এরপর থেকে দেড়শ মাইল পর্যন্ত সীমার সমুদ্র তলদেশের খনিজ সম্পদের মালিক হবে ওই দেশ, তবে পানিতে থাকা মাছ ধরতে পারে অন্য দেশও। এই পুরো সাড়ে তিনশো মাইলকে ওই দেশের মহীসোপান বলা হয়। দেশের আকার ভেদে এই মহীসোপানের দৈর্ঘ্য কমবেশি হতে পারে। যেমন অস্ট্রেলিয়ার মহীসোপানের আয়তন অনেক বেশি। বাংলাদেশ নিজের ভূখণ্ড থেকে লম্বাভাবে সাড়ে তিনশো মাইল এলাকার মহীসোপান নিজের বলে জাতিসংঘে দাবি করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মহীসোপান মূলত একটি দেশের সীমানারই অংশ। ভূখণ্ডের মতো সাগরের এই মহীসোপান নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ভূখণ্ডের বেইজলাইন থেকে লম্বাভাবে প্রথম ২০০ মাইল একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ইইজেড। এখানে যেমন ওই দেশটি একচেটিয়াভাবে মৎস্য আহরণ করতে পারে। আবার সেখানকার সাগর তলে থাকা সব খনিজ সম্পদের মালিকও ওই দেশ। সেই সঙ্গে মহীসোপানের যে বর্ধিত অংশটি থাকে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেমন আরও ১৫০ মাইল, সেটিও আসলে ওই দেশের একটি বর্ধিত অংশ। এখানে উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, বর্ধিত অংশের পানি বাংলাদেশসহ অন্য দেশ মাছ ধরতে যেমন পারবে। ফলে তার মৎস্য আহরণের সীমানা আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এই মহীসোপান এলাকায় পানির নিচে পাওয়া সব খনিজ সম্পদের মালিক হবে দেশটি। যেমন বাংলাদেশের একচেটিয়া অঞ্চলের ২০০ মাইল আর বর্ধিত মহীসোপানের ১৫০ মাইল- এই সাড়ে তিনশো মাইলে পাওয়া যে কোনো খনিজ সম্পদের মালিক হবে বাংলাদেশ। আবার এই পুরো এলাকায় বাংলাদেশের ট্রলার ইচ্ছেমতো মাছও ধরতে পারবে।

মহীসোপান সব দেশের কাছেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাধারণত মহীসোপান এলাকার ভেতরে তেল-গ্যাস বা অন্য খনিজ সম্পদ পাওয়া যায়, তা উত্তোলনে খরচ কম হয়ে থাকে। ফলে সেটি উত্তোলনযোগ্য এবং ব্যবহারযোগ্য হয়ে থাকে। ফলে এই সীমানা অর্থনৈতিকভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই অনেক সময় মহীসোপানের এলাকা নিয়ে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ দেখা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবদল সাতক্ষীরা পৌর শাখার ওয়ার্ড কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পৌর ৪, ৫ও ৬নং ওয়ার্ডে তথ্য ফরম বিতরণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাতক্ষীরা পৌর শাখার ওয়ার্ড কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পৌর ৪,৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে তথ্য ফরম বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৮সেপ্টেম্বর শনিবার পৌরসভার চালতেতলা বাজারে সাতক্ষীরা পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আলী শাহিনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, তথ্য ফরম উদ্বোধন করেন জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা এবং পৌর যুবদলের সাংগঠনিক টিম লিডার মোঃ শফিকুল আলম বাবু (কাউন্সিলর)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আসাদুল ইসলাম ঢালী, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুর আলম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক এম এ রাজ্জাক, পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ফরিদুজ্জামান ফরিদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো: তরিকুল ইসলাম কল্লোল, জেলা যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ চৌধুরী, জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, পৌর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক যথাক্রমে এডভোকেট মেহেদী হাসান, মো: নাসির হোসেন, এস,কে রুবেল, নূর ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মোহন, মোঃ বকুল হোসেন, মোঃ শামীম হোসেন রাজু, মোঃ পারভেজ রোমেল, আজিজুল ইসলাম নান্টু, মোঃ শানু, মো: শফি কামাল, মোহাম্মদ জীবন, যুব নেতা মো: ফারুক হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হযরত, ছাত্রনেতা বাবু, ৫নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা মো: সেলিম, যুব নেতা মো: নাজিম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধার কাছে চাঁদাদাবী : প্রধান আসামী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের মৎস্য চাষী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জিএম আব্দুল গফুর এর কাছে আজিজ গাজী কর্তৃক চাঁদাদাবী ও মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নম্বর ৪৭ তারিখ ১৪.০৯.২১ ইং ।
মামলা সুত্রে জানাযায়, সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত রাহাতুল্লাহ গাজীর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জিএম আব্দুল গফুর এর সদর উপজেলার আলিপুর দাঁতভাঙ্গা বিলে ১৪ বিঘা জমিতে মৎস্য চাষ করে আসছে। কিন্তু সদরের মাহামুদপুর গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর পুত্র আব্দুল আজিজ ও তার পুত্র বাবু এবং বায়েজিদ টুটুল বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবী করে আসছে।

গত ১৩ ই সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৭ টার সময় জিএম আব্দুল গফুর শহর থেকে তার নিজ মৎস্য ঘেরে যাওয়ার পথিমধ্যে মাহামুদপুর গাজীপাড়ার ইব্রাহিম এর দোকানের সামনে রাস্তার উপরে পৌছালে আব্দুল আজিজ ও তার পুত্র বাবু এবং বায়েজিদ টুটুল তাকে মারধর করে মারাত্মক জখম করে জিএম গফুর এর মোটরসাইকেল এর কালো ব্যাগে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা নেয় এবং মোটরসাইকেলে রড দিয়ে আঘাত করে আনুমানিক ৫ হাজার টাকার ক্ষতি করে। পরবর্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জিএম আব্দুল গফুর প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গত ১৬ ই সেপ্টেম্বর আজিজ বাদী হয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুকৌশলে সাতক্ষীরা সদর থানায় জিএম আব্দুল গফুর এর নামে অভিযোগ দায়ের এর সময় ওসি দেলোয়ার হুসেন এর রুমে প্রবেশ করলে তিনি এ বিষয় তৎক্ষনিকভাবে বিচক্ষণতার সাথে সাতক্ষীরা সদর থানার জিআর মামলার প্রধান আসামী আজিজ কে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোবরদাড়ী দেলবর সরদার এতিমখানার ওযু খানার উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের গোবরদাড়ী দেলবর সরদার এতিম খানার ওযু খানা ও স্বস্হ্য সম্মত ল্যাট্রিনের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।উদ্বোধন করেন গোবরদাড়ী দেলবর সরদার এতিম খানার প্রতিষ্ঠাতা, সাতক্ষীরা “ল”কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব এড, এস এম হায়দার ও তার সহধর্মিনি মিসেস তাসলিমা হায়দার।গোবরদাড়ী দেলবর সরদার এতিমখানার সভাপতি,পল্লীচেতনা সংস্হার নির্বাহি পরিচালক, সমাজসেবক, মোঃআনিছুর রহমান,এ সময় উপস্হিত ছিলেন

গোবরদাড়ী দেলবর সরদার এতিমখানার সাধারন সম্পাদক শ্যামুয়েল ফেরদৌস পলাশ,  মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোড়ল,অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল্যাহিল বাকি,অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রওশন আলি,আব্দুল গনি, শিক্ষক ইলিয়াস কবির সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
গোবরদাড়ী দেলবর সরদার এতিম খানার ওযু খানা ও স্বস্হ্য সম্মত ল্যাট্রিনের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করার পর দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ আব্দুর রহিম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest