সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র মৈত্রীর উদ্যোগে শহীদ রিমু’র শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

জেলা ছাত্র মৈত্রীর উদ্যোগে শহীদ জুবায়ের চৌধুরী রিমুর ২৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ ১৯ সেপ্টেম্বর( রবিবার) সকালে শহীদ রিমু চত্তরে রিমু স্মরণে স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরো সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি মহিবুল্লাহ মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক এড. ফাইমুল হক কিসলু,, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, জেলা যুব মৈত্রী সদস্য মেঃ হাসান, ফিরোজ বিশ্বাস, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি সাকিব মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক অর্পণ সাম্য প্রমুখ।

১৯ সেপ্টেম্বর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের এক কালো দিবস। ১৯৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শিবিরের সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলায় নিহত হন বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা শহীদ জুবায়ের চৌধুরী রিমি। ১৯ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে এগারোটার সময়। বিটিভির রাত দশটার খবর শেষ সবাই যখন টিভি রুমে সেই সময়ের জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক নাটক দেখছে, সেই সময় বহিরাগত সশস্ত্র ক্যাডারদের নিয়ে শেরে বাংলা হলে পরিকল্পিত হামলা চালায় শিবির। সবাই টিভি রুমে থাকায় কিছু বোঝার আগেই সশস্ত্র শিবির কর্মীদের হামলার শিকার হন হলের ছাত্ররা। শিবির সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন রুমে রুমে তল্লাসী চালায় এবং বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর নেতা কর্মীদের খুঁজে খুঁজে নৃশংসভাবে হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। এই পৈশাচিকতার এক পর্যায়ে শিবির সন্ত্রাসীরা ছাত্রমৈত্রী নেতা বিশ্ববিদ্যালয় টিমের মেধাবী ক্রিকেটার এবং ক্যাম্পাসের জনপ্রিয় মুখ জুবায়ের চৌধুরী রীমুকে সামনে পেয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। কেটে দেয়া হয় রীমুর হাত-পায়ের রগ। এতেই সন্তুষ্ট হয়নি ঘাতকেরা। মেঝেতে পড়ে থাকা রিমুকে কুপিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। রীমুর মৃত্যু নিশ্চিত করে তবেই ক্ষান্ত দেয় নরঘাতকেরা। ঝড়ে যায় একটি সম্ভাবনাময় প্রাণ।
উল্লেখ্য, শহীদ রিমুর মা মিসেস জেলেনা চৌধুরী সেই সময় ছিলেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ এবং জাতীয়তাবাদী দলের নেত্রী। আজকের এই দিনে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি শহীদ রিমুকে। বন্ধু তুমি নিশ্চয়ই দেখতে পারছো যে স্বপ্ন শহীদ জননী আমাদের দেখিয়েছিলেন, যে স্বপ্ন বাস্তাবায়নের পথে উৎসর্গ করেছো নিজেকে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসীর রায় কার্যকর হয়েছে এই দেশে। এখনো সক্রিয় রয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল। নিশ্চয়ই একে একে সব যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধীদের বিচারের রায় বাস্তাবায়িত হবে এই বাংলার মাটিতে। তোমার আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না বন্ধু। এই বাংলাদেশ থেকে একাত্তরের ঘাতক দালালদের শেষ চিহ্নটুকু নিশ্চিহ্ন করার প্রত্যয়ে হাজারো রীমু এখনও প্রতিনিয়ত ঐ ঘাতক দালালদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঝাণ্ডা উড্ডীন রেখেছে। বিজয় তাদের হবেই। শহীদ রীমুর স্মৃতি চিরজীবী হোক। মৃত্যুঞ্জয়ী বীর শহীদ রিমু লাল সালাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বপ্নসিঁড়ির শোক

স্বপ্নসিঁড়ির শোক

কর্তৃক daily satkhira

সাতক্ষীরার বহুল প্রচলিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নূর ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগটন স্বপ্নসিঁড়ি পরিবার। মহরুমের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির আহবায়ক নাজমুল হক, যুগ্ম আহবায়ক মঈনুর রহমান মঈন, সদস্য সচিব অতনু বোস, যুগ্ম সদস্য সচিব সালাউদ্দীন রানা, সদস্য আলতাফ হোসাইন, আবু নসর মোঃ মুরাদুজ্জামান,

আবু হাফিজ, সদস্য (অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন), সদস্য (আইটি) ফাহাদ হোসেন, সদস্য (প্রচার) সেলিম হোসেন, সদস্য শাহাজান আলী, হাবিবুর রহমান হাবিব, রাশিদুজ্জামান রানা, প্রীতম দাশ, মুক্তাদির হোসেন, সাঈদুর রহমান, মীর খায়রুল আলম, আসাদুল্লাহ আল গালিব, মীর তাহমিদুর রহমান, এস এম বিপ্লব হোসেন, আরিফুল ইসলাম, অহিদুল ইসলাম, আবু সাঈদ, মঈনুল আমিন মিঠু, আসাদুল্লাহ আল গালিব, নুরুজ্জামান, সিদ্দিক আলী, শরিফুজ্জামান, জুই শাহরিন, উর্মি ইসলাম, জি এম রাশিদুল ইসলাম রাহুল, শামীম হোসেন, আশিকুর রহমান, ইয়াকুব আলী, কর্ণ বিশ্বাস কেডি, অহিদুজ্জামান সোহাগ, রজনী সুলতানা, প্রান্তসহ স্বপ্নসিড়ির সকল স্তরের সদস্য ও সহযোগী সদস্যগণ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবদল সাতক্ষীরা পৌর শাখার ওয়ার্ড কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পৌর ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের তথ্য ফরম বিতরণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাতক্ষীরা পৌর শাখার ওয়ার্ড কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পৌর ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে তথ্য ফরম বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর রবিবার পৌরসভার মাওয়া চাইনিজ, কামালনগর সাতক্ষীরা পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আলী শাহিনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, তথ্য ফরম উদ্বোধন করেন জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা এবং পৌর যুবদলের সাংগঠনিক টিম লিডার মোঃ শফিকুল আলম বাবু (কাউন্সিলর)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুবদলের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো: তরিকুল ইসলাম কল্লোল, যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল বাবু, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক এম এ রাজ্জাক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা যুবদল দেবাশীষ চৌধুরী, শহর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. মেহেদী হাসান, এস,কে রুবেল, যুবনেতা হযরত আলী, নূর ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মোহন, মোঃ বকুল হোসেন, মোঃ শামীম হোসেন রাজু, মোঃ পারভেজ রোমেল, মোঃ হাসান ইমাম, মনিরুল ইসলাম বাবু, মোঃ ইব্রাহিম, মোঃ মারুফ, আজিজুল ইসলাম নান্টু, মোহাম্মদ জীবন, মোঃ টুটুল, মোঃ রফিক, মোঃ সজিব হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাত পোহালেই সাতক্ষীরার দুই উপজেলার ২১টি ইউপিতে ভোট

নিজস্ব প্রতিনিধি :
রাত পোহালে সাতক্ষীরার কলারোয়া ও তালা উপজেলার ২১ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ট ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ হয়ে গেছে সব ধরনের প্রচার প্রচারণা ।

তালা উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে ধানদিয়া ইউনিয়নে আ’লীগ সমার্থিত নৌকার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র জাহাঙ্গীর আলম (টেবিল ফ্যান), মোঃ দিদারুল ইসলাম (মোটর সাইকেল) ও মোঃ হামিজ উদ্দীন গাজী (আনারস)। নগরঘাটায় কামরুজ্জামান লিপু (নৌকা), মিলন কুমার ঘোষাল (মশাল), মোঃ আজিজুর রহমান (হাত পাখা), স্বতন্ত্র এসএম আলতাফ হোসেন (মোটর সাইকেল) ও মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (আনারস)। সরুলিয়া ইউনিয়নে মতিয়ার রহমান (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত শেখ শাহাদাত হোসেন (হাতপাখা), স্বতন্ত্র আব্দুর রব (আনারস), আমিনুজ্জমান (চশমা), জাহাঙ্গীর আলম (ঘোড়া), আব্দুল হাই (মোটর সাইকেল), শাহ আলম (টেবিল ফ্যান) ও শেখ জহরুল হক (রজনীগন্ধা)। তেতুলিয়া ইউনিয়নে আবুল কালাম আজাদ(নৌকা), স্বতন্ত্র মোস্তাফিজুর রহমান (আনারস), ও শেখ আফতাব উদ্দীন। তালা সদর ইউনিয়নে এসএম নজরুল ইসলাম (লাঙ্গল), সরদার জাকির হোসেন (নৌকা) ও স্বতন্ত্র এড. মশিয়ার রহমান (আনারস)। ইসলামকাটিতে অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সেন (নৌকা), স্বতন্ত্র মোঃ গোলাম ফারুক (চশমা), মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (আনারস) ও আব্দুল আজিজ (মোটর সাইকেল)। মাগুরা ইউনিয়নে গনেষ চন্দ্র দেবনাথ(নৌকা), হিরন্ময় মন্ডল (হাতুড়ি), স্বতন্ত্র এসএম আইয়ুব আলী (মোটর সাইকেল), জিএম ইমান আলী (চশমা) ও সুনীল কুমার দাশ (আনারস)। খলিষখালীতে মোজাফার রহমান (নৌকা), মোল্লা সাবির হোসেন (হাতুড়ি) ও স্বতন্ত্র গাজী রেজাউল করিম (আনারস)। খেশরায় প্রভাষক রাজিব হোসেন (নৌকা) ও স্বতন্ত্র শেখ কামরুল ইসলাম (আনারস)। জালালপুর স্বতন্ত্র এম মফিদুল হক লিটু ও রবিউল ইসলাম মুক্তি(নৌকা)। খলিলনগর প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু (নৌকা), স্বতন্ত্র এসএম আজিজুর রহমান রাজু (আনারস) ও গোলাম রসুল (চশমা)।

তালা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রাহুল রায় জানান, উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মোট ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৮২৪ জন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে কলারোয়া উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়দেব কুমার সাহার (আনারস প্রতীক), স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিদ্দিকুর রহমান (চশমা প্রতীক) ও শামছুদ্দিন আল মাসুদ বাবু (নৌকা), বিশাখা সাহা (অটো রিকসা)। আব্দুল আজিজ বিশ্বাস (মোটর সাইকেল)। ২নং জালালাবাদ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র মাহাফুজুর রহমান মিশানের (আনারস প্রতীক), অধ্যাপক আমজাদ হোসেন (নৌকা), আবুল কালাম আজাদ (চশমা)। ৩নং কয়লা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র শেখ সোহেল রানার (মোটর সাইকেল), স্বতন্ত্র মোঃ রফিকের (আনারস) ও আসাদুল ইসলাম (নৌকা)। ৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নে অধ্যাপক আবুল কালাম(নৌকা) ও স্বতন্ত্র মাস্টার নুরুল ইসলামের (আনারস)। ৫নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র মারুফ হোসেন (মোটরসাইকেল), আফজাল হোসেন হাবিলের (আনারস) ও ভুট্টোলাল গাইন নৌকা)। ৬নং সোনাবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র এসএম শহিদুল ইসলামের (মোটর সাইকেল), বেনজির হোসেন (নৌকা), আকবর আলী (আনারস) ও আলমগীর আজাদ (চশমা)। ৭নং চন্দনপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র ডালিম হোসেন (আনারস), আব্দুল লতিফ মিঠুর (মোটরসাইকেল)ও চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি ( নৌকা)। ৯নং হেলাতলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র মোয়াজ্জেম হোসেন (মোটর সাইকেল), আবু তালেব সরদার (চশমা),আনছার আলী সরদার নৌকা), স্বতন্ত্র মাজেদ বিশ্বাস (আনারস) ও ইকবাল হোসেন (ঘোড়া)। ১১নং দেয়ড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র ইব্রাহিম হোসেন (মোটর সাইকেল), আব্দুল মান্নান (চশমা), চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মফে (নৌকা), আবু বককার সিদ্দিক (টেলিফোন), নাজমা পারভীন (টেবিল ফ্যান) ও মিনাজ উদ্দীন (আনারস)। ১২নং যুগিখালী ইউনিয়নে আবুল বাশার (ঘোড়া), স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদ আলী, রবিউল হাসান (নৌকা)ও ওজিয়ার রহমান (চশমা)।
কলারোয়া উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৯১টি। মোট ভোটার ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭১ হাজার ৭৭৪ ও মহিলা ভোটার ৭২ হাজার ৬৯৬ জন। এখানে পরুষের চেয়ে মহিলা ভোটার কিছুটা বেশি।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানান, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তারা যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘোœ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ভোমরাস্থল বন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে পরীক্ষামূলক যাত্রী চলাচল শুরু

আসাদুজ্জামান ঃ দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ পরীক্ষামূলক যাত্রী চলাচলের জন্য খোলা রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ রোববার সকাল থেকে এ যাত্রী চলাচলের কথা থাকলেও বিকাল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত কোন যাত্রী ভারতে প্রবেশ করেননি বা ভারত থেকে কোন যাত্রী বাংলাদেশে আসেননি।

ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.আই জাহাঙ্গীর বলেন, ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সাধারন মানুষ বিষয়টি জানতে না পারার কারণে হোক বা প্রস্তুতির অভাবে হোক এখনও পর্যন্ত ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে কোন যাত্রী যাতায়াত করেননি। তবে, অনেকেই তার কাছে এ বন্দর দিয়ে যেতে হলে কি কি নিয়ম কানুন মানতে হবে সেগুলো জানতে ও খোঁজ খবর নিতে এসেছেন। তিনি আরো জানান, করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে যায় ভোমরা স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। তবে, আমদান-রপ্তানী বাণিজ্য যথারীতি আগে থেকেই সচল রয়েছে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা মামলার আপীলে আসামী অ্যাড. আব্দুস সাত্তারের সাজা বহাল

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৫০ জন আসামীর মধ্যে অ্যাড. আব্দুস সাত্তারের আপীল আবেদন না’মঞ্জুর করে সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম মোঃ হুমায়ুন কবীরের আদেশ বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মোঃ মফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখে মাগুরা ফিরে যাবার পথে কলারোয়ায় সন্ত্রাসীদের হামলা শিকার হন। এতে শেখ হাসিনা অক্ষত থাকলেও তার সফরসঙ্গী ফাতেমা জাহান সাথী, জোবায়দুল হক রাসেল, প্রতৌশলী শেখ মুজিবর রহমান, শহিদুল হক জীবন, আবদুল মতিনসহ অনেকেই আহত হন। এ সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ মোসলেমউদ্দিন ২৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। এ মামলা থানায় রেকর্ড না হওয়ায় তিনি নালিশী আদালত সাতক্ষীরায় মামলাটি করেন।

পরবর্তীতে এ মামলা খারিজ হয়ে গেলে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ফের মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। এসময় তদন্তকারী কর্মকর্তা সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অবিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলাটি ২০১৭ সালে আবারো উচ্চ আদালতে স্থগিত হয়। ২৭ জানুয়ারি যুক্তি তর্ক অনুষ্ঠিত হয়।২০ জন সাক্ষী, চারজন সাফাই সাক্ষী ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে চলতি বছরের ৪ ফেব্র“য়ারি জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলামসহ ৫০জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

এর মধ্যে বর্তমানে ৩৭ জন কারাগারে ১২জন পলাতক রয়েছেন। কারাগারে থাকা আসামীরা মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মোট ১৭টি আপিল মামলা করেন। এরমধ্যে চার বছর করে সাজাপ্রাপ্ত আসামী অ্যাড. আব্দুস সাত্তারের পক্ষে গত ১৫ ফেব্র“য়ারি আপিল ২৭/২১ আপিল মামলা দায়ের করা হয়। জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে আপিলে জামিন না পাওয়ায় ওই আসামী মহামান্য হাইকোর্টে গেলে জামিনাদেশ পান। ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপীল করলে মহামান্য হাইকোর্টের জামিন আদেশ বাতিল করে আগামি ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই চারটি আপিল মামলা নিষ্পত্তির জন্য সংশি¬ষ্ট জেলা ও দায়রা জজকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার অ্যাড. আব্দুস সাত্তারের আপিল না’ মঞ্জুর করে আদালত। একইভাবে গত ৮ সেপ্টেম্বর ছয় আসামীর পক্ষে দিনটি আপিল মামলা না’মঞ্জুর করে আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষে আপিল মামলার সম্পর্কে জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ বলেন, এ ধরণের অন্যায় করে পার পাওয়া যাবে না।
আপীলকারিদের পক্ষে আইনজীবী অ্যাড. আব্দুল মজিদ(২) বলেন, এ রায় এ তারা খুশী হতে পারেননি। এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, কলারায়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে আরো দু’টি মামলার (এসটিসি ২০৭/১৫ ও এসটিসি ২০৮/১৫) নথি উচ্চ আদালত থেকে ফেরৎ না আসায় বিচার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মধ্যে মাহাফুজুর রহমান সাবু কারান্তরীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ইতিমধ্যেই মামলার বাদি মোসলেম কমাণ্ডারের মৃত্যু হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদার মুক্তির মেয়াদ আরো ৬ মাস বাড়লো

রাজনীতির খবর : দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত রেখে তার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ আরো ৬ মাস বাড়িয়েছে সরকার।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এ নিয়ে বিএনপি প্রধানের মুক্তির মেয়াদ তিন বার বাড়ানো হলো। আগের শর্ত বহাল থাকায় এই ছয় মাস দেশের বাইরে যেতে পারবেন না বিএনপি প্রধান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যান খালেদা জিয়া। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে গত বছর পরিবারের আবেদনে সরকার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়।

সরকারের নির্বাহী আদেশে ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ৪০১ (১) ধারা অনুযায়ী সাজা স্থগিত হলে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ গুলশানের বাসায় ফেরেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা। এর মধ্যে তিনি করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাও নেন।

এ পর্যন্ত তার সাজার স্থগিতাদেশ তিন দফা বাড়ানো হলো। সর্বশেষ গত মার্চ মাসে আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করে সরকার, যা ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।

প্রতিবারই তার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে দুটি শর্তে। মুক্ত থাকার সময়ে খালেদা জিয়াকে ঢাকায় নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ব্যাংকারের জমি দখল করে উল্টো মিথ্যা মামলার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় এক ব্যাংকারের জমি দখল করে উল্টো তাদেরই বিরুদ্ধে প্রাচীর ভাঙার মিথ্যা অভিযোগ করেছেন এক লন্ডন প্রবাসীর স্ত্রী। শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশের উপস্থিতিতেই ওই লন্ডন প্রবাসীর স্ত্রী ও তার স্বজনরা জমির প্রকৃত মালিক পক্ষকে মারধর করতে উদ্যত হন। এঘটনায় এখন ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনা অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিগত ১৯৯৯ সালের ২৮শে ফেব্রæয়ারি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রসুলপুর মৌজার মেহেদীবাগে আলীপুর এলাকার আবদুস সবুরের কাছ থেকে ৩০৪৯ দাগে ৬.৬২+.৮৫=৭.৪৭ শতক (‘এইচ প্লট’) জমি ক্রয় করেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিঞ্চুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর এলাকার আবদুর রহমানের স্ত্রী ও ব্যাংক কর্মকতা আনজুমানারা। চাকরির সুবাদে তিনি স্বপরিবারে রাজধানীতে অবস্থান করায় সাতক্ষীরার এ জমি দেখাশুনার দায়িত্ব দেন একমাত্র ভাই কাটিয়া এলাকার মৃত আবুল হোসেন চৌধুরীর ছেলে রাশিদ হাসান চৌধুরীকে।

এরপর একই জায়গায় আরও ৭টি প্লটে জমি বিক্রয় করেন আবদুস সবুর। সর্বশেষ ‘জি’ প্লটটি বিক্রি করেন তিনি। সেই ‘জি প্লট’টি আরও তিনজনের হাতবদল হয়ে চতুর্থ ক্রেতা হিসেবে ২০১৮ সালে ক্রয় করেন লন্ডন প্রবাসী শফিউজ্জামানের স্ত্রী শামীমা খাতুন।

শামীমা খাতুন যখন জমি কেনেন তখন তার জমিতে চলাচলের জন্য কোন পথ না থাকায় তিনি ব্যাংকার আনজুমানারার কাছে তাদের জমির ওপর দিয়ে চলাচলের অনুমতি প্রার্থনা করেন। তার অনুরোধে মৌখিকভাবে তাদেরকে চলাচলের অনুমতি দিয়ে মহনুভবতার পরিচয় দেন আনজুমানারা। পরে জমির দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা রাশিদ হাসান চৌধুরীর কাছে আনজুমানারার জমিতে ভবন নির্মাণের জন্য নির্মাণ সামগ্রী রাখার জন্য অনুমতি চান শামীমা খাতুন। তাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সরল বিশ^াসে তাদেরকে সেখানে নির্মাণ সামগ্রী রাখার অনুমতি দেন তিনি। কিন্তু তাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ভবন নির্মাণ শেষে শামীমা খাতুন তার জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে দিয়ে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রæয়ারি আনজুমানারার জমির প্রায় অর্ধশতক জায়গা দখল করে রাতের আধারে ঢালাই রাস্তা নির্মাণ করেন।

পরবর্তীতে আনজুমানারার ভাই তাদের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের বিষয়টি জানতে পেরে শামীমা খাতুনকে অবৈধ্য দখল মুক্ত করার অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি দখল মুক্ত না করে বরং রাশিদ হাসান চৌধুরীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাচ করেন। একপর্যায়ে তিনি তাদেরকে মারতে উদ্যোত হন এবং খুন-জখম ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

পরে নিরুপায় হয়ে রাশিদ হাসান চৌধুরী মার্চের প্রথম সপ্তাহে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার সে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পড়ে কাটিয়া টাউন ফাঁড়ির ইনচার্জের উপর। তিনি উভয় পক্ষকে কাটিয়া ফাঁড়িতে হাজির হওয়ার আহবান জানিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করে নেওয়ার অনুরোধ জানান। তার সে আহবানে আনজুমানারার পক্ষ হাজির হলেও সাড়া দেননি শামীমা খাতুন।

পরে সমাধান না পেয়ে রাশিদ হাসান চৌধুরী বাবু জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে আরও একটি অভিযোগ করেন। সেখানেও হাজির হননি শামীমা।

সর্বশেষ গত শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আবারও রাশিদ হাসান চৌধুরী অবৈধ্য দখল মুক্ত করার জন্য শামীমাকে অনুরোধ করলে তিনি দখল মুক্ত না করে বরং তাদেরকেই মারতে উদ্যোত হন। একপর্যায়ে সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতÐা চলাকালীন পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে যার যার বৈধ কাগজপত্রসহ পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদর থানায় বসে বিষয়টি মিমাংসার প্রস্তাব দেন। পুলিশের সে প্রস্তাবে সে সময় উভয় পক্ষ রাজি হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। কিন্তু ষড়যন্ত্রপরায়ন শামীমা খাতুন সেদিন রাতে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে একটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করান।

এরপর পূর্ব নির্ধারিত মিমাংসার দিনে সাতক্ষীরা সদর থানায় আনজুমানার পক্ষ উপস্থিত হলেও সেখানে উপস্থিত হননি শামীমা খাতুন বা তার কোন প্রতিনিধি। সেসময় পুলিশের পক্ষ থেকে শামীমা খাতুনকে থানায় এসে মীমাংসা বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও তিনি তাতে সাড়া না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে সেদিন আর থানায় উপস্থিত হননি। সেদিন শামীমা খাতুন মিমাংসা বৈঠকে অংশগ্রহণ না করায় পুলিশের পরামর্শে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (ডায়েরি নং: ১০৭৯, তারিখ: ১৮.০৯.২০২১) করেন আনজুমানারার একমাত্র ভাই রাশিদ হাসান চৌধুরী।

তবে এসব বিষয়ে জানার জন্য শামীমা খাতুনের কাছে ফোন করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোন জমি দখল করিনি। সবার যে পথ আমারও সে পথ। বরং রাশিদ হাসান আমার কাছে চাঁদা দাবি করেছেন।

রাশিদ হাসান আপনার কাছে কত টাকা চাঁদা দাবি করেছেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোন সদুত্তোর না দিয়ে ফোন কেটে দেন।

পরবর্তীতে তার কাছে আবারও ফোন করে থানায় বসাবসির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিও পৌরসভায় অভিযোগ করেছিলাম কিন্তু ওনারা সেখানে আসেননি। আর আমাদের পৌর কাউন্সিলর সাগর ভাই আমাকে ‘মীমাংসার জন্য বসলে আগে পৌরসভায় বসবেন অন্য কোথাও নয়’ বলে জানান। এজন্য আমি আর কোথাও বসিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest