সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

ইভ্যালির সিইও রাসেল স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার

অর্থনীতর খবর : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ৫/৫ এ স্যার সৈয়দ রোডের নিলয় টাওয়ার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে থাকা র‌্যাবের একাধিক কর্মকর্তা তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাসেল ও তার স্ত্রীর বাসায় র‌্যাবের অভিযান এখনো চলছে। অভিযান শেষে র‌্যাব এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিফিং করবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে আরিফ বাকের নামে এক ব্যক্তি ইভ্যালির অনলাইন প্লাটফর্মে তিন লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পাননি উল্লেখ করে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন। যেখানে ইভ্যালির আরও বেশ কজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গুলশান থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক অনিন্দ তালুকদার বলেন, আরিফ বাকের নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর- ১৯।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আরিফ বাকের গত ২৯ মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে ইভ্যালিতে মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি পণ্য অর্ডার করেন। এগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দেয়নি। ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিয়ে সমাধান পাওয়া যায়নি। অফিসে গিয়ে তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বললে খারাপ ব্যবহার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও রাসেলের সঙ্গেও দেখা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। তার সঙ্গে ইভ্যালি চরম দুর্ব্যবহার করেছে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী আরিফ বাকের বলেন, দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে থানা থেকে জানানো হয় আমার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি হয়েছে। তবে মামলার কপি আমি এখনো হাতে পাইনি।

এছাড়া গত ২৫ আগস্ট সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আরার আদালতে ইভ্যালির বিরুদ্ধে আরেকটি প্রতারণা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন একজন গ্রাহক। মামলায় ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের নাম উল্লেখ করা হয়। সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার বাসিন্দা মো. রাজ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

বহুল আলোচিত-সমালোচিত এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে দেনার পরিমাণ ৪০৩ কোটি টাকা। আর ইভ্যালির চলতি সম্পদের পরিমাণ মাত্র ৬৫ কোটি টাকা। ৩৩৮ কোটি টাকাই কোম্পানির কাছে নেই।

এদিকে, গত মঙ্গলবার ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি। এদিন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরীমনির জব্দ গাড়ির মালিকানা যাচাইয়ের নির্দেশ আদালতের

বিনোদন সংবাদ : পরীমনিকে গ্রেপ্তারের সময় তার বাসা থেকে জব্দ করা গাড়ির মালিকানা যাচাই করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদার এই আদেশ দেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী বলেন, বুধবার সকালে পরীমনির জব্দ করা সাদা রঙের গাড়িটি নিজের জিম্মায় নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক বিআরটিকে এ বিষয়ে মালিকানা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

শুনানিতে পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত বলেন, পরীমনির সাদা রঙের গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। গাড়ির ভেতর মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র ছিল। গাড়িটি নিয়ে যাওয়ায় কোনো কাগজপত্র পরীমনির কাছে নেই। এ জন্য গাড়ির মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র আদালতে জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

আইনজীবী আরো বলেন, গ্রেপ্তারের সময় পরীমনির আইপ্যাড, মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য জিনিসপত্রও জব্দ করা হয়েছে। এসব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না থাকায় পরীমনি এখন নানান সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষ করে গাড়ি না থাকায় তিনি নিরাপত্তা ও হুমকির মধ্যে আছেন। মানবিক কারণে যেকোনো শর্তে তার জব্দ করা গাড়িটা ফেরত দেওয়া হোক।

এরপরে পরীমনির আবেদনের বিপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ বলেন, ‘মাননীয় আদালত, গাড়ির মালিকানা যাচাই ছাড়া জিম্মায় কীভাবে দেওয়া সম্ভব। যেহেতু পরীমনি ও তার আইনজীবী বলছেন, গাড়িসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের মালিকানার কাগজপত্র নেই, তাই তার আবেদন নাকচ করা হোক।’

এর আগে পরীমনি বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার পর আদালত চত্বরে আসেন। জামিন পাওয়ার পর বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রথম হাজিরা দেন পরীমনি। এ ছাড়া পরীমনিকে গ্রেপ্তারের পরে পুলিশ কিছু জিনিস জব্দ করেছিল। পরীমনি সেগুলো নিজের জিম্মায় নেওয়ার জন্যও আবেদন করেন।

গত ৪ আগস্ট রাতে প্রায় চার ঘণ্টার অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে পরীমনি ও তার সহযোগী দীপুকে আটক করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ সময় পরীমনির বাসা থেকে বিভিন্ন মাদক জব্দ করা হয়। পরদিন ৫ আগস্ট র‍্যাব-১ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরী মণি ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে।

এরপর গত ৩১ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত পরীমনিকে জামিন দেন। পরের দিন তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত পান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ই-পাসপোর্ট পেতে দীর্ঘসূত্রতা, গ্রাহক ভোগান্তি চরমে

দেশের খবর : পাসপোর্টের সমস্যা নিয়ে আগারগাঁও অফিসে এসেছেন সৌদি প্রবাসী তাহমিনা। তার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ। নবায়নের (রিনিউ) জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন। যোগাযোগের তারিখ দেওয়া হয়েছে ২৭ ডিসেম্বর। এদিকে নভেম্বর মাসেই তার ভিসার মেয়াদ শেষ হবে। এই সময়ের মধ্যে তাকে পাসপোর্ট নবায়ন করে ফিরে যেতে হবে সৌদিআরব। তাই দিশেহারা তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে সেবাগ্রহীতাদের এমন দুর্ভোগের চিত্র এখন নিয়মিত। সাধারণ ই-পাসপোর্ট নতুন বা নবায়ন যেটাই করা হোক সময় লাগার কথা ২১ দিন। কিন্তু কারো কারো সেটা লেগে যাচ্ছে তিন থেকে চার মাস। এই দীর্ঘসূত্রতা মূলত শুরু হয়েছে করোনার কারণে। দালালের দৌরাত্ম্যও বেড়েছে। বিশেষ করে যাদের জরুরিভিত্তিতে পাসপোর্ট দরকার তারা রয়েছেন চরম ভোগান্তি আর অনিশ্চয়তায়।

তাহমিনার বাড়ি বরিশাল। গত বছরের মাঝামাঝিতে তার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়। পাসপোর্ট নবায়ন করতে সঙ্গে এসেছেন তার ভাই ইয়াসিন। তিনি বলেন, আমার বোনের ভিসার মেয়াদ আছে মাত্র তিন মাস। এর মধ্যেই আমাদের পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়িয়ে আবার সৌদি গিয়ে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে হবে। কিন্তু অনলাইনে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করলে পরবর্তী তারিখ দেওয়া হয়েছে ২৭ ডিসেম্বর। আমরা তো জানতাম এক মাসের মধ্যে সব হয়ে যাওয়ার কথা। বারবার তাদের কাছে বলেও কোনো লাভ হচ্ছে না। জন্মসনদ আর ভোটার আইডি কার্ডে মায়ের নাম নিয়েও আছে গরমিল। সেটাও কতদিনে ঠিক হবে জানি না।

একই দিনে তাহমিনার মতো সমস্যা নিয়ে আরও বেশ কয়েকজন এসেছেন আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে।

আফজাল নামে এক সৌদি প্রবাসী এসেছেন পাসপোর্ট নবায়ন করতে। তিনি জানান, তার ভিসার মেয়াদ শেষ হবে এবছর ডিসেম্বরে। পাঁচ বছর আগে ট্রাভেল এজেন্সির দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করিয়েছিলেন। তখন কোনোকিছুই প্রয়োজন পড়েনি। এবার ইন্টারনেটে আবেদন করেছেন নবায়নের জন্য। তাকে কাগজপত্র জমা দেওয়ার তারিখ দেওয়া হয়েছে ২০ ডিসেম্বর। এর মধ্যে তিনি পাসপোর্ট পাবেন কীভাবে আর সৌদি ফিরে যাবেন কবে তা নিয়ে আছেন শঙ্কায়।

যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট পেলেও সেখানে সমস্যার সমাধান না করতে পেরে আগারগাঁও এসেছেন এক গ্রাহক। ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে তার নামের গরমিল থাকায় পাসপোর্টের নাম পরিবর্তন করবেন। নয় মাস আগে নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছেন।

ওই ভুক্তভোগী বলেন, আমি পাসপোর্ট করেছি ২০১৪ সালে। তখন ভোটার আইডি ছিল না বলে জন্মনিবন্ধন দিয়ে পাসপোর্ট করেছিলাম। মাঝখানে একবার নবায়নও করেছি। পরে যখন ভোটার আইডি কার্ড পাই, তখন নামের গরমিল দেখা দেয়। নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছি। আমাকে শুধু এই অফিস থেকে ওই অফিস যেতে বলা হচ্ছে। অফিস যেভাবে যা বলেছে সেভাবেই কাগজপত্র তৈরি করে এনেছি। কিন্তু নয় মাসেও আমি নাম পরিবর্তন করতে পারিনি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. রুবাইয়াত ফেরদৌস বলেন, এই সমস্যাটা আমাদের আগে ছিল না। করোনা পরবর্তীসময়ে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমাদের যে লোকবল রয়েছে, তাতে একদিনে সর্বোচ্চ দুই হাজার আবেদন গ্রহণ করতে পারি। কিন্তু করোনায় বন্ধ থাকার কারণে খুলে দেওয়ার পর ই-পাসপোর্টে হাজার হাজার আবেদন পড়ছে। আমাদের সক্ষমতার অতিরিক্ত আবেদন পড়ায় ২১ দিনের পাসপোর্ট ডেলিভারি দিতে সময় লেগে যাচ্ছে দুই থেকে তিনগুণ।

যাদের ভিসার মেয়াদ শেষের পথে তারা কীভাবে দ্রুত পাসপোর্ট পেতে পারে- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, যাদের ভিসার মেয়াদ শেষের পথে এবং যাদের ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট লাগবে, তারা সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানের কাছে আবেদন করতে পারবেন। যদি বিভাগীয় প্রধান প্রমাণসাপেক্ষে মনে করেন তাকে আগে দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তার সময় কমিয়ে আনা যেতে পারে। তবে, তাকে সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে হবে।

এসময় এই চাপ শিগগির কেটে যাবে বলেও জানান তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ আবেদনে কাগজপত্র জমা দেওয়ার তারিখ বেশি দূরে হলেও দালালদের মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা যায়। তবে এজন্য গুনতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পাসপোর্ট অফিসের দোতলায় ডেলিভারি কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, অনেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পাসপোর্ট নিচ্ছেন। যাদের মধ্যে কেউ অনেক সময় নিয়ে পেয়েছেন। আবার কেউ পেয়ে গেছেন দ্রুতই।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে দ্রুত পাসপোর্ট পেয়েছেন এমন এক গ্রাহক বলেন, আমি ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি আগস্টের শুরুর দিকে। আমার পাসপোর্ট দ্রুত দরকার ছিল। কিন্তু আমাকে সময় দেওয়া হয় নভেম্বরের প্রথম দিকে। পরে আমার পরিচিত এক ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে একজন দালালের সঙ্গে কথা হয়। তার সঙ্গে বাড়তি পাঁচ হাজার টাকা চুক্তি হয়। তিনি কীভাবে কী করেছেন জানি না। তবে আমি মাসখানেকের মাথায় পাসপোর্ট পেয়ে গেছি।

বিষয়টি নজরে আনলে মো. রুবাইয়াত ফেরদৌস বলেন, দালালদের বিষয়ে আমরা নানান অভিযোগ পাই। কিছু অসাধুচক্র সব সময় সক্রিয় থাকবে। এটা অস্বীকার করছি না। তাদের মাধ্যমে কাজ করতে গিয়ে প্রতারিত হচ্ছে অনেকেই। এর দায়ভার কি পাসপোর্ট অফিস নেবে? দালালদের সঙ্গে পাসপোর্ট অফিসের কোনো সম্পর্ক নেই।

‘অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, ইমার্জেন্সি কিংবা চিকিৎসার জন্য আবেদন করে দ্রুত পাসপোর্ট নিচ্ছেন। এর বাইরে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। এর পরেও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে যদি এমন অভিযোগ প্রমাণ হয়, তবে অধিদপ্তর কার্যকর পদক্ষেপ সব সময়ই নিচ্ছে।’

যারা আগে পাসপোর্ট নিয়েছেন, কিন্তু পরে ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে নাম মিলছে না তারা কীভাবে নাম পরিবর্তন করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের এখানে সব সমস্যারই সমাধান আছে। তবে সমাধান পেতে হলে প্রসেসিংয়ের মধ্য দিয়েই আসতে হবে। যদি কেউ তার নাম পরিবর্তন কিংবা যে কোনো কিছু পরিবর্তন করতে চান, তবে তাকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস হাজির করে সঠিক পন্থায় আবেদন করতে হবে। করোনা পরবর্তীসময়ে কাজের চাপ বাড়ায় এখন একটু সময় লাগছে ঠিকই, তবে এটা ঠিক হয়ে যাবে।

২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ই-পাসপোর্ট জগতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। প্রথমদিকে প্রক্রিয়া ঠিক থাকলে সহজেই মিলেছে পাসপোর্ট। করোনার কারণে জট তৈরি হওয়ায় সমস্যা বেড়েছে। শিগগির সব ঠিক হয়ে যাওয়ার আশাবাদ কর্মকর্তাদের তরফে করলেও গ্রাহকের শঙ্কা তাতে কাটছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার হাতে পরীমনি লিখলেন ‘Fuck Me More’

বিনোদন ডেস্ক : আবারও পরীমণি হাজির হলেন হাতে মেহেদির রঙে নতুন লেখা নিয়ে। এবারও তার লেখা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এবার দেখা যায় তার ডান হাতের তালুতে ‘একটি চিহ্ন’ তার নীচে ‘Me More’ । যেখানি তিনি বুঝিয়েছেন ‘Fuck Me More’। যার ভাবগত অর্থ “আমাকে আরও অপবাদ দাও বা আমাকে আরও লাঞ্ছিত করো”।

১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরা দিতে যান তিনি। এসময় তার হাতে দেখা যায় এ লেখা। পরীর ঘনিষ্টজনদের সূত্রে জানা যায়, এ লেখায় তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। মধ্যাঙ্গুল উঁচিয়ে বিশেষ এই বার্তা পরীমণি কার উদ্দেশ্যে দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি।

এর আগে আদালতে বুধবার বেলা ১১টার দিকে হাজিরা দেয়ার জন্য যান পরীমণি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরীমণিকে আগামী ১০ অক্টোবর আবার হাজির হতে হবে বিচারিক আদালতে।

মাদক মামলায় ২৭ দিন কারাভোগের পর গত ১ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা।

গত ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীতে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। সেদিন বিদেশি মদসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দের দাবি করে বাহিনীটি। পরের দিন বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে র‌্যাব। ওই মামলায় পরীমনিকে আদালতে তোলা হয়।

আদালত পরীমণিকে প্রথম দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেয়। পরে তাকে আবারও দুই দফায় তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। আগেরবারের মতোই এবারের লেখাটিও নজর কেড়েছে সবার। হচ্ছে সমালোচনাও। পরীর ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, এ লেখায় তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তবে কাকে কি উদ্দেশ্যে সেই চ্যালেঞ্জ তা জানা যায়নি।

অন্যদিকে এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

এর আগে ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে পরীমনির জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে কারামুক্তি হন পরীমনি।

গত ৪ আগস্ট সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

ওইদিনই রাত ৮টা ১০ মিনিটে পরীমনিকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে র‌্যাব সদরদফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রাত ১২টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে র‌্যাব। পরদিন ৫ আগস্ট বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে পরীমনি, চলচ্চিত্র প্রযোজক রাজ ও তাদের দুই সহযোগীকে কালো একটি মাইক্রোবাসে বনানী থানার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর র‌্যাব বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় পরীমনি ও তার সহযোগী দীপুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে।

এরপর তাকে আদালতে হাজির করলে প্রথমে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে আরও দুই দফায় তিন দিনের রিমান্ডে তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদকসেবন করতেন। এমনকি এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন তিনি। এজন্য বাসায় একটি ‘মিনিবার’ তৈরি করেন। বাসায় নিয়মিত ‘মদের পার্টি’ করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজসহ আরও অনেকে তার বাসায় অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের সরবরাহ করতেন ও পার্টিতে অংশ নিতেন।

২০১৪ সালে সিনেমায় ক্যারিয়ার শুরু করা পরীমনি এ পর্যন্ত ৩০টি সিনেমা ও বেশ কয়েকটি টিভিসিতে অভিনয় করেছেন। পিরোজপুরের মেয়ে পরীমনিকে চলচ্চিত্র জগতে নিয়ে আসেন প্রযোজক রাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনিবন্ধিত সব অনলাইন বন্ধ করে দেওয়া সমীচীন হবে না : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সাতদিনের মধ্যে অনিবন্ধিত সবগুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া সমীচীন হবে না। এ বিষয়ে আদালতকে অবহিত করা হবে। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আদালতকে আমরা জানাবো সাতদিনের মধ্যে সবগুলো বন্ধ করে দেওয়া সমীচীন হবে না। অনেকগুলো বন্ধ করবো, আদালতকে জানাবো, আসলে কি প্রক্রিয়ায় রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে।

কিছু গণমাধ্যমকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। বাকিগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে-জানতে তিনি বলেন, আবেদনের পর যাচাই-বাছাই করার জন্য আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এগুলো তদন্তকারী সংস্থাকে দেয়। সেটি শেষ করে না আসা পর্যন্ত আমরা দিতে পারি না। এ কারণেই সময় লাগছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখন যেগুলো রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত, সেগুলো ছাড়া আর কোনো অনলাইন ভবিষ্যতে বের হবে না, তেমন নিয়মতো নেই। যেসব অনলাইন সত্যিকার অর্থে গণমাধ্যম হিসেবে কাজ করে না বরং নিজস্ব বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে এবং ব্যাঙের ছাতার মতো এত অনলাইন দেশে প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, যার যেমন ইচ্ছে একটি অনলাইন খুলে বসবে এবং সেটি নিয়ে যেমন ইচ্ছে তেমন সংবাদ পরিবেশন করবে, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করবে, গুজব রটানোর কাজে ব্যস্ত হবে, অন্যের চরিত্র হনন করবে, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হবে, কোন ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সেখানে লেখালেখি হবে, এটি কখনোই সমীচীন নয়। সেক্ষেত্রে এ আদেশ অবশ্যই একটি সহায়ক আদেশ।

হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা আদালতের লিখিত কপি পাওয়ার পর যে সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে, সে সময়সীমার মধ্যে অবশ্যই কিছু অনলাইন বন্ধ করবো। তবে ভবিষ্যতেও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন দিতে হবে। একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে। আমরা আদালতের কাছে সে বিষয়টি উপস্থাপন করবো। কিছু অনলাইন আমরা বন্ধ করবো। ইতি কিছু বন্ধও করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আমরা আদালতের নজরে এটিও আনবো, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া সবগুলোকে একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়, সেটিও কতটুকুক সমীচীন, সেটিও ভাবার বিষয়। সেজন্য আমরা আদালতের নজরে আনবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আগামী মার্চ-এপ্রিল নাগাদ বিভিন্ন উৎস থেকে বিভিন্ন ধরনের ২৪ কোটি ডোজ করোনা টিকা পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, এই ২৪ কোটি টিকার অধিকাংশই আসছে কোভ্যাক্স কাঠামোর আওতায়।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ইনক্লুসিভ বিজনেসের ওপর ডাচ-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিবিসিসিআই) আয়োজিত পঞ্চম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

গত মাসে জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালকের সঙ্গে তার বৈঠকের পর টিকা সংগ্রহের এ ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা ২৬ কোটি টিকা চেয়েছি। তবে, তারা ২৪ কোটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে। আমরা ২৪ কোটি ডোজ টিকা পেয়ে খুশি। পরে তারা আরও দুই কোটি টিকা প্রদানের চেষ্টা করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ২৬ কোটি টিকা প্রয়োজন। তাই কিছু টিকা দেশেই উৎপাদন করা হবে। দেশের দুই কোটি ২২ লাখ লোক ইতোমধ্যে টিকা গ্রহণ করেছেন।

এক প্রশ্নের জবাব মোমেন বলেন, রাশিয়ার কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে দেশটির সঙ্গে টিকার বিষয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিক্ষা ডেস্ক : আগামী ৫ অক্টোবর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলার সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার প্রভোস্ট স্টান্ডিং কমিটির সভায় এই সুপারিশ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

প্রভোস্টদের সুপারিশ অনুযায়ী, আগামী ৫ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে যেসব শিক্ষার্থীরা করোনা প্রতিষেধক এক ডোজ টিকা নিয়েছেন এবং হলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারবেন, তাদেরকে হলে উঠতে দেওয়া হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সুপারিশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈঠক শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী, যারা অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও বিভাগীয় সেমিনার ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া ৫ অক্টোবর থেকে এক ডোজ টিকার সনদ ও হলের বৈধ কাগজপত্র দেখিয়ে আবাসিক হলে স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা উঠতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে ইউ‌পি চেয়ারম‌্যা‌নের দূর্নী‌তির বিরু‌দ্ধে মত‌বি‌নিময় সভা
কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ কা‌লিগঞ্জ উপ‌জেলার ৯নং মথু‌রেশপুর ইউ‌নিয়‌নের ২০১৬-২০১৭অর্থ বছ‌রে ও অন‌্যান‌্য অর্থ বছ‌রের বা‌র্ষিক উন্নয়ন কর্মসূ‌চির প্রক‌ল্পের বরাদ্দকৃত সরকা‌রি অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয় অব‌হিত ক‌রণের জন‌্য মতবি‌নিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বি‌কে‌লে মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কম‌প্লেক্স ভব‌নে এই সভা অনু‌ষ্ঠিত হয়। বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা জামাত আলীর সভাপ‌তি‌ত্বে মত‌বি‌নিময় সভায় বক্তব‌্য রা‌খেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফি‌রোজ কবীর কাজল, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড জেলা শাখার সদস্য সন্দ্বীপ কুমার ঘোষ, ৮ নং ওয়া‌র্ডের বা‌সিন্দা আবু তা‌লেব, মথুরেশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ান ইভান রনি, দিয়া ডিএমসি ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মাসুম হাসান প্রমূখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড ঘু‌রে ১৮ জায়গায় সরকা‌রের উন্নয়ন প্রক‌ল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি নজরে এসেছে। ইউ‌পি চেয়ারম‌্যানসহ সং‌শ্লিষ্টরা লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। শুধু কাগ‌জে কলমে কাজ দে‌খা‌নো হ‌য়ে‌ছে। কিন্ত বাস্ত‌বে কোন কাজ করা হয়‌নি। বর্তমান ইউ‌পি চেয়ারম‌্যান মিজানুর রহমান গাইন এ‌তবড় দূ‌র্নী‌তি আশিকের বাড়িতে করলেও আজ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ইউনিয়ন বাসী এই দুর্নীতির তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest