সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশু

এবার বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ আনন্দবাজার

খেলার খবর : দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে টাইগারদের বিপক্ষে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েই চরম বিপাকে পড়েছে ক্রিকেট বিশ্বের পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ-ম্যাচ সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে হেরে ইতোমধ্যে সিরিজ খুইয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আর প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম ম্যাচে ২৩ রানের জয়। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দুই জয় তুলে নেওয়ার পর যখন বিশ্বক্রিকেট বাংলাদেশ দলের ভূয়সী প্রশংসা করে। তখন সেই জয়কে ‘অঘটন’ হিসেবে উল্লেখ করে ভারতের পশ্চিমঙ্গের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’।
কিন্তু তৃতীয় ম্যাচেও দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করার পর সেই আনন্দবাজারই এখন টাইগারদের প্রসংশায় পঞ্চমুখ।

এবার সংবাদমাধ্যমটি শিরোনাম করেছে, ‘বাংলাদেশের চমক, দুই ম্যাচ বাকি থাকতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ জয়’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিজে এখনও দুই ম্যাচ বাকি। তার আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে গেল বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম তিনটি ম্যাচেই জিতে গেল তারা।

শুক্রবার তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ ১০ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়াকে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ২৩ রানে জিতেছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেছিল ৫ উইকেটে।

স্বপ্নের ফর্মে রয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। উল্টো দিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দিন যত এগিয়ে আসছে, তত চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে অস্ট্রেলিয়ার।

শুক্রবার বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৭ রান তোলে। জবাবে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১১৭ রানের বেশি তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের জয়ের নায়ক মাহমুদুল্লাহ, নাসুম আহমেদ এবং মুস্তাফিজুর রহমান। মাহমুদুল্লাহ ৫২ রান করেন। তার ৫৩ বলের ইনিংসে ৪টি চার রয়েছে। নাসুম ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। মুস্তাফিজুর উইকেট না নিলেও ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দেন।

মাহমুদুল্লাহ টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। মাত্র তিন রানের মধ্যে মুহাম্মদ নাঈম (১) ও সৌম্য সরকার (২) ফিরে যান। দুটি উইকেট নেন জস হ্যাজেলউড ও অ্যাডাম জাম্পা।

এরপর ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদুল্লাহ। সাকিবের (২৬) সঙ্গে মাহমুদুল্লাহ তৃতীয় উইকেটে ৪৪ রান যোগ করেন। সাকিবকে ফেরান জাম্পা। পরের উইকেটে আফিফ হোসেনের সঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক ২৯ রান যোগ করেন। সপ্তম উইকেটে তিনি এবং মেহেদি হাসান আরও ৩০ রান যোগ করেন।

বাংলাদেশ ইনিংসের শেষ তিন বলে মাহমুদুল্লাহ, মুস্তাফিজুর (০) ও মেহেদিকে (৬) আউট করে হ্যাটট্রিক করেন নাথান এলিস। এটি ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচ।

কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ের যা হাল, তাতে এলিসের পারফরম্যান্স কোনও কাজে লাগেনি। রান তুলতে হিমসিম খেয়ে যান অসি ব্যাটসম্যানরা। নাসুম ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। সাকিব ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। শরিফুল ইসলাম ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।

অস্ট্রেলিয়ার মিচেল মার্শ (৫১), বেন ম্যাকডারমট (৩৫) ছাড়া কেউ ভাল রান পাননি।

এই সিরিজে বাংলদেশের বোলারদের বিরুদ্ধে রানই করতে পারছেন না অসি ব্যাটসম্যানরা। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের ১৩১ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া ১০৮ রানের বেশি করতে পারেনি। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১২১ রান তোলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে ভুঁইফোড় সংগঠনের ২৩ ‘কথিত নেতা’

রাজনীতির খবর : শতাধিক ভুঁইফোড় সংগঠনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নেতাদের তালিকা করে আর্থিক দুর্নীতির খোঁজ নিতে শুরু করেছে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদ্য সাবেক সদস্য হেলেনা জাহাঙ্গীর ও মনির খান ওরফে দরজি মনির গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর বাইরে কথিত নেতা লিটন গাজীসহ আরো অন্তত ২৩ জন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জালে বন্দি। তাঁরা যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার বলেন, তালিকাভুক্ত এসব কথিত নেতার বিরুদ্ধে পাওয়া কিছু দুর্নীতির মৌখিক তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। নামের আগে ও পরে ‘আওয়ামী লীগ’ যুক্ত করে ২০০৯ সালের পর যেসব সংগঠন গড়ে উঠেছে, প্রাথমিক তদন্তে তার বেশির ভাগই ‘ভুঁইভোড়’ সংগঠন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এমন ভুঁইফোড় সংগঠনের সংখ্যা শতাধিক। এসব সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছেন তাঁরা। দলের নাম ভাঙিয়ে তারা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব সংগঠনের উদ্যোক্তাদের কর্মকাণ্ড ও সম্পদের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। খোঁজ চলছে তাঁদের পৃষ্ঠপোষকদের ব্যাপারেও।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (গোয়েন্দা উত্তর) যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নাম করে কিছু ভুঁইভোড় সংগঠনের অপতৎপরতা বেড়েছে। নামসর্বস্ব এসব সংগঠনের নামে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও রাজধানীতে চাঁদাবাজি চলছে। এর সঙ্গে জড়িত ভুঁইভোড় নেতাদের বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

একাধিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, কথিত সংগঠনগুলোর শতাধিক নেতার গতিবিধির ওপর নজরদারি চলছে। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানা সময়ে দেওয়া তাঁদের বক্তব্য খোঁজা হচ্ছে। বিএনপি, জামায়াত-শিবিরসহ দেশের বাইরের কোনো সংগঠনের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার তথ্যও জানার চেষ্টা চলছে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, ভুঁইফোড় নেতাদের বিরুদ্ধে পাওয়া নানা অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। অপরাধের সত্যতা পেলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

এর আগে ‘বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ’ নামে ভুঁইফোড় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনির খান ওরফে দরজি মনিরকে গত রবিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে এরই মধ্যে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তি রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর থানায় একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার অভিযোগে বলা হয়, দরজি মনির ও তাঁর সহযোগীরা ঢাকা মহানগর এবং বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের কমিটি দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে টাকা নেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মনির একেক সময় একেক রাজনৈতিক পদবি ব্যবহার করে প্রতারণা করতেন। এ ছাড়া বিশেষ বিশেষ দিনে নিজেই মন্ত্রী-এমপিদের বাণী লিখে তাতে জাল স্বাক্ষর দিয়ে ফেসবুকে প্রচার করে বেড়াতেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। ফেসবুক আইডিতে তাঁর পরিচয় অংশে লেখা আছে- তিনি ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে সহসম্পাদক ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য হন। ফেসবুকের কাভার ফটোতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর একটি ছবি দিয়েও নিজেকে বড়মাপের নেতা হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করতেন তিনি।

ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, প্রতারণার উদ্দেশ্যে এডিট করে শীর্ষস্থানীয় নেতাদের ছবি ব্যবহার করতেন দরজি মনির। ভুঁইফোড় সংগঠন গড়ে তোলে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে সদস্য সংগ্রহের নামে অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

এছাড়া ভুঁইফোড় সংগঠনগুলোর মধ্যে ‘জয়বাংলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ’-এর কথিত নেতা লিটন গাজীও আলোচনায় রয়েছেন। কিছুদিন আগেও কথিত এই নেতা বিদেশে থেকে ফেসবুক লাইভে সরকারপ্রধানসহ আওয়ামী লীগকে গালাগালি করতেন। পরে দেশে ফিরে তিনি বনে যান জয়বাংলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের নেতা। সাংবাদিক পরিচয়েও তাঁর বিরুদ্ধে নানা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকে ২০০ কোটি ডোজ টিকা দেবে চীন

বিদেশের খবর : চলতি বছরেই বিশ্বকে ২০০ কোটি কোভিড ভ্যাকসিন সরবরাহের কথা জানালেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

তিনি বলেন, বিশ্বকে কোভিড-১৯ থেকে বাঁচাতে এই ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে তার দেশ। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কো-অপারেশন ফোরামে পাঠানো এক লিখিত বিবৃতিতে শি জিনপিং এ আশ্বাস দেন।

এতে তিনি আরও বলেন, কোভ্যাক্স গ্লোবালের জন্য ভ্যাকসিন তৈরি ও বিতরণে চীন ১০ কোটি ডলার অনুদান দেবে। বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জানিয়েছেন, চীন এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৭৭ কোটি ডোজ কোভিড ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে।

দেশটির ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেকের ভ্যাকসিনই সব থেকে বেশি রপ্তানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। অন্তত ২০টি দেশের সঙ্গে ৯০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে কোম্পানিটির।

দ. আফ্রিকায় দারুণ কাজ করছে জনসনের ভ্যাকসিন : দক্ষিণ আফ্রিকায় দারুণ কাজ করছে জনসন অ্যান্ড জনসনের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন।

এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের মাধ্যমে দেশটিতে গুরুতর কোভিডে আক্রান্ত রোগী এবং কোভিডে মৃতের সংখ্যা উভয়ই কমিয়ে আনা গেছে।

শুক্রবার দেশটিতে এই ভ্যাকসিন ট্রায়ালের সহকারী প্রধান এ দাবি করেছেন। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন গত ফেব্রুয়ারি থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে দেয়া শুরু হয়। মে মাস নাগাদ প্রায় চার লাখ ৭৭ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

এপ্রিল মাসেই এই ভ্যাকসিন অনুমোদন দেয় দক্ষিণ আফ্রিকার ওষুধ নিয়ন্ত্রকরা। বর্তমানে ফাইজারের পাশাপাশি এই ভ্যাকসিন দেশটির জাতীয় ভ্যাকসিন কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশটির থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন মৃত্যুর ক্ষেত্রে ৯১ থেকে ৯৬.২ শতাংশ সুরক্ষা দেয়।

বাণিজ্যিক ছাড়পত্র চাইবে না সেরাম : কোভিশিল্ড বাজারজাতকরণের জন্য ইউরোপীয় নীতিনির্ধারকদের কাছে আলাদা কোনো ছাড়পত্রের আবেদন করবে না সেরাম ইনস্টিটিউট।

কারণ সেরামের অংশীদার অ্যাস্ট্রাজেনেকা ইতোমধ্যে ভারতীয় সংস্থাটিকে বিকল্প উৎপাদনকেন্দ্র হিসাবে বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে। এই ‘মার্কেটিং অ্যাপ্রুভাল’ বা বিপণন অনুমতি হচ্ছে ইউরোপ ভ্রমণে ‘গ্রিন পাস’-এর জন্য টিকার অনুমোদন সম্পর্কিত অন্যতম শর্ত।

ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে তৈরি করেছে করোনা টিকা ভ্যাক্সজেভ্রিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরীমনিকে ৩ কোটি টাকার গাড়ি উপহার দেয়া ব্যাংক চেয়ারম্যান নজরদারিতে

বিশেষ ডেস্ক : বিপুল পরিমাণ মাদকসহ রাজধানীর বনানীর বাসা থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে এখন চার দিনের রিমান্ডে আছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত ও রহস্যময়ী নায়িকা পরীমনি। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য দিচ্ছেন এই নায়িকা। এবার বিলাসবহুল গাড়ির বিষয়টি সামনে এসেছে। জিজ্ঞাসাবাদে পরীমনি ব্যাংক লোন নিয়ে গাড়িটি কিনেছেন বলে দাবি করলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র বলছে, এটি তিনি উপহার হিসেবে পেয়েছেন।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আড়ালে অনৈতিক ব্যবসা করতেন তিনি। মাদক গ্রহণসহ অপরাধ জগতে জড়িত এই নায়িকা। খুবএকটা সিনেমায় অভিনয় করেননি পরীমনি। আবার যে সব সিনেমায় অভিনয় করেছেন, সে সব ব্যবসা সফলও হয়নি। তবে তার লাইফস্টাইল খুবই উচ্চাভিলাষী। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও হয় প্রায়ই। পরীমনির এত উচ্চাভিলাষী জীবন-যাপনের অর্থ আসে কোথা থেকে। বিলাসবহুল গাড়ি, ফ্ল্যাট, বিদেশে ভ্রমণ- এসব নিয়ে জল্পনা-কল্পনা লেগেই আছে তাকে নিয়ে। যদিও একেক সময় একেক ঘটনায় আলোচনায় আসেন পরীমনি। কিছু দিন আগে ঢাকার বোট ক্লাবে এক ঘটনায় ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। এবার মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে ফের আলোচনায় আসেন এই নায়িকা।

২০২০ সালের ২৪ জুনের কথা। পরীমনির সাদা রঙের হ্যারিয়ার গাড়িটি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গণমাধ্যমে সেটির খবরও ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার রয়েল ব্লু রঙের মাসেরাতি বিলাসবহুল গাড়ির ছবি দিয়ে জানান, তার নতুন গাড়ি।

এই খবরের পরই তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। কোথা থেকে এত টাকা পেলেন পরীমনি। মাত্র কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেই এত টাকা দিয়ে কীভাবে এই বিলাসী গাড়ি কিনলেন তিনি। যদিও পরীমনির গাড়িটি কেনার বিষয়ে বলে আসছিলেন, তিনি গাড়িটি ব্যাংক লোন নিয়ে কিনেছেন।

গাড়িটি বিষয়ে কিছুদিন পরে ধামাচাপা পড়ে গেলেও এবার পরীমনি গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবার এটি সামনে এসেছে। জিজ্ঞাসাবাদে পরীমনির ব্যবহৃত ফিয়াট অটোমোবাইলসের ‘মাসেরাতি’ ব্র্যান্ডের সাড়ে তিন কোটি টাকার গাড়িটির বিষয় উঠে এসেছে। পরীমনি বলেছেন, গাড়িটি ব্যাংক লোন অথবা ক্যাশ টাকা দিয়ে ক্রয় করেননি। একটি বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ওই সম্পর্কের কারণে তার কাছ থেকে গাড়িটি উপহার পেয়েছেন পরীমনি। ওই ব্যাংকের চেয়ারম্যানের তথ্যও পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, পরীমনির সঙ্গে সম্পর্ক থাকা ওই ব্যাংক চেয়ারম্যানের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। তিনি নজরদারিতে রয়েছেন। এছাড়া ওই ব্যাংকে পরীমণির বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেগুলো ইতোমধ্যে স্থগিত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরী-হেলেনা-রাজ-মৌ-পিয়াসার মামলা সিআইডি হস্তান্তর

বিনোদন সংবাদ : চিত্রনায়িকা পরী মণি, হেলেনা জাহাঙ্গীরসহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে করা সাতটি মামলা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন থেকে এসব মামলার তদন্ত করবে সংস্থাটি।

শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোহাম্মদ আজাদ রহমান। তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে মামলা হস্তান্তর সংক্রান্ত কাগজপত্র আমরা বুঝে পেয়েছি।’

স্থানান্তরিত সাত মামলার মধ্যে রয়েছে- চিত্রনায়িকা পরীমণির একটি, প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের একটি, হেলেনা জাহাঙ্গীরের একটি, মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার তিনটি ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের একটি।

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোহাম্মদ আজাদ রহমান জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের এক নির্দেশনায় সাতটি মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। আসামিদেরও সিআইডির হেফাজতে নিয়ে আসা হবে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, মামলা হস্তান্তরের পর এরই মধ্যে পিয়াসা ও মৌকে সিআইডি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি মামলার আসামিদেরও সিআইডিতে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একের পর এক আটক-গ্রেফ্তার, অন্ধকার জগতে আতঙ্ক তোলপাড়

অনলাইন ডেস্ক : সেই পাপিয়া থেকে পিয়াসা পরীমনি মৌ গ্রেপ্তারের পর এখন অন্ধকার জগতজুড়ে আতঙ্ক তোলপাড় চলছে। অভিযান কতদূর যাবে, কাদের আটক করা হবে এ নিয়ে চলছে আলোচনা। যারা নানা অপকর্ম করে আসছিলেন, অপরাধের সাথে জড়িয়ে ভোগ বিলাস, অর্থবিত্তের নেশায় বেহুশ ছিলেন তাদের হুশ ফিরেছে। ভয় তাড়া করে ফিরছে তাদের।

গত ১ আগস্ট গুলশানের বারিধারায় মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রাত ১২টার পরপর তাকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাসার ভেতর তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একই রাতে মডেল মরিয়ম আক্তার মৌয়ের রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বাসায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। তার বাসা থেকেও বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে মৌকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

২ আগস্ট শুনানি শেষে ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তাদের চলমান রিমান্ড থেকে বেরিয়ে আসছে নানা কেলেঙ্কারির তথ্য। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ এই চক্রের জিসান ও মিশুকে গ্রেপ্তার করে। জানা গেছে, এই চক্রটি রাজধানীতে অভিজাত এলাকায় ডিজে পার্টির আসর বসায়। আসরে যোগ দেওয়া ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সুযোগ বুঝে ব্ল্যাকমেইল করে। এই প্রতারক ও মাদক চক্রের সন্ধানে উঠে আসে চিত্রনায়িকা পরীমনির নামও।

তারপরই ৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত পরীমনির বাসায় টানা ৩ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার কর র্যাব। এ সময় র্যাব জানায়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই পরীমনির বাসায় অভিযান চালানো হয়। তার বাসায় অবৈধ মদ এবং বিপুল পরিমাণ মাদক পাওয়া যায়। মিনি বারের সন্ধানও মিলেছে তার বাসায়। এসব অবৈধ মাদক রাখার দায়ে পরীমনিকে প্রথমে আটক, পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরীমনিকে গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা পরেই রাজ মাল্টিমিডিয়ার স্বত্বাধিকারী ও চলচ্চিত্রাঙ্গনের পরিচিত মুখ নজরুল ইসলাম রাজকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। রাত ১০টার পর গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাসা থেকে উদ্ধার হয় বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ, সিসা ও সিসা খাওয়ার সরঞ্জামাদি। এ সময় রাজ তার এক সহযোগীকে নিয়ে বাসায় অবস্থান করছিলেন। নজরুল ইসলামও পরীমনির সঙ্গে ব্ল্যাকমেইলসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে র‍্যাবের কাছে প্রাথমিক তথ্য রয়েছে বলে জানা গেছে।

ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, মরিয়ম আক্তার মৌ, পরীমনির পর নজরুল ইসলাম রাজ। ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের যোগসূত্র রয়েছে। আবার পরীমনি-নজরুল রাজের যোগসূত্র রয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে। পিয়াসা-মৌ গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ন কমিশনার হারুণ অর রশিদ বলেছেন, ‘এরা সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের টার্গেট হলো কোটিপতি ব্যবসায়ী বা ব্যবসায়ীদের সন্তানেরা। বিভিন্ন ক্লাব বা বারে গিয়ে তাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে ব্ল্যাকমেইল করতো তারা। একই সঙ্গে তারা বাসায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের আসর বসাতো। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সহযোগীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।’

স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে, এই চক্রের এখানেই শেষ নয়। গভীরে রয়েছে আরো অনেকেই। ফলে আরো অভিযান পরিচালিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে—পিয়াসা, মৌ, পরীমনি, রাজের পর কে?

ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, মরিয়ম আক্তার মৌ, পরীমনির মতো আরো এক ডজনের বেশি মডেল ও অভিনেত্রীর তালিকা প্রস্তুত করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এদের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিং ও মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তালিকায় থাকা এসব মডেল-অভিনেত্রীদের নজরদারিতে রেখেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হবে।

ডিবি বলছে, কীভাবে এই কথিত মডেলরা ধনাঢ্যদের টার্গেট করতেন এবং পরে তাদের নিজেদের বাসায় বা অন্য জায়গায় পার্টির নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের উদ্দেশ্যে ভিডিও ও ছবি ধারণ করতেন, এসব বিষয় তদন্ত সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছেন পিয়াসা ও মৌ।

সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা জানান, ব্ল্যাকমেইল করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ওই কথিত মডেলরা। লাখ টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাট, কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি, বিলাসি জীবন সবই ব্ল্যাকমেইলিং এবং অবৈধ উপায়ে উপার্জিত টাকায়। বড় ব্যবসায়ী, ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেইল করত ওই কথিত মডেলরা।

ডিবির একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘পিয়াসা ও মৌয়ের মোবাইলে বেশ কিছু ভিডিও পাওয়া গেছে। এগুলো তারা গোপনে ধারণ করেছিলেন। তাদের মোবাইল থেকে এবং জিজ্ঞাসাবাদে এ ধরনের কাজে জড়িত আরও কিছু মডেলের নাম পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই বাছাই চলছে।

এদিকে র‍্যাব বলছে, রাজধানীর অভিজাত এলাকায় বিভিন্ন পার্টির আয়োজন করতেন মিশু। পরীমনিসহ বিভিন্ন মডেলদের এসব পার্টিতে হাজির করতেন তিনি।

র‍্যাব জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। এই চক্রের সদস্য প্রায় ১০ থেকে ১২ জন। তারা রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকা বিশেষ করে গুলশান, বারিধারা, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় পার্টি বা ডিজে পার্টির নামে মাদক সেবনসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যবস্থা করে থাকে। এসব পার্টিতে তারা অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকে। অংশগ্রহণকারীরা সাধারণত উচ্চবিত্ত পরিবারের সদস্য।

সংস্থাটি বলছে, প্রতি পার্টিতে ১৫-২০ জন অংশগ্রহণ করত। এছাড়া বিদেশেও প্লেজার ট্রিপের আয়োজন করা হত। একইভাবে উচ্চবিত্ত প্রবাসীদের জন্যেও দুবাই, ইউরোপ ও আমেরিকায় এ ধরনের পার্টি আয়োজন করতেন অভিযুক্তরা। ক্লায়েন্টদের একান্ত মুহূর্তের ছবি ধারণ করে অপব্যবহার করা হত বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তারা।

র‍্যাব বলছে, পার্টি আয়োজনের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের চাহিদা ও পছন্দের গুরুত্ব দিয়ে পার্টি আয়োজন করা হত। গ্রেপ্তাররা তাদের এই অবৈধ অর্থ নামেবেনামে বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার হরিহরনগরে ঔষুধের দোকানে হামলায় আহত-৩

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় ঔষদের দোকানে হামলা চালিয়ে লক্ষাধিক টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এসময় হামলাকারীরা পিটিয়ে তিন জনকে গুরুত্বর জখম করেছে।
শুক্রবার (৬ আগষ্ট) সকালে উপজেলার খেশরা ইউনিয়েনের হরিহরনগর বাজারে শাহনাজ মেডিকেলে এঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দোকানের মালিক আলমগীর হোসেন তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া হরিহরনগর গ্রামের মোছাদ্দেক গোলদারের পুত্র আয়াতুল মিজান রকি (৩২) ও জিল্লার গোলদারের পুত্র রাশেদ গোলদার (২৭) আহত হয়। তারা স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আলমঙ্গীর হোসেনের পিতা মোসলেম গোলদার জানান, ঘটনার সময় হরিহরনগর বাজারে শাহনাজ মেডিকেল ঔষুধের দোকানে স্থানীয় ৫/৬ জন যুবক হামলা ও লুটপাট চালায়। এসময় আমার ছেলে আলমঙ্গীর হোসেনকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে হামলাকারীরা। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারিরা তাদের উপর হামলা চালায়।
আলমঙ্গীর হোসেন ও তার পিতা মোসলেম গোলদার অভিযোগ করে বলেন, হরিহরনগর গ্রামের সামাদ গোলদারের ছেলে সাথী গোলদার (৩৬), স্বাধীন (২২), সাত্তার গোলদারের ছেলে মিলন (৩০), ইমন (২৫), রাসেল (৩২) সহ ৬/৭ জন যুবক লাঠিসোটা নিয়ে আমার দোকানে হামলা করে। এ সময় আমি দোকান বন্ধ করার চেষ্টা করলে তারা লাঠি লোহার রড দিয়ে আঘাত করে আমার হাত ভেঙ্গে দেয়। এসময় দোকানের ক্যাশ বাক্স ভেঙ্গে নগদ টাকা লুট করতে থাকে। ঘটনার সময় স্থানীয় যুবক রকি ও রাশেদ এগিয়ে আসলে তাদেরও পিটিয়ে জখম করে হামলাকারিরা।
এবিষয়ে হামলাকারিদের সাথে যোগাযোগ করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল জানান, এখনও অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৮ ঘণ্টা গোয়েন্দা কর্মকর্তার বাসায় কাটিয়েছিলেন পরীমনি

বিশেষ ডেস্ক : পহেলা আগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিট, পরীমনির সাদা রংয়ের একটি হ্যারিয়ার গাড়ি ( ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৫ ৯৬ ৫৩) এসে থামে পুলিশ কর্মকর্তাদের একটি আবাসিক ভবনের সামনে। প্রথম সেই গাড়ি থেকে লাল রংয়ের টি-শার্ট পরিহিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা নামেন। এরপর সাদা রংয়ের একটি স্লিপিং গাউন পরিহিত অবস্থায় নামেন হালের আলোচিত নায়িকা পরীমনি। এ সময় তার কোলে ছিল তার প্রিয় বাদামি রংয়ের কুকুর, যার নাম পরিমনি আদর করে দিয়েছে ‘কুটু’।

পুলিশ কর্মকর্তাদের বাসভবনের নিচে নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে বাসার চাবি নেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। এরপর তারা দুজন লিফটে করে ওই কর্মকর্তার বাসায় যান। এরপর পরীমনির গাড়ি থেকে একটি ট্রলি ব্যাগও ওই কর্মকর্তার বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

রাত দেড়টা, ওই ভবনের সামনে আবার আসে পরীমনির গাড়ি। চালক কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে সেখানে ঢোকেন। গাড়ি পার্কিং করে তিনি মোবাইলে উচ্চ শব্দ গান ছেড়ে শুনছিলেন।

সেই সময় দায়িত্বরত এক নিরাপত্তা সদস্যের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হয়। কারণ, পুলিশের নিজস্ব কোন চালক এতো রাতে আবাসিক এলাকার মধ্যে এভাবে গান শোনার কথা না।

তিনি তখন পরীমনির ওই চালকের কাছে তার পরিচয় আবার জানতে চান। চালক তখন ওই নিরাপত্তা কর্মিকে বলেন, পরীমনির সাথে ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিয়ে হয়েছে বলে তিনি জানেন।

এই গাড়ি আদৌ পরীমনির কিনা তা সন্দেহ করলে, চালক ভাইরাল হওয়া বোট ক্লাবে ক্লাবের ভিডিও ফুটেজ নিরাপত্তা কর্মীদের দেখিয়ে বলেন যে তার গাড়ি ও সেই গাড়ি একই গাড়ি কিনা। তখন উপস্থিত নিরাপত্তা কর্মীরা বিষয়টি বিশ্বাস করে পরিস্থিতি দেখতে থাকে। সোয়া দুইটার দিকে পরীমনি তার প্রিয় কুটু এবং ওই পুলিশ কর্মকর্তা ও সাথে নিয়ে যাওয়া ট্রলি ব্যাগসহ বহুতল সেই ভবন থেকে নিচে নেমে আসেন।

সকালের সাদা পোশাকের পরিবর্তে এ সময় পরীমনির পড়নে ছিল কালো রংয়ের পোশাক আর পুলিশ কর্মকর্তার লাল টি শার্টের পরিবর্তে সাদা রংয়ের টি শার্ট।

পরীমনির গাড়িচালক মোঃ নাজির হোসেন ওই দিনের বিশদ ঘটনা বর্ণনা করে জানিয়েছেন, ওই দিন সকাল ৭টার দিকে পরীমনির ফোন পেয়ে তিনি বনানীর বাসায় যান। সেই বাসা থেকে এক সাথে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও পরীমনি হ্যারিয়ার গাড়িতে ওঠেন।

এরপর তিনি তাদের ওই পুলিশ কর্মকর্তার সরকারি বাসভবনে নামিয়ে চলে যান। আবার রাতে ফোন পেয়ে সেই ভবনের সামনে যান। তখন তাকে নিরাপত্তা কর্মীরা নানা প্রশ্ন করেছিলেন।

এর আগেও পরীমনি ও ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা মধ্যরাতে হাতিরঝিল এলাকায় গাড়িতে ঘুরেছেন বলে জানিয়েছেন পরীমনির গাড়িচালক নাজির হোসেন।

ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে পরীমনির বিয়ে হয়েছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে, নাজির জানান তিনি বিষয়টি সঠিক জানেন না, তবে শুনেছেন যে তারা বিয়ে করেছেন।

গোয়েন্দা পুলিশের যে কর্মকর্তা সাথে পরীমনির এমন ঘনিষ্ঠতাটা সেই কর্মকর্তা পরীমনির দায়ের করা ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় মূল অভিযুক্ত নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মাদক মামলার তদন্তের তত্ববধায়ক (সুপারভাইজার)। তাই বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও সরকারের গোয়েন্দা দপ্তরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, কোন মামলা সংশ্লিষ্ট নারীকে নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া পুলিশের কোন ধরনের কোড অব কন্ডাক্টের মধ্যে পড়ে না। এটা খুবই অশোভনীয় ও অপেশাদার কর্মকাণ্ড। এটি কোন স্বাভাবিক ভব্যতার মধ্যে পড়ে না বলে মনে করেন সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান।

আলোচিত সেই কর্মকর্তার নাম গোলাম সাকলাইন। তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার হিসেবে কর্মরত আছেন। আর সরকারি ফ্ল্যাট রাজাবাগ অফিসার্স কলোনীর মধুমতি ভবনের ৯/সি।

এই বিষয়ে গোলাম সাকলাইনের বক্তব্যের জন্য, শুক্রবার সারাদিনে তার মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করা হলেও, সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কোন কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পরীমনির গাড়িচালকের বক্তব্যের রেকর্ড ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণ রয়েছে।

এদিকে, গোলাম সাকলাইন ছাড়াও আরো কোন কর্মকর্তার সঙ্গে পরীমনির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে কিনা, সেই বিষয়ে তথ্য নিতে সরকারে উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।সূত্র: একাত্তরটিভি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest