সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এবং আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু দ্রুত বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে আরও ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০ হাজার ২৫৫ জনে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৫ হাজার ২৭১ জন। এর ফলে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২ লাখ ২৬ হাজার ২৫৩ জনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে এক দিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গি রোগী শনাক্ত

দেশের খবর : দেশে করোনা পরিস্থিতি অবনতির মধ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৪ জন ডেঙ্গি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া সারা দেশে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে চারজন মারা গেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১৯৪ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর মধ্যে শুধুমাত্র ঢাকাতেই হাসপাতালে ১৮১ জন ভর্তি হয়েছে।

এ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪২ জন। রাজধানী ঢাকায় ভর্তি হওয়া ১৮১ জনের মধ্যে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে ৬২ জন ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ১১৯ জন।

এছাড়া ডেঙ্গু সন্দেহে মারা যাওয়া চারজনের তথ্য পর্যালোচনার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রনের হার কিছুটা কমলেও কমছেনা মৃত্যুর হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।

এ নিয়ে, ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৫৩৩ জন। আর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৪ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৬০ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ১৫ শতাংশ।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, এনিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৫৪৫ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ২৭৫ জন। এছাড়া বর্তমানে ২৩৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সরকারীমেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকীরা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে তিনি এ সময় সকলকে সরকারের দেয়া স্বাস্থবিধি মেনে চলার এবং মাস্ক পরার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : বেশিসংখ্যক মানুষকে করোনাভাইরাস টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার জন্য সরকার টিকা নেওয়ার সর্বনিম্ন বয়সসীমা ২৫ বছর নির্ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) টিকা গ্রহণ নিবন্ধন ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ‘সুরক্ষা’য় বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।

আগের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী ৩০ বছর বয়সসীমার নাগরিকেরা টিকার আওতায় ছিলেন।

এছাড়া সম্মুখসারির করোনা যোদ্ধাদের পরিবারের ১৮ বছর বয়সী সদস্যরাও টিকা পাবেন বলে এর আগে জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গত ১৯ জুলাই করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার বয়স ৩০ বছর নির্ধারণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে গত ৫ জুলাই করোনার টিকার বয়স ৩৫ বছর করা হয়।

দেশে টিকা নিবন্ধনের শুরুর দিকে ৫৫ বছর বয়সীদের টিকার জন্য নিবন্ধন করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। গণটিকাদান শুরু হয়েছিলেন ৭ ফেব্রুয়ারি। টিকা সংকটে পরে তা ব্যাহত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় টানা বৃষ্টিতে জেলার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাগরে সৃষ্ট নি¤œচাপের প্রভাবে টানা মৌসুমী বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত ২৭ জুলাই বিকাল থেকে ২৯ জুলাই সকাল পর্যন্ত টানা ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরার সদর, তালা, কলারোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাাবিত হয়েছে।

পানিতে তলিয়ে গেছে সাতক্ষীরা পৌরসভার নিম্নাঞ্চল। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার। ভেসে গেছে জমির ফসল, আমন বীজতলা, মাছের ঘের ও পুকুর।

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধুলিহর, ফিংড়ি, ব্রহ্মরাজপুর, লাবসা, বল্লী, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের অধিকাংশ বিলগুলোতে সদ্য রোপা আমন ও বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শতাধিক মাছের ঘের ও পুকুর ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া নিম্ন অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান ও ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে।

সাতক্ষীরা পৌর বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম জানান, গত দুইদিনের টানা মৌসুমী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার কামালনগর, ইটাগাছা, খড়িবিলা, বদ্যিপুর কলোনী, শহরতলীর বকচরা, কাশেমপুর, সরকারপাড়া, আমতলার মোড় সবই এখন পানিতে তলিয়ে রয়েছে। পানি অপসারনের কোন পথ না থাকায় বৃষ্টির পানি বাড়িঘরে উঠতে শুরু করেছে। সাতক্ষীরা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রানসায়ের খালও পানি টানতে পারছে না।

এদিকে গদাইবিল, ছাগলার বিল, শ্যাল্যের বিল, বিনেরপোতার বিল, রাজনগরের বিল, মাছখোলার বিল সহ কমপক্ষে ১০টি বিলে পানি থই থই করছে। এসব বিলের মাছের ঘের ভেসে গেছে। বেতনা নদী তীরবর্তী এই বিলগুলির পানি নদীতে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। এই পানি পৌরসভার দিকে এগিয়ে আসছে। অতিবৃষ্টিতে গ্রামাঞ্চলের সব পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে। বেরিয়ে গেছে শত শত টাকার মাছ। এছাড়া কাচা ঘরবাড়ি রয়েছে ঝুকির মধ্যে। সবজি ক্ষেত গুলি পানিতে টইটুম্বুর করছে। মানুষের যাতায়াতও ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া তালার ইসলামকাটি, কুমিরা, পাটকেলঘাটা, মাগুরা, আশাশুনির প্রতাপনগর, আনুলিয়া, খাজরা, বড়দল, শ্রীউলা, আশাশুনি সদর, দরগাহপুর, কাদাকাটিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল পানিতে থৈ থৈ করছে। শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, কাশিমাড়ি, বুড়িগোয়ালিনী, কৈখালি, রমজাননগরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা, মথুরেশপুর, ভাড়াশিমলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মাছের ঘের ও পুকুর পানিতে ডুবে গেছে বলে খবর দিয়েছেন স্থানীয়রা।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার বিকাল থেকে সাতক্ষীরায় ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই ৬ ঘন্টায় ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগামী কয়েকদিন এভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে জানান তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর তথ্য কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, ভারি বর্ষণে জেলার নিম্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে সদ্য রোপা আমন, আউশ বীজ তলার ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের জরিপ করে ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপন করে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদি ভারি বর্ষণ থেমে যায়, তাহলে রোপা আমন ও বীজতলার তেমন ক্ষতি হবে না। তারপরও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল বাছেদ জানান, হঠাৎ ভারি বর্ষণের ফলে জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় মারাত্মক কোন ক্ষয়-ক্ষতির খবর আসেনি। এছাড়া অতি বর্ষণজনিত ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপনে কোন নির্দেশনা পাননি তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভ্যাকসিন নিতে এগিয়ে সাতক্ষীরার জোড়দিয়া গ্রাম

নিজস্ব প্রতিনিধি :
গ্রামাঞ্চলে মানুষের ভ্যাকসিন নিতে অনীহা থাকলেও ভিন্ন চিত্র সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরার জোড়দিয়া শেখপাড়া গ্রামে। জেলা সদর থেকে ১০ মাইল দূরের এই গ্রামে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অনেকেই কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। করোনার উপসর্গ নিয়ে মারাও গেছেন। তবুও ভ্যাকসিন গ্রহণে অনীহা কাটছিল না গ্রামবাসীর। বিষয়টি ভাবায় জোড়দিয়া শেখপাড়ার তরুণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ শাকিল হোসেনকে।

গত ৩ সপ্তাহে পুরো গ্রামের চিত্র পাল্টে গেছে। চাকরীজীবী ও প্রবাসী অধ্যুষিত জোড়দিয়া শেখপাড়া গ্রামে প্রায় ১ হাজার ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে ৩০ বছরের নীচের বয়সের, গ্রামের বাইরে অবস্থান করেন, গর্ভবতী, গুরুতর অসুস্থ ও টিকা নিতে অক্ষম ব্যতীত ৩ শতাধিক মানুষ ভ্যাকসিনের আওতায় আসছে। অধিকাংশরাই অন্তত ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজের আওতায় এসেছেন। বাকিরা এসএমএসের অপেক্ষায় আছেন।

ভ্যাকসিনেটেড গ্রামের উদ্যোক্তা শেখ শাকিল হোসেন বলেন, ‘করোনার ভ্যাকসিন সহজলভ্য হলেও ভ্যাকসিনভীতি ও নিবন্ধন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে গ্রামের মানুষের ভেতর টিকা গ্রহণে অনীহা ছিল। শুরুতে আমরা গ্রামের তরুণদের নিয়ে সবাইকে ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়েছি ও ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহী করেছি। কিন্তু, অনেককেই আমরা ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহী করতে পারিনি। তখন আমরা এলাকার ধর্মীয় প্রতিনিধিদের শরনাপন্ন হই।’

‘গ্রামের মানুষ ধর্মীয় প্রতিনিধিদের কথা শোনে। আমরা মসজিদের ইমামদের সহযোগিতায় মানুষদের টিকা নিতে উৎসাহিত করি এবং ইতিবাচক সাড়া পাই’, বলছিলেন শাকিল হোসেন।

জোড়দিয়া বায়তুল আতিক জামে মসজিদের খতিব ও ইমাম মাওলানা ফরিদ আহম্মাদ আরারী বলেন, ‘তরুণরা আমাকে বিষয়টা জানালে আমি গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি জুম’আর খুতবায় তুলে ধরি। গ্রামবাসীকে ভ্যাকনিন নিতে উৎসাহিত করি। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন’।

গ্রামের তরুণ শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন, মিয়ারাজ হোসেন, হাসানুর রহমান, সাকিবুর রহমান, মাহবুবুল হক, আজগার আলী, তৌফিকুজ্জামান ও রোহেল উদ্দীনসহ অনান্যরাও এগিয়ে আসেন এই উদ্যোগে।

গ্রামবাসীদের জন্য বিনামূল্যে টিকার নিবন্ধন করতে গ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে ভ্রাম্যমান নিবন্ধন বুথ স্থাপন করেন ওই তরুণরা। মসজিদগুলোর মাইকে ঘোষণা দিয়ে প্রচার করা হয় এই খবর। সাথে সাথে টিকা কার্ডও বের করে দেন। এছাড়াও মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিবন্ধন করা হয়। ৩ সপ্তাহব্যাপী চলছে এই বিনামূল্যের নিবন্ধন প্রক্রিয়া। উদ্যোক্তারা সঠিক সময়ে টিকাদান কেন্দ্রে যাওয়াও নিশ্চিত করেছেন।

জোড়দিয়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ মোনায়েম হোসেন বলেন, ‘তরুণদের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তারা শুরু থেকেই মানুষকে টিকা নিতে উৎসাহিত করছে এবং বিনামূল্যে নিবন্ধন করে দিচ্ছে। তাদের এই জতৎপরতা গ্রামে সচেতনতার বলয় করেছে’।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে জোড়দিয়া শেখপাড়া গ্রামকে ‘ভ্যাকসিনেটেড গ্রাম’ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, শুরু থেকেই জোড়দিয়া শেখপাড়ার তরুণদের উদ্যোগ পর্যবেক্ষণ করছি। গ্রামের মানুষের ভ্যাকসিন নিতে অনীহা লক্ষ্য করেছি। তবে, জোড়দিয়া শেখপাড়া সেইসব বাঁধাকে জয় করেছেন।

সাতক্ষীরা সদরের জোড়দিয়া শেখপাড়া- গ্রামই বাংলাদেশের প্রথম গ্রাম যেখানে ইতোমধ্যে অধিকাংশ মানুষ ভ্যাকসিন নিয়ে ফেলেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আরও বিপাকে রাজ-শিল্পা দম্পতি

বিনোদন ডেস্ক : পর্নোগ্রাফিকাণ্ডের পর এবার আরও বিপাকে পড়লেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রা। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ এনে তিন লাখ টাকা জরিমানা করল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (সেবি)। জরিমানা করা হয়েছে ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজকেও।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে যে তদন্ত চালানো হয়, তারই ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে সেবি।

জানা গেছে, ২০১৫ সালে চার ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকার শেয়ার বিলি করেছিল ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ। শেয়ার বিলির ক্ষেত্রে নিয়মবিরুদ্ধ কাজের অভিযোগ ওঠে রাজদের বিরুদ্ধে। তারপরই তদন্তে নামে সেবি।

পর্নোছবি বানানোর অভিযোগে গত ১৯ জুলাই গ্রেফতার করা হয় রাজকে। তার পর থেকে একের পর এক অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনেকে টিকা নেওয়ার পরও কেন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন?

বিশেষ ডেস্ক : দেড় বছর ধরে এক অদৃশ্য শত্রু দুনিয়াকে কাবু করে রেখেছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে প্রায় ৪২ লাখ লোক প্রাণ হারিয়েছেন। বাংলাদেশেও এ পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। সারা দুনিয়ায় শনাক্তও হয়েছে সাড়ে ১৯ কোটি মানুষ। এর থেকে মুক্তির জন্য গবেষকরা রাত-দিন গবেষণা করে তৈরি করেছেন নানা ভ্যাকসিন। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে মানুষ প্রতিদিন নিচ্ছেন টিকা। উন্নত পৃথিবী এর কিছুটা সুুফলও পেয়েছে। বাংলাদেশেও টিকাদান কর্মসূচি চলছে।

তবে দুই ডোজ টিকা নিয়েও এই অদৃশ্য শত্রু থেকে রক্ষা মিলছে না অনেকের। গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরও করোনা টিকার দুই ডোজই নিয়েছিলেন। করোনায় মারা গেছেন এই কণ্ঠযোদ্ধা। করোনার দুই ডোজ টিকা নেয়ার পর আক্রান্ত হয়ে ষাট বছর বয়সী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়েছে। দুই ডোজ টিকা নেয়ার পরও কেন সংক্রমণ এবং মৃত্যু তা বের করতে স্বাস্থ্য বিভাগকে গবেষণা পরিচালনার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

জাতীয় পরামর্শক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে দেখতে হবে উনি দুই ডোজ টিকা কোন কোম্পানির নিয়েছেন। ভ্যাকসিন নেয়ার পর অনেক বিষয় রয়েছে। যেমন ভ্যাকসিন নেয়ার পর তার শরীরে কি পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, তা জানা হয়েছে কিনা। ভ্যাকসিন কার্যকর হলো কিনা।

তিনি বলেন, যিনি মারা গেছেন তার শরীরে হয়তো অ্যান্টিবডি গ্রো হয়নি। এ ছাড়াও তিনি আগে থেকে কোনো জটিল রোগে ভুগছিলেন কিনা। এগুলো নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা প্রয়োজন। এজন্য ভালো পরিকল্পনা দরকার। খ্যাতিমান এই ভাইরোলজিস্ট বলেন, দেশে গবেষণার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তাই আমাদেরকে এই দিকে গভীর নজর দিতে হবে।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট টিকা কোম্পানিগুলো তাদের বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশ করে থাকে। তাতে লেখা থাকে টিকা নেয়ার পর সংক্রমণ হবে না এমন বলা যাবে না।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং সংস্থাটির উপদেষ্টা ডা. মুস্তাক হোসেন এ বিষয়ে বলেন, দুই ডোজ টিকা নেয়ার পর মৃত্যুর বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত করে বের করা উচিত। কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। টিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা। যিনি মারা গেছেন তার শরীরে আগ থেকে কোনো জটিল রোগ ছিল কিনা।

তিনি আরও জানান, টিকা নেয়ার পর প্রতি ১০ লাখে ১ জন মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। এ ছাড়া অন্যদেশের এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে মিল আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখতে হবে বলে এই জনস্বাস্থ্যবিদ মনে করেন।

এদিকে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন টিকা নেওয়া ১৫ অতিথি। চার জুলাই দেশটির স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসেন হাজার হাজার মানুষ। সেসব লোকজমায়েত থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডজনখানেক বড় শহরে। করোনা ছড়িয়েছে সম্পূর্ণরূপে টিকা নেওয়া অনেকের মাধ্যমেও।

ডেল্টা ধরনের দাপট বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকা নেওয়া লোকেরাও সংক্রমিত হচ্ছেন করোনায়। সে তালিকায় আছেন টেক্সাসের অন্তত ছয়জন ডেমোক্রেট, হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এবং স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির এক সহকারী। বিধিনিষেধের অভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব রাজ্যেই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। নতুন সংক্রমিতদের প্রায় সবাইকেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে।

অবশ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশনে’র (টিকা নেওয়ার পরও করোনায় আক্রান্ত হওয়া) সংখ্যা এখনও তুলনামূলকভাবে একেবারেই কম। আর টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা করোনায় আক্রান্ত হলেও তাদের খুব কম সংখ্যকই গুরুতর অসুস্থ হন। ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশনে’ মৃত্যুর ঘটনা এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও একেবারেই নগণ্য। করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মানুষগুলোর ৯৭ শতাংশই টিকা নেননি।

‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশন’ হওয়ার মানে এই নয় যে, টিকা অকার্যকর। তবু টিকা নেওয়া ব্যক্তিরাও সংক্রমিত হতে পারেন। তাদের ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গ দেখা দেয় না, কিংবা খুব হালকা উপসর্গ দেখা দেয়। এর ফলে টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা নিজেদের অজান্তেই অন্যদের মাঝে ভাইরাস ছড়াতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনার বিস্তার ফের বাড়তে থাকায় টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের বদ্ধ জায়গায় এবং শপিং মল বা কনসার্ট হলের মতো জনবহুল স্থানে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন কয়েকজন বিজ্ঞানী। অবশ্য দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক সংস্থা- সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) কেবল টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদেরই মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে।

তবে ডেল্টা ধরনের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ক্যালিফোর্নিয়ার কয়েকটি অঞ্চলের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ফের আবদ্ধ জায়গায় মাস্ক পরার বাধ্য-বাধকতা জারি করার অনুরোধ করেছেন।

করোনার আগের ধরনগুলোর সঙ্গে ডেল্টা ধরনের পার্থক্যের কারণেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ডেল্টার বিস্তারের পদ্ধতিতে অবশ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি। এটি নিশ্বাসের সঙ্গে, বিশেষ করে বদ্ধ জায়গায় বেশি ছড়ায়। তবে এ ধরনটিকে মূল ভাইরাসের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ সংক্রামক ক্ষমতাসম্পন্ন বলে মনে করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, গবেষণায় দেখা গেছে ডেল্টা ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তিরা করোনার প্রথম ধরনের চেয়ে হাজারগুণ বেশি ভাইরাস বহন করেন। তার মানে এই নয় যে, এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর মানে সম্ভবত এই যে, ডেল্টা ধরনের সংক্রমণক্ষমতা অনেক বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী।

ভাইরাসের সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ। টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা খুব অল্প সংখ্যক ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে বেশিরভাগ সময়ই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আবার টিকা নেওয়া ব্যক্তি বেশি সংখ্যক ডেল্টা ধরনের সংস্পর্শে এলে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।

কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিক সংক্রমণের হার বেড়ে গেলে সমস্যা আরও তীব্র হবে। কারণ ভাইরাস তখন সংখ্যায় ও শক্তিতে আরও বাড়বে।

এদিকে টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের সিংহভাগই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না। ফলে সবাই-ই মারাত্মক ঝুঁকিতে আছেন। টিকাকে তুলনা করা যায় বড় আকারের ছাতার সঙ্গে। এর নিচে দাঁড়ালে আমরা তুমুল বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাব। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের মুখে এই ছাতার নিচে দাঁড়ালেও ভিজে যাব। করোনার ডেল্টা ধরন ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতিই সৃষ্টি করছে।

টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা সাধারণত করোনায় আক্রান্ত হন না। হলেও তার উপসর্গ বলতে গেলে দেখাই দেয় না। তবে খুব অল্প সংখ্যক টিকা নেওয়া মানুষ সংক্রমিত হলে তাদের মধ্যে ‘লং কোভিড’ দেখা দিতে পারে।

অনুমান করা হচ্ছে, কোভিডের সব টিকাই ডেল্টা ধরনের বিরুদ্ধে কমবেশি কার্যকর। সত্যি বলতে কী, গবেষণায় দেখা গেছে দক্ষিণ আফ্রিকায় আবিষ্কৃত বেটা ধরনের চেয়ে ডেল্টা তুলনামূলক কম ভয়ংকর।

একজন টিকা নেওয়া ব্যক্তি করোনায় সংক্রমিত হতে পারেন কিনা- তা নির্ভর করে টিকা নেওয়ার পর তার শরীরে কত দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, সে অ্যান্টিবডি করোনার বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর এবং টিকা নেওয়ার পর ওই ব্যক্তির রক্তে অ্যান্টিবডির পরিমাণ কমে গেছে কি না—এসবের ওপর।

ডেল্টা ধরনের মাধ্যমে ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশন’ বেশি হয় কি না, তার কোনো উল্লেখযোগ্য প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে আমেরিকায় প্রায় ৫,৫০০ টিকা নেওয়া মানুষের করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির খবর পাওয়া গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, আলফার চেয়ে ডেল্টা ধরনের মাধ্যমেই ‘ব্রেকথ্রু ইনফেকশন’ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অবশ্য টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা আক্রান্ত হলেও খুব দ্রুত (দুই সপ্তাহের কমে) সুস্থ হয়ে ওঠেন।

তবে টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা করোনার ডেল্টা ধরনে আক্রান্ত হলে তারা প্রথম ৭ থেকে ১০ দিন আলফা ধরনের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক ভাইরাস বহন করেন।

বেইলর কলেজ অফ মেডিসিনের জিনেটিসিস্ট ক্রিস্টেন প্যান্থাগানি বলেছেন, টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের সংক্রমিত হওয়া ঠেকাতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে, টিকার কাজ মানুষকে গুরুতর অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষা করা। সেই কাজ টিকা খুব ভালোভাবেই করছে।

তিনি বলেন, ‘কোনো টিকাই একশোভাগ কার্যকর নয়—এটা কখনও সম্ভবও নয়। কোভিড টিকা নিখুঁত হবে—এমন আশা করাও উচিত নয় আমাদের।’

গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যু ঠেকানোর জন্য করোনার টিকা কার্যকর। কিন্তু ভয়ংকর এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে অভেদ্য নিরাপত্তাব্যূহ হিসেবে দাঁড়ানোর সামর্থ্য এখনও অর্জন করেনি এসব টিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest