সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

সাতক্ষীরায় এক ছাত্রকে পায়ুপথে যৌনসঙ্গম করার অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা সিদ্দিকিয়া কওমি মাদ্রাসার এক ছাত্রকে জোরপূর্বক পায়ুপথে যৌনসঙ্গম করার অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মুছআব বিল্লা (২৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোর রাতে মাগুরা জেলা সদরের বন্যতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ওই মাদ্রাসা ছাত্রের মা হোসনে আরা বাদী হয়ে গত ৯ জুলাই পাটকেলঘাটা থানায় মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মুছআব বিল্লার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক মুছআব বিল্লা মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার দুসরাইল গ্রামের মাওলানা সামছুল হকের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলার বহেরা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান ও হোসনে আরার ছেলে (১২) পাটকেলঘাটা সিদ্দিকিয়া কওমি মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে (হাফেজী) পড়ালেখা করতো। গত ২৭ এপ্রিল ও ২৬ মে পৃথক পৃথক দুই দিন তাদের ছেলেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষক হাফেজ মুছআব বিল্লা মাদ্রাসার সিড়ির ঘরের পাশের ক্লাস রুমে ও ছাদে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পরনের প্যান্ট জোরপূর্বক খুলে পিছনদিক থেকে পায়ুপথে যৌনসঙ্গম করে। বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ভয়ও দেখান তিনি। এক পর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে পাটকেলঘাটা বাজারের গ্রাম্য চিকিৎসক এম. এ মামুনকে দেখান। পরবর্তীতে সে আবারও অসুস্থবোধ করিলে গত ৪ জুলাই রাত ১০ টার দিকে মোবাইলে তার বাবাকে ঘটনার বিষয়ে জানান। এরপর ৯ জুলাই তার মা বাদী হয়ে হাফেজ মুছআব বিল্লার বিরুদ্ধে পাটকেলঘাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তাকে ভোর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

পাটকেলঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক মো. রোকন মিয়া জানান, বেশ কিছুৃদিন ধরে তিনি পালাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর রাতে মাগুরা জেলা সদরের বন্যতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে সেখান থেকে পাটকেলঘাটায় থানায় আনা হয়েছে।
এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা সিদ্দিকিয়া কওমি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মনিরুল হক বলেন, ঘটনাটি জানার পর ম্যানেজিং কমিটির সভা ডেকে ওই শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামী মুছআব বিল্লা মামলার ঘটনা সংক্রান্তে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তী মূলক জবানবন্দীও প্রদান করেছেন। ##

২৭.০৭.২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চামড়া কিনে বিপাকে ব্যবসায়ীরা : লোকসানের আশংকা

আসাদুজ্জামান :
সাতক্ষীরায় চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও ক্রয়কৃত একটি চামড়াও বিক্রি করতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। এছাড়া অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে মসজিদ ও মাদ্রাসায় সংরক্ষিত দানকৃত চামড়াও। এদিকে ভারতে চামড়া পাচার রোধে সাতক্ষীরার ২৩৮ কিলোমিটার সীমান্তে কড়া নজরদারি রেখেছে বিজিবি।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়,জেলায় ১৭ হাজার গরু কোরবানি হয়েছে। আর ছাগল কোরবানি হয়েছে ৩৪ হাজার। গরুর চামড়ার সরকারি রেট ধরা হয়েছে ৫৫ টাকা বর্গফুট হিসেবে। আর ছাগলের চামড়ার রেট ধরা হয়েছে ২২ টাকা বর্গফুট দরে।
সরেজমিনে জানা যায়, চামড়া কেনায় সরকারি রেট মানা হয়নি কোথাও। তিন থেকে সর্বোচ্চ ৬শ’ টাকায় গরুর চামড়া কিনেছেন ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশ ছাগলের চামড়া বিক্রি না হওয়ায় সেগুলো মসজিদ ও মাদ্রাসায় দান করা হয়েছে। এছাড়া মসজিদ ও কওমী মাদ্রাসার তহবিলে গরুর চামড়া দান করা হয়েছে। এগুলো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

এবিষয়ে মাগুরা গ্রামের ব্যবসায়ী এস এম রুবেল জানান,আমি লাখ খানেক টাকা মুল্যের একটি গরু ও একটি ছাগল কোরবানি করেছিলাম। ন্যায্য মুল্যে চামড়া বিক্রি করতে পারবনা বিধায় পাশেই একটি কওমী মাদ্রাসায় দান করেছিলাম।
দক্ষিণ কাটিয়ার মাদরাসাতুস সাহাবাহ নামক কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক ইউসুফ জামিল বলেন,আমাদের মাদ্রাসায় এলাকার লোকেরা ২শ’১৩টি গরু ও ২শ’২০ টি ছাগলের চামড়া দান করেছিলেন। গরুর চামড়াগুলো গড়পড়তায় ৪শ’৭৫ টাকা বিক্রি করা সম্ভব হয়েছিল। সাতক্ষীরার ক্রেতারা নিয়েছিলেন। আর ছাগলের চামড়া ক্রেতারা কিনতে চাচ্ছিলেননা। সবশেষ প্রতি পিচ মাত্র দশ টাকা দরে ছাগলের চামড়াগুলো বিক্রি করা হয়েছে।
তবে সিটি কলেজ এলাকায় অবস্থিত কওমী মাদ্রাসায় পাঁচ শতাধিক গরুর চামড়া পড়ে আছে। রক্ষণাবেক্ষণ করতে যা খরচ হচ্ছে,তাতে বিক্রি না হলে মারাত্মক ক্ষতিতে পড়ার আশঙ্কা করছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
মাদ্রাসার শিক্ষক মাও. হাবিবুর রহমান জানান,বড় একটি অর্থের উৎস দানের চামড়া। এবছর ৫ শতাধিক চামড়া মাদ্রাসায় এসেছে। লবন দিয়ে প্রতিদিন প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ চলছে। তবে ক্রেতারা যোগাযোগ না করায় দু:শ্চিন্তায় রয়েছি।
পলাশপোল এলাকার ব্যবসায়ী আবুল হাশেম বলেন, আমি ২০ বছর ধরে চামড়ার ব্যবসা করি। গতবার কিছু চামড়া কিনেছিলাম। হাতে-পায়ে ধরে যশোরের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেছিলাম। কিন্তু টাকা পাইনি। এবার তাই লোকসানের ভয়ে চামড়া কিনিনি।
বড়বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জামালউদ্দীন বলেন,আমি এবার দেড় হাজারের মত চামড়া কিনেছি। কিন্তু ঈদের ৫দিন পার হলেও একটি চামড়া বেচতে পারিনি। ঢাকা থেকে এখন পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করিনি।

তিনি আরও বলেন,গড় পড়তায় এক একটি চামড়া ৫শ’ টাকায় কিনেছি। মাস ব্যাপী লবন দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করতে ২শতাধিক টাকা খরচ হবে। এরপরেও বিক্রি করতে পারব কিনা জানিনা। সাতক্ষীরার চামড়ার ক্রেতা মুলত যশোর ও ঢাকার ব্যবসায়ী ও ট্যানারি মালিকেরা। গতবার তারা চামড়া নিয়েছে,তবে বিপুল পরিমাণ টাকা অনাদায়ী পড়ে আছে। লবন মেশানোর পরেও ১মাস পরে চামড়া নষ্ট হয়ে যাবে। একদিকে চামড়া বিক্রি করতে না পারার শঙ্কা,অন্যদিকে বিক্রিত চামড়ার টাকা প্রাপ্তির অভরসা,সবমিলিয়ে খুবই দু:শ্চিন্তায় আছি। দীর্ঘদিনের পেশা বলে চামড়া ব্যবসা ছাড়তেও পারছিনা।
সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সহিদুল ইসলাম জানান,জেলায় এবছর ৫০ হাজার পশু কোরবানি হয়েছে। যার মধ্যে ১৭ হাজার বিভিন্ন সাইজের গরু। বাকীটা ছাগল। মাইকিং করে জনগণকে চামড়ার দাম জানানো হয়েছে প্রাণিসম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে। গরুর চামড়ার সরকারি রেট ৫৫ টাকা বর্গফুট। আর ছাগলের চামড়া ২২ টাকা বর্গফুট। তবে বর্গফুট হিসেবে না কিনে মোট হিসেবে কিনেছেন ক্রেতারা বলে শুনেছি।
এদিকে সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে চামড়া পাচারের বিষয়ে কড়া নজরদারি রেখেছে বিজিবি। ভারতে চামড়ার দাম ভাল পাওয়া যায় বলে সেখানে পাঠাতে আগ্রহী সাতক্ষীরার ব্যবসায়ীরা।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ জানান, কোরবানির ঈদে ভারতে চামড়া পাচারের একটা সম্ভাবনা থাকে। সেই কারণে সীমান্ত জুড়ে কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। কোনভাবেই ভারতে চামড়া পাচার করতে দেওয়া হবেনা বলে দৃড় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বিজিবির এই অধিনায়ক।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসুস্থ মাজেদার চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের পার মাছখোলা এলাকার মোঃ আমিনুর রহমানের স্ত্রী অসুস্থ মাজেদা বেগমের চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম. আশিকুর রহমান। গুরুতর অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও অর্থের অভাবে চিকিৎসা সেবা নিতে পারছিলেন না মাজেদা বেগম।

তার এ শারীরিক দুরাবস্থার কথা জানতে পেরে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, মানবিক ছাত্রনেতা এস.এম. আশিকুর রহমান ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে তার উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে মাজেদা বেগমের স্বামী মোঃ আমিনুর রহমান বলেন, ” আমি টাকার অভাবে আমার স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে পারছিলাম না। একথা জেনে ছাত্রলীগের ভাইয়েরা এসে আমার স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, প্রয়োজনীয় টেস্ট করান,ঔষধ ও পুষ্টিকর ফল কিনে দেন। তারা সার্বক্ষণিক আমাদের খোঁজ-খবর রাখছেন।” এবং চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদনের পর থেকেই নানাবিধ সামাজিক ও মানবিক কাজ চলমান রয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

২৭.০৭.২০২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনা রোগীদের জীবন বাঁচাতে সর্বদা নিয়োজিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:   করোনা রোগীদের জীবন বাঁচাতে মানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।  মঙ্গলবার সন্ধায়একজন করোনা রোগীর বাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌছে দিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সদস্যরা ।

সাতক্ষীরা পৌরসভার পলাশপোল বৌবাজার এলাকার বাসিন্দা লতিফা আনান  সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের জরুরি অক্সিজেনসেবা নেয়ার জন্য ফোন করেন।

ফোন পাওয়ার সাথেসাথে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের কর্মী তৌহিদ হাসান,হাসিবুল হাসান সৌর্হাত, শাহরিয়ার গালিব, অতিবৃষ্টির মধ্যেও অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পৌছেযান করোনা রুগী লতিফা আনানের বাসায়।

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ  সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো: সুমন হোসেন বলেন করোনাকালীন সময়ে সর্বদা মানুষের পাশে থাকবে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ ।

বিনামূল্যে জরুরি অক্সিজেন সেবা পেতে  সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের হট লাইন নাম্বার।-01756581899 01765550559

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ছাত্রলীগ নেতাকে মারপিট

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে করোনা আক্রান্ত ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানা কর্তৃক ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতিকে মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার বালুইগাছা গ্রামের মোঃ আব্দুল মান্নানের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি ধুলিহর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি। প্রতিপক্ষ হওয়ায় ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানা বিভিন্ন ভাবে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। তিনি তার সাঙ্গপাঙ্গদের দিয়ে আমাকে আমাকে বিভিন্নভাবে মারধর ও হুমকি ধামকি দেয়ার পাশাপাশি আমাকে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দেয়ার ও পায়তার করে আসছেন।

তিনি আরো বলেন, ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি আমি হোটেল ব্যবসা করি। ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এমন একটি পোষ্ট গত ২৫ জুলাই সরদার বায়দুল্লাহ নামে আমার ফেইসবুক বন্ধু পোষ্ট দেয়। এরপর ২৬ জুলাই আবার একই বন্ধুর আইডি দিয়ে ‘ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানা আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে এখন ভাল ও সুস্থ্য আছে সবাই দোয়া করবেন’ এমন একটি পোষ্ট দেখতে পাই এবং আমি সেখানে দুর্ভাগ্য এমন একটি কমেন্ট করি। এই কমেন্ট করার কারনে ওই দিন সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যান বাবু সানার নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমার হোটেলে এসে আমাকে ডেকে বাইরে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। এসময় তারা আমার জীবননাশের হুমকি দেয়।

জাহাঙ্গীর আলম আরো বলেন, তাদের ভয়ে বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি ইউপি চেয়ারম্যান বাবু সানার দ্বারা নির্যাতনের শিকার। যে কোন সময় তারা আমাকে অপহরণ করে হত্যার পর লাশ গুম করে ফেলতে পারে বলে আমি শংকিত।
তিনি এঘটনায় ন্যায় বিচার দাবি করে ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৮ বছর বয়স হলেই কেন্দ্রে এনআইডি দেখিয়ে মিলবে টিকা

দেশের খবর : ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) টিকাদান কেন্দ্রে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্ড নিয়ে গেলেই টিকা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, টিকা আরও বেশি হাতে এলে তখন আমরা আরও নিচে যেতে পারবো। অর্থাৎ ওয়ার্ড পর্যায়ে আমরা চিন্তা ভাবনায় রেখেছি।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ‘কোভিড-১৯ প্রতিরোধকল্পে আরোপিত বিধিনিষেধের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধক টিকা প্রদান কার্যক্রম জোরদারকরণ’ বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবসহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা।

বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, টিকা দেওয়ার বিষয়ে আমরা বেশি জোড় দিচ্ছি। সে কারণে আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্র স্থাপন করছি। যেখান থেকে ইউনিয়নের সব লোকজন যারা টিকা নিতে চায় তারা ওখানে এসে টিকা নিতে পারবেন। এই সুবিধাটা আমরা করে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, এনআইডি কার্ড নিয়ে গেলেই টিকা দিতে পারবেন। আমরা চাচ্ছি যারা পঞ্চাশোর্ধ নারী এবং পুরুষ যারা বেশি সংক্রমিত হচ্ছে তারা ৭৫ শতাংশ ঢাকা শহরের হাসপাতালে আছেন এবং তারা টিকা নেয়নি তাই ৯০ শতাংশ। তাদের মধ্যেই মৃত্যুহার বেশি। সে কারণে ওই দিকে আমরা জোর দিচ্ছি। যারা পঞ্চাশোর্ধ আছেন তারা যেন ইউনিয়ন পর্যায়ে এসে টিকা নিতে পারেন। টিকা আরও বেশি যখ আসবে তখন আমরা আরও নিচে যেতে পারবো। অর্থাৎ ওয়ার্ড পর্যায়ে আমরা চিন্তা ভাবনায় রেখেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার প্রধান সড়ক গর্তে ভরা: সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

তালা প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন সংস্কার না করার কারণে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে তালা উপ-শহরের প্রধান সড়ক। রাস্তার অধিকাংশ স্থানে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিয়তই যানবাহন চালক, যাত্রীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হওয়া সত্বেও এ বেহাল অবস্থা যেন নজরে আসছেনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ জনপ্রতিনিধিদের। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। রাস্তাটি সংস্কার না হলে একেবারেই চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়বে বলে আশংকা করেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আঠরোমাইল ভায়া তালা টু পাইকগাছা-কয়রা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার রাস্তা একনেকে অনুমোদন হয়ে টেন্ডার হয়েছে। ৩৩৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দের কাজ পেয়েছেন মোজাহার এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করলেও চলছে ধীরগতিতে।

মঙ্গলবার সরজমিনে দেখা যায়, ৬০ কিঃমিঃ রাস্তাটি সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার বুক চিরে কপিলমুনি হয়ে পাইকগাছায় উঠেছে। দীর্ঘ সড়কের তালা উপজেলার তালা বাজার, গোনালী বাজার, শাহাপুর বাজারের শতাধিক স্থানে পিচের ঢালাই উঠে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র তালা বাজারের রাস্তাটির বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমছে। রাস্তার ছোট-বড় গর্তে উল্টে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। যাত্রীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রতিনিয়ত এই সড়কটি ব্যবহার করে দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চালের হাজার হাজার মানুষ। পাইকগাছা-কয়রা এলাকায় প্রবেশ করার একমাত্র সড়ক হওয়ার সত্বেও কর্তৃপক্ষ সড়কটি সংস্কারের কার্যকর কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না।

মীর জিল্লুর রহমান, আব্দুর রহমান, খায়রুল ইসলাম, শিমুল শীল, তীর্থ কুমারসহ অনেক পথচারীরা জানান, রাস্তাটি দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চালে এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র পথ হওয়ায় মহাদুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। শুকনো মৌসুমে কোন রকম চলাচল করা গেলেও দুর্ভোগে পড়তে হয় বর্ষা মৌসুমে। দিনে কিংবা রাতে চলাচলের সময় রাস্তার ছোট-বড় গর্তে উল্টে পড়ে ব্যাটারি চালিত ভ্যান, ভ্যানগাড়ি, মোটরসাইকেলসহ ছোটখাটো যানবাহন।

তারা আরও জানান, বর্তমানে এই রাস্তার অবস্থা খুবই নাজুক। রাস্তার মাঝে মাঝে পিচের কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ছোট-বড় গর্তে পানি জমে থাকায় ভোগান্তি চরমে পৌঁছেচে। তবুও রাস্তাটি সংস্কার করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তারা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
এ ব্যাপারে তালা উপজেলা প্রকৌশলী রথীন্দ্র নাথ হালদার জানান, ‘রাস্তাটি আমাদের অধীনে নয়। এটি রোডস এন্ড হাইওয়ের অধীন। তারা রাস্তাটির সংস্কার করতে পারবেন।’ তবে তালা বাজারের রাস্তাটির অবস্থা খুবই নাজুক বলে স্বীকার করেন তিনি।
রোডস এন্ড হাইওয়ে খুলনা জোনের এডিশনাল চিফ ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আসলাম আলী জানান, সড়কের বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ২৫৮ মৃত্যু

দেশের খবর : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৫৮ জন, যা দেশে করোনা মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে একদিনে এত মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ। গতকাল ২৪৭ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। গতকাল পর্যন্ত এটাই ছিল সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৫৮ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ১৯ হাজার ৭৭৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৯২৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে শনাক্ত হলেন ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ৪৩৯ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হলেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৪১৪ জন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ, আর দেশে এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার এক দশমিক ৬৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষার রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫২ হাজার ৪৭৮ টি। আর নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৫৫ হাজার ১৫৯টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা করা পরীক্ষা হয়েছে ৭৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭১১টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৫৫ হাজার ২০১টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ২০ লাখ তিন হাজার ৫১০টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest