সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

১০ জনের দল নিয়ে কষ্টার্জিত জয়ে সেমিফাইনালে ব্রাজিল

খেলার খবর : দশজন নিয়ে খেলেও কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে উঠেছে ব্রাজিল। শনিবার (৩ জুলাই) সকালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে তারা ১-০ গোলে হারিয়েছে চিলিকে।

প্রথমার্ধে গড়পড়তা খেলার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দারুণ এক গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু গোল উদযাপনের রেশ না কাটতেই মারাত্মক ফাউল করে লাল কার্ড দেখে দলকে বিপদে ফেলেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস।

ম্যাচের অর্ধেকটা সময় ১০ জন নিয়ে খেলেও ওই গোল ধরে রাখতে পেরেছে তিতের শিষ্যরা। দলের জয়ে একমাত্র গোলটি করেন লুকাস পাকুয়েতা।

মঙ্গলবার সেমিতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ পেরু। প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে তারা প্যারাগুয়েকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারায়।

ম্যাচের বেশিরভাগ উল্লেখযোগ্য ঘটনা দ্বিতীয়ার্ধে। ৪৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার পর ৪৮ মিনিটে ব্রাজিল পরিণত হয় ১০ জনের দলে। তবে চিলির আক্রমণ সয়ে বাকিটা সময়েও সুযোগ তৈরি করতে পারে শিরোপা প্রত্যাশীরা। শেষ পর্যন্ত গোল ধরে রেখে জেসুসের ভুলকে গলার কাঁটা হতে দেয়নি পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

খেলার শুরুতেই আক্রমণ পেতে থাকে চিলি। ১০ মিনিটে তৈরি হয় বলার মতো সুযোগ।

মৌরিসিও ইসলা কাছ থেকে বল পেয়ে এডুয়ার্ড ভার্গাস কাজে লাগাতে পারেননি। তার শট যায় ব্রাজিলের গোলরক্ষক এডারসনের হাতে।

৫ মিনিট পর প্রতি আক্রমণ থেকে সুযোগ আসে ব্রাজিলের। চিলির ডিফেন্ডার ফ্রান্সিস্কো সিয়েরালতা ভুলে বল পেয়ে গিয়েছিলেন রিচার্লিশন। কিন্তু তার দূরপাল্লার শট আটকে যায় ক্লাদিও ব্র্যাভোর গ্লাভসে।

২২ মিনিটে দারুণ সুযোগ আসে ব্রাজিলের। কিন্তু নেইমারের ক্রস থেকে বল পেয়ে ভলিতে বাইরে মারেন রবার্তো ফিরমিনো।

২৭ মিনিটে ব্রাজিলের আক্রমণ প্রতিহত করার পর ক্ষিপ্র প্রতি আক্রমণে যায় চিলি। ব্রাজিল ডিফেন্সের ভুলে বেশ ভালো সুযোগ এসেছিল তাদের সামনে। কিন্তু এডারসনকে একা পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ভার্গাস। তার শট ঠেকিয়ে দেন এডারসন।

৩২ মিনিটে চিলি ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে বাইরে মারেন দানিলো। দুই মিনিট পর ইউজেনিও মেনার ক্রস থেকে গোলের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি চিলি।

বিরতির আগে সেরা সুযোগ পেয়েছি জেসুস। নেইমার দারুণ এক বল বানিয়ে দিয়েছিলেন তাকে। ডিফেন্স চেরা সেই পাস ধরে কেবল গোলরক্ষক সামনে ছিলেন জেসুসের। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড ব্র্যাভোকে পরাস্ত করতে পারেননি।

বিরতি থেকে ফিরেই গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল। ফিরমিনোর জায়গায় বদলি নেমেই বাজিমাত করেন পাকুয়েতা। বা দিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণ ধীরে ধীরে যায় বক্সের দিকে। ফ্রেডের কাছ থেকে বল পেয়ে নেইমার দেন পাকুয়েতাকে। পাকুয়েতা ফের বল নেইমারের পায়ে দিয়ে বক্সে ঢুকেন। নেইমারের আবার বাড়ানো বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় জালে জড়ান তিনি।

গোল উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই এক মিনিট পরই বিশাল ধাক্কা খায় ব্রাজিল। গোল করতে ব্যর্থ জেসুস ডোবান দলকে। মারাত্মক ফাউল করে সরাসরি দেখেন লাল কার্ড। খেলার প্রায় অর্ধেক বাকি থাকতে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা।

৬০ মিনিটে সেটপিস থেকে বল জাড়ে জড়িয়েছিল চিলি। কিন্তু অফ সাইডের কারণে বেঁচে যায় ব্রাজিল। মিনিট ছয়েক পর মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ছুটে দারুণ সুযোগ তৈরি করে ছিলেন নেইমার। বক্সে ঢুকে তার নেওয়া শট অসাধারণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন ব্র্যাভো।

৬৯ মিনিটে মেনার ক্রস থেকে গোল পেতেই পারতেন বেন বেরেটন। তার হেড এডারসনের গ্লাভস ছুঁয়ে গিয়ে লাগে বারে। পরের মিনিটেই প্রতি আক্রমণ থেকে সুযোগ তৈরি করেছিলেন নেইমার। তার পাস থেকে দানিলো মারেন ব্র্যাভোর হাতে।

৭৮ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে ভার্গেসের নেওয়া জোরালো গতির শট ঠেকিয়ে দেন এডারসন। ম্যাচের বাকিটা সময় রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে ব্রাজিলকে। মাঝেমধ্যে মিলেছে প্রতি আক্রমণের সুযোগ। বেশিরভাগ সময় রিচার্লিসন ও নেইমারের তৈরি করা সুযোগ গিয়ে থেমেছে চিলির বক্সের।

ম্যাচে ফিরতে মরিয়া চিলি চাপ বাড়িয়েও লাভ করতে পারেনি। রক্ষণ শক্ত করে রাখা ব্রাজিল দাঁতে দাঁত চেপে ঠেকিয়ে দেয় ম্যাচের বাকিটা সময়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারা দেশে আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাস

অনলাইন ডেস্ক : আগামী তিনদিনে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা এবং পার্বত্য অঞ্চলের প্রধান নদ ও নদীগুলোর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কিছু স্থানে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও ভারত আবহাওয়া অধিদপ্তরের গাণিতিক মডেলের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং এর কাছাকাছি ভারতের হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকা এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য অববাহিকার প্রধান সব নদ ও নদীর পানি সমতল সময় বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কিছু স্থানে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, অপরদিকে যমুনা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। উভয় নদ ও নদীর পানি সমতল আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

অন্যদিকে, গঙ্গা নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে পদ্মা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

সুরমা ছাড়া দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ ও নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে যা আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে নরসিংদীতে ১৪১ মিলিমিটার, খুলনায় ১২৫ মিলিমিটার, ভৈরববাজারে ১১ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১১০ মিলিমিটার, পঞ্চগড়ে ৯৫ মিলিমিটার, বরিশালে ৯৫ মিলিমিটার, চাঁদপুরে ৭৮ মিলিমিটার, নোয়াখালীতে ৭৭ মিলিমিটার, পাবনায় ৭৩ মিলিমিটার, নওগাঁয় ৬৮ মিলিমিটার, কুষ্টিয়ায় ৬৩ মিলিমিটার এবং ঠাকুরগাঁওয়ে ৬১ মিলিমিটার।

দেশের ১০১টি পর্যবেক্ষণাধীন পানি সমতল স্টেশনগুলোর ১০১টির মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৩টির, হ্রাস পেয়েছে ৩৭টির এবং ডাটা সংগ্রহ শুরু হয়নি একটির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার উত্তর বড়দলে বজ্রপাতে এক ইটভাটা শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে চাঁদখালি খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় মৎস্য ঘেরের বেড়ীবাধে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, উত্তর বড়দল গ্রামের আমজাদ শেখ এর ছেলে আব্দুল কাদের (৩৬) ইটভাটায় কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিল। এসময় চাঁদখালি খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় মৎস্য ঘেরের বেড়ীবাধের উপর পৌছালে হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাত ৯ টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার যাত্রা শুরু করলো নক্ষত্র ফাউন্ডেশন 

কলারোয়া প্রতিনিধি: ইতিবাচক চিন্তায় পথ চলি, সুন্দর একটি সমাজ গড়ি। এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করলো নক্ষত্র ফাউন্ডেশন। এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কলারোয়া ইতিবাচক চিন্তাসম্পন্ন দুই তরুণ মোঃ একরামুল ইসলাম এবং শেখ আবির আহম্মেদ। লকডাউনজনিত জটিলতায় ১ জুলাই ২০২১ তারিখে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সংগঠনটি উদ্বোধন করা হয়। সংগঠনটি সমাজের বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু সেক্টর নিয়ে কাজ করতে চায়।তাদের সংগঠনের বিশেষ নজর থাকবে আমাদের সমাজে যারা অন্যের কাছে হাত পাততে পারে না তবে, ক্ষুধা ও অর্থ যন্ত্রনায় ঘরের মধ্যে গুমরে মরে।

এসব মানুষজনদেরকে চিহ্নিত করে গোপনে তাদের বাড়িতে নক্ষত্র ফাউন্ডেশন আর্থিক সহোযগিতা প্রদান কোরবে এছাড়াও বৃক্ষ রোপন,উগ্রবাদ বিরোধী ক্যাম্পেইন,মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন, অসহায় শীক্ষার্থীদেরকে অর্থ সহায়তা প্রদান, স্বেচ্ছায় রক্ত দান ইত্যাদি সহ তাদের সাধ্য মতো সমাজের জন্য উন্নয়নমূলক যত কাজ রয়েছে তারা সেগুলি করার চেষ্টা কোরবে। তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয় একরামুল ও আবির এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ এই সংগঠনের প্রাণ।

একরামুল ও আবিরের পরেই নাজমুস শাওন, রুবায়েত হোসেন রুবেল, মুস্তাকিম আহম্মেদ, জি এম আলী তারা একরামুল এবং আবির সার্বিক সহোযগিতা কোরবে। এছাড়াও সংগঠনের সদস্য হিসেবে রয়েছে সানজিদ রায়হান মাহী, মোঃ আজমীর হোসেন, ফারুক রাজ, রাজু রায়হান, আহম্মেদ শুভ, মুজাহিদুল ইসলাম,জি এম আশিক, নাইফুর রহমান, ফুয়াদ আল আবরার,আতহার নূর,মোঃ সনোন, সাইফুল মালিক,জাকির হোসেন, শাহরিয়ার আকাশ, মোঃ শামীম হোসেন, তানভীর তারেক, সজীব হোসেন, সুমন হোসেন,নাঈম হাসান শাওন, জাহিদ হাসান অপু, শিশির আহম্মেদ, ফারুক হোসেন প্রমুখ। তারা সবাই ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে, সুন্দর একটি সমাজ গঠনের জন্য তারা প্রতিজ্ঞবদ্ধ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরে দিনে দুপুরে চুরির উদ্দেশ্যে ছাগল জবাই: মালিককে ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা

আজিজুল ইসলাম:- সদর উপজেলার ধুলিহরে দিনে দুপুরে মাঠে ঘাস খাওয়ার সময় চুরির উদ্দেশ্যে ছাগল জবাই করে কয়েকটি খণ্ড করে বস্তা বন্ধী করার সময় ছাগল মালিক দেখতে পাওয়ায় তাকে ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানা করার উদ্দেশ্যে সাবেক সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের কর্মকর্তা এস,এম, মাহবুবুর রহমান কিছু জায়গা পাকা প্রাচীর দিয়ে সীমানা করে দীর্ঘ দিন ফেলে রেখেছে।

আর এই সীমানার মধ্যে ঘাস ও অন্যান্য লতাপাতা থাকায় সানাপাড়া গ্রামের মৃত বরকত উল্লাহর পুত্র মোঃ আব্দুল খালেক তার পোষা ৮টি বড় আকৃতির ছাগল ও অন্যান্যদের মিলে বেশ কয়েকটি ছাগল ঘাস খাওয়ানোর জন্য ছেড়ে দিয়ে রাখে। আজ (২ জুলাই) শুক্রবার প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে জুম্মার নামাজের সময় সকলে যখন মসজিদে নামাজ পড়াই ব্যস্ত ছিল সেই সুযোগে একই গ্রামের মমিনুর রহমানের পুত্র একাধিক চুরি, ছিনতাই, মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মের হোতা হাসানুর রহমান(২৫) ঐ প্রাচীরের মধ্যে ঢুকে চরানো ছাগল থেকে আনুমানিক ১৮ হাজার টাকা মুল্যের ১টি খাসি ছাগল চুরির করার উদ্দেশ্যে জবাই করে কয়েকটি খণ্ড করে।

এ সময় ছাগলের মালিক আঃ খালেক বৃষ্টিতে ছাগলগুলো কষ্ট পাচ্ছে ভেবে ঐ প্রাচীরের মধ্যে ঢুকে দেখে হাসানুর জবাই করা ছাগলের খণ্ডগুলো বস্তা বন্ধী করছে। ঘটনাটি দেখে সে চিৎকার দিলে হাসানুর ছাগল মালিককে হত্যা করার জন্য তার হাতে থাকা ছাগল কাটা ছুরি পেটে মারার চেষ্টা করে। এসময় তার চিৎকারে পুত্র অলিউর রহমান ছুটে এলে হাসানুর পালিয়ে যায়। দিনে দুপুরে হাসানুরের কাণ্ড দেখে এলাকার সর্বত্র জনগণ অবাক। সকলের মুখে একই কথা, যে ব্যক্তি দিনে দুপুরে ছাগল কাটতে পারে। সেতো মানুষ খুন করতে পারে। দিন দিন তার অপকর্মের মাত্রা বেড়েই চলেছে। তার অপরাধের মাত্রা এতটাই বেড়ে গেছে যে, স্থানীয়রা তাকে হাতে নাতে শাস্তি দেওয়ার জন্য বাঁশের লাঠি নিয়ে এলাকার অলিতে, গলিতে খুঁজতে থাকে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু জানান, আপনারা যে হাসানুরকে ধরে দিতে পারবেন তাকে পুরষ্কার দেবো। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আছে। সর্বশেষ ছাগল মালিককে থানায় একটি অভিযোগ করতে বলেন। ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির এ,এস,আই মোঃ আজিম উদ্দিন তার কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ঘটনাটি সরেজমিনে দেখেছেন বলে স্তানীয়রা জানান। তাই এলাকার সর্ব স্থরের জনগণ হাসানুরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিধিনিষেধ অমান্য করে রাস্তায় বেরিয়ে রাতভর হাজতবাস, মামলা ও জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক : ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ প্রথমদিনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বাইরে বের হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) হাতে গ্রেপ্তার ৬১৭ ব্যক্তিকে বিভিন্ন অংকের জরিমানা করেছেন আদালত। সে জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে থাকতে হবে কারাগারে।

শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী ও শহিদুল ইসলামের দুই আদালত এই আদেশ দেন।

ঢাকার ৯ নম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী জনি খন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে ২৩৮ জনকে ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালতে ৩৭৯ জনকে হাজির করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাতে তারা থানাহাজতে ছিলেন।

জনি খন্দকার আরও বলেন, গ্রেপ্তার ৬১৭ জনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করেন। এ ছাড়া জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে এবং একদিনের জন্য সেখানে থাকতে হবে বিচারক আদেশে বলেছেন। অপরদিকে জরিমানার টাকা পরিশোধ করলে আজই আদালতের হাজতখানা থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

গতকাল দিনভর অভিযানে লকডাউনে সরকার নির্দেশিত বিধিনিষেধ মানাতে রাজধানীজুড়ে দিনভর চেকপোস্ট, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও টহল পরিচালনা করা হয়। সারা দিনে বিনা কারণে ঘর থেকে বের হয়ে পুলিশের হাতে গ্রপ্তার হয় অনেকে। এ ছাড়া বিধিনিষেধ অমান্যের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আরও ২১২ জনকে জরিমানা করা হয়।

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা দেশে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সাত দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠপ্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা থেকে এ ব্যাপারে ২১ দফা বিধিনিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে এবং শিল্প কারখানা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। উন্মুক্ত স্থানে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাঁচা বাজার ও নিত্যপণ্য কেনাবেচা করা যাবে।

এ ছাড়া শপিংমল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধের পাশাপাশি সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে বিধিনিষেধ কার্যকরে সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

২১ দফা নির্দেশনায় বলা হয়েছে-

১. সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সকল প্রকার যাচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. জনসমাবেশ হয় এ ধরণের সামাজিক (বিবাহোত্তর ওয়ালিমা অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৬. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৭. ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি।

৮. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ, বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র দেখিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।

৯. পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ড ভ্যান/কার্গো ভেসেল নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১০. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত।

১১. শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।

১২. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেচাকেনা করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৩. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৫. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে।

১৬. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট দেখিয়ে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

১৭. স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

১৮. ‘আর্মি ইন এইড টু সিডিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

১৯. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তাঁর পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : আগামী কয়েক মাসের মধ্যে করোনার প্রধান ধরন হবে ‘ডেলটা’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে এ তথ্য দিয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে করোনার ‘ডেলটা’ ধরন শনাক্ত হয়েছে। এটি করোনার একটি অতি সংক্রামক ধরন। তবে করোনা মহামারি মোকাবিলায় যেসব হাতিয়ার এখন পর্যন্ত বিশ্বে বিদ্যমান রয়েছে, সেগুলোই ডেলটার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কার্যকর বলেও জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

বিশ্বে ডেলটা ধরনের সংক্রমণ বাড়ছে, তাই সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলো দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত রাখার দরকার পড়তে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি। ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস গত সপ্তাহে বলেন, এখন পর্যন্ত শনাক্ত করোনার ধরনগুলোর মধ্যে ডেলটা সবচেয়ে সংক্রামক। যারা টিকা নেয়নি এমন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডেলটা ধরন দ্রুত ছড়াচ্ছে। গেব্রেয়াসুস বলেছিলেন, ‘ডেলটা নিয়ে বিশ্বে বর্তমানে অনেক উদ্বেগ রয়েছে। এ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও উদ্বিগ্ন।’

করোনার ডেলটা ধরনকে শুরুতে ভারতীয় ধরনই বলা হতো। পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পক্ষ থেকে এই ধরনটির নতুন নাম দেওয়া হয় ‘ডেলটা ভেরিয়েন্ট’। ধরনটির বৈজ্ঞানিক নাম (বি.১. ৬১৭)। গত মে মাসে করোনার ডেলটা ধরনকে ‘উদ্বেগজনক ধরন’ হিসেবেও তালিকাভুক্ত করে ডব্লিউএইচও।

৮ মে জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটায় (জিআইএসএআইডি) বাংলাদেশে করোনার এই ধরন শনাক্তের খবর দেওয়া হয়। সম্প্রতি সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, দেশে দুই মাসে করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের নমুনা পরীক্ষা করে ৮০ শতাংশের শরীরে ডেলটা ধরন পাওয়া গেছে। সূত্র: এনডিটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : দেশে মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে আরও ১৩২ জনের প্রাণ। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪ হাজার ৭৭৮ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আট হাজার ৪৮৩ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল নয় লাখ ৩০ হাজার ৪২ জনে।

শুক্রবার (২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest