সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে শ্যামনগরে আনন্দ মিছিল

শ্যামনগর প্রতিনিধি : নতুন অর্থ বছরের (২০২১-২২) জন্য প্রস্তাবিত বাজেটকে জনবান্ধব আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জগলুল হায়দারের পক্ষ থেকে শ্যামনগরে আনন্দ মিছিল হয়েছে।
শুক্রবার বেলা চারটায় উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সায়েদ বিন হায়দার রাজিবের নেতৃতে উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী সমর্থকদের অংশগ্রহনে মিছিলটি শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।
মিছিল শেষে উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী সমর্থকরা বাজেটকে স্বাগত এবং প্রধানমন্ত্রীকে শুভ্চ্ছো জানিয়ে নকিপুর চৌরাস্তায় সংক্ষিপ্ত পথসভা করে। এমন সময় সায়েদ বিন হায়দার রাজিবের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরদার হাফিজুর রহমান, জিএম রহমত আলী, মাহবুবুর রহমান, কবির হোসেন, মিলন, আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
উল্লেখ্য গত ৪ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬শত ৮১ কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে উš’াপন করেন। এবারের প্রস্তাবিক বাজেটকে উন্য়নমুখী আখ্যা দিয়ে তা বাস্তবায়নের আহবান জানানো হয় পথসভায়।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমাদের মহান নেতা শেখ মুজিবের পক্ষে জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেন : গয়েশ্বর

রাজনীতির খবর : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জিয়াউর রহমানের রাজনীতি কর্মনির্ভর। আর যারা জিয়াউর রহমানকে অপছন্দ করেন তাদের রাজনীতি হলো ভাষণনির্ভর। অনেকের কথা বেশি। জিয়াউর রহমান কথা কম বলতেন, কাজ বেশি করতেন। তিনি অচল অবস্থা থেকে জাতিকে সচল করেছেন। তার প্রতি সবার কৃতজ্ঞতা থাকা উচিত।

শুক্রবার (৪ জুন) বিকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেছেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমি জিয়ার কথাই বলবো। একবার বলবো, বারবার বলবো। আমি জিয়ার পথেই চলবো এবং জিয়ার কথাই বলবো। আমাদের এই রাষ্ট্রীয় জীবনে জিয়াউর রহমান আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়েছিলেন জাতির ক্রন্তিলগ্নে। ব্যাংক বীমা, শিল্প কল-কারখানা এবং কৃষি বিপ্লব অর্থাৎ বহুমুখি কর্মপন্থা নিয়ে ১৯ দফার ভিত্তিতে তিনি তার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বাংলাদেশে প্রথম তিনিই একমাত্র সরসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।

গয়েশ্বর আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমানই প্রথম নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। প্রশ্ন আসতে পারে তিনি রাষ্ট্রপতি কেন। যেহেতু তিনি সেনা বিদ্রোহ করেছেন এবং সেনা বিদ্রোহের মধ্যে দিয়ে স্বাধীন বাংলার শব্দটি উচ্চারণ করেছেন, জনগণকে অবহিত করেছেন তাহলে তো একটি সরকার দরকার। সেই কারণেই তিনি তখন নিজেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা দেন।

স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরো বলেন, পরবর্তীতে তিনি তা সংশোধন করেন। কিন্তু তিনি রাষ্ট্রপতি নন একথা বলেননি। তিনি বলেছিলেন আমি মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা দিচ্ছি। কার? অর্থাৎ আমাদের মহান নেতা শেখ মুজিবের পক্ষে তার অবর্তমানে। তিনি কিন্তু বলেননি শেখ মুজিবের নির্দেশে। সে কারণেই আজকে যারা নাকি বলে বেতারের মাধ্যমে অথবা চিরকুটের মাধ্যমে কে বা কারা, যিনি দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। তার জীবদ্দশায় তিনি একথা কখনও বলেননি, দাবিও করেননি। আজকে যারা এটি করতে চায় জিয়াউর রহমানকে বাদ দিয়ে অন্যকে প্রতিষ্ঠিত করে, ইতিহাসকে মুছে ফেলতে চায় তারা একটি ভুল কাজে হাত দিয়েছেন। বরং জিয়াউর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকা উচিত।

ঢাকা জেলা, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এই সভা হয়। তবে এই সভার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে গ্রুপিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যে কারণে তারা সভার বিষয়ে জেলার আহ্বায়ক কমিটির কয়েকজন সদস্যকে জানাননি।

জানতে চাইলে জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহমুদুর রহমান সুমন বলেন, সভা সম্পর্কে আমাকে জানানো হয়নি। কেনো জানানো হয়নি জানি না। অন্য মাধ্যমে সভা হওয়ার কথা জানতে পেরে জেলার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, পায়নি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন- চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টিকার দাম জানানোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করে চীনকে বাংলাদেশের চিঠি

দেশের খবর : বারণ করা সত্ত্বেও চীনের সিনোফার্মের টিকার দাম জানাজানি হওয়ায় বাংলাদেশকে এখন সেই টিকা পাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় দুঃখ প্রকাশ করে চীনকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ।

বেইজিংকে দেওয়া চিঠিতে টিকার দাম জানাজানি অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে উল্লেখ করে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে ঢাকা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, টিকার দাম গণমাধ্যমে আসার কারণে প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী ১০ ডলারে টিকা পাওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমরা বেইজিংকে এ বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছি। এতে বেইজিংয়ের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে টিকার দাম প্রকাশ করা হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

করোনা প্রতিরোধে চীনের সিনোফার্মের দেড় কোটি ডোজ কিনছে বাংলাদেশ। মন্ত্রিপরিষদের ভ্যাকসিন ক্রয় কমিটি চীনের এই ভ্যাকসিন কেনার অনুমোদন দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে চীনা ভ্যাকসিন কেনার বিষয়টি অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে প্রতি চালানে ৫০ লাখ করে তিন ধাপে দেড় কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার কথা হয় চীনের সঙ্গে। এই টিকার ডোজপ্রতি দাম ধরা হয়েছিল ১০ ডলার। বাংলাদেশের কাছ থেকে টিকার চাহিদাপত্র পাওয়ার পর বাণিজ্যিক স্বার্থে টিকার দাম যেন কোনোভাবে প্রকাশ করা না হয়, সেটি বলে দেয় চীন।

কিন্তু গত ২৭ মে চীনের কাছ থেকে দেড় কোটি টিকা কেনার প্রস্তাব সরকারের ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দেওয়ার পর বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আকতার সাংবাদিকদের টিকার দাম বলে দেন। তিনি বলেন, চীন থেকে ৫০ লাখ করে তিন ধাপে দেড় কোটি ডোজ টিকা আনা হবে। প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১০ ডলার। সে হিসাবে ১ হাজার ২৬৭ কোটি টাকা খরচ হবে।

চুক্তি হওয়ার আগেই এই দাম গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় চীন। এ কারণে ১০ ডলারে টিকা পাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি মীমাংসা ও দ্রুত টিকা পাওয়া নিশ্চিত করতে চীনকে চিঠি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও চিঠির জবাব এখনো দেয়নি চীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় লাইসেন্স পাওয়া জ¦ীনের বাদশার আবির্ভাব !

তালা প্রতিনিধি : অশ্লীল অঙ্গ-ভাঙ্গি আর শারিরীক কসরতের পর রোগীর অতীত-ভবিষ্যৎ বাণীতে বাঘের মত গর্জনে কাপিয়ে তুলছেন কক্ষ, ভীত-তটস্থ্য রোগীকে চড়-থাপ্পড় মারছেন। জ¦ীনের বাদশা মুন্নার মাঝে এখন জ¦ীনের অবস্থান, তাই অদৃশ্য শক্তি-বলে পাকা বিল্ডিং আঘাত হানছেন বারবার। রোগী ছাড়া অন্য কেউ কক্ষে ঢুকলেই গ্রাস করার উপক্রম জ¦ীনের বাদশার! মুসকিলে আহসানে আগত বাড়ীর আঙ্গিনায় শতাধীক মানুষের অধীকাংশই নারী। ভীড় সামলাচ্ছেন ৩/৪ জন কর্মচারী। আগতদের কেউ কঠিন রোগগ্রস্থ্য, কারো সংসারে অশান্তি, জ¦ীনের মাধ্যমে নাকি ক্যান্সারের মত রোগও ভালো হয় শুনে এসেছেন শত শত মানুষ। কথিত জ¦ীনের বাদশা মুন্নারাজের নাকি জ¦ীন ভারণ ও তৎবির -তাগাদা করার লাইসেন্স দিয়েছে সরকার, তাই দুর-দুরান্ত থেকে শেষ চিকিৎসায় আশায় লোকজন এসেছেন তার আস্তানায়।

সরেজমিনে,তালা উপজেলার জালালপুর গ্রামে শেখ শওকত আলীর পুত্র আজব জিনের বাদশা মোহাম্মদ মুন্না ওরফে মুন্নারাজ খান (৪০), এর আস্থানায় গিয়ে এসকল দৃশ্য চোখে পড়ে। মুন্নারাজ জানায়, তার লাইসেন্স আছে। কিসের লাইসেন্স জানতে চাইলে, বিশাল এক প্যানা ব্যানার দেখিয়ে হুংকার দিয়ে মুন্না বেশ কয়েকজন বড় বড় সরকারী কর্মকর্তা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতার নাম জানায়, তারাও নাকি সমস্যা নিয়ে তার কাছে আসে । মুন্নাকে প্রশ্ন করতেই হুংকার ছেড়ে বলে, সরকার আমাকে লাইসেন্স দিয়েছে, এখন তোরা চলে যা নইলে জ¦ীন তোদের ক্ষতি করবে। জ¦ীনের বাদশা মুন্না দিনভর ব্যাস্ত জ¦ীন ভারণে, তাই সাংবাদিকদের সাথেও কথা বলার সময় নাই । কথিত জ¦ীনের বাদশা মুন্না রাজের পিতা শেখ শওকত আলী জানান, তার ছেলের লাইসেন্স আছে। বলে বাড়ীর সামনে টানানো বিশাল একটি প্যানা ব্যানার দেখান তারা,তাতে নিবন্ধন নম্বর সম্বলিত সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে দেওয়া অনুমতির কপি পেষ্ট। তাতে আপদ-মস্তক কিছুই বোঝার উপায় নেই। এ সময় রোগীদের কে দেওয়া সরকারী লগো সম্বলিত একটি ভিজিটিং কার্ড খোন তারা।

এলাকাবাসী জানায়, এটাও তার প্রতারণা, সমাজসেবার নামে জ¦ীন ভারনের প্রতারণা করছে মুন্না। এলাকবাসী আরও জানায়, কথিত জিনের বাদশা মুন্নারাজের “আল্লাহর দান” নামে জিনের বাদশা’র আস্তানা খুলে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার দায়ে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ভ্রাম্যমান আদালতের ২ মাসের কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। জেল থেকে বেরিয়ে, সেই প্রতারনার ব্যবসা করতে ২০১৭ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে একটি রজেষ্ট্রিশন করিয়ে ছিলেন সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য। তারপর আর আদৌ নবায়ন করার সময় হয়ে ওঠেনি।

তালা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুমনা শারমিন জানান, আমরা তো কবিরাজি বা জ¦ীন ভারণের অনুমতি দিতে পারি না। যদি সে এমনটি করে, তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রাজির সরদার জানান, ডিজিটাল যুগে জ¦ীনের দ্বারা চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষ ঠকানো ছাড়া আর হতে পারে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করে ব্যবস্থা নিবো।

তালা ওসি মেহেদী রাসেল জানান, প্রতারণার দায়ে তাকে আগেও গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেল দেওয়া হয়, সে আবার এমনটি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় কীটনাশক পানে যুবকের আত্মহত্যা

তালা প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা তালায় বিষাক্ত কীটনাশক পান করে মোঃ সোহেল শেখ (৩৫) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের মাছিয়াড়া গ্রামে মোঃ করিম শেখের ছেলে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) রাতে মাছিয়াড়া গ্রামের নিজ ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোন এক সময় বিষাক্ত কীটনাশক পান করে সোহেল শেখ ঘরের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ভোর রাতে বিষয়টি তারা বুঝতে পারে। তিনি বেশ কিছুদিন হতাশায় ভূগছিল বলে জানা গেছে। তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুরু হয়েছে। এতে হিলি খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ার পর দাম কমেছে কেজিতে ৮ টাকা। গত বৃহস্পতিবার খুচরা বাজারে যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, শুক্রবার বিক্রি করা হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে।

হিলি বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হওয়াতে দাম কমেছে কেজিতে ৮ টাকা। আমরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে ৪৬-৪৭ টাকায় কিনে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি’।

একমাস বন্ধ থাকার পর ইম্পোর্ট পারমিট (আইপি) পাওয়ায় আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহ পর পেয়াজের দাম আরো কমে আসবে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাল থেকে সাতক্ষীরায় ৭ দিনের লকডাউন, সঙ্কটে নিম্মআয়ের মানুষ

আসাদুজ্জামান : করোনার উর্দ্ধগতি ঠেকাতে সাতক্ষীরায় শনিবার (৫ জুন) ভোর ৬ টা থেকে সপ্তাহব্যাপী লক ডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এদিকে, লকডাউন ঘোষণার খবরে নিম্ম আয়ের মানুষ গুলো হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। কিভাবে তাদের সংসার চলবে তা নিয়ে তাদের দূশ্চিন্তার অন্ত নেই। তাদের দাবি, করোনা কালীন সময়ে গরীব ও দুস্থ মানুষের সাহায়তায় সরকার যেন তাদের কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন।
এদিকে, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল বলেন, নিম্ম আয়ের মানুষ যাতে কষ্টে না থাকে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তার দেয়া হবে। কোন মানুষ না খেয়ে থাকেব না। গরীব ও দুস্থ মানুষের বিষয়টি আমরা ভেবেছি।

জেলা প্রশাস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোর ৬ টা থেকে সপ্তাহ ব্যাপী লকডাউন শুরু হবে। লকডাউন চলাকালীস সময়ে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত কাঁচাবাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট খোলা থাকবে। তবে দূরপাল্লার সকল যাত্রিবাহীবাসসহ মোটরসাইকেল, ভ্যান,বিক্য্রা, নছিমন, করিমনসহ জেলার অভ্যন্তরিন সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ জরুরি পরিসেবা লক ডাউনের আওতার বাইরে থাকবে।

তবে, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম চালু থাকলেও বন্দরে সবধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। বন্দর এলাকায় ভারতীয় ট্রাকড্রাইভার, হেলপারসহ সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে। না মানলে জরিমানা করা হবে। ব্যাংক বিমা খোলা থাকবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছুই চলবে। মাস্ক না পরলে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে যাতে ভারতে অবৈধ ভাবে কেউ যাতায়াত করতে না পারেন।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা: হুসাইন সাফায়াত বলেন, বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলায় করোনা সংক্রমনের হার ৫৩ ভাগ। দিন দিন পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা সদর, কালিগঞ্জ ও কলারোয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি করোনা রোগি সনাক্ত হয়েছে। ঘরে ঘরে মানুষের জ¦র, সর্দি, কাশিসহ করোনা উপসর্গ দেখা দিয়েছে। ফলে জেলা ব্যাপী লকডাউন ঘোষণা ছাড়া এটি নিয়ন্ত্রন করা কোন অবস্থায় সম্ভব নয়।

আগামী ১২ জুন জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় করোনা পরিস্থিতি পর্যালচনা করে লকডাউন বাড়বে কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৯৩ জনের করোনা পরীক্ষা শেষে আবারও ৫০ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

এনিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭৪৮ জন। এছাড়া ভারাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মোট ৪৭ জন। আর উপসর্গ নিয়ে জেলায় মারা গেছেন আরো অন্ততঃ দুই শতাধিক মানুষ।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে সাতক্ষীরায় উদ্বেজনক হারে করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাসপাতাল গুলোতে যা বেড রয়েছে তার চেয়ে বেশী করোনা রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর ফলে তাদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তিনি এ সময় করোনা সংক্রমনরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।

এদিকে, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার ভোর রাতে করোনার উপসর্গনিয়ে মারা গেছেন এক নারী। মৃত ওই নারীর নাম সেলিনা খাতুন (৪৫)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আব্দুস সাত্তার গাজীর স্ত্রী। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, করোনার উপসর্গ নিয়ে ওই নারী গত ২৮ মে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাত আড়াইটার দিকে তিনি মারা যান। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে স্বাস্থবিধি মেনে তার মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest