সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

বিশ্বকবির স্তম্ভ ভানুসিংহের পদাবলী- অরবিন্দ মৃধা।

সাধারণ অর্থে বৈষ্ণব পদাবলি অবলম্বনে  কৌতুহলের বসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  রচিত ‘পদ’গুলিকে “ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ” বলা হয়।

পদ গুলিতে যুগের প্রচলিত ধারায় রাধাকৃষ্ণের প্রেম বিরহ,মানাভিমানের নানা গভীর তত্ত্বের অবতারণা করেছেন বালক কবি ভানুসিংহ ঠাকুর।

ছন্দ মিলিয়ে কবিতা লিখলে মানুষের কাছে বড়কিছু হওয়া যায় বা মর্যদা পাওয়া যায় এমন সুপ্ত বাসনা থেকেই কবির এরূপ প্রয়াস! আরো ছোটকালে “জল পড়ে, পাতা নড়ে” “আমসত্ব দুধে ফেলি তাহাতে কদলি ডলি”,,,এ জাতীয় বহু শব্দমালা  গাঁথা থেকে তাঁর লেখার সুত্রপাত।

ছোট বেলায় পদাবলি ধাঁচে কাঁচা হাতে লেখা তাঁর পদগুলি বহুকার পরে প্রকাশ পায়। সংকোচের কারণে পদকর্তা নিজেই নিজকে ‘ভানুসিংহ ঠাকুর ‘হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম।

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে সে কালের পদাবলি সাহিত্য রস ও ভাবের বিশেষ সীমানা দ্বারা বেষ্টিত। সেই সীমাবদ্ধতা অর্থাৎ বৈষ্ণব পদাবলীর গণ্ডির মধ্যে তাঁর লেখনি আবদ্ধ ছিলনা; বরং পদগুলি পদকর্তার ইচ্ছা অনুযায়ী সৃষ্টি হয়েছিল। এ কারণে রবীন্দ্রনাথ  তাঁর পদ  সম্পর্কে বলেছেন,
“,,, ভানুসিংহের সঙ্গে বৈষ্ণবচিত্তের অন্তরঙ্গ আত্মীয়তা নেই”।

বাল্যকাল থেকেই  নিভৃতচারী পারিবারিক পরিপাটি পরিবেশে কবি প্রতিভার লক্ষ্মণ ফুটে উঠেছিল স্কুল পালানো,পরীক্ষা না দেওয়া,পাশ না করা,কুনো,এক ঘেয়েমী স্বভাবের, আপন মনে খেলা পড়া করা,সামাজিক পারিবারিক হালকা শাসনযুক্ত এই লাজুক বালকের সুপ্ত চেতনায় কবিত্ব ভাব জেগে ওঠে ছন্দ গঠনের প্রচেষ্টা থেকে।  তিনি পরবর্তীকালে বাংলা ভাষার কবি,বাঙালির কবি, আলোকিত কবি,কবিগুরু হিসেবে বিশ্বে প্রতিভাত হয়েছেন।  বাংলাদেশ,বাঙালি সহ বহু শব্দ তাঁর লেখায় প্রকাশ পেয়েছে,যা সমসাময়িক বা তাঁর পুর্বে অন্য কোন লেখায় তেমনভাবে পরিলক্ষিত হয় না। তিনি লেখনীর মাধ্যমে মানব চেতনায় স্বাধীনতা বোধ,অধিকার রক্ষা বোধ,সংস্কৃতি বোধ উস্কে দিয়েছেন সকল মানুষের মধ্যে। তাঁর সঙ্গীত,কাব্য,সাহিত্য বিশ্বমানব কল্যাণমুখী। তাইতো তিনি  বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

গতানুগতিকতার বাইরে পারিবারিক  শিক্ষা- ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা,পোষাক-পরিচ্ছদ ব্যবহারে ব্যতিক্রমী অথচ রুচিশীল পরিমণ্ডলে তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তিনি বলেছেন,” বাংলা ভাষাটাকে তখন শিক্ষিত সমাজ অন্দরে মেয়েমহলে ঠেলে রেখেছিলেন ;সদরে ব্যবহার হত ইংরেজি _চিঠিপত্রে,লেখাপড়ায়,এমনকি  মুখের কথায়। আমাদের বাড়িতে এই বিকৃতি ঘটতে পারেনি। সেখানে বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগ ছিল সুগভীর, তার বাবহার ছিল সকল কাজেই”,,,।

তেরো/চৌদ্দ বছর বয়সে তৎকালীন সমাজ-জীবনে ধর্মীয় ভাবধারায় যে কাব্যগীতির কথা তিনি জেনেছেন,সেই ধারা অনুস্মরণ করে তিনি ছন্দ তৈরীর কৌতুহল বশতঃ তাঁর মতন করে প্রচলিত প্রথা ভেঙে কিছু পদ রচনা করেন;যাকে বলা হয় ব্রজবুলি পদাবলি । রবীন্দ্রনাথ বলেছেন,
” পদাবলীর যে ভাষাকে ব্রজবুলি বলা হোত আমার কৌতূহল প্রধানত ছিল তাকে নিয়ে”,,,।

আভিধানিক অর্থ যাই থাক,ব্রজবুলি বলতে ব্রজ অঞ্চলের (নজরুলের ভাষায়,”এলাম ব্রজধাম”) বুলি বা ভাষাকেই বুঝানো হয়েছে।  বৈষ্ণব কবিগণ ব্রজবুলি ভাষায় রাধাকৃষ্ণ প্রেমলীলা নিয়ে অসংখ্য পদ রচনা করেছেন। সেই ভাষারূপ হারিয়ে গেছে বা যাচ্ছে  বললেও অত্যুক্তি হবেনা।কারণ ভাষাপ্রবাহ গতিশীল; পরিবেশের এবং স্থানের প্রভাবে ভাষার উচ্চারণগত রূপ পরিবর্তন হয়।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়,রবীন্দ্রনাথের যুগে কলকাতা এলাকার সাধারণের প্রচলিত ভাষা অপেক্ষা কলকাতা জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ির ভাষার একটা আলাদা ভাব-ভঙ্গি ছিল।

আধুনিক যুগে নদীয়া শান্তিপুর অঞ্চলের ভাষাকে যেমন মিষ্টি ভাষা হিসেবে চিহৃিত করা হয়; তেমনি মধ্যযুগে ব্রজবুলি ভাষাও মানুষের কাছে প্রিয় মিষ্টি ভাষা রূপে পরিচিত ছিল বলে বোধকরি। এ প্রসংগে বলতে চাই,বাংলা ভাষা,সাহিত্য-সংস্কৃতি রবীন্দ্রনাথের হাতে একদিকে যেমন পরিশীলিত হয়েছে,অন্যদিকে হারিয়ে যাওয়া বা লুপ্তপ্রায়  সুর-তাল-লয়,রাগ রাগিনী সহ অনেক কিছুই ব্রজবুলি পদ ও সুরের   মোতই তাঁর কাব্য,সাহিত্য-সংগীত থেকে আমরা পাই।

  রবীন্দ্রনাথ অক্ষয়চন্দ্র সরকারের কাছে বালক কবি চ্যাটার্টনের গল্প শুনে বাল্য কালেই পদ রচনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ছিলেন। পদাবলি সাহিত্য প্রসংগে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন,” পদাবলী শুধু কেবল সাহিত্য নয়,তার রসের বিশিষ্টতা  বিশেষ ডাবের সীমানার দ্বারা বেষ্টিত”। এ-ই ভাব রসে
ভিজে সেই তের/চৌদ্দ বছরের কিশোর একান্তই আপন খেয়ালে ব্রজবুলি ভাষায় গান লেখেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ” প্রথম গানটি লিখেছিলুম একটা
স্লেটের উপরে,অন্তঃপুরের কোণের ঘরে –
গহনকুসুমকুঞ্জমাঝে
মৃদুল মধুর বংশি বাজে।”,,,
মনে বিশ্বাস হল চ্যাটার্টনের চেয়ে পিছিয়ে থাকব না”।
ভানুসিংহের এই প্রথম প্রয়াস এবং আত্মবিশ্বাস রবীন্দ্রনাথের কবি প্রতিভাকে জাগ্রত করেছে।
রবি ঠাকুরের অন্তঃপুরবাসী সেদিনের ভানু ঠাকুর তাঁর সৃষ্টিকর্ম বলে, বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতিতে সিংহের মতন সৌর্য-বীর্য
প্রদর্শন করে নিজকে ভানুসিংহ ঠাকুর হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন।
অথচ পদগুলি বিষয়ে সংকোচন তাঁর পিছু ছাড়েনি।
বলেছেন,” ভানুসিংহের পদাবলী বহুকাল সংকোচের
সঙ্গে বহন করে এসেছি। একে সাহিত্যের একটা অনধিকার প্রবেশের দৃষ্টান্ত বলেই গণ্য করি “।

প্রকাশিত ” ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ” তে কুড়িটি পদ আছে। উদাহরণ হিসেবে কয়েকটি পদের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করা হল।

” বসন্ত আওল রে!
মধুকর গুন গুন, আমুয়ামঞ্জরী
কানন ছাওল রে!,,,।

       শুনহ শুনহ বালিকা,
রাখ কুসুমমালিকা,
কুঞ্জ কুঞ্জ ফেরনু সখি শ্যামচন্দ্র নাহি রে।,,,

    শ্যাম রে,নিপট কঠিন মন মন তোর।
বিরহ সাথি করি সজনী রাধা
রজনী করত হি ভোর।,,,

         বঁধুয়া, হিয়া’পর আও রে,
মিঠি মিঠি হাসয়ি,মৃদু মধু ভাষয়ি,
হমার মুখ’পর চাও রে!,,,।

   সজনি গো,
শাওনগগনে ঘোর ঘনঘটা,
নিশীথযামিনী রে।
কুঞ্জপথে,সখি,কৈসে যাওব
অবলা কামিনী  রে!,,,।

   মাধব,না কহ আদরবাণী,
না কর প্রেমক নাম।
জানয়ি,মুঝকো অবলা সরলা
ছলনা না কর শ্যাম।,,,।

  মরণ রে,
তুঁহু মম শ্যামসমান।
মেঘবরণ তুঝ,মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর,রক্ত অধরপুট,
তাপ-বিমোচন করুণ কোর তব
মৃত্যু-অমৃত করে দান।
তুঁহু মম শ্যামসমান।,,,।

ভানুসিংহের ভনিতায় রবীন্দ্রনাথ রচিত এরূপ ২০(কুড়ি)টি পদ ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’তে স্থান পেয়েছে।

ভানুসিংহ ঠাকুর জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের স্কুল পলাতক রবি’র কবি এবং বিশ্বকবি হওয়ার প্রথম স্তম্ভ। অন্যভাবে বলা যায়,ভানুসিংহ ঠাকুরের  তেজোদৃপ্ত কাব্যকিরণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। আরও বলা যায় ভানুসিংহ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে বিশ্ব কবি’র আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।
( “ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ শান্তিনিকেতন ১১/৭/৪০)
তথ্যসূত্রঃ রবীন্দ্র-রচনাবলী, প্রথম খণ্ড; প্রকাশনায়ঃ
ঐতিহ্য সংস্করণ, ঢাকা।
জানুয়ারি ২০০৪।

লেখক ; প্রাবন্ধিক ও গবেষক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ঈদ কেনাকাটার ধুম

অনলাইন ডেস্ক : শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় ঈদের কেনাকাটার ধুম পড়েছে রাজধানীর সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাটগুলোতে।করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি নিয়েই ঈদ শপিংয়ে ব্যস্ত মানুষজন।স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কাই করছেন না অধিকাংশ ক্রেতা ও বিক্রেতারা।স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানার শর্তে সরকার শপিংমল, দোকানপাট খুলে দিলেও বালাই নেই তাতে।মাস্ক পরলেও কেউ কেউ রেখেছেন থুতনিতে।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল, মার্কেটে ভিড় জমিয়েছেন ক্রেতারা।স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ক্রেতাদের মার্কেট ও বিপণিবিতানে ভিড় করতে দেখা যাচ্ছে। ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবার-পরিজনের জন্য পছন্দের জামা-কাপড় কিনতে প্রখর রোদ ও করোনা ভীতিকে উপেক্ষা করে ক্রেতাদের ঢল নেমেছে রাজধানীসহ দেশের মার্কেটগুলোতে।মানুষের ভিড়ে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

শুধু মার্কেটই নয়, ফুটপাত, ফুটওভার ব্রিজও রাজধানীর সব সড়কে মানুষের ভিড়।ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা ও বাসে যানজট লেগে যাচ্ছে প্রতিটি সড়কে।বিশেষ করে নিউমার্কেট, ধানমণ্ডি ও গাউছিয়া মার্কেট এলাকাগুলো মানুষের প্রচণ্ড ভিড়।

শুক্রবার (৭ মে) রাজধানীর গাউছিয়া সুপার মার্কেট, চাঁদনী চক শপিং কমপ্লেক্স, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, এলিফ্যান্ট রোড, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, নূর ম্যানশন, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, নুরজাহান মার্কেট ও আশপাশের বিভিন্ন মার্কেটজুড়েই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

ক্রেতাদের ভিড় আর ফুটপাতের বিক্রেতাদের হাঁকডাক এবং রাস্তায় মানুষ আর নানা যানবাহনে একাকার পুরো ঢাকা শহর। ফুটপাত তো বটেই, ফুটওভার ব্রিজেও ভিড় জমে যায়। ক্রেতাদের এমন উপচে পড়া উপস্থিতিতে অনেক খুশি বিক্রেতারা।

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে ব্যবসায়ীদের কথা বিবেচনা করে গত ২৫ এপ্রিল থেকে শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয় সরকার।সে সময় গণপরিবহণ চালু না থাকলেও সিএনজি কিংবা রিকশায় বেশি ভাড়া দিয়ে কেনাকানায় যাওয়া শুরু করেন ক্রেতারা।অধিকাংশ মানুষকেই সিএনজিতে বোঝাই হয়ে কেনাকাটায় যেতে দেখা গেছে।তবে শ্রমিকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে গত ৬ মে থেকে গণপরিবহণও চালু করে দেওয়া হয়।

বিক্রেতারা বলছেন, এতদিন ক্রেতাদের খুবএকটা চাপ না থাকলেও দুইদিন ধরে গণপরিবহণ চালুর পর বিক্রি বেড়েছে। আজও (শুক্রবার) ক্রেতাদের চাপে দম ফেলার ফুরসুরত নেই তাদের।

নিউমার্কেটের অনেক বিক্রেতা বলেন, আগেও অনেক ক্রেতার ভিড় ছিল।বিক্রিও হয়েছে অনেক। তবে গণপরিবহণ চালু হওয়ায় ক্রেতা বাড়ার পাশাপাশি বিক্রিও বেড়েছে অনেক।অনেকে বাসার কাছে মার্কেট রেখে তুলনামূলক কম দামের আশায় নিউ মার্কেটে এসে কেনাকাটা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় আক্রান্ত শিল্পা শেঠির পরিবার

বিনোদন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির গোটা পরিবার। একমাত্র শিল্পা করোনা নেগেটিভ। নিজেই সে খবর শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে।

শুক্রবার (৭ মে) ইনস্টাগ্রামে একটি বার্তা শেয়ার করেন অভিনেত্রী। তাতে তিনি লিখেছেন, গত ১০ দিন আমার পরিবারের কাছে খুব কঠিন সময় ছিল। প্রথমে আমার শ্বশুর-শাশুড়ি এবং তারপর রাজ, সমিশা, ভিয়ান, আমার মা সকলেরই কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওরা প্রত্যেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নিভৃতবাসে রয়েছে যে যার ঘরে। তবে, একটাই ভালো খবর, ওরা সকলেই সেরে উঠছে।

তবে, তার কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলেই জানান শিল্পা। করোনা আক্রান্ত তার বাড়ির দুই পরিচারকও। তাদেরও চিকিৎসা চলছে।

শিল্পা লিখেছেন, সবাই একটু আমার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করবেন। সকলকে অনেক ধন্যবাদ আমার পাশে থাকার জন্য। নিজের খেয়াল রাখুন, মাস্ক পরুন। আর করোনা পজিটিভ হোক বা নেগেটিভ, মন ভালো রাখুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাড়ি ফেরা মানুষের চাপে ফেরিতে জায়গা হলো না গাড়ির!

দেশের খবর : নাড়ির টানে আজ শুক্রবার অনেকেই যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে। সেহরি খেয়ে ঢাকা থেকে রওনা দেন। শিমুলিয়া পৌঁছার আগে কোনো ঝামেলা না হলেও ফেরিঘাটে এসে পড়েন চরম বিড়ম্বনায়।

অনেকেই প্রাইভেট পরিবহনে চড়ে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে পৌঁছেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। ঢাকার ওষুধ ব্যবসায়ী আকতারুজ্জামান খান। সকাল সাড়ে ৭টা বা ৮টার সময়ই পৌঁছেন শিমুলিয়া ঘাটে।

কিন্তু কোনোভাবেই ফেরিতে গাড়ি উঠাতে পারেননি। যাবেন মাদারীপুরের শিবচরে। অবশেষে গাড়ি ওপারে চালকের কাছে রেখেই চলে আসতে হলো পরিবার পরিজন নিয়ে।

আকতারুজ্জামান খান জানান, লকডাউনের কারণে পদ্মায় চলাচলকারী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ। তাই ফেরিতে যাত্রী চাপ অনেক বেশি। ফেরিতে গাড়ি উঠানোর জন্য দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। যাত্রীদের জন্য কোনোভাবেই গাড়ি ফেরিতে উঠানো সম্ভব হলো না। আমার দেড় মাসের বাচ্চাসহ অবশেষে ফেরিতে চড়ে আসতে হলো। ফেরির মধ্যে একে অপরের শরীরের সাথে দাঁড়িয়ে আসতে হলো। প্রায় দেড় হাজার মানুষ ওই ফেরিতে পার হয়েছেন। মানুষের জন্য কোনোভাবেই ফেরিতে গাড়ি উঠানো সম্ভব হয়নি। তাই গাড়ি চালকের কাছে রেখে আসতে বাধ্য হলাম।

মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে শুক্রবার সকাল থেকে হঠাৎ করেই ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। ঈদের বাকি আরও এক সপ্তাহ থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঘরমুখো যাত্রা শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে। শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে শিমুলিয়া থেকে রো-রো ফেরি এনায়েতপুরী শুধুমাত্র যাত্রী নিয়েই শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে ভিড়ে।

এ সময় ফেরিতে কোনো গাড়ি ছিল না। ফেরিঘাট সূত্র জানা গেছে, যাত্রীদের চাপের কারণেই শিমুলিয়া থেকে ফেরিটিতে কোনো গাড়ি উঠতে পারেনি। ফেরিটিতে ১২শ’ যাত্রী ছিল বলে ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের চাপ রয়েছে। হাজার হাজার যাত্রী ঈদের আগেভাগেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। নৌরুটে রো-রোসহ ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। তবে যাত্রীদের সংখ্যা বেশি থাকায় ফেরিতে গাড়ি অপেক্ষাকৃত কম পার হচ্ছে। ফেরিতে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা থেকে শুরু করে যাত্রীদের বসার জায়গাসহ সর্বত্র ছিল উপচেপড়া ভিড়।

বরিশালের যাত্রী ফারজানা আক্তার বলেন, ঈদের আগমুহূর্তে যাত্রীদের আরও ভিড় বেড়ে যায়। বাস চলে না। ভেঙে ভেঙে বাড়ি যেতে হবে। তাই কয়েক দিন আগেই বাড়ি যাচ্ছি।

বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের পারাপারের জন্য ফেরির বিকল্প কোনো নৌযান না থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের প্রচুর চাপ রয়েছে। ঘাটে ফেরি ভিড়লেই যাত্রী উঠে যাচ্ছেন। এতে গাড়ি উঠতে পারছে না ফেরিতে। বাধ্য হয়েই শুধু যাত্রীদের নিয়ে ফেরি চলাচল করছে।

এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার যাত্রীরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে বিপাকে পড়ছেন। মাইক্রোবাস, থ্রি-হুইলার আর মোটরসাইকেলযোগে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়িফেরা যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেশি। দীর্ঘপথ তাদের কয়েক দফা গাড়ি পাল্টে যেতে হচ্ছে। আর গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

বাংলাবাজার ঘাটের ম্যানেজার সালাউদ্দিন জানান, শিমুলিয়া প্রান্ত থেকে কোনোভাবেই পরিবহন নিয়ে ফেরি আসতে পারছে না। ফেরিঘাটে নোঙর করার সাথে সাথে মানুষ উঠে যায়। আর কোনো ধরনের গাড়ি ফেরিতে উঠানো সম্ভব হয় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

লকডাউনে আটকে পড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যবস্থায় ভিসা দেয়ার জন্যও যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছেন আবদুল মোমেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (৬ মে) দুপুরে এক বার্তায় এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসন যে বিপুরসংখ্যক শরণার্থী গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে, তা মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে পূরণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বার্তায় জানানো হয়, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন- ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে ভিসা সাক্ষাতকারের তারিখ পেতে বিপুলসংখ্যক ভিসা আবেদনকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ভিসা পেতে দেরি হওয়ার কারণে অনেকেই ভর্তি ও বৃত্তি হারাতে পারেন। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার জানান, লকডাউন পরিস্থিতির কারণে অনেক সাক্ষাতকারের স্লট বাতিল করতে হয়েছিল। লকডাউন শেষ হওয়ার পরে ভিসা আবেদনকারী সব শিক্ষার্থী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সাক্ষাতকারের সুযোগ পাবেন বলে জানান রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাম্প্রতিক ঘোষণার প্রশংসা করেন ড. মোমেন। তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসন ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থীদের গ্রহণের সংখ্যা ২ লাখ আড়াই হাজার করেছে, ২০২২ সালে তা আরও সোয়া লাখ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।আমেরিকা এর একটি বড় অংশ পূরণের জন্য বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করার বিষয় বিবেচনা করতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করি, বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে মানবেতর জীবনযাপন করা রোহিঙ্গাদের জন্য আমেরিকার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া ভাসানচরে বসবাস শুরু করা রোহিঙ্গাদের পাশেও দাঁড়াবে যুক্তরাষ্ট্র।জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, ২০২১ সালে জেনেভায় বার্ষিক যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (জেআরপি) প্রবর্তনের সময় আমেরিকা রোহিঙ্গাদের মানবিক অভিযানে বৃহৎ অবদানের জন্য আবারও প্রতিশ্রুতি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিষয়ে চলমান তদন্তে বাংলাদেশের সহযোগিতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আশ্বাস দিয়েছেন বলে ড. মোমেন জানান।

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর হাতে হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে অনেক বছর ধরে বাংলাদেশে আসছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা। তবে রোহিঙ্গাদের সবচেয়ে বড় ঢল আসে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। ওই সময় সাড়ে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে। কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর চাপের মুখে পড়েও রোহিঙ্গাদের ফেরত নিচ্ছে না মিয়ানমার। উল্টো রোহিঙ্গাদের তাদের দেশের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যদিকে রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় চাপ কমাতে দুই বছর আগে অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গাকে মেঘনা নদীর নোয়াখালী অংশে ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয় সরকার।

এ জন্য নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। প্রায় ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে এক লাখ রোহিঙ্গার বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রাম করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। গত ২৮ মার্চ এর চেয়ে কম ৩৫ জনের মৃত্যুর হয়েছিল। এরপর গত ৩৮ দিনে মৃত্যু এর নিচে নামেনি। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল ৪১ জনের। আজকের ৩৭ জন নিয়ে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেলেন ১১ হাজার ৮৩৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৬৮২ জন। এদের নিয়ে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন সাত লাখ ৭০ হাজার ৮৪২ জন। একই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৭৮ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হলেন সাত লাখ ৪ হাজার ৩৪১ জন।
বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৭ হাজার ৩২৯টি, আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ১৩টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯৯ হাজার ২৭৬টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৪১ লাখ ১৮ হাজার ১৫১টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৪ লাখ ৮১ হাজার ১২৫টি।

দেশে বর্তমানে ৪২৮টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এরমধ্যে আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে ১২৭টি পরীক্ষাগারে, জিন এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে ৩৫টি পরীক্ষাগারে এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে ২৬৬টি পরীক্ষাগারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৭১ জনের মধ্যে পুরুষ ২৩ জন, আর নারী ১৪ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেছেন আট হাজার ৫৮৯ জন এবং নারী তিন হাজার ২৪৪ জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ২০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন ৫ এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন আছেন।

এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ১৯, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জন, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের দুই জন করে এবং খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের একজন করে।

৩৭ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২৮ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ০৮ জন এবং বাড়িতে একজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিঠুন ও দিলীপের বিরুদ্ধে তূণমূলের মামলা

বিদেশের খবর : বিধানসভা ভোটে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি মিঠুন চক্রবর্তীসহ বিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল।

গতকাল বৃহস্পতিবার কলকাতার মানিকতলা থানায় এই দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করে তৃণমূল কংগ্রেসের অঙ্গসংগঠন যুব তৃণমূল। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

সম্প্রতি বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেখানেই বক্তৃতা করতে গিয়ে নিজের সিনেমার জনপ্রিয় সংলাপ আউড়েছিলেন মিঠুন।

এফআইআরে বলা হয়েছে, মিঠুনের ওই সব সংলাপেই উত্তেজনা ছড়িয়েছেন রাজ্যে। একজন তারকা হিসেবে প্রকাশ্য মঞ্চে এই ধরনের সংলাপের ব্যবহার করে মিঠুন দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে ওই এফআইআরে।

নির্বাচনী প্রচারের ময়দানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও ‘জায়গায় জায়গায় শীতলখুচি’ হবে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধেও উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ইঞ্জিনভ্যানের ধাক্কায় গৃহবধুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে সুফিয়া খাতুন (৩৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ সরদার গ্যারেজ এলাকার সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর বেলা আড়াইটার দিকে তিনি মারা যান। সুফিয়া খাতুন ছিলেন উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ গ্রামের ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী।
নিহতের স্বামী জানান, শুক্রবার সকালে গোমানতলী গ্রামের বাবার বাড়ি থেকে মুন্সিগঞ্জের নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন সুফিয়া। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সরদার গ্যারেজ এলাকায় পৌছে রাস্তা অতিক্রমের সময় আবাদচন্ডিপুর এলাকা থেকে আসা মটরভ্যানের ধাক্কায় তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এসময় মাথার পিছনের অংশে ফেটে যাওয়ায় তাকে প্রথমে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে ও অবস্থার অবনতি হওয়ায় বেলা ১১ টার দিকে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ হাইকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর প্রায় চার ঘন্টা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক দিয়ে তাকে চিকিৎসা করনো হয়। এসময় মাথার ভিতরে অধিক রক্তক্ষরনে সুফিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন পর্যায়ে পৌছে। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও বেলা আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদা জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহত নারীর পরিবারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest