সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ইফতার ও মাস্ক বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : কোভিড-১৯ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যেগে মাস্ক ও পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ও পথচারিদের মাঝে রান্না করা খাবার(ইফতার) বিতরণ করা হয়েছে।
০৫ মে (বুধবার) বিকাল ৫টায় সাতক্ষীরা শহরের ডে-নাইট কলেজ মোড় ও পিএন স্কুল মোড়ে মাক্্র ও রান্না করা খাবার(ইফতার) বিতরণ করা হয়।
জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক মীর মোস্তাক আলীর পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহসভাপতি এড.সাইদুজ্জামান জিকো (এপিপি), যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখ নাজমুল হক রনি, শাহাজাদা,সাংগঠনিক সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিটু, তুহিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিসুর রহমান, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এড.ফারুক হোসেন(এজিপি), যুবনেতা ইকবাল হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ জাহাঙ্গির হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো: রফিকুল ইসলাম, নাইম হোসেন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগের ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে। ইফতারি ও মাক্্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন

সাতক্ষীরা টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের নব গঠিত আহবায়ক কমিটিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিনো হয়েছে। ৫ মে বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব হল রুমে সাতক্ষীরা টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের আহবায়ক এটিএন বাংলার ও এটিএন নিউজের নিজস্ব প্রতিনিধি এম কামরুজ্জামান ও সদস্য সচিব যমুনা টিভির নিজস্ব প্রতিনিধি আহসানুর রহমান রাজিবসহ কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ফারুক মাহাবুবুর রহমান, কাজী শওকত হোসেন ময়না, মো: আসাদুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, এম রফিক, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, আকরামুল ইসলাম প্রমুখ।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ প্রত্যাশা করেন, সাতক্ষীরা টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের নবগঠিত আহবায়ক কমিটি সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এবং তাদের সার্বিক কল্যানে কাজ করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে এক আ’লীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীরা এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার কুশখালী গ্রামের আহম্মদ আলী গাজীর ছেলে মোঃ গোলাম মোস্তফা বাবু জীবনের নিরাপত্তা দাবি করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছি। আমি কুশখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই কুশখালী সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক ব্যবসায়িদের শেল্টার দাতা গোলাম মোর্শেদ ও মৃত দাউদ সরদারের ছেলে জিয়াউল আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা বিভিন্ন সময় আমাকে হয়রানিসহ হত্যার চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এক পর্যায় গত ২৮ এপ্রিল স্থানীয় একটি সালিশ নিয়ে গোলাম মোর্শেদ এর শ্যালক ভারতীয় নাগরিক পেশাদার কিলার আজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে একই এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে গোলাম মোর্শেদ, মোর্শেদের ছেলে সাঈদ, সাতানী গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্যামল, কুশখালী গ্রামের মৃত মোর আলী ঢালীর ছেলে সন্ত্রাসী বাবু ঢালী ও আমান ঢালী প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে আমাকে হত্যার হুমকি দেয়। এঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আমি সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি।
গোলাম মোস্তফা বাবু অভিযোগ করে বলেন, থানায় ডায়েরির খবর পেয়ে গোলাম মোর্শেদ এর নেতৃত্বে তার শ্যালক আজারুল, বাবু ঢালী ও আমান ঢালী আমার বাড়িতে গিয়ে প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে সাধারণ ডায়েরি তুলে নিতে বলেন। এসময় বাবু ঢালী প্রকাশ্যে আমাকে গুলি করে হত্যার জন্য অন্যদের নির্দেশ দেয়। আমি ভয়ে ঘর থেকে বের হইনি। এসময় মোর্শেদের ছলে সাঈদের হাতে একটি শটগান এবং বাবু ঢালি ও আজহারুল ইসলামের কাছে পিস্তল ছিল।
তিনি আরো বলেন, গোলাম মোর্শেদ সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও অস্ত্র পাচারসহ সকল অপকর্মের সাথে জড়িতদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক বনে গেছেন। এসব অবৈধ কাজ পরিচালনার জন্য এলাকায় গড়ে তুলেছেন একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে তাকে খুন জখমের হুমকিসহ মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়। অবৈধ অস্ত্রধারী গোলাম মোর্শেদ ছোটখাটো বিষয়ে অস্ত্র উঁচিয়ে মানুষকে হুমকি দেয়। তার শ্যালক আজারুল ভারত থেকে অস্ত্র নিয়ে আসে। সে একজন পেশাদার কিলার ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও হত্যা মামলা রয়েছে। এদেশে তাকে সহযোগিতা করে গোলাম মোর্শেদ। এছাড়া অবৈধ অস্ত্রধারী বাবু ঢালী টাকার বিনিময় বিভিন্ন এলাকার মানুষকে খুন জখম সহ মারপিট করতে যায়।
গোলাম মোস্তফা বাবু বলেন, উল্লিখিত সন্ত্রাসীদের ভয়ে আমি জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি সন্দেহ করছি তারা যে কোনো সময় আমাকে খুন করে লাশ গুম করতে পারে। তিনি উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার এ্যাড. আ: রহমান কলেজের বহিস্কৃত অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের বহিস্কৃত অধ্যক্ষ শিক্ষাদস্যু আখতারুজ্জামান কর্তৃক প্রাণনাশের হুমকি, তার বাহিনী দ্বারা কলেজে অযাচিত হামলা এবং বিভিন্ন দপ্তরে স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া পদত্যাগপত্র প্রদানের জন্য তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্র।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২৪/০২/২০২০ইং তারিখে বিনেরপোতাস্থ অধ্যক্ষ এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভায় আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। দায়িত্ব প্রদানের পর থেকে সকল শিক্ষক কর্মচারী ও পরিচালনা পর্ষদের সহযোগিতায় কলেজের শিক্ষার মান উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। কলেজের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানেরও চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ¯œাতক স্তরের শিক্ষকদের নানাভাবে হয়রানি করেছেন বহিস্কৃত অধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামান। তারা আজ মানবেতন জীবন যাপন করছে। তাদের ¯œাতক কোডের ব্যাপারে কোন আবেদন পর্যন্ত করা হয়নি। অথচ এমপিও ভূক্তির নামে তাদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বহিস্কৃত অধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামান। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ¯œাতক কোডের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করি। মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় তারা ২২টা পরিবার আজ আশার আলো দেখছেন। তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশের একটি সংখ্যালঘু পরিবারের সন্তান হওয়ায় বহিস্কৃত আখতারুজ্জামান আমাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। বাড়িতে বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। সর্বশেষ আমাকে পদত্যাগেরও হুমকি দেয়া হয়েছে এবং আমার স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া পদত্যাগপত্র দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। যা একটি পরিপূর্ণ জালিয়াতি। এই জালিয়াতির শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। এই জালিয়াতির জন্য ইতিমধ্যে আমি সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগও দিয়েছি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি (সরদার রমেশ) এ সময় তার জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনাসহ এবং জালিয়াতি শিক্ষাদস্যু আক্তারুজ্জামানের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় তুচ্ছ ঘটনায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতাকে মারপিট

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় তুচ্ছ ঘটনায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতাকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৫ শ টাকার লেনদেন নিয়ে মধুমোল্লারডাঙ্গী গ্রামের আবুল বাসারের সাথে একই এলাকার কামাল মির্জার পুত্র ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন মির্জার বিরোধ বাধে। এর জেরে গত ০৩ মে ২০২১ তারিখে আবুল বাশার, তার কন্যা লাভলী, রসুলপুর গ্রামের মৃত মফেজ উদ্দীনের কন্যা শরিফা খাতুন আকস্মিকভাবে তার উপর হামলা করে। এসময় লিটন মির্জার বুকে পিটে মারপিট করে এবং কামড়িয়ে গুরুতর আহত করে। এঘটনাকে পুজি করে উল্টো ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা লিটন মির্জাকে হয়রানি করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করে আবুল বাসার।
ভুক্তভোগী লিটন মির্জা বলেন, আমি দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের দায়িত্ব পালন করে আসছি। উক্ত আবুল বাশার একজন মাদক সেবী ব্যক্তি। সামান্য বিষয়ে তারা পুরো পরিবার আমার উপর হামলা করে। অথচ আমি সম্মানের ভয়ে কাউকে কিছু না জানালেও সে উল্টো আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানির চেষ্টা করেছে। এঘটনায় তিনি প্রতিকার চেয়ে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় কাজ হারিয়েছে ৬২% মানুষ, খাওয়া কমিয়েছে ৫২% : সিপিডি

অর্থনীতির খবর : মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে ৬২ শতাংশ মানুষ কাজ হারিয়েছে। আয় কমে যাওয়ায় ৫২ শতাংশ মানুষ খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) এক জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই কাজ হারিয়েছেন গত বছরের এপ্রিল-মে মাসে।

বুধবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত ‘কোভিডকালে আয় ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতি : কীভাবে মানুষগুলো টিকে আছে?’ শীর্ষক এক সংলাপে এই জরিপের তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির জরিপে উঠে এসেছে কাজ হারানো বেশিরভাগ মানুষই নতুন করে কর্মসংস্থানে ফিরে এসেছেন। কিন্তু এরপরেও আয় কমে গেছে। সেই সঙ্গে কমেছে কর্মঘণ্টা। আয় কমে যাওয়ায় ৫২ শতাংশ মানুষ খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন। আবার অনেকের ঋণ বেড়েছে। কেউ কেউ সম্পদ বিক্রি করে দিয়েছেন।

সিপিডির পক্ষে জরিপ প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন রিসার্চ ফেলো তৌফিক ইসলাম। তিনি জানান, শ্রমশক্তির যে কাঠামো আছে, সেটাকে ব্যবহার করে দুই হাজার ৬০০ খানার ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এ জরিপ করা হয়েছে। এর ফলে মার্চের শেষে বা এপ্রিলের শুরু থেকে করোনার যে দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে তার চিত্র জরিপে তুলে আনা সম্ভব হয়নি।

জরিপের তথ্য তুলে ধরে তৌফিক বলেন, ‘৬২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছে, তারা কখনো না কখনো কর্ম হারিয়েছেন। তবে সবাই একই সময়ে হারাননি। বেশিরভাগ মানুষ গত বছরের এপ্রিল-মে মাসে কাজ হারিয়েছেন, যখন সাধারণ ছুটি বা লকডাউন চলছিল।’

তৌফিক বলেন, ‘যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের প্রায় ৮৫ শতাংশ এক মাসের বেশি সময় কর্মহীন ছিলেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা যখন জরিপ করি তখন প্রায় সবাই চাকরি ফেরত পেয়েছেন। সে হিসেবে মোট কর্মসংস্থানের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।’

নতুন কর্মসংস্থানের চিত্র তুলে ধরে তৌফিক বলেন, ‘আমরা দেখতে পেয়েছি, এ কর্মসংস্থানটা এসেছে মূলত কৃষি খাত থেকে। কৃষি খাতে কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ। সেই তুলনায় আমাদের সেবা খাত যেটা কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় জায়গা, সেখানে আমরা দেখছি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্রায় দেড় শতাংশের মতো কমে গেছে। তবে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান প্রায় চার শতাংশ বেড়েছে।’

জরিপের তথ্য তুলে ধরে সিপিডির রিসার্চ ফেলো বলেন, ‘আমরা দেখেছি কর্মসংস্থান সেবা খাত থেকে কৃষি খাতের দিকে গেছে। ফলে আমরা যে ধরনের কাঠামোগত রূপান্তরের কথা বলি, সেই রূপান্তর যতটা আধুনিক খাতে হওয়ার কথা ছিল, সেটা পেছনের দিকে চলে গেছে।’

তৌফিক বলেন, ‘আমরা দেখেছি এই যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলো তার প্রায় ৯০ শতাংশ স্ব-নিয়োজিত খাতে গেছেন অথবা তাদের পরিবারকে সহযোগিতা করছেন। অথবা দৈনিক শ্রমিক কাজ করছেন। ফলে যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, তা মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে হয়েছে।’

জরিপে কর্মঘণ্টার চিত্র তুলে ধরে তৌফিক বলেন, ‘আমরা দেখেছি দৈনিক প্রায় ৪ শতাংশের মতো কর্মঘণ্টা কমেছে। সব থেকে বেশি কর্মসংস্থান যে কৃষি খাত দিয়েছে, সেখানে কর্মঘণ্টা কমে গেছে। এতে আমরা বুঝতে পারছি আগে যেখানে কম সংখ্যক শ্রমিক দিয়ে কৃষি ক্ষেত্রে কাজ করা যেত, সেখানে এখন অধিক হারে শ্রমিক যুক্ত হচ্ছে।’

কাজ হারানোরা নতুন কর্মসংস্থানে ফিরলেও আয় কমে গেছে বলে সিপিডির জরিপে উঠে এসেছে। এ বিষয়ে তৌফিক বলেন, ‘কর্মসংস্থান ফিরলেও আমরা জরিপে দেখেছি প্রায় ৪৫ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে আগে তাদের যে আয় ছিল, এখন তার থেকে কম আয় হচ্ছে। আয় কমার এই হার গড়ে ১২ শতাংশের মতো। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে কৃষি খাতে। প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ আয় কমেছে কৃষি খাতে। একই সঙ্গে উৎপাদন খাতেও সাড়ে ১২ শতাংশের ওপরে আয় কমেছে।’

‘আয় কমার চিত্র আমরা বয়স ভেদেও দেখেছি। সেখানে আমরা দেখেছি সব বয়সের কর্মীদের আয় কমেছে। তবে ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের আয় বেশি কমেছে। তাদের আয় কমেছে ১৫ শতাংশের ওপরে। আর ৩০-৪৯ বছর বয়সীদের আয় কমেছে ১০ শতাংশের ওপরে।’

জরিপের তথ্য তুলে ধরে সিপিডির এই রিসার্চ ফেলো বলেন, ‘৪২-৪৩ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের কর্ম পরিস্থিতি আগের থেকে খারাপ। প্রায় ৮৬ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা আগের মতো যথেষ্ট আয় করছেন না। অর্থাৎ তারা যে ধানের আয়ের প্রত্যাশা করেন, এখন তার থেকে কম আয় করছেন। সুতরাং তারা তাদের কাজের ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট নন।’

তৌফিক জানান, জরিপে উঠে এসেছে, নতুন যে কর্মসংস্থান হয়েছে তার মধ্যে অধিকাংশ যুবক, যাদের বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। নতুন কর্মসংস্থানের প্রায় ৬৫ শতাংশ এই বয়সীদের। তবে ৩০ থেকে ৬৪ বছরের বয়সীদেরও বড় অংশ নতুন কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছে, এ ক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে ৩২ শতাংশের ওপরে। এদের বড় অংশ নারী। এই নারীদের অনেকে কৃষি খাতেও যুক্ত হয়েছে।’

নতুন কর্মসংস্থান বাড়লেও আয় বাড়েনি। যে কারণে ৭৮ শতাংশ খরচ কমিয়ে এনেছেন। ৫২ শতাংশ খাবার কমিয়ে দিয়েছেন। প্রায় অর্ধেক পরিবার জানিয়েছেন, তারা সঞ্চয় কমিয়ে দিয়েছেন। প্রায় অর্ধেক শতাংশ পরিবার জানিয়েছেন, ঋণ বেড়েছে। প্রায় পাঁচ শতাংশ জানিয়েছেন, সম্পদ বিক্রি করে দিতে হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিজেপি নেতা অভিনেতা রুদ্রনীলের বিরুদ্ধে কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ

বিনোদন ডেস্ক : বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ফের ক্ষমতায় ফিরেছে তৃণমূল। ভবানীপুরে বিজেপির হয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। তবে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিদায়ী মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে প্রচুর ভোটে হেরেছেন তিনি।

এবার ফের চর্চায় রুদ্রনীল ঘোষ। ফের বিতর্কের কেন্দ্রে তিনি। এবার এই অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে একটি বিস্ফোরক পোস্ট করলেন এক তরুণী। ওই পোস্টের মাধ্যমে তার দাবি, কয়েক বছর আগে রুদ্রনীল ঘোষের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে অভিনেতার প্রোডাকশন হাউজ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো। পাশাপাশি তার কাজের প্রাপ্য টাকাও দেওয়া হয়নি।

এরপর সরাসরি ওই পোস্টে রুদ্রনীলের উদ্দেশে অভিযুক্তকারিণীর তোপ, তুমি হেরেছো বলে তোমার শহর হাওড়া গর্বিত, আনন্দিত। তোমার শহর হাওড়াও তোমাকে তার সন্তান বলতে ঘৃণা বোধ করে।

এখানেই না থেমে কড়া ভাষায় রুদ্রনীলকে অভিযুক্তকারিণীর তোপ, আজ রুদ্রনীল ঘোষ পরাজিত। রুদ্রনীলের পতনের সবে শুরু হয়েছে।

এখানেই না থেমে তিনি আরো লিখেছেন, এই পোস্টের কথা জানার পর তুমি সাইবার ক্রাইম সেলে যাও, আমার বিরুদ্ধে মামলা করো। আমি সেই সবের পরোয়া করি না। কিন্তু মনে রেখো, এই তোমার পতনের শুরু।

তা কেন এতোদিন পর রুদ্রনীলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনছেন? কেন আগে মুখ খোলেননি তিনি? এই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন তরুণী নিজেই। ফেসবুকে লিখেছেন, আজ প্রশ্ন উঠতে পারে কেন এতোদিন ন্যায়বিচার চাইনি? সেদিন ভয় পাইনি। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে নিউকামার ছিলাম, কিভাবে এগোতে হবে জানতাম না। ঘৃণাবশতঃ রুদ্রর নোংরা মেসেজ মোবাইল থেকে ডিলিট করে দিয়েছিলাম। ফলে প্রমাণ ছিলো না।

নিজের বক্তব্যের শেষে তার সংযোজন, প্রকৃত পুরুষ সে, যে নারীত্বকে সম্মান প্রদর্শন করে। রুদ্রনীলের পতনের সবে শুরু হয়েছে। রুদ্রনীল যদি এই পোস্ট দেখে বা তাকে যদি আমার পরিচিত কেউ এই পোস্ট সম্পর্কে বলে, তাহলে আমিও শুনতে চাই রুদ্রনীল কিভাবে নিজেকে রক্ষা করার জন্য সাফাই দেবে। এই পোস্টে আজ আমি কাউকে ট‍্যাগ করবো না।

যদিও এখনো পর্যন্ত এই অভিযোগের ব্যাপারে পাল্টা কোনো মন্তব্য করেননি রুদ্রনীল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজার বিবাহ-তালাক : সাবেক স্ত্রীর জিডি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজার বিরুদ্ধে প্রতারনার মাধ্যমে ১ সন্তানের জননীকে বিবাহ করে আবার ডিভোর্সে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী ওই নারী কলারোয়া থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছেন।
তবে এলাকাবাসীর সূত্রে জানাগেছে, প্রথম স্বামীর ঘরে মেহেজাবিন সুলতানার সাড়ে তিন বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই নারী মেহেজাবিন সুলতানা (২৫) কলারোয়া উপজেলার বিক্রমপুর গ্রামের মৃত. রবিউল হোসেন বিশ^াসের মেয়ে ও উপজেলার চন্দনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা (৩০) সাতক্ষীরা সদরের আলিপুর গ্রামের খবির উদ্দীন গাজীর ছেলে।
যদিও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজা বলছেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে আমার রাজনীতি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।
মেহেজাবিন সুলতানা জানান, আমার পূর্বের সন্তানের কথা জেনেও মিথ্যা আশ^াসে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে রেজা। পরে আমাকে নিয়ে ঘর সংসার করার আশ^াস দিলে ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর আমরা গোপনে বিয়ে করি। তবে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে বলে। কিন্তু একদিনের জন্য তার বাড়িতে তুলে রেজা। এরপর থেকেই আমার উপর শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন শুরু করে রেজা। ডিভোর্স দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। আমাকে ও পরিবারের উপর হুমকি দিতে থাকে। বাধ্য হয়ে গত রোববার (২ মে) আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। এরপরও নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছে। নিরাপত্তার মঙ্গলবার (৪ মে) রাতে কলারোয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি। ডিভোর্স দেওয়ার পরও আমাকে হুমকি দিচ্ছে, আমি এই ছাত্রলীগ নেতার বিচার দাবি করছি।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, আমি তাকে বিয়ে করেছি সংসার করার জন্য। কিন্তু তাকে বাড়িতে আনতে ব্যর্থ হয়েছি। সে বাড়িতে না এসে নানাভাবে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। আগামী সম্মেলনে আমি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হওয়ায় আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে দিয়ে এসব করাচ্ছেন।
তিনি জানান, আর কারো স্ত্রী যদি মধ্যরাতে অন্যের মোটর সাইকেলে বাইরে ঘুরে বেড়ায় তবে তাকে শাসন করা মানে নির্যাতন করা নয়। অন্যের সঙ্গে ঘুরে বেড়ালে নিষেধ করলেও মানেনি তখন হয়তো তাকে দুই একটি চড় থাপ্পড় দিয়েছি। আমি তাকে নিয়েই সংসার করতে চাই। তবে সে চাই না। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এসব করছে, বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিচ্ছে।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর খায়রুল কবীর বলেন, মেয়েটি তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছে। এরপরও তার স্বামী তাকে এডিস মারার হুমকি দিচ্ছে বলে মেয়েটি জানিয়েছে। এরপর ঘটনাটি সাধারণ ডায়েরী হিসেবে নথিভুক্ত করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest