সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

সাতক্ষীরায় আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি শাহ আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

আসাদুজ্জামান : একটি মামলায় আসামির পক্ষে জামিন শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. আব্দুল লতিফকে কটুক্তি করার অভিযোগে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. এম শাহ আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে অ্যাড. আব্দুল লতিফ বাদি হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

অ্যাড. আব্দুল লতিফের দায়েররকৃত মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ২৬ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আশাশুনি থানার একটি ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন শুনানি হয়। শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে জামিনের বিরোধিতা করেন পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ। জামিনের বিরোধিতা করায় আসামীপক্ষের আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. এম শাহ আলম এ সময় পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফকে উদ্দেশ্য কটুক্তি করেন। “ যা হুবহু তুলে ধরা হল, শালা দালাল, বাটপারি করার জায়গা পাস না, শুয়োরের বাচ্চা তোকে দেখে নেব, খাটাল লতিফ, জাল সনদ নিয়ে তোকে ধরেছিলাম, পিপিগিরি ঘুচিয়ে দেব- ইত্যাদি”। আসামি অ্যাড. শাহআলম ওয়েবসাইট ও ইলেকট্রনিকস বিন্যাসে জুম মিটিংএ অংশ নিয়ে এসব কটুক্তি করেন। যা’ কয়েকজন আইনজীবী ও বিচারক নিজ কানে শুনেছেন। এহেন পরিস্থিতিতে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে তিনি তার মামলায় উল্লেখ করেছেন।

অপরদিকে, অ্যাড. এম শাহ আলম তার চেম্বারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অ্যাড. এসএম হায়দার আলী, অ্যাড. এসএম সালাহ উদ্দিন, অ্যাড. আব্দুল মজিদ(২), অ্যাড. নিজামউদ্দিন, অ্যাড. এখলেছার আলী বাচ্চু, জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ, অ্যাড. এবিএম সেলিম, অ্যাড. খায়রুল বদিউজ্জামান বাচ্চু, অ্যাড. নুরুল আমিন ও অ্যাড. সাইদুজ্জামান জিকোকে আসামি করে থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে তাকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা, চেয়ার ও পানির বোতল দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা, চেম্বারের ৮০ হাজার টাকা মূল্যের দরজা ও জানালার কাঁচ ভাঙচুরসহ এসি লাইনের তার ছিঁড়ে ফেলার কথা উল্লেখ করেছেন।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক বুরহান উদ্দিন জানান, অ্যাড. এম শাহ আলমের বিরুদ্ধে অ্যাড. আব্দুল লতিফের দায়েরকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এজাহারটি মঙ্গলবার রাতেই মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া অ্যাড. এম শাহ আলমের দায়েরকৃত এজাহারটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানী : তালিকায় তিন বাংলাদেশি নারী

অনলাইন ডেস্ক : গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এশিয়ার শীর্ষ ১০০ জন বিজ্ঞানীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’। তাদের এ তালিকায় বাংলাদেশের তিনজন বিজ্ঞানীর নাম এসেছে।

তারা হলেন- লাইভস্টক অ্যাডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এমএএলএফ) চেয়ারম্যান সালমা সুলতানা, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) ইমিউনোলজি বিভাগের প্রধান ড. ফেরদৌসী কাদরী ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সায়মা সাবরিনা।

ম্যাগাজিনটি সিঙ্গাপুর থেকে প্রকাশিত হয়। ২০১৬ সাল থেকেই এই ম্যাগাজিনটি এশিয়ার মেধাবীদের অর্জনের স্বীকৃতি দিতে এ ধরনের তালিকা প্রকাশ করে আসছে। এ তালিকায় কেবল মাত্র যেসব বিজ্ঞানী-গবেষকদের রাখা হয়, যারা সংশ্লিষ্ট বছরে কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। একই সঙ্গে কার্যকরী কোনো আবিষ্কারেও তাদের ভূমিকা রয়েছে।

ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন, হংকং, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের বিজ্ঞানীরা এ তালিকায় বেশি এসেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় এপ্রিলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.২, দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭.৭ ডিগ্রি বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দিন দিন আবহাওয়া, পরিবেশ-প্রতিবেশ বিরূপ হয়ে উঠছে। তাপমাত্রাও ক্রমেই বাড়ছে। দিনের স্বাভাবিক সর্বোচ্চ যে তাপমাত্রা থাকার কথা, তা ছাড়িয়ে যাচ্ছে প্রতিদিনই। চলতি এপ্রিল মাসে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।

অধিকাংশ অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিই অস্বাভাবিক। এপ্রিলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সর্বনিম্ন ৩ দমমিক ৯ ডিগ্রি থেকে সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ১ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত রেকর্ড হওয়া তাপমাত্রা বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। অনাবৃষ্টির কারণে এবার তাপমাত্রা বাড়ছেই। সাধারণত বিগত ৩০ বছরে যে পরিমাণ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে, তাকে দিনের ‘স্বাভাবিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা’ বলা হয়।

সূত্র মতে, দিন-রাতের ২৪ ঘণ্টায় সবসময় তাপমাত্রা এক রকম থাকে না। সূর্য ডোবার পর থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকে। ভোররাতে সূর্য ওঠার আগ মুহূর্তে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। সূর্যোদয়ের পর থেকে আবার তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। দুপুর ৩টার দিকে এসে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। অনাবৃষ্টির কারণে এবার তাপমাত্রা বাড়ছেই। সাধারণত বিগত ৩০ বছরে যে পরিমাণ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে, তাকে দিনের ‘স্বাভাবিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা’ বলা হয়।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, দেশে এপ্রিল মাসে স্বাভাবিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঢাকায় ৩৩.৭, ময়মনসিংহে ৩২.৩, টাঙ্গাইলে ৩৩.৯, ফরিদপুরে ৩৪.২, মাদারীপুরে ৩৪.১, চট্টগ্রামে ৩১.৮, সন্দ্বীপে ৩১.২, সীতাকুণ্ডে ৩১.৯, রাঙামাটিতে ৩৩, কুমিল্লায় ৩২.২, চাঁদপুরে ৩২.৮, মাইজদীকোর্টে ৩২.৩, ফেনীতে ৩২.২, হাতিয়ায় ৩২, কক্সবাজারে ৩২.১, কুতুবদিয়ায় ৩১.৫, টেকনাফে ৩১.৯, সিলেটে ৩০.৮, শ্রীমঙ্গলে ৩২.৯, রাজশাহীতে ৩৫.৭, ঈশ্বরদীতে ৩৫.৮, বগুড়ায় ৩৪.৩, রংপুরে ৩২.২, দিনাজপুরে ৩৩.৩, সৈয়দপুরে ৩৩, খুলনায় ৩৪.৬, মোংলায় ৩৪.৪, সাতক্ষীরায় ৩৫.২, যশোরে ৩৫.৬, চুয়াডাঙ্গায় ৩৬.৩, বরিশালে ৩৩.৪, পটুয়াখালীতে ৩৩, খেপুপাড়ায় ৩২.৬ এবং ভোলায় ৩২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গড়ে বাংলাদেশে এপ্রিলে স্বাভাবিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অথচ চলতি বছর এপ্রিলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৫ এপ্রিল ঢাকায় ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, টাঙ্গাইলে ৩৮.৫, ফরিদপুরে ৩৮.৯, মাদারীপুরে ৩৯.৬, গোপালগঞ্জে ৩৯.৫, চট্টগ্রামে ৩৭, সন্দ্বীপে ৩৮.৫, সীতাকুণ্ডে ৩৯.৬, রাঙ্গামাটিতে ৩৯.৫, কুমিল্লায় ৩৮.৮, চাঁদপুরে ৩৮.৬, মাইজদীকোর্টে ৩৮.৫, হাতিয়ায় ৩৮, কক্সবাজারে ৩৬.৮, টেকনাফে ৩৫.৮, রাজশাহীতে ৪০.৩, বগুড়ায় ৩৮.২, সৈয়দপুরে ৩৭.২, খুলনায় ৪০.২, মোংলায় ৩৯.৬, সাতক্ষীরায় ৩৯.২, যশোরে ২৫ এপ্রিল ৪১.২, চুয়াডাঙ্গায় ৪০.৫, বরিশালে ৩৮.৮, পটুয়াখালীতে ৩৯, খেপুপাড়ায় ৩৯.৯ ও ভোলায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আর ২৬ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ময়মনসিংহে ৩৭, ফেনীতে ৩৯, সিলেটে ৩৭.৫, শ্রীমঙ্গলে ৩৮.৮ ও রংপুরে ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২৪ এপ্রিল কুতুবদিয়ায় ৩৫.৫, ২০ এপ্রিল ঈশ্বরদীতে ৪০ ও ১১ এপ্রিল দিনাজপুরে ৩৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হিসাব কষলে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি রেকর্ড হয়েছে সীতাকুণ্ডে ৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ঢাকায় ৫.৮, ময়মনসিংহে ৪.৭, টাঙ্গাইলে ৪.৬, ফরিদপুরে ৪.৭, মাদারীপুরে ৫.৫, চট্টগ্রামে ৫.২, সন্দ্বীপে ৭.৩, রাঙামাটিতে ৬.৫, কুমিল্লায় ৬.৬, চাঁদপুরে ৫.৮, মাইজদীকোর্টে ৬.২, ফেনীতে ৬.৮, হাতিয়ায় ৬, কক্সবাজারে ৪.৭, কুতুবদিয়ায় ৪, টেকনাফে ৩.৯, সিলেটে ৬.৮, শ্রীমঙ্গলে ৫.৯, রাজশাহীতে ৪.৬, ঈশ্বরদীতে ৪.২, বগুড়ায় ৩.৯, রংপুরে ৪, দিনাজপুরে ৪, সৈয়দপুরে ৪.২, খুলনায় ৫.৬, মোংলায় ৫.২, সাতক্ষীরায় ৪, যশোরে ৫.৬, চুয়াডাঙ্গায় ৪.২, বরিশালে ৫.৪, পটুয়াখালীতে ৬, খেপুপাড়ায় ৭.৩ এবং ভোলায় ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রেকর্ড হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবুল কালাম মল্লিক বলেছেন, ‘দেশে এ বছর স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হয়েছে। মার্চ ও এপ্রিল মাসেও বৃষ্টি স্বাভাবিকের চেয়েও কম হয়েছে।’ আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমানের মতামতও একই। তিনি বরেন, ‘বৃষ্টিপাত কম হওয়ার কারণে এপ্রিলে তাপমাত্রা তীব্র হচ্ছে।’

গরম বাড়া-কমার পেছনের কারণ :

সম্প্রতি যে পরিমাণ তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে, সেই তুলনায় গরম অনুভব কিছুটা হলেও কম হচ্ছে বলে মনে করেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবুল কালাম মল্লিক। তিনি জানান, গরম অনুভব কেবল তাপমাত্রা বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে না। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ছাড়াও আরও অনেকগুলো বিষয়ের ওপর গরম অনুভব নির্ভর করে।

আবুল কালাম মল্লিকের তথ্যমতে, তাপপ্রবাহ বয়ে গেলেও এবার কিন্তু গরমের অনুভব কিছুটা কম। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় গরম অনুভব কম। জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকলে তাপমাত্রাও বেশি থাকে। দিনের বেলা আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে এবং বাতাসের গতিবেগ কম হলেও গরম কম থাকে।

বাতাস কোন দিক থেকে প্রবাহিত হয়, তার ওপরও গরম নির্ভর করে। বাতাস যদি দক্ষিণ দিক থেকে বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়, এই বাতাস প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করায়। ফলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাবে, গরমও বেড়ে যাবে। সেজন্য বাতাস কোন দিক থেকে প্রবাহিত হয়, তার ওপর গরমের অনুভূতি কমবেশি হতে পারে। এছাড়া আপনি কী ধরনের পোশাক পরছেন, তার ওপরও গরম নির্ভর করবে। সুতির পোশাক পরলে কম গরম অনুভব হয়।

আবার ভূ-পৃষ্ঠের খুব কাছে অবস্থান করলে গরম বেশি লাগে। ভূ-পৃষ্ঠের একদম কাছাকাছি তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে। ভূমির কাছে বায়ুর ঘনত্ব বেশি। ঘনত্ব বেশি হলে তাপ আটকে থাকে ভূমির কাছে। সেজন্য কোথায় অবস্থান করা হচ্ছে, তার ওপরও গরম নির্ভর করে।

বয়সের ওপরও গরম নির্ভর করে। শিশুদের এক ধরণের গরমের অনুভূতি, তরুণদের আরেক রকম। আবার বৃদ্ধদের ভিন্ন রকম গরম অনুভূত হয়।

বাতাসে দূষিত কণার পরিমাণ বেশি থাকলেও গরম অনুভব বেশি হয়। গরম থেকে রেহাই পেতে এয়ারকন্ডিশনার, এয়ারকুলার ব্যবহার করা হয়। এগুলো ঘরের তাপমাত্রাকে কমিয়ে পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রাকে বৃদ্ধি করে।

যে এলাকায় এসি ও এয়ারকুলার বেশি ব্যবহার করা হয়, তার বাইরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকে, যা গরম অনুভব বাড়িয়ে দেয়। আর ঢাকার বাইরে প্রচুর ইটভাটা। সেগুলো থেকেও দূষিত কণা নিঃসরিত হয়। সেগুলো থেকেও তাপমাত্রা বাড়ে। সূর্যের কিরণ বেশিক্ষণ হলেও গরম অনুভব বেড়ে যায়। মেঘমুক্ত আকাশ থাকলে বেশি সূর্যের কিরণ আসে।

আশাপাশে পানির উৎস আছে কি-না। থাকলে সে এলাকায় পানির বাষ্প বেড়ে যাবে। তখন জলীয়বাষ্পের পরিমাণও বেড়ে যাবে। জলাধারের কাছাকাছি গরমের অনুভব বেড়ে যাবে। যে এলাকায় বন বেশি, সেই এলাকায় বনের নিচের পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকে। দেশের বনায়নের ওপরও গরমের অনুভব নির্ভর করে।

সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গেলেও গরম অনুভব বাড়ে। পার্থক্য ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসলে গরম অনুভব বেশি হয়। এই সবকিছুর সম্মিলিত প্রভাবে গরম অনুভব বাড়তে পারে বলেও মনে করেন আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুখে খাওয়ার করোনা প্রতিরোধক ওষুধ আনছে ফাইজার

ভিন্ন রকম খবর : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এবার মুখে খাওয়ার উপযোগী ওষুধও আনছে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানি ফাইজার । চলতি বছরের শেষের দিকে ওই ওষুধ বাজারে আসতে পারে বলে সিএনবিসিকে জানিয়েছেন ফাইজারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলবার্ট বোরলা।

মার্কিন কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক যৌথভাবে করোনাভাইরাসের টিকা তৈরি করেছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই টিকার প্রয়োগ চলছে।

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য গত বছরের ডিসেম্বরে ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকার অনুমোদন দেয়। পরে অন্যান্য দেশও জরুরি ব্যবহারের জন্য এই টিকার অনুমোদন দেয়। ফাইজার-বায়োএনটেকের দাবি, তাদের উদ্ভাবিত করোনার টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর।

এখন ফাইজার করোনার চিকিৎসায় ‘অ্যান্টি-ভাইরাল’ ওষুধ নিয়ে কাজ করছে। এ সম্পর্কে ফাইজারের সিইও আলবার্ট বোরলা বলেন, ‘আমরা আসলে দুটি ওষুধ (অ্যান্টি-ভাইরাল) নিয়ে কাজ করছি। একটি ইনজেশনের মাধ্যমে দেওয়ার ওষুধ। অন্যটি মুখে গ্রহণের ওষুধ।’

দুটি অ্যান্টি-ভাইরালের মধ্যে মুখে খাওয়ার ওষুধটির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান আলবার্ট বোরলা। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মুখে খাওয়ার ওষুধের একাধিক সুবিধা রয়েছে। তার মধ্যে একটি সুবিধা হলো—এই ওষুধ গ্রহণের জন্য রোগীকে হাসপাতালে যেতে হবে না। ঘরে বসেই ওষুধটি নেওয়া যাবে।

আলবার্ট বোরলা বলেন, সবকিছু ঠিকঠাকভাবে এগোলে তারা এখন যে গতিতে কাজ করছেন, সেই একই গতিতে তাঁরা ওষুধটি তৈরির প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করবেন। নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি তাঁদের মতো গতিশীলভাবে কাজ করে, তাহলে তাঁর আশা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ওষুধটি তৈরি হয়ে যাবে।

করোনার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত একটি ‘অ্যান্টি-ভাইরাল’ ওষুধ অনুমোদন পেয়েছে। সেটির নাম রেমডিসিভির। এটি একটি ইনজেকশন। ওষুধটির প্রস্তুতকারক মার্কিন কোম্পানি গিলিয়েড সায়েন্সেস।

গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) গিলিয়েড সায়েন্সেসের ভাইরাসপ্রতিরোধী ওষুধ রেমডিসিভিরের পূর্ণ অনুমোদন দেয়। তার আগে গত বছরের মার্চে ওষুধটি জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছিল এফডিএ।

আলবার্ট বোরলা বলেন, তারা মুখে গ্রহণের যে অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটি করোনার নানা ধরন প্রতিরোধে আরও কার্যকর হবে বলে আশাবাদী। এই বিষয়টিকে একটি সুসংবাদ হিসেবে দেখছেন তিনি।

আলবার্ট বোরলা বলেন, তারা এখন তাদের গবেষণার কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। গ্রীষ্ম নাগাদ এ বিষয়ে তাদের কাছে আরো তথ্য আসবে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে সাভাচ ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ দুর্বাবাটি বাধভাঙা এলাকায় অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরার আঞ্চলিক ভাষা চর্চা গ্রুপ (সাভাচ) ও সাভাচ ফাউন্ডেশন।

বুধবার সকাল ১০টায় কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসকল খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। এসময় ইফতার সামগ্রী বিতরন কালে উপস্থিত ছিলেন সাভাচ ফাউন্ডেশনের সদস্য সেনাসদস্য ইব্রাহিম খলিল, ইব্রাহিম গাজী, খাদিজা পারভীন, মহিমা ময়না, ছকিনা হিরা, ইসহাক রনি, ফারুক হোসেন, কুমার মল্লিক, আবু মুছা, আলি হাসান সোহাগ সহ অত্র স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ প্রমুখ।

এসময় ৪৬টি মুসলিম পরিবারে ইফতার সামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, ছোলা, চিনি, সেমাই, টোষ্ট, খেজুর, মুড়ি, আলু, তেল ইত্যাদি বিতরন করা হয়। এবং ১০টা হিন্দু পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, পেয়াজ, মুড়ি, আলু ও তেল বিতরন করা হয়।

সমগ্র অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন
সাভাচ ফাউন্ডেশনের এডমিন গাজী হাসানুজ্জামান হাসান, রেজাউল ইসলাম ও জি,এম মোশাররফ হুসাইন রুবেল সহ সকল ডোনার সদস্য বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার শিক্ষাদস্যু অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শিক্ষাদস্যু অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজ থেকে সাময়িব বহি®কৃত অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামনের দুর্নীতির মুলোৎপাটন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতেলেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আবুল হোসেন মোঃ মকছুদুর রহমান এই দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি ২০০০ সালে সাতক্ষীরার বিনেরপোতায় নিজস্ব ১ একর জমির উপর পিতার নামে এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজ প্রতিষ্ঠা করি। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বপান তালার মিঠাবাড়ী গ্রামের মৃত শেখ আব্দুল গণির ছেলে মোঃ আখতারুজ্জামান। কলেজে যোগদানের পরে সভাপতি পদ থেকে আমাকে বাদ দিয়ে যখন যার প্রয়োজন তাকে সভাপতি বানিয়ে শুরু করে তার অনিয়ম দুর্নীতির কার্যক্রম। তৎকালীন সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান ২০০৭ সালে সংরক্ষিত তহবিলের টাকা আত্মসাৎ করে। আমি সভাপতি হওয়ার পর আদালতে মামলা করি। আখতারুজ্জামান তার স্ত্রী সেলিনা সুলতানার জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের এমএ শেষ বর্ষের সনদ জালিয়াতি করে প্রভাষক পদে চাকুরী দিয়ে এমপিও করে সরকারি বেতন উত্তোলন করেছে। নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে দীর্ঘ ৬মাস বিনা ছুটিতে কলেজে অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করেন। এসব অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রীর গৃহিত অর্থ সরকারী কোষাগারে ফেরত ও প্রয়োজনে মামলা করতে যশোর শিক্ষাবোর্ডকে নির্দেশনা প্রদান করেন। মকছুদুর রহমান বলেন, কলেজ পরিদর্শক অমল কুমার বিশ^াস অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা করতে গভর্নিং বর্ডির সভাপতিকে নির্দেশনা দিলে আমি আদালতে তার বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগে ফৌজদারী মামলা দায়ের করি। ২০১৪ সালে চার বৎসরের ভূয়া ছুটি নিয়ে কলেজে অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করায় অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের বেতন বন্ধের সুপারিশ করেন কর্তৃপক্ষ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে সাময়িক বহিস্কার হয়। বহিস্কারের পর সে কলেজের প্যাড, সিল ব্যবহার করে ভূয়া স্মারক দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে দরখাস্ত দিচ্ছে। বহিরাগত সন্ত্রাসী দ্বারা হুমকি দিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কক্ষের তালা ভেঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কলেজের অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে আমাদের নামে মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে হয়রানির চেষ্টা করছে এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে খুন জখমের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আখতারুজ্জামান বিভিন্ন সময়ে কলেজের স্নœাতক স্তরের ২২জন শিক্ষক কর্মচারীর কাছ থেকে এমপিও ভূক্তির নামে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। ভূক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। আখতারুজ্জামান ভূয়া কাগজ পত্র তৈরি করে বাণিজ্যিক ভাবে আরও ১৮টি কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিতে জাল সনদে অনেকে চাকুরি করে সরকারি বেতন নিচ্ছেন। তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কলঙ্কমুক্ত করতে শিক্ষাদস্যু, দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধত কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, গভনিং বডি বিদ্যুৎসাহী সদস্য মীম সাইফুল ইসলাম, সফিকুল ইসলাম, দাতা সদস্য ফিরো রহমান, প্রভাষক সুশান্ত কুমার মন্ডলসহ অত্র কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন, চীন ও রাশিয়ার ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে বাংলাদেশ

দেশের খবর : করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ প্রতিরোধে রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি এবং চীনের সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন বাংলাদেশে উৎপাদন হবে।

আজ বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে দেশে রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি এবং চীনের সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভা শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাগুলোকে ওই দেশের ভ্যাকসিন তৈরির অনুমতি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অর্থনীতি সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটিতে রাশিয়া ও চীনের ভ্যাকসিন তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহেদা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, রাশিয়া ও চীনের ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে সক্ষম দেশীয় এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। দুটি ভ্যাকসিন রাশিয়ার গামলেয়া গবেষণা ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি এবং চীনের সিনোভাক বায়োটেকের মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তর করার মাধ্যমে উত্পাদিত হবে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৩ জন ও নারী ৩৪ জন। ৭৭ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৪৯ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ জন এবং বাসায় একজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে দেশে এই মহামারিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ হাজার ৩০৫ জনে।

এই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৯৫৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সাত লাখ ৫৪ হাজার ৬১৪ জন করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ৩৫৮টি ল্যাবরেটরিতে ২৮ হাজার ২০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন পাঁচ হাজার ৩৯২ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ছয় লাখ ৭২ হাজার ৩১৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest