সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

ভারতে করোনায় একদিনেই ২৭৭১ মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক : কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত ভারত। রোজ মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিচ্ছেন হাজারো মানুষ। দেশটিতে গত ৭ দিন টানা দুই হাজারের বেশি করে মৃত্যু হয়েছে করোনায়। গত ২৪ ঘণ্টায়ই ২৭৭১ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার সকালে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে দিনের পর দিন বেড়ে চলার পর অবশেষে ভারতে কিছুটা কমেছে দৈনিক করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। তবে সেটা তিন লাখের গণ্ডি থেকে নিচে নামেনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লাখ ২৩ হাজার ১৪৪ জন। সর্বশেষ এই সংখ্যা নিয়ে মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৭ জনে।

গত কয়েকদিন ধরে ভারতে দৈনিক মৃত্যুতে তৈরি হয়েছিল নতুন রেকর্ড। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার মৃত্যু কম হলেও তা আড়াই হাজারের বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৭১ জন। এ নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৪ জনে।

গত সাত দিন ধরে ভারতে মৃত্যু দুই হাজার কোটা থেকে নামেনি। এক সপ্তাহে দেশটিতে ১৭ হাজার ৩৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি মাসে ৩৪ হাজার ৬০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে করোনায়। এটি একমাসে সবথেকে বেশি মৃত্যুর পরিসংখ্যান দেশটিতে। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ৩৩ হাজার ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহামারী করোনা : বিশেষ ফ্লাইট ও ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ভারত ছাড়ছেন ধনীরা

অনলাইন ডেস্ক : ভারতে মহামারী করোনাভাইরাস ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এদিকে, বিজনেস ইনসাইডার খবর প্রকাশ করেছে, করোনা থেকে বাঁচতে ভারত ছেড়েছেন দেশটির ধনী ব্যক্তিরা। এদের অধিকাংশের গন্তব্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্য। আরব আমিরাত সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ২৫ এপ্রিল থেকে ১০ দিনের জন্য ভারত থেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এর আগেই ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ও বিশেষ ফ্লাইটে দেশ ছেড়েছেন ধনী ব্যক্তিরা।

এদিকে, বার্তা সংস্থা এএফপিকে এয়ার চার্টার সার্ভিস ইন্ডিয়ার এক মুখপাত্র জানান, বিশেষ ফ্লাইট ও ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে চেপে দেশ ছেড়েছেন ভারতের বহু ধনী। শনিবার (২৪ এপ্রিল) আমাদের ১২টি ফ্লাইট ছিল দুবাইয়ে। প্রত্যেকটি ফ্লাইটের একটি সিটও ফাঁকা যায়নি।

ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।আগের দিন সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন। একই সময়ে মারা যান ২ হাজার ৮০৬ জন। ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ভোমরায় ভারতীয় ট্রাক চালক-সহকারীদের অবাধ চলাচল

নিজস্ব প্রতিবেদক : আমদানি পণ্য নিয়ে প্রতিদিনই ভারতের ঘোজাডাঙা বন্দর থেকে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে ঢুকছে ভারতীয় ট্রাক। তবে এসব ট্রাকের চালক ও তাদের সহকারীদের করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করানো হচ্ছে না। পরীক্ষা ছাড়াই বাংলাদেশে তাঁদের অবাধ বিচরণে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে ভোমরা স্থলবন্দরে গিয়ে দেখা গেছে, সারি সারি দাঁড়িয়ে রয়েছে পাথর ও অন্যান্য পণ্য বহনকারী ভারতীয় গাড়ি। এসব গাড়ির চালক ও তাঁদের সহকারীদের করোনা পরীক্ষা ছাড়াই বাংলাদেশে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমিকেরা একই স্থানে কাজ করছেন এবং কাজ করার সময় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ভারতীয় চালক, সহকারী ও খালাসিরা বন্দরে ঘোরাঘুরি করছেন। তাঁরা হোটেল-রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া করছেন। ফলে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভোমরা বন্দরে স্থাপিত স্বাস্থ্য ইউনিট কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা পাসপোর্ট যাত্রীদের পরীক্ষা করে থাকি। ভারতীয় চালকদের পরীক্ষা করার নির্দেশ পেলে তা করা হবে।’

বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন গড়ে ৩০০ ভারতীয় ট্রাক ভোমরা বন্দরে ঢুকছে। চালকসহ প্রতি গাড়িতে কমপক্ষে তিনজন ভারতীয় থাকছেন। তাঁদের ফিরতে সময় লাগছে তিন থেকে চার দিন। করোনা পরীক্ষা ছাড়াই তাঁদের যাতায়াত ও ঘোরাঘুরিতে সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে।

তবে এসব বিষয়ে ভোমরা বন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত জানিয়েছেন, সাতক্ষীরায় এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৩০০ ব্যক্তির করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। এ ছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২০১ জন। এমন অবস্থায় সীমান্ত এলাকায়, বিশেষ করে স্থলবন্দরে করোনার সংক্রমণ রোধে ভারতীয় ট্রাক চালকদের করোনা পরীক্ষা না করে বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া ঠিক নয়।

ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ বিশ্বজিত সরকার জানিয়েছেন, ভারতীয় চালকদের করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে না। পরীক্ষার বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। আমরা যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করে থাকি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টকে প্রধানমন্ত্রী ১০ কোটি টাকা দিলেন

দেশের খবর : সাংবাদিকদের সহায়তার জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টকে ১০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা সংক্রমণের এই দুঃসময়ে দেশব্যাপী সাংবাদিকদের সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী এই বরাদ্দ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গুলশানের ফ্ল্যাট কলেজছাত্রীর লাশ, আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে লাশটি উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে নিহত মুনিয়ার বড় বোন বাদি হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা করেছেন।

গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা শুনেছি মুনিরা তাঁর বোনকে ফোনে জানিয়েছিলেন, তিনি বিপদে পড়েছেন। বোনকে সেখানে আসতেও বলেন তিনি। তারপর সোমবার সন্ধ্যায় গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে মুনিয়ার বড় বোন দরজা বন্ধ পান। ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা খোলা হচ্ছিল না। এর কিছুক্ষণ আগে থেকে মুনিয়ার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর ফ্ল্যাট মালিকের উপস্থিতিতে মিস্ত্রি দিয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে।’

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘এ ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলা নম্বর-২৭।’

ডিসি আরও বলেন, ‘মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সেখানেই থাকে তাঁর পরিবার। মুনিয়ার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমরা ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় কেউ জড়িত কি না তাও দেখা হচ্ছে।’

এদিকে মামলার বাদীর বরাত দিয়ে গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, ‘মুনিয়ার সঙ্গে একটি শিল্প গোষ্ঠীর এক কর্মকর্তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গুলশানের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মুনিয়া সেখানে একাই থাকতেন। মুনিরার সঙ্গে যার প্রেমের সম্পর্ক ছিল, তিনি ওই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ উদ্ধারের পর গুলশান থানার পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। এরপর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও মুনিয়ার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইসগুলো জব্দ করেছে।

রাতে ডিএমপির এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে বলেন, ‘ওই তরুণীর মরদেহ আমরা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠিয়েছি। তাঁর বড় বোন নুসরাত জাহান আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন। তাঁর যে মূল অভিযোগ তা হলো—ভিক্টিমের সঙ্গে একটি শিল্প গোষ্ঠীর এমডি—তাঁর দুই বছরের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় এক বছর ভিকটিমকে তিনি বনানীর একটি ফ্ল্যাটে রাখেন। এরপর মনোমালিন্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভিকটিম তাঁর বোনের কাছে ফোন করে জানান যে, যেকোনো মুহূর্তে তাঁর যেকোনো ঘটনা ঘটতে পারে।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তিনি (মুনিয়া) আত্মহত্যা করেছেন কি না, বা সার্বিকভাবে কী কী পারিপার্শ্বিকতার পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর জন্য যে আইনগত বিষয়—এগুলো আমরা নিচ্ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : কুয়েতে দণ্ডিত বাংলাদেশের সাবেক সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম ওরফে পাপুলের কারাদণ্ড চার বছর থেকে বেড়ে ৭ বছর হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ২০ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) কুয়েতের আপিল আদালত পাপুলের বিরুদ্ধে এ রায় দেন। কুয়েতের দৈনিক আল কাবাস ও আল নাহার পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

কুয়েতের আদালতে পাপুলের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে চলতি বছর ২৮ জানুয়ারি আদালতের বিচারক তাকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১৯ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করেন। সোমবার অপর একটি মামলায় তার আরো তিন বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ দিনার জরিমানা করা হলো। এ নিয়ে পাপুলের মোট সাত বছরের কারাদণ্ড হলো।

মানব ও অর্থপাচারের অভিযোগে গত বছর ৬ জুন সাবেক এমপি শহীদ ইসলাম পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েতের পুলিশ। তিনি তারপর থেকেই সে দেশের কারাগারে আটক রয়েছেন। প্রথম দফায় কারাদণ্ড হওয়ায় তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হৃদয় কাঁপে যে দৃশ্যে : করোনাক্রান্ত স্বামীর জন্য স্ত্রীর ভালোবাসা

অনলাইন ডেস্ক : ভারতজুড়ে এখন অক্সিজেনের জন্য হাহাকার। হাসপাতালে, রাস্তায়, বাড়িতে অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। স্বজনদের কোনো চেষ্টাই কাজে লাগছে না। বাঁচানো যাচ্ছে না মা, বাবা, ভাই, বোন, স্ত্রী, স্বামী বা সন্তানকে। স্বজনদের বুক খালি করে প্রিয় মানুষরা চলে যাচ্ছেন না ফেরার দেশে। একটুখানি অক্সিজেন যে বেঁচে থাকার জন্য কতটা প্রয়োজন তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে সবাই।

সম্প্রতি আগরার একটি ছবি চোখে পানি এনে দিয়েছে। স্ত্রীর সব চেষ্টা ব্যর্থ করে স্বামীর মৃত্যু যেন চারদিকে হাহাকার ছড়িয়েছে। রেনু সিংঘালের স্বামী রবি সিংঘাল করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। তার নিজেরও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন স্বামীকে বাঁচাতে।

চোখের সামনে স্বামীর দম বন্ধ হয়ে আসছিল, নিঃশ্বাস নিতে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল। এভাবে স্বামীকে মৃত্যুর মুখে দেখে সহ্য করতে পারছিলেন না রেনু। কোনোভাবে স্বামীকে বাঁচাতে চাইছিলেন তিনি। কোনো উপায় না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বামীকে মুখ দিয়ে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টাও করেন। কিন্তু তার এই প্রচেষ্টা কোনো কাজেই লাগেনি। বাঁচানো যায়নি রবিকে।

আগ্রার একটি হাসপাতালের বাইরে অটোর মধ্যেই রবি সিংঘালের মৃত্যু হয়। রেনুর স্বামী হারানোর দুঃখে যেন তখন বাতাসও ভারী হয়ে উঠেছিল।

রেনু সিংঘাল উত্তরপ্রদেশের আগরার আভাস বিকাশ সেক্টর ৭ এর বাসিন্দা। তার স্বামীর হঠাৎ করেই শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়ায় তিনি তাকে স্বরোজিনি নাইরু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে (এসএনএমসি) নিয়ে যান।

রেনু একটি অটোতে করে রবিকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। তারা সরকারি ওই হাসপাতালের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরপরই রবির অবস্থা খারাপ হতে থাকে। রেনু আপ্রাণ চেষ্টা করেন যেন হাসপাতাল পর্যন্ত রবিকে নিয়ে যাওয়া যায়। যখন দেখলেন রবি কিছুতেই শ্বাস নিতে পারছেন না; তখন তিনি মুখ দিয়ে স্বামীর মুখে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু এতেও কোনো কাজ হয়নি। তিনি রবিকে বাঁচাতে পারেননি।

উত্তরপ্রদেশে হাসপাতালে বেডের সঙ্কট, অক্সিজেনের সঙ্কট দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ ক্রমাগত বাড়ছেই। অনেক হাসপাতালে জায়গা না থাকায় রোগীকে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। তবে এই চিত্র শুধু উত্তরপ্রদেশের নয়, বরং এখন পুরো ভারতের পরিস্থিতি একই রকম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ হাজার ১৫০ জনে।

এই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও তিন হাজার ৩০৬ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল সাত লাখ ৪৮ হাজার ৬২৮ জন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ৩৫০টি ল্যাবরেটরিতে ২৫ হাজার ৭৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ২৮৭টি নমুনা। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন চার হাজার ২৪১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ছয় লাখ ৬১ হাজার ৪৫২ জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত ৯৭ জনের মধ্যে ৬১ জন পুরুষ এবং ৩৬ জন নারী। ৪৯ জন সরকারি হাসপাতালে এবং ৪৪ জন বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। বাসায় মারা যান তিনজন, একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব দুইজন, ত্রিশোর্ধ্ব চারজন, চল্লিশোর্ধ্ব ১০ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২১ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৫৯ জন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest