সর্বশেষ সংবাদ-
ভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা

ভারতে ‘অক্সিজেনের অভাবে’ এক হাসপাতালে প্রাণ গেল ২৫ রোগীর!

অনলাইন ডেস্ক : ভারতে একটি হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ কোভিড রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাজধানী দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্য রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে আকাশপথে অক্সিজেন চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছে।

আনন্দবাজার জানায়, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালের পক্ষে একটি ‘এসওএস’ বার্তা দেয়া হয়। তাতে বলা হয়, আর মাত্র ২ ঘণ্টার অক্সিজেন রয়েছে হাসপাতালে এবং ৬০ জন রোগীর প্রাণ বিপন্ন।

রোগীদের জীবন বাঁচাতে আকাশপথে আক্সিজেন পাঠানোর আবেদনও জানানো হয়।

হাসপাতালের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর মাত্র ২ ঘণ্টার অক্সিজেন রয়েছে। ভেন্টিলেটর এবং বাইপ্যাপ ঠিকমতো কাজ করছে না। যার ফলে ম্যানুয়াল ভেন্টিলেশনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বড় বিপদের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ৬০ জন রোগীর জীবন বিপন্ন। অবিলম্বে পদক্ষেপ করা প্রয়োজন’।

তবে অক্সিজেনের অভাবে ওই ২৫ রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে মানতে রাজি নন হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডিএস রানা। তিনি বলেন, “তাদের অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক ছিল। হাসপাতালে অনেকেই ভর্তি রয়েছেন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। যারা মারা গেছেন তাদের মৃত্যু শুধুমাত্র অক্সিজেনের অভাবে হয়েছে বলে মনে করি না। তবে এটা ঠিক যে হাসপাতালে অক্সিজেন ফুরিয়ে এসেছে।’

স্যার গঙ্গারাম হাসপাতাল ছাড়াও দিল্লির অন্তত ছয়টি হাসপাতালে অক্সিজেনের মজুদ শেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। অক্সিজেনের অপেক্ষায় বেশ কয়েকজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে।

রাজধানীর বাকি হাসপাতালেও মাত্র কয়েক ঘণ্টা চালানোর মতো অক্সিজেন আছে বলে চিকিৎসকদের ভাষ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে মাছের ঘের থেকে মহিলার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের একটি মাছের ঘের থেকে নুরনাহার বেগম নামের এক গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার ভোর ৬ টার দিকে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান স্থানীয় মোশারফের মাছের ঘের হতে ভাসমান অবস্থায় মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল গফফার গাজীর স্ত্রী।
শ্যামনগর থানার ওসি নাজমুল হুদা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে মৎস্য ঘের হতে ভাসমান অবস্থায় মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারী চিকিৎসকের সাথে বাকবিতণ্ডা, সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদকে বরিশাল বিভাগে বদলি করা হয়েছে। লকডাউনে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে এক চিকিৎসকের পরিচয়পত্র দেখা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার সময় তিনি সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্বরত ছিলেন।

জানা গেছে, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদকে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়ই তাকে বদলি করা হয়েছে। তার বদলির বিষয়টি আগে থেকেই প্রক্রিয়াধীন ছিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, আমরা বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে আমলে নিয়েছি। একজন চিকিৎসকের সঙ্গে এতদূর কথা গড়ানো উচিত হয়নি।

গত রোববার এক চিকিৎসক ও পুলিশের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। সেখানে চিকিৎসকের পরিচয়পত্র দেখতে চান ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদও। পরে এ নিয়ে পুলিশ ও চিকিৎসক পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়। হাইকোর্ট এ পাল্টাপাল্টি বিবৃতিকে কাম্য নয় বলেও মন্তব্য করেন। এরপরই এ বদলির আদেশ এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী চিকিৎসকের পরিচয়পত্র দেখতে চান পুলিশ সদস্যরা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। উত্তেজিত হয়ে পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা করতে দেখা যায় ওই চিকিৎসককেও।

ভিডিওতে দেখা যায়, দুপুরে এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের চেকে পড়েন। সেখানে ঢাকা জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার শেখ মো. মামুনুর রশিদ আদালত পরিচালনা করছিলেন। নিউ মার্কেট থানার একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে একাধিক পুলিশ সদস্য সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন।

চেক পোস্টে পুলিশ সদস্যরা চিকিৎসকের কাছে তার আইডি কার্ড দেখতে চান। সঙ্গে আইডি কার্ড আনেননি বলে জানান চিকিৎসক জেনি। এরপর তার কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চাওয়া হয়। এ সময় জেনি কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। জিজ্ঞাসা করেন, ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস লাগে?

তিনি গাড়িতে বিএসএমএমইউ স্টিকার ও হাসপাতাল থেকে পাওয়া তার লিখিত পাস দেখান। এরপরও পুলিশ তার কাছে আইডি কার্ড দেখতে চান। এ সময় জেনি আরও উত্তেজিত হয়ে পুলিশকে বলেন, ‘আমি ডাক্তার। করোনার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে যাচ্ছি। আপনারা কয়জন মরছেন। আমরা ১৩০ জন মরেছি।’ ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আপনি ধমক দিচ্ছেন কেন? আমরা প্রশাসনের লোক। ১০০ বার আপনার কাছে আইডি কার্ড দেখতে চাইতে পারি।’

এরপর চিকিৎসক বলেন, ‘আমি বীর বিক্রমের মেয়ে।’ তখন ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আমিও বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। আমরা কি ভাইসা আসছি নাকি?’

‘আমি শওকত আলী বীর বিক্রমের মেয়ে। আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল বলেই তোমরা পুলিশ হয়েছ।’ এ সময় সেখানে দায়িত্বরত নিউ মার্কেট থানা পুলিশের পরিদর্শক বলেন, ‘আমিও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আপনার বাবা একা যুদ্ধ করে নাই।’

চিকিৎসক জিমি গাড়িতে উঠতে উঠতে বলতে থাকেন, ‘ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে।’ তখন পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘কোনো ডাক্তার হয়রানি হচ্ছে না।’

এরপর গাড়ি রাস্তার একপাশে নিয়ে তিনি (চিকিৎসক জেনি) কেন খারাপ ব্যবহার করেছেন, তা জানতে চান ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আপনি আমাকে তুই-তুকারি করতে পারেন না। জীবন আমরাও দিচ্ছি। আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন। আমরা কি ভাইসা আসছি?’

এরপর একজন মন্ত্রী ফোন করেছেন বলে মোবাইল ফোন ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে এগিয়ে দেন চিকিৎসক জেনি। কিছু সময় কথা বলার পর মোবাইল তার কাছে ফেরত দেন ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশিদ।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি প্রশাসনের লোক। ইউনিফর্ম থাকার পরও সঙ্গে আইডি কার্ড আছে।’ তখন চিকিৎসক বলেন, ‘আমি ডাক্তার। গায়ে অ্যাপ্রন আছে। আপনি মেডিকেলে চান্স পাননি বলে পুলিশ হয়েছেন।’

এই ঘটনার পর চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়। চিকিৎসকের দাবি, চিকিৎসককে ইচ্ছে করে হয়রানি করা হয়েছে। কারণ তার গাড়িতে লকডাউনের সময় হাসপাতালে কাজ করার আদেশনামা ছিল, পরনে অ্যাপ্রোন ছিল এবং গাড়িতে হাসপাতালের স্টিকারও লাগানো ছিল।

আর পুলিশের পক্ষের দাবি, চিকিৎসক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশকে ‘তুই’ বলে সম্বোধন করেছেন এবং গালি দিয়েছেন। তিনি নিজ মন্ত্রণালয়ের বৈধ আদেশ লঙ্ঘন এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয় পুলিশের বিবৃতিতে।

এর আগে বিএমএ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে এলিফ্যান্ট রোডে চিকিৎসককে হেনস্তায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছিল। পাশাপাশি ওই দিনের ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংবাদ ব্রিফিংয়ে চিকিৎসকদের পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। চেকপোস্টে ‘চাহিবামাত্র তা প্রদর্শনেরও’ অনুরোধ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী রোববার থেকে দোকান-শপিংমল খোলা

অনলাইন ডেস্ক  : আগামী রোববার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল খোলা থাকবে।

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়ে শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে নির্দেশনা জারি করা হলো।’

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এর আগে ১৪ এপ্রিল থেকে চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে ১২ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ছাড়া অন্য সকল ধরনের দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫৪১/৭ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশের ইনিংস ঘোষণা

খেলার খবর : নাজমুল হোসেন শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল হকের সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ৪৭৪ রান নিয়ে পাল্লেকেলে টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ করে বাংলাদেশ দল।

আজ সকালে নেমেই ৫০০ রান ছাড়াল বাংলাদেশ।

আলোক স্বল্পতায় ২৫ ওভার না খেলেই খেলা শেষ হয় গতকাল। তা না হলে এ দিনই ৫০০ ছাড়াতে পারত।

কোচ ডমিঙ্গোর আশা ছিল, যেহেতু হাতে ৬ উইকেট রয়েছে তো দ্রুত ৫২০ থেকে সাড়ে পাঁচশ পৌঁছে ইনিংস ঘোষণা করবে বাংলাদেশ।

সে লক্ষ্যে রান এগিয়ে নিলেও টপাটপ উইকেট পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের। গত দুই দিনে যেখানে লংকান বোলারদের সাফল্য মাত্র ৪ উইকেট, সেখানে তৃতীয় দিনে প্রথম সেশন শেষ না হতেই আরো ৩ উইকেট শিকার করেছে তার।

একে একে সাজঘরে ফিরেছেন লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। লিটন ফিফটি করলেও বাকিরা হতাশ করেছেন।

মেহেদী ৩ ও তাইজুল ২ রানে করে আউট হয়েছেন। অপরপ্রান্তের মুশফিককে হাত খুলে খেলার সুযোগ করে দেননি তারা।

খেলার এমন অবস্থায় ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। ৭ উইকেট হারিয়ে ৫৪১ রানে থামল বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

১৫৬ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মি. ডিপেন্ডেবল মুশফিক।

গতকাল টেস্টের দ্বিতীয় দিনে তৃতীয় উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়ে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল হক।

এ দুজনের ২৪২ রানের জুটি ইতিহাস গড়ল। বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে তৃতীয় উইকেটে সবচেয়ে বড় জুটিটি এখন তাদের। এতদিন ধরে রেকর্ডটি দখলে ছিল মুশফিক ও মুমিনুলের।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম টেস্টে এই শ্রীলংকার বিপক্ষেই ২৩৬ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিক-মুমিনুল। এবার সেই রেকর্ড ভাঙল শান্ত-মুমিনুল জুটি।

তবে মাত্র ৫ বল খেললেই জুটিটি বল মোকাবিলার হিসেবে প্রথম স্থানটি দখল করত। বল মোকাবিলার হিসাবে সবচেয়ে বড় জুটিটি মোহাম্মদ আশরাফুল আর মুশফিকের। ২০১৩ সালে শ্রীলংকার গলে পঞ্চম উইকেটে ৫১৮ বল খেলে ২৬৭ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা।

সে হিসাবে শান্ত-মুমিনুলের ২৪২ রানের জুটি তালিকায় দ্বিতীয়। পাল্লেকেলে টেস্টে ২৪২ রানের জুটিতে শান্ত ও মুমিনুল খরচ করেছেন ৫১৪ বল।

৫ বল আগেই তাদের জুটি ভেঙে দেন পেসার লাহিরু কুমারা। ১২৪তম ওভারে শান্তকে নিজের ফিরতি বলে ক্যাচে পরিণত করেন কুমারা।

শান্তর সাজঘরে ফেরার পর মুমিনুলও ফেরেন। ৩০৪ বল খেলে ১২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ধনঞ্জয়ার বলে প্রথম স্লিপে থিরিমান্নের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মুমিনুল।

দ্বিতীয় দিনে এ দুটি উইকেটই প্রাপ্তি শ্রীলংকার। প্রথম দিনের প্রাপ্তি ছিল একটি। ওয়ানডে মেজাজে খেলা ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালকে নার্ভাস নাইনটিতে আউট করেছিলেন বিশ্ব ফার্নান্দো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দরিদ্র পরীক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপে এগিয়ে এলেন অধ্যাপক ডা. ওহাব

কে এম রেজাউল করিম : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী নলতা হাইস্কুলের বর্তমান এসএসসি’র দরিদ্র কিছু পরীক্ষার্থীর ফরম ফিলাপে সহযোগিতার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

নলতা হাইস্কুলের ১৯৭৫ সালের ব্যাচের কৃতি শিক্ষার্থী, নলতার কাজলা গ্রামের কৃতি সন্তান ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ডা: এস এম আব্দুল ওহাব প্রদত্ত আর্থিক অনুদান তার পক্ষে প্রদান করেন নলতা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো.আব্দুল মোনায়েম।

নলতা হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক পরিতোষ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় ২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অত্র বিদ্যালয়ের দশ জন দরিদ্র এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ২ হাজার করে মোট ২০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. হাবিবুল্লা, মো. মাহাবুব রহমান, সহকারী শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান, প্রধান অফিস সহকারী ভরত চন্দ্র সরকার প্রমূখ।

একইদিন পরবর্তীতে অধ্যাপক ডা: এস এম আব্দুল ওহাব এর গ্রামের বাড়ী নলতার কাজলা এলাকার দরিদ্র ও অসহায় ২০ জন ব্যক্তির মাঝে তার পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাসার পাঠানো যন্ত্র মঙ্গলগ্রহে অক্সিজেন তৈরি করলো

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি : নাসা মঙ্গলগ্রহে পারসিভেয়ারেন্স রোভার বলে যে মহাকাশযান পাঠিয়েছে, সেটির একটি ছোট্ট যন্ত্র মঙ্গলের কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে তা থেকে অক্সিজেন তৈরি করেছে।

নাসার এই মঙ্গল অভিযানে এটি এ ধরণের দ্বিতীয় প্রযুক্তিগত সাফল্য। এর আগে পারসিভেয়ারেন্স থেকে একটি মিনি হেলিকপ্টার উড়েছিলো মঙ্গল গ্রহের ওপর।

যে যন্ত্রটি দিয়ে মঙ্গলগ্রহে অক্সিজেন তৈরি করা হয়েছে, সেটি আকারে একটা পাউরুটি সেঁকার টোস্টারের সমান। এটির নাম ‘মার্স অক্সিজেন ইন-সিটু রিসোর্স ইউটিলাইজেশন এক্সপেরিমেন্ট’ বা সংক্ষেপে মোক্সি।

এই যন্ত্রটি পাঁচ গ্রাম গ্যাস তৈরি করেছে- যা দিয়ে মঙ্গলগ্রহে একজন নভোচারী বড়জোর দশ মিনিট শ্বাস নিতে পারবেন।

নাসা মনে করছে, ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে মানুষের অভিযানের সময় তাদের পুরোটা সময়ের জন্য যে অক্সিজেনের দরকার হবে তা পৃথিবী থেকে বহন করে নেয়ার পরিবর্তে মোক্সি নামের এই যন্ত্রটিরই আরো বড় কোনো সংস্করণ সাথে নেয়া যেতে পারে।

মহাকাশে যেতে যে রকেট ব্যবহৃত হয়, সেই রকেট চালানোর জন্যও অক্সিজেন লাগে। অক্সিডাইজারের উপস্থিতিতে জ্বালানি পুড়িয়ে রকেট সামনে অগ্রসর হওয়ার গতি অর্জন করে। ‌এই অক্সিডাইজার হিসেবে সাধারণ অক্সিজেনও ব্যবহার করা যায়।

মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডই বেশি, প্রায় ৯৬ শতাংশ। অক্সিজেন আছে মাত্র শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ। অথচ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আছে ২১ শতাংশ অক্সিজেন।

মোক্সি নামের যন্ত্রটি মঙ্গলের কার্বন ডাইঅক্সাইডের অণু থেকে অক্সিজেন বের করতে পারে। কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রতিটি অণুতে থাকে কার্বনের একটি এবং অক্সিজেনের দুটি পরমাণু। আর এই অক্সিজেন বের করে নেয়ার পর যে কার্বন মনোক্সাইড অবশেষ হিসেবে থেকে যায়, তা ছেড়ে দেয়া হয় মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে।

নাসার যে টিম মোক্সি যন্ত্রটি চালাচ্ছে, তারা বিভিন্নভাবে এটি পরীক্ষা করে দেখছে কিভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়। তাদের প্রত্যাশা হচ্ছে, এটি দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় দশ গ্রাম পর্যন্ত অক্সিজেন উৎপাদন করা যাবে।

নাসার স্পেস টেকনোলজি মিশন ডাইরেক্টরেটের টেকনোলজি বিষয়ক পরিচালক ট্রাডি কোর্টেস বলেন, মোক্সি যে ভিনগ্রহে অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রথম যন্ত্র কেবল তাই নয়, এটি হচ্ছে এ ধরণের প্রথম প্রযুক্তি যা ভবিষ্যতের অভিযানগুলোকে ভিন্ন কোন গ্রহে সেখানকার পরিবেশের উপাদান ব্যবহার করেই বেঁচে থাকতে সহায়তা করবে।

নাসা তার ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারটি আজ আবার ওড়ানোর চেষ্টা করবে।

গত সপ্তাহে এই মিনি হেলিকপ্টার মঙ্গলগ্রহে ওড়ার মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করে। ভিন্ন কোন গ্রহে কোনো বিদ্যুৎচালিত উড়ন্তযানের এটাই ছিল প্রথম কোনো নিয়ন্ত্রিত ফ্লাইট।

দ্বিতীয় ফ্লাইটের সময় এটি মঙ্গলের পৃষ্ঠদেশ থেকে পাঁচ মিটার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। এটি এসময় কিছু ছবি তুলবে, এরপর যেখান থেকে উড়েছিলো, সেই জায়গায় ফিরে মাটিতে নামবে। খবর: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি নয়, হেফাজতের সঙ্গে সরকারই সম্পৃক্ত : ফখরুল

রাজনীতির খবর : বিএনপি নয়, হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সরকারই সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরও বলেন, ‘সরকার ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। ২৬ মার্চের পর থেকে গত কয়েকদিনে বোধহয় কয়েক হাজার গ্রেপ্তার করে ফেলেছে। এবং শুনলে অবাক হবেন আমাদের চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, ঢাকায় দলের (বিএনপি) কর্মীরা রাতে বাসায় থাকতে পারেন না। ব্লকরেইড করছে, কেরানীগঞ্জে ব্লকরেইড করে আমাদের নেতাকর্মীদের অ্যারেস্ট করছে। কিছু বলতে গেলেই তারা বলে যে, হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে।’

‘হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত তো আপনারা। আপনারা বসে, প্রধানমন্ত্রীর বাসায় বসে মিটিং করে তাদের (হেফাজতে ইসলাম) সঙ্গে চুক্তি করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে কওমি-মাতা উপাধি দেওয়া হয়েছে। আমরা হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলাম, না আপনারা?’, প্রশ্ন তুলেন বিএনপির মহাসচিব।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর কাদেরের বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিএনপির মহাসচিব এই অভিযোগ করেন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির উদ্যোগে ‘করানো মোকাবিলায় স্থানীয় সরকারের ভূমিকা’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হয়। এতে জেএসডির প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী তো সরাসরি বলে ফেলেন, এতো কোটি টাকা দিয়েছি, আমরাই একমাত্র কাজ করছি। আর তো কেউ কাজ করছে না- এসব কথা বলেন। দায়িত্ব তো আপনারাই নিয়েছেন। দায়িত্ব তো পালন করতে হবে আপনাদেরকেই। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আপনারা প্রতি পদে পদে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। আপনারা জনগণের সব আস্থা হারিয়েছেন, বিশ্বাস হারিয়েছেন। এখন অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করেছেন। এই দেশটাকে একটা পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন।’

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে কয়েকটি বাম সংগঠন এবং হেফাজতে ইসলাম নামে একটি সংগঠনের প্রতিবাদ-বিক্ষোভের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, এখানে যেকোনো সংগঠনে, যেকোনো রাজনৈতিক দলের যেকোনো প্রতিবাদ করা তো তাদের অধিকার, এটা তাঁর সংবিধান সম্মত অধিকার।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আপনি গণতন্ত্রের কথা বলবেন অথচ কাউকে প্রতিবাদ করতে দিবেন না, আপনি কাউকে কথা বলতে দিবেন না, অন্যায়গুলোকে তুলে ধরতে দিবেন না, ভুলগুলোকে চিহ্নিত করতে দিবেন না। তাহলে কিভাবে একটা সরকার চলতে পারে! যেটা তো আর যাই হোক, গণতান্ত্রিক সরকার হতে পারে না।’

জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে ও শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ও ফারাহ খানের সঞ্চালনায় সভায় সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজমুদার, জেএসডির কার্যকরী সভাপতি মো. সিরাজ মিয়া, আ ক ম আনিসুর রহমান খান কামাল, সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন তালুকদার, সহসভাপতি তৌহিদুল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest