সর্বশেষ সংবাদ-
ভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৬৮৩ জনে। পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন চার হাজার ২৮০ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত সাত লাখ ৩২ হাজার ৬০ জন।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে মঙ্গলবার কভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৯১ জন। নতুন করে শনাক্ত হন চার হাজার ৫৫৯ জন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত থেকে সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৯২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ছয় লাখ ৩৫ হাজার ১৮৩ জন। অর্থাৎ শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এছাড়া শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার এক দশমিক ৪৬ শতাংশ। আর টেস্ট বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ২৮ হাজার ৫৬১টি। এরমধ্যে সবমিলে নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২৮ হাজার ৪০৮টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫২ লাখ ৪৯ হাজার ৬৮৩টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হওয়া ৯৫ জনের মধ্যে পুরুষ ৫৯ জন। আর নারী ৩৬ জন। পুরুষ মৃত্যু হার ৭৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। নারী মৃত্যু হার ২৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত সাত হাজার ৮৮৬ জন পুরুষের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে দুই হাজার ৭৯৭ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে।

মারা যাওয়া ৯৫ জনের মধ্যে তিনজন ৩১ থেকে ৪০ বছরের। ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৩ জন। ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২২ জন। ৬০ বছরের বেশি বয়সী মারা গেছেন ৫৭ জন।

গতবছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হন। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে দশম শ্রেণির মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পাউখালি মাহবুবা রাজ্জাকিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা সন্ধ্যায় তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসা শিক্ষকের নাম হাফেজ আব্দুল মজিদ (৪২)। তিনি শ্যামনগর উপজেলার শ্রীফলকাটি গ্রামের শওকত গাজীর ছেলে ও কালিগঞ্জের পাউখালি মাহবুবা রাজ্জাকিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানার শিক্ষক।
পুলিশ জানায়, শিক্ষক আব্দুল মজিদের সাথে শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর মহিলা মাদ্রাসার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরই জের ধরে শিক্ষক আব্দুল মজিদ গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কালিগঞ্জের পাউখালি মাহবুবা রাজ্জাকিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় নিয়ে আসেন। এরপর রাতে ওই ছাত্রীকে শিক্ষকের শয়ন কক্ষে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। পরদিন ১৮ এপ্রিল সকালে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে তাকে মোটরসাইকেল যোগে কালিগঞ্জের গড়ের হাট নামকস্থানে নামিয়ে দেন ওই শিক্ষক। এ সময় তিনি তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে ওই ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানায়। কোন উপায় না পেয়ে ওই ছাত্রীর বাবা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর রাতেই কালিগঞ্জ থানা পুলিশ পাউখালি মাহবুবা রাজ্জাকিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় অভিযান চালিয়ে ওই মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেন।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত ওই মদ্রিাসা শিক্ষককে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেঞ্চুরি হলো না দুর্দান্ত তামিমের

খেলার খবর : শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ‘ওয়ানডে স্টাইলে’ ব্যাট করে অর্ধশতক করেছিলেন টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরি পথে। কিন্তু লঙ্কান পেসার বিশ্ব ফার্নান্দো’র বলে ক্যাচ আউট হয়ে মাঠ ত্যাগ করেন তামিম। আউট হওয়ার আগে ১০১ বলে ৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। এই রান করতে ১৫টি চার মারেন তিনি।

বুধবার ক্যান্ডির পাল্লেকেলেতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল হক।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৮ রানের মাথায় সাইফ হাসানের উইকেট হারালে সেখান থেকে নাজমুল হোসেন শান্তকে সাথে নিয়ে ১৪৬ রানের জুটি গড়েন তামিম ইকবাল। শান্ত অর্ধশতক হাঁকিয়ে বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দুই উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান। নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৪ রান ও মুমিনুল হক ১২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

এর আগে রানের খাতা খোলার আগে সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান। তিনি ছয় বল মোকাবেলা করে লঙ্কান পেসার বিশ্ব ফার্নান্দো’র এলবিডাব্লিউ’র শিকার হয়ে মাঠ ত্যাগ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগে ১০ লক্ষ টাকার মাছ নিধন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবনগরের একটি মৎস্য ঘেরে দুর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময় এ ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে জানা গেছে।

ঘের মালিক সদর উপজেলার শিবনগর গ্রামের রাকিব হাসান রনি জানান, স্থাণীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে বুধবার সকালে মৎস্য ঘেরে গিয়ে তিনি দেখতে পান তার ঘেরের রুই, কাতলা, সিলভারসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠছে। এতে তার প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরো জানান, গত ১০ দিন আগে তার মৎস্য ঘের থেকে একটি মটর চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি তার প্রতিবেশী রাজনগর গ্রামের মিন্টু, মনিরুল ও আজহারুলকে সন্দেহ করেন। তিনি আরো বলেন, পূর্ব শত্রতার জের ধরে তারা এ কাজটি করতে পারে বলে তিনি প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তবে, এ ব্যাপারে রাজনগর গ্রামের মিন্টু জানান, তারা আমাদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মার ধর করায় আমরাও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুরহান উদ্দীন জানান, এ ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুস্থ, ভাসমান ও অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার জন্য ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২১ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকগণের অনুকূলে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

বরাদ্দকৃত এই টাকা দিয়ে জেলা প্রশাসকগণ লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে নানা সহায়তা দেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘লকডাউনে’ নেই কড়াকড়ি, সড়কে গণপরিবহন ছাড়া চলছে সব গাড়ি

অনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই দুর্বল হয়ে পড়ছে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ। সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধের অষ্টম দিনে গণপরিবহন ছাড়া সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।

গত কয়েকদিনের পুলিশের চেকপোস্টে কড়াকড়ি দেখা গেলেও বুধবার দেখা গেছে তার উল্টো চিত্র। রাজধানীর কোনো কোনো সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপও দেখা গেছে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সরেজমিনে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, গাবতলি, শ্যামলী, মিরপুর, আসাদগেট, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ধানমন্ডি, মালিবাগ, মগবাজার, কাকরাইল ও পল্টন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মোড়ে মোরে পুলিশের চেকপোস্ট নেই। কোনও কোনও মোড়ে চেকপোস্ট থাকলেও তাতে পুলিশের উপস্থিতি নেই।

এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, মোটরসাইকেলে দুজন আরোহণ করছে এবং সিএনজিতে চারজন থেকে পাঁচজন পর্যন্ত চলাচল করছে। মোটরসাইকেলে দুজন চলাচল করলেও পুলিশ তাদের দেখে অনেকটা নিশ্চুপ অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিলো। এমনকি মোটরসাইকেলে ডেকে ডেকে যাত্রী তুলতেও দেখা যায় অনেক রাইডারকে।

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় প্রায় ৩০ মিনিট থেকে দেখা যায়, গত কয়েকদিন যেখানে পুলিশের চেকপোস্টে ছিল সেখানে আজকে পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়নি।

এছাড়াও রাজধানীর কিছু কিছু সড়কে যানজট না থাকলেও কোথাও কোথাও সিগন্যাল লক্ষ্য করা গেছে। পুরো সড়কজুড়েই রিকশা আর সিএনজির আধিপত্য চলছে। আর সড়কে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কারওয়ান বাজারের একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, লকডাউনে রাস্তায় চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও অনেকে বিনা প্রয়োজনেও রাস্তায় বের হচ্ছেন। আমরা এমন ক্ষেত্রে জরিমানা করছি। আবার কেউ কেউ বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন। তবে জরুরি সেবায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা অবাধে চলাচল করতে পারছেন।

জলিল নামে মিরপুরের এক বাসিন্দা বলেন, কঠোর লকডাউন হলেও রাস্তায় সবকিছুই চলছে। শুধু বাস ছাড়া। আর বাস না চলায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল চালকরা একপ্রকার ডাকাতি শুরু করেছে। আমাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তারা কয়েক গুণ বেশি ভাড়া চাচ্ছে। আমি গুলিস্তান যাব। সিএনজি বলছে ৫০০ টাকার নিচে যাবে না। আর বাইকাররা বলছে ৪০০ টাকা লাগবে। সবই যেহেতু চলছে, তাহলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চললে অন্তত আমাদের মতো যাত্রীদের পকেট কাটা যেতো না।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শফিকুল ইসলাম বলেন, বাসা থেকে রাস্তায় বের হলেই চারিদিকে মানুষ আর মানুষ। এতো মানুষের ভিড় যে তাতে লকডাউন মনেই হচ্ছে না। রিকশা ভাড়া দিতে দিতে গত কয়েকদিনে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। বাসটাই শুধু চলছে না। বাস চললে অন্ততপক্ষে যাতায়াতে কিছু টাকা খরচ কম হতো।

মালিবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা আবুল কালাম নামের একজন বলেন, এটার নাম লকডাউন? সড়কে দেখেন এতো গাড়ি চলছে। পুলিশের কোনো বাধা নেই। নিম্ন আয়ের মানুষের জীবিকার ব্যবস্থা না করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কষ্টে পড়ে মানুষগুলো সড়কে নামছে। তাই পুলিশ কিছুই করতে পারছে না।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত ১৮ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে গত ৫ এপ্রিল থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে বিধিনিষেধ জারি করা হয়। নির্দেশনা অনুসারে জরুরি পণ্যবাহী পরিবহন ছাড়া রাস্তাঘাটে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ারও নির্দেশনা ছিল। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘোষণা দেন, দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ এপ্রিল থেকে সকাল সন্ধ্যা গণপরিবহন চলবে। তবে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে করোনার সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত এক সপ্তাহের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ১১ এপ্রিল শেষ হলেও এর মেয়াদ বাড়িয়ে ১২ ও ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। নিষেধাজ্ঞা শেষে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ জারি করে সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় কবি শঙ্খ ঘোষের জীবনাবসান

সাহিত্য ডেস্ক :  কবি শঙ্খ ঘোষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

গায়ে জ্বর নিয়ে গত সপ্তাহে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন কবি। ১৪ এপ্রিল বিকেলে জানা যায়, তিনি করোনা পজিটিভ।

এছাড়া এমনিতেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন এই কবি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়।

করোনা সংক্রমিত হওয়ার পর ঝুঁকি না নিয়ে বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন শঙ্খ ঘোষ। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে আচমকা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। বুধবার সকালে তাকে ভেন্টিলেটর দেয়ার চেষ্টাও হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চিরতরে চলে গেলেন তিনি।

দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা ভূমিকায় দেখা গেছে শঙ্খ ঘোষকে। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব আইওয়া এবং বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৯২ সালে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসরগ্রহণ করেন।

বছর দুয়েক আগে ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় মোদি সরকারের মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন তিনি।

বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষের অবদান কিংবদন্তিপ্রতিম। ‘দিনগুলি রাতগুলি’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, ‘গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ’ তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসেবেও তার প্রসিদ্ধি সর্বজনবিদিত।

সাহিত্যজীবনে একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন শঙ্খ ঘোষ। ১৯৭৭ সালে ‘বাবরের প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার ‘সাহিত্য অকাদেমি’ পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে কন্নড় ভাষা থেকে বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’ নাটকটি অনুবাদ করে ফের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া রবীন্দ্র পুরস্কার, সরস্বতী সম্মান, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১১ সালে তাকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে তৎকালীন ভারত সরকার।

শঙ্খ ঘোষের আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। তার বাবা মনীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মা অমলা ঘোষ। ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের বর্তমান চাঁদপুর জেলায় তার জন্ম। বংশানুক্রমিকভাবে পৈত্রিক বাড়ি বরিশালের বানারিপাড়ায়। তবে শঙ্খ ঘোষ বড় হয়েছেন পাবনায়। বাবার কর্মস্থল হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর পাবনায় অবস্থান করেন এবং পাবনার চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় কলা বিভাগে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েড হত্যায় পুলিশ কর্মকর্তা দোষী সাব্যস্ত

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ হেফাজতে নিহত কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার অভিযোগে বহিষ্কৃত শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চৌভিন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ১২ সদস্যের জুরির একটি প্যানেল ডেরেক চৌভিনকে দোষী সাব্যস্ত করে। খবর বিবিসির

ডেরেক চৌভিনের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগই আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে তার ৪০ বছরের জেল হতে পারে।

আদালত জানিয়েছেন, আগামী আট সপ্তাহের মধ্যে চৌভিনের কারাদণ্ডাদেশ ঘোষণা করা হবে।

চৌভিনের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এগুলো হলো- ‘সেকেন্ড ডিগ্রি’ অনিচ্ছাকৃত খুন, ‘থার্ড ডিগ্রি’ খুন এবং ‘সেকেন্ড ডিগ্রি’ নরহত্যা। তিনটি অভিযোগেই চৌভিনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত।

তবে ডেরেক চৌভিন তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। চৌভিনের দাবি, তিনি তার পুলিশ প্রশিক্ষণের ব্যবহার করেছে।

বিশ্বে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসে এই রায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

গত বছরের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহর চৌভিনের হাতে নিহত হন জর্জ ফ্লয়েড।

সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার উপরে ফ্লয়েডকে ফেলে তার ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে মাটিতে চেপে ধরে রেখেছে পুলিশ। পরে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest