সর্বশেষ সংবাদ-
ডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধের) মেয়াদ একই শর্তে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ল।

আগামী বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) থেকে আরও এক সপ্তাহ লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে মঙ্গলবার (২০ এপিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক বিশেষ ফ্লাইট চলাচল, ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ আগের সব বিধিনিষেধের আরোপের সময়সীমা আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামীকাল বুধবার মধ্যরাতে। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির এখনও উন্নতি হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে রোববার (১৮ এপ্রিল) ৩১তম সভায় সংক্রমণরোধে আরও এক সপ্তাহের জন্য ‘কঠোর লকডাউন’ আরোপের সুপারিশ করে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। লকডাউনের মেয়াদ বাড়াতে সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়। সেখানে লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।

কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে গত ১২ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। নতুন মেয়াদেও এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

১. সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ও সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। (ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে ১৩ এপ্রিল আরেকটি নির্দেশনা জারি করা হয়)।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। (আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ এবং দেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়ালি সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট)

৩. সকল প্রকার পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে, পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোরর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (সরাসরি/অনলাইন) করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুম্মা ও তারাবি নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারে।

সর্বশেষ সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটিই বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ২১৭ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাক্তার ও পুলিশের পাল্টা বিবৃতি, হাইকোর্টের ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক : চলমান সর্বাত্মক লকডাউনে সড়কে ‘মুভমেন্ট পাস’ নিয়ে চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের বাগবিতণ্ডার ঘটনায় দুই পেশাজীবী সংগঠন পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেছেন, ওই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়া সমীচীন হয়নি। তাদের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে এমন আচরণ কাম্য নয়।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।

এর আগে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে চিকিৎসক, পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উত্তেজনাপূর্ণ বাদানুবাদ ও অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় পালটাপালটি প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার মজুমদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত এ প্রতিষ্ঠানের লোগো সংবলিত গাড়িতে বাড়ি ফিরছিলেন। পুলিশ তার গাড়ি থামালে পরিচয় দেওয়ার পরও তার চিকিৎসক পরিচিতি ভুয়া বলে তাকে অসৌজন্যমূলকভাবে গাড়ি থেকে নামতে বলা হয়। ডা. সাঈদা তার নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় ছিলেন। এরপরও পুলিশ তার সঙ্গে অসৌজন্যমুলক আচরণ করেন। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হন, যার খণ্ডিত চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। এ ক্রান্তিলগ্নে দেশ সেবায় নিবেদিত চিকিৎসককে অপমান ও অপদস্থ করায় স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। যা দেশব্যাপী চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করার শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় মেডিকেল কর্তৃপক্ষ একজন চিকিৎসককে হয়রানির প্রতিবাদ জানাচ্ছে ও চলমান করোনা চিকিৎসার স্বার্থে স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চেকপোস্ট চলাকালে চিকিৎসককে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরিচয়পত্র দেখাতে বললে তিনি ন্যক্কারজনকভাবে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তিনি শুধু ওই পুলিশ সদস্যদের অপমান করেননি গোটা পুলিশ বাহিনীকে কটাক্ষ ও হেয়প্রতিপন্ন করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি নিজ পেশার পরিচয় বাদ দিয়ে অপ্রাসঙ্গিক পরিচয় তুলে ধরে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। জাতির সামনে পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা করেছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের প্রতি চিকিৎসকের এহেন অপেশাদার ও অরুচিকর আচরণে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য মর্মাহত। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এ ঘটনার তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জানাচ্ছে ও একই সঙ্গে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

এদিকে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চে অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ সোমবার বাকবিতণ্ডার ওই ঘটনা নজরে আনেন। তিনি আদালতকে বলেন, আমি জনস্বার্থে একজন চিকিৎসককে পুলিশি হয়রানির এ ঘটনা আপনাদের কাছে উপস্থাপন করছি। আদালত বলেন, পুলিশ-চিকিৎসক বাকবিতণ্ডা করেছেন। আজ আদালত এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কঠোর অবস্থানে জেলা পুলিশ, স্বাস্থ্যবিধি মানাতে অভিযান অব্যাহত

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় লকডাউনের সপ্তম দিনে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক গুলোতে সরাকারী স্বাস্থ্য বিধি না মেনে চলাচলরত ইজিবাইক, রিকশা, ভ্যাান, মাহিন্দ্র, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন আটক করা হচ্ছে। তবে, শহরে জনসমাগম অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশী লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া শহরের সুলতানপুর বড়বাজার, পুরাতন সাতক্ষীরা কাঁচা বাজার, টাউনবাজারসহ বিভিন্ন বাজার গুলোতে মানুষ সামাজিক দূরত্ব না মেনে কেনা কাটা করছেন।
এদিকে, লকডাউনের মধ্যে দোকানপাট খোলারাখা, সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ বিভিন্ন অপরাধে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরার ১৩ টি মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৫৪ টি মামলায় ৫৮ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাতক্ষীরার এনডিসি মোঃ আজহার আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাঝরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় হেফাজত নেতারা

অনলাইন ডেস্ক : হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে চলমান এ গ্রেফতার অভিযানের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠক করছেন সংগঠনটির শীর্ষ কয়েকজন নেতা। সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় শুরু হওয়া বৈঠকটি আনুমানিক রাত ১১টা পর্যন্ত চলে।

বৈঠক শেষে, একেক করে হেফাজত নেতারা বেরিয়ে আসেন। এ সময় বৈঠকে কি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে মামুনুল হকের ভাই মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, ‘আলোচনা হয়েছে, তবে আর কিছু বলার নাই।’

হেফাজতের মহাসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদি বলেন, ‘আমি অসুস্থ। কথা বলতে পারছি না।’ পরে হেফাজতের মহাসচিব হিসেবে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা একটু কথা বলেছি।’

এরপর উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিক তাদের কাছে কিছু বলার অনুরোধ জানালেও তারা দ্রুতগতিতে গাড়িতে উঠে চলে যান। এসময় মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি হাত নাড়িয়ে বক্তব্য প্রদানে অস্বীকার করেন।

এর আগে রাত ১০টার দিকে হেফাজতের শীর্ষ নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় ঢোকেন। এসময় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ছিলেন দলটির নায়েবে আমীর মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজী, হেফাজতের মহাসচিব নূরুল ইসলাম জেহাদী, মামুনুল হকের ভাই বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান (দেওনার পীর), মাওলানা হাবিবুল্লাহ সিরাজী প্রমুখ।

এর আগে সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে হেফাজতের পাঁচ শীর্ষ নেতা বৈঠক করেন। হেফাজতের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা নূরুল ইসলাম জেহাদী।

হেফাজতের একজন নেতা সোমবার রাত পৌনে ১২টায় বলেন, দুপুরে বৈঠকের ফলোআপ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তার মধ্যস্ততায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বৈঠকটি হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে কোণঠাসা হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা সমঝোতার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। হেফাজতের নেতারা চাইছেন, আর কোনও নেতাকর্মীকে যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার না করে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ৫০ বছর ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের বিরোধিতা করে আন্দোলনের নামে তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম। তখনও হেফাজতের শীর্ষ নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ না করেই একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। তবে ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের প্রভাবশালী নেতা মাওলানা মামুনুল হক এক নারী সঙ্গীসহ আটক হলে নড়েচড়ে বসে সরকার।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাতেই হেফাজতের মধ্যম ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সর্বশেষ রবিবার (১৮ এপ্রিল) মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় হেফাজতের প্রভাবশালী নেতা মাওলানা মামুনুল হককে।

সোমবার তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লকডাউনে যুবকের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, এসআই ক্লোজড

ভিন্ন স্বাদের কবর : ফেনী শহরের ট্রাংক রোডে লকডাউন চলাকালে এক যুবকের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনায় পুলিশের এসআই যশোমন্ত মজুমদারকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে থাকা দুই কনস্টেবলকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাইনুল ইসলাম জানান, পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে জড়ানো যুবক মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তার সাথে পুলিশ সদস্যরা আরো দায়িত্বশীল আচরণ করতে পারতেন।

পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী স্বাক্ষরিত ওই আদেশে এসআই যশোমন্ত মজুমদারকে ফেনী মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে, সোমবার (১৯ এপ্রিল) লকডাউন চলাকালে ফেনীতে পুলিশের সঙ্গে এক যুবকের হাতাহাতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। শহরের ট্রাংক রোডের মডেল হাইস্কুলের সামনে ওই যুবককে আটকের সময় পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা করতে দেখা যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের ভূঞারহাট এলাকার বাসিন্দা শহীদ মাস্কবিহীন অবস্থায় রিকশাযোগে শহরের উকিলপাড়া থেকে ট্রাংক রোডের দিকে আসছিলেন। তার রিকশাটি মডেল স্কুলের সামনে পৌঁছালে ফেনী মডেল থানার দায়িত্বরত উপ পরিদর্শক (এসআই) যশোমন্ত মজুমদারসহ পুলিশ সদস্যরা গতিরোধ করেন।

এ সময় ওই যুবক চিৎকার করে বলতে থাকেন- ‘অন্য রিকশা ছেড়ে দিছস। আমার রিকশা কেন ধরা হয়েছে।’ একপর্যায়ে তাকে রিকশা থেকে জোরপূর্বক নামানোর পর ওই যুবক গালমন্দ করতে থাকেন। পুলিশ তাকে ‘পাগল’ আখ্যা দিলে কেন পাগল বলা হয় তার কারণ জানতে চান যুবক। তার হাতে হাতকড়া লাগানোর চেষ্টা করলে চার পুলিশ সদস্যের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। তখন ওই যুবক বারবার বলতে থাকেন- ‘এ দেশ পুলিশের দেশ।’

স্থানীয়রা জানায়, পুলিশের সাথে মারামারিতে লিপ্ত হওয়া ওই যুবকের নাম শহিদ। তিনি ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।

ফেনী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ওমর হায়দার জানান, রোববার ফেনী শহরের ট্রাংক রোডস্থ মডেল স্কুলের সামনে থেকে অটক যুবক শহীদের মানসিক সমস্যা রয়েছে। তাকে হাজতখানায় রাখার পর চিৎকার করে সবাইকে অস্থির করে তোলেন। এক পর্যায়ে তার স্বজনদের ডেকে আনলে তারা মানসিক সমস্যার কথা জানান। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

https://www.facebook.com/watch/?v=574988053474783&t=0

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার হাওয়ালখালীতে জমি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিরোধপূর্ণ জমিতে দোকান ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার সদর উপজেলার হাওয়ালখালীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের একজন আহত হয়েছে।

রোববার দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার হাওয়ালখালী গ্রামের শহর আলী ঢালীর সাথে আব্দুর রউফ সরদারের জমাজমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এরই জের ধরে রোববার দুপুরে রেউই বাজারে শহর আলী তার দখলীয় দোকান ঘরের দ্বিতীয় তলায় কাজ করছিল। সময় প্রতিপক্ষ আব্দুর রউফ সরদার ও তার ছেলে আব্দুল মঈন সেখানে হামলা চালিয়ে নির্মাধীন দেয়াল ভাংচুর করে। এতে বাধা দিলে সংঘর্ষ হয়। এসময় শহর আলী গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা শহর আলীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় শহর আলী বাদী হয়ে রউফ সরদার ও তার ছেলে আব্দুল মঈনকে আসামী করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুরহান উদ্দীন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামীদের ধরকে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনমোহন সিং করোনায় আক্রান্ত

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এমস)-এ ভর্তি করা হয়েছে।

সম্প্রতি অসুস্থ বোধ করায় নমুনা পরীক্ষা করান তিনি। সোমবার (১৯ এপ্রিল) সেই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

৮৮ বছর বয়সী মনমোহন সিং এর ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। তাই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে। করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে টিকাকরণে জোর দেওয়ার আর্জি জানিয়ে রোববার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছিলেন মনমোহন সিং। সূত্র: আনন্দবাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

কে এম রেজাউল করিম : দেবহাটায় ধানের বাম্পারর ফলনের সম্ভবনায় মাঠে মাঠে বসন্তের বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। বাম্পার ফলনের সম্ভবনায় কৃষকের মুখে হাসি। সবুজের সমাহারে মাঠ গুলো যেন হেসে উঠেছে। আর সেই সাথে হাসি ফুটছে কৃষকের মুখেও।আবহওয়া অনুকুলে থাকলে এবার ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাবেন এ এলাকার কৃষকরা এমনটাই স্বপ্ন তাদের চোখে।কয়েক জন কৃষক জানিয়েছেন- প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না ঘটলে এবং বাজারে ধানের ন্যয্য মূল্য পেলে, অধিক মুনাফা লাভের আশা তাদের।

এরই মধ্যে প্রতি বিঘা ধান চাষ থেকে শুরু করে, জমিতে চারা রোপন, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক দিয়ে মোট খরচ হয়ে গেছে প্রায় ১০/১৫হাজার টাকা। এখনো খরচ হবে।ধান কাটা, বাঁধা,বাড়িতে নিয়ে যাওয়া,ধান ঝাড়া, এতো খরচের পর ফলন ভালো হওয়াসহ দাম ভালো পাওয়া গেলে এই খরচ আর পরিশ্রম দুটোই সার্থক হবে। কাজী মোল্লা গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ ৫০) জানিয়েছেন এবার জমিতে ২ বিঘা ইরি ধান চাষ করেছি, বৈরি আবহাওয়া, পোকামাকড় ও ইঁদুরের আক্রমন না হলে ধানের অধিক ফলনের আশাবাদী তিনি।

কোড়া গ্রামের কৃষক আজগার আলী (৪৫) জানিয়েছেন তিনি ৮বিঘা জমিতে ইরি ধানের আবাদ করেছেন। আবহওয়া যদি অনুকুলে থাকে এবং পোকামাকড়ের আক্রমন থেকে ধানকে রক্ষা করা যায় তবে বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।

দেবহাটার উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর জানান, দেবহাটা উপজেলায় ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে যদি, আবহওয়া অনুকুলে থাকে ও পোঁকার আক্রমন থেকে ফসল রক্ষা করা যায়।তিনি আরও জানিয়েছেন এ মৌসুমে দেবহাটা উপজেলায় ইরি বোরো ধানের আবাদ হয়েছে হাইব্রিগেড ২৮০০হেক্টর উফশী ৩২০০ হেক্টর জমিতে।
দেবহাটার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল সব সময় কৃষকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest