সর্বশেষ সংবাদ-
ডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

গুলি চালিয়ে শ্রমিক হত্যা করে পুলিশ বড় অন্যায় করেছে : রাশেদ খান মেনন

রাজনীতির খবর : ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রে গুলি করার মতো ঘটনা ঘটেনি। সেখানে গুলি চালিয়ে শ্রমিক হত্যা করে পুলিশ বড় অন্যায় করেছে।

সম্প্রতি মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) ‘প্রয়োজনে ভারি অস্ত্র ব্যবহারের’ যে ঘোষণা দিয়েছেন তাতেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই বাম রাজনীতিক।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল থেকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গুণ্ডামারায় এস আলম গ্রুপের ওই কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন শ্রমিকরা। কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। এক পর্যায়ে দুপুরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ বাধে। এতে পাঁচজন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়।

বিক্ষোভে হতাহতদের স্বজনদের দাবি, পুলিশ বিনা উসকানিতে বিক্ষোভে গুলি চালায়। যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ‘শ্রমিকরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করেছে, তাই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে। পুলিশ কখনো আগে গুলি করে না।’

এ ঘটনায় একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।

শ্রমিক নিহতের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘শ্রমিকরা তাদের অধিকার নিয়ে যে কোনো দাবি তুলতেই পারেন। কিন্তু পুলিশ সেখানে যেভাবে গুলি চালিয়েছে এবং পত্র-পত্রিকায় যেভাবে সংবাদ প্রকাশ পেয়েছে, তাতে অবাক হয়েছি। শ্রমিকরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করেনি। তারা কোনো দলীয় ব্যানারেও আন্দোলন করেনি। শ্রমিকরা আন্দোলন করলে অথবা মারমুখি হলেই কি গুলি করতে হবে নাকি? আসলে বাঁশখালীতে গুলি করার মতো ঘটনা ঘটেনি।’

আপনারাও ক্ষমতাসীন জোটে আছেন, এক্ষেত্রে আপনাদের অবস্থান জনগণ কীভাবে দেখছে, জানতে চাইলে মেনন বলেন, ‘এর সঙ্গে শরিক দলের কোনো সম্পর্ক নেই। শ্রমিক এবং পুলিশের ব্যাপার। আমি স্পষ্ট করে বলছি, সেখানে গুলি চালানোর মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে মনে হয়েছে আমার। গুলি করে পুলিশ বড় অন্যায় করেছে।’

এ ঘটনায় পুলিশ এবং এস আলম গ্রুপ আলাদা মামলা করেছে, বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ মামলা করতেই পারে। পুলিশের বিরুদ্ধেও মামলা হতে পারে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। পাঁচজন শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। অনেক বড় ঘটনা এটি।’

সাবেক এই মন্ত্রী আরও বলেন, ‘পুলিশের আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ সম্প্রতি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে আমি উদ্বিগ্ন। তিনি বলেছেন, ‘পুলিশ সর্বোচ্চ অস্ত্র প্রয়োগ করবে’। সেই বক্তব্য থেকে উৎসাহিত হয়ে এটি করা হয়েছে কি-না আমি জানি না?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশ ও চিকিৎসকের উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক : করোনার বিস্তার রোধে চলমান ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ রোববার দুপুরে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন এক নারী চিকিৎসক। বাকবিতণ্ডার সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ওই নারী নিজেকে শওকত আলী বীর বিক্রমের মেয়ে সাইদা শওকত বলে পরিচয় দেন। ‘ডাক্তার বড় না পুলিশ বড়’- সেই প্রশ্ন তুলে তা দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন ওই নারী চিকিৎসক। রোববার দুপুরে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে পুলিশ চেকপোস্টে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় উত্তেজিত হয়ে উঠেন ওই নারী। নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক পরিচয় দেন তিনি। তবে পুলিশ বারবার পরিচয়পত্র দেখতে চাইলেও তিনি তা দেখাননি।

৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশকে উদ্দেশ করে ওই নারী বলেন, ‘করোনায় জীবন গেছে কয়জন ডাক্তারের, আর আপনারা কতজন মরছেন। আমার কাছে আবার চান মুভমেন্ট পাস।’

এরপরই পাল্টে যায় পরিস্থিতি। পুলিশের এক সদস্য ওই নারীকে বলেন, ‘আপনি আমাদের ধমক দিচ্ছেন কেনো?’ জবাবে নারী বলেন, ‘আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর মেয়ে।’ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। আপনি আমাকে শোনাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধার কথা।’

এসময় উত্তেজিত হয়ে ওই নারী পুলিশকে বলেন, ‘ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে। আমি বিএসএমএমইউ প্রফেসর, বীর বিক্রমের মেয়ে। আমাকে আপনারা হয়রানি করতে পারেন না।’ পরে পুলিশের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘আপা আপনাকে তো হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে।’

এরপরে নিজ গাড়িতে ওঠে যান ওই নারী চিকিৎসক। তখন পুলিশের এক সদস্য ওই নারীকে বলেন, ‘আপনি আমাকে তুই করে বলছেন কেন?’ এক পর্যায়ে আন্দোলনের হুমকি দেন ওই নারী। পুলিশ কর্মকর্তা জবাবে বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন?’

‘আর আমি কে, সেটা এখন তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা’- এই কথা বলে এক ‘মন্ত্রীকে’ ফোন করেন তিনি। ফোনে তাকে হয়রানি করার কথা বলেই পুলিশ সদস্যের হাতে তার ফোন তুলে দেন কথা বলার জন্য।

ভাইরাল ভিডিওতে ওই নারীকে তার পরিচয়পত্র দেখাতে দেখা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩০ লাখ মামলার জট কমাতে তিনগুণ বিচারক দরকার : প্রধান বিচারপতি

অনলাইন ডেস্ক : দেশের আদালতে বিচারাধীন ৩০ লাখ মামলা নিষ্পত্তির জন্য বর্তমানে যে পরিমাণ বিচারক রয়েছেন, এর তিনগুণ বিচারক দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চে আইনজীবীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘দেশের আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩০ লাখ। এসব মামলা নিষ্পত্তির জন্য বর্তমানে যে পরিমাণ বিচারক রয়েছেন, এর তিনগুণ বিচারক দরকার, নইলে কখনও মামলার জট কমানো সম্ভব হবে না। এছাড়া করোনার মতো পরিস্থিতিতে আইনজীবীরা ভার্চুয়াল কোর্টে অংশ নিলে মামলার জট পরিস্থিতির কিছুটা উত্তরণ সম্ভব।’

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ হয়েছে। কিন্তু অনেক জেলায় এখনও চিফ জুডিসিয়াল ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়নি। কোথাও জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা রয়েছে। জমি অধিগ্রহণের জটিলতার সমাধান করে ভবন নির্মাণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে বারবার।’

এ সময় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এএফ হাসান আরিফ বলেন, ‘আমাদের কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। এজন্য বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য আপনি নির্দেশনা দিতে পারেন। নইলে কৃষি জমি রক্ষা করা যাবে না।’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি আইনজীবী মো. ওজি উল্লাহ বলেন, ‘মামলা দায়েরের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। আগের চেয়ে এখন মামলা দায়েরের হারও বেশি।’

এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘নিম্ন আদালতে দুপুরের পর আইনজীবীদের পাওয়া যায় না। এজন্য সকালের পরিবর্তে বিকালে জামিন শুনানির জন্য বিচারকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে সেই সিদ্ধান্ত এখন বহাল রাখা যাচ্ছে না।’

জবাবে আইনজীবীরা বলেন, শুধু আইনজীবী কেন, নিম্ন আদালতে দুপুরের পর অনেক বিচারকও এজলাসে বসেন না।

পরে আদালত এ দিনের কার্যক্রম অনুসারে কার্যতালিকায় থাকা মামলার ওপর শুনানি করেন।

প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রভাবের কারণে চলমান লকডাউনের মাঝে হাইকোর্টে চারটি বেঞ্চে বিচার কাজ চলছে। অপরদিকে নিম্ন আদালতগুলোতে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম চলছে। তবে বিচারপ্রার্থীদের কথা ভেবে ভার্চুয়াল আদালত সংখ্যা বাড়াতে বারবার আবেদন জানিয়ে আসছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আরও দুই সপ্তাহ বাড়ল সব আসামিদের জামিনের মেয়াদ

দেশের খবর : করোনার ঊর্ধ্বমুখী প্রভাবে চলমান লকডাউনের মাঝে বিভিন্ন মামলায় পাওয়া সব আসামিদের জামিনের মেয়াদ ও আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের কার্যকারিতা আরও দুই সপ্তাহ বাড়িয়েছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।

রোববার সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব মামলায় আসামিকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জামিন প্রদান করা হয়েছে বা যেসব মামলায় উচ্চ আদালত থেকে অধস্তন আদালতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণের শর্তে জামিন প্রদান করা হয়েছে বা যেসব মামলায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করা হয়েছে- সেসব মামলার জামিন এবং সব ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশসমূহের কার্যকারিতা আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ৫ এপ্রিল এক বিজ্ঞপ্তিতে সব আসামিদের জামিন ও অন্তবর্তীকালীন আদেশের মেয়াদ দুই সপ্তাহ বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যর্থ সাকিব, কলকাতার হার

খেলার খবর : জয়ের জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সের তখন প্রয়োজন ছিল ১৫ বল ৫০ রান। উইকেটে তখন বাংলাদেশি তারকা সাকিব আল হাসান ও ক্যারিবীয় ক্রিকেটার আন্দ্রে রাসেল। তখনও অনেকেই আশা করেছিলেন এখান থেকেও দলকে বের করে আনা সম্ভব। না তা পারেনি কলকাতা। রোববার আইপিএলে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে ৩৮ রানে হেরেছে সাকিবের দল।

আশা জাগিয়েও এই ম্যাচে খুব একটা ভালো করতে পারেননি সাকিব। ব্যাট হাতে ২৫ বলে ২৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। বল হাতে তিনি ছিলেন ব্যর্থ। দুই ওভার বল করে ২৪ রান দিয়েছেন। কোনো উইকেট পাননি।

এর আগে দ্বিতীয় ম্যাচে সাকিবের দল কলকাতা ১০ রানে হেরেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের কাছে। প্রথমে ব্যাট করে ১৫২ রান করে মুম্বাই। তবে এই মামুলি লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি কলকাতা। তাদের ইনিংস থেমে যায় ১৪২ রানে।

সাকিব ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। পরে ব্যাট হাতে পাঁচ নম্বরে সুযোগ পান তিনি, উইকেট বিলিয়ে আসেন ৯ বলে ৯ রান করে।

আর প্রথম ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে মাত্র ৩ রান করেন। আর চার ওভার বল করে ৩৪ রান দিয়ে এক উইকেট নেন।

এর আগে ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কলকাতার হয়ে খেলেছিলেন সাকিব। ২০১৮ সালে সাকিবকে ছেড়ে দেয় দলটি। এরপর দুই মৌসুম সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলেন। আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে গত মৌসুমে সাকিবকে ছেড়ে দেয় হায়দরাবাদ। তাই আইপিএলের ১৪তম আসরের নিলাম থেকে সাকিবকে কিনে নেয় কলকাতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ বিনষ্ট

কে এম রেজাউল করিম : দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়ায় একটি মৎস্য ঘেরে বিষ দিয়ে লক্ষাধিক টাকার মাছ বিনষ্ট করার বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগটি দায়ের করেছেন উত্তর পারুলিয়া গ্রামের মৃত দবিরউদ্দীন মৃধার ছেলে সাহেব আলী (৩৭)।

অভিযোগের বিবাদীরা হলেন, উত্তর পারুলিয়া গ্রামের জিয়াদ মল্লিকের ছেলে আনছার মল্লিক (৩২) ও একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের স্ত্রী জেসমিন খাতুন রিংকু (৪০)।

অভিযোগ মতে জানা গেছে, সাহেব আলীর উত্তর পারুলিয়া মৌজার মেলীকুড়োর বিলে ১২ বিঘার মতো একটি মৎস্য ঘের আছে। চলতি মৌসুমে তিনি উক্ত ঘেরে রুই, কাতলা, মৃগেলসগ বিভিন্ন প্রজাজিত সাদা মাছ চাষ করেছেন। তার ঘেরের পাশর্^বর্তী একটি ৬ বিঘার ঘের আছে। উক্ত ঘেরটি বিবাদীরা মৎস্য চাষ করতো কিন্তু তাদের লেনদেন ভাল না হওয়ার কারনে উক্ত জমির মালিক বিবাদীদেরকে ২০২১ সালে আর ঘেরটি দেননি। উক্ত ৬ বিঘার ঘেরটি সাহেব আলী মধ্যস্থতা করে তার বন্ধু সুকুমার ঘোষকে করিয়ে দেন। যার কারনে বিবাদীরা শত্রæতামূলকভাবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে তিনি ঘের থেকে বাড়ি গেলে তার ঘেরে গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে দেয়। যার কারনে তার ১ লক্ষ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিনষ্ট হয়েছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখন করোনা আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন- আইইডিসিআর

অনলাইন ডেস্ক : সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর জানিয়েছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তরা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছেন। গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হারও বেড়েছে।আইইডিসিআর গেল শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

এদিকে রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে।দেশে করোনায় এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যু।এ নিয়ে দেশে করোনায় প্রাণ হারালেন মোট ১০ হাজার ৩৮৫ জন।এর আগে গেল শনিবার এবং শুক্রবার ১০১ জনের রেকর্ড মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।তার আগে সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। হু হু করে বেড়ে চলেছে মৃত্যু সংখ্যা।

আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছরের মার্চে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩৮ জন।এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৯৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সে অনুযায়ী দুই সপ্তাহেই মৃত্যুর হার এক লাফে ৪৭.৫ শতাংশ বেড়েছে।

সংক্রমণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আইইডিসিআর বলেছে, এ বছর এপ্রিলে আগের বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু হারের চেয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মৃত্যু হয়েছে।গত বছরের ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল মাসের সঙ্গে এ বছরের একই সময়ের তুলনা করে দেখা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেউ মারা যায়নি, মার্চে পাঁচজন আর এপ্রিলে ১৬৩ জন মারা গেছেন।আর চলতি বছরের এই তিনটি মাসে মারা গেছেন যথাক্রমে ২৮১, ৬৩৮ এবং ৯৪১ জন।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এ সময় আক্রান্তদের ৪৪ শতাংশই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৩৩ শতাংশ রোগী প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে, ১৭ শতাংশ বাড়িতে এবং ছয় শতাংশ অন্যান্য উপায়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।যারা মারা গেছেন, তাদের ৫২ শতাংশই উপসর্গ শুরুর পাঁচদিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ২৬ শতাংশ পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এবং উপসর্গ শুরুর ১১ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ১২ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি হন।

আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে জানায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ এবং ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬ শতাংশ করোনা রোগীর।এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকারের প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী খুব দ্রুত মৃত্যুবরণ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভোগদখলীয় সম্পত্তি রক্ষা ও মিথ্যে মামলার দায় থেকে অব্যহতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার বকচরায় দীর্ঘদিনের ভোগদখীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষ কামরুজ্জামান গং কর্তৃক মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে জমির মালিকদেরকে হয়রানি অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের মৃত নজির হোসেনের ছেলে মোঃ আব্দুর রব ও বকচরা গ্রামের বাবুর আলীর ছেলে মোঃ আমজাদ আলী এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, বিগত ২৮ ডিসেম্বর‘১৯৮৮ তারিখে এস এ ১০৮৩ এবং ১৫০৯ নং খতিয়ানে রেকর্ডীয় মালিক ইছা খা, এবং ইউছুপ খানের মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশ ছেলে মনিরুল, শহিদুল, কামরুল গংয়ের কাছ থেকে ৮৪১৭ নং কোবলামূলে ৪৯৭৭, ৬০৪১, ৬০৯৬, ৬০২০ ও ৬১৪৫, নং দাগে যা আপোষ মতে ৬০২০ ও ৬১৪৫ দাগের ০.৫১ একর এবং ৩ জুন ১৯৮৯ তারিখের ২১৪৭ নং কোমলা মূলে ৬০৯৬, ৬০৩৯, ৫৬৪৪ নং দাগে ০.৪৬ একর যা আপোষ মতে ৬০৯৬ দাগের ০.৪৬ একর সম্পত্তি আব্দুর রবের পিতা নজির হোসেন খরিদ করেন। পরে ১৫০৯/১ নং খতিয়ানে ২৮৬/৯০-৯১ নাম পত্তন কেসে নজির হোসেনের নামে রেকর্ড সংশোধন করেন। পরবর্তীতে আব্দুর রব এর দুই ছেলে নামে ১৬২৫/১৫-১৬ নং নামজারী কেসে ০.৬৪৬৬ একর সম্পত্তি রেকর্ড সংশোধন হয়েছে। যার হোল্ডিং নং৪৩৭৩। অন্যদিকে ১০৮৩ নং খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক আতেরা খানমের মৃত্যুন্তে তার ছেলে আলী আকবরের মৃত্যুর পর ওয়ারেশগণের কাছ থেকে আলী দায়দার, জোহরা, মাছুরা খানম গংয়ের কাছ থেকে ৫মে ০৮ তারিখের ৩১১৭ নং রেজি: দলিল মূলে ৪৯৮৭, ৫৩০০, ৬০৯৬, ৬১৪৫, ৬৫৪১, ৬০২০, ৩৯৯৫ নং দাগের ০.৪৬ একর যা আপোষ চিহ্নিত মতে ৪৯৭৭ নং দাগের ০.৪৬ একর সম্পত্তি নজরুল ইসলাম খরিদ করেন এবং ৮৯৭/২০-২১ নং নামজারী কেসে নিজ নামে রেকর্ড সংশোধন করেন।
আব্দুর রব ও আমজাদ আলী আরো বলেন, নজরুল ইসলামের কাছ থেকে গত ২১মে ১৮ তরিখের ৪১৬২ নং আমমোক্তারনামা দলিলমূলে আমজাদ হোসেন প্রাপ্ত হন। এরপর উক্ত সম্পত্তি আমাদের দখলে রয়েছে। মাঠ পর্চা, প্রিন্ট পর্চাসহ সকল কাগজপত্র আমাদের রয়েছে। কিন্তু উক্ত সম্পত্তির উপর নজর পড়ে একই এলাকার মৃত. কওছার আলী মন্ডলের ছেলে কামরুজ্জামান, আসাদুজ্জামান, সাঈদুজ্জামান ও ছাত্রলীগ নেতা মামুন হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আফতাবুজ্জামান গংয়ের। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করে। পরে আদালতের নির্দেশে স্থানীয় নায়েব সরেজিমেন তদন্তপূর্বক রিপোর্ট প্রদান করেন যে, কামরুজ্জামান গংরা ওই জমি ভোগদখল করেন না। এরপরও কামরুজ্জামান বিভিন্ন চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দমন করতে একের পর এক মিথ্যে মামলা দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, কামরুজ্জামান গংরা এলাকায় একাধিক মানুষের সম্পত্তি জোরপূর্বক ভোগদখল করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি মৃত মানিক গাজীর কবরস্থান দখল করে দোকানপাট নির্মাণ করেছেন। মজিদ সরদারের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে ভোগদখল করছেন। কামরুজ্জামান বর্তমানে বকচরা এলাকার চিহ্নিত ভূমিদখলকারী হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। উক্ত কামরুজ্জামান গত ১৭ এপ্রিল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভূয়া তথ্য উপস্থাপন করে আমাদের বিরুদ্ধে জঘণ্য মিথ্যেচার করেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তারা অন্যের জমি জবরদখলকারী কামরুজ্জামান গংয়ের কবল থেকে নিজেদের দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় সম্পত্তি রক্ষা ও মিথ্যে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি এবং কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest