সর্বশেষ সংবাদ-
ডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক : হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে দুপুর ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর মামুনুলকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর সাম্প্রতিক সহিংসতা ও রিসোর্টকাণ্ডে রাজধানীর পল্টন থানা ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দুটি মামলা হয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। এছাড়া, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।

মামুনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার হারুন অর রশীদ।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় একদিনে ভারতে সর্বোচ্চ ১৫০১ জনের প্রাণহানি

বিদেশের খবর : করোনাভাইরাসে (কোবিড-১৯) মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে। আগের দিনের রেকর্ড পরের দিন ভেঙে যাচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১৫০১ জন মারা গেছেন, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। আর সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ জন। খবর এনডিটিভির।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮৮ হাজার ১০৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৬৮ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৬৪৩ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিউবায় কাস্ত্রো ভাইদের জমানার সমাপ্তি, পার্টির শীর্ষ পদ ছাড়লেন রাউল

বিদেশের খবর : কিউবায় ছয় দশকের কাস্ত্রো জমানার ইতি ঘটতে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ পদ ছেড়ে দিয়েছে রাউল কাস্ত্রো। ফিদেশ ও রাউলের পর এবার দেশের শাসনভার মিগুয়েল ডিয়াজ-ক্যানেলের হাতে। মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এখবর জানিয়েছে।

২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর থেকে দেশের প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন মিগুয়েল। এবার তার হাতেই দলের নিয়ন্ত্রণ। পার্টির শীর্ষ পদ ফার্স্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব শনিবারই তার হাতে তুলে দেবেন রাউল।

শুক্রবার থেকে কিউবায় শুরু হয়েছে পার্টি কংগ্রেস। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। দলের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে পরবর্তী পাঁচ বছরের নীতি ও নেতৃত্বের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার পার্টি কংগ্রেসের প্রথম দিনেই ৮৯ বছরের রাউল কাস্ত্রো ঘোষণা দেন, তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন দলের শীর্ষ পদ থেকে।

গত পার্টি কংগ্রেসেই রাউল জানিয়ে দিয়েছিলেন কংগ্রেসের নেতৃত্বে শেষবার দেখা যাচ্ছে সেই ‘ঐতিহাসিক প্রজন্ম’কে, যারা ১৯৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত একনায়কতন্ত্রের সমাপ্তি ঘটিয়ে বাম বিপ্লব এনেছিলেন। সেই কথা রেখে এবারের কংগ্রেসের শুরুতেই দলের শাসনভার ছেড়ে দিলেন তিনি।

১৯৫৯ সালে দেশের প্রেসিডেন্ট হন ফিদেল কাস্ত্রো। সেই থেকে দল ও কিউবার নেতৃত্বে ছিলেন কাস্ত্রো পদবীধারীরা। প্রথমে ফিদেল। পরে রাউল। অবশেষে ৬ দশকের শেষে এল পরিবর্তন। দায়িত্ব পেলেন পরবর্তী প্রজন্মের নেতা মিগুয়েল। ফিদেল কিংবা রাউলের মতো সেনা উর্দি পরেন না তিনি। বরং আধুনিক প্রযুক্তির প্রতি আসক্তি রয়েছে ৬০ বছরের নেতার।

নতুন নেতা মিগুয়েলের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থনৈতিক সংকট। যার ফলে ক্রমশই দেশের মানুষের মধ্যে অবসাদ বাড়ছে। বিশেষ করে কিউবার তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। গত বছর দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কমেছে ১১ শতাংশ। এত বড় ধাক্কার ফলে রীতিমতো বেকায়দায় দেশের অর্থনীতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রহিম গ্রেফতার

এসএম বাচ্চু,তালা : একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী মোঃ আব্দুর রহিম (৫০) কে আটক করেছে তালা থানা পুলিশ। সে উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃতঃ শওকত মোড়লের পুত্র।
আটককৃত রহিম এলাকার মানুষের সাথে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে একাধিকবার পুলিশের হাতে আটক হয়। সে সাবেক সেনা সাজের্ন্ট ছিলেন।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তালা থানার ওসির নেতৃত্বে এএসআই মোঃ শামীম হোসেন ও সংগীয় ফোর্সসহ শনিবার (১৭ এপ্রিল) ভোররাতে এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আব্দুর রহিমকে আটক করে। সে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলো ও দু’টি জিআর মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী।
তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী রাসেল আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার সকালে আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইচ্ছে নদী পত্রিকার সম্পাদকের সুস্থ্যতা কামনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ইচ্ছে নদীর সম্পাদক ও প্রকাশক মকসুমুল হাকিম ও তার স্ত্রী করোনার আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরা সিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের আশু সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থসম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইলিয়াস আলী নিখোঁজ নিয়ে মির্জা আব্বাসের বিস্ফোরক মন্তব্য

অনলাইন ডেস্ক : নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াসকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।৯ বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন সিলেটের এই নেতা।এত বছর পর এখন মির্জা আব্বাস সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের পেছনে তার দলের কিছু লোক জড়িত থাকার ইঙ্গিত দিলেন।

মির্জা আব্বাস বলেছেন, এম ইলিয়াস আলী ছিলেন একজন স্বাধীনচেতা, দেশপ্রেমিক সাহসী নেতা। আমাদের দলের মহাসচিব আছেন, তাকে বলতে চাই, ইলিয়াস গুমের পেছনে আমাদের দলের যে বদমাইশগুলো রয়েছে তাদেরকেও চিহ্নিত করার ব্যবস্থা করুন প্লিজ। এদেরকে অনেকেই চেনেন। ইলিয়াস গুম হওয়ার আগের রাতে দলীয় অফিসে কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়, ইলিয়াস খুব গালিগালাজ করেছিল তাকে। সেই বিষধর সাপগুলো এখনো আমাদের দলে রয়ে গেছে। যদি এদেরকে দল থেকে বিতারিত করতে না পারি সামনে এগুতে পারবেন না কোনো অবস্থাতেই।

‘বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনা এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে শনিবার ভার্চুয়ালি আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘সিলেট বিভাগ জাতীয়তাবাদী সংহতি সম্মেলনী-ঢাকার উদ্যোগে এই আলোচনা সভা হয়। এতে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, জহিরউদ্দিন স্বপন, কামরুজ্জামান রতন, আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল এবং নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা বক্তব্য দেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ছাত্র নেতাদের সঙ্গে ৯০’র স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্যদিয়ে আমার সঙ্গে ইলিয়াসের সম্পর্ক, যেটা আজ বিদ্যমান। ভালোবাসার ছাত্র নেতাদের মধ্যে ইলিয়াস আলী ছিল অন্যতম। ইলিয়াস যে রাতে গুম হয় ওই রাত দেড়টা থেকে পৌনে দুইটার দিকে খবর পাই। তাৎক্ষণিকভাবে আমার পরিচিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি তারা আমাকে জানায় তাকে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে যেই পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে থেকে নেওয়া হলো, সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।এই খবরটা আপনারা (উপস্থিত নেতৃবৃন্দ) জানেন না। সেই গাড়িতে যে কয়জন পুলিশ কর্মকর্তা ছিল তাদের আজও পাওয়া যায়নি। যেহেতু ইলিয়াস আলীর গাড়ি চালককেও পাওয়া যায়নি। তাহলে এই কাজটি করল কে?

তিনি আরও বলেন, আমরা কিন্তু সামনের লক্ষণ ভালো দেখছি না। ইলিয়াসকে গুমের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হতে যাচ্ছে। আমি বারবার বলি নেতৃত্ব শূন্যতা। হিসেব করে দেখেন একটা একটা করে রাজনৈতিক দল শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। এখন চলছে হেফাজত। বিএনপির ওপর নির্যাতন তো চলছেই। একটা সময় আওয়ামী লীগকেও শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আমি ধরে নিলাম আওয়ামী লীগ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেনি; তাহলে গুম করল কে? আমাদের একজন নেতা সালাহউদ্দিনকে পাচার করে নিয়ে গেল, চৌধুরী আলমকে গুম করা হলো, আমাদের দলের বহু নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। এটা কিন্তু বাংলাদেশকে ধ্বংস করার পূর্ব আলামত।

বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা বলেন, ধরে নিলাম এই সরকার গুম করেনি; করল কে? যারা করল তাদের জিজ্ঞাসা করা যায় না? যারা এই গুম করেছে তারা এই দেশের স্বাধীনতা চাইনি, তারা দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব থাকতে দেবে না।বেঁচে থাকি কি না জানি না, দেখবেন সামনে আরও ঘটনা ঘটবে। গণমাধ্যমে খবরে দেখলাম প্রত্যেক থানার সামনে মেশিনগান ফিট করেছে, বালু বস্তা দিয়ে বাঙ্কার করা- এসব কীসের আলামত? কাকে মারার জন্য এসব লাগবে? ব্রিটিশ সরকার একটি লাঠি দেওয়ার আগে চিন্তা করে, সেখানে বাংলাদেশে আধুনিক অস্ত্র দিয়ে সশস্ত্রবাহিনীর আদলে পুলিশ বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে। একটু হিসেব করার ব্যাপার বুঝি চলে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের একটি প্লাটুনে মাত্র একটি এলএমজি ছিল। আজকে প্রত্যেক থানার সামনে এসব মেশিনগান। এটা নাকি পুলিশকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য। যেখানে পুলিশ জনগণকে সুরক্ষা দেবে, সেখানে পুলিশের সুরক্ষা এটা আমার কাছে আশ্চর্য লাগে। পুলিশকে কে আক্রমণ করতে যাবে। যেখানে পুলিশের অত্যাচারে আমরা পাগল হয়ে গেলাম। এটা পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এখন যে অত্যাচার হচ্ছে সেটা ইলিয়াস আলী গুমের সূত্র ধরে।

বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালক আনসার আলী রাজধানী থেকে নিখোঁজের পর নয় বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন পরিবার। এখন পর্যন্ত আদালত কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে কোনো ধরনের সমাধান পায়নি তাদের পরিবার। পরিবার জানে না কোথায় আছেন ইলিয়াস আলী ও আনসার আলী। বিএনপির তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) ও তার গাড়ির চালক ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বনানী থেকে নিখোঁজ হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা মহানগর হেফাজতের আমির গ্রেপ্তার

রাজনীতির খবর : রাজধানীর বারিধারা থেকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের আমির জুনায়েদ আল হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম।

তিনি বলেন, আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিবকে রাজধানীর বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় মামলা ছাড়াও বর্তমানে একাধিক মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রেপ্তারের পর জুনায়েদ আল হাবিবকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে রোববার (১৮ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এর আগে গত কয়েক দিনে ২০১৩ সালের মামলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদ, সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফউল্লাহসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সম্পত্তি থেকে জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদরের বকচরা গ্রামে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দীর্ঘদিন ভোগদখলীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টা এবং জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক আইনজীবী সহকারি। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করনে বকচরা গ্রামের মৃত কওছার আলীর ছেলে কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, সদরের কাশেমপুর মৌজার, জে এল নং-৯৩, ১০৮৩ নং খতিয়ানে মোট ৭টি দাগে ৪৫৫ শতক জমির বৈধ মালিক ইছা খা ও ইউসুফ খা দিং। আমার পিতা কওছার আলী মন্ডল বিগত ২৬ এপ্রিল ১৯৮০ তারিখে ৫০০৬ নং কোবলা দলিল মূলে ৫ দাগের ৪০৪ শতক বিলান জমির মধ্যে ২৫ শতক এবং গত ইং ৩১ অক্টোবর ১৯৮৮ তারিখে ৭০৭১ নং কোবলা দলিল মূলে ৭ দাগে ৪৫৫ শতক জমির মধ্যে ২০ শতক জমি। যার এস এ প্রজা ইছা খান এবং ইউসুফ খা ও তাদের ওয়ারেশগণের নিকট হতে ক্রয় করেন। ২টি কোবলা দলিল মূলে ৭টি ৪৫ শতক জমি প্রাপ্ত হয়ে এস এ ৬০৯৬, ৬০২০, ৬১৪৫ ও ৪৯৭৭ নং দাগে আমার পিতা নিস্কন্ঠক ভোগদখলে থাকা অবস্থায় ৪পুত্র, ৩ কন্যা ও স্ত্রীকে রেখে ইন্তেকাল করেন। পিতার মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশ হিসেবে আমরা ২০১০ সালে জমির মিউটেশন করে ১০৮৩/৪ খতিয়ান করে নামপত্তন করি। খাজনাদি পরিশোধ করি। উক্ত সম্পত্তি ৬০৯৬ ও ৬১৪৫ নং দাগের ২৫ শতক জমির মাঝখান দিয়ে বাইপাস সড়ক যাওয়ার কারনে একই এলাকার বাবুর আলী ঢালীর পুত্র চাঁদাবাজ আমজেদ আলী কৌশলে আমাদের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এর জের ধরে আমাদের সম্পত্তিতে সীমান প্রাচীর নির্মাণসহ উন্নয়ন কাজের জন্য ইট,বালু, রড, বাঁশ তক্তাসহ কিছু সরঞ্জাম রেখেছিলাম। কিন্তু আমজেদ বাহিনীর লোকজন আমার উক্ত সরঞ্জাম নিয়ে যায়। আমি বিষয়টি জানতে পেরে আদালতে একটি চুরির মামলা দায়ের করি। যার বিচারিক কার্যক্রম চলমান। আমজেদ আলী এলাকার চিহ্নিত লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে। আমজাদ বাহিনীর সদস্যরা হলেন, বকচরা গ্রামের রাজ্জাক আলী, শওকত ঢালী, কাশেমপুর গ্রামের আব্দুর রব দালাল, আব্দুর রহমান দালাল, ফজলুর রহমান। আমি গত ৩ এপ্রিল‘২১ তারিখে ৬০৯৬, ৬১৪৫ ও ৪৯৭৭ নং দাগের জমিতে গিয়ে ইরি ধানের চাষের আগাছা পরিস্কার করতে থাকলে আমজেদ বাহিনীর লোকজন আমার কাছে ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে উক্ত জমি দখল ও ইরি ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া গত ১৩ এপ্রিল‘২১ তারিখ সকালে ৪৯৭৭ দাগের সম্পত্তি নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন ৬০৮/২১ নং মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি থেকে জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যায়। আমরা বাধা দিতে গেলে জীবন নাশের হুমকি দেয় আমজেদ বাহিনীর লোকজন। তিনি আমজেদ বাহিনীর কবল থেকে পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষা এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest