সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

১৪ এপ্রিল থেকে সব অফিস-গণপরিবহন বন্ধ, প্রজ্ঞাপন জারি

অনলাইন ডেস্ক : আগামী ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আট দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতি অবনতির কারণে আগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় আগামী ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত ১৩টি বিধি-নিষেধ আরোপ করার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

প্রজ্ঞাপনে যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো :

১. সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ও সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সকল প্রকার পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোরর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (সরাসরি/অনলাইন) করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারা দেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবি নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিদেশের খবর : করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল ভারত। গেল কয়েকদিন ধরেই দেশটিতে প্রতিদিন সংক্রমণের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রোববারও (১১ এপ্রিল) একদিনে দেড় লাখেরও বেশি মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

ফলে বিশ্বে সংক্রমণ তালিকায় ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে তিন থেকে দুই নম্বর স্থানে উঠে এসেছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ এই দেশটি। আর তালিকায় তিনে নেমে গেছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। সোমবার (১২ এপ্রিল) ভোরে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতে এখন পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৬৪ জন। মারা গেছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ২০৯ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৯৯ জন।

দেশটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্র। রোববার এ রাজ্যে একদিনে ৬৩ হাজার ২৯৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন ৩৪৯ জন। দেশের মধ্যে প্রায় ৫২ শতাংশ রোগীই মহারাষ্ট্রের। সোমবার সকাল ৭টা থেকে মহারাষ্ট্রে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া ছত্তিশগড়, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও ভয়াবহ। সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বেশিরভাগ রাজ্যেই রাত্রীকালীন কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন।

নতুন বিধি-নিষেধ জারি করেছে দিল্লি সরকার। সেখানে জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। এছাড়া রেস্টুরেন্ট, থিয়েটার, গণপরিবহ, বিয়ে এবং শেষকৃত্যের মতো অনুষ্ঠানে লোকজনের অংশগ্রহণে সীমিত করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এদিকে বিশ্বে সংক্রমণ-মৃত্যুর দিক থেকে এখনও শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৮১৮ জন মারা গেছেন। এছাড়া শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ১৯ লাখ ১৫ হাজার ১৭৯ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯২ জন।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গেলেও মৃত্যুর দিক থেকে এখনও দুইয়ে রয়েছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮২ হাজার ২৩ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৩৭ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬৪ জন।

সংক্রমণের তালিকায় চতুর্থ স্থানে ফ্রান্স, পঞ্চম স্থানে রাশিয়া, ষষ্ঠ স্থানে যুক্তরাজ্য, সপ্তম স্থানে তুরস্ক, অষ্টম স্থানে ইতালি, নবম স্থানে স্পেন এবং দশম স্থানে রয়েছে জার্মানি। বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৫টার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত এই মহামারিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৯০৯ জন। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৯ লাখ ৪৮ হাজার ৮৮ জনের। কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়েছেন ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার ৫৭৫ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে। ওই বছরেরই ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে, জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন অন্ততঃ ১৬১ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৩৬ জন। রবিবার দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত ওই ব্যক্তির নাম জাকির হোসেন (৫০)। তিনি তালা উপজেলার সুভাষিনী পাঁচরোকী গ্রামের মৃত সামছুর রহমানের ছেলে।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জ¦র, সর্দি, কাশি, শ^াসকষ্ট, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ নানা রোগ নিয়ে গতকাল ১০ এপ্রিল ওই ব্যক্তি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান। তার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৃত ওই ব্যক্তির লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
এদিকে, সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক ব্যবহারের প্রবনতা বৃদ্ধি পেলেও সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করছেন না কেউই। ফলে বাজারঘাটে, দোকানপাটে প্রচুর ভিড় দেখা যাচ্ছে। একইসাথে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা দিচ্ছে যানজট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গতবছরের মত ঘোষণা হচ্ছে সাধারণ ছুটি, কাজ করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

অনলাইন ডেস্ক : গত বছরের মতো এবারো সাধারণ ছুটিই প্রয়োজন বলে মনে করছেন সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। রোববার (১১ এপ্রিল) উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো সারাংশ আকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হচ্ছে।

জানা গেছে, রবিবার বৈঠকে হওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সাধারণ ছুটির বিষয়েই বেশিরভাগ মতামত এসেছে। তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে কলকারখানা খোলা রেখে সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব এসেছে। এই সব বিষয়গুলো উল্লেখ করেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যেটা সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।

এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যবসায়ীরা কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়ে জোর দাবি জানাচ্ছেন। অর্থনীতির দিক থেকে এটা ফেলে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে সেখানে কলকারখানা খোলা রাখলে শক্ত লকডাউন সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়। তাই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই আসবে। সে পর্যন্ত অপেক্ষ করতে হবে।

এদিকে, আগমী সোম ও মঙ্গলবার বিদ্যমান বিধি-নিষেধ চলবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আজ বিকেলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তাই আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কী ধরনে সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে তা পরবর্তী প্রজ্ঞাপনে জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাজীতির খবর : বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হলেও তিনি ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। এমনকি তাঁর তেমন কোনো উপসর্গও নেই।

রোববার বিকেলে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও তাঁর ভাগনে ডা. মামুন ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য জানিয়েছেন।

বিকেলে ডা. মামুন বলেন, “শুধু খালেদা জিয়া নন, রাজধানী গুলশানের ‘ফিরোজা’ বাসভবনের যত বাসিন্দা আছেন, তারা সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ওই বাসভবনে থেকে সবাই চিকিৎসা নিচ্ছেন। অন্য দু-একজনের উপসর্গ থাকলেও ম্যাডামের করোনার উপসর্গ নেই। তিনি ভালো আছেন, সুস্থ আছেন।’

এরপরই রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এখন তাঁর (খালেদা জিয়া) সর্বশেষ যে পরিস্থিতি, প্রফেসর ডা, এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসক যাঁরা আছেন তাদের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি এখন স্থিতিশীল আছেন, ভাল আছেন। তাঁর শরীরে তাপমাত্রা নেই। অন্য কোনো উপসর্গ নেই। চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ যদি কোনো প্রয়োজন হয়, তখন সেই পরবর্তী ট্রিটমেন্টের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে ডা. মামুন বলেন, ‘আমরা খুবই সতর্কতার সহিত বাসভবনের সবাইকে দেখভাল করছি। পুরো বাসভবনকে হাসপাতালের মতো করে রাখা হয়েছে। ম্যাডামের কোনো উপসর্গ দেখা দেয়নি। এখন পর্যন্ত তাঁর শারীরিক কোনো জটিলতাও আমরা দেখিনি। ফলে আমাদের আপাতত চিন্তা, বাসায় রেখে তাঁকে চিকিৎসা করানো। তবে রাজধানীর একটি হাসপাতালে আমরা কথা বলে রেখেছি। যদি কোনো ধরনের শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়, তাহলে আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর চিন্তা করব।’

রবিবার দুপুরেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হচ্ছিল, খালেদা জিয়া করোনা পজিটিভ। খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার একটি রিপোর্টের কপিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান দুপুরে এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাঁর করোনা পজিটিভ, এটা শতভাগ সত্য।’

যদিও বিষয়টি তখনো দল ও খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

এই অবস্থার মধ্যেই সংবাদ সম্মেলনে এসে মির্জা ফখরুল বিষয়টি নিশ্চত করলেন। তিনি এটাও নিশ্চিত করেন, খালেদা জিয়া ভাল আছেন।

খালেদা জিয়ার বাসায় আরও কেউ করোনা আক্রান্ত কি না জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলেও সাংবাদিকদের জানান।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ আদালতের রায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে কারাবন্দি হন খালেদা জিয়া। তারপর নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে শুরু হয় তাঁর কারাজীবন। একই বছরের ৩০ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর বাড়িয়ে ১০ বছরের আদেশ দেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নম্বর অস্থায়ী বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

নাজিমউদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে এক বছরের বেশি সময় বন্দিজীবন কাটানোর পর চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে আসা হয় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেবিন ব্লকের প্রিজন সেলে।

গত বছর সারা বিশ্বে মহামারি করোনা ছড়িয়ে পড়লে শর্তসাপেক্ষে সরকার প্রধানের নির্বাহী আদেশে জামিন পান খালেদা জিয়া। প্রায় ২৫ মাস (কারাগার ও বিএসএমএমইউ’র প্রিজন সেল) কারাভোগের পর তিনি ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মুক্ত হন। বিএসএমএমইউ প্রিজন সেল থেকে মুক্তির পর গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় অবস্থান করছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একদিনে সর্বোচ্চ ৭৮ জনের মৃত্যুর রেকর্ড

দেশের খবর : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা একদিনে দেশে করোনায় মৃত্যুর নতুন রেকর্ড। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯ হাজার ৭৩৯ জনে। একই সময়ে আরও পাঁচ হাজার ৮১৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জনে।

রোববার (১১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ৫৩ জন পুরুষ ও ২৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ৭৭ জন হাসপাতালে ও বাসায় অবস্থানকালে একজনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে সারাদেশে মোট ২৯ হাজার ২৯৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ২৯ হাজার ৩৭৬টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক শূন্য ৮১ শতাংশ। ২০২০ সালের বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্তের পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

একই সময়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন চার হাজার ২১২জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ৭৬হাজার ৫৯০ জনে দাঁড়াল। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ২০ শতাংশ।

গত একদিনে করোনায় মৃতদের মধ্যে শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সী একজন, ত্রিশোর্ধ্ব ছয়জন, চল্লিশোর্ধ্ব সাতজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৬ জন ও ষাটোর্ধ্ব ৪৮ জন রয়েছেন।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মৃত ৭৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৭ জন, চট্টগ্রামে ২০ জন, রাজশাহীতে চারজন, খুলনায় চারজন, সিলেটে দুজন ও রংপুর বিভাগে একজন রয়েছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে সাত হাজার ৬২৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়, যা দেশে করোনায় একদিনে শনাক্তে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর গত ৬ এপ্রিল একদিনে শনাক্ত হয়েছিলো সাত হাজার ২১৩ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের মাস্ক ও সাবান বিতরণের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের দরিদ্র জনসাধারণের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রি মাস্ক, সাবান, হ্যান্ডওয়াস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রাথমিক পর্যায়ে বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চত্বরে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে করোনার সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো. নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যাপক সতর্কতা অবলম্বন করে নিজেকে ও নিজের পরিবার এবং চারপাশের মানুষদের সুরক্ষিত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া পরামর্শ মেনে চলতে হবে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এবং সংক্রমণ রোধে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ দরিদ্র জনসাধারণকে সহযোগিতা দিতে পাশে থাকবে। প্রাথমিকভাবে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে করোনার সংক্রমণ রোধে জেলা পরিষদের সদস্যদের মাধ্যমে স্ব-স্ব এলাকায় এ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদ জেলার উন্নয়নের পাশা পাশি আত্মমানবতার সেবায় দরিদ্র জনগোষ্ঠির পাশে থেকে কাজ করছে। করোনা প্রতিরোধে পরবর্তীতে ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কাজ করবে। এসময় তিনি করোনার সংক্রমণ রোধে সকলকে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার আহবান জানান এবং করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সকলের কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।’
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শেখ সাহিদ উদ্দীন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ অঅমিনুর রহমান বাবু, জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ¦ মো. আল ফেরদাউস আলফা, মাহফুজা রুবি, মো. ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মো. মতিয়ার রহমান, মো. মনিরুল ইসলাম, মীর জাকির হোসেন, আব্দুল হাকিম, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মহিউদ্দিন হাশেমী তপু, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম, খলিলুর রহমান প্রমুখ। এসময় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের অর্থায়ণে জেলা পরিষদের সদস্যদের মাধ্যমে বিতরণের লক্ষ্যে ১ লক্ষ মাস্ক ও ৪০ হাজার সাবান বিতরণ করা হয়। এসময় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২, প্যাগোডার সামনে লাশের স্তূপ

বিদেশের খবর : মিয়ানমারের বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর সেনাবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে অন্তত ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ কথা জানিয়েছে।

গত শুক্রবার বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের হত্যার পর তাদের মরদেহ লুকিয়ে রাখে সেনাবাহিনী। এ কারণে মৃত্যুর তথ্য জানতে দেরি হয়।

বাগো শহরের নিহত বিক্ষোভকারীদের লাশ সেখানকার জেয়র মুনি প্যাগোডা প্রাঙ্গণে স্তূপ করে রাখে সেনাবাহিনী। পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়। স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস (এএপিপি) এমনটি জানায়।

এএপিপি জানায়, শনিবার সকাল নাগাদ মৃতের সংখ্যা জানা সম্ভব হয়নি। পরে এসব তথ্য উদ্ধার হয়। তবে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বাগো শহরের বিক্ষোভের অন্যতম সংগঠক ইয়ে তুত দেশটির সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউকে বলেন, ‘এটা গণহত্যা ছাড়া কিছু নয়। প্রতিটি জায়গায় গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়।’

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এক বছরের জন্য দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে। তখন থেকে প্রায় প্রত্যেকদিন মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীরা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছেন।

গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে আবারও ক্ষমতায় আসে। সামরিক বাহিনী এই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়ে দেয়। পরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসে সেনাবাহিনী।

মিয়ানমারের জান্তা সরকার এ পর্যন্ত ৬০০ জনের বেশি মানুষ হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে গত শুক্রবার রাজধানী নাইপিদোয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল জ মিন তুন দাবি করেন, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ২৪৮ জন বেসামরিক লোক এবং ১৬ জন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest